Logo
শিরোনাম
রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন কমপ্লিট শাটডাউন : ঢাকাসহ সারা দেশে বিজিবি মোতায়েন জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ইট বোঝায় ট্রাক খাদে কুষ্টিয়ায় আন্দোলনকারী ও ছাত্রলীগের মধ্যে সংঘর্ষ -কয়েকটি মোটর সাইকেলে আগুন পুঠিয়ায় আ’লীগের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা লালমনিরহাটে অনুষ্ঠিত হয়েছে তিস্তা সমাবেশ বেনাপোল স্থল বন্দর দিয়ে মিথ্যা ঘোষণায় আমদানি করা হয়েছে ১৮ কোটি টাকার সালফিউরিক এসিড কুমারখালীতে মহাসড়ক অবরোধ করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, আহত-২ শরণখোলায় নার্সের চিকিৎসার অবহেলায় এক রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ শেরপুরে কোটাবিরোধী শিক্ষার্থী-ছাত্রলীগের সংঘর্ষ, সাংবাদিকসহ আহত-২০

রাজ-বুবলীর বিয়ে

প্রকাশিত:রবিবার ২৬ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৩ জুলাই ২০২৪ |

Image



ডিজিটাল ডেস্ক :


যেখানে বিশ্বের নানা প্রান্তের বিখ্যাত ব্যক্তি এবং বিভিন্ন মাধ্যমের তারকা ব্যক্তিদের যাবতীয় তথ্যাদি লিপিবদ্ধ থাকে, সেই উইকিপিডিয়ার তথ্যেই সম্প্রতি দেখা যায় বুবলীকে বিয়ে করেছেন রাজ!


শনিবার রাজের নামের উইকিপিডিয়াতে ঢুকে দেখা যায়, গত ১৩ মে তিনি বুবলীকে বিয়ে করেছেন। বৈবাহিক তথ্যটির অপশনের জায়গায় রাজের স্ত্রীর তালিকায় প্রাক্তন পরীমনির পরই বুবলীর নামটি জ্বলজ্বল করছে।


একই দিন একই তথ্য মেলে বুবলীর প্রোফাইলেও। তার বৈবাহিক তথ্যের জায়গায় প্রাক্তন স্বামী শাকিব খানের পর রাজের নামটি উল্লেখ করা আছে। তারিখ ওই একই, ১৩ মে। অর্থাৎ, ওই দিনে শরীফুল রাজকে বিয়ে করেছেন বুবলী।



তবে খবরটি একেবারেই সত্য নয়। কারণ, যে কেউ এই অনলাইন তথ্যকোষের তথ্য সংযোজন-বিয়োজন করতে পারেন যে কোনো সময়। সবশেষ তাই হয়েছে।



বর্তমানে (রোববার) রাজ-বুবলী দুজনের উইকিপিডিয়া থেকেই সম্পর্কের বিষয়টি মুছে ফেলা হয়েছে।



এমনিতেই ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে বেশ ঝামেলায় আছেন রাজ-বুবলী। কয়েক মাস আগেই পরীমিণির সঙ্গে ডিভোর্স হয়েছে রাজের।



বুবলীও শাকিব খানের জীবন-সংসারের বাইরে। তার মধ্যে এমন কান্ড কে বা কারা করল, তা অবশ্য জানা যায়নি।রোজার মুক্তি পেয়েছে রাজ-বুবলীর ‘দেয়ালের দেশ’ সিনেমাটি।


আরও খবর



চালের দাম আবার লাগামহীন

প্রকাশিত:শনিবার ২৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২০ জুলাই ২০24 |

Image



বিডি টুডেস ডেস্ক:



পর্যাপ্ত মজুত-সরবরাহ সত্ত্বেও গত এক সপ্তাহে রাজধানীর বাজারে প্রায় সব জাতের চালের দাম বেড়েছে। প্রতি ৫০ কেজির বস্তায় চালের দাম বেড়েছে ৫০ থেকে ১০০ টাকা।



 কোরবানির ঈদে ধানের দাম বেড়ে যাওয়ায় এবং রাইস মিল বন্ধ থাকায় এই দাম বেড়েছে বলে জানান ব্যবসায়ীরা।


শনিবার (২৯ জুন) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে , খুচরা বিক্রেতারা প্রতিকেজি নাজিরশাইল ৬৫ থেকে ৭৮ টাকা, মিনিকেট চাল ৬২ থেকে ৬৮ টাকা, বিআর-২৮ ও বিআর-২৯ চাল ৫৪ থেকে ৫৬ টাকায় বিক্রি করছেন। মোটা চাল বিক্রি হচ্ছে প্রতিকেজি ৫৪ টাকা এবং মোটা হাইব্রিড চাল প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ৪৮ টাকায় ।


কোরবানির ঈদের আগে এসব চালের খুচরা দাম কেজিতে দুই থেকে তিন টাকা কম ছিল।


শনিবার পূর্ব শেওড়াপাড়ার একটি দোকান থেকে চাল কেনার সময় এক ক্রেতা জানান, ঈদের আগে একই দোকান থেকে ৭২ টাকা কেজি দরে মিনিকেট চাল কিনেছিলেন তিনি। আজ একই চালের জন্য তাকে কেজিপ্রতি ৭৫ টাকা দিতে হয়েছে।



মহাখালীতে চালের দোকানে চাল কিনতে আসা জাফর আহমেদ জানান, এক সপ্তাহ আগে তিনি মিনিকেট চাল ৬৮ টাকা কেজিতে বিক্রি করলেও গতকাল ৭০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।



 একইভাবে বিআর-২৮ চালের দাম এক সপ্তাহ আগে ৫৩ টাকা থেকে বেড়ে ৫৫ টাকা কেজি হয়েছে। পাইকারি বাজারে দাম বেড়ে যাওয়ায় খুচরা বাজারে এর প্রভাব পড়েছে বলে জানান তিনি।


এদিকে ধানের দাম বেড়ে যাওয়ার কারণেই চালের দাম বেড়েছে বলে মনে করেন মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেটের সুচনা। তিনি বলেন, 'মিনিকেট ও নাজিরশাইল চালের দাম ৫০ কেজিতে ১০০ টাকা বেড়েছে, আর বিআর-২৮ চালের দাম ৫০ কেজিতে ৫০ টাকা বেড়েছে।'


মিরপুর-১১ কাঁচাবাজারের মকবুল ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী কামাল সরদার বলেন, 'দাম আরও বাড়ার আশায় অনেক কৃষক এখন তাদের ফসল বিক্রি করছেন না। এক সপ্তাহ আগে আমরা মণপ্রতি ১৩০০ টাকায় যে ধান কিনেছিলাম এখন তার দাম ১৩৮০ টাকা।'



আরও খবর

রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




শিক্ষার্থী-পুলিশ সংঘর্ষ : সাংবাদিকসহ ৪০ জন ঢামেকে ভর্তি

প্রকাশিত:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক::

কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনকারীদের ওপর পুলিশের হামলায় গুলিবিদ্ধসহ অন্তত ৪০ জন আহত হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (ঢামেক) চিকিৎসা নিচ্ছেন। এর মধ্যে বেশ কয়েকজন সাংবাদিক ও এক পুলিশ কর্মকর্তা রয়েছেন। বুধবার (১৭ জুলাই) বিকেলে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এরপর একে একে তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়।

আহতদের মধ্যে গুলিবিদ্ধ দুজন হলেন: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পপুলেশনস সায়েন্স বিভাগের আফসানা জুঁই (২২) ও ইংরেজি বিভাগের আব্দুল হান্নান মাসুদ (২৪)।

এ ছাড়া আহত হয়েছেন যমুনা টেলিভিশনের সিনিয়র রিপোর্টার ভাস্কর ভাদুড়ি, সময় টেলিভিশনের ভিডিও জানালিস্ট রতন মজুমদার, কালবেলা পত্রিকার আকরাম হোসেন ও জনি রায়হান, আলোকিত প্রতিদিনের ইমরান হোসেনসহ কয়েকজন।

নীলক্ষেত মোড়ে আহত হয়েছেন আজিমপুর ফাঁড়ির ইনচার্জ (এসআই) ইব্রাহিম খলিল। লালবাগ থানার এসআই নাজমুজ্জামান জানান, ইডেন কলেজের ১ নম্বর গেট থেকে রিকশায় করে আজিমপুর ফাঁড়িতে যাচ্ছিলেন ইব্রাহিম। পথে নীলক্ষেত কোয়ার্টারের গেটে আন্দোলনকারীরা তাকে ধাওয়া দেন। ইটপাটকেল ছুড়তে থাকেন। এতে তার মাথায় গিয়ে আঘাত লাগে।

ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ মো. বাচ্চু মিয়া জানান, ঢাবির ভিসি চত্বর, টিএসসি, শাহবাগ, নীলক্ষতসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে আহত অন্তত ৩৫ জন এসেছেন চিকিৎসা নিতে। আহতদের অনেকেই চিকিৎসা নিয়ে চলে গেছেন। বেশ কয়েকজন এখনও চিকিৎসাধীন।

উল্লেখ্য, মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) দিনভর কোটা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সারা দেশের বিভিন্ন স্থানে সহিংসতায় ছয়জন মারা গেছেন। যার মধ্যে রাজধানীতে দুজন, চট্টগ্রামে তিনজন এবং রংপুরে একজন। রংপুরে নিহত শিক্ষার্থীর নাম আবু সাঈদ। তিনি বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ১২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন। আহত হয়েছেন কয়েকশ আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মী।


আরও খবর



মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে অক্ষত রাখা প্রসঙ্গে

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইদ্রিস আলী :

মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি, তাদের প্রজন্মের প্রতি সুস্থ সরকারের দায়, জনগণের দায় যুগ যুগ ধরেই থাকবে। এটা করুণা নয়, উচ্ছ্বাস কিংবা আতিশয্য নয়। দায় মুক্তির প্রচেষ্টা মাত্র। 

কোটা এই দায় মুক্তির সামান্য একটি অংশ মাত্র। এটা অনস্বীকার্য- কোটায় অনিয়ম হয়েছে, অবিবেচনা হয়েছে, এটির মিস ইউজ হয়েছে। সাংবিধানিক প্রক্রিয়াতেও ঘাটতি আছে।


 ১৯৭১  সালের পরে যারা বঙ্গবন্ধুর সরকারের উপর ভর করেছিল, রাজনীতির বিভাজন সৃষ্টি করেছিল। বিভাজনের কুফলকে সুফলে ভোগ করেছিল। আদালতের মাধ্যম দিয়ে মুক্তিযোদ্ধা হয়ে সুযোগ সুবিধা নিয়েছিল। ছয় দফা আন্দোলন সময় দুনিয়ার মজদুর নিয়ে কথা বলেছিল। শেখ মুজিবুর রহমানকে সন্দেহ করেছিল। ছয় দফায় পাকিস্তান ভাঙার ষড়যন্ত্র খুঁজেছিল। তারাও পরবর্তীতে কোন না কোন ভাবে মুক্তিযুদ্ধের সাথে সম্পৃক্ত হয়েছে । পরবর্তীতে সহকারী, সহযোগী, মুক্তিযোদ্ধা হয়ে এর বেনিফিট নেয়ার চেষ্টা করেছে। 

সময়ের সাথে অনেক কিছুর পরিবর্তন, সংযোজন, সংশ্লেষণ, বিশ্লেষণ, সংশোধন সময়েরই দাবি। বিশাল তারুণ্যের ইতিহাসের সংবেদনশীলতাকে পাশ কাটিয়ে, বৈশ্বিক নাগরিক হওয়ার প্রচেষ্টায় ইতিহাস বিমুখতা, ইতিহাসের নির্লিপ্ততা দুঃখজনক, দুর্ভাগ্যজনক। 

এটাও কমবেশি ভ্রান্ত, উদ্ভ্রান্ত কিংবা বহুধা বিভাজিত বিভিন্ন তান্ত্রিক রাজনীতির নিকট অতীত ও সমসাময়িক চরিত্র। এর প্রভাব কোমলমতি শিক্ষার্থীদের তাড়িত করেছে, করছে।

তরুণ প্রজন্মের আশা থাকবে, আকাঙ্ক্ষা থাকবে, দাবি-দাওয়া থাকবে। তারা দাবী দাওয়া উত্থাপন করবে, তার স্বপক্ষে নিয়মতান্ত্রিক গণতান্ত্রিক আন্দোলন করবে, এটা গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক সংস্কৃতির অংশ। 

বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্দিষ্ট অঙ্গন। 

দেশ স্বাধীনতার পরে ৫৩ বছর অতিক্রান্ত করেছে। অনেক কিছুই আধুনিক হয়েছে। রাজনীতি ও আন্দোলনের আধুনিকায়ন দরকার। তা কার্যত হয়নি।

দেশের বৃহত্তর জনগোষ্ঠী যে কোন গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে অনুমোদন করে। 

আন্দোলনের বর্তমান প্রেক্ষিতে যে কোন নাগরিক বলতে পারে, 'আমার রাস্তা বন্ধ কেন?'

যোগাযোগ ব্যবস্থা, নাগরিক সুবিধা, ঘাট রাস্তাকে বন্ধ করে দিয়ে, জনগণের দুর্ভোগকে বাড়িয়ে দিয়ে সুযোগ-সুবিধার আন্দোলন, আন্দোলনের যৌক্তিকতাকে খাটো করে। 

এ আন্দোলন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কিংবা বিশ্ববিদ্যালয়ের অঙ্গনে ঘটতে পারে ধারাবাহিকভাবে। কিন্তু তা যখন সাধারণের, জনগণের চলাচলে, জীবনযাত্রায় বিঘ্ন ঘটায়, তখন তা বিতর্কের জন্ম দেয়। 

বিতর্কের জন্ম দেয় যখন হাজার বছরের কাঙ্খিত স্বাধীনতার  ঐতিহাসিক স্লোগানকে অসম্মানজনক বক্তব্যকে বিকৃত করে উপস্থাপন করা হয়। লাখো শহীদের নির্যাতন, রক্তদান, রক্ত গঙ্গার প্রবাহের বিসর্জনের বিনিময়ে যে স্বাধীনতা তা কোন আন্দোলনের মাধ্যম দিয়েই উত্যক্ত কিংবা বিতর্কিত করার সুযোগ মুক্তিযুদ্ধের বিসর্জনের লাখো আত্মার প্রতি চরম অবমাননা।

'একজন একবার মুক্তিযোদ্ধা হলেই আজীবন মুক্তিযোদ্ধা নন'- এটি হুমায়ুন আজাদের কথা। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, প্রেরণা, অহংকার, অনুভূতি অনুসঙ্গকে ধারণ করেই, সম্মানজনক চর্চা করেই একজনকে মুক্তিযুদ্ধের ঐতিহাসিক সৈনিক হতে হয়।

 অন্যভাবে একজন একবার রাজাকার হলে বাস্তবে অথবা চেতনায় সে কিন্তু আজীবনই রাজাকার থেকে যায়। 'রাজাকার' একটি ভ্রান্ত চেতনার নাম। দেশপ্রেমহীন মুক্তিযুদ্ধের দূষকদের নাম। এদেশের সংহতি, সম্প্রীতি, স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বের প্রতি চরম ঘৃণা ও আঘাত করা একটি ভ্রান্ত ভাবনাগুচ্ছের নাম। 

 বিশেষ্য থেকে বিশেষণে রূপান্তরিত এই ভ্রান্ত অভিশপ্ত শব্দটি আন্দোলনের স্লোগান হতে পারেনা। তরুণ প্রজন্মের ভাবনা ও চেতনার উপকরণ, উপাদান হতে পারে না। 

মুক্তিযুদ্ধের অর্জনের মহাসড়কে অবস্থান করে, চেতনার বৈপরীতে উল্লাস, উদ্দীপনা, উন্মাদনার মাধ্যম দিয়ে আন্দোলনের নামে স্বাধীনতার অহংকারকে প্রশ্নবিদ্ধ করা কোনভাবেই এদেশের যেকোনো আন্দোলনেরই অংশ অঙ্গ হতে পারে না। 

এতে অস্তিত্বকে অস্বীকার করা হয়। অর্জনকে অস্বীকার করা হয়। লাখো শহীদের রক্তের প্রতি বিদ্বেষ এবং বিভ্রান্তি ছড়ানো হয়। 


মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা বাংলাদেশের এই মুহূর্তে অনিবার্য অনুসন্ধান। যারা  স্বাধীনতার পরে বঙ্গবন্ধুর সনদ ছিঁড়ে ফেলে উল্লাস করে বঙ্গবন্ধুকেই বিতর্কিত করে রাজনীতিতে ভ্রান্তির বিষ বাষ্প ছড়িয়েছিল মনে করা হয়, তারা ভিন্ন কথা বলে। যাদের সুবিধাজনক প্রভাবে ছাত্রলীগ দ্বিখন্ডিত হয়েছিল। তারা সময়ের ব্যবধানে রাজনৈতিক অস্তিত্বকে তলানিতে নিয়ে বিভিন্ন সময়ে সুযোগ সুবিধা নিয়েছে। নিশ্চিহ্ন তার দিকে ধাবিত হয়েছে, তাদের বক্তব্যে উস্কানি আছে। 

যারা ১৯ ৭১ সালে স্বাধীনতার সাথে সম্পর্ক না রেখে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নের নামে পাকিস্তানের সংহতির প্রতি সমর্থন যুগিয়েছে, দুর্ভাগ্য হলো,এই তারাই আমাদের ইতিহাসের , রাজনীতির, মুক্তিযুদ্ধের কেন্দ্রবিন্দুতে অবস্থান করছে।

 

আমাদের রাজনৈতিক দৈন্যতা আছে। অজ্ঞতা ও নির্লিপ্ততা আছে।  মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস চর্চায় ঘাটতি আছে। সবগুলো একত্রিত করলে যে প্রজন্মের সৃষ্টি হয়, সেই প্রজন্মের থেকে 'আমরা তোমরা রাজাকার স্লোগান আসতেই পারে'। অনাকাঙ্ক্ষিত, অবাঞ্চিত এ বক্তব্যের দায় কিন্তু আমাদের সবার।


অতীতের একটি ছাত্র সংগঠনের স্বাধীনতা বিরোধী কর্মকাণ্ডে উস্কানি, উম্বাদনা সৃষ্টিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতরা তৎপরত থাকতো। এটি কারো অজানা নয়।

এটি এদেশের সচেতন মানুষদের অজানা নয়। সেই বিশেষ সংগঠনের দেশি-বিদেশি বিভিন্ন পেশার সাথে সম্পৃক্ত আমাদের পরিচিত মানুষগুলো এখন কিন্তু খুব তৎপর।

একটি নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলনকে ভিন্ন ধারায় প্রবাহিত করার প্রচেষ্টা সবসময় ভালো ফল বয়ে আনেনি।

 বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা বর্তমান বাংলাদেশের অর্জন ও অগ্রগতির অদম্য নেত্রী। দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকার কারণে তার যেমন সুবিধাবাদী সমর্থকগোষ্ঠী সৃষ্টি হয়েছে। একইভাবে বিদ্রোহী- বিদ্বেষী সুধীজনের(!) সংখ্যাও কম নয়। 

দীর্ঘদিন শিক্ষকতার সুবাদে যেসব ছাত্র কিংবা শিক্ষার্থীর দীর্ঘদিন স্বাধীনতার বৈপরীত্যের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত ছিল বিশেষ বিশেষ প্রতিষ্ঠানে, এখন দেখা যায়, তারা যথেষ্ট সক্রিয়। 

রাজনীতির পোড় খাওয়া একজন কথিত জাতীয়তাবাদী নেতা (মুক্তিযুদ্ধের সময়ের শান্তি কমিটির চট্টগ্রাম শহরের আহ্বায়কের পুত্র) যখন কোটা নিয়ে মন্তব্য করে, তখন তা গ্রহণযোগ্য হয় না। এক্ষেত্রে এসব মানুষের মন্তব্য একদিকে কোটা আন্দোলনকারীদের উসকে দেয়, অন্যদিকে কোটা বিরোধীদের উত্তপ্ত, উদ্ভ্রান্ত করে করে। 

সরলমনা আন্দোলনকারীদের বোধে ইতিহাসের এই অংশটুকু ধারণ করতে হবে। 


আর দীর্ঘ করার ইচ্ছা নেই। কোটা আন্দোলনকারীদের যৌক্তিক সংস্কার প্রয়োজন আছে। সময়ের সাথে যেকোনো কিছুর ধারাবাহিক সংস্কারও একটি সংস্কৃতি। যে পথে, যেভাবে, যে প্রক্রিয়ায় জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করার পায়তারা হচ্ছে এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, প্রজন্ম কিংবা ইতিহাসকে আঘাত করা হচ্ছে, সেটা কখনোই যৌক্তিক আন্দোলনের পথ নয়। এতে সাময়িক সংকট হবে, লক্ষ্য অর্জন হবে না।

মুক্তিযোদ্ধাদের সমর্থন এখানে থাকবে না। আমাদের মনে রাখতে হবে, এদেশে যুদ্ধাপরাধী ছিল। তাদের অনেকের বিচার হয়েছে। বড় অংশ নীরবে নিভৃতে সমাজের আনাচে কানাচে রয়ে গেছে। আমাদের মনে রাখতে হবে মুক্তিযোদ্ধাদের সংখ্যা সীমিত হয়ে আসছে। এমন ভাবার কারণ নেই, একজন মুক্তিযোদ্ধার  দশটি সন্তান,  তারা যুগ যুগ ধরেই সুবিধা নিয়েই যাবে। 

সময় বলে দেবে রাষ্ট্র কখন এই সুবিধাকে সীমিত করবে। এটি রাষ্ট্রের দায়বদ্ধতার অংশ।


এর জন্য প্রচলিত প্রক্রিয়ার উস্কানিমূলক আন্দোলন মহান মুক্তিযুদ্ধের, মুক্তিযোদ্ধার, স্বাধীনতাপ্রেমী জনগোষ্ঠীর সংহতি সম্প্রীতি কিংবা চেতনার প্রতি চরম তাচ্ছিলতা। চরম অবমাননা। উস্কানি কিংবা অনুপ্রেরণা তা যে উৎস থেকেই আসুক। তরুণ প্রজন্মের কাছে এটি আশা করা যায় না।

 মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশকে সুরক্ষার জন্য, দীর্ঘজীবী করার জন্য তাদেরই কাজ করতে হবে। তাদের উপর যদি স্বাধীনতা বিরোধী সেই চক্রের প্রজন্ম ভর করে, তাহলে সেটা হবে খুবই দুর্ভাগ্যজনক। 


আমরা আশা করি, এক দফা, ৫ দফা এসব উস্কানিমূলক বক্তব্য বাদ দিয়ে প্রচলিত ধারায় সমস্যার সমাধান খুঁজতে হবে এবং আমাদের অহংকারের চেতনাকে অক্ষত রাখতে হবে। 

মনে রাখতে হবে, এখনো বাংলাদেশের অদম্য নেত্রী বঙ্গবন্ধুর রক্তের ধারাবাহিকতাকে পোষণ করে, চর্চা করে, লালন করে। 

যে নেত্রী তাঁর বাসার কাজের মানুষের সমালোচনা করে জনসমক্ষে তা তুলে ধরতে পারে। দুর্নীতিগ্রস্তদের এক বিন্দুও ছাড় দিচ্ছেন না হলে উন্মুক্ত কন্ঠে ঘোষণা দিতে পারে,তাঁর প্রতি আমাদের শ্রদ্ধাবোধ বহু গুণে বৃদ্ধি পাওয়া দরকার। 

তাঁর দেশপ্রেম, জনসম্পৃক্ততা, দৃঢ়তা, চেতনা ও সংহতির প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা আমাদের নাগরিক দায়িত্বের অংশ। আমরা যারা বঙ্গবন্ধুকে দেখিনি, তাদের জন্য এ এক বিরল সুযোগ। বর্তমান বিশ্বের অনন্তকালের শ্রেষ্ঠ নেতা শেখ মুজিবুর রহমানের রক্তের প্রবাহের ধারক শেখ হাসিনা।

আমাদের মা-বাবারা,দাদারা যে ভুলই করুক, মুক্তিযুদ্ধের যত বৈপরিত্যেই অবস্থান করুক, সেটি আমাদের ভুলে যাওয়া উচিত। 

কথিত 'এক দফা দাবি' জানিয়ে তাঁর প্রতি ইতিমধ্যে যে অসম্মান প্রদর্শন করা হয়েছে, এর জন্য নিঃস্বার্থ ক্ষমা প্রার্থনা করা উচিত।

তখনই মুক্তিযোদ্ধারা, তাদের প্রজন্ম তা সমর্থন করবে। যে কোন গণতান্ত্রিক আন্দোলন সফলতার দিকে যাবে। সকলের সফলতা কামনা করে সকলকেই ধন্যবাদ।

প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইদ্রিস আলী 

মুক্তিযোদ্ধা, সেক্টর- ১১ 

বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ অধ্যায়ন কেন্দ্র চট্টগ্রামের প্রধান সমন্বয়ক।


আরও খবর



পিতৃত্বকালীন ছুটি চেয়ে ৬ মাসের শিশুর হাইকোর্টে রিট

প্রকাশিত:বুধবার ০৩ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪ |

Image


সদরুল আইন:

দেশের সব প্রতিষ্ঠানে চাকরিজীবীদের পিতৃত্বকালীন ছুটির নীতিমালা তৈরি করার নির্দেশনা চেয়ে ৬ মাস বয়সি শিশু হাইকোর্টে রিট দায়ের করেছে।


বুধবার (৩ জুলাই) ৬ মাসের শিশু নুবাইদ বিন সাদী ও তার মা সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইশরাত হাসান হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন।


রিটে কেবিনেট সচিব, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব, আইন মন্ত্রনালয়ের সচিবসহ মোট ১১ জনকে বিবাদী করা হয়েছে।


রিটে বলা হয়, নবজাতকের যত্নে কেবল মায়ের ভূমিকা মুখ্য—এই ধারণার পরিবর্তন হয়েছে। বাবার ভূমিকাও দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশেষ করে ঢাকার মত ব্যস্ত শহরে পরিবারের অন্য সদস্যদের সাহায্য নেওয়ার সুযোগ সীমিত।



 এছাড়াও সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে শিশু জন্মের হার আমাদের দেশে অনেক বেশি। এই অপারেশনের পর সুস্থ হতে মায়ের সময় লাগে। এই সময় নবজাতক ও মায়ের নিবিড় পরিচর্যার প্রয়োজন হয়।



 পিতৃত্বকালীন ছুটির সুযোগ না থাকায়, যারা নতুন বাবা হন তাদের স্ত্রী ও নবজাতকের দেখাশোনা করা অত্যন্ত কষ্টসাধ্য হয়। আমাদের প্রতিবেশী দেশ ভারত, ভুটান, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কাসহ বিশ্বের ৭৮টিরও বেশি দেশে পিতৃত্বকালীন ছুটির বিধান রয়েছে।



এ বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইশরাত হাসান বলেন, পিতৃত্বকালীন ছুটি নীতিমালা সংবিধানের ৭, ২৭, ২৮, ২৯, ৩১ এবং ৩২ অনুচ্ছেদের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।




আরও খবর



লেবাননে ইসরায়েলের সিরিজ হামলা

প্রকাশিত:সোমবার ০১ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২০ জুলাই ২০24 |

Image

বিডি টুডেস রিপোর্টর:

লেবাননের দক্ষিণে বিভিন্ন গ্রামে সিরিজ হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। 

এসব গ্রামের মধ্যে কাফার কিলা এবং আল-বায়াদাও আছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক পোস্টে এসব তথ্য জানিয়েছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। খবর আল জাজিরার।  



প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হিজবুল্লাহর বিভিন্ন স্থাপনা লক্ষ্য করে এসব হামলা চালানো হয়েছে। গতকাল ড্রোন হামলায় ইসরায়েলের অন্তত ১৮ সেনা আহত হয়। এরপরেই লেবাননে পাল্টা হামলা চালালো ইসরায়েল। 


তবে লেবাননে চালানো ইসরায়েলের সর্বশেষ এই হামলা কী পরিমাণ হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে- সেই সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু বলা হয়নি।


গত বছরের অক্টোবর থেকে গাজায় হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে তুমুল যুদ্ধ চলছে। এই যুদ্ধে এখন পর্যন্ত গাজায় ৩৭ হাজারের বেশি নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে ৯০ হাজারের বেশি। এ ছাড়া নিখোঁজ রয়েছে অন্তত ২০ হাজার শিশু। 



এই যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ফিলিস্তিনিদের পক্ষে সমর্থন জানিয়ে ইসরায়েলে পাল্টা হামলা চালাচ্ছে ইরান সমর্থিত লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ। গোষ্ঠীটি হুঁশিয়ারি দিয়েছে, গাজায় ইসরায়েল আগ্রাসন বন্ধ না করলে তারাও ইসরায়েলের ওপর হামলা চালিয়ে যাবে। 



আরও খবর