Logo
শিরোনাম

রূপগঞ্জের চনপাড়া বস্তিতে হাত বাড়ালেই মাদক

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৮ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৮ নভেম্বর ২০২২ |
Image

 নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে চনপাড়া বস্তিতে ২০০ মাদকের ডিলার রয়েছে। প্রতি সন্ধ্যায় এই বস্তিতে বসে মাদকের হাট। পুলিশ ও প্রশাসন সূত্রে এ তথ্য পাওয়া গেছে। বস্তিতে প্রতি মাসে প্রায় আড়াই থেকে তিন কোটি টাকার মাদক বিক্রি হয়। আর মাসে ১০ লাখ টাকা বখরা হিসেবে পায় পুলিশ। উপজেলার কায়েতপাড়া ইউনিয়ন এলাকায় এই চনপাড়া বস্তি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাজধানী ঢাকার সীমানায় এই বস্তির অবস্থান। বস্তিতে প্রায় ৮০ হাজার মানুষের বাস। এখানে মাদক বেচাকেনা চলে প্রকাশ্যে। রূপগঞ্জ, সিদ্ধিরগঞ্জ ও রাজধানীর ডেমরা, সারুলিয়া, যাত্রাবাড়ীসহ বিভিন্ন এলাকার মানুষ বস্তিতে আসে মাদক সেবন করতে। মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ নিয়ে প্রায়ই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। স্থানীয় প্রশাসন এখানকার মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণে নিতে বরাবরই ব্যর্থ হয়েছে। মাদকের হাটখ্যাত চনপাড়া বস্তি থেকে থানা পুলিশ, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতা, প্রভাবশালীরা নিয়মিত বখরা পায়। মাদক কারবারকে কেন্দ্র করে গত তিন মাসে কমপক্ষে শতাধিক বাড়িতে লুটপাট হয়েছে হত্যা ধর্ষণ আর লুট-- চনপাড়া বস্তির নিয়মিত ঘটনা চনপাড়ার বেশিরভাগ মানুষের অভিযোগ ইউপি সদস্য প্যানেল মেয়র বজলুর রহমানের দিকে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে মাদক ব্যবসা করে শত কোটি টাকার মালিক বনে গেছেন বজলুর রহমান

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, সন্ধ্যা ঘনিয়ে এলে চনপাড়ায় কোলাহল শুরু হয়। এ রমরমা আসর চলে গভীর রাত পর্যন্ত। এখানে ফেরি করে বিভিন্ন ধরনের মাদক বিক্রি করা হয়।

এলাকাবাসী জানায়, ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জ জেলার সীমান্তবর্তী শীতলক্ষ্যা ও বালু নদীর মোহনায় চনপাড়া পুনর্বাসন কেন্দ্র। বায়ান্ন বাজার তেপ্পান্ন গলিখ্যাত চনপাড়ায় প্রবেশ ও বের হওয়ার পথ রয়েছে অনেক। একদিকে পুলিশ প্রবেশ করলে মাদকসেবীরা অন্য পথ দিয়ে বের হয়ে যায়। এখানে দিনমজুর, ঠেলাগাড়িচালক, রিকশাচালক, ফেরিওয়ালা, গার্মেন্ট শ্রমিকের পাশাপাশি পেশাদার খুনি, ছিনতাইকারী, অজ্ঞান পার্টির সদস্যরা বাস করে।

পুলিশ, এলাকাবাসী, মাদকসেবী ও কয়েকজন মাদক ব্যবসায়ীর তথ্যমতে ২০০ ব্যক্তি মাদক ব্যবসা করে।

ভুক্তভোগীরা বলছেন, থানায় অভিযোগ দিলে তাদের উপর অত্যাচারের মাত্রা আরও বাড়ে তাই তারা থানায় কোন অভিযোগ দেন না


আরও খবর

কর্মবিরতিতে নৌযান শ্রমিকরা

রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২




মোড়েলগঞ্জে ভুল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ, ক্লিনিক সিলগালা

প্রকাশিত:শনিবার ২৯ অক্টোবর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

 এম. পলাশ শরীফ, নিজস্ব প্রতিবেদক ঃ 

বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জে রোগীর মৃত্যুর ঘটনায় একটি বেসরকারি ক্লিনিক সিলগালা করা হয়েছে। শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টার দিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলম গ্রীন লাইফ হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারটি সিলগালা করে দেন। উপজেলা হাসপাতালের অদূরে সদ্য চালু হওয়া এ সাইনবোর্ডবিহীন ক্লিনিকটির কোন রেজিষ্ট্রেশন বা অনুমোদন নেই।

জানা গেছে, শুক্রবার বিকেল ৫ টার দিকে আশরাফ আলী শেখ(৮০) নামে ভর্তি থাকা এক রোগীর ভুল চিকিৎসায় মৃত্যু হয়েছে এমন অভিযোগে নির্বাহী কর্মকর্তা মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ক্লিনিকটি বন্ধ করে দেন। উপজেলা হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. আহাদ নাজমুল হাসান ও ডা. রেজওয়ানা মেহজাবীন বর্না এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

নির্বাহী কর্মকর্তার উপস্থিতি টের পেয়ে ক্লিনিকের পরিচালক কচুয়া উপজেলা হাসপাতালের স্বাস্থ্য সহকারী মো. রিয়াদুল ইসলাম সোহাগ, কর্তব্যরত চিকিৎসক, নার্স সকলে ক্লিনিক ফেলে পালিয়ে যান। ভুল চিকিৎসায় মৃত আশরাফ আলী শেখের ছেলে ইমরাজ শেখ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে দেয়া লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করেন, বৃহস্পতিবার রাতে তার বাবাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সাবেক কর্মকর্তা বর্তমানে ভান্ডারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার কর্মকর্তা ডা. কামাল হেসেন মুফ্তি’র তত্বাবধানে চিকিৎসার জন্য ওই ক্লিনিকে ভর্তি করেন। শুক্রবার দুপুরের দিকে ওই ক্লিনিকের সেবিকা তার বাবাকে ইনজেকশন দিলে সে অসুস্থ হয়ে মারা যান।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষার পরেও ক্লিনিকের কোন কর্মকর্তা প্রকাশ্যে না আসায় সেখানে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। এ সময় ওই ক্লিনিকে ভর্তি থাকা দু'জন রোগীকে নিকটস্থ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

মোবাইল টিমে অংশ নেয়া উপজেলা হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. আহাদ নাজমুল হাসান জানান, এ ক্লিনিকটি সম্পূর্ণ অনুমোদনবিহীন, এছাড়া একটি ক্লিনিক পরিচালনার জন্য যে সব শর্ত পূরণ করতে হয় তার কোন কিছুই এখানে নেই।

এ বিষয়ে ক্লিনিক মালিক মো. রিয়াদুল ইসলাম সোহাগের ০১৯১১-৬৪৮০৭০ নম্বরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। 


আরও খবর



নওগাঁয় ফসলি জমিতে পুকুর খনন, রক্ষা পাচ্ছেনা পরিবেশ রক্ষাকারী বাগান

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৮ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টারঃ


উত্তরাঞ্চলের অন্যতম বৃহৎ খাদ্য ভান্ডার খ্যাত নওগাঁর মহাদেবপুরে ধানী, ভিটা ও বাগানের জমিতে পুকুর খনন অব্যাহত থাকলেও রহস্যজনক কারনে প্রশাসন রয়েছে নিরব। উপজেলায় গত দু'দশকে পুকুর খননে ফসলি জমি কমছে প্রায় দের হাজার হেক্টর। এক শ্রেণীর পরিবেশ বিবর্জিত ও সমাজ বিরোধী মাটি ব্যাবসায়ী এলাকার সহজ সরল মানুষকে নানা প্রলোভনে পুকুর খননে উৎসাহিত করছে। অভিযোগ রয়েছে, গত ২৮ অক্টোবর সকালে মহাদেবপুর উপজেলার ভীমপুর ইউনিয়নের দঃ লক্ষীপুর গ্রামের অতুল কবিরাজ ও প্রতুল কবিরাজ সহ তাদের ভাইদের পূর্বের একটি পুকুর এর পার্শ্বে ভিটা-মাটিতে থাকা বিশাল একটি আম বাগান কাটার পাশাপাশি ভিকু মেশিনের মাধ্যমে পুকুর খনন শুরু করেন। ঘটনাটি স্থানিয়রা সংবাদকর্মীদের জানালে সংবাদকর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আম বাগান কেটে পুকুর খননের দৃশ্য দেখতে পেয়ে মুঠোফোনে ঘটনাটি উপজেলা প্রশাসন ও স্থানিয় ইউনিয়ন ভূমি অফিসকে জানান।  

সুত্র জানায়, নওগাঁ সদর উপজেলার বলিহার এলাকার জৈনক শাহিন আলম ও তার কিছু সহযোগী সহ মহাদেবপুর উপজেলার আরো উপজেলার ১৪/১৫ জন ব্যক্তি পুকুর খনন ও মাটি ক্রয়-বিক্রয় ব্যবসায় জড়িত রয়েছে। এসব মাটি ব্যবসায়ীরা আমন মৌসুমে কৃষকের ধান ঘরে তোলার আগেই মহাদেবপুর উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম ঘুরে ঘুরে সহজ সরল মানুষদের নানা ভাবে উৎসাহিত করছে যে, তাদের জমিতে ধান চাষ না করে পুকুর খনন করলে "ধান চাষের চেয়ে" বেশি লাভবান হওয়া যাবে। এমন নানা প্রলোভনে পড়ে গ্রামের সাধারন মানুষ বা কৃষকরা তাদের প্রলোভনে পড়ে তিন ফসলি জমি সহ এমনকি ভিটামাটি বা বাগানেও পুকুর খননে উৎসাহীত হচ্ছে। আর মাটি ব্যবসায়ীদের ভিকু মেশিন দিয়ে মাটি কেটে সেই মাটি ইট ভাটা সহ বিভিন্ন স্থানে চড়ামূল্যে বিক্রি করছেন। যার ফলে এ উপজেলায় কমে যাচ্ছে দিন দিন ফসলি মাটি, বাড়ছে পুকুর।বিগত কয়েক বছর ধরে আবাদী বা ভিটা মাটি সহ বাগান থেকে পুকুর খনন অব্যহত থাকলেও অজ্ঞাত কারণে সংশ্লিষ্ট আইন প্রয়োগকারী কর্তা ব্যাক্তিগন নিরব দর্শকের ভুমিকা থাকছে।

সুত্র মতে, উপজেলার ১০ ইউনিয়নে আমন ধান কেটে নেয়ার পরে ফাঁকা জমিতে শুরু হয় পুকুর খননের মহা-উৎসব। এবারও উপজেলার বিভিন্ন ফসলের মাঠে পুকুর খননে বিগত বছর গুলোর ধারা বাহিকতা অব্যাহত রেখেছে মাটি ব্যবসায়ীরা। মাটি ব্যবসায়ীদের খপ্পরে পড়ে একদিকে তিন ফসলের জমি কমছে। অপর দিকে বৃক্ষ নিধনের মাধ্যমে পরিবেশ ধংশের পাশাপাশি মাটি পরিবহনে ব্যবহৃত ট্রাক্টর (কাঁকড়া) এবং ১০ চাকার ডাম্পার ট্রাক অবৈধ ভাবে জেলার আঞ্চলিক মহা সড়ক সহ গ্রামীন সড়কগুলো ব্যাবহার করায় একটিকে হচ্ছে সড়ক নষ্ট অপরদিকে বাড়ছে দূর্ঘটনা, সাধারন মানুষেরও বাড়ছে দূর্ভোগ। ট্রাক্টর বা ড্রাম ট্রাক যোগে "মাটি না ঢেকে" বহনের কারনে সড়ক দূর্ঘটনায় মাত্র কিছু দিনের ব্যবধানে ৪ জন শিক্ষক/শিক্ষিকা, স্বামী-স্ত্রী ও বাবা-ছেলে সহ আরো কয়েক জনের মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় এবং মাটিবাহী অবৈধ্য ট্রাক্টর বন্ধ সহ বৈধ্য বাহন যোগে মাটি ঢেকে বহনের দাবিতে এলাকার সচেতন সমাজ ও প্রথম সংবাদ বন্ধু ফোরাম এর উদ্যোগে মহাদেবপুর উপজেলার চৌমাশিয়া "নওহাটামোড়" বাজারে কিছুদিন পূর্বে পরপর দু'  বার মানব বন্ধন কর্মসূচি পালন করেন।


অপর দিকে অতিরিক্ত মাটি ভর্তি যানবাহন চলাচলে লোকাল রাস্তা গুলোর পিচ-পাথর উঠে যাওয়ায় দিন দিন এলাকাবাসীর দুর্ভোগ বাড়ছে। দেশের খাদ্য চাহিদা পুরনে সহায়ক হিসেবে ধান চাষের পাশাপাশি রবিশষ্য উৎপাদনে তিন ফসলি জমিতে পুকুর খননে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিষেধাজ্ঞা অমান্য হচ্ছে এ উপজেলায়। উপজেলা কৃষি অধিদপ্তরের একটি সূত্র জানায়, ৩৯৭ দশমিক ৬৭ বর্গ কিঃমিঃ আয়োতনের এ উপজেলায় ৩০৭টি মৌজা এবং ২৯৮ টি গ্রামে ৩০ হাজার ৩৫০ হেক্টর তিন ফসলি কৃষি আবাদী জমি রয়েছে। সূত্র মতে উপজেলার ১০ ইউনিয়নে গত দু'দশকে পুকুর খননের ফলে তিন ফসলি জমি কমছে প্রায় দের হাজার হেক্টর। পুকুর খননের ফলে প্রায় দের হাজার হেক্টর তিন ফসলের জমি কমছে এর সত্যতা অস্বীকার করে উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ মোমরেজ আলী বলেন এ পরিসংখ্যানে ত্রুটিপূর্ণ। মহাদেবপুর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভুমি) নুসরাত জাহান সাংবাদিকদের বলেন, সরকারি নীতিমালা লংঘন করে পুকুর খননের বিষয়টি তিনি গুরুত্ব সহকারে দেখবেন। স্থানীয় সচেতন মহলের মতে তিন ফসলের জমিতে যে ভাবে পুকুর খনন শুরু হয়েছে তাতে করে উত্তরাঞ্চলের অন্যতম খাদ্য ভান্ডার খ্যাত নওগাঁ জেলা দ্রুত খাদ্য ঘাটতিতে পরার আশংকা রয়েছে। এই জেলা খাদ্য ঘাটতিতে যাতে না পরে এ বিষয়ে নওগাঁ জেলা প্রশাসক, মহাদেবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার, সহকারী কমিশনার (ভুমি) এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন সচেতন মহল।


আরও খবর



মোরেলগঞ্জে কৃষকের মাঝে কৃষি প্রণোদনা বিতরণ

প্রকাশিত:রবিবার ১৩ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

এম.পলাশ শরীফ, নিজস্ব প্রতিবেদক  :

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে ১শ’ কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে সার, বীজ কৃষি প্রণোদনা বিতরণ করা হয়েছে। রোববার উপজেলা কৃষি অধিদপ্তরের উদ্যোগে ২০২২-২০২৩ অর্থ বছরের রবি মৌসুমে এ সার বীজ বিতরণী আনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান এ্যাড. শাহ-ই আলম বাচ্চু।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তৃতা করেন উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ আকাশ বৈরাগী। আলোচনা শেষে পৌরসভার সহ ১৪টি ইউনিয়নে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় ক্ষুদ্র প্রান্তিক ১শ’ কৃষকদের মাঝে জনপ্রতি বিঘায় ১ কেজি সরিষা বীজ, ১০ কেডি ডি এপি ও ১০ কেজি এমওপি সার বিতরণ করা হয়।

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ আকাশ বৈরাগী বলেন, রবি মৌসুমে এ উপজেলায় ১৭৬০ জন কৃষকদের মাঝে কৃষি প্রণোদনা পর্যায়ক্রমে বিতরণ করা হবে। #


আরও খবর



তুমব্রুতে সেনা কর্মকর্তা নিহত

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৫ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির তমব্রু সীমান্তে র‍্যাব ও ডিজিএফআইয়ের যৌথ মাদকবিরোধী অভিযানে সন্ত্রাসীদের সঙ্গে সংঘর্ষে ডিজিএফআইয়ের একজন কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন র‍্যাবের একজন সদস্য। সোমবার মধ্যরাত রাত ১টায় আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের পক্ষ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আইএসপিআর জানায়, র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন ও প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তর যৌথভাবে মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনার সময় মাদক কারবারিদের সঙ্গে তুমব্রু সীমান্ত এলাকায় গোলাগুলি হয়। এসময় সন্ত্রাসীদের গুলিতে দায়িত্বরত অবস্থায় শহীদ হন ডিজিএফআইয়ের একজন কর্মকর্তা। তিনি বিমান বাহিনীতে কর্মরত ছিলেন। সংঘর্ষে আহত র‍্যাব সদস্যকে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। তবে আহত কিংবা নিহতদের পরিচয় এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে জানায়নি আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর।


আরও খবর

কর্মবিরতিতে নৌযান শ্রমিকরা

রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২




আড়াই মাস আগে নিখোঁজ মিনা পারভীনের সন্ধান চান তার বিধবা মা

প্রকাশিত:সোমবার ৩১ অক্টোবর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রির্পোটারঃ

দীর্ঘ আড়াই মাসেও সন্ধান মেলেনি নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলার হাট-চকগৌরী "গোয়ালবাড়ী" গ্রাম নিজ বাসা থেকে নিখোঁজ হওয়া (মানসিক প্রতিবন্ধি) মোছাঃ মিনা পারভীন (২৭) এর।  মেয়ে মিনা পারভিন কে ফিরে পেতে তার বিধবা মা মঞ্জুআরা বেওয়া (৬১) ও মিনা পারভিনের বড় ভাই আব্দুস সালাম (৪০) খেয়ে না খেয়ে দিশেহারা অবস্থায় হন্য হয়ে খুজছেন মিনা পারভিনকে। ছোট বোন মিনা পারভিন নিখোঁজের ঘটনায় গত ৩১ শে জুলাই নওগাঁর মহাদেবপুর থানায় একটি নিখোঁজ জিডি করেছেন বড় ভাই আব্দুস সালাম। জিডি নং ১৪৩৫। নিখোঁজ মিনা পারভিনের বিধবা মা মঞ্জুআরা জানান, আমার মেয়ে ৫ শ্রেনীতে লেখাপড়ার সময় ১২ বছর বয়সে তার হঠাৎ করেই ব্রেনে সমস্যা দেখা দেয়। তখন থেকে চিকিৎসা করা হলেও মেয়ে আর স্বাভাবিক হয়ে ওঠেননি। তবে, মিনা পারভিন মানসিক প্রতিবন্ধি হলেও তার চলাফেরা ও কথা বার্তা ভালো সহজে কারো সাথে খারাপ আচড়ন করেনা। কিন্তু সুযোগ পাইলেই বাড়ি থেকে বের হয়ে যেত বলেও জানান তার মা।মিনা পারভিনের বড় ভাই জানান, ঘটনার কিছু দিন পূর্বেও সে নিখোঁজ হয়, খোঁজাখুজি করাকালে ৬ দিন পর বাড়িতে ফিরে আসলেও এবার আড়াই মাসেও ছোট বোন মোছাঃ মিনা পারভিন আর বাড়িতে ফিরে আসেনি। মিনা পারভিনের গায়ের রং শ্যমলা, তার উচ্চতা ৫ ফুট ৩ ইঞ্চি। গত ১৫ জুলাই সকাল ১০ টারদিকে সে নিজ বাড়ি থেকে বের হয়ে যাওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত নিখোঁজ রয়েছেন জানিয়ে সর্বসাধারনের প্রতি তার অনুরোধ, আপনারা যদি আমার (মানসিক প্রতিবন্ধি)  ছোট বোন মিনা পারভিন কে কোথাও দেখতে পান দয়াকরে ০১৭৩৯- ৬০৪২৪২ আমার মোবাইল নম্বরে জানাবেন প্লিজ, অথবা মহাদেবপুর থানা বা আপনাদের নিকটস্থ থানায় জানানোর জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।


আরও খবর