Logo
শিরোনাম

রেমালের তাণ্ডবে বিপর্যস্ত খুলনা

প্রকাশিত:সোমবার ২৭ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

 ডিজিটাল ডেস্ক:


ঘূর্ণিঝড় রেমাল খুলনার উপকূলে আঘাত হেনেছে। রোববার (২৬ মে) রাত সাড়ে ১০টার পর থেকে খুলনার উপকূলে তাণ্ডব চালিয়ে যাচ্ছে। ঝড়ো বৃষ্টির সঙ্গে বইছে দমকা হাওয়াও।


খুলনা আবহাওয়া অফিসের ইনচার্জ আবহাওয়াবিদ মো. আমিরুল আজাদ গণমাধ্যমকে বলেন, ঘূর্ণিঝড় রেমাল রাত সাড়ে ১০টায় খুলনাসহ উপকূলে আঘাত হানতে শুরু করে।


 এখনও তাণ্ডব চলছে। কয়রা উপকূলে ১০০ কিলোমিটার বাতাসের গতিবেগ রয়েছে। আর খুলনার অন্যান্য স্থানে ঘণ্টায় ৬৫ কিলোমিটার বেগে বাতাস বইছে। সঙ্গে বৃষ্টি হচ্ছে। আরও ২-৩ ঘণ্টা এভাবে চলবে।



তিনি বলেন, জোয়ারের সময়ে ৮ থেকে ১০ ফুট উচ্চতায় জলোচ্ছ্বাস হতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে। এতে নিন্মাঞ্চল প্লাবিত হতে পারে।


এদিকে ঘূর্ণিঝড়ে আতঙ্কগ্রস্থ হয়ে সাইক্লোন শেল্টারে নদীর তীরবর্তী ও বিভিন্ন  গ্রামগুলোর সাধারণ মানুষ আশ্রয়ণ কেন্দ্রগুলোতে অবস্থান নিচ্ছেন।



বটিয়াঘাটার জলমা সিএসএস এর স্থাপনার দায়িত্বরত সাব এ্যাসিস্টেন ইঞ্জিনিয়ার অনূপ কুমার পাল বলেন, এখানে ২০০ মানুষ আশ্রয় নিতে পারবে। জলমা এলাকার শতাধিক মানুষ আশ্রয় নিয়েছে। রাত যত গভীর হচ্ছে মানুষ ততোই আসছে। আগতদের জন্য শুকনো খাবার ও পানির ব্যবস্থা করা হয়েছে। জনপ্রতিনিধিরাও খোঁজ নিচ্ছেন।


খুলনার জেলা প্রশাসক খন্দকার ইয়াসির আরেফীন বলেন, ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলার জন্য খুলনার ৬০৪টি সাইক্লোন শেল্টার প্রস্তুত রাখা হয়েছে। ইতোমধ্যে ১ লাখের বেশি মানুষ আশ্রয় কেন্দ্রে এসেছেন। তাদের জন্য শুকনো খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। 


আরও খবর



গাবতলী হাটের আকর্ষণ পাকিস্তানের উট-মিরপুরের দুম্বা

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

রাজধানীতে যতগুলো স্থানে পশুর হাট বসেছে তার মধ্যে গাবতলী অন্যতম। প্রত্যেক বছর এই হাটে চোখ থাকে ক্রেতাদের। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। হাটে এবছরের আকর্ষণ পাকিস্তান থেকে আনা উট আর মিরপুরের বিভিন্ন আকৃতির দুম্বা। এসব প্রাণী দেখতে দূর-দূরান্ত থেকে আসা ক্রেতারা ভিড় করছেন এ হাটে।

শুক্রবার (১৪ জুন) বিকেলে গাবতলীর পশুর হটে গিয়ে ক্রেতাদের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। তবে এখনও সেভাবে পশু কেনাকাটা শুরু হয়নি বলে দাবি করেছেন বিক্রেতারা। তবে বাজারের আকর্ষণ হিসেবে ইতোমধ্যে সাড়া ফেলেছে পাকিস্তান থেকে আনা দুটি উট।

সরেজমিনে দেখা গেছে, বিশাল আকৃতির উট দুটি দেখতে ভিড় করছেন ক্রেতারা। সাধারণ মানুষের ভিড়ের কারণে অন্য ব্যবসায়ীরা কিছুটা বিরক্ত। তবে আজ সন্ধ্যা পর্যন্ত একটি উটও বিক্রি করা যায়নি।

অন্যদিকে, রাজধানীর মিরপুর থেকে দুটি দুম্বা আনা হয়েছে গাবতলীতে। লোকজন এসে দুম্বা দেখে দাম করে চলে যাচ্ছে। আবার কেউ কেউ দামও বলছে। তবে এখনও সেই দুম্বাগুলো বিক্রি করা যায়নি।

উটের দায়িত্বে থাক পলাশ নামে এক কিশোর জানান, আপাতত উটের দায়িত্বে আমি আছি। উটগুলো পাকিস্তান থেকে আনা হয়েছে। এর বাইরে আমি আর কিছু বলতে পারব না।

উটের দাম প্রসঙ্গে এই কিশোর জানায়, বড় উটের দাম ২৮ লাখ টাকা আর ছোট উটের দাম ২৬ লাখ টাকা। এর মধ্যে এক ক্রেতা বড় উট নিতে ২১ লাখ টাকা পর্যন্ত দাম বলেছেন। কিন্তু আমাদের লাভ না থাকায় বিক্রি করা সম্ভব হয়নি। ছোট উটের দাম এখন কেউ বলেনি।

দুইটি দুম্বা নিয়ে গাবতলীতে এসেছেন ব্যবসায়ী বেলাল হোসেন। তিনি বলেন, মিরপুর-১ নম্বরে দুম্বার খামার আছে। এই খামার থেকে আমি দুম্বাগুলো কিনে এনেছি। দুইটি দুম্বার দাম দিয়েছি ৭ লাখ টাকা। কিন্তু ক্রেতারা এখন পর্যন্ত ৪ লাখ থেকে সাড়ে ৪ লাখ টাকা দাম বলছে।


আরও খবর



সন্দেহভাজন সরকারি কর্মকর্তাদের তালিকা তৈরি হচ্ছে

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০২ জুলাই 2০২4 | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image



আবুল খায়ের:


তালিকা তৈরি হচ্ছে সরকারি কর্মকর্তাদের

ভোল পালটে, পরিচয় গোপন করে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীতে ঘাপটি মেরে বসেছে রাজাকার, আলবদর ও আলসামসের কর্মকর্তাদের সন্তান-স্বজনরা।



 ছাত্র অবস্থায় শিবির ও ছাত্রদল করেছেন, এমন অনেকেই এখন বড় আওয়ামী লীগার। আবার অনেকে পিতার নামে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সার্টিফিকেট বানিয়ে নিয়ে সরকারের কাছ থেকে সর্বাধিক সুযোগ-সুবিধাও নিয়েছেন। 



তারা একদিকে অনৈতিকভাবে অর্থ উপার্জন করছেন, অন্যদিকে দেশে-বিদেশে তথ্য ফাঁস করছেন সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে। প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকে এই কাজ করছেন অনেকে। তারা পদোন্নতি ও সুযোগসুবিধা পাচ্ছেন। তথ্য গোপন করে সুযোগসুবিধা গ্রহণকারী সরকারি কর্মকর্তাদের তালিকা করছেন একাধিক গোয়েন্দা সংস্থা। 



এছাড়া মন্ত্রণালয় থেকে অধিদপ্তর এবং মাঠ পর্যায় পর্যন্ত স্ব স্ব প্রশাসন এসব সুবিধাভোগী রাজাকারের পোষ্যদের চিহ্নিত করতে কাজ করছে। এদিকে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ‘ছাগলকাণ্ডের’ মতিউর সম্পর্কে তথ্য অনুসন্ধানে কাজ শুরু করেছে।



ছাগলকাণ্ডের পর ড. মতিউর রহমানের হাজার হাজার কোটি টাকার সম্পদ দেশে-বিদেশে থাকার তথ্য বেরিয়ে আসে। মতিউর এনবিআরে থাকা অবস্থায় হাজার হাজার কোটি টাকা কামিয়েছেন। অনেক দলীয় নেতা, বড় বড় ব্যবসায়ী, আমলা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কিছু সদস্য, স্থলবন্দর-বিমানবন্দর দিয়ে স্বর্ণ চোরাচালানকারী ছাড়াও যারা হাজার হাজার কোটি টাকার অবৈধ মালামাল এনেছেন, তারা মতিউর দ্বারা উপকৃত হয়েছেন। 



হাজার হাজার কোটি টাকার কর ফাঁকি দেওয়া ব্যবসায়ীরাও উপকৃত হয়েছেন মতিউরের দ্বারা। তাই তাকে বাঁচানোর জন্য অনেকেই মরিয়া হয়ে উঠেছেন। ইতিমধ্যে সুবিধাভোগীদের দ্বারা ‘মতিউর রক্ষা কমিটি’ গঠিত হয়ে গেছে। 



কারণ মতিউর রক্ষা না পেলে অনেকেই ফেঁসে যাবেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের ছাত্র ছিলেন মতিউর। এই বিভাগের ছাত্ররা সরকারের অর্থনৈতিক বিভাগের অনেক গুরুত্বপূর্ণ পদে রয়েছেন। এই গ্রুপটাও মতিউরকে বাঁচানোর জন্য চেষ্টা করছে। ছাত্রাবস্থায় মতিউর ছাত্র শিবির করতেন, পরবর্তীতে ভোল্ট পালটিয়ে আওয়ামী লীগার হয়ে যান। 



এভাবে বিরোধী মতাদর্শীরা নব্য আওয়ামী লীগার সেজে অর্থ-বিত্তের মালিক বনে যাচ্ছেন। প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীতে অসংখ্য মতিউর রয়েছেন। রাজাকার, ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার পোষ্যসহ দলবাজ, হাইব্রিড ও বিতর্কিতরা এখন নজরদারিতে রয়েছেন। 


জানা গেছে, চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী থেকে হোমিওপ্যাথিক বোর্ডের চেয়ারম্যান হয়ে হাজার হাজার কোটি টাকার মালিক হয়েছেন ডা. দিলীপ কুমার রায়। তার বিরুদ্ধে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না। এটা নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা হচ্ছে। 



এর মধ্যে আওয়ামী লীগের একটি আলোচনাসভায় দলের এক শীর্ষ নেতার বক্তব্যের সময় তার পেছনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে ডা. দিলীপ কুমার রায়কে। এটি আরও বেশি সমালোচনার জন্ম দিয়েছে দলের মধ্যে এবং দলের বাইরে। একই সঙ্গে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অনেক শীর্ষ কর্মকর্তা বলেন, সরকারের অর্জন বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত। একজন দুর্নীতিবাজের জন্য এই অর্জন ম্লান হবে তা কারো কাম্য নয়।



রাজাকার, আলবদর ও আলসামসের কর্মকর্তাদের সন্তান-স্বজনদের ব্যাপারে সরকারকে সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দিয়ে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা বলেন, তারা সরকারের জন্য বিপজ্জনক। তাদের বিরুদ্ধে জরুরি ব্যবস্থা নিতে হবে।



 রাজাকারের সন্তান-স্বজনদের কারণে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সৎ নিষ্ঠাবান কর্মকর্তারা কাজ করতে পারছেন না। প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীতে রাজাকারের সন্তান-স্বজনদের দাপট বেশি। একজন পিয়ন পর্যন্ত কোটি কোটি টাকার মালিক। 



অবৈধ অর্থ-সম্পদের মালিক বনে যাওয়া অনেক আমলা রয়েছেন। তাদের তালিকা হয়েছে। আমলাসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ২৫২ জন কর্মকর্তা বিদেশে বিপুল অর্থ পাচার করেছেন, তাদেরও তালিকা করা হয়েছে। 



এই তথ্য সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। এদিকে রাজাকার পরিবারের সন্তান-স্বজনদের দাপটে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা পরিবার ও ত্যাগী নেতার পরিবারের সন্তানরা প্রশাসন এবং দলে কোণঠাসা হয়ে পড়েছেন। রাজাকার পরিবারের সন্তান-স্বজনরা অনেক নেতাকে প্রতি মাসে উৎকোচ দিয়ে টিকে আছে। তথ্য পাচার করার কারণে ইতিমধ্যে একজন পুলিশের চাকরি চলে গেছে।


প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা বলেন, সরকারের ভেতরে থেকে রাজাকার-আলবদরের পোষ্যরা সরকারের বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্র লিপ্ত। কেউ কেউ এমপি হয়েছেন। সর্বাধিক সুযোগ-সুবিধা পেয়ে আসছেন। 




আরও খবর



পরীমনির সঙ্গে সম্পর্কে চাকরি হারাচ্ছেন পুলিশ কর্তা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

চলচ্চিত্র অভিনেত্রী পরীমনির সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কের কারণে এবার চাকরি হারাচ্ছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গোলাম সাকলায়েন শিথিল।

পরীমনির সঙ্গে সম্পর্কের সময় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) গুলশান বিভাগের এডিসির দায়িত্বে ছিলেন সাকলায়েন।

পরীমনির সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কের বিষয়টি সামনে আসার পর প্রথমে তাকে পাবলিক অর্ডার ম্যানেজমেন্টে (পিওএম) বদলি করা হয়। পরে তাকে ঝিনাইদহ ইনসার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হিসেবে বদলি করা হয়।

শৃঙ্খলা শাখার প্রতিবেদনে বলা হয়, নায়িকা পরীমনির সঙ্গে পুলিশ কর্মকর্তা সাকলায়েনের ঘটনাক্রমে দেখা হয় এবং যোগাযোগ আরম্ভ হয়। এরই ধারাবাহিকতায় নায়িকা পরীমনির বাসায় নিয়মিত রাতযাপন করতে শুরু করেন সাকলায়েন। বিভিন্ন সময়ে (দিনে ও রাতে) পরীমনির বাসায় সাকলায়েন অবস্থান করেছেন বলে মোবাইলের ফরেনসিক রিপোর্ট দেখে প্রমাণ পাওয়া যায়। পুলিশ অধিদপ্তরের এলআইসি শাখার দেওয়া তার ফোনের সিডিআর বিশ্লেষণ অনুযায়ী ০৪/০৭/২০২১ থেকে ০৪/০৮/২০২১ পর্যন্ত তিনি বিভিন্ন সময়ে (দিনে ও রাতে) পরীমনির বাসায় অবস্থান করেছেন। পরীমনির মোবাইলের ফরেনসিক রিপোর্ট (সিআইডি কর্তৃক মামলার আলামত হিসেবে জব্দকৃত) পর্যালোচনায় দেখা যায়, তার ও পরীমনির আদান-প্রদানকৃত মেসেজসমূহ (২৯ জুলাই ২০২১ থেকে ৩ আগস্ট ২০২১ পর্যন্ত) সামসুন্নাহার স্মৃতি ওরফে পরীমনির ফেসবুক আইডি ও গোলাম সাকলায়েন সিথিল নামে ফেসবুক মেসেঞ্জারে কথোপকথন এবং তাদের হোয়াটসআ্যাপ নম্বরে (১১ জুলাই, ২০২১ থেকে ৪ আগস্ট ২০২১ পর্যন্ত) কথোপকথন সাধারণ পরিচিতি বা পেশাগত প্রয়োজনে স্থাপিত কোনো সম্পর্কের নয়। বরং অনৈতিক প্রেমের সম্পর্ক।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২১ সালের ১ আগস্ট ভোর ৬টা থেকে ২ আগস্ট রাত ৩টা পর্যন্ত রাজারবাগ মধুমতি পুলিশ অফিসার্স কোয়ার্টার্সে নায়িকা পরীমনির যাতায়াতের ধারণকৃত সিসিটিভি ফুটেজের ফরেনসিক প্রতিবেদন বিশ্লেষণে ও সাক্ষীদের জবানবন্দি অনুযায়ী প্রতীয়মান হয় যে, ১ আগস্ট সাকলায়েনের পূর্ব পরিকল্পনা ও সম্পূর্ণ জ্ঞাতসারে তার স্ত্রী না থাকা অবস্থায় নায়িকা পরীমনি তার রাজারবাগের সরকারি বাসায় যান এবং প্রায় ১৭ ঘণ্টা সেখানে অবস্থান করে ২ আগস্ট রাত ১টা ৩০ মিনিটে বাসা ত্যাগ করেন।

তার ও নায়িকা পরীমনির সম্পর্কের বিষয়টি বিভিন্ন অনলাইন ও প্রিন্ট মিডিয়ায়, টেলিভিশনে ও বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে এবং যার ফলে জনমনে এ বিষয়ে নানারূপ বিরূপ প্রতিক্রিয়া ও সমালোচনার জন্ম দেয়। সাকলায়েন বাংলাদেশ পুলিশের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা হয়ে সরকারি দায়িত্বের বাইরে নায়িকা পরীমনির সাথে অতিমাত্রায় ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক স্থাপন করেছিলেন।

সাকলায়েন বিবাহিত ও এক সন্তানের বাবা হওয়া সত্ত্বেও পরীমনির সঙ্গে তার বিবাহবহির্ভূত অনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন, পরীমনির সঙ্গে জন্মদিন উদযাপন ও নিজের সরকারি বাসভবনে নিজ স্ত্রীর অবর্তমানে সময় কাটানোর মতো ঘটনা বিভিন্ন প্রচারমাধ্যমে প্রচারিত হওয়ায় সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে। উল্লিখিত অভিযোগে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা হয়।

তদন্ত প্রতিবেদন ও অন্যান্য প্রাসঙ্গিক তথ্যাদি পর্যালোচনাপূর্বক অভিযুক্ত কর্মকর্তাকে দোষী সাব্যস্ত করে তার বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর ৩(খ) বিধি অনুযায়ী অসদাচরণ-এর অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় একই বিধিমালার বিধি ৪-এর উপবিধি ৩(ঘ) বিধি মোতাবেক গুরুদণ্ডের আওতায় কেন তাকে চাকরি হতে বরখাস্তকরণ করা হবে না, সে মর্মে ২য় কারণ দর্শানো নোটিস প্রদান করা হয়।

সাকলায়েনের বিভাগীয় মামলার তদন্ত প্রতিবেদন, সাক্ষীদের জবানবন্দি, অভিযুক্তের আত্মপক্ষ সমর্থনমূলক লিখিত জবাব, মৌখিক বক্তব্য ও অন্যান্য কাগজপত্রাদি পুনরায় বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয়। সার্বিক পর্যালোচনাস্তে ২য় কারণ দর্শানোর জবাব সন্তোষজনক বিবেচিত না হওয়ায় সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর ৩(খ) বিধি অনুযায়ী ‌অসদাচরণ-এর অভিযোগে অভিযুক্ত কর্মকর্তা গোলাম সাকলায়েনকে বিধি ৪-এর উপ-বিধি ৩(খ) বিধি মোতাবেক গুরুদণ্ড হিসেবে চাকরি থেকে বাধ্যতামূলক অবসর প্রদান-এর প্রাথমিক সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।


আরও খবর



রাজধানীতে বিএনপির সমাবেশ ও আ.লীগের পাল্টা কর্মসূচি আজ

প্রকাশিত:শনিবার ২৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image



বর্তমান টুডেস রিপোর্ট:


খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে রাজধানীতে শান্তিপূর্ণ বড় সমাবেশ করার প্রস্তুতি নিয়েছে বিএনপি।


আজ  শনিবার (২৯) বেলা ৩টায় রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে এই সমাবেশ হবে। একই সময়ে বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে আওয়ামী লীগ পাল্টা কর্মসূচি দিয়েছে। 


প্রায় আট মাস পর দলীয় প্রধানের মুক্তির দাবিতে বিএনপি এ কর্মসূচি নিয়েছে। সমাবেশে ঢাকা মহানগর ও জেলা ছাড়াও আশপাশের জেলা থেকেও নেতা-কর্মীরা যোগ দেবেন বলে দলীয় সূত্র জানা গেছে।



দলীয় সূত্র জানা গেছে, দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে অনেক দিন পর কর্মসূচি দেওয়া হয়েছে। এ কারণে সমাবেশটি বড় করতে সাংগঠনিক প্রস্তুতি নিচ্ছেন নেতারা।



বর্তমানে ঢাকা মহানগরে বিএনপির কোনো কমিটি নেই। তাই কেন্দ্রীয় বিএনপির ব্যানারে এই সমাবেশ হবে। দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এতে প্রধান অতিথি থাকবেন।


 সভাপতিত্ব করবেন স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। সমাবেশে দলের জ্যেষ্ঠ নেতারা বক্তব্য দেবেন। 


এদিকে, দলের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে তারা শনিবার বিকালে বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে দলীয় কার্যালয়ের সামনে আলোচনা সভা করবে। 


আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এতে প্রধান অতিথি থাকবেন।


সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, আওয়ামী লীগ হঠাৎ করেই শুক্রবার বিকালে আলোচনা সভার কর্মসূচি ঘোষণা করে। প্রতিষ্ঠার প্লাটিনাম জুবিলি উপলক্ষে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হলেও এ বিষয়ে আগে থেকে কোনো সিদ্ধান্ত ছিল না বলে দলীয় সূত্র জানা গেছে।






আরও খবর



সিলেট-সুনামগঞ্জে ফের বন্যার আশঙ্কা

প্রকাশিত:শনিবার ২৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

বৃষ্টিপাত কমায় গত কিছুদিন ধরে দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের প্রধান নদ-নদীর পানি ক্রমাগতভাবে কমে বন্যা পরিস্থিতি প্রায় স্বাভাবিক হয়ে এসেছিল। কিন্তু আগামী ৭২ ঘণ্টায় দেশের অধিকাংশ জায়গায় ভারী বর্ষণে সিলেট-সুনামগঞ্জে ফের বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র এ তথ্য জানিয়েছে।

এতে বলা হয়, ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদ-নদীর পানির সমতল স্থিতিশীল আছে, যা আগামী ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। গঙ্গা-পদ্মা নদীর পানির সমতল বাড়ছে, যা আগামী ৪৮ ঘণ্টা পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে।

আবহাওয়া সংস্থাসমূহের তথ্য অনুযায়ী, দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও তৎসংলগ্ন উজানে আগামী ২৪ ঘণ্টায় মাঝারি থেকে ভারী এবং আগামী ৪৮ থেকে ৭২ ঘণ্টায় ভারি থেকে অতিভারি বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস রয়েছে। ফলে এ সময় দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের নদী সমূহের পানিসমতল বৃদ্ধি পেতে পারে।

এ ছাড়া আগামী ৪৮ থেকে ৭২ ঘণ্টায় উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সুরমা, কুশিয়ারা, পুরাতন-সুরমা, সারিগোয়াইন নদীর পানিসমতল দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলার কতিপয় নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদী বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি করতে পারে।

এদিকে, শনিবার (২৯ জুন) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এবং তৎসংলগ্ন উপকূলীয় এলাকায় লঘুচাপ বিরাজ করছে। মৌসুমি বায়ুর অক্ষ বিহার, কেন্দ্রস্থল এবং বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল হয়ে উত্তর-পূর্ব দিকে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরের অন্যত্র প্রবল অবস্থায় রয়েছে।

এ অবস্থায় রংপুর, ময়মনসিংহ, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং ঢাকা, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের অনেক জায়গায় বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও ভারী বর্ষণ হতে পারে।

পাউবোর এক বার্তায় বলা হয়েছে- দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের প্রধান নদ-নদীগুলোর পানি সামগ্রিকভাবে কমছে জানিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, আবহাওয়া সংস্থাগুলোর তথ্যানুযায়ী, পূর্বাঞ্চল ও তৎসংলগ্ন উজানে আগামী সাতদিন মাঝারি থেকে ভারী এবং কখনো কখনো ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। ফলে, এসময়ে দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের নদীর পানি বাড়তে পারে। চলতি মাসের শেষভাগ থেকে আগামী মাসের প্রথমভাগ নাগাদ উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলার নদীগুলোর (সুরমা, কুশিয়ারা, পুরাতন-সুরমা, সারিগোয়াইন ইত্যাদি) পানি দ্রুত বেড়ে নিম্নাঞ্চলে বিপৎসীমা অতিক্রম করে স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি করতে পারে।

দেশের উত্তরাঞ্চলের নদীগুলোর পানি কমছে ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদ-নদীর পানি বর্তমানে স্থিতিশীল আছে। আগামী তিনদিন পর্যন্ত পানি স্থিতিশীল থাকতে পারে। পরবর্তীতে আগামী জুলাই মাসের শুরু থেকে পানি বাড়তে পারে এবং জুলাই মাসের প্রথম সপ্তাহের শেষ ভাগ নাগাদ সতর্কসীমায় পৌঁছাতে পারে। এ সময় দেশের উত্তরাঞ্চলের নদীগুলোর স্বাভাবিক প্রবাহ বিরাজমান থাকতে পারে। তবে ভারী বৃষ্টিপাতের পরিপ্রেক্ষিতে এ অঞ্চলের তিস্তা, ধরলা, দুধকুমার নদীর পানি সময় বিশেষে দ্রুত বাড়তে পারে।

গঙ্গা-পদ্মা নদীর পানি স্থিতিশীলভাবে বাড়ছে। আগামী সাতদিন, গঙ্গা-পদ্মা নদীর পানি স্থিতিশীলভাবে বৃদ্ধি অব্যাহত থাকতে পারে। এ সময় বিপৎসীমা অতিক্রম করে বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ।

দক্ষিণ-পূর্ব পার্বত্য অববাহিকা অঞ্চলের নদ-নদীগুলোর পানি স্বাভাবিক প্রবাহ বিরাজমান আছে। আবহাওয়া সংস্থাগুলোর তথ্যানুযায়ী, আগামী সাতদিন দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও তৎসংলগ্ন উজানে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস রয়েছে। ভারী বৃষ্টিপাতের পরিপ্রেক্ষিতে এসময়ে এ অঞ্চলের নদীগুলোর পানি সময় বিশেষে দ্রুত বাড়তে পারে।

 


আরও খবর