Logo
শিরোনাম

অ্যাকশন দৃশ্য করতে গিয়ে পা ভাঙল শিল্পার

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১১ আগস্ট ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ |
Image

শুটিংয়ে পা ভেঙেছে শিল্পা শেঠির। ফেসবুকে ছবি পোস্ট করে গতকাল বুধবার বিষয়টি জানিয়েছেন শিল্পা নিজেই। ছবিতে দেখা গেছে, শিল্পার পায়ে প্লাস্টার করা। কিন্তু মুখে হাসি। 

শিল্পা ফেসবুকে লিখেছেন, তারা বললো ‌‘রোল, ক্যামেরা, অ্যাকশন। পা ভেঙে ফেলো’! আমি আক্ষরিক অর্থে সেটা পালন করেছি। ছয় সপ্তাহ অ্যাকশনে অংশ নিতে পারবো না। তবে দ্রুতই আরও শক্তিশালী ও আরও ভালোভাবে ফিরবো। সেই পর্যন্ত সবাই প্রার্থনা করবেন। প্রার্থনায় সবসময় কাজ হয়।

পা ভাঙার আগের দিন ওয়েব সিরিজ ‘ইন্ডিয়ান পুলিশ ফোর্স’র বিহাইন্ড দ্য সিনের ভিডিও শেয়ার করেছিলেন শিল্পা। রোহিত শেঠি পরিচালিত এ সিরিজে শিল্পাসহ আরও অভিনয় করছেন সিদ্ধার্থ মালহোত্রা, বিবেক ওবেরয় ও ইশা তালওয়ার। 


আরও খবর

যৌনপল্লীতে নায়িকা নিপুণ আক্তার !

বৃহস্পতিবার ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২২




মোরেলগঞ্জ মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের উদ্বোধন করলেন মন্ত্রী

প্রকাশিত:রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ |
Image

এম.পলাশ শরীফ, নিজস্ব প্রতিবেদক:

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। রবিবার বিকেল পৌনে ৪টায় মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা আ.ক.ম মোজাম্মেল হক ভার্চুয়ালি ভবনটি উদ্বোধন করেন। 

স্থানীয় সংসদ সদস্য অ্যাড. আমিরুল আলম মিলন, বাগেরহাট জেলা প্রশাসক মো. আজিজুর রহমান,  জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও মোরেলগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান অ্যাড. শাহ্-ই-আলম বাচ্চু, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো.জাহাঙ্গীর আলম, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মো. লিয়াকত আলী খানসহ বীর মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন। জানা গেছে, ২ কোটি ৩১ লাখ টাকা ব্যায়ে নির্মিত চারতলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনটি রবিবার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন শেষে মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। 


আরও খবর

সোনারগাঁয়ে দলিল লিখককে হত্যার অভিযোগ

রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২




সিরাজগঞ্জে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ৫ সদস্য আটক

প্রকাশিত:সোমবার ২৯ আগস্ট ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২২ |
Image

সোহেল রানা ,রায়গঞ্জ (সিরাজগঞ্জ):

সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে আঞ্চলিক সড়কে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দেশীয় অস্ত্রসহ আন্ত:জেলা ডাকাত চক্রের ৫ সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে একটি রামদা, হাসুয়া, বিভিন্ন সাইজের লোহার রড, কাটার মেশিন এবং একটি ট্রাক জব্ধ করা হয়।

শনিবার  রাতে রায়গঞ্জ থানার চান্দাইকোনা ইউনিয়নের অর্ন্তগত বল্লাভেঙ্গুর বটতলা তিন রাস্তার মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন, রায়গঞ্জ উপজেলার মোজাফফরপুর গ্রামের আব্দুল মজিদের ছেলে আব্দুল মমিন (২০), আবু তালেবের ছেলে আশরাফুল আকন্দ (২৫), মৃত সিদ্দিক সেখের ছেলে মোঃ সাইদুল ইসলাম (২২), মোঃ রেজাউল করিমের ছেলে মোঃ নূরনবী সেখ (২০) ও টাঙ্গাইল জেলার বেলতা গ্রামের হামিদ ম-লের ছেলে আবুল কালাম (৩২)।

রায়গঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ রফিকুল ইসলাম এতথ্য নিশ্চিত করে জানান, শনিবার রাতে রায়গঞ্জ উপজেলার শিমলা থেকে রানীরহাটগামী আঞ্চলিক সড়কের চান্দাইকোনা ইউনিয়নের বল্লাভেঙ্গুর বটতলা তিন রাস্তার মোড় এলাকায় একটি ট্রাকসহ একটি ডাকাতদল অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে ডাকাতির প্রস্তুতি গ্রহণ করছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গভীর রাত দেড়টার সময় ঘটনাস্থলে পৌছলে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে উপস্থিত ডাকাতদল দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলে ডাকাত দলের মধ্য থেকে ৫জন আসামীকে একটি ট্রাকসহ আটক করা হয়। এ সময় ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত ধারালো দা, হাসুয়া, বিভিন্ন সাইজের লোহার রড, একটি কাটার মেশিন এবং একটি ট্রাক জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় রাতেই উপ-পরিদর্শক মোঃ হাসানুজ্জামান বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় আসামী দেখিয়ে রোববার দুপুরে গ্রেফতারকৃতদের সিরাজগঞ্জ আদালতে প্রেরণ করা হয়। 


আরও খবর



কু‌মিল্লা মনোহরগঞ্জে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরে কর্মবিরতি

প্রকাশিত:সোমবার ১২ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ |
Image

কুমিল্লা ব্যুরো ঃ

জনবল কাঠামো ও নিয়োগবিধি বাস্তবায়নসহ পাঁচ দফা দাবিতে সারা দেশের ন্যায় কুমিল্লার মনোহরগঞ্জে অর্ধদিবস কর্মবিরতি পালন করেছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী গণ। সোমবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের সংযুক্ত কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ পরিষদের ব্যানারে এ কর্মবিরতি পালন করা হয়।

এসময় উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ ওয়াসিম, অফিস সহকারী কাম- কম্পিউটার ওমর ফারুক মজুমদার, উপসহকারী প্রকৌশলী সুলতান মাহমুদ, কার্য সহকারী মোহাম্মদ রুবেল হোসেন, অফিস সহায়ক সনাতন রায় উপস্থিত ছিলেন। সংগঠনের কেন্দ্রীয় ঘোষণা অনুযায়ী আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তারা অর্ধদিবস কর্মবিরতি পালনের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। 

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ ওয়াসিম বলেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সঠিক পদমর্যাদা না থাকায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার সঠিক লক্ষ্যে বাংলাদেশ এখনো পৌঁছাতে পারেনি। তাই দেশের যেকোনো কঠিন দুর্যোগ মোকাবিলায় জন্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন-২০১২ এর আলোকে প্রস্তাবিত জনবল কাঠামো ও নিয়োগবিধি বাস্তবায়ন, জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা (ডিআরআরও) পদের আপগ্রেডেশন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) পদ আপগ্রেডেশন, সচিবালয়ের ন্যায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের কর্মচারীদের পদনাম পরিবর্তন এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের সব শূন্যপদ/পদোন্নতি/চলতি দায়িত্ব নিয়োগের মাধ্যমে পূরণের এ পাঁচটি যৌক্তিক দাবি নিয়ে উক্ত অধিদপ্তরের সংযুক্ত কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ পরিষদ গত ৮/১০ বছর ধরেই সুশৃঙ্খল আন্দোলন করে আসছে।

এ পরিষদ উক্ত অধিদপ্তরের যথাযথ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে আলোচনা সভা, স্মারকলিপি প্রদান, সংবাদ সম্মেলন, মানববন্ধন সহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে আসছে। এসব দাবির যৌক্তিকতা পর্যালোচনায় কর্তৃপক্ষ মৌখিক ঐক্যমত প্রকাশ করলেও বাস্তবায়নের কোনো কার্যকর পদক্ষেপ পরীলক্ষিত না হওয়ায় এ অধিদপ্তরের সংযুক্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে ক্ষোভ ও ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন দেশব্যাপী ছড়িয়ে পড়েছে।

তিনি আরো বলেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে টিকিয়ে রাখার স্বার্থে সংযুক্ত কর্মকর্তা কর্মচারী কল্যাণ পরিষদ ১২ থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সারা দেশব্যাপী অর্ধদিবস কর্মবিরতির ডাক দেয়। যদি এর মধ্যে যৌক্তিক দাবিগুলো আদায় না হয় তাহলে পরবর্তীতে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের সংযুক্ত কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ পরিষদের পক্ষ থেকে আরো কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।


আরও খবর



ফুলবাড়িতে, জন্মগত শারীরিক অক্ষমতা সম্পন্ন

মজিদ পাগলার শেষ আশ্রয় বোনের সংসার

প্রকাশিত:রবিবার ১১ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২২ |
Image

উত্তম কুমার মোহন্ত,ফুলবাড়ী, কুড়িগ্রামঃ

বাস্তব এক ইতিহাস ভাই বড় ধন রক্তের বাঁধন, সেই রক্তের বন্ধন যায়কি কোনদিন খণ্ডন।অচল বৃদ্ধবড় ভাইয়ের প্রতি বিধবা দুইছোট বোনের যে মায়া মমতা ভালোবাসা দেখতে যদি চাও,তাহলে পশ্চিম অনন্তপুর বাকুয়ার ভিটা গ্রামে চলে যাও। জন্মগতভাবে শারীরিক অক্ষমতা সম্পন্ন আব্দুল মজিদ পাগলার(৬৫)শেষ আশ্রয় স্থল তার ছোট দুই বিধবা বোনের ছোট্ট সংসার। সেই সংসারেও উপার্জনক্ষম নেই কেউ।বৃদ্ধ তিন ভাই বোন মিলে অতিকষ্টে দিনাতিপাত করছেন।

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার কাশিপুর ইউনিয়নের পশ্চিম অনন্তপুর মৌজার বাকুয়ার ভিটা গ্রামের মৃত: মোহাম্মদ আলীর ছেলে, আব্দুল মজিদ পাগলা (৬৫) এলাকার সকলের কাছে মজিদ পাগলা নামে পরিচিত।

সরেজমিনে গিয়ে জানাযায়, আব্দুল মজিদ পাগলা জন্মগত ভাবে শারীরিক অক্ষমতা সম্পন্ন ছিলেন।ছোট বেলা থেকেই ভালোভাবে হাঁটাচলা করতে পারতেন না। শারীরিক নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা ক্ষীণ থাকায় লক্ষ্যেস্থির করে একদিকে হাঁটতে চাইলে অন্যদিকে চলে যেত।লাঠিতে ভর করে কোনরকমে এলাকাতেই চলাফেরা করত। তখন এলাকার লোকজনের নিকট সাহায্য সহযোগিতা ও ভিক্ষাবৃত্তি করে কোন মতেই জীবিকা নির্বাহ করতেন।এখন বয়োঃবার্ধক্যের ভারে চলাফেরার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে শরীরে নানা রোগ বাসা বেঁধেছে সবমিলে দুর্বিষহবস্থায় বিছানায় শুইয়ে বসে কাটাতে হচ্ছে দিন রজনী। জীবনের অনেক চড়াই উৎরাই পেরিয়ে কষ্ট করে জীবন যাপন করতেন শেষ বয়সে এসেও ভালো নেই সহদর তিন ভাইবোন। পৈত্রিক ভিটায় মাত্র আট শতাংশ জমিতে তিন সহদরের মাথা গোঁজার ঠাঁই হলেও উপার্জনক্ষম কেউ নেই। ছোট দুই বোনের  ছেলে মেয়েদের বিয়ে হয়েছে মেয়েরা শ্বশুরালয়ে আর ছেলেরা পৃথক পৃথক ভাবে নিজেদের ঘর-সংসার নিয়ে ব্যস্ত,কেউ তাদের খোঁজ খবর রাখে না। বয়োবৃদ্ধ তিন ভাইবোন একসাথে অতিকষ্টে দিন যাপন করে বসবাস করছেন। 

০৯(সেপ্টেম্বর)শুক্রবার দুপুরে মজিদ পাগলার বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, মাত্র চারটি টিন দিয়ে তৈরি ছোট একটি ছাপরা ঘর পুরোনো চাটাই দিয়ে তৈরি জীর্ণশীর্ণ বেড়ায় বেষ্টিত ঘরে প্রচণ্ড রোধের তাপে ছাপরার টিন গুলো আগুনের মতো গরম হয়ে ঘরের ভিতরে পর্যন্ত গরম ভাপ ছুটেছে সেই গরমে মজিদ পাগলা ছোট একটা কাঠের চৌকিতে বসে আছে এদিকে শরীর ঘেমে পানি পরছে নিচে।ঘরের ভিতরে আসবাবপত্র বলতে কাঠের চৌকিটি আর ঘরের এক খুটি থেকে আর এক খুঁটিতে রশি টাঙ্গানো তাতেদুই তিনটি ছিরাফাটা ময়লা পরিধানের কাপড় চোপড় আর কিছু নেই। এমতাবস্থায় ঘরের ভিতরে ঢুকতেই অপরিচিত লোক দেখে চমকে উঠলেন তিনি পরে স্থানীয় কয়েক জনকে সঙ্গে দেখতে পেয়ে খুশিতে মলিন ভাবে একটা হাসি দিয়ে ফেললেন।

কেমন আছেন জানতে চাইলে,দুচোখে জল ছলছল হয়ে এলো কিছুক্ষণ পর মজিদ পাগলা অশ্রুসিক্ত নয়নে বললেন কি আর ভালরে ভাই আগোত তাও লাঠিঢোকা দিয়া চলাফেরা করিয়া এলাকার সগার সাথে দেখা কইরব্যার পাইচোং কথাবার্তা কবার পাইচোং এলা আর শরীলোত বল পাংনা ভাই। এক বছর থাকি ঘরোত পরি আচোং ক্যাং করি ভাল থাকোং।ঘরোত সুতি থাইক প্যার আর ভাল লাগে না।সউগ সময় সুতি থাইকতে, থাইকতে অসুখ মনে হয় মোক আরো বেশি করি ঠাশি ধইর ব্যার নাইকচে। তোমাক গুলাক অনুরোধ করি কংরে ভাই যদি মোক কাইও একটা হুইলচেয়ার দান করিল হয় তাহলে মরার আগোত বাইরার আলো বাতাস দেখি শান্তি পানুহয়। একনা দেখরে ভাই কারোটে এখান হুইলচেয়ার নিয়া দিবার পান নাকি। হুইলচেয়ারোত বসি একনা বাইরে গেনুং হয়।

মজিদ পাগলার বিধবা দুই ছোট বোন জামিলা বেওয়া (৫৪) ও ছালেহা বেওয়া (৫২) বলেন, আমার তিন ভাইবোন মিলে পৈত্রিক ভিটে মাটি আট শতাংশ ছাড়া আর কিছুই নাই।এমনিতেই আমাদের দুই বোনের অভাব অনটনে দিন কাটাতে হয় তারপর বড়ভাই অচল অবস্থায় কোথায় ফেলে দেই সব কিছু ত্যাগ করা রায় রক্তের সম্পর্ক তো আর ত্যাগ করা যায় না একেই মায়ের ওদোরে তিন ভাই বোনে ছিলাম। আল্লাহ যতদিন বাঁচে রাখবে ততদিন একসাথে থাকব আমাদের বাবা বেঁচে নাই বাবার মতো বড়ভাই কে শত দুঃখ কষ্টের মাঝেও ফেলে দিবো না।আমাদের দুইবোনের ও বয়স হয়েছে তারপরও অসুস্থ পাগলা ভাইটাকে কষ্ট করে ঘর বাহির করি ঘরে থাকতে থাকতে ভাইটা বাহির হবার জন্য কেঁদে ওঠে ভাইয়ের এতকষ্ঠ আমরা সইতে পারি না কেউ যদি দয়া করে আমাদের অচল পাগলা ভাইটাকে একটা হুইলচেয়ার দান করতো তাহলে ঘর বাহির করতে কষ্ট একটু কম হতো। হুইলচেয়ার থাকলে পাগলা প্রতিবন্ধী ভাইটা সহ-আমাদের দুই বোনের এই বয়সে একটু হলেও কষ্টটা লাঘব হতো।

স্থানীয় একটি কিন্ডারগার্টেন পরিচালক মোঃ আব্দুল জব্বার (৩৭)পল্লি চিকিৎসক জাহাঙ্গীর আলম (৪১) খলিলুর রহমান (৫৪) রফিকুল ইসলাম (৪০) সহ-আরো অনেকে জানালেন মজিদ পাগলা জন্মগত শারীরিক প্রতিবন্ধী হত্তয়ায় কর্মক্ষমতা অক্ষম ছিলেন ভিক্ষাবৃত্তি করে কোনমতে জীবিকা নির্বাহ করতেন। যৌবনের একটি সময়ে বিয়েও করেন তিনি।

শারীরিক অক্ষমতার কারণে‌ সেই সংসার জীবনও বেশিদিন টিকে থাকেনি বিয়ের কিছু দিন পর স্ত্রী তাকে ছেড়ে চলে যান, তারপরে দ্বিতীয় বিয়ের কথা আর কোনদিন ভাবেননি তিনি। এখন বয়োঃবৃদ্ধির সাথে সাথে শরীরে বাসা বেঁধেছে নানান রোগ চলাফেরা করতে পারে না দিনরাত ঘরের ভিতরে সুইয়ে বসে থাকতে হয়।মজিদ পাগলার আপনজন বলতে বিধবা দুইটি ছোটবোন ছাড়া আর কেউ নেই।বোনদের সংসারের অবস্থা অসচ্ছল তারপরেও রক্তের টানে অচল পাগলা বড়ভাই কে নিজেদের কাছে রেখে দেখা শুনা করছেন। তাদের ও বয়স হয়েছে একসাথে তিন ভাইবোন মিলে দুঃখ কষ্ট সহ্য করে সাথে অতিকষ্টে দিনযাপন করছেন।স্থানীয় অনেক শুভা কাঙ্ক্ষীরাও একই কথা বলেন যে,সমাজের অনেক হৃদয়বান ও দানশীল ব্যক্তিবর্গ আছেন কেউ যদি এই অচল মজিদ পাগলাকে একটা হুইলচেয়ার দান করতো তাহলে বৃদ্ধ তিনভাই বোনের কষ্টটা একটু লাঘব হতো। 


আরও খবর



যাত্রাবাড়ি'র ৪৮নং ওয়ার্ডে

সাধারণ সম্পাদক পদে আলোচনায় হাজী আতিকুর রহমান

প্রকাশিত:শনিবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ |
Image

স্টাফ রিপোর্টারঃ 

ঢাকা মহানগর দক্ষিণের যাত্রাবাড়ি থানা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আসছে ১৩ ই অক্টোবর। যাত্রাবাড়ি থানা আওয়ামীলীগের সম্মেলন কে কেন্দ্র করে নেতাকর্মীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা বিরাজ করছে। এছাড়াও যাত্রাবাড়ি থানা অন্তর্ভুক্ত গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি ওয়ার্ড যেমনঃ ৪৮, ৪৯, ৫০, ৬২, ৬৩ ও ৬৫ নং ওয়ার্ডের সম্মেলন হবে। 

এদিকে আসন্ন সম্মেলনে থানা ও ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের নতুন কমিটির সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক সহ গুরুত্বপূর্ণ পদ কারা পাচ্ছেন এ নিয়ে চলছে নানান গুঞ্জন। তবে অধিকাংশ নেতাকর্মীই মনে করেন, ভিন্ন দল থেকে উড়ে এসে জুড়ে বসা নেতৃত্ব বাদ দিয়ে দলের ত্যাগি ও পরীক্ষিত নেতাদের মধ্যে থেকে নবীন প্রবীণের সমন্বয়ে নতুন নেতৃত্বের হাতে দলের দায়িত্ব তুলে দিতে হবে। তাহলে দলের দুঃসময়ে তারা মাঠের কর্মীদের পাশে থাকবেন বলে তাদের প্রত্যাশা 

যাত্রাবাড়ি থানার ৪৮ নং ওয়ার্ডে সাধারণ সম্পাদক পদে আলোচনার শীর্ষে আ,লীগ নেতা হাজী আতিকুর রহমান সুমন। দলের এবং নেতাকর্মীদের প্রিয়মুখ হিসেবে পরিচিত হাজী আতিকুর রহমান সুমন দক্ষিণ সায়েদাবাদ এলাকায় ইতিমধ্যে মানবিক নেতা হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন।তিনি সায়েদাবাদ এলাকার শত শত অসহায়, দারিদ্র্যপীড়িত মানুষের মাঝে নিজ অর্থায়নে শীতের সময় শীতবস্ত্র এবং বছরে দুই ঈদে জামা -কাপড় উপহার বিতরণ করে থাকেন। 

মানবিক নেতা হাজী আতিকুর রহমান সুমন'র ছাত্রলীগের মাধ্যমে রাজনীতি জীবনের যাত্রা শুরু। উল্লেখ যে, সাবেক ডেমরা থানা অন্তর্ভুক্ত ৮৪ নং ওয়ার্ড যা কিনা এখন যাত্রাবাড়ী থানা ৪৮ নং ওয়ার্ড। তিনি সাবেক ডেমরা থানা ৪৮নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের জসিম-আজিজ কমিটির একনিষ্ঠ ছাত্রলীগ কর্মী ছিলেন। সাবেক ডেমরা থানা ৪৮নং ওয়ার্ড আওয়ামী সেচ্ছাসেবকলীগের বাতেন-আব্বাস আলী'র কমিটির যুগ্ম সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। সাবেক ডেমরা থানা ৪৮নং ওয়ার্ড যুবলীগের মোঃ ওসমান-আবুল কালাম (অনু) কমিটির ত্রাণ বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন। এছাড়াও যাত্রাবাড়ি থানা ৪৮নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের একনিষ্ঠ কর্মী হিসেবে আওয়ামীলীগের হাত কে শক্তিশালী করার জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি সায়দাবাদ বাস টার্মিনাল শ্রমিক কমিটির সিনিয়র সহ সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। সায়দাবাদ বাইতুল জান্নাহ জামে মসজিদ ও আল হেরা মাদ্রাসার কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। বর্তমানে বীর মুক্তিযোদ্ধা ঢাকা-৫ আসনের সংসদ সদস্য এবং যাত্রাবাড়ি থানা আওয়ামীলীগের সভাপতি কাজী মনুরুল ইসলাম মনু'র রাজনৈতিক জীবনের বিশ্বস্ত কর্মী হিসেবে কাজ করে যাচ্ছেন। 

ঢাকা দক্ষিণ সিটি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী বর্তমান মেয়র ব্যারিষ্টার শেখ ফজলে নুর তাপসকে বিজয়ী করার লক্ষ্য তিনি ৪৮নং ওয়ার্ডে দায়িত্ব পালন করেছেন এছাড়া ও তিনি বিগত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৪৮ নং ওয়ার্ডের বিভিন্ন কেন্দ্রে থেকে অগ্রনী ভুমিকা পালন করেন। 

এছাড়াও তৃণমূলের কর্মী বান্ধব জননেতা হাজী আতিকুর রহমান সুমন বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সাথে ও জড়িত রয়েছেন। বিভিন্ন সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের উপদেষ্টা হিসেবে সততার সহিত দায়িত্ব পালন করে আসছেন। 

যাত্রাবাড়ি'র ৪৮ নং ওয়ার্ডে কর্মীবান্ধব এ নেতাকে সাধারণ সম্পাদক করার লক্ষ্যে নেতাকর্মীদের বেশ তৎপরতা লক্ষ করা যাচ্ছে। তাকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকেও সরব রয়েছে। ৪৮ নং ওয়ার্ডের বেশির ভাগ নেতাকর্মীই আ,লীগ নেতা হাজী আতিকুর রহমান সুমন কে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে পদায়নের জন্য মতামত ব্যক্ত করতে পারেন বলে শোনা যাচ্ছে। 

সায়েদাবাদ এলাকার জনগণ জানান, রাজপথের ত্যাগী নেতা আ,লীগ নেতা হাজী আতিকুর রহমান সুমন যোগ্য 'সাধারণ সম্পাদক' প্রার্থী। আ,লীগ নেতা হাজী আতিকুর রহমান সুমন ৪৮নং ওয়ার্ডের নেতা কর্মীদের সাথে সমন্বয় করে দলের ভাবমূর্তি সূদরপ্রসারী করছেন। এবারের সম্মেলনে তাকে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করলে দল ও তৃনমূল কর্মীদের অনেক উপকৃত হবে। 

৪৮নং ওয়ার্ড যুবলীগ, ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা বলেন, এই ওয়ার্ডে আ,লীগ নেতা হাজী আতিকুর রহমান সুমন দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন রাজনৈতিক মিছিল, মিটিং ও সমাবেশে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করে আসছেন। তাই সাধারন সম্পাদক পদটি তারই একমাত্র পাওয়ার যোগ্য। 

৪৮ নং ওয়ার্ডের সাধারন সম্পাদক পদপ্রার্থী আ,লীগ নেতা হাজী আতিকুর রহমান সুমন বলেন, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে কাজ করবো। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে ও রুপকল্প ভিশন-২০৪১ বাস্তবায়নের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে কাজ করবো। দলের দূঃসময়ে রাজপথে ছিলাম। 

গত ঢাকা-৫ আসনের উপনির্বাচনে নৌকার প্রার্থী কাজী মনুরুল ইসলাম মনুকে বিজয়ী করার লক্ষে দলের হয়ে গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করে বলে জানান। করোনা মহামারীর সময়ে ৪৮নং ওয়ার্ডে যাত্রাবাড়ি থানা আওয়ামীলীগের সভাপতি কাজী মনুরুল ইসলাম মনু(এমপি) সার্বিক সহযোগিতায় ও নির্দেশে ঘরে ঘরে ত্রান বিতরণ ও স্বাস্থ্য সুরক্ষায় কাজে সর্বদা নিয়োজিত ছিলেন বলে জানান


আরও খবর