Logo
শিরোনাম

পরাজয় মানুষকে আপন-পর চেনাতে শেখায়

প্রকাশিত:Thursday ০৪ August ২০২২ | হালনাগাদ:Friday ২৭ January ২০২৩ |
Image

শিক্ষাবিদ  অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান চৌধুরী.. ঃ

মানুষ খুব বিস্ময়কর। তার থেকে বড় বিস্ময়কর হলো মানুষকে বোঝা। মানুষ কেবল জিততেই চায়, হারতে চায় না। কে-কিভাবে-কখন-কাকে পা ধরে টেনে নামিয়ে নিজে উপরে উঠবে- এ নিয়ে মানুষের চিন্তার শেষ নেই। জিততে হলে যে হারতে হয় মানুষ তা বুঝতে পারে না। এক একটা পরাজয়ের পিছনে এক একটা জয় লুকিয়ে থাকে। মানুষের মধ্যে সে চেতনাবোধ হারিয়ে যায়। মানুষ এতটাই জেতার নেশায় বুদ হয়ে থাকে যে তার ভিতরের সম্ভাবনাময় শক্তিগুলো ক্রমশ লোপ পেতে থাকে। 

পরাজয় মানুষকে আপন-পর চেনাতে শেখায়। পরাজয় মানুষকে বন্ধু-শত্রু চিনিয়ে দেয়। অদৃশ্য কুশীলবদের পর্দার পিছন থেকে টেনে বের করে সামনে নিয়ে আসে। পরাজয় থেকে মানুষ শিক্ষা নেয়। সে শিক্ষা মানুষকে নতুন করে ভাবতে শেখায় ও পরবর্তী পরিকল্পনা এবং কৌশল নিতে সহায়তা করে। এক একটা পরাজয় এক একটা নতুন অভিজ্ঞতার জন্ম দেয়। সে অভিজ্ঞতা মানুষের শক্তি হয়। মানুষের মধ্যে এক অলৌকিক শক্তি তৈরি করে। 

মানুষের খেলার পিছনের খেলা, তারও পিছনের খেলার হাতগুলো দেখতে পায়। মুখোশের ভিতরের মুখটা তখন কঠিন সত্য হয়ে বেরিয়ে আসে। সে মুখ মানুষের মুখ নয়। কোন এক বিশ্বাসঘাতক বুনো বিড়ালের মুখ হয়। 

ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতি ও বিশিষ্ট পরমাণু বিজ্ঞানী এ পি জে আব্দুল কালাম বলেছেন, সফলতার গল্প পড়ো না, কারণ তা থেকে তুমি শুধু গল্পটাই পাবে। ব্যর্থতার গল্প পড়ো, তাহলে সফল হওয়ার কিছু উপায় পাবে। এই মহামূল্যবান বাণীটি কতজন উপলব্ধি করার ক্ষমতা রাখে- তা কে জানে। হয়তো সবাই, কিন্তু অভিনয়টাই যে এখন মানুষের কাছে মুখ্য হয়ে উঠেছে। রঙ্গমঞ্চে এভাবে প্রতিদিন মানুষের আত্মার মৃত্যু ঘটছে। আর দেহটা সে মৃত্যুর ভার গ্রহণ করতে করতে একসময় ক্লান্ত হয়ে পড়ছে হয়তোবা। মানুষ যখন পরাজিত হয় তখন সুসময়ের মানুষেরা তার থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়। 

এভাবে পরাজয় মানুষের মধ্যে একাকীত্বের অভিজ্ঞতা তৈরি করে | এই একাকীত্ব মানুষের দৃষ্টির গভীরতা বাড়ায়। এই সময়টাতে মানুষ অকৃতজ্ঞ মানুষদের চিনতে পারে। মানুষ সব সময় জয় আর সফলতার পূজারী হয়। কিন্তু সে জয় আর সফলতা কতটা সার্থক সেটা কখনো বিবেচনায় আনে না। এর  ফলে ব্যক্তির চেয়ে জয় মানুষের কাছে বেশি প্রাধান্য পায়। এভাবে জয়ে আসক্ত মানুষেরা নিজেদের ব্যক্তিত্বের বিনাশ ঘটায়। কখনো নিজেরা শক্ত মেরুদণ্ড নিয়ে দাঁড়াতে পারে না। এটাকে মানুষের প্যারাসাইট বা পরজীবী চরিত্র বলা যেতে পারে। জীবনানন্দের অদ্ভুত আঁধার এক কবিতাটির কথা মনে পড়ে গেলো। 

তিনি বলেছেন, 

অদ্ভুত আঁধার এক এসেছে এ-পৃথিবীতে আজ,যারা অন্ধ সবচেয়ে বেশি আজ চোখে দ্যাখে তারা;যাদের হৃদয়ে কোনো প্রেম নেই – প্রীতি নেই – করুণার আলোড়ন নেই

পৃথিবী অচল আজ তাদের সুপরামর্শ ছাড়া।যাদের গভীর আস্থা আছে আজো মানুষের প্রতি

এখনো যাদের কাছে স্বাভাবিক ব’লে মনে হয়

মহত্ সত্য বা রীতি, কিংবা শিল্প অথবা সাধনা শকুন ও শেয়ালের খাদ্য আজ তাদের হৃদয়।

কবিতাটি সে মানুষদের চেনাচ্ছে যারা নিজেদের স্বার্থে পরাজয়কে মানতে না পেরে জয়ের অনিশ্চিত গন্তব্যে পাড়ি জমিয়েছে। হয়তো তারা এটাকে জয় ভাবছে, কিন্তু মিছেমিছি এই জয় তাদের কপালে প্রতিদিন পরাজয়ের কলঙ্ক এঁকে দিচ্ছে। জয়ের পাশে এসে দাঁড়াচ্ছে সুবিধাবাদী পরাজিত মানুষেরা। যাদের কোনো নিজেদের বিচার বিবেচনার শক্তি নেই। 

তবুও এতো সব আঁধারের মাঝে আশার বাণী কান পেতে শুনতে হয়। নিজের মুখের ভিতরের মুখ দেখতে হয়। আর্নেস্ট হেমিংওয়ে তার  দিওল্ড ম্যান অ্যান্ড দ্য সী উপন্যাসে বলেছেন, ‘মানুষ পরাজিত হওয়ার জন্য তৈরি হয়নি। মানুষকে ধ্বংস করা যায় কিন্তু পরাজিত করা যায় না।’ মানুষ কখনো পরাজিত হয় না। মানুষকে পরাজিত করার চেষ্টা  হয়তো চলে। ছদ্মবেশে কিংবা প্রকাশ্যে। যারা এই চেষ্টাটা চালায় তারা জয়কে ভয় পায়। নিজেরা পরাজিত হয়, সেটা বুঝতে না পেরে অন্যের পরাজয়ের উৎসবে মেতে উঠে। 

জয় ঠেকাতে মানুষকে খুন করে যারা জয়ের আনন্দে মেতে উঠে তারা নিজেরা পরাজিত হয়। কখনো নিজের কাছে, কখনো বিবেকের  কাছে, কখনো সময় আর প্রকৃতির কাছে। একটা প্রবাদবাক্য আছে ‘মিথ্যা তখনই জিতে যায় যখন সত্যি বলা লোক গুলো চুপ থাকে।’ কথাটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। অনেক মানুষ সত্যকে বুকে চেপে নিরপেক্ষতা ও সুবিধাবাদিতার আশ্রয় নেয় বলে অনেক সময় মিথ্যার জয়টা মানুষ দেখে কিন্তু পরাজিত সত্য জানে যা মানুষ জয় দেখছে তা একধরণের দীর্ঘমেয়াদের পরাজয়। 

সত্য কখনো ঘুমিয়ে থাকেনা। মিথ্যার জয়ে সত্য সাময়িক লজ্জিত হয়, অভিমান করে কিন্তু ভেঙে পড়েনা। একটা কথা সময় মনে রাখা দরকার তা হলো অনেক পরাজয়ে ত্যাগ থাকে আবার অনেক জয়ে স্বার্থ থাকে। তবে ত্যাগ কখনো স্বার্থের চেয়ে বড় হতে পারেনা। প্রতিটা জয় কতটা অর্থ থেকে প্রভাবমুক্ত তাও ভেবে দেখা দরকার। 

অবৈধ অর্থ আর সম্পদের কাছে জয় যখন পরাজিত হয় তখন তিলে তিলে গড়ে উঠা স্বপ্নের মৃত্যু হয়। এ মৃত্যু মানুষের মৃত্যু নয়- এ মৃত্যু সভ্যতার, এ মৃত্যু একবিন্দু আবেগের। তারপরও মাঝ রাস্তায় এসে চিৎকার করে একজন নিখুঁত মানুষ এসে চিৎকার করে বলে উঠুক, জয় হোক মানুষের,  .পরাজয় ঘটুক অমানুষদের। ঘুরে দাঁড়াক মানুষ।

 ঘুরে দাঁড়াক সময়। আর বলে উঠুক আবেগের মন, শেকড়ের ছন্দপতন, সব সময় জিততে যেওনা, মাঝে মঝে হারতে হয়। তুমি হারলে মানুষ বুঝবে তুমি তাদের জন্য কত মূল্যবান ছিলে। তুমি নিজে হেরে অন্যকে জিতিয়ে দাও। এই পরাজয়ে গ্লানি নেই, মহাত্যাগ, মহত্ব ও মর্মবাণী আছে। মনে রেখো সব পরাজয়, পরাজয় নয়।


আরও খবর



লালমনিরহাটে পুলিশ পরিচয়ে শিক্ষককে তুলে নেওয়ার অভিযোগ

প্রকাশিত:Sunday ০৮ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Thursday ২৬ January ২০২৩ |
Image

নিজস্ব  প্রতিনিধি:


লালমনিরহাট জেলার আদিতমারী উপজেলার পলাশী ইউনিয়নের নামুড়ী গ্রামে পুলিশ পরিচয়ে বাড়িতে ঢুকে এক ব্যক্তিকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করছেন তাঁর পরিবারের সদস্যরা। বাধা দিতে গেলে দুজনকে কুপিয়ে জখম করা হয়। তবে থানা পুলিশ জানিয়েছে, পুলিশের পরিচয়ে অন্য কেউ এ ঘটনা ঘটিয়ে থাকতে পারে।

শুক্রবার (৬ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে পলাশী ইউনিয়নের নামুড়ী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। অপহরণের শিকার শিক্ষক নুরুল আমিন (৫৪) দোলাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক।

শনিবার (৭ জানুয়ারি) নুরুল আমিনের পরিবারের সদস্যরা বলেন, শুক্রবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে সাদা রঙের একটি প্রাইভেট কার ও কালো রঙের একটি মাইক্রোবাস বাড়ির বাইরে এসে দাঁড়ায়। প্রধান দরজা ভেতর থেকে বন্ধ থাকায় দেয়াল টপকে একজন বাড়িতে ঢুকে সেটা খুলে দেয়। এরপর ১২-১৫জনের একটি দল তাঁদের উঠানে ঢুকে নুরুল আমিনের নাম ধরে ডাকতে থাকে। তাদের পরনে প্যান্ট-শার্ট ছিল।

এ সময় নুরুল আমিনের বাবা আজিজার রহমান ও ছোট ভাই রুহুল আমিন ঘর থেকে বের হন। এরপর বহিরাগত ব্যক্তিরা নুরুল আমিনের ঘরে ঢুকে তাঁকে বের করে আনে। গাড়িতে তোলার সময় পরিবারের সদস্যরা তাঁদের পরিচয় জানতে চান এবং বাধা দেন। এ সময় তারা নিজেদের পুলিশ বলে পরিচয় দেয়। তাদের নানা প্রশ্ন করলে ওই লোকজন নুরুল আমিনের চাচা আবু তালেব (৭০) এবং রুহুল আমিনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করে। এরপর তারা নুরুল আমিনকে গাড়িতে উঠিয়ে নিয়ে চলে যায়।

তখন বাড়ির লোকজন চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু করলে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে আহত ব্যক্তিদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। বর্তমানে আহত আবু তালেব ও রুহুল আমিন সেখানে চিকিৎসাধীন।

আজিজার রহমান বলেন, ওরা নিজেদের ডিবি পুলিশের পরিচয় দেয়, কিন্তু পরিচয়পত্র দেখায় নাই। নুরুল আমিনকে ঘর থেকে বাহির করে ৫ থেকে ১০ মিনিটের মধ্যে গাড়িতে তুলে নিয়ে যায়। আমি আমার ছেলেকে ফেরত চাই।

তবে আদিতমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোক্তারুল ইসলাম বলেন, তিনি ঘটনাটি শুনেছেন। পুলিশ নয়; বরং পুলিশের পরিচয়ে অন্য কেউ এ ঘটনা ঘটিয়ে থাকতে পারে। এ ঘটনায় শনিবার (৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। অভিযোগটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নুরুল আমিনের স্ত্রী রওশন আরা বেগম বলেন, তিনি তাঁর স্বামীর নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তিত। তাঁকে উদ্ধারে সবার সহায়তা চান।


আরও খবর



টানা তিন দিন দূষণের শীর্ষে ঢাকা

প্রকাশিত:Monday ২৩ January 20২৩ | হালনাগাদ:Friday ২৭ January ২০২৩ |
Image

টানা তিন দিন ধরে দূষিত শহরের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে ঢাকা। সোমবার সকালে এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স স্কোর ২৯৩ নিয়ে, দূষিত শহরের তালিকায় প্রথম স্থান ধরে রেখেছে রাজধানী।

গত শনি-রবিবারও দূষিত শহরের তালিকায় শীর্ষে ছিল ঢাকা। এ নিয়ে টানা তিন দিন শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে শহরটি। এর আগে ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে এবং এ বছরে জানুয়ারির শুরু থেকে একাধিকবার তালিকার শীর্ষে ছিল ঢাকা । তালিকায় ২৯১ স্কোর নিয়ে দ্বিতীয় উজবেকিস্তানের তাসখন্দ ও ২১৬ স্কোর নিয়ে তৃতীয় স্থানে আছে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লি। প্রতিদিনের বাতাসের মান নিয়ে তৈরি করা একিউআই স্কোর থেকে একটি নির্দিষ্ট শহরের বাতাস কতটুকু নির্মল বা দূষিত, সে সম্পর্কে জানা যায়। এ থেকে কোনো ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হতে পারে কি না, তাও জানা যায়। 


আরও খবর



আইজিপি ব্যাজ’ পেলেন ধামরাইয়ের কৃতী সন্তান এডিঃ এসপি শহিদুল ইসলাম

প্রকাশিত:Sunday ০৮ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Thursday ২৬ January ২০২৩ |
Image

মাহবুবুল আলম রিপনঃ


 প্রশংসনীয় ও ভালো কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘আইজিপিস এক্সেমপ্ল্যারি গুড সার্ভিসেস ব্যাজ’ পেয়েছেন ঢাকার ধামরাইয়ের বীর মুক্তিযোদ্ধা আওলাদ হোসেনের ছেলে বর্তমান ঢাকা জেলা পুলিশের স্পেশ্যাল ব্রাঞ্চের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শহিদুল ইসলাম।

বুধবার (৪ জানুয়ারি) রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সের প্যারেড গ্র্যাউন্ডে পুলিশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পুরস্কার এই ব্যাজ পরিয়ে দেন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন। এ সময় তিনি ব্যাজপ্রাপ্তদের হাতে সনদও তুলে দেন।

পুলিশ সদর দপ্তরের এক কর্মকর্তা জানান, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, জননিরাপত্তা বিধান, জনসেবামূলক কর্মকাণ্ড, মামলার রহস্য উদঘাটন, ভালো পুলিশিং, সরকারি ও ব্যক্তিগত কাজের মাধ্যমে পুলিশ বাহিনীর ভাবমূর্তি বাড়ানোসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাজে অবদানের ভিত্তিতে পদকের জন্য যোগ্য কর্মকর্তা ও সদস্যদের নির্বাচিত করা হয়। এই পুরস্কার তাদের জনসেবার কাজে আরও উৎসাহিত করবে।

শহিদুল ইসলাম ৩০তম বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে ২০১২ সালে বাংলাদেশ পুলিশে যোগদান করেন। বর্তমানে তিনি কৃতিত্বের সাথে ঢাকা জেলা পুলিশের স্পেশ্যাল ব্রাঞ্চে কর্মরত রয়েছেন।

তিনি যাদবপুর বিএম হাই স্কুল এন্ড কলেজে পড়াশুনা করেছেন, পরবর্তীতে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কৃতিত্বের সাথে বিবিএ ও এমবিএ সম্পূর্ণ করেন। এছাড়াও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স অফ পুলিশ সাইন্স (এমপিএস) ডিগ্রি অর্জন করেন।

তিনি সবসময় অবহেলিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেন।এই শীতেও তিনি নিজ উদ্যোগে তিনশত অসহায় মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করেছেন। তিনি সামাজিক কাজে অংশগ্রহণ করেন।

এ ব্যাপারে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শহিদুল ইসলাম সময় নিউজকে জানান, কর্মক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ তার এ প্রাপ্তিতে পেশাদারিত্ব ও কর্ম উদ্দীপনা আরো বাড়িয়ে দিবে।


আরও খবর



৯৩ হাজার টাকা ছাড়াল স্বর্ণের দাম

প্রকাশিত:Wednesday ১৮ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Friday ২৭ January ২০২৩ |
Image

এক সপ্তাহের ব্যবধানে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম ভরিতে দুই হাজার টাকার বেশি বেড়েছে। নতুন দর অনুযায়ী প্রতি ভরি ভালো মানের স্বর্ণ কিনতে গ্রাহককে গুনতে হবে ৯৩ হাজার টাকার বেশি।

বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন-বাজুস দাম বাড়ানোর এই সিদ্ধান্ত নেয়। এর আগে গত ৭ জানুয়ারি স্বর্ণের দাম বাড়ায় বাজুস, যা ৮ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হয়েছে। তখন প্রথমবারের মতো দেশের বাজারে প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৯০ হাজার টাকা ছাড়ায়।

বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ স্থায়ী কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান এনামুল হক ভূঁইয়া লিটন স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, 

বাজুস ভালো মানের স্বর্ণ ভরিতে দুই হাজার ৬৮৩ টাকা বাড়িয়েছে। এতে প্রতি ভরি সোনার দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯৩ হাজার ৪২৯ টাকা। আগে এই দাম ছিল ৯০ হাজার ৭৪৬ টাকা।


আরও খবর



চৌদ্দগ্রামে ধানক্ষেত থেকে অটোচালকের মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশিত:Thursday ১৯ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Thursday ২৬ January ২০২৩ |
Image

‌কু‌মিল্লা ব্যুরো :

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে ধান‌ক্ষেত থে‌কে রাশেদ নামের এক অটোরিক্সা চালকের মরদেহ  উদ্ধার করেছে পু‌লিশ। রা‌শেদ মিয়া চৌদ্দগ্রাম উপজেলার মুন্সীরহাট ইউনিয়নের বাসন্ডা গ্রামের মশিউর রহমানের ছেলে। তার বয়স ১৪-১৫বছর। সন্ধায় এ বিষ‌য়ে নিশ্চিত করে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শুভরঞ্জন চাকমা জানান .বৃহস্পতিবার বিকাল  ৪টার দি‌কে স্থানীয়রা সংবাদ দেয় উজিরপুর ইউনিয়নের শামুকসার নামক স্থানে একটি ধানক্ষেতে অজ্ঞাতনামা একটি মরদেহ দেখতে পে‌য়ে‌ছে।পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে মরদেহটি সুরতহাল তৈরি করে থানায় নিয়ে আসে।

মরদেহটির পেটে একটি গভীর ক্ষত রয়েছে। ধানক্ষেতের পাশেই রয়েছিল তার চালিত অটোরিক্সাটি। পরে জানা গে‌ছে উদ্ধাকৃত মর‌দে‌হের গ্রামের বাড়ি উপজেলার মুন্সীরহাট ইউনিয়নের বাসন্ডা গ্রামে।

ও‌সি ব‌লেন, রাশেদ  বুধবার সকালে প্রতিদিনের মতো অটোরিক্সা নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন। কিন্তু ওই দিন রাত হলেও আর বাড়ি ফিরেননি।

 রাশেদের বাবা মশিউর রহমান বলেন, রাশেদ প্রতিদিনের মতো গত বুধবার অটোরিক্সা নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়। রাতে বাড়িতে না ফেরায় আমরা সম্ভাব্য সকল স্থানে খুঁজেও তাকে পাই নাই। আজকে একটি লাশ উদ্ধারের খবর পেয়ে থানায় এসে দেখি এটি আমার ছেলে রাশেদের লাশ। তাকে কে বা কাহারা হত্যা করেছে আমি কিছুই বলতে পারছিনা।এ ব‌্যাপা‌রে চৌদ্দগ্রাম থানায় এক‌টি মামলা প্রক্রিয়ার্ধীন র‌য়ে‌ছে।


আরও খবর