Logo
শিরোনাম

রাণীনগরে কৃষকরা দিন দিন ঝুঁকছে আধুনিক কৃষি যান্ত্রীকরণের দিকে

প্রকাশিত:Tuesday ২৯ November ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ০৭ February ২০২৩ |
Image

কাজী আনিছুর রহমান,রাণীনগর (নওগাঁ) ;

নওগাঁর রাণীনগরে দিন দিন আধুনিক কৃষি যান্ত্রিকরনের দিকে ঝুঁকছে কৃষকরা। শ্রমিক সংকট দূর করতে, স্বল্প সময়ে জমি চাষ করতে, জমিতেই ফসল বিশেষ করে ধান কাটা-মাড়াই ও সময়-খরচ বাঁচাতে প্রতিবছরই সরকারের পক্ষ থেকে ভর্তুকিতে প্রদান করা হচ্ছে আধুনিক প্রযুক্তি সম্পন্ন নানা ধরনের কৃষি যন্ত্র। আর এই কৃষি যন্ত্রগুলো ব্যবহার করে উপকৃত হচ্ছেন কৃষকরা আর সফল হচ্ছে সরকারের গৃহিত কৃষিকে আধুনিকায়ন করার গৃহিত কর্মসূচি। উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, বছরের প্রতি মৌসুমে সরকারের পক্ষ থেকে ভর্তুকিতে সিডার পাওয়ার ট্রেলার, হার্ভেস্টার মেশিন, গার্ডেন ট্রেলার, ধান মাড়াইয়ের মেশিনসহ নানা ধরনের কৃষি যন্ত্রগুলো প্রদান করা হচ্ছে। পুরাতন চাষাবাদ থেকে আধুনিক প্রযুক্তি সম্পন্ন কৃষিতে দেশের কৃষকদের যুক্ত করতে সরকারের এই পদক্ষেপ দারুন ভাবে প্রভাব ফেলেছে। এই কৃষি যান্ত্রিকরণের কারণে কম সময়ে ও কম খরচে চাষাবাদের পাশাপাশি ফলনও বৃদ্ধি পেয়েছে অনেকগুন। যেসব কৃষকদের কৃষি যন্ত্রগুলো নেওয়ার সামর্থ নেই সেই বিষয়টি সমাধান করার লক্ষ্যে উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে কৃষি সমবায় সমিতির মাধ্যমে ধান কাটা ও মাড়াইয়ের মেশিনগুলো প্রদান করা হয়েছে। যে কোন কৃষক এই যন্ত্রগুলো ভাড়া নিয়ে তাদের চাষাবাদের প্রয়োজন পূরণ করতে পারছেন। এছাড়াও অল্প জমি চাষের জন্য গার্ডেন ট্রিলার মেশিনটি কৃষকদের মাঝে ব্যাপক ভাবে সাড়া ফেলেছে। উপজেলার রাণীনগর বাজারের টুটুল বলেন, বাগানসহ অন্যান্য ছোট ছোট পরিত্যক্ত জায়গায় বড় পাওয়ার ট্রেলার মেমিন দিয়ে চাষ করা সম্ভব নয়। তাই আমি কৃষি অফিস থেকে একটি গার্ডেন ট্রেলার মেশিন নিয়েছি। মেশিন দিয়ে আমার বাগানসহ ছোট ছোট পরিত্যক্ত জায়গা ইচ্ছে মাফিক চাষ করে এখন বিভিন্ন ধরনের ফসল ফলাচ্ছি। ওই মেশিন দিয়ে আশেপাশের মানুষেরও চাহিদা পূরন করছি। আমি গার্ডেন ট্রেলার মেশিন নিয়ে অনেক উপকৃত হয়েছি। উপজেলার রাজাপুর গ্রামের কৃষক হামিদুল হক বলেন, চলতি আমন মৌসুমে ধান কাটা ও মাড়াইয়ের জন্য তেমন শ্রমিক খুজতে হয়নি। হার্ভেস্টার মেশিন দিয়ে প্রতি বিঘা জমির ধান ২হাজার টাকা করে কাটা ও মাড়াই করে নিয়েছি। এতে করে আমার খরচ ও সময় অনেক কম লেগেছে। এই সব মেশিন পাওয়াতে আমরা কৃষকরা অনেক ভাবে উপকৃত হচ্ছি। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ শহীদুল ইসলাম বলেন, আমাদের মূল চালিকা শক্তিই হচ্ছে কৃষি। তাই কৃষিকে পুরাতন পদ্ধতিতে রেখে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়া সম্ভব নয়। তাই কৃষিকে আধুনিকায়ন করা নিয়ে বর্তমান সরকারের মিশন ও ভিশনকে মাঠ পর্যায়ে শতভাগ বাস্তবায়ন করতে আমরা কঠোর পরিশ্রম করে যাচ্ছি। উপজেলার কৃষকদের পুরাতন চাষাবাদ পদ্ধতি থেকে ফিরিয়ে এনে আধুনিক প্রযুক্তি সম্পন্ন কৃষি যান্ত্রিকরণের দিকে নিয়ে আসতে চলতি আমন মৌসুমে ভর্তুকিতে ৫টি সিডার পাওয়ার ট্রেলার মেশিন ৫জন কৃষককে প্রদান করা হয়েছে। এছাড়াও ১৪টি গার্ডেন ট্রেলার মেশিন ইতিমধ্যেই বিতরন করা হয়েছে। বর্তমানে এই মেশিনটি কৃষকদের মাঝে ব্যাপক ভাবে সাড়া ফেলেছে। জমি ফেলে না রেখে একই জমিতে একাধিক ফসলের দ্বিগুন ফলন পেতে এই কৃষি যান্ত্রিকরনের কোন বিকল্প নেই। আমি আশাবাদি একসময় দেশের সকল কৃষকই আধুনিক প্রযুক্তি সম্পন্ন কৃষি যন্ত্রের মাধ্যমে সকল চাষাবাদ করবেন। এতে করে দেশের কৃষকরা যেমন লাভবান হবেন তার সঙ্গে সরকারের কোষাগারে জমা হবে দ্বিগুনের চেয়ে বেশি রাজস্ব।


আরও খবর



গুরুত্বপূর্ন সড়ক ধান ব্যবসায়ীদের দখলে

দশমিনায় ভোগান্তিতে যানচলাচলসহ পথচারী

প্রকাশিত:Tuesday ২৪ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Monday ০৬ February ২০২৩ |
Image

দশমিনা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি :

পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার গুরুত্বপূর্ন সড়কগুলোতে ফড়িয়ারা দখল করে ধানের ব্যবসায় করায় ভোগান্তিতে পড়েছে যানচলাচলসহ পথচারীরা। এতে করে সড়কে সড়কে সৃষ্টি হয়েছে যানজটসহ নানা দুর্ঘটনা। মঙ্গলবার উপজেলার বিভিন্ন জনগুরুত্বপূর্ন সড়ক ঘুরে এমন চিত্র দেখা যায়।

সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ন সড়ক, স্কুলের সামনের সড়ক দখল করে ধান ফড়িয়াররা ব্যবসা করছে। উপজেলার রনগোপালদী ইউনিয়নের যৌতা গ্রামে ৬৯ নম্বর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনের সড়কের এপাশ ওপাশে প্রায় ২শ’ বস্তা ধান রেখে উচু টিলা বানিয়ে রেখেছে তারা। এছাড়া উপজেলার আরজবেগী বাজারের দক্ষিন পাশে প্যাদাবাড়ির সামনের সড়ক জুড়ে ধানের বস্তার স্তুপ। উপজেলার বেতাগীসানকিপুর ইউনিয়নের বড়গোপালদী বাজারের পুর্ব ও পশ্চিম পাশের সড়কজুড়ে ধানের বস্তা রাখা হয়েছে। উপজেলার টাকুরের হাটে সড়ক জুরে ধানের বস্তা, তারপাশে দাড়িয়ে আছে ট্র্যাক এতে করে দেখা দিয়েছে যানজট। সড়কে ধানের বস্তা ও ট্র্যাক রাখায় রাস্তার এক-তৃতীয়াংশ দখল করে ধান বস্তা, ট্র্যাকে উঠানো এবং ভ্যানগড়ী দিয়ে এনে নামানোর কাজ করছে দিনভর ধান ব্যবসায়ীরা।

দশমিনা সদর ইউনিয়নের বাসিন্দা ও বড়গোপালদী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক আহম্মেদ ইব্রাহিম অরবিল বলেন, দশমিনা-পটুয়াখালী ও দশমিনা-বরিশালসহ বিভিন্ন স্থানে লোকজন গুরুত্বপূর্ন কাজে যায় এ সড়ক দিয়ে আসা-যাওয়া করেন, রোগী বহন কারি এ্যাম্বুলেন্স এবং মালামালবাহী মিনি ও বড় ট্র্র্যাক আসা যাওয়া করে কিন্তু ধানের বস্তায় সড়কের বেশিরভাগ জায়গা দখল করায় যানজট সৃষ্টি হয়। এতে করে ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষা করতে হয় যানচলাচলকারী গাড়ির। আমার প্রতিদিন বিদ্যালয়ে আসা যাওয়াতে সময় ও জীবনের ঝুঁকি থাকে। 

বেতাগী সানকিপুর ইউনিয়নের ঠাকুরের হাট এলাকার বাসিন্দা খোকন মাঝি, রিপন ও কার্তিক চন্দ্র বলেন, এ বাজারটি সন্ধ্যার পর এলাকার বিভিন্ন পেশার লোকজন এসে নিত্য প্রয়োজনীয় মালামাল কেনা-বেঁচা করে। এখন বাজারটি জুড়ে ধানের বস্তার স্তুপ। কেউ দেখার নেই মনে হচ্ছে ফড়িয়ারদের ধান ব্যবসা করার জন্য এই রাস্তা নির্মান করা হয়েছে। এস্তুপের তলে শিশু ও বৃদ্ধরা যে কোন সময় পড়ে যেতে পারে।  

এ বিষয়ে দশমিনা সদর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়াডে সদস্য রিপন কর্মকার বলেন, এলাকার বিভিন্ন সড়ক দখল করে রাখা হচ্ছে ধানের বস্তা। এতে করে রাস্তায় যে কোন সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। আমি বিষয়টি ইউনিয়ন চেয়ারম্যানকে জানাবো।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মহিউদ্দিন আল হেলাল বলেন, খোঁজ খবর নিয়ে ধান ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হচ্ছে।


আরও খবর



আগুনে একই পরিবারের পাঁচজন নিহত

প্রকাশিত:Friday ১৩ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Monday ০৬ February ২০২৩ |
Image

চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় বসত বাড়িতে আগুন লেগে একই পরিবারের পাঁচজন নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার রাত দুইটার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

ফায়ার সার্ভিস জানায়, রাত দুইটার দিকে আগুনের খবর পেয়ে দুইটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে। পরে চারটার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসলেও এরই মধ্যে পরিবারের পাঁচজন মারা যান। নিহতরা হলেন কাঙ্গাল বসাক, ললিতা বসাক, লাকী বসাক, সৌরভ বসাক ও শরনাত বসাক।এছাড়াও দগ্ধ হন খোকন বসাক নামের আরেক ব্যক্তি। তাকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।ফায়ার সার্ভিসের ধারণা, রান্নাঘরের চুলা থেকে আগুনের এ ঘটনা ঘটেছে।


আরও খবর



সুখবর নেই বাজারে

প্রকাশিত:Saturday ০৪ February ২০২৩ | হালনাগাদ:Tuesday ০৭ February ২০২৩ |
Image

মইনুল ইসলাম মিতুল :বাজার সেই আগের মতোই। কোন সুখবর নেই। গ্রাহকদের অভিযোগ, কোনো পণ্যের দাম বাড়ার ঘোষণা এলে সঙ্গে সঙ্গে কার্যকর হয়ে যায়। কিন্তু দাম কমলে দেখা যায় এর উল্টোটা। 

প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন তেল ১৭২ টাকার বিপরীতে ১৬৭ টাকায় বিক্রি করতে হবে। পাঁচ লিটারের বোতলজাত সয়াবিন তেল ৯২৫ টাকার বিপরীতে ৯০৬ টাকায় বিক্রি করতে হবে। আর প্রতি লিটার পাম অয়েল (সুপার) ১২১ টাকার বিপরীতে ১১৭ টাকায় বিক্রি করতে হবে। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ১৮ই ডিসেম্বর থেকে এ দাম কার্যকরের কথা বলা হলেও কোনো বাজারেই কার্যকর হয়নি।


খুচরা বাজারের বিক্রেতারা জানান, প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন বিক্রি হয়েছে ১৭০-১৭২ টাকায়। পাশাপাশি প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল ১৮৭ টাকায় বিক্রির কথা থাকলেও ১৯০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। আর পাম অয়েল (সুপার) প্রতি লিটার ১৩৫-১৪২ টাকায় বিক্রি হয়েছে। 

শুধু বোতলজাত সয়াবিন তেল নয়, খোলা পাম তেলও নির্ধারিত দামের থেকে বেশি দামে বিক্রি হতে দেখা গেছে। প্রতি লিটার পাম তেল বিক্রি হওয়ার কথা ১১৭ টাকায়, যা ১২০ থেকে ১২২ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।


মুদি দোকানিরা জানান, মিল থেকে এখন পর্যন্ত নতুন দামের তেলের সরবরাহ নেই। এ ছাড়া ডিলাররাও নতুন দামের তেল সরবরাহ করছে না। দোকানে বেশি দামের কেনা তেল এখনো বিক্রি শেষ হয়নি। এসব কারণে দাম কমানো হলেও বাজারে এর প্রভাব নেই। নতুন তেল এলে এবং আগের বেশি দামের কেনা তেল শেষ হলে বাজারে সরকার নির্ধারিত দামে তেল বিক্রি হবে। 

সেগুনবাগিচা বাজারের মুদি দোকানি হোসেন আলী বলেন, সয়াবিন তেলের দাম লিটারে ৫ টাকা কমছে। কিন্তু কোম্পানি সেই তেল এখনো সরবরাহ করেনি। সে কারণে পুরনো দরের তেল বিক্রি হচ্ছে। চিনিও নির্ধারিত দামে আমরা কিনতে পারছি না। এ কারণে বিক্রি করতে পারছি না। পাইকারি বাজার থেকে বেশি দামে পণ্য কিনে এনে বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। সেটা বাধ্য হয়েই।


এদিকে বাজারে কমেনি মসুর ডাল ও আটা-ময়দার দাম। খুচরায় প্রতি কেজি মসুর ডাল এখনো ১৩০ থেকে ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। প্রতি কেজি আটা ৭২ টাকা ও ময়দা ৭৫ টাকা।
পাইজাম চাল প্রতি কেজি ৫৮ টাকা, আটাশ চাল ৬০ থেকে ৬২ টাকা, নাজিরশাইল ৭০ থেকে ৭৫ টাকা, হাসকি প্রতি কেজি ৬০ থেকে ৬২ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মুদিবাজারে অস্বস্তি থাকলেও কিছুটা সুখবর আছে সবজি আর মাছের বাজারে। কারণ শীতের প্রচুর সবজি বাজারে, সরবরাহ বাড়ায় কমেছে টমেটো, শিম, ফুলকপি, বাঁধাকপি, নতুন আলু ও গাজরের দাম। বাজারে মাঝারি আকারের প্রতি পিস ফুলকপি ও বাঁধাকপি ২৫ থেকে ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কিছুদিন আগেও সবজি দুটির দাম ছিল ৫০ থেকে ৬০ টাকা। টমেটো বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৪০ টাকায়। 

শিমের দাম তিন থেকে চার ভাগ কমেছে। প্রতি কেজি শিম বিক্রি হয়েছে ৩০ থেকে ৪০ টাকায়। মৌসুমের শুরুতে এর কেজি ছিল ১২০ টাকা। পেঁপের কেজি ২০ টাকা, লম্বা বেগুনের কেজি ৪০ টাকা, গোল বেগুন বা তাল বেগুনের কেজি ৬০ টাকা, নতুন আলুর কেজি ২৫ থেকে ৩০ টাকা। লাউয়ের পিস ৫০ টাকা, করলার কেজি মানভেদে ৬০ থেকে ৭০ টাকা, কাঁচকলার হালি ৩০ টাকা, দেশি গাজর কেজিতে ২০ টাকা কমে ৫০ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, চিচিঙ্গা ও ধুন্দুলের কেজি ৬০ টাকা, শালগমের কেজি ৩০ থেকে ৪০ টাকা।

এদিকে পিয়াজের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৫৫ টাকায়। নতুন পিয়াজের দাম প্রতি কেজি ৩৫ টাকা। রকমভেদে কাঁচামরিচ প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৮০ টাকায়। এ ছাড়া ভালো মানের আদা ও রসুন ১৮০ থেকে ২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে।

বাজারে বেশকিছু চাষের মাছ ওঠায় দাম কমতে দেখা গেছে। চাষের কই, তেলাপিয়া, পাঙ্গাশ বিক্রি হচ্ছে ১৭০ থেকে ২০০ টাকার মধ্যে। এ ছাড়া রুই, কাতলা কার্প জাতীয় চাষের মাছ ২৬০ থেকে ২৮০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। তবে খুব একটা হেরফের হয়নি দেশি জাতের মাছগুলোর দামে।
মাছ বিক্রেতা আব্দুল খালেক বলেন, সরবরাহের কারণে এখন মাছের দাম কম। সব ধরনের চাষের মাছের দাম ২০ থেকে ৫০ টাকা কমেছে।

এ ছাড়া অপরিবর্তিত রয়েছে মাংসের দাম। প্রতি কেজি গরুর মাংস ৭০০ থেকে ৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ব্রয়লার মুরগি ১৭০ থেকে ১৮০ টাকায় বিক্রি হয়। এ ছাড়া লেয়ার ২৮০ থেকে ৩০০ টাকা এবং দেশি মুরগি ৫৫০ থেকে ৬০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে ।



আরও খবর



বাবার চরিত্রে অভিনয়ের প্রশ্নে যা বললেন শাহরুখ

প্রকাশিত:Sunday ০৫ February ২০২৩ | হালনাগাদ:Tuesday ০৭ February ২০২৩ |
Image

ভক্তদের সঙ্গে শাহরুখের যোগাযোগের একটাই মাধ্যম, টুইটার। শনিবার টুইটারে 'আস্ক এসআরকে' সেশনে ধরা দিলেন শাহরুখ। হালকা মেজাজে, খোলামেলা আড্ডায় মাতলেন ভক্তদের সঙ্গে। তাদের বিভিন্ন প্রশ্নের  পাল্টা জবাব দেন শাহরুখ। বলেন, 'তিনি হিরো ছিলেন, আছেন, থাকবেন।'

সাতান্ন বছরের 'তরুণ' এই অভিনেতাকে একজনের প্রশ্ন, 'আপনি কি এভাবেই হিরোর চরিত্রেই অভিনয় করবেন, নাকি কোনো দিন নায়ক-নায়িকার বাবার চরিত্র করার পরিকল্পনাও রয়েছে?' আর তাতেই রসিকতা করে বাদশাহ জবাবে লেখেন, 'তুই বাপ হ আমি হিরোর চরিত্রেই ঠিক আছি।

শনিবারের 'আস্ক এসআরক'-এ সেশনে, শাহরুখের কাছে জানতে চাওয়া হয় 'পাঠান'-এর মোট আয়ের পরিসংখ্যান। তাকেও ফেরাননি শাহরুখ। উত্তর দিয়ে লেখেন, 'ভালোবাসা ৫ হাজার কোটি ছড়িয়ে গিয়েছে, ৩ হাজার কোটি প্রশংসা, ৩২৫০ কোটি হাগ, ২০০০ কোটি হাসি এখনও গণনা চলছে। তোমার অ্যাকাউন্ট্যান্ট কী বলছেন?'

'পাঠান' ঘিরে উন্মাদনা নজিরবিহীন। প্রেক্ষাগৃহের বাইরে এই ছবি দেখার ঢল। শাহরুখ অভিনীত ছবিটি লম্বা রেসের ঘোড়া, বলেছেন সিনেমা বিশেষজ্ঞরা। ৪ বছর পর শাহরুখ পর্দায় ফিরেছেন বলেই শুধু নয়, ৭ দিনে বক্স অফিসে ৭০০ কোটি টাকার ব্যবসা করেছে 'পাঠান', যা বলিউডে বছরের সেরা ব্লকবাস্টার হিসাবে গণ্য হতে চলেছে।


আরও খবর



মোংলায় বিশ্ব জলাভূমি দিবসে বক্তারা

দূষণ ও দখলের কবল থেকে ম্যানগ্রোভ জলাভূমি সুন্দরবনকে বাঁচাও

প্রকাশিত:Thursday ০২ February 2০২3 | হালনাগাদ:Tuesday ০৭ February ২০২৩ |
Image

এম.পলাশ শরীফ, বাগেরহাট :

 প্লাস্টিক এবং শিল্প দূষণ ও দখলের কবল থেকে বিশ্ব ঐতিহ্য ম্যানগ্রোভ জলাভূমি সুন্দরবনকে বাঁচাও। পরিবেশের ভারসাম্য, জীববৈচিত্র, কৃষি, মৎস্যসহ খাদ্য নিরাপত্তার অবিচ্ছেদ্য অংশ হলো জলাভূমি। বাংলাদেশে জীববৈচিত্রের ক্ষেত্রে সমৃদ্ধ উদাহারণ হলো সুন্দরবন। প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময়ে এই সুন্দরবন আমাদের মায়ের মতো আগলে রাখে। বিশ্ব ঐতিহ্য ম্যানগ্রোভ জলাভূমি সুন্দরবনসহ দেশের সকল জলাভূমি রক্ষায় সরকারকে যথাযথ উদ্যোগ নিতে হবে। ২ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার দুপুরে বিশ্ব জলাভূমি দিবস উপলক্ষে  মোংলার কাপালিরমেঠ বিলে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা), ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশ ও পশুর রিভার ওয়াটারকিপারের আয়োজনে ”সুন্দরবন বাঁচাও” শীর্ষক মানববন্ধনে বক্তারা একথা বলেন।

বৃহস্পতিবার বেলা ১২টায় বিশ্ব জলাভূমি দিবসের ”সুন্দরবন বাঁচাও” শীর্ষক মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন বাপা মোংলা আঞ্চলিক শাখার আহ্বায়ক মোঃ নূর আলম শেখ। মানবন্ধনে বক্তব্য রাখেন বাপা নেতা নাজমুল হক, রাকেশ সানা, শেখ রাসেল, হাছিব সরদার, ছবি হাজরা প্রমূখ। মানববন্ধনে বক্তারা আরো বলেন সম্প্রতি ব্রাজিলের তিনটি বিশ্ববিদ্যালয় , বাংলাদেশের দুটি বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশ পরমানু শক্তি কমিশনের ফুড সেফটি এন্ড কোয়ালিটি ডিভিশনের এক যৌথ গবেষণায় সুন্দরবন সংলগ্ন পশুর নদী, মোংলা নদী ও রূপসা নদীর ১৭ প্রজাতির মাছ মাইক্রো প্লাস্টিকের সংক্রমিত হওয়ার ভয়াবহ তথ্য বেরিয়ে এসেছে। প্লাস্টিক দূষণের ফলে সামুদ্রিক মাছ এখন হুমকির মুখে। আর মাইক্রো প্লাস্টিকে সংক্রমিত মাছ খেলে লিভার ও কিডনি ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে মানুষ ক্যান্সারে আক্রান্ত হবে। ”সায়েন্স অব দ্য টোটাল এনভায়রনমেন্ট” জার্নালে প্রকাশিত গবেষণা থেকে এসব তথ্য জানা যায়।  তাই দূষণ ও দখলের কবল থেকে বিশ্ব ঐতিহ্য ম্যানগ্রোভ জলাভূমি সুন্দরবন পুনরুদ্ধারের এটাই সময়। সুন্দরবনের খালে বিষ দিয়ে মাছ মারা, নদীতে প্লাস্টিক বর্জ্য ফেলা ও শিল্প দূষণের কবল থেকে সুন্দরবন রক্ষার আমাদের দৃঢ় অঙ্গীকার ও শপথ নিতে হবে। 


আরও খবর