Logo
শিরোনাম

রাজধানীর ২০ হাটে আজ থেকে কোরবানির পশু বিক্রি শুরু হচ্ছে

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image



সদরুল আইন:


ঈদুল আজহা উপলক্ষে রাজধানীসহ সারা দেশে জমতে শুরু করেছে কোরবানির পশুরহাট। 


আজ বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) থেকে রাজধানীর দুই সিটি করপোরেশন এলাকায় স্থায়ী দুটিসহ মোট ২০ পশুরহাটে আনুষ্ঠানিকভাবে কোরবানির পশু বিক্রি শুরু হয়েছে। 


পশুর হাটগুলোতে দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে কোরবানির পশু নিয়ে আসছেন খামারিরা।


দুই সিটি করপোরেশনের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা জানান, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) এলাকায় গাবতলীর স্থায়ী হাটসহ ৯টি হাট এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) এলাকায় সারুলিয়া স্থায়ী পশুর হাটসহ ১১টি হাট বসেছে।


 তবে, এ বছর আদালতের নির্দেশনার কারণে আফতাবনগরে হাট বসবে না।


উত্তর সিটি করপোরেশনের জনসংযোগ বিভাগের তথ্য কর্মকর্তা পিয়াল হাসান বলেন, রাজধানীর উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকায় বসবে স্থায়ী একটি ও অস্থায়ী আটটি হাট বসবে। এবার আজ থেকে ঈদের দিন সোমবার সকাল পর্যন্ত পাঁচ দিন হাট বসবে।


 কোরবানির পশু কেনাবেচা নিরাপদে ও স্বাচ্ছন্দ্যে যাতে করা যায়, সেজন্য ঢাকা উত্তরের হাটগুলোতে সব ব্যবস্থাই নেওয়া হয়েছে।


বাজারে ক্রেতারা কোনো নগদ অর্থ না নিয়ে এসেও অনলাইন ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে পশু ক্রয় করতে পারবে জানিয়ে পিয়াল হাসান বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ইনস্ট্যান্ট ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলে যে কেউ টাকার লেনদেন করতে পারবে। এজন্য হাট এলাকায় অসংখ্য ব্যাংক বুথ থাকবে।


এ ছাড়া হাটে আসা মুসলিম ক্রেতাদের ওজু ও নামাজের ব্যবস্থা করা হয়েছে। হাটের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবার হাট ইজারাদারদের সতর্ক করা হয়েছে। কোনো বিক্রেতা যদি রাস্তায় হাট বসায়, তবে ইজাদারের জামানতের অর্থ বাজেয়াপ্ত করা হবে।


 ক্রেতা-বিক্রেতাদের সার্বিক নিরাপত্তার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সার্বক্ষণিক নজরদারি করবে বলেও জানান জনসংযোগ কর্মকর্তা।



ঢাকা উত্তরে অস্থায়ী আটটি হাটের মধ্যে রয়েছে—উত্তরা দিয়াবাড়ীর ১৬ ও ১৮ নম্বর সেক্টরের পাশের খালি জায়গা, ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের পাশের খালি জায়গা, মস্তুল চেকপোস্ট এলাকা, মিরপুর-৬ নম্বর সেকশনের ইস্টার্ন হাউজিংয়ের খালি জায়গা, ভাটারার সুতিভোলা খালের কাছের খোলা জায়গা, মোহাম্মদপুরের বছিলায় ৪০ ফুট সড়কের পাশের খালি জায়গা, ভাটুলিয়া সাহেব আলী মাদরাসা থেকে রানাভোলা স্লুইচগেট পর্যন্ত খালি জায়গা ও দক্ষিণখানের জামুন এলাকার খালি জায়গা।




এদিকে দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আবু নাছের বলেন, সারুলিয়ায় স্থায়ী হাটসহ ডিএসসিসি এলাকার ১১ স্থানে পশুর হাট বসেছে।


মো. আবু নাছের জানান, প্রত্যেকটি হাটের ক্রেতা-বিক্রেতাদের সার্বিক নিরাপত্তার জন্য একটি করে মনিটরিং কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রতিটি কমিটিতে একজন করে ম্যাজিস্ট্রেট থাকবেন। 


এ ছাড়া ডিএসসিসির নির্ধারিত গাইডলাইনের বাইরে কোনো অনিয়ম পরিলক্ষিত হলে তারা তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেবেন। কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষের পাশাপাশি প্রত্যেকটি হাটে একটি করে নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থাকবে। অন্যদিকে বাংলাদেশ ব্যাংকের তত্ত্বাবধানে নগদ অর্থের লেনদেন ছাড়া ইনস্ট্যান্ট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ক্রেতা-বিক্রেতারা অর্থের লেনদেন করতে পারবেন। এজন্য পর্যাপ্ত ব্যাংক বুথের ব্যবস্থা থাকবে।



ঢাকা দক্ষিণে অস্থায়ী ১০টি হাটের মধ্যে রয়েছে—খিলগাঁও রেলগেট মৈত্রী সংঘ ক্লাবসংলগ্ন আশপাশের খালি জায়গা, হাজারীবাগের ইনস্টিটিউট অব লেদার টেকনোলজি কলেজ সংলগ্ন উন্মুক্ত এলাকা, পোস্তগোলা শ্মশান ঘাট সংলগ্ন আশপাশের খালি জায়গা, বনশ্রীর মেরাদিয়া বাজার সংলগ্ন আশপাশের খালি জায়গা, লিটল ফ্রেন্ডস ক্লাব সংলগ্ন খালি জায়গা, কমলাপুর স্টেডিয়াম সংলগ্ন বিশ্বরোডের আশপাশের খালি জায়গা, দনিয়া কলেজ সংলগ্ন আশপাশের খালি জায়গা, ধোলাইখাল ট্রাক টার্মিনাল সংলগ্ন উন্মুক্ত এলাকা, আমুলিয়া মডেল টাউনের আশপাশের খালি জায়গা ও লালবাগে রহমতগঞ্জ ক্লাব সংলগ্ন আশপাশের খালি জায়গা।


এদিকে কোরবানির পশুর বর্জ্য ও অস্থায়ী পশুর হাটের বর্জ্য দ্রুততম সময়ে সরিয়ে নিতে দুই সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তা এবং হাটের ইজারাদারদের সঙ্গে মঙ্গলবার সভা করেন দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস। ইজারাদার ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দিয়েছেন তিনি।



আরও খবর



রাজনৈতিক মৃত্যু ফাঁদে গাজীপুর-৩ আসনে আ.লীগের একাংশের রাজনীতি

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ |

Image
সদরুল আইন :১৯৯১-২০১৮ ইং গাজীপুর -৩ আসনে আ'লীগের রাজনীতির জীবন্ত কীংবদন্তি ছিলেন এ্যাড রহমত আলী।

প্রখর বুদ্ধিমত্তা আর কেন্দ্রিয় শক্ত লবিং ও ব্যক্তি পরিচিতি দিয়ে তিনি আ.লীগের সর্বজন শ্রদ্ধেয় নেতায় পরিনত করেছিলেন নিজেকে।পাশাপাশি শক্ত হাতে গাজীপুর-৩ আসনকে প্রায় ৩০ বছর নিজের করে রাখতে সক্ষম হয়েছিলেন তিনি।

যদিও তার রাজনীতি,নিজ আসন ধরে রাখা,আধিপত্য প্রতিষ্ঠা, পারিবারিক বলয় তৈরি,প্রতিপক্ষ সৃষ্টি হতে না দেওয়াসহ বহুবিধ অভিযোগ ছিল তার বিরুদ্ধে।তারপরও তিনি সবার কাছে গ্রহনযোগ্য মানুষ হিসেবেই পরিচিত ছিলেন।ছিলেন সর্বজন শ্রদ্ধেয় শ্রীপুরের সিংহ পূরুষ।

                     বার্ধক্যজনিত  কারনে নানা অসুস্থতায় ২০১৪ সালের পরে পিতার আসনে পরবর্তি এমপি হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে রাজনীতির মাঠ চষে বেড়ান তার পুত্র জামিল হাসান দুর্জয়।

              ভারতের আলীগড় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সর্বোচ্চ ডিগ্রীধারি জামিল হাসান দুর্জয়ের রাজনৈতিক পড়াশোনা, কোরআন হাদিস ও সমসাময়িক রাজনৈতিক জ্ঞান ছিল প্রখর।তার উদ্দিপ্ত বক্তব্য, রাজনৈতিক উদ্ধৃতি, রাজনীতির বিজ্ঞ মহলে ছিল প্রশংসিত ও সমাদৃত।

                   অনেকেরই ধারনা ছিল নন্দিত এমপি,আ'লীগের নীতি নির্ধারক এ্যাড রহমত আলীর পর শ্রীপুরের রাজনীতির দৃশ্যপটে আসবেন তার পুত্র জামিল হাসান দুর্জয়।

                 কিন্তু বাস্তবে তা হয়নি। বহু নাটকীয়তার মধ্য দিয়ে পালাপদল ঘটে এই আসনের আ'লীগের রাজনৈতিক অভিযাত্রায়।পিতার দেখানো পথে হাঁটতে পারেননি পুত্র।পিতার আদর্শকে ব্যবহার করলেও ধারন করতে পারেননি তিনি  ব্যক্তি জীবনে।

একাদশ সংসদে নতুন মুখ হিসেবে ৩০ বছর পর এমপি হতে পারেন জেলা আ'লীগের নন্দিত প্রিয় মুখ ইকবাল হোসেন সবুজ।কিন্তু কেন্দ্রিয় লবিং থেকে দুরে সরে যাওয়া,অন্তরালে ঝুট ব্যবসায় জড়িয়ে থাকায় অভিযুক্ত থাকা,পরিবারের অন্তত দুই সদস্য শিল্প কলকারখানা ও অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার বনে যাওয়া,অতি পান্ডিত্য এবং তার পাশে থাকা বিপুল জনগোষ্টিকে আশাহত করা বিশেষ করে কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে সঠিক লোকদের পদায়ন করতে না পারায় তার বিশাল জনপ্রিয়তায় ধ্বস নামে এবং তিনিও ছিটকে পড়েন দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে দলিয় মনোনয়ন থেকে।

স্বতন্ত্র নির্বাচন করে কাঙ্খিত ভোট পেলেও এমপি হতে পারেননি তিনি।ক্ষমতার ঘুড়ির লাটাই চলে যায় এড রহমত আলীর কন্যা একাদশ সংসদের সংরক্ষিত আসনের এমপি অধ্যাপিকা রুমানা আলী টুসির হাতে।তিনি বর্তমানে গাজীপুর-৩ আসনের এমপি ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী।

                 জামিল হাসান দুর্জয় নমিনেশন না পাওয়ার পেছনে ছিল শ্রীপুরের ঘৃণিত কিছু মানুষের অপরাজনীতি,তারা ছিলেন দুর্জয়ের শীর্ষ সুবিধাভোগী উপদেষ্টা।এদের বেশিরভাগ এখনো তার পাশেই রয়েছেন।

এরা নিজেদের স্বার্থের প্রয়োজনে দুর্জয়কে রাজনৈতিকভাবে শুধু পথেই বসায়নি, এ্যাড রহমত আলী পরিবারকে করেছে চরম বিতর্কিত।এই চক্রের বলয়ে এখনো এই পরিবারের একাংশ বন্দি।

             এ্যাড রহমত আলী ২০১৪ সালের উপজেলা নির্বাচনে ইকবাল হোসেন সবুজের মনোনয়ন প্রত্যাহার করায়ে আব্দুল জলিলকে মনোনয়ন দিয়ে একটি বিতর্কিত ফলাফলের মাধ্যমে যে বিজয়ের হাসি হেসেছিলেন সেদিন, তা তার রাজনৈতিক জীবনের শ্রেষ্ঠ ভুল ছিল বলে মনে করেন এই এলাকার রাজনীতি সচেতন মহল।সেদিন সেই ভুলটি তিনি না করলে হয়ত শ্রীপুরের রাজনীতির ইতিহাস আজ অন্যভাবে লেখা হত।

               অন্যদিকে পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে গত উপজেলা নির্বাচনে এমপি হওয়ার আশা আপাতত ত্যাগ করে উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন এড জামিল হাসান দুর্জয়।শপথও নিয়েছেন।তার চেয়ারম্যান হওয়ার নেপথ্যে অনৈতিক কাজে জড়িত থাকার অভিযোগে প্রধানমন্ত্রীর সাথে সংশ্লিষ্ট একজন দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা চাকরিও হারিয়েছেন বলে জনশ্রুতি রয়েছে।

গত উপজেলা নির্বাচনে পেশীশক্তির দাপট ছিল চোখে পড়ার মত।দ্বি-শক্তির চরম উত্থানের সামনে দাড়িয়েও ঈর্ষনীয় ভোট পেয়ে চমকে দেন আব্দুল জলিল।এই উপজেলা নির্বাচনের মধ্য দিয়ে ক্ষমতার পাদপীঠে আবার ফিরে আসেন এড রহমত আলী পরিবার।

একাদশ সংসদ নির্বাচনে ইকবাল হোসেন সবুজ ক্ষমতায় আসার পর ঈর্ষণীয় জনজোয়ার দেখে এখানকার মানুষের ধারনা ছিল অন্তত ৩/৪ মেয়াদ এই আসনে এমপি সবুজের কাছ থেকে টিকেট ছিনিয়ে নেওয়া কারো পক্ষে সম্ভব হবে না।বাস্তবে এমপি সবুজ ঝরে গেছেন এক মেয়াদ পরেই, তার নিজের অদুরদর্শিতার চোরাবালিতে,যা জনগনের প্রত্যাশিত ছিল না।

 অভিজ্ঞ রাজনৈতিক বোদ্ধারা মনে করেন, উপজেলা নির্বাচনের ভুলের খেসারত বর্তমান সাংসদ ইকবাল হোসেন সবুজকে  দিতে হয়েছে ২০২৩ সালের সংসদ নির্বাচনে  তার রাজনীতির চলার পথে।

                 এদিকে একাদশ সংসদ নির্বাচনের পর শ্রীপুরের মানুষ ভেবেছিল এখানকার রাজনৈতিক দৃশ্যপট থেকে হারিয়ে গেল এ্যাড রহমত আলী পরিবার ইকবাল হোসেন সবুজ এমপি হওয়ার মধ্য দিয়ে।

বাস্তবে তা হয়নি।সংরক্ষিত মহিলা আসনে অপ্রত্যাশিতভাবে এ্যাড রহমত আলী তণয়া অধ্যাপিকা রুমানা আলী টুসীকে এমপি করার মধ্য দিয়ে সঙ্কটময় অবস্থা থেকে শ্রীপুরের রাজনীতিতে ফিরে আসেন এ্যাড রহমত আলী পরিবার।

অধ্যাপিকা রুমানা আলী টুসীকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্য ও কৃষক লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা নির্বাচিত করে আর এক ধাপ এগিয়ে দেওয়ায় তিনি '২৩ সালে দলিয় মনোনয়ন পেয়ে বিজিত হয়ে এমপি ও মন্ত্রীত্বের অমিয় সুধায় সিক্ত হয়ে জীবনের চরম প্রাপ্তিটি অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে ছোট বোন এই আসনের এমপি,মন্ত্রী,বড় ভাই সদ্য নির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যান।ইকবাল হোসেন সবুজ কেন্দ্রিয় নেতিবাচক অভিযোগের বৃত্ত ভেঙে আবার কি ক্ষমতার পাদপ্রদ্বীপে জ্বলে উঠতে পারবেন?জনগনের বাধভাঙা জোয়ারের মহানায়ক হয়ে আবার কি জাতির দৃষ্টি আর্কর্ষনের নায়ক হয়ে অনন্য ইতিহাস সৃষ্টি করতে পারবেন?

বিশ্লেষকরা বলছেন, তিনি আর কখনো সক্ষম হবেন না।কারন হিসেবে বলছেন, তিনি তার সততার ইমেজ হারিয়েছেন কেন্দ্র ও জনগনের চোখে।বিশ্বাস, আস্থা ও জননপ্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হয়েছেন তিনি।বিশ্বাস নষ্ট হয়ে গেছে জনগনের তার প্রতি।এসব কারনে রাজনীতির মাঠে থাকলেও তিনি কেন্দ্র ও জনগনের চোখে ইমেজ ফিরিয়ে আনতে হয়ত আর সক্ষম হবেন না।

অন্যদিকে উপজেলা চেয়ারম্যান হয়ে এখন এখানকার রাজনীতির দন্ডমূন্ডের কর্তা হবেন এড জামিল হাসান দুর্জয় এতে সন্দেহ নেই।এখানকার মিল ইন্ডাস্ট্রিসহ অর্থনৈতিক জোনগুলো নিয়ন্ত্রণ করবেন তিনি।কমিটিগুলো হবে তার নিজের মত করে।তবে তার পাশে থাকবে ইন্ডাস্ট্রি ব্যবসার বিশাল চক্র।প্রকৃত ত্যাগী দলিয় ব্যক্তিরা তার কাছে পাত্তা পাবেন না।এসবের দায়ভার বহন করতে হবে অধ্যাপিকা রুমানা আলী টুসি এমপিকে।

এখানকার রাজনীতি, ব্যবসা কুক্ষিগত করে রাখতে গিয়ে সৃষ্টি হবে বঞ্চিত মানুষের কাফেলা।সৃষ্টি হবে জনরোষ।আর এসব বঞ্চিত মানুষের কাফেলার একাংশ মিলিত হবে ইকবাল হোসেন সবুজের রাজনীতিতে এবং এর বেশিরভাগ অংশ মিলিত হবে শ্রীপুরের পৌর মেয়র আনিছুর রহমান ও সদ্য পরাজিত সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল জলিল বিএ'র মঞ্চে।

এদের সমন্বয়ে এক সময় এখানে আত্মপ্রকাশ ঘটবে তৃতীয় রাজনৈতিক শক্তি।আর সেই শক্তির মঞ্চেই ২৯ সালে রচিত হবে মনোনয়নে পরিবর্তনের নতুন ইতিহাস।কারন সাবেক ও বর্তমান নেতৃত্ব নানাবিধ বিতর্কে জড়িয়ে জনপ্রিয়তা হারাবে।কেন্দ্রে বিতর্কিত হবে।জনগন ক্ষুব্ধ হবে।উন্নয়ন বঞ্চিত হবে।ব্যবসায়িক ও রাজনৈতিক পদ হারাবে।উত্তাল জনজোয়ার সৃষ্টি হবে প্রার্থি পরিবর্তনের দাবি নিয়ে।আর সেই প্রেক্ষাপটে আসবে এমপি হওয়া দুই পরিবারের বাইরে তৃতীয় শক্তির অভ্যূদ্বয়।

এদিকে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের পর এমপি সবুজের যে সমস্ত শীর্ষ নেতা পদ ধরে রাখতে, ব্যবসা ঠিক রাখতে এবং পরবর্তি কমিটি গঠন হলে যাতে চেয়ারটা ঠিক থাকে মনে করে নেতা পরিবর্তন করেছিলেন তাদের কেউ আর ক্ষমতার পাদপ্রদ্বীপে থাকবেন না।সময়ের প্রয়োজনে বর্তমান ক্ষমতাসীনরা তাদের ব্যবহার করলেও এখন ছুঁড়ে ফেলার সময় সমাগত।তাদের রাজনৈতিক জীবনের অবসান ঘটবে।শুধু নামের পাশে যোগ হবে সাবেক শব্দটি।

আরও খবর



তিস্তা প্রকল্প নিয়ে ভারত-চীন দুই দেশই প্রস্তাব দিয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডেস রিপোর্ট:



তিস্তা প্রকল্প নিয়ে ভারতের পাশাপাশি চীনও প্রস্তাব দিয়েছে এবং দুটো প্রস্তাবই বিবেচনা করে দেখা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।


সাম্প্রতিক ভারত সফর নিয়ে মঙ্গলবার (২৫ জুন) গণভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনের পর সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান তিনি।


প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ভারত সফরে তিস্তার পানি বণ্টন নয়, মহাপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এ প্রকল্প নিয়ে চীনের পক্ষ থেকেও প্রস্তাব আছে। তবে যাদের প্রস্তাব লাভজনক হবে, তাদেরটাই গ্রহণ করবে বাংলাদেশ৷


তিনি বলেন, কারও সঙ্গে বৈরিতা নয়, সকলের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখেই আমরা এগিয়ে যাব। আমার দেশের মানুষের কল্যাণে বিশেষ করে দেশের উন্নয়নে যার সঙ্গে যতটুকু সম্পর্ক রাখা দরকার, সেটা করে যাচ্ছি। 



ভারত আমাদের চরম দুঃসময়ের বন্ধু, তারা রক্ত দিয়ে মুক্তিযুদ্ধে সহযোগিতা করে স্বাধীনতা এনে দিয়েছে; কাজেই তাদের গুরুত্বটা আমাদের কাছে এমনিতেই আছে। আবার চীন যেভাবে নিজেকে উন্নত করেছে, সেখান থেকে আমাদের শেখার আছে। 



সবকিছু ভেবেই আমরা সম্পর্ক এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি। প্রস্তাব তো অনেক আসে। যেখান থেকে যে প্রস্তাবই আসুক না কেন, সেই প্রস্তাবটা আমার দেশের জন্য কতটুকু প্রযোজ্য হবে এবং কল্যাণকর হবে সেটা ভেবেই গ্রহণ করা হবে।


পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জীর সঙ্গে কোনো দ্বন্দ্ব নেই জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, তিস্তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে৷ গঙ্গা চুক্তি-২০২৬ সালে নবায়ন না হলেও চুক্তি চলমান থাকবে৷



 টেকনিক্যাল গ্রুপ এসে কাজ করবে, তারপর সমঝোতা হবে৷ পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জীর সঙ্গে আমাদের কোনো দ্বন্দ্ব নেই। তিনি বিরোধিতা করছেন, তার দেশের কেন্দ্র সরকারের সঙ্গে। এবারও দিল্লিতে গিয়ে দেখলাম, মমতা নেই। আমরা তো সবার সঙ্গেই একসঙ্গে কাজ করতে চাই৷


তিনি বলেন, তিস্তা প্রজেক্ট নিয়ে চীন ও ভারত দুদেশই প্রস্তাব দিয়েছে। অবশ্যই আমরা বিবেচনা করব, কোন প্রস্তাব গ্রহণ করলে আমাদের দেশের মানুষের কল্যাণে আসবে। ভারত বলেছে তারা করতে চায়, তারা টেকনিক্যাল গ্রুপ পাঠাবে, অবশ্যই তারা আসবে।



 চীনও একটা ফিজিবিলিটি স্টাডি করছে, ভারতও একটা করবে। আমাদের কাছে যাদেরটা সবচেয়ে বেশি গ্রহণযোগ্য এবং লাভজনক মনে হবে, আমরা তাদেরটাই গ্রহণ করব। চীন সম্ভাব্যতা যাচাই করেছে৷ ভারতও করবে৷ হ্যাঁ, ভারত যদি এটা করে দেয়, তাহলে তো হলোই৷ তাহলে তো প্রতিদিন পানি নিয়ে প্যানপ্যান শুনতে হয় না৷



আরও খবর



ইসরায়েলি বর্বরতায় আরও ২৭ ফিলিস্তিনি নিহত

প্রকাশিত:শনিবার ০৬ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় নয় মাস ধরে ইসরায়েলের হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩৮ হাজার ছাড়িয়েছে। আহত হয়েছেন ৮৭ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা শনিবার জানায়, ইসরায়েলের হামলা শুরুর পর থেকে গাজায় নিহত ফিলিস্তিনির সংখ্যা ৩৮ হাজার ১১ জন। অন্যদিকে হামলায় আহত হয়েছেন অন্তত ৮৭ হাজার ৪৪৫ জন।

শুক্রবার ভোর থেকে চালানো হামলায় ২৭ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে দুইজন ফিলিস্তিনি সাংবাদিকও রয়েছেন।

এছাড়া অধিকৃত পশ্চিম তীরের জেনিনে ইসরায়েলি অভিযানে নিহতের সংখ্যা বেড়ে সাতজনে দাঁড়িয়েছে।

গত বছরের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে ঢুকে গাজার শাসক দল হামাসের প্রাণঘাতী হামলার জবাবে উপত্যকায় প্রায় বিরামহীন হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েল।

হামাসের ওই হামলায় নিহত হয় ১২ শর মতো ইসরায়েলি। ওইদিন দুই শতাধিক ইসরায়েলিকে বন্দি করে গাজায় নিয়ে আসেন সশস্ত্র ফিলিস্তিনিরা।

ওই হামলার প্রতিক্রিয়ায় গাজায় নির্বিচার হামলা শুরু দখলদার দেশ ইসরায়েল। তাদের হামলা থেকে রেহাই পায়নি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, মসজিদ কিংবা গির্জার মতো বেসামরিক স্থাপনা। ইসরায়েলি হামলায় নিহত ফিলিস্তিনিদের বেশিরভাগ নারী ও শিশু।

হামলার পর বিভিন্ন ভবনের ধ্বংসস্তূপে চাপা পড়া অনেকেই নিখোঁজ হয়েছেন। তারা মারা গেছেন বলে ধরে নেওয়া হয়েছে।


আরও খবর



কুমিল্লায় হত্যার মামলায় ৬ জনের মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন ১০

প্রকাশিত:বুধবার ২৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডেস:


কুমিল্লায় নুরুল হক হত্যা মামলায় ৬ জনের মৃত্যুদণ্ড এবং ১০ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও প্রত্যককে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। 



এছাড়া অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় মামলার দুই আসামিকে বেকসুর খালাস দেয়া হয় এবং মামলা চলাকালী দুই আসামির মৃত্যু হলে আদালত মামলা থেকে তাদের অব্যাহতি দেয়।



বুধবার (২৬ জুন) দুপুর ১২টার দিকে কুমিল্লার জেলা ও দায়রা জজ চতুর্থ আদালতের বিচারক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন এই রায় দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ জাকির হোসেন।



 মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন মো. মাছুম (৩৫), তাজুল ইসলাম (৩২), মো. মোস্তফা (২৪), মো. কাইয়ুম (২৫), মো. কাইয়ুম (২৮), মো. তবদুল হোসেন (৪০)। তাদের মধ্যে রায় ঘোষণার সময় উপস্থিত ছিলেন মো. কাইয়ুম ও মো. তবদুল হোসেন।



 রায় শেষে আসামিদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন আদালত পুলিশের পরিদর্শক মুজিবুর রহমান।



যাবজ্জীবন সাজা পাওয়া ব্যক্তিরা হলেন- মো. নানু মিয়া (৪০), মতিন মিয়া (৪০), সাইদুল ইসলাম (২৪), বাবুল মিয়া (২৫), সফিকুল ইসলাম (৩৫), মো. সফিকুল ইসলাম (২৮), মোসলেম মিয়া (৪৫), মো. হেলাল মিয়া (২৫), বিল্লাল হোসেন (৩০) ও আবদুল আউয়াল (৩০)। রায় ঘোষণার সময় মো. নানু মিয়া, মতিন মিয়া, বাবুল মিয়া, সফিকুল ইসলাম, মো. সফিকুল ইসলাম, মোসলেম মিয়া , মো. হেলাল মিয়া, আবদুল আউয়াল উপস্থিত ছিলেন।



 অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় বেকসুর খালাস পাওয়া দুই আসামি হলেন- হিরণ মিয়া ও মনিরুল ইসলাম। এছাড়া মামলা চলাকালী মারা যাওয়া দুই আসামি হলেন- ফুল মিয়া ও সেলিম।


মামলার বিবরণে জানা যায়, ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার ছোট দুশিয়া এলাকার ফরিদ মিয়ার সঙ্গে একই এলাকার মাছুমের দীর্ঘদিনের সম্পত্তি নিয়া বিরোধ ছিল। এ ঘটনায় নুরুল হকের নেতৃত্বে কয়েকবার সালিস বৈঠক হয়।



 সালিস বৈঠকে ফরিদ মিয়ার ভিটাবাড়ি মাছুম মিয়ার দখল থেকে ফরিদ মিয়াকে ছেড়ে দেয়ার জন্য তিনি রায় দেন। এরপর থেকেই আসামিরা বিভিন্ন সময়ে তাকে ভয়-ভীতিসহ হুমকি দিচ্ছিলেন। এ ঘটনার কিছুদিন পর ২০১১ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি তিনি কুমিল্লা শহর থেকে বাড়ি ফেরার পথে সবজুপাড়া শিদলাই রোড এলাকায় মাছুমের পক্ষের লোকজন তার ওপর হামলা করে। 



মাছুমের লোহার বল্লম দিয়ে নুরুল হকের বুকে চারটি আঘাত করেন। এ ছাড়াও ঘটনাস্থলে উপস্থিত মাছুমের পক্ষের লোকজন নুরুল হকের শরীরে বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনার পরদিন তার ছেলে মো. শরিফুল ইসলাম ব্রাহ্মণপাড়া থানায় হত্যা মামলা করেন। এতে মোট ২২ জনকে আসামি করা হয়।


আইনজীবী মোহাম্মদ জাকির হোসেন জানান, মামলায় ২০১৬ সালের ৪ জানুয়ারি মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ২০ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। মামলার বিচার চলাকালীন দুই আসামি মারা যান। দুজনকে খালাস প্রদান করেছেন বিচারক।



 রায়ে সময় আদালতের এজলাসে ১০ জন আসামি উপস্থিত ছিলেন। অপর ৬ আসামি পলাতক রয়েছে। এ মামলায় মোট ৯ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।


অন্যদিকে, রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে আসামি পক্ষের আইনজীবী আবদুল মুমিন ফেরদৌস জানান, তারা উচ্চ আদালতে আপিল করবেন।



আরও খবর



ঈদের আমেজ শেষে ঢাকামুখী মানুষের ভিড়

প্রকাশিত:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

সদরুল আইনঃ


প্রিয়জনদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে ঢাকা ছেড়েছিলেন লাখো মানুষ। সেই আনন্দ ও ছুটি শেষে জীবিকার তাগিদে ফের রাজধানীমুখী হচ্ছে তারা।


শুক্রবার (২১ জুন) সকাল থেকে কর্মজীবী মানুষরা ঢাকায় ফিরতে শুরু করেছেন। চাপ বেড়েছে গাবতলী, মহাখালী ও সায়েদাবাদে। সড়ক ছাড়া সদরঘাটেও অনেক চাপ।


দেখা যায়, বিভিন্ন জেলা থেকে মানুষ ঢাকায় ফিরছে। দূরপালার বাস থেকে নেমে গন্তব্যে যেতে সিএনজি, উবার ও পাঠাওয়ে শরণাপন্ন হচ্ছেন।


কাহহার নামে এক সিএনজিচালক বলেন, এতদিন মানুষের চাপ ছিল না। তবে আজ থেকে আবারও যাত্রীদের চাপ বাড়তে শুরু করেছে। সকাল থেকে গাবতলীর যাত্রী নিয়ে রাজধানীর বিভিন্ন জায়গায় গিয়েছি।



ভাড়ায় মোটরসাইকেলচালক রনি খাঁ বলেন, আজ থেকে সাধারণ মানুষ ঢাকায় ফিরতে শুরু করেছে। সকাল থেকে সায়েদাবাদ থেকে অনেকগুলো ট্রিপ পেয়েছি, ভালো লাগছে।


কুষ্টিয়া থেকে বাসে গাবতলী এসেছেন সৈকত হোসেন। তিনি বলেন, ঢাকায় এলাম কোনো ভোগান্তি ছাড়াই। এমনকি দৌলতদিয়া ফেরি ঘাটেও কোনো যানজট ছিল না।


এদিকে সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে দেখা যায়, ঢাকাফেরা মানুষের ভিড়। তাদের কেউ বন্ধু-বান্ধবের সঙ্গে ফিরছেন। আবার কেউ ফিরছেন পরিবার নিয়ে। 


কারও সঙ্গে রয়েছে বাড়ি থেকে নিয়ে আসা বিভিন্ন জিনিসপত্রের ব্যাগ। তবে লঞ্চের মাধ্যমে ঢাকামুখী এ যাত্রায় কোনো অনিয়ম বা বড় ধরনের ভোগান্তির অভিযোগ পাওয়া যায়নি।


গত ১৬, ১৭, ১৮ জুন (রবি, সোম ও মঙ্গল) ছিল ঈদের ছুটি। ছুটি শেষে বুধবার কাজে যোগ দিয়েছেন অনেকে। এদিন সরকারি-বেসরকারি অফিস এবং ব্যাংক খুলতে দেখা গেছে। তবে পুরোদমে ফেরেনি কর্মচাঞ্চল্য।



 কারণ, একদিন অফিস (বৃহস্পতিবার) করার পরই আবার শুক্র ও শনিবার (২২ জুন) সাপ্তাহিক ছুটি। এই ছুটি শেষে রোববার (২৩ জুন) থেকে রাজধানী হয়তো ফিরে যাবে আগের রূপে।



আরও খবর