Logo
শিরোনাম

রাজপরিবারের দায়িত্ব ছাড়ছেন কেট মিডলটন

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

বিডি ডিজিটাল ডেস্ক: ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করছেন ব্রিটিশ রাজকুমারী কেট মিডলটন। সেই খবর প্রকাশ্যে আসে কিছুদিন আগেই। 

কেট স্থির করেছেন, ক্যানসারের কারণে সকলে তাকে আগে যে যে ভূমিকা পালন করতে দেখেছিলেন, সেই সব ভূমিকায় আর কখনও দেখা যাবে না তাকে। খবর ডেইলি বিস্টের।

প্রিন্সেস অফ ওয়েলস এক সময় তার স্বামী প্রিন্স উইলিয়ামের সঙ্গে থাকতেন আলোচনার কেন্দ্রে, কাড়তেন সকলের নজর। 

জানা গেছে, কেট ফিরে আসার পরে কী কী করতে সক্ষম হবেন, তা নিয়ে বর্তমানে ভাবছেন রাজকুমারী নিজেই। অর্থাৎ তার কেমোথেরাপি শেষ হওয়ার পরবর্তী সময়ে তিনি কী কী করবেন, আপাতত সেই সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করতেই তিনি ব্যস্ত।

এমনকি রাজপরিবারের চিকিৎসক রিচার্ড ফিটজ উইলিয়ামস বলেছে, কেট যখন আবার তার কাঁধে রাজকীয় দায়িত্ব তুলে নেবেন, তখন তা অবশ্যই হবে চিকিৎসদের পরামর্শের ভিত্তিতে। কাজের সঙ্গে শারীরিক সুস্থতার দিকটাও মাথায় রাখতে হবে।

দ্য ডেইলি বিস্ট-কে ওই সূত্র জানিয়েছে, অনেকেরই অনেক পরিকল্পনার সঙ্গে কেটের নাম জড়িয়ে রয়েছে। কিন্তু তাদের জেনে রাখা দরকার যে, এসব বিষয় অনেক আগে ঠিক হয়েছিল, কিন্তু এখন পরিস্থিতি ভিন্ন। তাই এ বছরের জন্য কেটের ডায়েরি বন্ধ। সেখানে পূর্বপরিকল্পিত কিছুই নেই।

সূত্রটি আরো জানিয়েছে, কেটের উপর কেউ কোনোভাবে চাপ সৃষ্টি করতে চাইছে না। কারণ, এখন একমাত্র লক্ষ্য হলো সুস্থতা। তিনি এই বছর একটি ভয়ঙ্কর সময়ের মধ্য দিয়ে গিয়েছেন। তাই সকলেই তাকে নিয়ে চিন্তিত।


আরও খবর



নওগাঁয় পৃথক দুটি স্থানে ভুটভুটির ধাক্কায় দু'জনের মৃত্যু

প্রকাশিত:রবিবার ১৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, সিনিয়র রিপোর্টার :

নওগাঁয় পৃথক স্থানে ভুটভুটির ধাক্কায় দু'জনের মর্মান্তিক ভাবে মৃত্যু হয়েছে। শনিবার বেলা ১০ টার দিকে নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলার বালুঘা মোড় এলাকায় হাবিবর রহমান (৫০) নামের এক ব্যাক্তির মৃত্যু হয়। অপরদিকে বদলগাছী উপজেলার কেসাইল চাওলাকালি বাজারে শনিবার দুপুরে আব্দুর রশিদ (৫৫) নামের অপর এক ব্যাক্তির মৃত্যু হয়েছে। দু'টি মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পত্নীতলা ও বদলগাছী থানার অফিসার ইনচার্জ।

নিহত দু জন হচ্ছেন, বদলগাছী উপজেলার পারোরা গ্রামের মৃত ফারেজ উদ্দিনের ছেলে আব্দুর রশিদ ও পত্নীতলার মহিমাপুর গ্রামের মৃত কেয়াম উদ্দিনের ছেলে হাবিবর রহমান। 

জানা যায়, নিহত আব্দুর রশিদ গরু বিক্রয়ের জন্য আক্কেলপুর বাজারে যাওয়ার পথে কেসাইল চাওলাকালি বাজারে পৌছালে তুস বোঝায় একটি ভটভটির চাকায় পিষ্ট হয়ে গুরুতর আহত হন। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে উদ্ধার করে বদলগাছী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

অপরদিকে, নিহত হবিবর রহমান বাই সাইকেল নিয়ে নজিপুর থেকে বাড়ির দিকে যাচ্ছিলেন। একই দিক থেকে আসা মুরগী বাহী একটি ভুটভুটি পিছন থেকে তাকে ধাক্কা দিলে রাস্তায় ছিটকে পড়ে মাথায় আঘাত পায়। তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে পত্নীতলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

পত্নীতলা থানার অফিসার ইনচার্জ মোজাফফর হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, কোন অভিযোগ না থাকায় মৃতদেহ পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে। 


আরও খবর



নওগাঁয় অটো রিকসাতে চার্জদিতে গিয়ে বিদ্যুৎ পিষ্ট হয়ে যুবকের মৃত্যু

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, সিনিয়র রিপোর্টার :

নওগাঁয় ব্যাটারি চালিত অটো রিকসাতে চার্জদিতে গিয়ে অ-সাবধানতা বশত বিদ্যুৎ পিষ্ট হয়ে অটো রিকসা চালক এক যুবকের মর্মান্তিক ভাবে মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। বিদ্যুৎ পিষ্টের এঘটনাটি ঘটে বুধবার দিনগত রাত সারে ৮ টারদিকে নওগাঁর মহাদেবপুর থানাধীন নওহাটামোড় পুলিশ ফাঁড়ি এলাকার চেরাগপুর ইউপির বুজরুক বড়াইল গ্রামে। স্থানিয় সুত্র ও নওহাটামোড় ফাঁড়ি পুলিশ সুত্রে জানাগেছে, বুজরুক বড়াইল গ্রামের আব্দুল খালেকের যুবক ছেলে মাহবুব আলম ওরফে মিঠু (২৭) চার্জার ব্যাটারি চালিত অটো রিকসা চালিয়ে যে অর্থ উপার্জন করতেন সেই অর্থদিয়ে তিনি তার সংসারের খরচ মিটাতেন। প্রতি দিনের মতো বুধবার ও সারাদিন অটো রিকসা চালিয়ে (ভাড়া মাড়ারপর) দিনগত রাত সারে ৮ টারদিকে নিজ বাসায় ফেরার পর অটো রিকসাতে চার্জ বিদ্যুতের সংযোগ দিতেগিয়ে অ-সাবধানতা বশত তিনি বিদ্যুৎ পিষ্ট হলে এসময় তার পরিবারের লোকজন ও প্রতিবেশীরা তাকে গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করে নওগাঁ সদর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়েগেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন। তার মৃত্যুর খবর গ্রামে পৌছামাত্র তার নিজ গ্রাম সহ আশে-পাশের গ্রামের লোকজন সহ স্বজনদের মাঝে নেমে আসে শোকের ছাঁয়া।

বিদ্যুৎ পিষ্ট হয়ে অটো রিকসা চালকের মৃত্যুর সত্যতা প্রতিবেদককে রাতেই নিশ্চিত করেছেন নওহাটামোড় পুলিশ ফাঁড়ির এস আই জিয়াউর রহমান।


আরও খবর



পিএসসির তিন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৯ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

বিডি টুডেস ডেস্কঃ

বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের (বিসিএস) পরীক্ষাসহ গত ১২ বছরে ৩০টি নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশনের (বিপিএসসি) তিন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ ১৭ জনকে গ্রেপ্তারের পর তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

সোমবার (৮ জুলাই) রাতে সিআইডির পক্ষ থেকে রাজধানীর পল্টন থানায় বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন আইনে এই মামলা দায়ের করা হয়। মামলায় আসামির সংখ্যা অর্ধ শতাধিক দেখানো হয়েছে। আর গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে ১৭ জনকে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে সিআইডির অতিরিক্ত বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) আজাদ রহমান বলেন,  প্রশ্নফাঁসে জড়িতদের ধরতে সাঁড়াশি অভিযান চলছে। অভিযানে এখন পর্যন্ত ১৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

 গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ নিতে ও পলাতকদের গ্রেপ্তারে পল্টন থানায় বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। সেই মামলায় ১৭ জনকে আদালতে সোপর্দ করা হবে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাদের রিমান্ড চাওয়া হবে।

বেসরকারি একটি টেলিভিশন চ্যানেলে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশের পর সাঁড়াশি অভিযানে নামে সিআইডি। অনুসন্ধানী প্রতিবেদন অনুযায়ী, অভিযুক্ত পিএসসির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা হলেন উপ-পরিচালক মো. আবু জাফর, উপ-পরিচালক জাহাঙ্গীর আলম, সহকারী পরিচালক এস এম আলমগীর কবির, সহকারী পরিচালক নিখিল চন্দ্র রায়, চেয়ারম্যানের সাবেক গাড়িচালক সৈয়দ আবেদ আলী জীবন ও অফিস সহায়ক খলিলুর রহমান। বিপিএসসির কোনো নিয়োগ পরীক্ষা এলেই প্রশ্নফাঁস করে অর্থ লোপাটে মেতে উঠতো সংঘবদ্ধ চক্রটি।

সিআইডি সদর দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, গ্রেপ্তারদের মধ্যে রয়েছেন পিএসসি’র উপ-পরিচালক মো. আবু জাফর ও মো. জাহাঙ্গীর আলম, সহকারী পরিচালক মো. আলমগীর কবির, অফিস সহায়ক খলিলুর রহমান ও অফিস সহায়ক (ডিসপাস) সাজেদুল ইসলাম।

এছাড়া আছেন- সাবেক সেনা সদস্য নোমান সিদ্দিকী, ঢাবির সাবেক শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগের রাজনীতি করা এবং বর্তমানে মিরপুরের ব্যবসায়ী আবু সোলায়মান মো. সোহেল, অডিটর প্রিয়নাথ রায়, ব্যবসায়ী মো. জাহিদুল ইসলাম, নারায়ণগঞ্জ পাসপোর্ট অফিসের নিরাপত্তা প্রহরী শাহাদাত হোসেন, ঢাকার ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অফিসে কর্মরত মো. মামুনুর রশীদ, শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের মেডিকেল টেকনিশিয়ান মো. নিয়ামুন হাসান, ব্যবসায়ী সহোদর সাখাওয়াত হোসেন ও সায়েম হোসেন ও বেকার যুবক লিটন সরকার।

প্রকাশিত সংবাদে বিসিএসের প্রশ্নফাঁসে জড়িত থাকার অভিযোগে আলোচনায় আসেন সরকারি কর্মকমিশনের (পিএসসি) সাবেক চেয়ারম্যানের গাড়িচালক সৈয়দ আবেদ আলী ও তার ছেলে সৈয়দ সোহানুর রহমান সিয়াম। 

সেই বাবা-ছেলেকেও গ্রেপ্তার করেছে সিআইডি। অন্যদিকে সংগঠনের নীতি ও নৈতিকতা পরিপন্থী কার্যকলাপে জড়িত থাকায় ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে সোহানুর রহমান সিয়ামকে।


আরও খবর



বিএনপি মুক্তিযুদ্ধের নামে ভাওতাবাজি করে: ওবায়দুল কাদের

প্রকাশিত:রবিবার ২৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি  ডিজিটাল ডেস্ক :


আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আমাদের চলার পথে প্রধান বাধা বিএনপি। মুক্তিযুদ্ধের নামে এরা ভাওতাবাজি করে। 


আমাদের সাম্প্রদায়িক জঙ্গিবাদী শক্তি আমাদের অভিন্ন শত্রু। এই অভিন্ন শত্রু বিএনপির নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ। আমাদের আজকে শপথ এই অভিন্ন শক্তিকে পরাজিত করতে হবে। পরাভূত করতে হবে। আমাদের বিজয়কে আমরা সুসংহত করবো।



রোববার (২৩ জুন) সকালে আওয়ামী লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।


ওবায়দুল কাদের বলেন, বঙ্গবন্ধু হত্যার ছয় বছর পর শেখ হাসিনা স্বদেশ প্রত্যাবর্তন অন্ধকারে আশার আলো হয়ে এসেছিল। শেখ হাসিনা বাংলাদেশে এসেছিলেন বলেই গণতন্ত্র শৃঙ্খলমুক্ত হয়েছে। 



তিনি এসেছিলেন বলেই যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হয়েছে। বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার পুনরুত্থান হয়েছে। গণতন্ত্রের প্রত্যাবর্তন ঘটেছে। তার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন ছিল স্বাধীনতার আদর্শের প্রত্যাবর্তন।


শেখ হাসিনার অর্জন বাংলাদেশের জন্য সারা পৃথিবীতে এক গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায় রচনা করেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণ করে বিশ্বব্যাংককে তিনি দেখিয়ে দিয়েছেন আমরাও পারি।


 আমাদের সামর্থ্যের প্রতীক, আমাদের সক্ষমতার প্রতীক এই পদ্মা সেতু নিজের টাকায় করেছেন।


তিনি আরও বলেন, জিয়ার পরে এরশাদ, এরশাদের পর বেগম খালেদা জিয়া - একুশ বছর ধরে আমরা অন্ধকারে ছিলাম। একুশ বছর ধরে আমাদের গণতন্ত্র ছিল নির্বাসনে। 


আমাদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে নির্বাসনে পাঠানো হয়েছিল। বিজয় ও স্বাধীনতা দিবসে বঙ্গবন্ধুকে বাদ দিয়ে বিজয়ের নায়ক, স্বাধীনতার স্থপতিকে বাদ দিয়ে উদযাপন করা হতো।


ওবায়দুল কাদের বলেন, আওয়ামী লীগ এই দেশের বৃহত্তম ও প্রাচীনতম রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান। আমরা এক কথায় বলতে পারি, সংগ্রাম, সাফল্য ও সংস্কৃতির বর্ণিল প্রতিভাসের নাম আওয়ামী লীগ।




আরও খবর



আছাদুজ্জামান মিয়ার তথ্য ফাঁসের অভিযোগে এডিসি জিসানুল বরখাস্ত

প্রকাশিত:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ |

Image

বিডি টুডেস ডিজিটাল ডেস্ক:


ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়ার ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস করার অভিযোগে গাজীপুর মহানগর পুলিশের (জিএমপি) অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) জিসানুল হককে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।


এর আগে আছাদুজ্জামানের ব্যক্তিগত তথ্য কীভাবে অনলাইনে গেল, সেটি নিয়ে তদন্ত করে পুলিশ। এই কর্মকর্তা ছাড়াও পুলিশের আরও দুজন নন ক্যাডার সদস্যের বিরুদ্ধে তদন্ত হয়। তাদের বিরুদ্ধেও বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।



রোববার (২৩ জুন) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের শৃঙ্খলা শাখা থেকে এডিসি জিসানুল হককে সাময়িক বরখাস্তের প্রজ্ঞাপনটি জারি করা হয়।


সচিব মো. জাহাংগীর আলম স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, জিসানুল হকের বিরুদ্ধে শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হওয়ার অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। সরকারি চাকরি আইন ২০১৮ এর ধারা ৩৯ (১) এবং সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা ২০১৮ এর বিধি ১২ (১) অনুযায়ী চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হলো।


এ ছাড়াও প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, সাময়িক বরখাস্ত থাকাকালীন তিনি বাংলাদেশ সার্ভিস রুল অনুযায়ী খোরপোষ ভাতা প্রাপ্য হবেন। জনস্বার্থে জারিকৃত এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।



এর আগে আছাদুজ্জামান মিয়াকে নিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আছাদুজ্জামান মিয়ার ‘ইএসএএফ’ ছড়িয়ে পরে। ইএসএএফ ফরম হলো- ইলেকট্রনিক সাবস্ক্রাইবার অ্যাপলিকেশন ফরম, যা মূলত মোবাইল গ্রাহকেরা পূরণ করে থাকেন। এই ফরমে একজন ফোন গ্রাহকের নাম, ঠিকানা, জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর, আঙুলের ছাপসহ বিস্তারিত তথ্য থাকে।


ফরমটি প্রকাশের পর পুলিশের উচ্চপর্যায় থেকে বিষয়টি তদন্ত করতে বলা হয়। গাজীপুরের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার মোহাম্মদ নাজির আহমদ এ ঘটনার তদন্ত শুরু করেন। ফরমটিতে থাকা কিউআর কোড পর্যালোচনা করে দেখা যায়, গাজীপুর মহানগর পুলিশের বৈধ আড়িপাতা শাখার একজন এএসআই ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টার থেকে এটি ডাউনলোড করেছেন। 



তদন্তে বেরিয়ে আসে গাজীপুর মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার পদের এক কর্মকর্তা গত ১৩ ফেব্রুয়ারি আছাদুজ্জামানের মোবাইল ফোনের তথ্য চেয়ে বৈধ আড়িপাতা শাখার এক এসআইকে হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা দেন। 



সেই বার্তারভিত্তিতে তিনি অন্য একজন এএসআইকে সেটা ডাউনলোড করতে বলেন। পরে সেটা কর্মকর্তাকে দেওয়া হয়। তদন্তে দেখা যায় অনলাইনে প্রকাশিত ফরমটি হুবহু সেই ফরম।


পুলিশ সদর দপ্তরের একটি সূত্র জানিয়েছে, গাজীপুর মহানগর পুলিশের তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হয়। এরপর রোববার জিসানুল হককে সাময়িক বরখাস্তের প্রজ্ঞাপন জারি হয়।


আরও খবর