Logo
শিরোনাম
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে

প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগে ছাত্রীদের বিক্ষোভ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৮ নভেম্বর ২০২২ |
Image

বুলবুল আহমেদ সোহেল ঃ

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের সফুরা খাতুন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানীর অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ করেছে স্কুলের ছাত্রীরা। 

তবে প্রধান শিক্ষকের দাবি, স্কুলের কয়েকজন শিক্ষক ইন্ধন দিয়ে শিক্ষার্থীদের ব্যবহার করে আমাকে  সামাজিক ভাবে আমাকে হেয় করার জন্য এসব কর্মকাণ্ড করছে। 

প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করে বলেন, ‘উনি আমাদের পিছনে পিছনে ওয়াশরুমে যায়। গিয়ে দেখে মেয়েরা কি করে। উনি মেয়েদের গায়ে হাত দেয়। খারাপ ভাষায় কথা বলে। স্কাপ ঠিক করে দেয়, আমরা কি কাপড় দিয়ে জামা বানাইছি তা হাত দিয়ে দেখে।  ২৪ ঘন্টার মধ্যে  প্রধান শিক্ষকের বহিস্কার চান শিক্ষার্থীরা। 

নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ৪,৫,৬নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর মনোয়ারা বেগমের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে শিক্ষার্থীরা বলেন, মহিলা কাউন্সিলর সরাসরি হুমকি দিয়ে বলছে, বিক্ষোভ করলে তোমাদের পরীক্ষা দিতে দেয়া হবেনা। 

এ বিষয়ে কাউন্সিলর মনোয়ারা বেগম জানান,তাদেরকে হুমকির প্রশ্নই আসে না। ছাত্রীদের বিক্ষোভের কথা শুনে ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের অভিযোগ শুনে দুই দিন সময় চান।। যাতে করে বিষয়টি নিয়ে সকলের সাথে কথা বলে সমাধান করা যায়। 

প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্বে অভিযোগের আঙ্গুল তুলে তার বহিস্কার চান অভিবাবকরাও।  স্কুলের শিক্ষাথীদের পাঠিয়ে দুঃচিন্তায় আছেন বলে দাবি করেন তারা। 

এদিকে এসব অভিযোগ  অস্বীকার করে  স্কুলের প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলাম জানান,  শিক্ষাথীরা হচ্ছে কাচামাটির মতো। আমাদের স্কুলের কয়েকজন শিক্ষক ইন্ধন দিয়ে শিক্ষাথীদের ব্যবহার করে আমার বিরুদ্বে এসব অভিযোগ করাচ্ছেন। তিনি বলেন, বিষয়টি খুবই দুঃখ জনক,  লজ্জাজনক।  

শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের খবর পেয়ে মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবু তালেব  বিদ্যালয়ের অন্য শিক্ষিকা এবং এডহক কমিটির সদস্যদের সাথে কথা বলে বিস্তারিত বিষয়টি জানেন। তিনি সাংবাদিকদের জানান, ছাত্রীদের কাছ থেকে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দেন উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা।


আরও খবর



মোরেলগঞ্জে মানব সেবায় এতিম মিসকিন কল্যাণ সংস্থা ব্যাতিক্রমী উদ্যোগ

প্রকাশিত:শনিবার ১৯ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

এম.পলাশ শরীফ, নিজস্ব প্রতিবেদক : 

বাগেরহটের মোরেলগঞ্জে মানব সেবায় অসহায় এতিম মিসকিন ও প্রতিবন্ধীদের পাশে দাড়িয়েছে “এতিম মিসকিন কল্যাণ সংস্থা’।

এ সংস্থাটি ২০১৭ সাল থেকে সংস্থার সভাপতি হাসানুজ্জামান বাবু, সাধারণ সম্পাদক মো. নূরুল ইসলাম মোল্লার, দপ্তর সম্পাদক আলী ইমাম তপুসহ এ কমিটির সদস্যরা নিজেদের আর্থিক সহায়তায় ও বিদেশে কর্মরত অবস্থানকারি মানুষের সহযোগিতায় এ কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন।

এতিম মিসকিন অসচ্ছলদের দেওয়া হয় একবেলা দুপুরের খাবার। মাসের প্রথম সপ্তাহের শুক্রবার জুমার নামাজ শেষে বারইখালীর মোল্লা মার্কেটে প্রায় ২ থেকে আড়াই শ’ নারী-পুরুষ অসচ্ছল প্রতিবন্ধী অসহায়কে বিশেষ আয়োজনে দুপুরের খাবার খাসির বিরানী পরিবেশন করে থাকে। খাবার পরিবেশনে অর্ভ্যাথনা বিষয়টিও ব্যাতিক্রমী।


খাবার শেষে একাধিক এতিমরা বলেন, এ সমাজের বিত্তবানরা প্রতিনিয়ত ভাল মন্দ খেয়ে তাদের যে খাবার অপচয় হচ্ছে তা আমরা চোখেও দেখিনা। বছরে একবার দামি বড় মাছ ও  মাংস কেনার আর্থিক সচ্ছলতা আমাদের নেই। তারপরেও এরকম একটি আয়োজন যুবকদেরকে আল্লাহর কাছে দোয়া করি। তারা আমাদের একবেলা ভাল খাবার দিতে পারায়।    

  সাধারণ সম্পাদক মো. নূরুল ইসলাম মোল্লার বলেন, মানবসেবায় এলাকার এ সংস্কাটি প্রাথমিকভাবে ছোট পরিসরে যাত্রা শুরু হলেও এর পরিধি অনেকটাই বেড়ে যাচ্ছে। সমাজের অসচ্ছল, এতিমদের শুধু একবেলা খাবার নয়, চিকিৎসা, শিক্ষার ব্যবস্থাও গ্রহন করা হচ্ছে। একবেলা নয় প্রতিনিয়ত এ অসহায়দের খাবার দিতে পারলে নিজেকে আত্ম তুষ্টু মনে হতো। সমাজে বিত্তবানদের এ সংস্কার পাশে দাড়াবার আহবানও জানান তিনি। 


আরও খবর



জনবল সংকটে নওগাঁ সদর হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা ব্যাহত

প্রকাশিত:রবিবার ১৩ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৮ নভেম্বর ২০২২ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টারঃ


প্রায় ২৮ লাখ মানুষের চিকিৎসার জন্য একমাত্র ভরসাস্থল নওগাঁ সদর ২৫০ শয্যা আধুনিক হাসপাতাল। এ হাসপাতালে প্রতিদিন আউটডোরে প্রায় ১ হাজার ৭শ’ জন ও ইনডোরে আরও ৩ শতাধিক রোগীর চিকিৎসা সেবা দেয়া হয়। নওগাঁর ১১ উপজেলা ছাড়াও পাশের বগুড়া জেলার আদমদীঘি ও জয়পুরহাটের আক্কেলপুর থেকেও লোকজন আসেন এ হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা নিতে। কিন্তু আশানুরুপ সেবা না পাওয়ায় নওগাঁ সদর হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন রোগীরা।

এ জেলার মানুষকে উন্নত চিকিৎসা সেবা পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্যে ১০০ শয্যাবিশিষ্ট থেকে ২৫০ শয্যায় উন্নীত করা হয় হাসপাতাল টি। তবে আগের ১০০ শয্যা হাসাপাতালের যে জনবল সেটা দিয়েই ২৫০ শয্যার কার্যক্রম চলছে এখনো। এতে করে রোগীদের চাপে হিমশিম খাচ্ছেন কর্তব্যরত চিকিৎসক ও নার্সরা। আর উন্নত চিকিৎসা সেবা থেকেও বঞ্চিত হচ্ছেন মানুষ।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ১০০ শয্যার হাসপাতালে উপ-পরিচালক, শিশু, মেডিসিন, সার্জারি, ফরেনসিক, চক্ষু, অর্থোপেডিকস, রেডিওলজি ইমেজিং, কার্ডিওলজি, চর্ম ও যৌন, গাইনি এ্যান্ড অবস, নাক-কান-গলা, প্যাথলজি, নিউরোসার্জারি, নেফ্রোলজি, ও মেডিকেল অফিসারসহ মোট ৪৫ চিকিৎসকের মধ্যে আছেন মাত্র ৩২ জন। ৮৬ জনের মধ্যে নার্স রয়েছেন ৭৮ জন। বর্তমানে ১৩ জন মেডিকেল অফিসার দিয়ে আউটডোর ও ইনডোরে সেবা দেয়া হচ্ছে। 

প্রতিদিন আউটডোরে প্রায় ১৬/১৭শ’ এবং ইনডোরে প্রায় ৩ শতাধিক রোগীর চিকিৎসাসেবা দেয়া হয়।

এছাড়াও ১০০ শয্যার জন্য মঞ্জুরি করা পদের মধ্যে সিনিয়র কনসালটেন্ট মেডিসিন, চক্ষু, অর্থোপেডিকস ও রেডিওলজি ইমেজিং, জুনিয়র কনসালটেন্ট গাইনি এ্যান্ড অবস, মানসিক, প্যাথলজি ও নেফ্রোলজি, ডেন্টাল সার্জন, মেডিকেল অফিসার চক্ষু, রেডিওলজিস্ট এবং ইনডোর মেডিকেল অফিসার কার্ডিওলজি ও মেডিসিন প্রতি পদে একটি করে শূন্য রয়েছে। হাসপাতাল পরিচালনার জন্য ১৭৬ মঞ্জুরি পদের বিপরীতে জনবল আছে ১২১ জন।

নওগাঁ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল ঘুরে দেখা যায়, র্দীঘ লাইনে দাঁড়িয়ে চিকিৎসা সেবা না পেয়ে অনেক সেবা প্রত্যাশীরা বাধ্য হয়ে ফিরে যাচ্ছেন। আবার অনেকে বেড না পেয়ে মেঝে এমনকি বারান্দায় ভর্তি হয়ে চিকিৎসা সেবা গ্রহন করছেন। অন্যদিকে, রোগীর চাপ সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছেন হাসপাতালের দায়িত্বরতরা। অভিযোগ রয়েছে, হাসপাতাল থেকে রোগীদের ওষুধ সরবরাহের পাশাপাশি বাড়তি ওষুধ বাইরে থেকে কিনতে হয়।

ইনডোরে রোগী দেখার পর ডাক্তার আউটডোরে গিয়ে রোগী দেখা শুরু করেন। এতে হাসপাতালের আউটডোরে চিকিৎসা সেবা নিতে আসাদের দীর্ঘসময় অপেক্ষা করতে হয়। আবার চিকিৎসক না থাকায় হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে সেবা নিতে আসা রোগীদেরও।

নওগাঁর নিয়ামতপুর থেকে পায়ের চিকিৎসা করাতে এসেছেন রমজান আলী। তার সঙ্গে আসা মেয়ে নিলুফা খাতুন বলেন, অর্থোপেডিক ডাক্তারের কক্ষের সামনে এতই ভিড় বাবাকে যে পাশে কোথাও বসিয়ে রাখবো সেই ব্যবস্থাও নেই। ২ ঘণ্টা অপেক্ষা করেও বাবাকে ডাক্তার দেখাতে পারিনি। বাধ্য হয়ে বাসায় ফিরে যাচ্ছি। অন্যকোনো দিন আবার আসবো আর না হয় রাজশাহীতে নিয়ে যাবো।

একই অবস্থা মেডিসিন বিভাগের সামনেও, দীর্ঘ লাইনে প্রায় ৫০-৬০ জনের মত সেবাপ্রত্যাশী দাঁড়িয়ে আছেন। আমেনা বেগম নামে এক সেবা প্রত্যাশী বলেন, দুইদিন হলো ঘুরে গেলাম। সেই সকাল ১০টায় এসেছি এখন ১২টা বেজে গেল। কিন্তু এখনও ডাক্তারের কাছে যেতেই পারলাম না। অনেকে বাধ্য হয়ে ফিরে গেছে। আমি চলে যাবো। আর কিছুক্ষণ এভাবে দাঁড়িয়ে থাকলে আমি আরও অসুস্থ্য হয়ে পড়বো। একসাথে তিন -চারটি কক্ষে যদি মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডাক্তাররা রোগী দেখতেন, তাহলে এতো ভোগান্তি পোহাতে হতো না।

হাসপাতালের নতুন ভবনের সার্জারী ওয়ার্ডে গিয়ে দেখা যায়, অনেকে মেঝেতে ও বাড়ান্দায় চিকিৎসা নিচ্ছেন। কামরুল হোসেন নামে একজন বলেন, আমার ভাইকে ভর্তি করা হয়েছে। বেড সংকট তাই মেঝেতেই চিকিৎসা সেবা নিতে হচ্ছে। কি আর করার, বাধ্য হয়েই এসেছি সরকারি হাসপাতালে।

রেনুকা বেগম নামে এক রোগী বলেন, বেড নাই তাই বারান্দা থেকেই চিকিৎসা নিতে হচ্ছে। চিকিৎসা পাওয়াতো আমাদের মৌলিক অধিকার। কিন্তু চিকিৎসাটাও ভালো ভাবে পাই না আমরা। বারান্দায় এভাবে থাকা যে কতটা কষ্টের, তা বুঝাবো কি করে? টাকা খরচ করে প্রাইভেট হাসপাতালে চিকিৎসা করার মত সামর্থ্য নেই। তাই বাধ্য হয়েই এখানে থেকেই চিকিৎসা নিতে হচ্ছে।

জয়পুরহাট জেলার আক্কেলপুর থেকে শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যার কারণে মিলাদুল ইসলাম এসে ওয়ার্ডে ভর্তি হয়েছেন। তিনি বলেন, হঠাৎ করে শ্বাসকষ্ট বেড়ে যাওয়ায় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছি। হাসপাতাল থেকে কিছু ওষুধ দেয়া হয়েছে। আর বেশি ভাগ ওষুধ বাইরে থেকেই কিনতে হয়েছে।

নওগাঁ নাগরিক কমিটির সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এ্যাডভোকেট এ.কে.এম ফজলে রাব্বী বকু জানান, ২৮ লাখ মানুষের ভরসা নওগাঁ সদর হাসপাতাল। চিকিৎসক সংকটের কারণে যদি কেউ সময়মত সেবা না নিতে পারে তাহলে এর চেয়ে দুঃখজনক কি আর হতে পারে। হাসপাতালে যদি সেবার মান ভালো না হয় তাহলে সাধারণ মানুষ কোথায় যাবে সেবা নিতে? চিকিৎসক সংকটসহ হাসপাতালের সার্বিক সমস্যা দূর করে যেন সেবার মান বৃদ্ধি করা হয় সেই দাবি জানান তিনি।

নওগাঁ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের তত্বাবধায়ক (উপ-পরিচালক) ডা. জাহিদ নজরুল চৌধুরী জানান, ২৫০ শয্যা বলা হলেও ১০০ শয্যার হাসপাতাল চালাতে যে পরিমাণ জনবল দরকার তাও এখানে নেই। এতে করে চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হচ্ছে। প্রতিদিন আউটডোরে প্রায় ১৬শ' জন ও ইনডোরে প্রায় ৩ শতাধিক রোগীর চিকিৎসা সেবা দেয়া হচ্ছে।

তিনি আরো জানান, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের জন্য প্রশাসনিক অনুমোদন দেয়া হয়েছে। সেবার মান বৃদ্ধির জন্য চাহিদা পত্রের মাধ্যমে যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অবগত করা হয়েছে। আশা করছি চাহিদা গুলোর অনুমোদন পেলে ডাক্তার, সেবিকা, ওষুধ ও অবকাঠামো সহ সার্বিকভাবে সেবার মান আরো ভালো হবে বলে জানান তিনি।


আরও খবর

জন্মনিয়ন্ত্রণে আগ্রহ কমছে

শনিবার ২৬ নভেম্বর ২০২২




বিজ্ঞান মনষ্ক জাতি গড়তে সকলের অংশগ্রহণ জরুরী

লক্ষ্মীপুরে বিএফএফ-সমকাল জাতীয় বিজ্ঞান বিতর্ক উৎসবে বিতার্কিকরা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৩ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

মো.আতোয়ার রহমান মনির,লক্ষ্মীপুর ঃ

লক্ষ্মীপুরে বিএফএফ-সমকাল জাতীয় বিজ্ঞান বিতর্ক উৎসব ২০২২অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রাণবন্ত এই বিতর্ক অনুষ্ঠানে 

চ্যাম্পিয়ন হয় কালেক্টরেট স্কুল এন্ড কলেজ, লক্ষ্মীপুর ও রানার্সআপ হয় লক্ষ্মীপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মো: আনোয়ার হোছাইন আকন্দ। তিনি চ্যাম্পিয়ন, রানার্স ও শ্রেষ্ঠ বক্তার হাতে পুরস্কার তুলে দেন। 

বৃহস্পতিবার দিনব্যাপী এ আয়োজনে যুক্তিতকের্র জমজমাট লড়াইয়ে বিতার্কিকরা বলেন,বিজ্ঞান মনষ্ক জাতি গড়তে সকলের অংশগ্রহণ জরুরী। বিএফএফ-সমকাল জাতীয় বিজ্ঞান বিতর্ক উৎসবে বিতার্কিকরা যুক্তি পাল্টা যুক্তি প্রদানের মাধ্যমে জাতীয় বিজ্ঞান বিতর্ক উৎসব ২০২২ উঠে আসে বিজ্ঞানপ্রিয় ক্ষুদে শিক্ষাথীদের নানা ভাবনা। বিতার্কিকরা বলেন,বিজ্ঞান মনষ্ক জাতি গড়তে হলে সরকার ও জনগণের সার্বিক সচেতনতা নিশ্চিত করতে হবে। সরকার ও জনগণকে এক সাথে কাজ করতে হবে। তারা বলেন, সরকার উদ্যোগ গ্রহণ করবে জনগণের তাদের অংশগ্রহন নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি সকলের মানসিকতার পরিবর্তন আনতে হবে।


তারা আরো বলেন,বিজ্ঞান মনষ্ক জাতি গড়ার বিষয়টি একটি ধারণা বা চিন্তা মাত্র। তাকে বাস্তবে রুপ দিতে হলে সরকারকে উদ্যোগী হতে হবে। সেই সাথে জনগণের অংশগ্রহনের মানসিকতা থাকতে হবে। কেননা সরকার উদ্যোগ নিলে জনগণ তাতে অংশগ্রহন না করলে সেই উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা যাবে না। অংশগ্রহনকারী বিতার্কিকদের বক্তব্যে বার বার উঠে আসে উন্নত ও সমৃদ্ধ জাতি বিনির্মাণে বিজ্ঞান চর্চার কোন বিকল্প নেই। তাই বিজ্ঞান চর্চার পাশাপাশি এর ইতিবাচক ব্যবহার নিশ্চিতে সকলকে আরো বেশি সচেতন হতে হবে। বৃহস্পতিবার দিনব্যাপি শহরের প্রাণ কেন্দ্রে অবস্থিত কালেক্টরেট স্কুল এন্ড কলেজ এর হলরুমে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে আগত শিক্ষার্থীদের প্রাণবন্ত উপস্তিতিতে ও যুক্তিতর্কের লড়াইয়ে জমে ওঠে জেলা পর্যায়ে জাতীয় বিজ্ঞান উৎসবের লক্ষ্মীপুর পর্ব। অংশগ্রহণকারী ৭ টি বিদ্যালয়ের বিতার্কিকরা লটারির মাধ্যমে ৪টি গ্রুপে বিভক্ত হয়ে বিতর্কে অংশ নেয়। বিতর্ক মানেই যুক্তি,বিজ্ঞানে মুক্তি স্লোগানকে সামনে নিয়ে বিভিন্ন রাউন্ডে যুক্তিতর্কের লড়াইয়ে যুক্তিতর্কের মধ্যদিয়ে প্রিন্সিপাল কাজী ফারুকী স্কুল এন্ড কলেজ, লক্ষ্মীপুর সরকারি বালিকা উচচ বিদ্যালয়, রায়পুর সরকারি মার্চ্চেটস একাডেমী, প্রতাপগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়,লক্ষ্মীপুর কলেজিয়েট উচ্চ বিদ্যালয়,লক্ষ্মীপুর পৌর শহীদ স্মৃতি একাডেমীসহ মোট ৭ টি দল অংশগ্রহন করে বিতর্কের শ্রেষ্টত্বে লড়াইয়ে। রাউন্ড ভিত্তিক বিতর্কে ফাইনালের মঞ্চে লড়াইয়ে উপনীত হয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় কালেক্টরেট স্কুল এন্ড কলেজ, লক্ষ্মীপুর। যুক্তির লড়াইয়ে শ্রেষ্ঠ বক্তা নির্বাচিত হয় রানার্সআপ দলের দলনেতা লক্ষ্মীপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী স্নেহা ফাতিমা প্রেমা ।     

             

এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বর্তমান ও সাবেক বির্তাকিক, বিতর্ক সংগঠক,বিতর্কপ্রিয় শিক্ষার্থীরাসহ সমকাল সুহৃদ সমাবেশের সদস্যরা। পাশাপাশি জেলার প্রিন্ট ও অনলাইন এবং ইলেকট্রনিক্য্র মিডিয়াসহ স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মীরা। এ সময় শিক্ষকদের মধ্যে থেকে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন লক্ষ্মীপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক  অপু চন্দ্র দাস, কালেক্টরেট স্কুল এন্ড কলেজ উপাধ্যক্ষ রীনা সুলতানা,মু. আব্দুস সাত্তার শামীম প্রমুখ। 

বিতর্ক  প্রতিযোগিতার  প্রধান সমন্বয়ক ও সমকাল প্রতিনিধি আতোয়ার রহমান মনির,জাতীয় যুব পুরস্কার ২০২১ এ চট্রগ্রাম বিভাগে প্রথমস্থান অর্জণকারী সফল আত্নকর্মী ও সমকাল সহৃদ এর লক্ষ্মীপুর জেলা সভাপতি আইরিন সুলতানা,সহ-সভাপতি মাহবুবের রহমান। এছাড়া বিচারক প্যানেল থেকে বক্তব্য রাখেন  মো: ওসমান শুভ, মো. মামুন, ফাইনাল বিতর্কে মডারেটর হিসেবে ছিলেন মো: মাহবুবুর রহমান।


আরও খবর



নওগাঁয় নিখোঁজের ৯ ঘন্টা পর এক ব্যাক্তির মৃতদেহ উদ্ধার

প্রকাশিত:বুধবার ১৬ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টারঃ 


নওগাঁয় ইউক্যালিপটার্স বাগানের ভিতর থেকে নিখোঁজের ৯ ঘন্টা পর মনসুর আলী (৩৭) নামের এক ব্যাক্তির মৃতদেহ উদ্ধার করেছে মান্দা থানা পুলিশ। নিহত মুনসুর আলী নওগাঁর মান্দা উপজেলার গোয়ালমান্দা ফকিরপাড়া গ্রামের বদের আলীর ছেলে। 

স্থানীয় ও থানা সূত্রে জানা যায়, গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাত ৯ টারদিকে জাহাঙ্গীর নামের এক ব্যাক্তি তাকে গল্প করার জন্য ডেকে নিয়ে গেলে সে আর বাড়ি ফিরে আসেনি। সারা রাত খোঁজাখুজি করেও তার কোন সন্ধান মেলেনি। সকালে স্থানীয় কৃষকেরা জমিতে ধান কাটতে গিয়ে নিহতের বাড়ি থেকে প্রায় ৪শ' গজ দূরের মাঠের মধ্যে জনৈক ইন্তাজ আলীর ইউক্যালিপটাস বাগানে তার মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখতে পেয়ে নিহত মুনছুরের বাড়িতে ও থানা পুলিশকে সংবাদ দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে সুরতহাল রির্পোট অন্তে ময়না তদন্তের জন্য মৃতদেহ উদ্ধার করেন।

সত্যতা নিশ্চিত করে মান্দা থানার ওসি নূর-এ-আলম সিদ্দিকী বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়না তদন্তের রির্পোট আসার পর মৃত্যুর কারন জানাযাবে বলেও জানান ওসি।এ ব্যাপারে থানায় একটি হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে বলেও জানান তিনি।


আরও খবর



পোশাক শ্রমিকদের বিক্ষোভ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০১ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

পোশাক কারখানা বন্ধের প্রতিবাদে আরামবাগ গোল চত্বর অবরোধ করেছে অলিও অ্যাপারেল নামের পোশাক কারখানার শ্রমিকরা। সকাল আটটা থেকে সড়ক অবরোধ করে রেখেছেন তারা।

শ্রমিকরা জানান, প্রতিষ্ঠানটিতে প্রায় তিন হাজার কর্মী কাজ করতেন। গতকালও ফ্যাক্টরিতে কাজ করেছেন তারা। মঙ্গলবার সকালে নির্ধারিত ডিউটি পালন করতে এসে কারখানা গেইটে তালা ঝুলতে দেখেন । কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তাদের পাওয়া যায়নি। শ্রমিকরা আরও জানান,অক্টোবরের বেতন ও শ্রমিক আইন অনুযায়ী অন্যান্য সুবিধাদি পাওনা রয়েছে তাদের। পাওনা বুঝিয়ে না দেয়া পর্যন্ত অবরোধ চলবে বলে জানান তারা।এদিকে, অবরোধের কারণে মতিঝিল থেকে নয়াপল্টন ও কমলাপুর সড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ আছে। এতে যানজটে ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রীরা।


আরও খবর

ই-টিকেটিংয়ে বন্ধ অতিরিক্ত ভাড়া

শুক্রবার ২৫ নভেম্বর ২০২২