Logo
শিরোনাম

রাজার ব্যাটে রাজকীয় জয় জিম্বাবুয়ের

প্রকাশিত:সোমবার ০৮ আগস্ট ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২ |
Image

ইয়াশফি রহমান : হারারেতে বাংলাদেশ আগে ব্যাট করে ৯ উইকেটে ২৯০ রান তুলেছিন। জবাবে ১৫ বল হাতে রেখে ৫ উইকেটের জয় পেল জিম্বাবুয়ে। এই সিরিজ জয়ে নায়ক দলের অন্যতম সেরা তারকা রাজা। এই ক্রিকেটারের ব্যাট হাতে রাজত্বে বাংলাদেশকে সহজেই ধরাশায়ী করতে পেরেছে জিম্বাবুয়ে। প্রথম ওয়ানডে ম্যাচে ১৩৫ রানের অপরাজিত ইনিংসে বাংলাদেশকে ৫ উইকেটে হারের লজ্জা দিয়েছিল জিম্বাবুইয়ানরা।

সেই ম্যাচে তরুণ ইনোসেন্ট কাইয়াকে নিয়ে ১৯২ রানের জুটি গড়ে ম্যাচ নিজেদের পক্ষে নিয়েছিলেন। কাইয়া ১১৮ রান করে আউট হয়েছিলেন। দ্বিতীয় ওয়ানডেতে রাজা নিজের সঙ্গী হিসেবে পেলেন জিম্বাবুইয়ান অধিনায়ক রেজিস চাকাভাকে। পঞ্চম উইকেট জুটিতে চাকাভাকে নিয়ে ২০১ রানের বিশাল জুটি গড়ে টাইগারদের ম্যাচ থেকে ছিটকে দিয়েছেন রাজা।

চাকাভা শতক পূর্ণ করে ১০২ রানে আউট হয়ে ফিরলেও রাজা এই ম্যাচেও অপরাজিত ১১৭ রান করে দলকে জিতিয়েই মাঠ ছেড়েছেন। শেষদিকে রাজাকে ব্যাট হাতে সঙ্গ দিয়েছেন তরুণ অভিষিক্ত টনি মুনিয়োঙ্গা। এই তরুণ ক্রিকেটার ১৬ বলে ৩০ রান করে ম্যাচ তাড়াতাড়ি জিততে সাহায্য করেন। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজে নিজেদের টিকিয়ে রাখতে হলে হারারেতে গতকাল জিততেই হতো বাংলাদেশকে। তবে দ্বিতীয় ম্যাচে ২৯০ রানের লড়াকু সংগ্রহ তুলতে পারে বাংলাদেশ। প্রথম ম্যাচে যেখানে ৩০৩ রান তুলেও হার নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয় বাংলাদেশকে।

সেই হিসেবে দ্বিতীয় ম্যাচে সংগ্রহ কমই হয়েছে বাংলাদেশের জন্য। তবে টাইগার বোলারদের দাপটে জিম্বাবুয়ের ব্যাটিং ইনিংসের শুরুটা দখল করে নেয় বাংলাদেশ। ২৯১ রানের লক্ষ্যে ব্যাটিং করতে নেমে জিম্বাবুয়ে ৪ উইকেট হারিয়ে তুলতে পেরেছিল মাত্র ৪৯ রান।

হাসান মাহমুদ ১৬ মাস পরে ওয়ানডে দলে ফিরেই প্রথম তিন ওভারেই ২ উইকেট তুলে নেয় জিম্বাবুয়ের। প্রথম ওভারে কাইতানোকে শূন্য রানে ফেরানোর পর গত ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান ইনোসেন্ট কাইয়াকে ৭ রানে ফেরান হাসান মাহমুদ। ১৬ মাস পর ওয়ানডে দলে ফিরেই প্রথম স্পেলে ৫ ওভারে ১ মেডেনে ১৪ রান দিয়ে ২ উইকেট শিকার করেছেন হাসান।

এই পেসারের পর টাইগারদের হয়ে উইকেট সংগ্রহ করেছেন স্পিনার মেহেদী মিরাজ ও তাইজুল ইসলাম। ব্যক্তিগত তৃতীয় ওভারে মিরাজ ওয়েসলি মাধবেরেকে ২ রানে এলবির ফাঁদে ফেলে ফেরান মিরাজ। এদিকে তাইজুল ফেরান অভিষিক্ত মারুমানিকে। জিম্বাবুইয়ান এই ওপেনার করেছেন ২৫ রান।

এর আগে টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে টাইগার দুই ওপেনার দলকে উড়ন্ত সূচনা এনে দেন। প্রথম ১০ ওভারে ৬২ রান তোলে দুই ব্যাটসম্যান। এর মধ্যে অধিনায়ক তামিম ৪৪ বলে নিজের ফিফটি পূর্ণ করেন। যদিও পরের ওভারে তানাকা চিভাঙ্গার বলে ১০ চার ও ১ ছয়ে ৫০ রানের মাথায় আউট হয়ে ফেরেন।

তামিম ফেরার পরে দুর্ভাগ্যজনকভাবে রান আউট হন বিজয়ও। নাজমুল হোসেন শান্তর স্ট্রেইট ড্রাইভে বোলারের হাত ছুঁয়ে স্টাম্প ভেঙে গেলে ৩ চারে ২০ রানে আউট হন বিজয়। দ্রুত ২ উইকেট হারানো বাংলাদেশ তৃতীয় উইকেট জুটিতে যোগ করেন ৫০ রান। মুশফিকুর রহিম ২৫ রানে ফিরলে ভাঙে জুটিটি।

১৫০ রানের আগে ৪ উইকেট হারানো বাংলাদেশকে এরপর বড় স্কোর এনে দিতে সহায়তা করেন আফিফ ও মাহমুদউল্লাহ জুটি। দুজনে পঞ্চম উইকেটে ৮১ রান যোগ করেন। আফিফ ৪১ রানে ফিরলে ভাঙে জুটিটি। ২২৯ রানে আফিফকে হারানোর পর একাই লড়ে যান মাহমুদউল্লাহ।

এরপর টাইগারদের পক্ষে মিরাজ ১৫ রান নেওয়া ছাড়া টেল এন্ডারের অন্য ব্যাটসম্যানরা খুব একটা সাহায্য করতে পারেনি। রিয়াদ শেষদিকে ৩টি করে চার ও ছয়ে ৮৪ বলে ৮০ রান করে দলকে ২৯০ রানের সংগ্রহ এনে দেন। জিম্বাবুয়ের হয়ে সিকান্দার রাজা ৩ উইকেট শিকার করেন। এছাড়াও ওয়েসলি মাধবেরে ২ উইকেট শিকার করেন।


আরও খবর

বিশ্বকাপ নিশ্চিত নারী ক্রিকেট দলের

শনিবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২২

মুকুট নিয়ে আজ ফিরছে বাঘিনীরা

বুধবার ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২




পাসপোর্ট সঙ্কটে ভোগান্তি চরমে

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২ |
Image

 পাসপোর্টে ভুল দুরকম হয়। প্রথমত, আবেদনপত্রে গ্রাহকের ভুল। দ্বিতীয়ত, গ্রাহক ঠিক থাকলেও অফিসের ভুল। ভুল যে কারণেই হোক, দায়ভার চাপানো হয় গ্রাহকের ওপর। টাকা গচ্চা যায় গ্রাহকেরই। পাসপোর্ট অফিসের ভুলের দায় অফিস নিচ্ছে না।

এতে ভোগান্তির শিকার এবং অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে হচ্ছে অনেককেই। রাজধানীর আগারগাঁওসহ দেশের প্রতিটি পাসপোর্ট অফিসেই এ ধরনের অভিযোগ রয়েছে। পাসপোর্ট অফিসের ভুলের মাশুল দিতে হচ্ছে আবেদনকারী বা গ্রাহককেই।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, হাতের লেখার যুগ, এমআরপির যুগ পেরিয়ে বর্তমানে ই-পাসপোর্টের যুগে প্রবেশ করলেও ভুল থেকেই যাচ্ছে। গ্রাহকের সবচেয়ে বড় অভিযোগ হচ্ছে, নতুন পাসপোর্ট করতেও যত লাগে, ভুল সংশোধন করতেও ততই লাগে। এক পয়সাও কম নেয়া হয় না। কোন দেশেই এমন নিয়ম নেই। সবচেয়ে বেশি ভুল হয় আগের পাসপোর্ট ও এনআইডির মধ্যে মিল না থাকায়। নতুন নিয়মে পুরনো পাসপোর্টে বিদ্যমান নাম, বাবার নাম, মায়ের নাম এবং জন্ম তারিখ পরিবর্তনের কোন সুযোগ নেই। বহিরাগমন ও পাসপোর্ট অধিদফতর এ সুবিধা বন্ধ করে দিয়েছে। ফলে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তি তৈরি হচ্ছে এখানে।

অনেকেরই দেখা যাচ্ছে, পুরনো পাসপোর্টের নামের সঙ্গে এনআইডির নাম মিলছে না। জন্ম তারিখের তারতম্য ঘটছে। তখন এনআইডি অনুযায়ী পাসপোর্টের নাম সংশোধন না করে বলা হচ্ছে, এনআইডি সংশোধন করার জন্য। এনআইডি সংশোধন করতে গিয়ে ভোগান্তিতে পাড়তে হচ্ছে গ্রাহককে। আবার এনআইডি সংশোধন করে আনার পরও সেটা গ্রহণ করা হচ্ছে না। এ ক্ষেত্রে সংশোধিত এনআইডির পরিচয়পত্র আকারে কপি চাওয়া হচ্ছে। অথচ, সার্ভারে কিন্তু এনআইডি সংশোধিত আকারে আছে। আবার এসব সংশোধন করতে গিয়ে এতসব কাগজপত্র জোগাড় করতে বলা হচ্ছে যে, সেসব জোগাড় করতে গিয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে।

কাগজ জোগাড় করতে আদালত পর্যন্ত যেতে হচ্ছে। এর একটা সুরাহা হওয়া উচিত। এনআইডি থাকার পর এত কাগজপত্রের প্রয়োজনীয়তা আছে কি না, তা পুনরায় বিবেচনা করা দরকার। পাসপোর্ট পেতে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগের শিকার হয় সাধারণ মানুষ। অথচ, তারাই দুর্ভোগের শিকার হয়ে বাড়তি টাকা দিয়ে পাসপোর্ট করে বিদেশে গিয়ে দেশের জন্য মূল্যবান বৈদেশিক মুদ্রা পাঠাচ্ছে। তাই এই সাধারণ মানুষের পাসপোর্টপ্রাপ্তি সহজ ও হয়রানিমুক্ত করার জন্য আলাদা সেল করা উচিত বলে মনে করছেন অনেকে।

বহিরাগমন ও পাসপোর্ট অধিদফতর এ সুবিধা বন্ধ করে দিয়েছে। জন্ম তারিখ সংশোধন করার জন্য ভোটার আইডি কার্ড, এসএসসির সার্টিফিকেট অথবা জেএসসির সার্টিফিকেট, ভোটার আইডি কার্ডের সঙ্গে জন্ম নিবন্ধন অনলাইনে থাকলে অনলাইন কপি, বিবাহিত হলে নিকাহনামা- এগুলো প্রয়োজন হবে পাসপোর্টের জন্ম তারিখ সংশোধনের জন্য। আর জন্ম তারিখ সর্বোচ্চ পাঁচ বছর পর্যন্ত হলে সংশোধন করতে পারবেন। পাসপোর্টে বাবা-মায়ের নাম সংশোধন করার জন্য ভোটার আইডি কার্ড, এইচএসসি অথবা এসএসসির সার্টিফিকেট, বাবা-মায়ের ভোটার আইডি কার্ডের কপি লাগবে।

পাসপোর্টের মধ্যে কেউ যদি পেশা পরিবর্তন করতে চান, তবে দিতে হবে কর্মক্ষেত্রের প্রত্যয়নপত্র। আর এর সঙ্গে জমা দিতে হবে প্রাতিষ্ঠানিক পরিচয়পত্রের ফটোকপি। কেউ যদি স্থায়ী ঠিকানা পরিবর্তন করতে চান, সে ক্ষেত্রে আবার নতুন করে পুলিশ প্রতিবেদন লাগবে। তবে, বর্তমান ঠিকানা পরিবর্তন করার জন্য বা সংশোধনের ক্ষেত্রে এ ধরনের কোন নিয়ম নেই। যদি বৈবাহিক অবস্থা পরিবর্তন করতে চান, তাহলে পাসপোর্টের আবেদনপত্রের সঙ্গে নিকাহনামা দিতে হবে।

ই-পাসপোর্টের ক্ষেত্রে প্রথমেই ব্রাউজার ওপেন করে সার্চ করে পাসপোর্ট সংশোধন ফর্ম বা পাসপোর্ট সংশোধন-সংক্রান্ত সর্বশেষ প্রজ্ঞাপনটি লিখে সার্চ করার পর প্রথমে যে ওয়েবসাইট আসবে, ওই ওয়েবসাইটে ঢুকে পাসপোর্ট সংশোধন ফর্ম ডাউনলোড করে নিতে হয়। এই ফর্মটির সবকিছু সঠিকভাবে পূরণ করতে হয়। তারপর পাসপোর্ট সংশোধনের আবেদন ফর্মের এই বক্সের মধ্যে যেই ব্যাংকে জমা দেয়া হবে, সেই ব্যাংক থেকে একটি চালান বা রিসিট নিয়ে এবং এখানে ফি তথ্য বসাতে হয়। তারপর এই আবেদন ফর্ম এবং অন্যান্য সব ডকুমেন্ট একসঙ্গে নিয়ে পাসপোর্ট অফিসে জমা দিলে ২১ দিনের মধ্যে গ্রাহকের মোবাইল নাম্বারে মেসেজ যায় সংগ্রহ করার।

সংশোধনের অপশন তো পাসপোর্ট প্রিন্ট হওয়ার আগেই আবেদনকারীকে দেখা ও যাচাই-বাছাই করার সুযোগ দেয়া হয়। এ পদ্ধতিতে তো ভুল হওয়ার সুযোগ থাকে না। যদি হয়েও থাকে, সেটা হাজারে একটা কি দুটো হতে পারে। আগের মতো অর্থাৎ হাতে লেখার সময় বা এমআরপির মতো এত ভুল হয় না এখন। কাজেই ভুক্তভোগীদের অভিযোগ সব সঠিক নয়। হ্যাঁ ভুল হয়, সেটা আবেদনকারীর ভুল পূরণের জন্যই। এ দায়তো অফিস নেবে না।

প্রবাসীদের পাসপোর্ট ভোগান্তি সম্পর্কে তিনি বলেন, দেশে-বিদেশে যেখানেই হোক- পাসপোর্ট তৈরিতে এখন প্রধান ডকুমেন্ট জাতীয় পরিচয়পত্র। তথ্য জটিলতার কারণেই দেরি হচ্ছে পেতে। ইউরোপে যারা আছেন, তারা একটা নাম দিয়ে পাসপোর্ট করে আগে নিয়ে গেছেন, কিন্তু তার দেশের সম্পত্তি বা সবকিছু অন্য নামে।

১৮ বছর পর সবাইকে জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী পাসপোর্ট করতে হবে। দেখা যাচ্ছে পরিচয়পত্র হয়েছে এক নামে, আর পাসপোর্ট করা হয়েছে অন্য নামে। এখন রিনিউ করার সময় জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী দিলে তিনি পাসপোর্ট পাচ্ছেন না। অথচ পাসপোর্ট হয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী। এই সমস্যা কিভাবে সমাধান করা যায়, সেটা নিয়েও কাজ চলছে। অর্থাৎ গ্রাহকের কল্যাণ নিশ্চিত করাই আমাদের কাজ।

 


আরও খবর

এক এনআইডিতে ১৫টির বেশি সিম নয়

বুধবার ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন

বুধবার ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২




খাদের মধ্যে হাবুডুবু খাচ্ছে বিএনপি

নির্বাচনে না আসলে আর উঠতে পারবে না: কৃষিমন্ত্রী

প্রকাশিত:শনিবার ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২ |
Image

সোনারগাঁ প্রতিনিধি:  

কৃষিমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক এমপি বলেছেন, গত ১৩ বছর ধরে আন্দোলনের নামে মানুষ হত্যা আর জ্বালাও-পোড়াও করে বিএনপি এখন খাদের মধ্যে পড়ে হাবুডুবু খাচ্ছে। কোন রকমে তাদের নাকটা ভেসে আছে। এখনও যদি তারা সঠিক পথে না আসে, নির্বাচনে না আসে, মুক্তিযুদ্ধের-স্বাধীনতার চেতনা-আদর্শের রাজনীতি না করে, তাহলে ভেসে থাকা নাকটাও ডুবে যাবে। আর কোন দিন খাদ থেকে উঠতে পারবে না।

শনিবার সকালে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে শেখ রাসেল স্টেডিয়ামে উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। 

মন্ত্রী বলেন, বিএনপি নানা রকম ষড়যন্ত্র করছে। তারা আন্দোলনের হুমকি দিচ্ছে। বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর শেষ লড়াই, মরণপণ লড়াই এর হুমকি দিচ্ছেন। আমি বলতে চাই, এখন পর্যন্ত কোন লড়াইয়ে বিএনপি জিততে পারে নাই, ভবিষ্যতেও আর পারবে না। অন্যদিকে আওয়ামী লীগ লড়াইয়ে কখনও হারে না। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরাও হারে না।

বিএনপির উদ্দেশে মন্ত্রী আরও বলেন, আগামী নির্বাচন সুষ্ঠু, সুন্দর ও নিরপেক্ষ হবে। সেই নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসার চেষ্টা করুন। এছাড়া, ক্ষমতায় আসার দ্বিতীয় কোন পথ খোলা নেই।

তৃণমূলের নেতাকর্মীরাই দলের খুঁটি উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, নেতৃত্ব নিয়ে কোন কোন্দল থাকলে তা ভুলে যেতে হবে। দলের আদর্শই আমাদের কাছে সবচেয়ে বড়। আমাদের শক্তি হলো বঙ্গবন্ধুর আদর্শ, ত্যাগ ও সাহস। আর দলের নেতৃত্ব জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতে। এই দুটিকে আঁকড়ে ধরে আমাদের সকল নেতাকর্মীকে কাজ করতে হবে। তাহলে কোন শক্তিই আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে হারাতে পারবে না। আবার শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসবে, ইনশাল্লাহ।

 আন্দোলন-সংগ্রামের জন্যও নেতাকর্মীদের প্রস্তুত হওয়ার আহ্বান জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, যে কোন পরিস্থিতিতে আন্দোলন-সংগ্রামের জন্য প্রস্তুত হোন। বিএনপি-জামায়াত যদি দেশকে অস্থিতিশীল করতে চায়, তাহলে রাজপথে থেকে আমরা তা মোকাবেলা করব। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকেও আমরা সহযোগিতা করব। 

সম্মেলনে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলির সদস্য মো. কামরুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভি, সংসদ সদস্য শামীম ওসমান, সংসদ সদস্য মৃণাল কান্তি দাস, সংসদ সদস্য সানজীদা খাতুন, সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম বাবু, আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক নজিবুল্লাহ হিরু, নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক আনোয়ার হোসেন, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল হাই, সাধারন সম্পাদক আবু হাসনাত শহীদ বাদল, সাবেক সাংসদ আব্দুল্লাহ আল কায়সার সহ জেলা ও উপজেলার নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।

সম্মেলনে সভাপতি হিসেবে শামসুল ইসলাম, সাধা্রন সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল কায়সার ও সহ সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মাসুদুর রহমান মাসুমের নাম ঘোষনা করেন ঢাকা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আযম। 


আরও খবর



এশিয়া কাপ থেকে বিদায় বাংলাদেশ

প্রকাশিত:শুক্রবার ০২ সেপ্টেম্বর 2০২2 | হালনাগাদ:সোমবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ |
Image

ইয়াশফি রহমান :  বড় সংগ্রহ দাঁড় করিয়েছিলো সাকিববাহিনী। জাগিয়েছিল জয়ের আশাও। তবে ১৯তম ওভারেরই হার নিশ্চিত হয়ে যায় বাংলাদেশের। শেষ ওভারের আনুষ্ঠানিকতায় এসে তেমন ভালো কিছু করতে পারেননি মেহেদি হাসান। ফলে ২ উইকেটের হারে বিদায় নিলো বাংলাদেশ। বাংলাদেশের ছুঁড়ে দেওয়া ১৮৪ রানের লক্ষ্য লঙ্কানরা ছুঁয়ে ফেলেছে ৪ বল অক্ষত রেখে।

১৮৩ রানের সংগ্রহ নিয়ে মোটামুটি জয়ের স্বপ্ন দেখছিল বাংলাদেশ। আর এবাদতের বোলিংয়ে সেই স্বপ্ন যেন ধীরে ধীরে দৃশ্যমান হচ্ছিল। কিন্তু কীসে যে কী হয়ে গেলো বোঝা গেলো না। হঠাৎ ফিল্ডিং মিস, ক্যাচ মিসের মহড়া শুরু হলো। ওয়াইড নো সমানে দিতে থাকেন বোলাররাও। মিরাজের হাত ফসকে ক্যাচ পড়ে যাওয়ার মতো টাইগারদের হাত গলে বেরিয়ে গেছে জয়। নিতে হয়েছে বিদায়।

লঙ্কান ইনিংসের তখন ১৮ তম ওভার। গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়ে থাকা দাসুন শানাকা মেহেদী হাসানের চতুর্থ বলে মারেন বাউন্ডারি। পরের বলে উঠিয়ে মারতে গিয়ে ধরা পড়েন মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতের হাতে। লঙ্কান অধিনায়কের বিদায়ের পর মনে হচ্ছিল ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ বাংলাদেশের মুঠোয়।

কিন্তু ইবাদত হোসেনের ব্যয়বহুল ১৯ তম ওভারেই ম্যাচ আবার চলে যায় টুর্নামেন্টের আয়োজন স্বত্ত্ব পাওয়া শ্রীলঙ্কা দখলে। ইবাদত ১৭ রান দেন ওই ওভারে। চামিকা করুণারত্নকে সাকিব রানআউট করে ফেরালেও ম্যাচটা হাতছাড়া করতে দেননি লেজেরব্যাটার আসিথা ফার্নান্দো।

শেষ ওভারে ৮ রানের প্রয়োজনে প্রথম বল থেকে আসে ১ রান। মেহেদীর পরের বলে নিজের দ্বিতীয় বাউন্ডারি মেরে দেন আসিথা। পরের বলে লং অনে ফেলে দুই রান নেওয়ার পর দেখা যায় বল হয়েছে নো। খেলা শেষ! উল্লাসে মাতোয়ারা তখন লঙ্কান ক্যাম্প। ড্রেসিং রুমের গেটে দাঁড়িয়ে চামিকা করুণারত্নে ফিরিয়ে আনেন সেই নাগিন নাচ

পুরো ইনিংসে শ্রীলঙ্কা যেখানে একটিও ওয়াইড কিংবা নো বল দেয়নি, বাংলাদেশ সেখানে দিয়েছে ১২ টি! অতিরিক্ত খাতের এই রান যেন খাদেই ফেলে দিয়েছে সাকিবের দলকে।

বাংলাদেশকে পেলেই জ্বলে ওঠা কুশল মেন্ডিসের পুরোনো অভ্যাস। আজও শ্রীলঙ্কাকে পথ দেখিয়েছেন তিনি। তবে বাংলাদেশিদের বোকামির বদন্যতায়বেঁচে গেছেন চার-চার বার। ৩৭ বলে ৬০ রান করা কুশলই হয়েছেন ম্যাচসেরা। তাতে ম্লান হয়ে গেছে অভিষেকে ইবাদতের শুরুর ৩ উইকেট আর তাসকিন আহমেদ দুর্দান্ত স্পেল (২ / ২৪) ও মনে রাখার মতো দুটি ডাইভিং ক্যাচ। 

বাংলাদেশের শুরুটা হয়েছিল দারুণ। ব্যর্থ দুই ওপেনার মোহাম্মদ নাঈম ও এনামুল হক বিজয়কে একাদশ থেকে ছেঁটে মেকশিফটদুই ওপেনার নামিয়ে দেয় টিম ম্যানেজমেন্ট। সাব্বির রহমান-মেহেদী হাসান মিরাজ নেমেই দেখান অভিপ্রায়। সাব্বির এক চারে আউট হয়ে গেলেও মিরাজ পাওয়ার প্লে কাজে লাগান দারুণভাবে। 

 ১৮৪ রানের লক্ষ্য নিয়ে খেলতে নিয়ে খেই হারিয়ে ফেলে লঙ্কানরা। টি-টুয়েন্টিতে বাংলাদেশের হয়ে অভিষিক্ত এবাদত হোসেনের গতিতে লঙ্কান টপঅর্ডারে নামে ধস। কিন্তু কুশল মেন্ডিস ও দাসুন শানাকার কাছে পরাস্ত হয়েছে টাইগাররা। 

 


আরও খবর

বিশ্বকাপ নিশ্চিত নারী ক্রিকেট দলের

শনিবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২২

মুকুট নিয়ে আজ ফিরছে বাঘিনীরা

বুধবার ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২




মিয়ানমারে জান্তার গোলায় নিহত ২ শিশু

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২ |
Image

মিয়ানমারের রাখাইনের উত্তরাঞ্চলে সেনাবাহিনীর গোলাবর্ষণে সাত বছরের দুই শিশু নিহত হয়েছে। সরকারি সেনাদের সাথে আরাকান আর্মির চলমান সংঘাতের মধ্যে এই হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।

ইরাবতীর খবরে বলা হয়েছে, রোববার রাতে কিয়ায়ুকতাউ সেনাবাহিনীর ঘাঁটি থেকে মর্টার শেল নিক্ষেপ করা হয়েছে। কোনও কারণ ছাড়াই বেসামরিক লক্ষ্যবস্তুতে এই হামলা চালানো হয়। এতে না গা ইয়ার গ্রামে একটি বাড়িতে সরাসরি আঘাত হানে মর্টারের গোলা। এতে, পিঠে আঘাত প্রাপ্তের তিন ঘণ্টা পর এক শিশুর মৃত্যু হয়। আহত হয় আরও একজন। এছাড়া, বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী বুথিডাউং টাউনশিপে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর গোলাবর্ষণে সাত বছর বয়সী এক মুসলিম শিশু নিহত হয়েছে। উরুতে আঘাত পাওয়া ছেলেটি কয়েকদিন পর হাসপাতালে মারা গেছে। 


আরও খবর

তেলের দাম কমে ৯ মাসে সর্বনিম্ন

মঙ্গলবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২২

ইরানে সহিংস বিক্ষোভ চলছেই

সোমবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২




আওয়ামী লীগ অবৈধ সরকার.....রিজভী

প্রকাশিত:শনিবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২ |
Image

বুলবুল আহমেদ সোহেল ঃ

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী  বলেছেন, আওয়ামী লীগ অবৈধ সরকার বলেই টিকে থাকার জন্য বন্দুক ব্যবহার করে। বিএনপি মিছিল করলেই গুলি করা হয়। শেখ হাসিনা যা বলে তার উল্টো হয়। বিকেলে নারায়ণগঞ্জের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে বিএনপি ও যুবদলের নেতাকর্মীদের নিহত হওয়ার ঘটনা এবং জ্বালানি তেলসহ বিদ্যুৎ লোডশেডিং, গণপরিবহনের ভাড়া বৃদ্ধি ও নিত্য প্রয়োজনী পন্যের দাম বাড়ানোর প্রতিবাদে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে তিনি এসব কথা  বলেন। 

রুহুল কবির রিজভী বলেন, প্রধানমন্ত্রী গণভবনে আমন্ত্রন জানায় এবং তাদের মন্ত্রীরা বিএনপির কর্মসূচিতে বাধা দেয়া হবে না বলে জানায় কিন্তু বাস্তবে তার উল্টো ঘটে। শেখ হাসিনা যা বলেন তার উল্টো হয়। তারা মানুষের কথা বলার অধিকার, মিছিল করার অধিকার কেড়ে নিয়েছে । তারা গুলি চালাতে দিধাবোধ করে না। গত দেড়মাসে কয়েকজনকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। 

প্রশাসনের সমালোচনা করে তিনি বলেন, নারায়ণগঞ্জের যে শাওনকে হত্যা করা হয়েছে তা ছবিতে দেখা গেছে। পুলিশের একজন কর্মকর্তার চাইনিজ রাইফেলের গুলিতে মারা গেছে। কিন্ত পুলিশ ভিন্ন কথা বলছে বরং বিএনপির লোকজনের নামে মামলা হয়েছে। পুলিশকে বলবো সরকারের লেজুর বৃত্তি করে কোন লাভ নেই। 

রিজভী বলেন, শেখ হাসিনার একটা আয়না ঘর আছে। সে আয়না ঘর সাজের জন্য নয়। সেখানে বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের নির্যতিন করা হয়। শেখ হাসিনার আয়না ঘর এখন আতঙ্কের নাম। 


আরও খবর