Logo
শিরোনাম
রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন কমপ্লিট শাটডাউন : ঢাকাসহ সারা দেশে বিজিবি মোতায়েন জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ইট বোঝায় ট্রাক খাদে কুষ্টিয়ায় আন্দোলনকারী ও ছাত্রলীগের মধ্যে সংঘর্ষ -কয়েকটি মোটর সাইকেলে আগুন পুঠিয়ায় আ’লীগের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা লালমনিরহাটে অনুষ্ঠিত হয়েছে তিস্তা সমাবেশ বেনাপোল স্থল বন্দর দিয়ে মিথ্যা ঘোষণায় আমদানি করা হয়েছে ১৮ কোটি টাকার সালফিউরিক এসিড কুমারখালীতে মহাসড়ক অবরোধ করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, আহত-২ শরণখোলায় নার্সের চিকিৎসার অবহেলায় এক রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ শেরপুরে কোটাবিরোধী শিক্ষার্থী-ছাত্রলীগের সংঘর্ষ, সাংবাদিকসহ আহত-২০

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী আজ

প্রকাশিত:রবিবার ০৯ অক্টোবর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪ |

Image

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী আজ। হিজরি সাল অনুসারে, রবিউল আউয়াল মাসের এই দিনে, আরবের মক্কা নগরীতে জন্মেছিলেন মহানবী হযরত মুহম্মদ (সা.)।

৬৩ বছর বয়সে রবিউল আউয়াল মাসের একই দিনে মদীনায় মারা যান তিনি। জন্ম ও মৃত্যুর তারিখ এক হওয়ায়, আনন্দ-উৎসবের পাশাপাশি ধর্মীয় ভাবধারায় দিনটি পালন করছেন বিশ্বের মুসলমানরা। দিনটি উপলক্ষে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আন্জুমানে রহমানিয়া মইনিয়া মাইজভান্ডারিয়ার উদ্যোগে চলছে শান্তি সমাবেশ। পরে মিছিল বের করা হয়। এছাড়াও এদিনে মসজিদগুলোতে মিলাদ মাহফিল ও বিশেষ মোনাজাত করা হয়। বিভিন্ন এলাকায় হচ্ছে জশনে জুলুস বা আনন্দ শোভাযাত্রা। এছাড়া, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের উদ্যোগে রয়েছে আলোচনা সভা।


আরও খবর

রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




জনগণের দৃষ্টি অন্যদিকে সরাতে ছাগলকাণ্ড করেছে সরকার : জয়নুল আবদিন

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০২ জুলাই 2০২4 | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৯ জুলাই ২০২৪ |

Image

বিডি টুডেস ডেস্ক:



বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও জাতীয় সংসদের সাবেক বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ জয়নুল আবদিন ফারুক বলেছেন, আওয়ামী লীগ সরকার আজিজ, বেনজীর, আসাদুজ্জামান মিয়া ও মতিউরদের তৈরি করেছে।



 সরকার এক এক কাণ্ড তৈরি করে মানুষের দৃষ্টি অন্যদিকে সরানোর জন্য ছাগলকাণ্ড করেছে।



আজ মঙ্গলবার (২ জুলাই) ভারতের সাথে অবৈধ চুক্তি, দুর্নীতি, দেশকে ধ্বংস করার ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে আয়োজিত অবস্থান কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জয়নুল আবদিন ফারুক একথা বলেন। জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এই অবস্থান কর্মসূচির আয়োজন করে গণতন্ত্র ফোরাম।



অবস্থান কর্মসূচিতে জয়নুল আবদিন ফারুক বলেন, আপনারা আজিজ, বেনজীর, আসাদুজ্জামান মিয়া, মতিউর তৈরি করেছেন। নতুন করে ফয়সাল তৈরি করেছেন। এক এক কাণ্ড তৈরি করে মানুষের দৃষ্টি অন্যদিকে সরানোর জন্য ছাগলকাণ্ড করেছেন। এসব কাণ্ডে কোন কাজ হবে না। বাংলাদেশের মানুষ শহীদ জিয়ার দল, তারেক রহমানের নেতৃত্বে আজ অত্যন্ত সুদৃঢ় অবস্থায়।



বিরোধীদলীয় সাবেক এই চিফ হুইপ বলেন, এই সরকারের বিরুদ্ধে জনগণ কথা বলা শুরু করেছে। প্রধানমন্ত্রী ভারত গেলেন এক সপ্তাহে দুইবার। কি মধুর সম্পর্ক, কি প্রেম-প্রীতি, ভালোবাসা। আম, লিচু, ইলিশ পাঠান, কিন্তু গিয়ে ফেরত আসেন খালি হাতে। আমার পানির ন্যায্য হিস্যা আনতে পারেন না। বরং নতুন করে আমার বুকের উপর দিয়ে রেললাইন নির্মাণের সমঝোতা চুক্তি করেন।



আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের উদ্দেশে জয়নুল আবদিন ফারুক বলেন, গান গায় শিল্পী, তলে তলে ব্যথা। আসলেই সত্যি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেতুমন্ত্রীর তলে ব্যথা আছে। তিনি একেক দিন একেকটা নতুন কথা আবিষ্কার করেন। 



আবার আবিষ্কার করলেন, আজকে পত্রিকায় দেখলাম, মমতার জন্য নাকি আমরা তিস্তার পানির শেয়ার পাচ্ছি না। হায়রে কপাল আমাদের এত মন্দ। এই মন্দের পেছনে আওয়ামী লীগ। এই কপাল খারাপের পেছনে আওয়ামী লীগ।



 আবার নতুন করে সমঝোতা স্বাক্ষরের নামে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব আজকে খর্ব করার পথে আপনারা। বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জন করেছি আমরা দিল্লির দাসত্ব গ্রহণ করার জন্য নয়।



জয়নুল আবদিন ফারুক বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার বছরে ৯২ হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার করে। আর হিন্দুস্তানের সাথে অসম চুক্তি করে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের প্রতি আপনারা হুমকি তৈরি করবেন। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের একজন সৈনিক, একজন কর্মী থাকতেও আমরা কোনদিনও এটা গ্রহণ করব না। 



দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা আপনারা সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করে দিয়েছেন। আইনের শাসনের নামে বেআইনি শাসন করে আমাদের লাখ লাখ কর্মীকে জেলে রেখেছেন। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও মির্জা আব্বাসের মতো সততার পরিচয় দেওয়া নেতাদের বিচারপতির বাসভবনে ঢিল মারার কারণে জেল খাটতে হয়। এর চেয়ে লজ্জার কিছু হয় না।


গণতন্ত্র ফোরামের সভাপতি ভিপি ইব্রাহিমের সভাপতিত্বে ও কৃষক দলের ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল নাঈমের সঞ্চালনায় অবস্থান কর্মসূচিতে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিব, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ, বিএনপির সহ যুব বিষয়ক সম্পাদক মীর নেওয়াজ আলী নেওয়াজ, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সহ-সভাপতি রাশেদুল হক, মৎস্যজীবী দলের সদস্য ইসমাইল হোসেন সিরাজ প্রমুখ।


আরও খবর



পবিপ্রবি'তে ১৫দিনে গড়ালো শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীর অবস্থান কর্মসূচি

প্রকাশিত:সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২০ জুলাই ২০24 |

Image
পবিপ্রবি প্রতিনিধি::

পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি) সার্বজনীন পেনশন স্কিম প্রজ্ঞাপন প্রত্যাহারের দাবিতে ১৫ তম দিনে শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীর সর্বাত্মক কর্মবিরতি চলছে।  

১৫ জুলাই (সোমবার ) বেলা ১১ টায়  ১৫ তম দিনে অর্থ মন্ত্রণালয়ের জারিকৃত পেনশন সংক্রান্ত বৈষম্যমূলক প্রজ্ঞাপন প্রত্যাহার দাবিতে  বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি  কৃষি অনুষদের সামনে  আর কর্মকর্তা পরিষদ  ও কর্মচারী ইউনিয়ন  প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থা কর্মসূচি পালন করছে।  এই সময় শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তাদের বিভিন্ন দাবির কথা তুলে ধরেন। দাবি আদায় না হাওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়া ঘোষণা দেন। শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের এই সর্বাত্মক কর্মবিরতিতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছে শিক্ষার্থীরা।  স্থবির হয়ে পড়েছে পবিপ্রবির শিক্ষা কার্যক্রম। দেখা দিচ্ছে শিক্ষার্থীদের মাঝে চরম হতাশা ও  সেশনজটের আশঙ্কা। 

পবিপ্রবি শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ড. মোঃ আসাদুজ্জামান মিয়া (মুন্না) শিক্ষার্থীদের কে বলেন, " এটা বাস্তবতা যে, আমাদের আন্দোলনের কারণে শিক্ষার্থীরা চরম ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এজন্য আমরা ব্যাথিত। আমরা দ্রুত ক্লাস পরীক্ষায় ফিরে যেতে চাই। এভাবে বিশ্ববিদ্যালয় চলতে পারে না। শিক্ষকদের প্রাণের দাবি স্বতন্ত্র বেতন স্কেল দিতেই হবে। আমরা শুধু আমাদের জন্য এই আন্দোলন করছিনা বরং বিশ্ববিদ্যালয়ের বৃহত্তর স্বার্থে, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকতা পেশাকে সম্মানিত করার জন্য আমরা কাজ করছি।" 

পবিপ্রবি শিক্ষক সমিতির সভাপতি জেহাদ পারভেজ বলেন, " আগামী ২০ জুলাই বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক ফেডারেশন এর সভায় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে। " 

অপর দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তাদের ন্যায্য অধিকার আদায়ের জন্য একটি মিছিল বের করে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে " জয় বাংলা " চত্বরে সমবেত হয়ে তাদের দাবি পেশ করেন। এসময় অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন এর  সভাপতি সাইদুর রহমান জুয়েল বলেন,  "আমাদের এই আন্দোলন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে নয় ,আমাদের এই আন্দোলন সরকারের বিরুদ্ধে নয় । এ আন্দোলন আমাদের রুটি ও জীবন জীবিকার আন্দোলন, আমাদের পরিবার পরিজন নিয়ে চাকরির শেষে সুখে থাকার আন্দোলন । " 

আরও খবর



হজে গিয়ে ৬৪ বাংলাদেশির মৃত্যু

প্রকাশিত:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪ |

Image

চলতি বছর পবিত্র হজ পালন করতে গিয়ে ৬৪ বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে পুরুষ ৫১ জন এবং নারী ১৩ জন। তাদের মধ্যে মক্কায় ৫০ জন, মদিনায় ৫ জন, মিনায় ৭ জন ও জেদ্দায় ২ জন মারা গেছেন।

শনিবার (১৩ জুলাই) হজ পোর্টালের সবশেষ বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়।

বুলেটিনে বলা হয়, পবিত্র হজ পালন শেষে এখন পর্যন্ত ৬৭ হাজার ৯৭৪ জন হাজি দেশে ফিরেছেন। সৌদি থেকে ১৮৪টি ফ্লাইটে হাজিরা দেশে ফিরেছেন। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ৮৭, সৌদি এয়ারলাইন্স ৬৯টি এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্স ২৮টি ফ্লাইট পরিচালনা করে।

হজ শেষে গত ২০ জুন থেকে দেশে ফেরার ফ্লাইট শুরু হয়। ওইদিন বাংলাদেশ বিমানের প্রথম ফিরতি ফ্লাইট ৪১৭ জন হাজি নিয়ে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। আগামী ২২ জুলাই পর্যন্ত হাজিদের ফিরতি ফ্লাইট অব্যাহত থাকবে।

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ থেকে মোট ৮৫ হাজার ২২৫ জন (ব্যবস্থাপনা সদস্যসহ) হজযাত্রী সৌদি আরবে গেছেন। আগামী বছর (২০২৫) বাংলাদেশের জন্য এক লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জনের কোটা দিয়েছে সৌদি আরব।

এদিকে, চলতি বছর প্রখর তাপপ্রবাহ ও অসহনীয় গরমের জেরে হজ করতে গিয়ে সৌদি আরবে রেকর্ড মৃত্যু হয়েছে। এখন পর্যন্ত ৬৪ বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয়।‌ এর মধ্যে হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরুর আগে ১৭ জন, বাকি ৪৭ জন হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরুর পর মারা গেছেন। মারা যাওয়া ব্যক্তিদের সবার নাম পরিচয় প্রকাশ করেছে হজ পোর্টাল। সর্বশেষ ১১ জুলাই মোহাম্মদ মিদ (৭৪) নামে একজন হাজি মারা গেছেন।

সৌদি আরবের আইন অনুযায়ী, কোনও ব্যক্তি হজ করতে গিয়ে যদি মারা যান, তাহলে তার মরদেহ সৌদি আরবে দাফন করা হয়। নিজ দেশে আনতে দেওয়া হয় না। এমনকি পরিবার-পরিজনের কোনও আপত্তি গ্রাহ্য করা হয় না। মক্কায় হজ যাত্রী মারা গেলে মসজিদুল হারামে জানাজা হয়।


আরও খবর



জয়পুরহাটে ভুয়া র‍্যাব সেজে প্রতারণা, গ্রেপ্তার-২

প্রকাশিত:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২০ জুলাই ২০24 |

Image
মোঃ আবু সুফিয়ান মুক্তার - জয়পুরহাট জেলা প্রতিনিধি::



জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলার রুকিন্দীপুর ইউনিয়নের মাস্টারপাড়া এলাকায় ভুয়া র‍্যাব পরিচয় দেওয়া দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন– তরিকুল নাটোর জেলার নলডাঙ্গা উপজেলার বাসুদেবপুর এলাকার জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে এবং নাইম হোসেন জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলার চকবিলা গ্রামের মনোয়ার হোসেনের ছেলে।

আজ রবিবার দুপুরে জয়পুরহাট র‌্যাব ক্যাম্প থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

র‌্যাব জানায়, তরিকুল ইসলাম সোহাগ এসআই পদে থেকে র‌্যাব বাহিনীতে আছেন, আর তার সহযোগী নাইম হোসেন বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর অফিস সহায়ক পদে চাকরি করেন এসব কথা বলে বিভিন্নজনকে চাকরির প্রলোভন দিতেন তারা। এমনভাবে মাস্টারপাড়া এলাকার এক ব্যক্তিকে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর সিভিল গাড়িচালক পদে চাকরি দেওয়ার আশ্বাস দেন। ওই ব্যক্তির সাথে তরিকুল ও নাইমের মৌখিকভাবে ১২ লাখ টাকা চুক্তি হয়। শনিবার বিকাল সাড়ে ৪ টার দিকে তারা দুজন মাস্টারপাড়া এলাকায় আসেন। এরপর ওই পদের পরীক্ষার প্রশ্নপত্র দেওয়ার নামে অগ্রিম ২৬ হাজার ৩শ টাকা দাবি করেন। বিষয়টি চাকরী প্রত্যাশী ব্যক্তির সন্দেহ হলে ঘটনাটি র‌্যাবকে জানায়। র‌্যাব ওই চাকরী প্রত্যাশীর সঙ্গে পরিকল্পনা করে তরিকুল ও নাইমকে গ্রেপ্তার করে।

জয়পুরহাট র‌্যাব ক্যাম্পের অধিনায়ক সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার নুরুল হুদা বলেন, গ্রেপ্তারকৃত দুজন প্রতারক চক্রের সাথে জড়িত। তাদের মধ্যে তরিকুলের কাছে র‌্যাবের জ্যাকেট পাওয়া গেছে। তারা র‌্যাব সদস্য পরিচয়ে এসব অপরাধমূলক কাজ করতেন। গ্রেপ্তারকৃত দুজনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে তাদেরকে আক্কেলপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

আরও খবর



মহা কবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের প্রয়াণ দিবস আজ

প্রকাশিত:শনিবার ২৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪ |

Image

সদরুল আইন: মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের ১৪৮তম প্রয়াণ দিবস আজ।


 ১৮৭৩ সালের ২৯ জুন আলিপুর জেনারেল হাসপাতালে অর্থাভাবে তিনি মারা যান।


ঊনবিংশ শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ বাঙালি কবি মধুসূদন ১৮২৪ সালের ২৫ জানুয়ারি যশোরের সাগরদাঁড়ি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।


মধুসূদন সাত বছর বয়সে কলকাতা যান। খিদিরপুর স্কুলে দুই বছর পড়ার পর ১৮৩৩ সালে কবি হিন্দু কলেজে ভর্তি হন। 


বাংলা, ফরাসী ও সংস্কৃত ভাষায় শিক্ষা লাভ করেন। ১৮৪৪ সাল থেকে ১৮৪৭ সাল পর্যন্ত তিনি কলকাতার বিশব কলেজে অধ্যায়ন করেন। 


সেখানে তিনি গ্রিক, ল্যাটিন ও সংস্কৃত ভাষা শেখেন। তিনি মাদ্রাজ বিশ্ববিদ্যালয়ের অভিভুক্ত হাইস্কুলে শিক্ষাকতা করেন। মাদ্রাজ থেকে প্রকাশিত পত্রিকা মাদ্রাজ স্পেক্টেটর এর সহকারি সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। 


১৮৬২ সালের ৯ জুন ব্যারিষ্টারি পড়ার জন্য তিনি বিলেত যান। ১৮৬৬ সালে তিনি ব্যারিষ্টারি পাশ করেন। মাইকেল মধুসূদন বাংলা ভাষায় সনেট ও অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক। তিনি বাংলা সাহিত্যের পাশাপাশি ইংরেজি সাহিত্যেও অসামান্য অবদান রাখায় বিশ্ববাসী এই ধীমান কবিকে মনে রেখেছে কৃতজ্ঞচিত্তে।


যদিও তার প্রথম ইংরেজি কাব্যগ্রন্থ ‘The Captive Ladie’ কে ইংরেজরা তখন সাদরে গ্রহণ করেনি। পাশ্চত্যের প্রতি আর্কষিত মধুসূদন ১৮৪৩ সালে খ্রিষ্টধর্মে দীক্ষিত হয়ে ‘মাইকেল’ উপাধি ধারণ করেন।


 তিনি ইংরেজদের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এটি রচনা করলে গ্রন্থটি তৎকালীন ইংরেজ সাহিত্যিকদের মধ্যে ভীতির সঞ্চার করে। মধুসূদন থাকলে তাদের সাহিত্যকর্ম স্থান পাবে না এই সংশয় তাদের মাঝে প্রকটভাবে দানা বাধতে থাকে। 


ইংরেজি সাহিত্যে তার কীর্তির যথাযথ মূল্যায়ন না হওয়ায় তিনি মনক্ষুন্ন হয়ে পড়েন। তখনই বুঝতে পারেন শেকড় ভোলার জ্বালা।


ইংরেজি সাহিত্য থেকে ছিটকে পড়ে বন্ধু মহলের পরামর্শে মধুসূদন বাংলাভাষায় সাহিত্য রচনায় মনোনিবেশ করেন। 


তিনি বাংলা সাহিত্যে উপহার দেন শর্মিষ্ঠা, পদ্মাবতী, তিলোত্তমা সম্ভব কাব্য, কৃষ্ণকুমারী, মেঘনাদবদ কাব্য, ব্রজঙ্গনা কাব্য, বীরঙ্গনা কাব্য, চতুর্দশদপদী কবিতাবলী, হেক্টরবধ এর মতো বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম।


মধুসূদন দত্ত নাট্যকার হিসেবেই প্রথম বাংলা সাহিত্যের অঙ্গনে পদার্পণ করেন। ১৮৫৯ সালে তিনি রচনা করেন ‘শর্মিষ্ঠা’ নাটক। এটিই প্রকৃত অর্থে বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম মৌলিক নাটক। 


১৮৬০ সালে রচনা করেন দুটি প্রহসন : ‘একেই কি বলে সভ্যতা’ এবং ‘বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রোঁ’ এবং পূর্ণাঙ্গ পদ্মাবতী নাটক। পদ্মাবতী নাটকেই তিনি প্রথম অমিত্রাক্ষর ছন্দ ব্যবহার করেন। 


একের পর এক রচনা করেন ‘মেঘনাদ বধ কাব্য’ (১৮৬১) নামে মহাকাব্য, ‘ব্রজাঙ্গনা’ কাব্য (১৮৬১), ‘কৃষ্ণকুমারী’ নাটক (১৮৬১), ‘বীরাঙ্গনা’ কাব্য (১৮৬২), চতুর্দশপদী কবিতা (১৮৬৬)।


মধুসূদনের শেষ জীবন চরম দুঃখ ও দারিদ্র্যের মধ্য দিয়ে অতিবাহিত হয়। আইন ব্যবসায় তিনি তেমন সাফল্য লাভ করতে পারেননি। তা ছাড়া অমিতব্যয়ী স্বভাবের জন্য তিনি ঋণগ্রস্থ হয়ে পড়েন। 


সাগরদাঁড়ির মধুসূদন একাডেমির পরিচালক কবি ও গবেষক খন্দকার খসরু পারভেজ বলেন, করোনার কারণে কবির মৃত্যুবার্ষিকী পালনে এবার উন্মুক্ত কর্মসূচি নেওয়া সম্ভব হয়নি। 


তবে আজ সকালে সাগরদাঁড়ির মধুপল্লীতে কবির প্রতিকৃতিতে পুষ্পাঞ্জলি অর্পণ এবং সন্ধ্যায় কবির সাহিত্যকর্ম ও জীবনীভিত্তিক ভার্চুয়াল আলোচনা, মধুসূদনের কবিতা থেকে আবৃত্তির প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।


আরও খবর

রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪