Logo
শিরোনাম

অভিন্ন মানত পূরণে নওগাঁয় সূর্য পূজা করলো সনাতন ধর্মালম্বীরা  

প্রকাশিত:Monday ৩১ October ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ০৭ February ২০২৩ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রির্পোটারঃ

নওগাঁয় বর্নাঢ্য আয়োজনে সনাতন ধর্মালম্বীরা উদযাপন করলো সূর্য পূজা। মনোবাসনা পূর্ণ, আপদ, বিপদ দূর সহ বিভিন্ন মানত পূরণে হিন্দু ধর্মাবলম্বী হরিজন, রবিদাস ও রজক সম্প্রদায়ের লোকজন এ পুঁজা-অর্চনা করেন। দু'দিন ব্যাপি চলে এ পূজা।

রবিবার বিকেলে নওগাঁর ধামুরহাট উপজেলার খুকশী বিলের তীরে দু' দিনব্যাপী এ সূর্য পূজা শুরু হয়। প্রথম দিনে বিভিন্ন মানত পুরণে সূর্য দেবতাকে সন্তুষ্টির জন্য ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সম্প্রদায়ের হাজারো পূর্ণার্থীর সমাগম ঘটে এই সূর্য পূজায়। এরপর সূর্য অস্তে সকলেই বাড়ি ফিরে যান। 


২য় দিন সোমবার পূণ্যার্থীরা খুকশী বিলের তীরে উপস্থিত হয়ে সূর্য উদয় হওয়ার পূর্ব মুহূর্ত থেকে একই নিয়মে পূজা শুরু করেন এবং সূর্যদয় হওয়ার পর সূর্যকে প্রণাম করে নদীতে স্নান এবং শরবত পানের মধ্য দিয়ে শেষ করেন সূর্য পূজা।

এ বিষয়ে মহেশ পাল জানান, বাপ দাদাদের আমল থেকে সূর্য দেবতাকে সন্তুষ্ট করতেই প্রতি বছর এই দিনে সকলেই একত্রিত হয়ে খুকশী বিলের তীরে পূজা করেন তারা।

গৌরব প্রসাদ সাহা বলেন, এই পূজার কখন উৎপত্তি হয়েছিল তার কোনো স্পষ্ট নিদর্শন পাওয়া যায় না। কিন্তু কিছু পৌরাণিক আখ্যানে ছটপূজার নীতি নিয়মের সঙ্গে মিল থাকা উৎসব দেখা যায়। ঋগ্বেদের শ্লোকসমূহে সূর্যবন্দনার স্পষ্ট নিদর্শন আছে। ভারতীয় সভ্যতার সঙ্গে গ্রীক, রোমান, মিশরীয় ইত্যাদির সভ্যতা সমূহেও সূর্য মূখ্য দেবতা ছিলেন।


আরও খবর



রবীন্দ্রনাথের গল্প ও সুর মানুষকে পথ দেখিয়েছে-- খাদ্যমন্ত্রী

প্রকাশিত:Monday ৩০ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Monday ০৬ February ২০২৩ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টার :

খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার এমপি বলেছেন, বাঙালির আত্মপরিচয় জাগিয়ে তুলেছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। বাঙালি যতবার সভ্যতার সংকটে পড়েছে ততবার কবিগুরুর কবিতা,গল্প ও সুর মানুষকে সঠিক পথ দেখিয়েছে।সোমবার বেলা সারে ১১ টায় নওগাঁ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে ৪১তম জাতীয় রবীন্দ্র সংগীত সম্মেলন উপলক্ষে আয়োজিত প্রস্তুতি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে খাদ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

এসময় মন্ত্রী আরো বলেন, কথা, কবিতা ও গানে বিশ্বকবি সামগ্রিকভাবে বাঙালি নন্দনতত্ত¡কে তুলে ধরেছেন বিশ্ব দরবারে। নতুন প্রজন্মের কাছে রবীন্দ্রনাথের কৃতিত্বকে পরিচিত করতে প্রতিটি জেলায় রবীন্দ্র সম্মেলন আয়োজন করা দরকার।

খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার আরো বলেন, একাত্তরের কোটি মুক্তিযোদ্ধার কণ্ঠে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গানের যে অনুভব তা আমরা লক্ষ করেছি। তিনি যে মুক্তির ডাক দিয়েছেন, তার রচিত স্বদেশের গানে তা অনুরণিত হতে দেখেছি একাত্তরে।

নওগাঁ জেলা প্রশাসক খালিদ মেহেদী হাসান পিএএ' এর সভাপতিত্বে নওগাঁ জেলা পুলিশ সুপার মুহাম্মদ রাশিদুল হক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মিল্টন চন্দ্র রায়, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা গোলাম শাহনেওয়াজ,  এফবিসিসিআই পরিচালক ও নওগাঁ চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি ইকবাল শাহরিয়ার রাসেল, জাতীয় রবীন্দ্র সংগীত সম্মিলন পরিষদ নওগাঁ’র সাধারন সম্পাদক মোসাদ্দেক হোসেন সহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

সভায় জানানো হয়, আগামী ৩-৫ মার্চ নওগাঁ জেলায় ৪১ তম রবীন্দ্র সম্মিলণ অনুষ্ঠিত হবে। ৩ দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালার মধ্য থাকবে সহস্রকন্ঠে রবীন্দ্র সঙ্গীত পরিবেশন, পতিসরে রবীন্দ্র প্রীতি সম্মেলন ও স্মৃতিচারণ, রবীন্দ্র নাথের চিত্রকর্ম প্রদর্শন এবং কবিগুরুর জীবন ও কর্ম নিয়ে আলোচনা। এতে অংশ গ্রহন করবেন, আসাদুজ্জমান নূর, রামেন্দু মজুমদার, রেজোয়ানা চৌধুরী বন্যা সহ দেশ বরেণ্য শিল্পীরা।


আরও খবর



এমপি মৃনাল কান্তি দাসের মাতার শ্রাদ্ধে সর্বস্তরের মানুষের ঢল

প্রকাশিত:Sunday ১৫ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Tuesday ০৭ February ২০২৩ |
Image

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি: বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক, মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য, মুন্সীগঞ্জের মাটি ও মানুষের নেতা এড. মৃণাল কান্তি দাসের মাতা গীতা রানী দাসের শ্রাদ্ধ অনুষ্ঠানে সর্বস্তরের মানুষের ঢল নামে।

গত শনিবার মুন্সীগঞ্জ আইনজীবী সমিতির প্রাঙ্গণে আয়োজিত শ্রাদ্ধের অনুষ্ঠানে অংশ নেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, শিক্ষামন্ত্রী ডাঃ দীপু মনি, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য আব্দুর রহমান,  বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভী, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিষ্টার বিপ্লব বড়ুয়া, নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য এ কে এম শামিম ওসমান, বরিশাল-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক পঙ্কজ দেবনাথ,  ও মুন্সীগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপিকা সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলি, মুন্সীগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মাহী বি চৌধুরী, গাজীপুরের সাবেক মেয়র মো. জাহাঙ্গীর আলম, মুন্সীগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোহাম্মদ মহিউদ্দিন, নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান চন্দনশীল, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মাঈনুল হোসেন খান নিখিল, বাংলাদেশ আওয়ামী সেচ্ছা সেবকলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি গাজী মেজবাহ্উল আলম সাচ্চু ও সাধারণ সম্পাদক আফজালুর রহমান বাবু, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান, মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রশাসক কাজী নাহিদ রসুল, পুলিশ সুপার মাহফুজুর রহমান আল মামুন, পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান, মুন্সীগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ লুৎফর রহমান, গজারিয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান রেফায়েত উল্লাহ খান তোঁতা, বাসস ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল কালাম আজাদ, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শ্যামল দত্ত, মুন্সীগঞ্জ পৌর মেয়র হাজী মোঃ ফয়সাল বিপ্লব, মিরকাদিম পৌর মেয়র হাজ্বী আব্দুস সালাম, মুন্সীগঞ্জ জেলার বর্তমান ও সাবেক সকল জনপ্রতিনিধিসহ নানা শ্রেণিপেশার মানুষ।


আরও খবর



নেত্রকোনায় সড়ক দুর্ঘটনায় যুবক নিহত

প্রকাশিত:Monday ২৩ January 20২৩ | হালনাগাদ:Monday ০৬ February ২০২৩ |
Image

নেত্রকোনা প্রতিনিধি :

সোমবার সকালে জেলা সদরে তেরী এলাকায় বাসকে সাইড দিতে গিয়ে মোটরসাইকেল আরোহী শাকিল আহমেদ নামের এক যুবক নিহত হন। 

বড় ভাইকে বাসে তুলে দিয়ে বাড়ি ফেরার পথে ছোট বাজার এলাকায় বাসকে সাইড দিতে গিয়ে বিদ্যুতের পিলারের সাথে ধাক্কা লেগে ঘটনাটি ঘটেছে।

দুপুরে খবর পেয়ে নেত্রকোনা মডেল থানার পুলিশ লাশ উদ্ধার করে আইনি প্রক্রিয়া শেষে স্বজনদের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করে।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, সকালে নেত্রকোনা পৌর শহরের আন্তঃজেলা বাস টার্মিনালে মোটরসাইকেল যোগে বাংলা এলাকা থেকে বড় ভাইকে নিয়ে আসেন শাকিল। 

ভাইকে বিদায় দিয়ে নিজের মোটরসাইকেল যোগে বাড়ি ফিরছিলেন। 

এসময় ঢাকাগামী বিপরীত দিক থেকে আসা একটি যাত্রীবাহী বাসকে সাইড দিতে গিয়ে সড়কের পাশে থাকা বিদ্যুৎ এর খুঁটিতে ধাক্কা খেয়ে পড়ে যান শাকিল। 

স্থানীয়রা দ্রুত এসে উদ্ধার করে নেত্রকোনা জেলা সদর হাসপাতাল নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।  

নেত্রকোনা মডেল থানার পুলিশ খবর পেয়ে আইনগত প্রক্রিয়া শেষে লাশ স্বজনদের কাছে দিয়ে দেয়। 

মামলার তদন্ত অফিসার এস আই মো. আশরাফুজ্জামান সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, নিহত শাকিল আহমেদ সদর উপজেলার বাংলা গ্রামের আবেদ আলীর ছেলে।


আরও খবর



মহাদেবপুরে ভীমপুর ইউনিয়ন

আওয়ামীলীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:Monday ২৩ January 20২৩ | হালনাগাদ:Tuesday ০৭ February ২০২৩ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টার :


নওগাঁর মহাদেবপুরে ভীমপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।  ২৩ জানুয়ারী সোমবার দুপুরে ভীমপুর ইউনিয়নের হাটচকগৌরী উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি মোঃ হাসান আলী মন্ডল।

উদ্বোধক ও প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন, জাতীয় সাংসদ-৪৮, নওগাঁ-৩, মহাদেবপুর-বদলগাছী আসনের এমপি জননেতা আলহাজ্ব মোঃ ছলিম উদ্দিন তরফদার সেলিম এমপি। এসময় বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, নওগাঁ জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি শাকিল আহম্মেদ বাদল, নওগাঁ জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ন-সাধারন সম্পাদক জাভেদ জাহাজ্ঞীর সোহেল, নওগাঁ জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক তাজুল ইসলাম তোতা,  জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য ও বীর মুক্তিযোদ্ধা অজিত কুমার মন্ডল, নওগাঁ জেলা পরিষদ সদস্য ও মহাদেবপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি গোলাম নূরানী আলাল, মহাদেবপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক আহসান হাবীব ভোদন, মহাদেবপুর সদর ইউনিয়ন পরিষদ এর চেয়ারম্যান ও সদর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক তরুন সমাজ সেবক সাঈদ হাসান তরফদার ( শাকিল), মহাদেবপুর উপজেলা সেচ্ছাসেবকলীগের সহ-সভাপতি রাজু আহম্মেদ। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন, ভীমপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক হাসানুল ইসলাম স্বপন তরফদার। সম্মেলনের শেষ পর্বে প্রধান অতিথি আলহাজ্ব মোঃ ছলিম উদ্দিন তরফদার সেলিম এমপি আলহাজ্ব মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান কে সভাপতি ও আতাউর রহমানকে সাধারন সম্পাদক করে ভীমপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের কমিটি গঠনের ঘোষনা দেন। 


আরও খবর



নওগাঁয় তীব্র শীত অপেক্ষা করে বোরো ধান রোপনে ব্যস্ত কৃষকরা

প্রকাশিত:Sunday ১৫ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Monday ০৬ February ২০২৩ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টার :

নওগাঁ জেলা মূলত উত্তর জনপদের খাদ্যশস্য ভান্ডার খ্যাত হিসেবে ব্যাপক পরিচিত। 

ইতি মধ্যেই নওগাঁ জেলায় হিমেল হাওয়া ও হাড়কাঁপানো শীতের মধ্যেই বোরো ধান রোপনে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা।

জেলার আত্রাই উপজেলার প্রতিটি মাঠে মাঠে চলছে এখন বোরো ধান রোপনের কাজ। শুধু আত্রাই উপজেলা নয় নওগাঁ জেলার ১১টি উপজেলার ৯৯টি ইউনিয়নের প্রতিটি মাঠে মাঠে (বিশেষ করে নিচু জমিতে) চলছে আগাম বোরো ধানের চারা রোপনের কাজ। সঠিক সময়ে বোরো ধান রোপন করতে পেরে খুশি কৃষকরা।

প্রচন্ড শীত আর সেই সাথে ঘণ কুয়াশায় বোরো বীজতলা তৈরি করা থেকে শুরু করে চারা রোপন করা পর্যন্ত ব্যস্ততার মধ্যেই সময় কাটছে ধান চাষি কৃষকদের। ইতোমধ্যে নানা সমস্যার মধ্যেও বোরো চারা রোপনের জন্য কোমর বেঁধে মাঠে নেমেছেন কৃষকরা। এখন গভীর নলকূপের মাধ্যমে সেচ দিয়ে ধানের চারা রোপনের কাজ চলছে। কোনো জমিতে চলছে চাষ, বীজতলা থেকে তোলা হচ্ছে বীজ, চলছে রোপন সব মিলিয়ে মাঠে মাঠে চলছে বোরো ধান রোপনের কাজ।

কৃষকরা বলছেন, এক ফসল বিক্রি করে অন্য ফসল আবাদ করা হয়। এবারো তার ব্যতিক্রম হচ্ছে না। তবে এখন কয়েকটি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় কৃষকরা ধান চাষের কৃষি জমিগুলো লিজ দিয়ে তৈরি  করছেন মাছ চাষের পুকুর। এতে করে স্থায়ী ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে ৩ ফসলী শত শত বিঘা কৃষি জমি।

নওগাঁর আত্রাইয়ের সাহাগোলা গ্রামের ধান চাষি কৃষক আজাদ সরদার বলেন, গত বছর তিনি ৮বিঘা জমিতে বোরো ধানের আবাদ করেছিলেন। এবার করছেন ৫বিঘা জমিতে। প্রচন্ড শীত আর ঘন কুয়াশাকে উপেক্ষা করে প্রায় জমি তৈরির কাজ শেষের দিকে। আর ক’দিনের মধ্যে চারাগাছ রোপন করা শুরু করব।

ভবানীপুর গ্রামের কৃষক ওয়াজেদ আলী বলেন, পৌষ মাসের শুরুতেই বোরো ধান রোপন করা শেষ হওয়ার কথা ছিলো। কিন্তু প্রচন্ড শীত আর ঘন কুয়াশার কারণে কৃষকরা মাঠে নামতে পারেননি। তাই চলতি মৌসুমে বোরো ধান রোপনে কিছুটা বিলম্ব হয়ে গেলো। এতে করে ফলনও একটু ব্যাহত হতে পারে বলে ধারনা পোষন করেন তিনি।

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ কে এম কাউছার হোসেন বলেন, চলতি মৌসুমে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় বীজতলার তেমন একটা ক্ষতি না হওয়ায় আত্রাই উপজেলার কৃষকরা অনেকটা স্বস্তিতে রয়েছে। তিনি আরোও জানান, উপজেলায় চলতি বোরো ধানের আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে প্রায় ১৮ হাজার হেক্টর জমিতে। এ পর্যন্ত উপজেলায় প্রায় শতকরা ৩০ শতাংশ জমিতে বোরো ধান রোপন করা সম্পন্ন হয়েছে। অতিদ্রুত পুরো উপজেলার সকল মাঠের জমিতে বোরো ধান রোপন করা সম্পন্ন হবে বলে তিনি আশাবাদি।

এছাড়াও উপজেলার কৃষকদের বোরো বীজতলা তৈরি করা থেকে শুরু করে জমিতে চারা রোপন করা পর্যন্ত সকল পরামর্শ প্রদান অব্যাহত রয়েছে। কৃষি অফিস যে কোন প্রয়োজনে যে কোন সময় কৃষকদের সার্বিক সহযোগিতা ও পরামর্শ প্রদানের জন্য পাশে দাঁড়াতে প্রস্তুত রয়েছে বলেও জানান তিনি। 


আরও খবর