Logo
শিরোনাম
নারায়ণগঞ্জে ব্যবসায়ী স্বপন কুমার হত্যা মামলায়

পিন্টু দেবনাথকে মৃত্যুদন্ডের রায় ও রত্না রাণী চক্রবর্তীকে যাবজ্জীবন সাজা

প্রকাশিত:Tuesday ২৯ November ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ০৭ February ২০২৩ |
Image

বুলবুল আহমেদ সোহেল ঃ


নারায়ণগঞ্জ নগরের আলোচিত ব্যবসায়ী স্বপন কুমার সাহা ওরফে সাইদুল ইসলাম স্বপন হত্যা মামলায় স্বর্ণলংকার ব্যবসায়ী পিন্টু দেবনাথকে মৃত্যুদন্ডের রায় ও রত্না রাণী চক্রবর্তীকে যাবজ্জীবন সাজা দিয়েছে আদালত। দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ-১ আদালতের বিচারক উম্মে সারাবান তহুরা এ রায় দেন। রায়ে সাজাপ্রাপ্ত দুই আসামীকে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে আর অপর আসামী আব্দুল্লাহ আল মামুন মোল্লাকে খালাস দেয়া হয়েছে। রায় ঘোষণার সময় দুই আসামী আদালতে উপস্থিত ছিল।


অতিরিক্ত পিপি মাকসুদা আহম্মেদ জানান, নিহত স্বপন কুমার সাহা ইসলাম ধর্ম গ্রহন করে সাইদুল ইসলাম স্বপন নাম ধারণ করে মুসলিম নারী বিয়ে করেন। স্বপন ও পিন্টু তারা দুইজন বন্ধু ছিলেন। ২০১৬ থেকে থেকে নিখোঁজ থাকে স্বপন।২০১৬ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে তাকে হত্যা পর মরদেহ সাত টুকরো করে শীতলক্ষ্যা নদীতে ফেলে দেয় আসামিরা। ২০১৮ সালের ১৬ জুলাই তিনজনকে অভিযুক্ত করে নিহতের বড় ভাই অজিত কুমার সাহা হত্যা মামলা দায়ের করেন। পুলিশি তদন্ত ও ষোল জন সাক্ষীর স্বাক্ষ্য গ্রহণ প্রমানের ভিত্তিতে আদালত আজ পিন্টু দেবনাথকে মৃত্যুদন্ড ও রত্না রাণীকে যাবজ্জীবন সাজা দিয়েছে। মামলার অপর আাসামী  আব্দুল্লাহ আল মামুনকে খালাসের আদেশ দেন।

নারায়ণগঞ্জ নগরের স্বর্ণপট্টি এলাকায় জুয়েলারী ব্যবসায়ী প্রবীর হত্যা মামলা তদন্ত করতে গিয়ে বেরিয়ে আসে স্বপন হত্যা মামলার রহস্য। ঘাতক পিন্টু দেবনাথ কে এর আগে প্রবীর হত্যা মামলায়ও মৃত্যুদন্ড দেয়া হয়েছে। যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত রত্না রাণী চক্রবর্তী ঘাতক পিন্টু দেবনাথের পরকীয়া প্রেমিকা ছিলেন।


আরও খবর



জেলেদের আয়ের সবটাই যাচ্ছে দশমিনার দাদন ব্যবসায়ীদের পকেটে

প্রকাশিত:Monday ০৯ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Monday ০৬ February ২০২৩ |
Image

নাঈম হােসেন দশমিনা পটুয়াখালী :


পটুাখালীর দশমিনা উপজেলার তেঁতুলিয়া ও বুড়াগৌরাঙ্গর তীরবর্তী গ্রামগুলোর জেলেরা হতদরিদ্র। জীবিকার প্রয়োজনে দাদন ব্যবসায়ীদের লাল খাতায় লিখিয়ে চড়া সুদে ঋণ নিতে হয় তাঁদের। জেলেদের কষ্টের আয়ের প্রায় সবটাই চলে যায় দাদন ব্যবসায়ীদের পকেটে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, উপজেলার বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের উত্তর বাঁশবাড়িয়া বগী খালগোড়া, বাঁশবাড়িয়া লঞ্চঘাট, আমবাড়িয়া, হাজিরহাট তেঁতুলিয়া নদীর তীরে অবস্থিত। গোলখালী, সৈয়দ জাফর, কাঁলারানী, আউলিয়াপুর, পাতারচর পাগলাবাজার, সেন্টার বাজার, পাগলা বাজার, বউ বাজার, শাহজালাল বুড়াগৌরাঙ্গ নদের তীরে অবস্থিত। দয়াময়ী খালের পাশে রণগোপালদী হাট, সুতাবাড়িয়া খালের পাশে আলীপুর হাট ও দশমিনা সদর বাজারে রয়েছে শতাধিক মাছের গদি। গদি মালিকরা সাধারণ জেলেদের দাদন দিয়ে থাকে।

মানতা জেলে হজু, বাদশা, হামেলা, স্থানীয় জেলে নজরুল, ইব্রাহিম ও আনোয়ার জানায়, জেলেরা যে পরিমাণ টাকা দাদন নেন, প্রতিদিন সেই টাকার ১৫ শতাংশ দাদন ব্যবসায়ীদের দিতে হয়। পাশাপাশি জেলেদের নিজ নিজ দাদন ব্যবসায়ীর গদিতে (আরতে) এনে মৌখিক নিলামে মাছ বিক্রি করতে হয়। আর নিলামে ওঠার আগেই জেলেদের মজুত মাছের এক-দশমাংশ গদিদার সরিয়ে রাখেন। সরিয়ে ফেলা মাছ পরে আবার নিলামে তুলে বিক্রি করা হয়। আর সবটাই লিখে রাখা হয় লাল খাতায়। একবার এক গদি থেকে দাদন নিয়ে কোন জেলে পরিশোধ করতে পানেনি নিজ আয়ে। এক গদির দেনা মিটাতে পাত পাততে হয় আরেক গদিতে। 

চরবোরহান গ্রামের বশার মাঝি বলেন, গদিতে প্রথমে মাছ, এরপর নগদ টাকা কেটে নেন। এভাবে মাছ বিক্রির অর্ধেক টাকা তাঁদের পকেটে চলে যায়। এ কারণে দিনরাত পরিশ্রম করেও আমাদের সংসারে অভাব-অনটন লেগেই থাকে।

বাঁশবাড়িয়া লঞ্চঘাট বাজারের গদি মালিক মিরা খাঁ জানায়, গদি থেকে দাদন নিয়ে জালের সাভার করে নদীতে মাছ ধরেন। জেলেদের জালের সাভার করতে অনেক টাকার দরকার হয়। জেলেরা এত টাকা জোগার করে জালের সাভার করতে পারেনা বলে দাদন নিতে বাধ্য হয়। 

সেন্টার বাজার গদি মালিক মোঃ ফরহাদ খলিফা জানায়, জেলেরা আমাদের কাছ থেকে দাদন নিয়ে মাছ ধরেন। আমরা কাউকে জোর করে দাদনের টাকা দিই না। জেলেরা গরিব। নিজেদের প্রয়োজনে আমাদের কাছে এসে তাঁরা টাকা নেন। সারা দেশের মতো একই নিয়মে আমরা জেলেদের কাছ থেকে মাছ ও টাকা আদায় করি।’

এবিষয়ে দশমিনা উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ মাহাবুব আলম তালুকদার বলেন, ‘আমরা একাধিকবার চেষ্টা করেও জেলেদের দাদন ব্যবসা থেকে দূরে রাখতে পারিনি। সরকারিভাবে জেলেদের জন্য সুদবিহীন ঋণের ব্যবস্থা করা হলে হয়তো দাদন ব্যবসা বন্ধ হবে।


আরও খবর



কুমিল্লায় ৯৪ কেজি গাঁজাসহ ৩ মাদককারবারি গ্রেপ্তার

প্রকাশিত:Tuesday ১০ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Monday ০৬ February ২০২৩ |
Image

কুমিল্লা ব্যুরো :

কুমিল্লায় র‌্যাবের অভিযানে ৯৪ কেজি গাঁজাসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সোমবার সকালে এসব তথ্য জানিয়েছেন র‌্যাব ১১ কুমিল্লার কোম্পানী অধিনায়ক মেজর মোহাম্মদ সাকিব হোসেন।

র‌্যাব-১১ অধিনায়ক সাকিব জানান, পৃথক তিনটি অভিযানে ৯৪ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে। রবিবার (৮ জানুয়ারি) দুপুরে আদর্শ সদর উপজেলার টিক্কারচর ব্রিজ এলাকা থেকে ২৬ কেজি গাঁজাসহ মাদককারবারিকে গ্রেপ্তার করে। এঘটনায় গ্রেপ্তার হন দিনাজপুর জেলার বোচাগঞ্জ থানার চন্ডিপুর গ্রামের মো. মনিরুল ইসলাম এর ছেলে মো. মাসুদ রানা (২৩)।


রবিবার দুপুরে একই উপজেলার মুন্সীবাজার এলাকা থেকে ১৮ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এসময় মাদক পরিবহন কাজে ব্যবহৃত একটি সিএনজিঅটোরিক্সা জব্দ করা হয়।

রবিবার পৃথক অন্য আরেকটি র‌্যাবের অভিযানে রাতে কুমিল্লা জেলার বুড়িচং উপজেলার নাজিরাবাজার এলাকা থেকে ৫০ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদককারবারিকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। এসময় মাদক পরিবহনের অভিযোগে গ্রেপ্তার হন চট্টগ্রাম জেলার হালিশহর থানার মগপাড়া আনন্দপুর গ্রামের মৃত মোতাহের হাওলাদার এর ছেলে মো. জাহাঙ্গীর আলম (৩৮); এবং কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার তেলিকোনা সাহাপাড়া গ্রামের মৃত কানুলাল সাহা এর ছেলে বিশ্বজিৎ চন্দ্র সাহা (৩৮)। এসময় মাদক পরিবহন কাজে ব্যবহৃত একটি কাভার্ডভ্যান জব্দ করে র‌্যাব ।

র‌্যাব -১১ অধিনায়ক মোহাম্মদ সাকিব হোসেন বলেন, অনুসন্ধান ও গ্রেপ্তারকৃতদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা দীর্ঘদিন যাবৎ দিনাজপুর, চট্টগ্রাম, কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে গাঁজাসহ বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় ও সরবরাহ করে আসছিল বলে স্বীকার করে। উক্ত বিষয়ে গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল ও বুড়িচং থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র‌্যাবের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান র‌্যাবের অধিনায়ক।


আরও খবর



নিলীমা দাসের শুভ জন্মদিন

প্রকাশিত:Sunday ০৮ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Monday ০৬ February ২০২৩ |
Image
এড. মৃণাল কান্তি দাসের সহধর্মিণী নিলীমা দাসের জন্মদিন



আরও খবর



চান্দিনায় সড়ক দুর্ঘটনায় সিএনজি অটোচালকের মৃত্যু

প্রকাশিত:Thursday ১৯ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Monday ০৬ February ২০২৩ |
Image

কুমিল্লা ব্যুরো :

কুমিল্লার চান্দিনায় সিএনজি অটোরিক্সা ও প্রাইভেটকার সংঘর্ষে অটোরিক্সা চালকের মৃত্যু ঘটেছে।                                       বৃহস্পতিবার (১৯ জানুয়ারী) ভোর ৬টায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার কুটুম্বপুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। 

নিহত সিএনজি অটোরিক্সা চালক মো. হাবিবুর রহমান (৪০) চান্দিনা উপজেলার মাধাইয়া ইউনিয়নের কুটুম্বপুর গ্রামের অলিউল্লাহ’র ছেলে। 

স্থানীয় রন‌বীর জানায়, বৃহস্পতিবার ভোরে ইলিয়টগঞ্জ সিএনজি পাম্প থেকে হাবিব তার অটোরিক্সায় গ্যাস নিয়ে কুটুম্বপুরে এসে ‘ইউ ট্রার্ন’ নিতেই ঢাকাগামী একটি প্রাইভেটকার ধাক্কা দেয়। এসময় সিএনজি অটোরিক্সাটি দুমরে মুচরে গে‌লে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু ঘটে ‌সিএন‌জিঅ‌টো‌রিক্সার চালকের।

ঘটনার বিষয়‌টি নি‌শ্চিত ক‌রে হাইওয়ে পুলিশ ইলিয়টগঞ্জ ফাঁড়ির ইন-চার্জ (ইন্সপেক্টর) ওবায়েদুল হক বলেন, দুর্ঘটনার পরপর নিহতের পরিবার মরদেহ নিয়ে যায়। পু‌লিশ প্রাইভেটকারটি আটক করেছে। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।


আরও খবর



প্রশ্নফাঁসে ১০ বছর কারাদণ্ডের আইন পাস

প্রকাশিত:Tuesday ১৭ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Monday ০৬ February ২০২৩ |
Image

বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন আইন-২০২৩ বিল’জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে। পাবলিক সার্ভিস কমিশনের (পিএসসি) অধীনে কোনো পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস করলে সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডের বিধান রেখে সংসদে ‘বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন আইন-২০২৩ বিল’পাস হয়। এছাড়া ভুয়া পরিচয়ে অংশ নিলে ২ বছরের কারাদণ্ডের বিধান রেখে জাতীয় সংসদ একটি বিল পাস হয়েছে।

আইনে সরকারি চাকরির পরীক্ষাসংক্রান্ত বিভিন্ন অপরাধ ও তার সাজা নির্ধারণ করা হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি পরীক্ষার্থী না হয়েও নিজেকে পরীক্ষার্থী হিসেবে হাজির করলে বা মিথ্যা তথ্য দিয়ে পরীক্ষার হলে প্রবেশ করলে বা অন্য কোনো ব্যক্তির নামে বা কোনো কল্পিত নামে পরীক্ষায় অংশ নিলে তা অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। এর শাস্তি সর্বোচ্চ ২ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড।

এর আগে বিলটির ওপর আনা জনমত যাচাই-বাছাই কমিটিতে পাঠানো হয় এবং সংশোধনীগুলো কণ্ঠভোটে নাকচ হয়ে যায়। তবে জাতীয় পার্টির এমপি ফখরুল ইমামের একটি সংশোধনী গ্রহণ করা হয়।

১৯৭৭ সালে প্রণীত বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন অর্ডিন্যান্স রহিত করে নতুন এ আইন প্রণীত হয়েছে। বিলে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন অর্ডিন্যান্সের অধীন প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন এমনভাবে বহাল থাকবে, যেন এটি নতুন আইনের অধীন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। একজন সভাপতি এবং ছয় থেকে সর্বোচ্চ ১৫ জন সদস্যের সমন্বয়ে কমিশন গঠিত হবে। কমিশন প্রজাতন্ত্রের জনবল নিয়োগের উদ্দেশে সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধিবিধান সাপেক্ষে পরীক্ষা নেওয়ার পদ্ধতি ও শর্তাবলি নির্ধারণ করতে পারবে।

বিলে প্রশ্নপত্র ফাঁস সম্পর্কে বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার আগে পরীক্ষার জন্য প্রণীত কোনো প্রশ্ন সংবলিত কাগজ বা তথ্য, পরীক্ষার জন্য প্রণীত হয়েছে বলে মিথ্যা ধারণাদায়ক কোনো প্রশ্ন সংবলিত কাগজ বা তথ্য অথবা পরীক্ষার জন্য প্রণীত প্রশ্নের সঙ্গে হুবহু মিল রয়েছে বলে বিবেচিত হওয়ার অভিপ্রায়ে কোনো প্রশ্ন সংবলিত কাগজ বা তথ্য যেকোনো উপায়ে ফাঁস, প্রকাশ বা বিতরণ করলে তা দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে। এর শাস্তি সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড। এ অপরাধ আমলযোগ্য ও অজামিনযোগ্য হবে।


আরও খবর