Logo
শিরোনাম

পদ্মা সেতুতে রেল সংযোগে ঢালাই শুরু

প্রকাশিত:Saturday ০৩ December ২০২২ | হালনাগাদ:Friday ২৭ January ২০২৩ |
Image

কারিগরি জটিলতা কাটিয়ে দোতলা পদ্মা সেতুর নিচতলা দিয়ে শুরু হয়েছে পাথরবিহীন রেললাইন বসানোর কাজ। ১ ডিসেম্বর রাতে মূল সেতুতে রেললাইনের ঢালাই কাজ শুরু হয়েছে। জাজিরা প্রান্ত থেকে প্রতিদিন গড়ে ৫০ মিটার করে হচ্ছে ঢালাই। ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে মাওয়া প্রান্ত থেকেও ঢালাইয়ের কাজ শুরু করার কথা জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

আগামী ৬ মাসের মধ্যে পুরো সেতুতে রেলের পাত বসানোর কাজ শেষ হবে। ২০২৩ সালের জুনে ঢাকা-ভাঙ্গা পর্যন্ত ৮২ কিলোমিটার রেলপথে চলবে ট্রেন। পদ্মা সেতু রেলসংযোগ প্রকল্পের কর্তৃপক্ষ জানায়, চলতি বছরের ২০ আগস্ট শুরু হওয়ার কথা ছিল পদ্মা সেতুতে রেললাইন ঢালাইয়ের কাজ। কিন্তু এলিভেশন সমন্বয় নিয়ে দেখা দেয় জটিলতা। দীর্ঘ প্রায় ৩ মাসের প্রচেষ্টায় জটিলতার সমাধান করা হয়।

গত ৩০ নভেম্বর সেতু জাজিরা প্রান্তের ৪২ নাম্বার পিলার থেকে শুরু হয় পাথরবিহীন রেলপথ ঢালাইয়ের কাজ। এর আগে উভয় প্রান্তের ভায়াডাক্টের উপরিভাগের ঢালাইয়ের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। ভাঙ্গা থেকে সেতুর জাজিরা প্রান্ত পর্যন্ত ৩২ কিলোমিটার রেলপথ পুরোপুরি প্রস্তুত। এরই মধ্যে ট্রাক-কার চালিয়ে এই অংশটুকু উদ্বোধন করা হয়েছে। সেতুর ওপর দিনভর রড বাইন্ডিং, ঝালাই, সিøপার বসানো ও সেন্টারিং কাজ চলমান। সূর্য ডুবে সন্ধ্যা নেমে এলেই শুরু হয় ঢালাইয়ের প্রস্তুতি। তাপমাত্রা যখন সহনীয় পর্যায়ে চলে আসে ঠিক তখনই তখনই ব্যস্ত হয়ে পড়েন শ্রমিক প্রকৌশলীরা না।

এদিকে জাজিরা প্রান্ত থেকে প্রতিদিন ৫০ মিটার করে ঢালাই করা হচ্ছে বলে জানা গেছে। পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পের প্রকৌশলী সাদমান শাহরিয়ার বলেন, সম্পূর্ণ পাথরবিহীন রেললাইন নির্মাণ এটাই বাংলাদেশে প্রথম। এই রেলপথ দিয়ে কোনো ধরনের ঝাঁকুনি ছাড়াই দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলবে ট্রেন। সম্পূর্ণ আধুনিক পদ্ধতিতে যন্ত্রের সাহায্যে মান বজায় রেখেই রেলপথের কাজ চলছে।

প্রকল্প ব্যবস্থাপক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সাঈদ আহমেদ বলেন, চলতি বছরের আগস্ট মাসে মূল সেতুতে রেললাইন বসানোর উদ্বোধন করা হয়েছিল। কিন্তু সেতুর ওপরে যেহেতু ব্যালাটলেস রেলপথ নির্মাণ হচ্ছে সেহেতু এটা একেবারে স্থায়ী রিপেয়ার করা খুবই দুরূহ। তাই কারিগরি সব বিষয় নিখুঁতভাবে বিশ্লেষণ করতে তিন মাস সময় লেগে গেছে। সব ধরনের জটিলতা কাটিয়ে মূল ব্রিজের রেলপথ নিখুঁতভাবে নির্মাণ করা হচ্ছে। জাজিরা এবং মাওয়া প্রান্ত মিলে প্রতিদিন ১০০ মিটারের উপরে রেলপথ নির্মাণ করা হবে। আশা করি আগামী ছয় মাসের মধ্যেই মূল সেতুর কাজ শেষ হবে। এবং প্রকল্পের নির্ধারিত ২০২৩ সালের জুনে ঢাকা-ভাঙ্গা রেলপথ পুরোপুরি চালু হওয়ার ক্ষেত্রে আমরা আশাবাদী।


আরও খবর



সংসদে মুন্সিগঞ্জের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়-মেডিকেল কলেজ চাইলেন মৃণাল কান্তি দাস

প্রকাশিত:Monday ২৩ January 20২৩ | হালনাগাদ:Friday ২৭ January ২০২৩ |
Image

মুন্সীগঞ্জ  প্রতিনিধি: মহান জাতীয় সংসদে বক্তব্য দিতে গিয়ে মুন্সিগঞ্জ ৩ আসনের সংসদ সদস্য মৃণাল কান্তি দাস বলেছেন, ‘ইতিহাস প্রসিদ্ধ একটি এলাকা। যে এলাকায় জন্মগ্রহণ করেছিলেন শ্রী অতীশ দীপঙ্কর। জ্ঞান বিস্তারের জন্য যিনি সেই সময়ে সূদুর চিন পর্যন্ত গিয়েছিলেন। সেই এলাকার মানুষ একটি পাবলিক ইউনিভার্সিটি, একটি পাবলিক মেডিকেল কলেজ পাবে না। সরকারের দ্বিঘোষিত নীতি অনেক জেলায় হচ্ছে। আমার জেলার মানুষ শুধু জিজ্ঞেস করে, এটি আমাদের কবে হবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমি কড়জোরে আবেদন করবো- নিবেদন করবো, ইতিহাস প্রসিদ্ধ এই এলাকা শ্রী অতীশ দীপঙ্কর, জগদীশ চন্দ্র বসু, সিআর দাসসহ (দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাস) বহু মনিষীর এই প্রিয় জন্মস্থলে আপনি এই বিশ্ববিদ্যালয় দুইটি নির্মাণ করলে আমরা কৃতজ্ঞ হবো।’

জাতীয় সংসদের ২১তম অধিবেশনে মহামান্য রাষ্ট্রপতির ভাষণের উপর বক্তব্য দিতে গিয়ে প্রসঙ্গক্রমে মুন্সিগঞ্জ ৩ আসনের সংসদ সদস্য মৃণাল কান্তি দাস বলেন, ‘পদ্মা নদীর পাড়, মেঘনা নদীর পাড়, গোমতি নদীর পাড়, ধলেশ্বরীর পাড়, শীতলক্ষ্যার পাড় এই এলাকায় রয়েছে অনেক চর, অনেক হাওর-বাঁওর সেখানকার মানুষ অনেক কষ্টে আছে। বন্যায় নদী ভাঙে, জায়গা নষ্ট হয়। রয়েছে ভূমিদস্যুতা, রয়েছে বালুদস্যুতা। বালুদস্যুরা মানুষের ভূমি কেড়ে নিয়ে যাচ্ছে আর ভূমিদস্যুরা আমার প্রধানমন্ত্রী চান এক ইঞ্চি জমিও যাতে বিনাচাষ না থাকে। আর এই বালুদস্যুরা মানুষের জমিগুলো দিনেদুপুরে প্রশাসনের নাকের ডগায় ভেকু দিয়ে চার-পাঁচ ফিট মাটি কেটে নিয়ে যাচ্ছে। কৃষকরা চাষ-বাস করতে পারে না। জেলা প্রশাসনকে জানাই, পুলিশ প্রশাসনকে জানাই। কোথাও সহযোগিতা পাই না। অসহায় এমপি- তার এলাকার মানুষের জান-মালের, জীবন রক্ষা করতে।’

গত রোববার সন্ধ্যায় প্রায় ১৭ মিনিটের বক্তব্যকালে সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও উপস্থিত ছিলেন।

মৃণাল কান্তি দাস জাতীয় সংসদে তার বক্তব্যে আরও বলেন ‘এলাকার মানুষের কল্যাণে আমি এই পার্লামেন্টে আসার সুযোগ পেয়েছি। মনোনয়ন দিয়েছেন দেশরত্ম শেখ হাসিনা। কিন্তু এলাকার মানুষও তো আমার আছে। সেখানকার সমস্যা সমাধানের জন্যে প্রধানমন্ত্রী অনেক কিছু দিয়েছেন। সেতুমন্ত্রীও দিয়েছেন। তারপরও আমি বলবো ছনবাড়ি থেকে মুক্তারপুর পর্যন্ত যে সড়কটি প্রশস্তকরণ চলছে, ব্রিজগুলো নির্মাণ চলছে। গতি শ্লথ, একটু দ্রুত যদি করেন তাহলে আমার এলাকার মানুষ কষ্ট থেকে বাঁচে।’

তিনি এসময় আরও বলেন, ‘২২৫০ কোটি টাকা দিয়েছেন সেতুমন্ত্রী। পঞ্চবটি থেকে মুক্তারপুর ফ্লাইওভার এবং ফোরলেন করতে। জমি অধিগ্রহণের প্রক্রিয়া আমলাতান্ত্রিক কারণে শ্লথ হয়ে আছে। একটু গতি দিন। কাজগুলো যদি একটু দৃশ্যমান হয় এলাকার মানুষের কাছে আমরা মুখটা, আপনাদের মুখটা, আওয়ামী লীগের মুখটা, সরকারের মুখটা, শেখ হাসিনার মুখটা ওবায়দুল কাদেরের মুখটা আমার চেয়েও অনেক অনেক ‍গুন বড় হবে। আওয়ামী লীগের প্রতি এই এলাকার মানুষের সমর্থন আরও বাড়বে।’

মৃণাল আরও বলেন, ‘একটি ব্রিজ অনেকদিন যাবৎ চেষ্টা করে যাচ্ছি। গজারিয়ার মানুষের দুর্ভোগ- ফুলদি নদীর উপর একটি ব্রিজ যদি করে দেন আমি তার কাছে কৃতজ্ঞ থাকবো। পদ্মা নদীর উপর সেতু নির্মাণের পর বাংলাদেশের মানুষের অর্থনৈতিক গতিতে সঞ্চার আসবে। যদি মোংলা পোর্টের সাথে চিটাগং পোর্টের দূরত্ব কমাতে হয়। ঢাকা শহরের উপর যদি যানজট কমাতে হয় তাহলে মেঘনা নদীর উপর একটি ব্রিজ নির্মাণের অবশ্যই প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। মুন্সিগঞ্জ শহরের পাশ দিয়ে যদি সেই সড়কটি বেরিয়ে যায় তাহলে আমার এলাকার মানুষ যেমন লাভবান হবে জাতীয় অর্থনৈতিক অগ্রগতিতেও সমধিক ভূমিকা রাখবে।’

সংসদ সদস্য মৃণাল কান্তি দাস তার বক্তব্যে বলেন, ‘আমার শহরে একটি মিলনায়তন ছিলো (গণসদন)। বেশ কয়েক বছর যাবৎ বন্ধ। আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে তাও নির্মাণ করতে পারছি না। শিল্পকলা একাডেমিটির অবস্থা খুবই খারাপ। সংস্কৃতি মন্ত্রীকে একাধিকবার বলেছি যে, এই উপমহাদেশের সংস্কৃতি আন্দোলনের সূতিকাগার মুন্সিগঞ্জ তথা বিক্রমপুরের জেলা সদরে কেন একটি আধুনিক শিল্পকলা একাডেমি হবে না। তার দিকেও নজর দেয়ার জন্য আমি অনুরোধ জানাচ্ছি।’


আরও খবর



টেন্ডার প্রক্রিয়া- নওগাঁয় আটকে রয়েছে আঞ্চলিক মহাসড়ক উন্নয়ন কাজ

প্রকাশিত:Tuesday ০৩ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Thursday ২৬ January ২০২৩ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টারঃ


নওগাঁয় আঞ্চলিক মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের প্রায় হাজার কোটি টাকার কাজ টেন্ডার প্রক্রিয়ায় আটকে রয়েছে। নওগাঁর মহাদেবপুরসহ জেলার আঞ্চলিক মহাসড়কের উন্নয়ন কাজ কবে নাগাদ এই টেন্ডার প্রক্রিয়া শেষ হবে এ নিয়ে কোন মন্তব্য করতে নারাজ সড়ক ও জনপথ বিভাগ। চলতি বছরের ২২ মার্চ প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত একনেকের সভায় ১ হাজার ১শ’ ৮৫ কোটি টাকা ব্যয়ে আঞ্চলিক ও মহাসড়ক উন্নয়নের অনুমোদন হয়।

জেলার মহাসড়কের উন্নয়নে একনেকের সভায় অনুমোদন পেলেও নওগাঁর সড়ক ও জনপথ বিভাগের উদাসিনতায় টেন্ডার প্রক্রিয়া ২ জানুয়ারি ২০২৩ সোমবার পর্যন্ত সম্পন্ন হয়নি। এক হাজার ১৮৫ কোটি টাকা ব্যয়ে সড়ক বিভাগের ৩ টি আঞ্চলিক ও ৩ টি মহাসড়ক উন্নয়নে অনুমোদনকৃত প্রকল্প গুলোর মধ্যে রয়েছে জেলার নওগাঁ-বগুড়া-মহাদেবপুর-পত্নীতলা-ধামইরহাট-জয়পুরহাটের সঙ্গে আঞ্চলিক ও মহাসড়কের উন্নয়ন, নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলার চৌমাসিয়া মোড় থেকে ধামইরহাট উপজেলার মঙ্গলবাড়ী পর্যন্ত ৫১.৪৯৮ কিলোমিটার সড়ক উন্নয়নে ৪৪৮ কোটি টাকা, সান্তাহার থেকে নওগাঁর আত্রাই ৫.৪৪ কিলোমিটার ও ঢাকা মোড় থেকে রানীনগর পর্যন্ত ৮ কিলোমিটার সড়ক উন্নয়নে ৬৫ কোটি টাকা, নওগাঁ-বদলগাছী-পত্নীতলা-সাপাহার-পোরশা চাঁপাইনবাবগঞ্জের রহনপুর সড়ক উন্নয়নে ও নওগাঁ জেলা কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল থেকে রাইগাঁর মাতাজীর মোড় হয়ে পত্নীতলা পর্যন্ত ৩৩ কিলোমিটার সড়ক উন্নয়নে ৪০৫ কোটি টাকা, সড়াইগাছী-পোরশা সড়ক ও মহাদেবপুর শহরের মাছের মোড় থেকে নিতপুর পর্যন্ত ৩৭ দশমিক ৯৩০ কিলোমিটার রাস্তার উন্নয়নে ১৪ কোটি টাকা, বদলগাছী-জয়পুরহাট-আক্কেলপুর-ভান্ডারপুর সড়ক থেকে বদলগাছী ব্রীজ পর্যন্ত ১১ কিলোমিটার সড়ক উন্নয়নে ৪১ কোটি টাকা, মান্দা-নিয়ামতপুর-শিবপুর-পোরশা সড়ক এবং মান্দা ব্রীজ থেকে নিয়ামতপুর পর্যন্ত ১৮.২৫০ কিলোমিটার সড়ক উন্নয়নে ৮০ কোটি টাকা একনেকের সভায় অনুমোদন হয়। নওগাঁ সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সাজেদুর রহমান বলেন, বিভিন্ন সমস্যার কারনে ঐ সব সড়কের টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সময় লাগছে। তবে কিছু কিছু সড়কের টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলেও অধিকাংশ টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি বলেও জানান প্রকৌশলী। এই টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে আর কতদিন লাগবে এমন প্রশ্নে তিনি কোন মন্তব্য করতে রাজী হননি।

নওগাঁ-৩ মহাদেবপুর-বদলগাছী আসনের এমপি আলহাজ্ব মোঃ ছলিম উদ্দিন তরফদার সেলিম বলেন, বর্তমান সরকার সারাদেশে যোগাযোগের ক্ষেত্রে অভাবনীয় উন্নয়ন সাধন করেছেন। তারই উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে ২২ মার্চ বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একনেকের বৈঠকে এসব প্রকল্প অনুমোদন দেন।


আরও খবর



শিক্ষার্থীদের কাছে বিনামূল্যে বই পৌঁছে দেওয়া সরকারের বড় সাফল্য

প্রকাশিত:Sunday ০১ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Friday ২৭ January ২০২৩ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টার :


বছরের প্রথম দিন নতুন বই হাতে পেয়ে শিক্ষার্থীরা পড়াশোনায় উৎসাহিত হচ্ছে।

খাদ্যমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা সাধন চন্দ্র মজুমদার এমপি বলেছেন, বছরের প্রথম দিন হাতে নতুন বই পাওয়ায় শিক্ষার্থীরা পড়াশোনায় উৎসাহিত হচ্ছে। বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক বিতরণ কে শিক্ষা ক্ষেত্রে ''মাইলফলক'' বলে মন্ত্রী উল্লেখ করেন।

রবিবার ১ জানুয়ারী সকালে নওগাঁর পোরশা উপজেলার নিতপুর সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ প্রাঙ্গণে শিক্ষার্থীদের মাঝে "বই বিতরণ উৎসব" অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যকালে তিনি উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। এসময় মন্ত্রী একই সাথে সাপাহার ও নিয়ামতপুর উপজেলার সাথে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে পাঠ্যপুস্তক (বই) বিতরণ কর্মসূচী'র উদ্বোধন করেন।

খাদ্যমন্ত্রী আরো বলেন, ছাত্র ছাত্রীদের জন্য আজ খুশির দিন। প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা তাদের এই খুশির উপলক্ষ্য তৈরি করে দিয়েছেন। একযোগে দেশের সব জায়গায় সকল শিক্ষার্থীর কাছে বছরের প্রথম দিনেই বই পৌঁছে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে ডিজিটাল বাংলাদেশ হয়েছে। শিক্ষার অনেক কন্টেন্ট এখন ডিজিটাল।

শিক্ষার্থীদের লেখা পড়ায় স্মার্ট হওয়ার আহবান জানিয়ে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, শুধু পোশাকে নয়, চিন্তা চেতনায় স্মার্ট হতে হবে। এসময় তিনি শিক্ষার্থীদের শেখ হাসিনার স্মার্ট বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ কর্ণধার বলে উল্লেখ করেন।

শেখ হাসিনা যত দিন বেঁচে আছেন, তত দিন বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রা কেউ ব্যাহত করতে পারবে না উল্লেখ করে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, বৈশ্বিক আর্থিক সংকটে অনেক দেশ বই ছাঁপাতে পারছেনা। সেখানে দেশের সব শিক্ষার্থীদের কাছে বিনামূল্যে বই পৌঁছে দেওয়া সরকারের বড় সাফল্য।

পোরশা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ জাকির হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ শাহ্ মঞ্জুর মোর্শেদ চৌধুরী।

এসময় ভাইস চেয়ারম্যান কাজীবুল ইসলাম, নিতপুর সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোঃ শফিকুল ইসলাম, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সঞ্জয় কুমার, থানা অফিসার ইনচার্জ শাহ্ আলম সরদার, শিক্ষা কর্মকর্তা মাযহারুল ইসলাম, ইউআরসি ইন্সিট্রাক্টর কামরুজ্জামান সরদার, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ওয়াজেদ আলী মৃধা এবং উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোফাজ্জল হোসেন সহ কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য- পোরশা উপজেলায় ২০২৩ সালে প্রাথমিক পর্যায়ে ৬৭ হাজার ৯ ৫৪ কপি এবং মাধ্যমিক পর্যায়ে ১ লাখ ৮৫ হাজার ২৭০ কপি বই বিতরণ করা হবে।


আরও খবর



সাত মাসে সর্বনিম্ন পর্যায়ে ডলারের দাম

প্রকাশিত:Saturday ২১ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Friday ২৭ January ২০২৩ |
Image

আন্তর্জাতিক মুদ্রাবাজারে অন্যান্য মুদ্রার বিপরীতে যুক্তরাষ্ট্রের ডলারের দাম ব্যাপক কমেছে। গত ৭ মাসের মধ্যে যা সর্বনিম্ন। 

গত ডিসেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রে ভোক্তা মূল্য সূচক (সিপিআই) হ্রাস পেয়েছে। এ নিয়ে বিগত আড়াই বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো তা কমলো। ফলে সুদের হার কমানোর পূর্বাভাস দিয়েছে দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভ (ফেড)। তাতে মার্কিন মুদ্রার দরপতন ঘটেছে।

সোমবার (১৬ জানুয়ারি) ডলার সূচক শূন্য দশমিক ৪৬ শতাংশ নিম্নমুখী হয়েছে। বর্তমানে সেটা ১০১ দশমিক ৭৯ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। এতে প্রায় প্রতিটি বৈশ্বিক মুদ্রার মান বেড়েছে।

এদিন সবচেয়ে বেশি লাভের মুখ দেখেছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) প্রধান মুদ্রা ইউরো। প্রতি ইউরোর দর স্থির হয়েছে ১ দশমিক ০৮৭২৫ ডলারে। গত ৯ মাসের মুদ্রা যা সবচেয়ে বেশি।

প্রধান আন্তর্জাতিক মুদ্রার বিরুদ্ধে বেশ শক্তিশালী হয়েছে জাপানের মুদ্রা ইয়েন। ডলারপ্রতি দর নিষ্পত্তি হয়েছে ১২৭ দশমিক ৩৮ ইয়েনে। গত ৭ মাসের মধ্যে তা সর্বাধিক।

ব্রিটিশ মুদ্রা পাউন্ড স্টার্লিংয়ের মূল্যমান বৃদ্ধি পেয়েছে শূন্য দশমিক ৪৫ শতাংশ। প্রতি স্টার্লিং বিক্রি হয়েছে ১ দশমিক ২২৮৮ ডলারে। গত এক মাসের মধ্যে যা সর্বোচ্চ। এছাড়া নিউজিল্যান্ড ও অস্ট্রেলীয় ডলারের দামও ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে।

২০২২ সালে গত ৪০ বছরের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে মূল্যস্ফীতি চড়া হয়। এতে মার্কিন অর্থনীতি ধীর হয়। তবে সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে সেই জায়গা থেকে তা ঘুরে দাঁড়াচ্ছে। এতে কঠোর মুদ্রানীতি থেকে সরে আসছে ফেড।

ওসিবিসির বিশ্লেষকরা বলছেন, আগামী মাসগুলোতে সিপিআই আরও কমতে পারে। সবশেষ ভোক্তা মূল্য সূচক তথ্য সেই আশা জাগাচ্ছে।

গত বছর মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে দফায় দফায় সুদের হার বাড়ায় ফেড। ৪বার ৭৫ এবং ১বার ৫০ বেসিস পয়েন্ট বাড়ায় তারা। এতে গ্রিনব্যাকের দর বাড়ে ৮ শতাংশ।


আরও খবর



নোয়াখালীতে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় কলেজ ছাত্রের মৃত্যু

প্রকাশিত:Thursday ২৯ December ২০২২ | হালনাগাদ:Friday ২৭ January ২০২৩ |
Image

অনুপ সিংহ,নোয়াখালী প্রতিনিধি:


নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় এক কলেজ ছাত্রের মৃত্যু হয়েছে।   

নিহত শিহাব উদ্দিন স্মরণ (২৬) উপজেলার রামনারায়নপুর ইউনিয়নের ২নম্বর ওয়ার্ডের পাঁচঘরিয়া গ্রামের  মো. সেলিমের ছেলে ও নোয়াখালী সরকারি কলেজের ডিগ্রি দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র । সে নোয়াখালী জেলা ছাত্রদলের সহ-স্কুল বিষয়ক সম্পাদক এবং নোয়াখালী সরকারি কলেজের ডিগ্রি শাখার সভাপতি ছিল।  

বুধবার (২৮ ডিসেম্বর) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে উপজেলার কচুয়া টু বটতলী সড়কের বাংলাবাজার এলাকার বসু বাড়ির দরজায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।  

বিষয়টি নিশ্চিত করেন রামনারায়নপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো.হারুন অর রশিদ বাহার ও নোয়াখালী জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আজগর উদ্দিন দুখু । 

ইউপি চেয়ারম্যান বাহার বলেন, নিহত স্মরণ বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ব্যক্তিগত কাজে আরেক মোটরসাইকেল আরোহী সহ চাটখিলের সোমপাড়া থেকে সাহাপুরের উদ্দেশে রওয়ানা দেয়। যাত্রা পথে তাদের মোটরসাইকেলটি কচুয়া টু বটতলী সড়কের বাংলাবাজার এলাকার বসু বাড়ির দরজায় পৌঁছলে বিপরীত দিক থেকে আসা ইনসেপ্টা ফার্মাসিটিক্যাল লিমিটেডের কাভার্ড ভ্যান তাদের মোটরসাইকেলকে চাপা দেয়।  এতে স্মরণ মাথায় গুরুত্বর আঘাত পেয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যায়। এতে আরেক মোটরসাইকেল আরোহী হালকা আহত হয়। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে চাটখিল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে। 

চাটখিল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো.আবু জাফর জানান, দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা কাভার্ড ভ্যান আটক করে। খবর পেয়ে পুলিশ কাভার্ড ভ্যানটি জব্দ করে থানায় নিয়ে আসে।  এ সময় চালক পালিয়ে যায়।  লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আরও খবর