Logo
শিরোনাম

প্রধানমন্ত্রী চীন যাচ্ছেন ৮ জুলাই

প্রকাশিত:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডেস ডেস্ক:


আগামী ৮ জুলাই চীন সফরে যাবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। 


তিনদিনব্যাপী এ সফরে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও ব্রিকসে বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তির বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে।



পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ আজ সোমবার (২৪ জুন) রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানিয়েছেন।


এর আগে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশ সফররত চীনের কম্যুনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী লিউ জিয়ানচাও সাক্ষাত করেন।



 সাক্ষাতকালে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন ও দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশের বড় উন্নয়ন সহযোগী চীনের সাথে বাণিজ্য ঘাটতি কমিয়ে আনতে রপ্তানি বৃদ্ধি, ওষুধ, সিরামিক, চামড়াজাত পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্র প্রসার, চীনের বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও অবকাঠামো নির্মাণ সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।



 পাশাপাশি দেশে আশ্রিত প্রায় ১৩ লাখ রোহিঙ্গার নিজ দেশ মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনে চীনের কার্যকর ভূমিকা বৃদ্ধির জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে।



লিউ জিয়ানচাও সাংবাদিকদের বলেন, আমরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে চীন সফরে স্বাগত জানাই। বাংলাদেশে পণ্য উৎপাদন, বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও অবকাঠামো নির্মাণে আরও সহযোগিতা দিতে চীন প্রস্তুত।


আরও খবর



ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে ৩০ কি.মি. যানজট

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডে রিপোর্ট:


ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে ভয়াবহ যানজট সৃষ্টি হয়েছে। 


উত্তরের পথে আজ শুক্রবার সকালে যানবাহনের ধীরগতি থাকলেও দুপুরের পর গাড়ির চাপ বেড়ে যাওয়ার প্রায় ৩০ কিলোমিটার মহাসড়কজুড়ে এ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। 




এদিন দুপুরের পর ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে উত্তরবঙ্গমুখী গাড়ির চাপ বাড়তে থাকে। গণপরিবহণ ছাড়াও ট্রাক, পিকআপ ভ্যান, মোটর সাইকেল, এমনকি গাড়ির ছাদেও চড়ে হলেও স্বজনদের কাছে ফিরছে মানুষ। 



এক পর্যায়ে বঙ্গবন্ধু সেতুর পূর্বপ্রান্ত থেকে টাঙ্গাইল নগর জলফৈ বাইপাস পর্যন্ত কালিহাতী অংশের প্রায় ৩০ কিলোমিটারেরও বেশি রাস্তায় যানজট সৃষ্টি হয়। সাধারণ যাত্রীদের মতে, কিছু যানবাহন বিকল্প রাস্তা ব্যবহার করায় এই যানজট আরও ভয়াবহ হয়েছে। 



ঢাকার গাবতলী বাসস্ট্যান্ড থেকে সকাল ৮ টার সময় রওনা হয়ে ৭ ঘন্টারও বেশি সময় পর কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গা-ভূঞাপুর লিংক রোডে পৌছেছেন লালমনিরহাটের আমেনা আক্তার। বাড়ি পৌঁছাতে কতক্ষণ লাগবে সেই অনিশ্চয়তা ফুটে উঠেছে তার চোখে-মুখে। 


তার অভিযোগ, রাস্তায় পানিসহ সব ধরণের খাবারের দাম কয়েকগুন বেশি রাখা হচ্ছে।


এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশের ইনচার্জ মীর সাজেদুর রহমান বলেন, গতকাল সন্ধ্যা থেকে হটাৎ করে গাড়ির চাপ বেড়ে যাওয়ার কারণে যানজট সৃষ্টি হয়েছে।


 দুপুরের পর এই চাপ আরও বেড়ে যায়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই চাপ আরও বাড়তে পরে।  গুরুত্বপূর্ণ  বিভিন্ন পয়েন্টে এবং মোড়ে মোড়ে হাইওয়ে পুলিশ এবং জেলা পুলিশ ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে কাজ করে যাচ্ছে। নজরদারিও বাড়ানো হয়েছে বলেও জানান তিনি।


আরও খবর



নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে নতুন করে গণবিক্ষোভ

প্রকাশিত:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর গাজায় যুদ্ধ পরিচালনা নীতির বিরুদ্ধে হাজার হাজার ইসরাইলি নাগরিক সোমবার জেরুসালেমে বিক্ষোভ জানিয়েছে।

ইসরাইলি পার্লামেন্টে নেসেটের সামনে থেকে এই বিক্ষোভ শুরু হয়ে পরবর্তীতে তা নেতানিয়াহুর ব্যক্তিগত বাসভবন পর্যন্ত যায়।

বিক্ষোভকারীদের দাবি, সরকার যেন হামাসের সাথে দরকষাকষি করে তাদের হাতে আটক বাকি পণবন্দীদের মুক্তির উদ্যোগ নেয় এবং আগাম পার্লামেন্ট নির্বাচনের আয়োজন করে।

গত ৭ অক্টোবর দক্ষিণ ইসরাইলে অতর্কিত হামলা চালিয়ে ইসরাইলি নাগরিকদের হত্যা ও পণবন্দী করে

ফিলিস্তিনি মুক্তিকামী সংগঠন হামাস।

 

বার্তাসংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, বিক্ষোভকারীদের একটি অংশ মূল জনস্রোত থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে আলাদা করে পুলিশি ব্যারিকেড অতিক্রম করে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা চালায়। তবে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা তাদেরকে পিছু হটতে বাধ্য করে। পরবর্তীতে জলকামান ব্যবহার করে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়া হয়।

নেতানিয়াহু যুদ্ধকালীন মন্ত্রিসভা ভেঙে দেয়ার কয়েক ঘণ্টা পর এই বিক্ষোভ শুরু হয়। গত সপ্তাহে মধ্যপন্থী দুই সাবেক জেনারেল বেনি গ্যান্টজ ও গাদি এইসেনকট মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করার পর নেতানিয়াহুর এই পদক্ষেপ প্রত্যাশিতই ছিল। নেতানিয়াহুর সাথে যুদ্ধ পরিচালনার প্রক্রিয়া নিয়ে মতভেদের জেরে এই দুই নেতা পদত্যাগ করেন।

 

গ্যান্টজ অক্টোবর মাসে হামাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধের শুরুর দিকে নেতানিয়াহুর জোট সরকারে যোগ দেন এবং যুদ্ধকালীন মন্ত্রিসভা গঠনের দাবি জানান।

হোয়াইট হাউস সোমবার জানিয়েছে, মন্ত্রিসভা ভেঙে দেয়ার বিষয়টি ইসরাইলি সরকারের অভ্যন্তরীণ ও নিজস্ব পদক্ষেপ এবং যুক্তরাষ্ট্র নেতানিয়াহুর সাথে যোগাযোগ অব্যাহত রাখবে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ম্যাথু মিলার সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে বলেন, ইসরাইলি সরকারে কে থাকবেন বা থাকবেন না, সেটা যুক্তরাষ্ট্রের সিদ্ধান্ত নেয়ার বিষয় নয়।

মিলারকে জিজ্ঞাসা করা হয় ইসরাইলে সরকারি সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে কট্টর ডানপন্থীদের মতামত বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র উদ্বিগ্ন কিনা। এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমাদের বিবেচনায় যেসব নীতিমালা শুধু ফিলিস্তিনি জনগণ না, ইসরাইলের নিরাপত্তার ক্ষেত্রেও অকার্যকর, সেগুলোর ক্ষেত্রে ওয়াশিংটন তার দ্বিমতের কথা প্রকাশ্যে জানাবে।

 

যুক্তরাষ্ট্র এর আগে জানিয়েছিল, যুদ্ধকালীন মন্ত্রিসভার কার্যক্রম অব্যাহত রাখা ফলপ্রসূ।
সূত্র : ভয়েস অফ আমেরিকার


আরও খবর



হজে গিয়ে ৬৪ বাংলাদেশির মৃত্যু

প্রকাশিত:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

চলতি বছর পবিত্র হজ পালন করতে গিয়ে ৬৪ বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে পুরুষ ৫১ জন এবং নারী ১৩ জন। তাদের মধ্যে মক্কায় ৫০ জন, মদিনায় ৫ জন, মিনায় ৭ জন ও জেদ্দায় ২ জন মারা গেছেন।

শনিবার (১৩ জুলাই) হজ পোর্টালের সবশেষ বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়।

বুলেটিনে বলা হয়, পবিত্র হজ পালন শেষে এখন পর্যন্ত ৬৭ হাজার ৯৭৪ জন হাজি দেশে ফিরেছেন। সৌদি থেকে ১৮৪টি ফ্লাইটে হাজিরা দেশে ফিরেছেন। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ৮৭, সৌদি এয়ারলাইন্স ৬৯টি এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্স ২৮টি ফ্লাইট পরিচালনা করে।

হজ শেষে গত ২০ জুন থেকে দেশে ফেরার ফ্লাইট শুরু হয়। ওইদিন বাংলাদেশ বিমানের প্রথম ফিরতি ফ্লাইট ৪১৭ জন হাজি নিয়ে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। আগামী ২২ জুলাই পর্যন্ত হাজিদের ফিরতি ফ্লাইট অব্যাহত থাকবে।

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ থেকে মোট ৮৫ হাজার ২২৫ জন (ব্যবস্থাপনা সদস্যসহ) হজযাত্রী সৌদি আরবে গেছেন। আগামী বছর (২০২৫) বাংলাদেশের জন্য এক লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জনের কোটা দিয়েছে সৌদি আরব।

এদিকে, চলতি বছর প্রখর তাপপ্রবাহ ও অসহনীয় গরমের জেরে হজ করতে গিয়ে সৌদি আরবে রেকর্ড মৃত্যু হয়েছে। এখন পর্যন্ত ৬৪ বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয়।‌ এর মধ্যে হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরুর আগে ১৭ জন, বাকি ৪৭ জন হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরুর পর মারা গেছেন। মারা যাওয়া ব্যক্তিদের সবার নাম পরিচয় প্রকাশ করেছে হজ পোর্টাল। সর্বশেষ ১১ জুলাই মোহাম্মদ মিদ (৭৪) নামে একজন হাজি মারা গেছেন।

সৌদি আরবের আইন অনুযায়ী, কোনও ব্যক্তি হজ করতে গিয়ে যদি মারা যান, তাহলে তার মরদেহ সৌদি আরবে দাফন করা হয়। নিজ দেশে আনতে দেওয়া হয় না। এমনকি পরিবার-পরিজনের কোনও আপত্তি গ্রাহ্য করা হয় না। মক্কায় হজ যাত্রী মারা গেলে মসজিদুল হারামে জানাজা হয়।


আরও খবর



হত্যা মামলার পলাতক প্রধান আসামী ওহাবকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব ১৩

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ |

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক :

র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) প্রতিষ্ঠাকালীন থেকেই দেশের সার্বিক আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে সব ধরনের অপরাধীকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। র‌্যাব নিয়মিত অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী, সঙ্গবদ্ধ অপরাধী, অপহরণকারী, ধর্ষণকারী, মাদক, ছিনতাইকারী, ডাকাতসহ নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠনের বিরুদ্ধে ব্যাপক অভিযান চালিয়ে আসছে।

এরই ধারাবাহিকতায় গত ২২ জুন ২০২৪ ইং তারিখ বগুড়া জেলার সদর থানাধীন বালা কৈগাড়ী গ্রামস্থ আসামী মোঃ আব্দুল ওয়াহাব(৩৭) ও তার সহযোগীদের নির্মম আঘাতে ও শ্বাস রোধ করে ভিকটিম ইউনুছ আলী (৬৫) খুন হয়। উক্ত ঘটনাটি জাতীয় ও স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমসমূহে প্রচারিত হলে এলাকায় বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। এলাকাবাসীর মাধ্যমে জানা যায় যে, বগুড়া জেলার সদর থানাধীন বালা কৈগাড়ী গ্রামস্থ ভিকটিমের বুদ্ধি প্রতিবন্ধি বড় ছেলে মোঃ শাহিন রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় ০১ নং আসামী মোঃ আব্দুল ওয়াহাব এর স্ত্রীকে হাত ধরিয়া রাস্তা হতে সরিয়ে দেয়। উক্ত ঘটনা জের ধরে ০১ নং আসামী মোঃ আব্দুল ওয়াহাব বুদ্ধি প্রতিবন্ধী মোঃ শাহিন’কে মারধর করে। উক্ত ঘটনা ভিকটিমের ছোট ছেলে ও মামলার বাদী মোঃ গোলাম রসুল জানতে পারে এবং বালা কৈগাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পশ্চিম পার্শ্বে কাচা রাস্তার উপর দিয়ে গত ২২/০৬/২০২৪ ইং তারিখ যাওয়ার সময় ০১ নং আসামীকে দেখতে পেয়ে মারধরের কারন জিঙ্গেস করলে ০১নং আসামীসহ তার সহযোগীরা ভিকটিমের ছোট ছেলে মোঃ গোলাম রসুলকে এলোপাথাড়ী মারধর শুরু করে। তার চিৎকারে পাশে থাকা ভিকটিম দৌড়ে ঘটনাস্থলে আসলে ০১ নং আসামীসহ অন্যান্য আসামীরা ভিকটিমকে এলোপাথাড়ী মারধর করে এবং ঘাড়সহ মাথা চাপিয়া শ্বাস রোধ করে মৃত্যূ নিশ্চিত করে।


এরই ধারাবাহিকতায় র‌্যাব-১৩, রংপুর উক্ত চাঞ্চল্যকর হত্যার ঘটনার বিষয়ে গোয়েন্দা নজরদারী শুরু করে। এক পর্যায়ে তথ্য উপাত্ত পর্যালচনা করে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ২৫/০৬/২০২৪ ইং তারিখ ০৪.১৫ ঘটিকার সময় রংপুর জেলার সদর থানাধীন বিদ্যিবান গ্রামস্থ্য জনৈক আরমান আলী, পিতা-রফিক উদ্দিন এর বসত বাড়ীর পশ্চিমে নদীর কিনার হতে অভিযান পরিচালনা করে চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার এজাহারনামীয় ১নং আসামী মোঃ আব্দুল ওয়াহাব(৩৭), পিতা-মোঃ জিল্লুর রহমান, সাং-বালা কৈগাড়ী, থানা-সদর, জেলা-বগুড়া’কে গ্রেফতার করেন।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ধৃত আসামী স্বীকার করে যে, ভিকটিম ইউনুছ আলী (৬৫)’কে নির্মমভাবে আঘাতের মাধ্যমে ও শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছে। পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে ধৃত আসামীকে বগুড়া জেলার সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

সালমান নূর আলম সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) পক্ষে অধিনায়ক স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।


আরও খবর



সেঞ্চুরি ছাড়াল পেঁয়াজ, দিশেহারা ক্রেতা

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৫ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ |

Image

বাঙালির রসনা বিলাস ও রান্নার  অন্যতম প্রয়োজনীয় উপাদান পেঁয়াজ। এই পণ্যটি ছাড়া যেন রান্না করাই দায়।

 এ অবস্থায় কমছেই না পেয়াজের ঝাঁজ। কেজিতে ১০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ১১০ টাকায়। তাই তো পেঁয়াজের দাম বেশি হওয়া স্বত্বেও কিনতে হচ্ছে ক্রেতাদের। তবে পেঁয়াজের এমন ঝাঁঝে দিশেহারা তারা।

বিক্রেতারা বলছেন, বাজারে দেশি পেঁয়াজের সরবরাহে ঘাটতি তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি ভারত থেকে কম আমদানি হওয়ার কারণে পেঁয়াজের দাম বাড়ছে।

দেশে এমন সময়ে পেঁয়াজের দাম শতক ছাড়াল, যখন বাজারে অন্যান্য নিত্যপণ্যের দামও বাড়তি। যেমন বাজারে কাঁচা মরিচের কেজি এখন আড়াই শ টাকার ওপরে। 

এ ছাড়া গত কয়েক দিনের বৃষ্টির মধ্যে দাম বেড়েছে বেশ কিছু সবজিরও। চালের দাম স্থিতিশীল থাকলেও মাছের দাম উর্ধ্বমুখী। এতে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে নিম্ন ও মধ্যবিত্তরা।

আষাঢ়ের কালো মেঘে ঢাকা আকাশ। সেই কালো রঙ যেন ভর করেছে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে আসা ক্রেতাদের মাঝে। পায়ে পায়ে কাদা–পানির দুর্ভোগ নিয়ে একটু কম খরচে বাজার করার আসায় এখানে এলেও মেলে না ফর্দের তালিকা অনুযায়ি কেনাকাটা করা।

বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) রাজধানীর শেওড়াপাড়া, তালতলা ও কারওয়ান বাজার ঘুরে দেখা গেছে, দুই সপ্তাহ আগের তুলনায় দেশি পেঁয়াজের দাম অনেকটা বেড়েছে।

পেঁয়াজের খুচরা ব্যবসায়ীরা জানান, চলতি বছর পেঁয়াজের মৌসুম শুরুই হয়েছে উচ্চ দাম দিয়ে। ফেব্রুয়ারি মাসে মৌসুমের শুরুতে ঢাকায় নতুন পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৮০-১০০ টাকা দরে।

 মার্চে পেঁয়াজের দাম ১২০ টাকা ছাড়িয়েছিল। এরপর এপ্রিলে কিছুটা কমে আবার তা বাড়তে থাকে। কোরবানি ঈদের সময় বাজারে দেশি পেঁয়াজের কেজি ছিল ৮০-৯০ টাকা; যা এখন ১০০-১১০ টাকায় পৌঁছেছে। অর্থাৎ ১৫ দিনের ব্যবধানে পেঁয়াজ কেজিতে ২০ টাকা বেড়েছে। শুধু গত তিন দিনেই বেড়েছে ১০ টাকা।

পাইকারি ব্যবসায়ীরা বলছেন, ভারত থেকে চার-পাঁচ মাস পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ ছিল। ফলে এ সময় মানুষ বেশি পরিমাণে দেশি পেঁয়াজ কিনেছেন। অন্যদিকে ভারত পেঁয়াজ রপ্তানির অনুমতি দিলেও ৪০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছে। 

দেশটির অভ্যন্তরেও পেঁয়াজের দাম বাড়তি। ফলে বাজারে আমদানি করা পেঁয়াজের দাম দেশি পেঁয়াজের চেয়েও বেশি পড়ছে।

এদিকে, বাজারে ৫০ টাকার নিচে কোনো সবজি পাওয়া যায়নি। শসা কেজিপ্রতি ১০০ টাকা, কচুর লতি কেজি প্রতি ৬০ টাকা, চিচিঙ্গা কেজিপ্রতি ৬০ টাকা, পেঁপে কেজিপ্রতি ৫০ টাকা, লেবুর ডজন ৯০ টাকা, কাঁচামরিচ কেজিপ্রতি ৩২০ টাকা, বেগুন (লাল, সাদা) কেজিপ্রতি ১২০ টাকা, আলু কেজিপ্রতি ৫৫ টাকা, আদা কেজিপ্রতি ২৮০ টাকা, রসুন কেজিপ্রতি ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।



আরও খবর