Logo
শিরোনাম

পাংশায় বিশ্ব এন্টিমাইক্রোবিরিয়াল সচেতনতা সপ্তাহ উপলক্ষে সভা অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:বুধবার ২৩ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৮ নভেম্বর ২০২২ |
Image

 রাজবাড়ী, প্রতিনিধি ঃ

রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রর সম্মেলন কক্ষে বেলা ১১ টায় উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মোহাম্মাদ হাসানাৎ আল মতিন এর সভাপতিত্বে এন্টিবায়োটিক রেজিষ্ট্যান্স সহনীয় মাত্রায় আনায়নের জন্য চিকিৎসক সহ সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি মাসুুর রহমান রুবেল প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন বিশেষ অতিথি ছিলেন পাংশা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রতন কুমার ঘোষ, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আজাহার উদ্দিন, পাংশা উপজেলা আবাসিক ম্যাডিকেল অফিসার তরুন কুমার পাল প্রমুখ। অনুষ্ঠান সজ্ঞালনা করেন উপজেলা সেনেটারী ইন্সিপেক্টর ও নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক তৈয়বুর রহমান। 

বক্তাগণ বলেন , সারাবিশ্ব জুরে এন্টিবায়োটিক রেজিষ্ট্যান্স একটি জনস্বাস্থ্য সমস্যা হিসেবে দেখা দিয়েছে এবং জীবাণু সমূহ এন্টিবয়োটিকের প্রতি তাদের প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করেই চলছে। জীবাণু সমূহ বহু প্রকার এন্টিবায়োটিক প্রতিরোধী হয়ে পড়ছে। এমতাবস্থায় এন্টিবায়োটিক রেজিষ্ট্যান্স সহনীয় মাত্রায় আনয়নের জন্য সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে সচেতনতা বৃদ্ধি এখনই জরুরী।


আরও খবর



ইনজুরিতে আর্জেন্টাইন দুই তারকা ফুটবলার

প্রকাশিত:শনিবার ১৯ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৮ নভেম্বর ২০২২ |
Image

বিশ্বকাপ শুরুর ২ দিন আগেও ইনজুরি পিছু ছাড়ছে না অংশগ্রহণকারী দলগুলোকে। বরং, এবার দুঃসংবাদ হয়ে এলো আর্জেন্টিনা শিবিরে। লিওনেল মেসিদের দল থেকে ইনজুরির কারণে ছিটকে গেলেন দু’জন তারকা ফুটবলার। ইনজুরিতে বিশ্বকাপই খেলতে পারবেন না ফরোয়ার্ড নিকো গঞ্জালেজ এবং জোয়াকিন কোরেয়া।

আরব আমিরাতের বিপক্ষে ৫-০ ব্যবধানে জয়ের প্রস্তুতি ম্যাচের শেষ গোলটি করেছিলেন জোয়াকিন কোরেয়া। আর ইনজুরির কারণে খেলাতেই পারেননি নিকো গঞ্জালেজকে। তবে, কাতার পৌঁছার পর আর্জেন্টিনা স্কোয়াড থেকে ইনজুরি আক্রান্ত এই দু’জনকে বাদ দিতে বাধ্য হলেন কোচ লিওনেল স্কালোনি। আর্জেন্টিনা ফুটবল ফেডারেশন এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে এ তথ্য।

আর্জেন্টিনা ফুটবল ফেডারেশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বৃহস্পতিবার ট্রেনিং সেশনের পর দেখা গেল, নিকোলাস গঞ্জালেজ মাসল ইনজুরিতে ভুগছেন। এ কারণে তাকে বিশ্বকাপের স্কোয়াডে আর রাখা হচ্ছে না। তার পরিবর্তে জাতীয় দলের ম্যানেজমেন্ট অ্যাঞ্জেল কোরেয়াকে দলে ডেকেছে।

২২ নভেম্বর বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে সৌদি আরবের মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা। কোপা আমেরিকার বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা ইনজুরির কারণে শুধু দু’জনকে বাদ দেয়াই নয়, কয়েকজনের ফিটনেস নিয়েও দারুণ চিন্তায় রয়েছে। স্ট্রাইকার পাওলো দিবালা, মিডফিল্ডার আলেজান্দ্রো গোমেজ এবং ডিফেন্ডার ক্রিশ্চিয়ান রোমেরোর ফিটনেস সমস্যা বেশ ভোগাতে পারে আর্জেন্টিনাকে।


আরও খবর

ডু অর ডাই ম্যাচ মেসিদের

শনিবার ২৬ নভেম্বর ২০২২

আর্জেন্টিনাকে মাটিতে নামাল সৌদি

বুধবার ২৩ নভেম্বর ২০২২




দলিল লেখক সমিতির বিরুদ্ধে অতিরিক্ত কোটি টাকা নেওয়ার অভিযোগ

প্রকাশিত:শনিবার ২৯ অক্টোবর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রির্পোটারঃ

নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলা সাব রেজিষ্ট্রি অফিস এর দলিল লেখক সমিতির বিরুদ্ধে প্রতিদিন লাখ টাকা চাঁদাবাজির অভিযোগ করা হয়েছে। সমিতির নামে সিন্ডিকেট তৈরি করে জমির ক্রেতা বিক্রেতাদের জিম্মি করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন তারা। তাদের এ অনৈতিক কাজ বছরের পর বছর চলে আসলেও এর কোন সুরাহার উদ্যোগ নেয়নি কেউ।

অভিযোগ করা হয়েছে যে, সরকারি লাইসেন্সধারি দলিল লেখকরা দলিলের প্রতি পৃষ্ঠা লেখার জন্য নির্ধারিত হারে ফি পাবেন। কিন্তু যে কোন লেখকই দলিল লেখুক না কেন প্রতিটি দলিলের জন্য সমিতির নামে "অতিরিক্ত" ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা না দিলে সে দলিল রেজিষ্ট্রি হয়না। এজন্য প্রতিটি দলিলের শেষ পাতায় সমিতির চাঁদা পরিশোধের একটি "সাংকেতিক চিহ্ন ও ব্যবহার করা হয়। এভাবেই সমিতির নামে আদায় করা কোটি টাকা সমিতির সদস্যদের মধ্যে বন্টন করে দেয়া হয়। অনেক দলিল লেখক কোন দলিল না লিখেও প্রতি মাসে মোটা অংকের টাকা ঘরে বসেই পেয়ে যান। এছাড়াও বছর শেষে সমিতির সদস্যদের নিয়ে কয়েক লাখ টাকা খরচ করে কক্সবাজার ভ্রমণে দু' সপ্তাহের ট্যুর দেয়া হয়।

মহাদেবপুর উপজেলা সদরের মৃত তাহের আলী মন্ডলের ছেলে বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আজাদ রহমান অভিযোগ করেন যে, তারা মোট ২৯ জন গত ১৮ অক্টোবর মহাদেবপুর সাব রেজিষ্ট্রি অফিসে মোট ৭টি দলিলে ৩ একর ২৭ শতক জমি রেজিষ্ট্রি করেন। জমির মালিকের কাছ থেকে ১ কোটি ৬৩ লাখ টাকায় সে জমি কিনেন। কিন্তু মহাদেবপুর মৌজার জমির সরকারি দাম বেশি নির্ধারণ করা থাকায় দলিল করতে হয়েছে ৩ কোটি ২০ লাখ টাকার। ঐ টাকার উপর সরকারি ট্যাক্স, ভ্যাট দিয়েছেন ১৯ লাখ ৩ হাজার ৬০ টাকা। দলিল লেখা প্রভৃতির খরচ দিয়েছেন ৪৫ হাজার টাকা। এরপরও সমিতির নামে চাঁদা দিতে হয়েছে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা। সমিতির চাঁদা পরিশোধ না করা পর্যন্ত দলিল রেজিষ্ট্রি হবেনা বলে জানালে তারা সে টাকা পরিশোধ করতে বাধ্য হন। পরে জানতে পারেন, চাঁদা নেয়া সম্পূর্ণ অবৈধ ও বেআইনী এর পরই আজাদ রহমান এব্যাপারে বৃহস্পতিবার ২৭ অক্টোবর মহাদেবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন। 

বিষয়টি জানতে বৃহস্পতিবার দুপুরে মহাদেবপুর দলিল লেখক সমিতির কার্যালয়ে গিয়ে কোন কর্মকর্তাকে পাওয়া যায়নি। মুঠোফোনে ঐ ৭টি দলিলের লেখক নুরুল ইসলাম সমিতির নামে অতিরিক্ত ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা গ্রহণের কথা শিকার করে জানান, সমিতির নিয়মানুযায়ী তিনি টাকা গ্রহণ করে সমিতিতে জমা দিয়েছেন। এত বেশি টাকা চাঁদা নেয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, প্রতিটি দলিলের জন্য চাঁদার নির্ধারিত রেট রয়েছে। তবে উপজেলার ১০ ইউপি চেয়ারম্যান, বড় কর্মকর্তা, রাজনৈতিক দলের নেতা ও সাংবাদিকদের জন্য কিছুটা ছাড় দেয়া হয়।

তবে সরকারি দলের প্রথম সারির একজন নেতা জানান, তিনি সহ দু'জন নেতা ঐ ৭টি দলিলের জন্য দাবি করা ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা চাঁদার পরিমাণ কিছু কমানোর অনুরোধ জানালেও সমিতির নেতারা তা মানেন নি।

জানতে চাইলে মহাদেবপুর দলিল লেখক সমিতির সভাপতি কাওসার আলী ও সাধারণ সম্পাদক শাহাদৎ হোসেন এবিষয়ে কোন সদুত্তর দিতে পারেননি। ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা চাঁদা নেয়া হয়েছে কিনা তা অফিসে গিয়ে কাগজপত্র দেখার পর বলতে পারবেন বলে জানান।

উপজেলা সাব রেজিষ্ট্রার আব্দুর রশিদ মন্ডল জানান, তিনি মূলত আত্রাই উপজেলার দায়িত্বে রয়েছেন। অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে প্রতি সপ্তাহে দু' দিন মঙ্গলবার ও বুধবার মহাদেবপুরে অফিস করেন। সমিতির নামে চাঁদা নেয়া হয় কিনা তা তিনি জানেন না বলে জানান।

মহাদেবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবু হাসান লিখিত অভিযোগ পাবার কথা নিশ্চিত করে সাংবাদিকদের জানান, বিষয়টি দু:খজনক। এরকম চাঁদাবাজি হয়ে থাকলে অবিলম্বে তা বন্ধ করতে হবে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও তিনি জানান।


আরও খবর



লড়াই চালিয়ে যাবেন ইমরান খান

প্রকাশিত:শনিবার ০৫ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

পাকিস্তানে ক্ষমতাসীন জোট সরকারের পদত্যাগ ও আগাম নির্বাচনের দাবিতে যে বিক্ষোভ শুরু হয়েছে, তা সফল করতে নিজের রাজনৈতিক দল পাকিস্তান তেহরিক-ই ইনসাফ (পিটিআই) নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণের উদ্দেশে আহ্বান জানিয়েছেন দেশটির বিরোধী নেতা ইমরান খান।

সেই সঙ্গে তিনি বলেছেন, যতদ্রুত সম্ভব শারীরিকভাবে সুস্থ হওয়ার পর তিনি নিজেও ফের আন্দোলনে নামবেন। ০৫ নভেম্বর পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের রাজধানী লাহোরের শওকত খানম হাসপাতাল থেকে জাতির উদ্দেশে দেওয়া এক ভাষণে ইমরান খান বলেন, দাসত্বের শৃঙ্খলে বন্দি একটি জাতি কখনও কারো সম্মান পায় না, কোনো উন্নতিও করতে পারে না।

পাকিস্তানকে একটি আত্মমর্যাদাসম্পন্ন দেশ হিসেবে বিশ্বে পরিচিতি দিতে যে আন্দোলন জনগণ শুরু করেছে, তা অব্যাহত থাকবে এবং শারীরিকভাবে খানিকটা সুস্থ হয়ে উঠেই আমি ফের তাতে যোগ দেব।

ক্রিকেটার থেকে রাজনীতিবিদ বনে যাওয়া ইমরান ২০১৮ সালে ভোটে জিতে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হন। দেশটির রাজনীতিতে প্রভাব বিস্তারকারী সেনাবাহিনীর সমর্থন তখন তার দিকে থাকলেও কিছু দিন পর তাদের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়।

সেনা সমর্থন হারানো ইমরানের বিরুদ্ধে এই বছরের শুরুতে জোট বেঁধে অনাস্থা প্রস্তাব আনে দেশটির বড় দুই রাজনৈতিক দল। তাতে হেরে গত এপ্রিলে ইমরানের সরকারের পতন ঘটলে প্রধানমন্ত্রী হন মুসলিম লীগের শাহবাজ শরিফ, যিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের ভাই।

ক্ষমতা হারানো ইমরান নতুন নির্বাচনের দাবি তুলে পাকিস্তানে ‘গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে’ লংমার্চের ডাক দেন। গত ২৮ অক্টোবর লাহোর থেকে শুরু হয় এই কর্মসূচি।

৪ নভেম্বর শেষ হওয়ার কথা ছিল এই লংমার্চ; তার এক দিন আগে, ৩ নভেম্বর ওয়াজিরাবাদ শহরে সমাবেশ চলাকালে গুলিবিদ্ধ হন ইমরান। সমাবেশ চলাকালে স্থানীয় সময় সন্ধ্যার দিকে ইমরান খানকে লক্ষ্য করে একে-৪৭ অ্যাসল্ট রাইফেল থেকে গুলি চালায় এক হামলাকারী। আরেক হামলাকারী ইমরানের দিকে পিস্তল তাগ গুলি চালিয়েছিল।

পিস্তল দিয়ে যে হামলাকারী হামলার প্রস্তুতি নিয়েছিল, তাকে হামলার সময়েই পাকড়াও করেন বছর তিরিশের এক যুবক। তিনি ঠিক সময়ে তৎপর না হলে নিহতও হতে পারতেন পিটিআিই চেয়ারম্যান। একে ৪৭ অস্ত্রধারী হামলাকারীর বন্দুক থেকে বের হওয়া ৩ থেকে ৪টি গুলি ইমরান খানের পায়ে বিদ্ধ হয়েছে।

বৃহস্পতিবার হাসপাতালে পরই পিটিআইয়ের জেষ্ঠ্য নেতাদের ইমরান খান জানান, হামলার জন্য তিন জনকে দায়ী মনে করেন তিনি। তারা হলেন পাকিস্তানের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রানা সানাউল্লাহ এবং সেনা কর্মকর্তা মেজর জেনারেল ফয়সাল নাসির। পিটিআইয়ের জেষ্ঠ্য নেতা আসাদ ওমরের মাধ্যমে এই তিন জনের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন গড়ে তেলারও আহ্বান জানিয়েছিলেন তিনি।

শুক্রবারের ভাষণে ফের তাদের পদত্যাগের দাবি জানিয়ে ইমরান বলেন, সেনাবাহিনী ও ক্ষমতাসীন জোট সরকারের বৃহত্তম শরিক দল পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজ (পিএমএল-এন) অনেক দিন থেকেই তাকে হত্যার চেষ্টা করছে।

বৃহস্পতিবার যা ঘটেছে, তা প্রতিষ্ঠান (সেনাবাহিনী) ও পিএমএল-এনের যৌথ পরিকল্পনার ফলাফল। (কিছুদিন আগে) প্রথমে তারা আমার বিরুদ্ধে ধর্মদ্রোহিতা ছড়ানোর অভিযোগ তুলল এবং এ সংক্রান্ত কিছু ভুয়া অডিও টেপ ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দিল। তারপর বৃহস্পতিবার ওয়াজিরাবাদে আমাকে হত্যার উদ্দেশে হামলা ঘটল।

ভুয়া অডিও টেপ ছড়ানোর কাজটি করেছে পিএমএল-এন। এবং দলটির কোন কোন নেতা এই ষড়যন্ত্রের সঙ্গে যুক্ত, তাও আমি জানি। বর্তমানে আমরা সবাই ডিজিটাল পৃথিবীতে বসবাস করি, তাই এসব তথ্য বের করা কঠিন কিছু নয়।

অডিও টেপ ছড়িয়ে পিএমএল-এন একটা প্রেক্ষাপট আগেই তৈরি করে রেখেছিল, তারপর আমাকে হত্যার প্রচেষ্টা চালায় প্রতিষ্ঠানের কিছু কুলাঙ্গার কর্মকর্তা। আমার ওপর যে প্রাণঘাতী হামলা হতে পারে, সেই খবরও আমি লংমার্চ শুরুর আগেই পেয়েছিলাম।

আমাদের দাবি, যে তিন জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে- অবিলম্বে তাদের পদত্যাগ করতে হবে। যতক্ষণ তারা পদত্যাগ না করবে— জনগণ সড়ক ছাড়বে না।

পাকিস্তানের অখণ্ডতা একমাত্র রাজনৈতিক দলগুলোই নিশ্চিত করতে পারে বলে দাবি করেন পিটিআই চেয়ারম্যান। সেই সঙ্গে সেনাবাহিনীকে রাজনীতি থেকে দূরে থাকার আহ্বানও জানান তিনি।

যদি সেনাবাহিনী দেশের অখণ্ডতা রক্ষা করতে পারত, তাহলে পূর্ব পাকিস্তান আজ বাংলাদেশ হতো না। একমাত্র রাজনৈতিক দলগুলোই পাকিস্তানের অখণ্ডতা রক্ষা করতে সক্ষম, এক্ষেত্রে সেনাবাহিনী তাদের সহায়ক মাত্র।


সূত্র : রয়টার্স, ডন, দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউন


আরও খবর

থাইল্যান্ডে গাড়িবোমা বিস্ফোরণ

মঙ্গলবার ২২ নভেম্বর 20২২

হেরে গেলেন মাহাথির

রবিবার ২০ নভেম্বর ২০22




সাধনার মাধ্যমে আত্মশুদ্ধি অর্জন

প্রকাশিত:বুধবার ০৯ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৮ নভেম্বর ২০২২ |
Image

মাজহারুল ইসলাম মাসুম, সিনিয়র সাংবাদিক, লেখক ও গবেষক :

মানুষ প্রধানতঃ দুটি আত্মার অধিকারী। একটি জীবাত্মা বা নফস যা মানব সৃষ্টির চার উপাদান আগুন, পানি, মাটি ও বায়ুর সমন্বয়ে সৃষ্ট এবং অপরটি পরমাত্মা বা রূহ যা মহান আল্লাহ্ হযরত আদম (আঃ)-এর মাঝে তাঁর রূহ থেকে ফুঁকে দিয়েছেন। আমরা সবাই হযরত আদম (আঃ)-এর সন্তান হিসেবে আমাদের মাঝেও রূহ বিদ্যমান। জীবাত্মা অত্যন্ত শক্তিশালী। এই জীবাত্মাই মহান আল্লাহ্ তায়ালার সত্তা রূহ্কে ধারণ করেছে। আর রূহই হচ্ছে মানুষের কাছে আল্লাহ্ পাকের আমানত। জীবাত্মা মূলত সচ্ছ ও পরিশুদ্ধ। কিন্তু এর কিছু শত্রু আছে যেগুলো নফসকে আক্রান্ত করে। কাম, ক্রোধ, লোভ, মোহ, মদ ও মাৎসর্য এই ষড় রিপু নফসকে কলুষিত করে। যেমন জীবানুমুক্ত পানি পান করে জীবের জীবন রক্ষা পায়। যদি পানিতে বিষ মিশ্রিত হয় তখন পানি হয় বিষাক্ত। আর এই বিষাক্ত পানি পান করলে জীবের প্রাণনাশ হয়। তেমনি পরিশুদ্ধ জীবাত্মা যখন ষড়রিপু দ্বারা আক্রান্ত হয় তখন তা কলুষিত হয়ে যায় এবং দুনিয়ার লোভ আর ভোগ বিলাসে মত্ত হয়ে পাপাচারে লিপ্ত হয়ে পড়ে। অশান্তি সৃষ্টি হয় ব্যক্তি জীবন থেকে সামাজিক ও রাষ্ট্রিয় জীবন পর্যন্ত। কলুষিত নফস ধারী ব্যক্তি শান্তি ও ন্যায়ের পথ থেকে বিচ্যুত হয়ে অশান্তির পথে ধাবিত হয়। কাজেই জীবাত্মা যাতে ষড়রিপু দ্বারা আক্রান্ত হতে না পারে সেজন্যই আত্মশুদ্ধি লাভ করা প্রয়োজন। পরিশুদ্ধ জীবাত্মা হলো বাহন আর রূহ সোয়ারী। এই দুয়ে মিলে আত্মিক জগত ভ্রমণ করতে পারে এবং আত্মিক জগতের সাথে যোগাযোগ করতে সক্ষম হয়। তাহলে প্রশ্ন জাগে, কি করে ষড়রিপুর আক্রমণ প্রতিরোধ করে জীবাত্মাকে পরিশুদ্ধ রাখা যায়। জীবাত্মাকে নফস নামেও অভিহিত করা হয়। হযরত রাসূল (সঃ) বলেছেন, “নফসের সাথে যুদ্ধ করাই প্রকৃত জেহাদতিনি আরো বলেন, “যে নিজকে (নিজের নফসকে) চিনতে পেরেছে, সে তার প্রভুকে চিনতে পেরেছেতাহলে আমাদেরকে চিন্তা করতে হবে, হযরত রাসূলে পাক (সঃ)-এর শিক্ষা পদ্ধতি কি ছিল? তিনি কোন প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় শিক্ষিত ছিলেন না। সুদীর্ঘ ১৫ বছর হেরা পর্বতের নির্জন গুহায় ধ্যান সাধনা তথা মোরাকাবা করেছেন। মক্কা থেকে ৩ মাইল দূরে যে হেরা পর্বতের গুহা প্রায় পৌণে দুইশবছর পরও ইতিহাসের সাক্ষ্য বহন করছে, যেখানে উঠতে রাসূল (সঃ) প্রেমিকদের আজো হিমসিম খেতে হয়, সেই নির্জন মরু পাহাড়ের গুহায় তিনি যৌবনের ১৫ টি বছর ধ্যান সাধনায় কাটিয়েছেন। এই ধ্যান সাধনার বিদ্যার মাধ্যমেই তিনি তাঁর প্রভুর সন্ধান পেয়ে পবিত্র বাণী প্রাপ্ত হয়েছেন। পরবর্তীতে তিনি তাঁর অনুসারী তথা মুসলিমদেরকে সেই ধ্যান সাধনার বিদ্যাই শিক্ষা দিয়েছেন। আর ওই বিদ্যায় বিদ্বান হয়ে নিজেদের জীবাত্মা তথা নফসকে পরিশুদ্ধ করে (আত্মশুদ্ধি লাভ করে) মহান আল্লাহ্ ও হযরত রাসূল (সঃ)-এর প্রেমে দেওয়ানা হয়ে গিয়েছেন। সাহাবায়ে কেরাম কাফেরদের শত অত্যচার-নির্যাতন সহ্য করেছেন হাসিমুখে। তাঁরা নিজেদের ধন-সম্পদ, আত্মিয়-স্বজনের মায়া পরিত্যাগ করে রাসূল (সঃ)-এর প্রেমে জন্মভূমি মক্কা ছেড়ে তাঁর সাথে মদিনায় হিযরত করেছেন। অসংখ্য সাহাবায়ে কেরাম রাসূল (সঃ)-এর নির্দেশে কাফেরদের সাথে যুদ্ধ করে হাসিমুখে শহীদের মর্যাদা লাভ করেছেন। আমরা সেই সে জাতি, উম্মতে মোহাম্মদী, মোহাম্মদী ইসলামের অনুসারী। পরম সৌভাগ্য যে, আল্লাহ্ পাক আমাদেরকে দয়া করে উম্মতে মোহাম্মদীর মর্যাদা দান করেছেন। কিন্তু পরিতাপের বিষয়, যে শিক্ষায় নিজের জীবাত্মা বা নফসকে পরিশুদ্ধ করা যায়, যে শিক্ষায় আত্মশুদ্ধি লাভ করা যায়, সেই মোহাম্মদী ইসলামের শিক্ষা, ধ্যান সাধনার শিক্ষা, মোরাকাবার শিক্ষা আমরা হারিয়ে ফেলেছি। ফলে নফসের খায়েসে, শয়তানের ধোঁকায় পড়ে দুনিয়া লোভী হয়ে পাপাচারের মাধ্যমে যেমন নিজেদেরকে (জীবাত্মা বা নফসকে) কলুষিত করে অশান্তিতে ভুগছি, তেমনি আমাদের এমন কার্যাদিতে সমাজেও অশান্তি বাড়ছে। ধর্ম পালন করেও ধর্মের প্রকৃত স্বাদ বা ফল আমরা ভোগ করতে পারছিনা।

হযরত রাসূল (সঃ)-এর যুগে তাঁর কাছ থেকে সাহাবায়েকেরাম ধ্যান সাধনার বিদ্যার মাধ্যমে আত্মিক পরিশুদ্ধতা অর্জন করে ধর্ম পালন করতঃ শান্তির পধে চলার ক্ষমতা অর্জন করেছেন। এমনকি তাঁরা আত্মিক জগতের সাথে যোগাযোগ করতেও সক্ষম হয়েছেন। তাঁরা ছিলেন উজ্জল নক্ষত্র। আর তাঁরা তা করতে পেরেছেন, হযরত রাসূল (সঃ)-কে অনুকরণ ও অণুসরণ করে। পবিত্র হাদিসে হযরত রাসূল(সঃ) বলেছেন, “শরীয়ত আমার বাক্য(কথা), তরীকত আমার কাজ, হাকীকত আমার অবস্থা এবং মারেফাত আমার নিগুঢ় রহস্য।হযরত রাসূল (সঃ) তাঁর অনুসারীগণকে শরীয়ত, তরীকত, হাকীকত ও মারেফাতের বিদ্যা শিক্ষা দিয়েছেন। শরীয়ত যেমন দেহ পরিষ্কার করে তেমনি মারেফাত আত্মিক পরিশুদ্ধতা অর্জনে সহায়তা করে। হযরত রাসূল (সঃ)-এর ওফাত লাভের পর চার খলিফার যুগ পর্যন্ত হযরত রাসূল (সঃ)-এর মৌলিক শিক্ষা চালু ছিল। এজন্য ওই যুগকে ইসলামের স্বর্ণ যুগ বলা হতো। পরবর্তীতে বিশেষ করে কারবালা যুদ্ধের পর দুরাচার এজিদ ক্ষমতায় আসার পর থেকে ইসলাম হয়ে পড়ে শুধু শরীয়ত সর্বস্ব। বেলায়েতের যুগে যাঁরা এজিদের বিরুদ্ধাচরণ করেছেন, এজিদকে সমর্থন করেননি, তাঁরা ছিলেন মোহাম্মদী ইসলামের প্রকৃত ধারক ও বাহক। আর তাঁদের মাধ্যমেই দুনিয়াতে টিকে আছে প্রকৃত মোহাম্মদী ইসলামের শিক্ষা-এলমে শরীয়ত ও এলমে মারেফাত যা মানুষের বাহ্যিক ও আত্মিক পরিশুদ্ধতা আনয়ন করে। বেলায়েতের যুগে অসংখ্য অলী-আল্লাহ্, মোর্শেদ তথা পথপ্রদর্শক জগতে আগমন করেছেন, যাঁরা হযরত রাসূল (সঃ)-এর শিক্ষায় মানুষকে শিক্ষিত করেছেন। যাঁরা শরীয়ত, তরীকত, হাকীকত ও মারেফতের বিদ্যা শিক্ষা লাভ করে ধর্ম পালন করেছেন তাঁরাই সফলকাম হয়েছেন।


আরও খবর

আত্মিক জ্ঞান ও বাহ্যিক জ্ঞান

শুক্রবার ১৮ নভেম্বর ২০২২

মাইজভান্ডারী তরিকা

মঙ্গলবার ২৫ অক্টোবর ২০২২




রাঙ্গামাটি রিজার্ভ বাজার মহসিন কলোনীর অগ্নিকান্ডে ১২ টি বসতঘর পুড়ে ছাই

প্রকাশিত:শনিবার ১৯ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

উচিংছা রাখাইন কায়েস, রাঙ্গামাটি ঃ 

রাঙ্গামাটি শহরের রিজার্ভ বাজার মহসিন কলোনী এলাকায় ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে ১২ টি বসতঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। আজ দুপুরে সাড়ে ১২ টার দিকে মহসিন কলোনীর মিয়া সদাগরের ভাড়াটিয়ার বাড়ী থেকে অগ্নিকান্ডের সুত্রপাত ঘটে। মুহুর্তের মধ্যে আগুন চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে। প্রথমে স্থানীয়রা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করলেও আগুনের লেলিহান শিখা বেড়ে যায়। পরে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিলে ফায়ার সার্ভিস এসে প্রায় ১ ঘন্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রনে আনতে সক্ষম হয়। আগুনে প্রায় অর্ধ কোটি টাকার বেশি ক্ষতি হয়েছে বলে ক্ষতিগ্রস্থরা জানায়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায় আজ দুুপুর হঠাৎ আগুনের লাগার হইচই শোনা যায়। এ সময় সকলে তাৎক্ষনিক আগুন নিয়ন্ত্রনে আনার চেস্টায় চালায়। পরবর্তীতে আগুন কোন ভাবে নিয়ন্ত্রনে না আসায় ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেয়া হয়। আগুন লাগার প্রায় ২০ মিনিট পর ফায়ার সার্ভিস ঘটনা স্থলে এসে আগুন নিয়ন্ত্রনে কাজ চালায়। ফায়ার সার্ভিসের ৩টি ইউনিট ও সাধারণ জনগন প্রায় ১ ঘন্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। আগুনের লেলিহান শিখা এতোই বেশী ছিলো যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে বেগ পেতে হয়েছে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদেরকে। 

রাঙ্গামাটি জেলা ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা মোঃ ইকবাল হোসেন জানান, আগুন লাগার খবর পেয়ে সাথে সাথে আমরা ঘটনাস্থলে এসে পৌছায় এবং আগুন নিয়ন্ত্রনে কাজ করি। প্রায় ঘন্টা খানেক ৩ টি ইউনিটি তিন দিক থেকে আগুনের নেভাতে প্রচেষ্টা চালায়। তিনি বলেন, তবে তাৎকক্ষনিক কিভাবে আগুন লেগেছে তা জানা সম্ভব হয়নি। আগুনে ১৫ টি বাড়ী পড়ে ছাই হয়ে গেছে। ক্ষয়ক্ষতি নিরূপন করে পরে তথ্য দেয়া হবে। 

তাৎক্ষনিক রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিজানুর রহমান ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোঃ সাইফুল ইসলাম, রাঙ্গামাটি পৌরসভার প্যানেল মেয়র মোঃ হেলাল উদ্দিন ঘটনাস্থলে এসে স্থানীয়দের সাথে কথা বলেন এবং ক্ষয়ক্ষতি নিরুপন করে সহযোগিতার কথা উল্লেখ করেন। 


আরও খবর