Logo
শিরোনাম

পবিত্র হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হচ্ছে আজ

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image



সদরুল আইনঃ



সৌদি আরবে চলতি বছরের হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হচ্ছে আজ। এ বছর সারা বিশ্ব থেকে প্রায় ২০ লাখ মানুষ হজ পালন করবেন। আর বাংলাদেশ থেকে হজ পালন করবেন ৮৫ হাজার ২৫৭ জন।



আরবি হিজরি সন ১৪৪৫ এর জিলহজ মাসের ৮ তারিখ আজ। আরবি বর্ষপঞ্জিকার শেষ মাস জিলহজের ৮ তারিখ থেকে শুরু হয় হজ। এরপর ৯ জিলহজে হয় আরাফাতের দিন। 


আর ১০ জিলহজে পশু কোরবানি করেন হাজিরা। পশু কোরবানি শেষে আরও দুইদিন থাকে হজের বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতা। অর্থাৎ হজ সম্পন্ন করতে সবমিলিয়ে সময় লাগে পাঁচদিন।


প্রথমদিন হজযাত্রীরা (পুরুষ) সেলাই ছাড়া ইহরাম বা সাদা কাপড় পরেন। অপরদিকে নারীরা ঢিলেঢালা পোশাক পরেন। এদিন আরও কিছু নিয়ম নীতি মানতে হয়। যেমন কারও সঙ্গে রাগারাগি না করা এবং যৌন সম্পর্কে লিপ্ত না হওয়া।


ইহরাম বাধার পর দলে দলে হাজিরা মিনায় যান। বেশিরভাগ মানুষ বাসে ও গাড়িতে গেলেও কেউ কেউ হেঁটেও মিনায় যান। এটি ৮ কিলোমিটারের একটি পথ।



হজযাত্রীরা এদিন মিনাতেই কাটান। এর পরের দিন ভোরে তারা সেখান থেকে চলে আসেন। হজযাত্রীরা মিনায় নামাজ এবং আল্লাহকে স্মরণ করে সময় কাটান।


দ্বিতীয় দিন হজযাত্রীরা যান আরাফাতের ময়দানে। সেখানে তারা পুরো দিনটি কাটান। আরাফাত শুধু হজের কারণেই গুরুত্বপূর্ণ নয় এটি ইসলামিক বর্ষপঞ্জিকার জন্যও গুরুত্বপূর্ণ।


আরাফাতের ময়দানে অবস্থিত আরাফাতের পাহাড়ে দাঁড়িয়ে নিজের জীবনের শেষ ভাষণটি দিয়েছিলেন হযরত মোহাম্মদ (সাঃ)। মিনা থেকে ১৪ দশমিক ৪ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে আরাফাতের ময়দানে উপস্থিন হন লাখ লাখ মানুষ। বিশ্বের অন্যান্য জায়গায় এদিন রোজা রাখা হয়।


আরাফাতের ময়দানে সারাদিন কাটানোর পর সূর্যাস্তের পর মুজদালিফায় যান হাজিরা। যা ৯ কিলোমিটারের একটি পথ। সেখানে খোলা আকাশের নিচে রাত্রি যাপন করেন তারা। ওই সময় প্রতীকি শয়তানের দিকে ছুড়ে মারার জন্য ছোট পাথর সংগ্রহ করেন তারা। সূর্যোদয়ের ঠিক আগে তারা মুজদালিফা ছাড়েন।



তৃতীয় দিনের শুরুটা হয় মুজদালিফায়। সেখান থেকে সূর্যোদয়ের আগে তারা মিনার দিকে রওনা দেন। মিনায় পৌঁছে তারা প্রতীকি শয়তানকে লক্ষ্য করে ছোট সাতটি নুড়ি পাথর নিক্ষেপ করেন।


মহান আল্লাহ ইব্রাহিম (আঃ)-কে নির্দেশ দিয়েছিলেন তিনি যেন তার পুত্রকে কোরবানি করেন। মিনার এই স্থানে যখন আল্লাহকে খুশি করতে ইব্রাহিম (আঃ) তার পুত্রকে নিয়ে আসেন তখন এখানে উপস্থিত হয় শয়তান। যেটি নবী ইব্রাহিমকে আল্লাহর আদেশ অমান্য করতে প্ররোচনা দিচ্ছিল।



 ওই সময় ইব্রাহিম (আঃ) শয়তানকে লক্ষ্য করে পাথর নিক্ষেপ করেন। এখন হাজিরা এই স্থানে প্রতীকি শয়তানকে লক্ষ্য করে পাথর মারেন।


পাথর নিক্ষেপ শেষে হাজিদের কোরবানি করতে হয়। ইব্রাহিম (আঃ) যখন তার পুত্রকে কোরবানি করতে যান তখন সেখানে আল্লাহ তায়ালা একটি ভেড়াকে এনে দেন।


কোরবানি শেষে হাজিরা (পুরুষ) তাদের মাথা মুণ্ডণ করেন এবং ইহরামের কাপর খোলেন। এরপর অনেকে কাবা তাওয়াফ করতে মক্কায় যান। সেখানে কাবায় সাত চক্কর দেওয়ার পাশাপাশি সাফা ও মারওয়া পাহাড়ে তারা সাতবার আসা যাওয়া করেন। সবকিছু শেষ হওয়ার পর মিনায় তারা তাদের ক্যাম্পে ফিরে যান।



চতুর্থ ও পঞ্চম এ দুইদিনও প্রতীকি শয়তানকে লক্ষ্য করে পাথর ছোড়েন তারা। এই সময় প্রতীকি শয়তানের তিনটি স্তম্ভের প্রত্যেকটিতে সাতটি করে নুড়ি পাথরর ছোড়েন হাজিরা। এখানে হাজিরা আরও দুইদিন অবস্থান করবেন।


মিনার আনুষ্ঠানিকতা শেষে হজযাত্রীরা মক্কায় ফিরে যান এবং শেষবারের মতো কাবা তাওয়াফ করেন। যা ‘বিদায়ী তাওয়াফ’ নামেও পরিচিত।


নিজ বাড়িতে বা দেশে ফিরে যাওয়ার আগে বেশিরভাগ হাজি যান মদিনায়। যেখানে শুয়ে আছেন শ্রেষ্ঠ নবী হযরত মোহাম্মদ (সাঃ)। মদিনায় হাজিরা নবীজীর রওজা পরিদর্শন করেন।



আরও খবর



প্রধানমন্ত্রী চীন যাচ্ছেন ৮ জুলাই

প্রকাশিত:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডেস ডেস্ক:


আগামী ৮ জুলাই চীন সফরে যাবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। 


তিনদিনব্যাপী এ সফরে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও ব্রিকসে বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তির বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে।



পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ আজ সোমবার (২৪ জুন) রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানিয়েছেন।


এর আগে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশ সফররত চীনের কম্যুনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী লিউ জিয়ানচাও সাক্ষাত করেন।



 সাক্ষাতকালে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন ও দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশের বড় উন্নয়ন সহযোগী চীনের সাথে বাণিজ্য ঘাটতি কমিয়ে আনতে রপ্তানি বৃদ্ধি, ওষুধ, সিরামিক, চামড়াজাত পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্র প্রসার, চীনের বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও অবকাঠামো নির্মাণ সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।



 পাশাপাশি দেশে আশ্রিত প্রায় ১৩ লাখ রোহিঙ্গার নিজ দেশ মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনে চীনের কার্যকর ভূমিকা বৃদ্ধির জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে।



লিউ জিয়ানচাও সাংবাদিকদের বলেন, আমরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে চীন সফরে স্বাগত জানাই। বাংলাদেশে পণ্য উৎপাদন, বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও অবকাঠামো নির্মাণে আরও সহযোগিতা দিতে চীন প্রস্তুত।


আরও খবর



ব্রিটেনের নতুন প্রধানমন্ত্রী স্টারমার

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৫ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

যুক্তরাজ্যের সাধারণ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছে বিরোধী লেবার পার্টি। জয় পাওয়ার পরেই লেবার পার্টির নেতা কিয়ার স্টারমার শুক্রবার বাকিংহাম প্রাসাদে ব্রিটেনের রাষ্ট্রপ্রধান রাজা দ্বিতীয় চার্লসের সাথে দেখা করতে যান। এ সময় রাজা তাকে প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ দেন।

বাকিংহাম প্রাসাদের প্রকাশ করা একটি ছবিতে দেখা গেছে, রাজা চার্লস স্টারমারের সাথে করমর্দন করছেন। এর আগে তিনি প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে কনজারভেটিভ পার্টির নেতা ঋষি সুনাকের পদপত্যাগপত্র গ্রহণ করেন।

এর আগে শুক্রবার (৫ জুলাই) সকালে স্কাই নিউজ জানায়, পার্লামেন্টের ৬৫০ আসনের মধ্যে ৪১২টি আসনে জয় পেয়েছে লেবার পার্টি। কনজারভেটিভ পার্টি পেয়েছে ১২১টি আসন। সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য কোনো দলের প্রয়োজন হয় ৩২৬ আসন। এই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে যুক্তরাজ্যে টানা ১৪ বছর পর ক্ষমতা থেকে সরে গেল কনজারভেটিভ পার্টি।

এদিকে কোনো সংবাদ মাধ্যমে ফল ঘোষণা হওয়ার আগেই নির্বাচনে পরাজয় স্বীকার করে নেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক।

সুনাক বলেন, লেবার পার্টি এই সাধারণ নির্বাচনে জয়ী হয়েছে এবং আমি স্যার কেয়ার স্টারমারকে ফোন করে তার জয়ের জন্য অভিনন্দন জানিয়েছি।

তিনি আরো বলেন, ব্রিটিশ জনগণ আজ রাতে একটি রায় দিয়েছে যা থেকে অনেক কিছু শেখার আছে... আর হারের দায় আমি নিচ্ছি।

ঋষি সুনাক পদপত্যাগপত্র দেয়ার আগে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন ১০ ডাউনিং স্ট্রিট ছেড়ে দেন। এ সময় তিনি ডাউনিং স্ট্রিটের বাইরে দেয়া শেষ ভাষণে বলেন, এটি একটি কঠিন দিন। বিশ্বের সেরা দেশের প্রধানমন্ত্রী হয়ে আমি সম্মানিত হয়েছি এবং এখন আমি এই দায়িত্ব ছেড়ে দিচ্ছি।

এদিকে লেবার সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত হওয়ার পরে সেন্ট্রাল লন্ডনে জনতার উদ্দেশে স্টারমার বলেন, আমরা পেরেছি। আপনারা এর জন্য প্রচারণা চালিয়েছিলেন, এর জন্য লড়াই করেছিলেন- এবং জয় এসেছে, পরিবর্তন এখন শুরু।

তিনি আরো বলেন, ব্রিটিশ জনগণকে পরীক্ষা করে দেখতে হয়েছিল যে আমরা তাদের স্বার্থ রক্ষা করতে পারি কি না এবং এটি এখনই থামবে না।

স্টারমার বলেন, আমি আপনাদের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি না যে- এটি সহজ হবে। কিন্তু যখন চলা কঠিন হয়ে উঠবে, মনে রাখতে হবে আজকে রাতের কথা।


আরও খবর



সেনাপ্রধান হলেন ওয়াকার-উজ-জামান

প্রকাশিত:রবিবার ২৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডেস রিপোর্ট:


সেনাবাহিনী প্রধান হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।



 নতুন দায়িত্ব নেওয়ায় তিনি সদ্য বিদায়ী সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদের স্থলাভিষিক্ত হলেন।


 আগামী তিন বছরের জন্য তিনি সেনাপ্রধানের দায়িত্ব পালন করবেন।



গত ১১ জুন আইএসপিআর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, আগামী ২৩ জুন অপরাহ্ন থেকে লেফটেন্যান্ট জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান চিফ অব জেনারেল স্টাফকে (সিজিএস) জেনারেল পদবিতে পদোন্নতি দিয়ে ওই তারিখ অপরাহ্ন থেকে তিন বছরের জন্য সেনাবাহিনী প্রধান পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।



আজ রোববার (২৩ জুন) বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে গণভবনে নৌবাহিনী প্রধান রিয়ার অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ নাজমুল হাসান ও বিমানবাহিনী ভাইস মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন নবনিযুক্ত সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানকে ব্যাজ পরিয়ে দেন।



 পরে সেনাপ্রধান প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।


আরও খবর



অবিক্রীত রয়ে গেলো সাড়ে ২৩ লাখ পশু

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ |

Image

এবার কোরবানি ঈদে সারা দেশে মোট ১ কোটি ৬ লাখ ২১ হাজার ২২৮ গবাদিপশু বিক্রি হয়েছে। পাশাপাশি এবার ২৩ লাখ ৫৯ হাজার ১৩৯টি পশু অবিক্রীত থেকে গেছে।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এবার মোট পশু মজুত ছিল ১ কোটি ২৯ লাখ ৮০ হাজার ৩৬৭টি পশু।

এতে বলা হ‌য়ে‌ছে, এবার ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগে সবচেয়ে কম পশু বিক্রি হয়েছে। এ বছর ঢাকায় ২৫ লাখ ২০ হাজার, চট্টগ্রামে ১৯ লাখ ৭৪ হাজার আর রাজশাহীতে ২৩ লাখ পশু বিক্রি হয়। গত বছর কোরবানি ঈদে ৯৪ লাখ ৪৩ হাজারের বেশি পশু বিক্রি হয়।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তথ্য মতে, গতবছর কোরবানিযোগ্য পশু ছিল ১ কোটি ২৫ লাখ ৩৬ হাজার ৩৩৩টি। এর মধ্যে ১ কোটি ৪১ হাজার ৮১২টি পশু কোরবানি হয়েছে, অর্থাৎ ২৪ লাখ ৯৪ হাজার ৫২১টি পশু অবিক্রীত ছিল। আর ২০২২ সালে সারাদেশে ৯৯ লাখ ৫০ হাজার ৭৬৩টি পশু কোরবানি হয়েছিল।

এত পশু অবিক্রীত থাকায় বড় ক্ষতির মুখে পড়েছেন খামারি ও ব্যাপারীরা। খামারিদের মধ্যে যারা বড় গরু বাজারে এনেছিলেন, তার অধিকাংশই অবিক্রীত রয়েছে। এতে বিপাকে পড়েছেন তারা। চড়া দামের খাবার খাইয়ে, ব্যাংক ঋণ নিয়ে যারা খামার করেছেন, তাদের অনেকের অবস্থা করুণ। খামার পরিচালনার দৈনন্দিন ব্যয় মেটানোই এখন তাদের জন্য কঠিন হবে। ভারত-মিয়ানমার থেকে এবার অবৈধ পথে গরু আসায় এই সংকট তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বিভিন্ন এলাকার খামারি ও মৌসুমি পশু ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এবার ছোট ও মাঝারি গরুর চাহিদা ছিল বেশি। সেই তুলনায় বড় গরুর ক্রেতা ছিলেন খুবই কম।

এবার কোরবানি ঈদে সারা দেশে মোট ১ কোটি ৬ লাখ ২১ হাজার ২২৮ গবাদিপশু বিক্রি হয়েছে। পাশাপাশি এবার ২৩ লাখ ৫৯ হাজার ১৩৯টি পশু অবিক্রীত থেকে গেছে।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এবার মোট পশু মজুত ছিল ১ কোটি ২৯ লাখ ৮০ হাজার ৩৬৭টি পশু।

এতে বলা হ‌য়ে‌ছে, এবার ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগে সবচেয়ে কম পশু বিক্রি হয়েছে। এ বছর ঢাকায় ২৫ লাখ ২০ হাজার, চট্টগ্রামে ১৯ লাখ ৭৪ হাজার আর রাজশাহীতে ২৩ লাখ পশু বিক্রি হয়। গত বছর কোরবানি ঈদে ৯৪ লাখ ৪৩ হাজারের বেশি পশু বিক্রি হয়।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তথ্য মতে, গতবছর কোরবানিযোগ্য পশু ছিল ১ কোটি ২৫ লাখ ৩৬ হাজার ৩৩৩টি। এর মধ্যে ১ কোটি ৪১ হাজার ৮১২টি পশু কোরবানি হয়েছে, অর্থাৎ ২৪ লাখ ৯৪ হাজার ৫২১টি পশু অবিক্রীত ছিল। আর ২০২২ সালে সারাদেশে ৯৯ লাখ ৫০ হাজার ৭৬৩টি পশু কোরবানি হয়েছিল।

এত পশু অবিক্রীত থাকায় বড় ক্ষতির মুখে পড়েছেন খামারি ও ব্যাপারীরা। খামারিদের মধ্যে যারা বড় গরু বাজারে এনেছিলেন, তার অধিকাংশই অবিক্রীত রয়েছে। এতে বিপাকে পড়েছেন তারা। চড়া দামের খাবার খাইয়ে, ব্যাংক ঋণ নিয়ে যারা খামার করেছেন, তাদের অনেকের অবস্থা করুণ। খামার পরিচালনার দৈনন্দিন ব্যয় মেটানোই এখন তাদের জন্য কঠিন হবে। ভারত-মিয়ানমার থেকে এবার অবৈধ পথে গরু আসায় এই সংকট তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বিভিন্ন এলাকার খামারি ও মৌসুমি পশু ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এবার ছোট ও মাঝারি গরুর চাহিদা ছিল বেশি। সেই তুলনায় বড় গরুর ক্রেতা ছিলেন খুবই কম।


আরও খবর



নোয়াখালীতে তিন শিক্ষককে অব্যাহতি

প্রকাশিত:রবিবার ০৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image
নোয়াখালী প্রতিনিধি::

নোয়াখালীর চাটখিলে চলমান উচ্চমাধ্যমিক, আলিম ও সমমান পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে দায়িত্বে অবহেলার দায়ে তিন শিক্ষককে চলতি বছরের পরবর্তী পরীক্ষাসমূহের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। 

আব্যাহতি পাওয়া শিক্ষকরা হলেন, উপজেলার কড়িহাটি ফাযিল মাদরাসার সহকারী অধ্যাপক হাবিব উল্লাহ মেসবাহ, মল্লিকাদিঘীর পাড় ফাযিল মাদরাসার সহকারী অধ্যাপক জহির উদ্দীন এবং খোয়াজের ভিটি ফাযিল মাদরাসার প্রভাষক তকদীর হোসেন।

রোববার (৭ জুলাই) উপজেলার চাটখিল কামিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে আলিম পরীক্ষার্থীদের বাংলা দ্বিতীয় পত্র পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে এই ঘটনা ঘটে। 

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বোরবার বেলা সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে বাংলা দ্বিতীয় পত্র পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে আলিম পরীক্ষার কেন্দ্রটি পরিদর্শনে যান কেন্দ্রের সুপারভাইজিং অফিসার ও চাটখিল উপজেলা নির্বাহী অফিসার শেখ এহসান উদ্দীন। এসময় তিনি কেন্দ্রের ১ নম্বর এবং ৩ নম্বর কক্ষে দায়িত্বরত কক্ষ প্রত্যবেক্ষকদের দায়িত্বে অবহেলার বিষয়টি দেখতে পেয়ে কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নজরে আনেন। পরবর্তীতে চাটখিল কামিল মাদরাসা কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. বশির উল্লাহ ওই তিন শিক্ষককে অব্যাহতি প্রদান করেন।

চাটখিল উপজেলা নির্বাহী অফিসার শেখ এহসান উদ্দীন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।  তিনি বলেন, সকালে আমি কেন্দ্রটি পরিদর্শনে যাই। পরীক্ষা হলে গিয়ে দেখি পরীক্ষার্থীরা একে অপরের সাথে কথা বলছে এবং তারা একজন আরেক জনের থেকে দেখে লিখছে। এরপর বিষয়টি কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার মো.বশির উল্যার জানালে তিনি তিন শিক্ষককে অব্যাহতি প্রদান করেন।


আরও খবর