Logo
শিরোনাম

সাফ চ্যাম্পিয়ন নারী ফুটবলার কৃষ্ণা রাণী সরকার বিপাকে

প্রকাশিত:শনিবার ০১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

বিডি টু ডে ডেস্ক:


সাফ চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলের খেলোয়াড় কৃষ্ণা রাণী সরকার অনেক দিন ধরে ইনজুরিতে পড়ে ছিলেন। 


জাতীয় দলের হয়ে মাঠে নামতে না পারলেও ক্লাব লিগে খেলেছেন নাসরিন স্পোর্টস একাডেমির হয়ে। তার পায়ের পাতায় সমস্যা। ঢাকায় ডাক্তার দেখানোর পরও পুরোপুরি পূর্ণসুস্থ হচ্ছিলেন না তিনি। 


পায়ের আঙ্গুল শুকিয়ে আসছিল। এর মধ্যে লিগেও খেলেছেন, চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন। গোল করেছিলেন তিনি। 


কিন্তু সম্প্রতি কৃষ্ণা তার ফেসবুকে একটি পোষ্ট দিয়ে, অভিযোগ তুলেছিলেন যে, বাফুফের কাছ থেকে বিদেশে চিকিৎসায় সহায়তা পাচ্ছিলেন না। তার এই হতাশার কথা প্রকাশ করে বিপদে রয়েছেন কৃষ্ণা। 


তার যে সমস্যা সেটি নিরাময়ের জন্য উন্নত দেশে চিকিৎসা দরকার, একথা নাকি বিসিবির ডাক্তার দেবাশীষ চৌধুরী জানিয়েছিলেন। 


পায়ের চিকিৎসক দেখানোর পরামর্শ দিয়েছিলেন তিনি। অন্তত পক্ষে ভারতে গিয়েও ডাক্তার দেখানো হলেও ভালো হতো। কিন্তু সেটিও নাকি পাননি কৃষ্ণা। তাকে বিদেশে চিকিৎসা করাতে যেতে হলে অর্থের প্রয়োজন।


 সেটি কে দেবে। বাফুফের নারী ফুটবল কমিটির দায়িত্ব এটি। কিন্তু সেটি করা হয়নি। কৃষ্ণা রাণী যখন তার সমস্যার কথা ফেসবুকে লিখেছেন তা দেখে চটে গেছে বাফুফে। 


দ্রুতই কৃষ্ণার জন্য ব্যাপারে উদ্যোগ নেওয়া হবে বাফুফের সাধারণ সম্পাদক ইমরান হোসেন তুষার সংবাদ মধ্যমকে জানিয়েছেন এবং কৃষ্ণা কেন অভিযোগ করেছেন তার জবাব চাইবে বাফুফে। বিপাকেই পড়েছেন কৃষ্ণা। 


আরও খবর



সব বাড়ির মালিককে করের আওতায় আনতে নতুন পরিকল্পনা

প্রকাশিত:শনিবার ২২ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ |

Image

বিডি টুডে রিপোর্ট:

সিটি করপোরেশনের অধীনে বাড়ির মালিকদের বেশির ভাগেরই নেই করদাতা শনাক্তকরণ নম্বর (টিআইএন)।

 অভিযোগ আছে, করযোগ্য আয় থাকার পরও আয়কর রিটার্ন জমা দেন না তারা। এতে কয়েক হাজার কোটি টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার। এখন তাদের কর ফাঁকি রোধ ও করযোগ্য ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানকে করের আওতায় আনতে নতুন পরিকল্পনা নিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। 

জানা গেছে, এনবিআরের পরিকল্পনার অংশ হিসেবে সরকারি-বেসরকারি অন্তত ১৬টি প্রতিষ্ঠানের সিস্টেমে আন্তঃসংযোগ স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ২০২৫ সালের মধ্যে ২৫ শতাংশ, ২০৩১ সালের মধ্যে ৫০ শতাংশ এবং ২০৪১ সালের মধ্যে শতভাগ আন্তঃসংযোগ স্থাপনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

তথ্য বলছে, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন ও নারায়ণগঞ্জ শহর এলাকায় বিদ্যুত্ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের (ডিপিডিসি) বর্তমান গ্রাহক সংখ্যা ১০ লাখ ২১ হাজার। এর মধ্যে মাত্র ৩ লাখ ৬৫ হাজার ব্যক্তির টিআইএন রয়েছে।

 ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কম্পানি লিমিটেডের (ডেসকো) বর্তমান গ্রাহকসংখ্যা ১২ লাখ ৪০ হাজার। তাদের আয়করের বিষয়ে সঠিক তথ্য পাওয়া না গেলেও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করেন, করজালের বাইরে আছেন অন্তত ৬০-৭০ শতাংশ গ্রাহক। 

এসব এলাকায় বিদ্যুতের গ্রাহক মানেই তারা সবাই বাড়ি বা ফ্ল্যাটের মালিক। অর্থাত্ বাড়ির মালিক হওয়া সত্ত্বেও আয়কর রিটার্ন বা আয়কর দেন না তারা। এটা মাঠ পর্যায়ে সেবা প্রদানকারী মাত্র দুটি সংস্থার চিত্র। সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে গ্রাহকসেবা দিচ্ছে এমন ডজনখানেক সংস্থা। আয়কর কর্মকর্তাদের দাবি, এসব গ্রাহক প্রতি বছর হাজার হাজার কোটি টাকার কর ফাঁকি দিচ্ছেন।

এই রাজস্ব ফাঁকি রোধে এনবিআর তাদের সব সিস্টেমের সঙ্গে তৃতীয় পক্ষ হিসেবে বিদ্যুত্ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ডিপিডিসি ও ডেসকো, বিআরটিএ, প্রধান আমদানি ও রপ্তানি নিয়ন্ত্রকের দপ্তর (সিসিআইঅ্যান্ডই), ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টার (এনটিএমসি), বিডা, বেপজা, বেজা, বিজিএমইএ, বিকেএমইএ, বাংলাদেশ ব্যাংক, আইবাস, বিভিন্ন তফসিলি ব্যাংক, সিটি করপোরেশন, ভূমি মন্ত্রণালয় ও বিটিআরসিকে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

এ প্রসঙ্গে এনবিআরের ঊর্ধ্বতন একজন কর্মকর্তা বলেন, সেবাগ্রহীতাদের প্রযুক্তিনির্ভর সেবা, নির্ভুল তথ্য আদান-প্রদানের মাধ্যমে রাজস্ব ফাঁকি প্রতিরোধ ও রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রার হার কয়েক গুণ বৃদ্ধির পরিকল্পনা রয়েছে। এ জন্য সরকারি ও বেসরকারি ১৬টি সংস্থার সিস্টেমে আন্তঃসংযোগ স্থাপন করা হবে। 

এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা গেলে করজাল আরো বড় হবে এবং রাজস্ব আদায় বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে। বর্তমান ১ কোটি টিআইএন খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে দুই থেকে তিন গুণ হয়ে যাবে। বাংলাদেশ সরকার ও বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় দ্রুতই এ কার্যক্রম শুরু হবে। শুধু বিদ্যুত্, গ্যাস আর সিটি করপোরেশনের ডাটাবেইসের সঙ্গে আন্তঃসংযোগ করতে পারলেই অন্তত ২ কোটি করদাতা বেরিয়ে আসবেন বলে ধারাণা করছে এনবিআর।

 মূলত আয়কর, ভ্যাট, আমদানি-রপ্তানি ও আবগারি শুল্ক আহরণের কার্যক্রম প্রযুক্তিনির্ভর পরিবীক্ষণ, মূল্যায়ন ও নিয়ন্ত্রণ করতেই এমন পরিকল্পনার পথে হাঁটছে এনবিআর।

করের আওতা বাড়াতে গত কয়েক বছরে বিপুলসংখ্যক ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে টিআইএনের আওতায় এনেছে এনবিআর। এ জন্য সরকারি-বেসরকারি ৪৪টি সেবার বিপরীতে রিটার্ন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। যার ইতিবাচক প্রভাব হিসেবে বর্তমানে টিআইএনধারীর সংখ্যা কোটি ছাড়িয়েছে। পাশাপাশি করের আওতা বাড়াতে ও কর ফাঁকি বন্ধ করতে মোটরযান ও নৌযান নিবন্ধন, সব ধরনের ট্রেড লাইসেন্স এবং ঠিকাদার তালিকাভুক্তি কিংবা নবায়নে আয়কর রিটার্ন বাধ্যতামূলক করতে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়, নৌপরিবহন এবং বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে ২০২২ সাল থেকে চিঠি চালাচালি করে আসছে এনবিআর।

আয়কর আইন-২০২৩ অনুযায়ী ই-টিআইএন থাকলে রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক। অর্থাৎ দাখিল না করার সুযোগ নেই। কিন্তু অনেকেই আয় গোপন ও কর পরিহারের উদ্দেশ্যে রিটার্ন দাখিল থেকে বিরত থাকছেন। সর্বশেষ তথ্যানুসারে দেশে টিআইএনধারীর সংখ্যা ১ কোটি ছাড়িয়েছে। যার মধ্যে আয়কর রিটার্ন দাখিল করেছেন ৪১ লাখ ৪৫ হাজার ব্যক্তি।


আরও খবর



নারায়ণগঞ্জে জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে চারতলা ভবন ঘিরে রেখেছে পুলিশ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০২ জুলাই 2০২4 | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডেস ডেস্ক:


নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের বরপা আড়িয়াবো এলাকায় জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে সৌদি প্রবাসী জাকির হোসেনের চারতলা বাড়ি ঘেরাও করে রেখেছে অ্যান্টিটেরোরিজম ইউনিটসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।



বিষয়টি নিশ্চিত করে অ্যান্টি টেরোরিজম ইউনিটের আরেক পুলিশ সুপার (মিডিয়া অ্যান্ড অ্যাওয়ারনেস) মাহফুজুল আলম রাসেল জানান, কিছুক্ষণের মধ্যে সেখানে অভিযান পরিচালনা করা হবে। অভিযান শেষে বিস্তারিত জানানো হবে।



এটিইউয়ের ধারণা, নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন আনসার-আল ইসলামের তিন-চারজন সদস্য ভবনের তিনতলায় অবস্থান করছে।


অ্যান্টিটেরোরিজম ইউনিট ঢাকার পুলিশ সুপার (অপারেশন) সানোয়ার হোসেন জানান, গত ৫ জুন নরসিংদী থেকে ১ জন জঙ্গি আটক করা হয়। গতকাল সোমবার (১ জুলাই) কক্সবাজার থেকে ১ নারীকে আটক করা হয়। 



তার দেওয়া তথ্য মতে, রূপগঞ্জে বরপা আড়িয়াবো এলাকায় সৌদি প্রবাসী জাকিরের চারতলা বাড়িতে একাধিক জঙ্গি থাকার কথা রয়েছে বলে তারা ধারণা করছেন। 


সেজন্য মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে পুরো বাড়ি ঘেরাও করে রেখেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। ভিতরে তল্লাশি চলছে। এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করা যায়নি।



আরও খবর



তুফানের ‘মুণ্ডু কাটা’ দৃশ্য সংশোধন

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

পবিত্র ঈদুল আজহায় প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে শাকিব খান অভিনীত সিনেমা তুফান। এরই মধ্যে সিনেমাটির বিরুদ্ধে বেশ কিছু অভিযোগ উঠেছে। সর্বশেষ সিনেমাটির মুণ্ডু কাটা দৃশ্য নিয়ে তৈরি হয় আলোচনা। এবার ভয়ঙ্কর সেই দৃশ্য অস্পষ্ট করা হলো।

সংবাদমাধ্যমে মুণ্ডু কাটা দৃশ্য নিয়ে সংবাদ প্রকাশের পরই সমালোচনা করেন চলচ্চিত্রসংশ্লিষ্ট অনেকেই। স্পর্শকাতর দৃশ্যগুলো অস্পষ্ট করে সিনেমা প্রদর্শনের নিয়ম। ব্লার না করে প্রদর্শন না করায় কেউ কেউ আঙুল তুলেন চলচ্চিত্র সেন্সর বোর্ডের দিকেও।

বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়, সেন্সর বোর্ডের পক্ষ থেকে দৃশ্যটি ব্লার করার কথা মৌখিকভাবে বলা হয়েছিল। কিন্তু নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করেই ভয়ঙ্কর দৃশ্যটি প্রচার করা হয়। এতে করে অনেক শিশু ও নারী ভয়ে আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়েন।

রবিবার কয়েকটি প্রেক্ষাগৃহে খবর নিয়ে জানা যায়, সিনেমার সেই মুণ্ডু কাটা দৃশ্য ব্লার করে তুফান সিনেমা প্রদর্শন করা হচ্ছে।

প্রসঙ্গত, রায়হান রাফি পরিচালিত ৮ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত তুফান সিনেমা এখন প্রেক্ষাগৃহে হাউজফুল চলছে। ঈদে মুক্তি পাওয়া ৫টি সিনেমার মধ্যে দর্শক আগ্রহের শীর্ষে রয়েছে সিনেমাটি।


আরও খবর



চলেই গেলো বিদ্যুতে দগ্ধ ফাহিমা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

চাঁদপুর জেলা প্রতিনিধি :

রাজধানীর শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনিস্টিটিউটের আইসিইউতে টানা ৮ দিন চিকিৎসা শেষে পরপারে পাড়ি জমালেন কিশোরী ফাহিমা(১২)। এর আগে  গত ২৪ জুন সোমবার দুপুরে নিজ ভাড়া বাসায় বিদ্যুতাযিত হযে দগ্ধ হন ফাহিমা। ঘটনাটি  চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ পৌরসভাধীন প্রফেসর পাড়ার সানা ডাক্তারের বাসার তৃতীয় তলায়। এতে ফাহিমার শরীরের ৯০ শতাংশ পুড়ে গেছে। গত মঙ্গলবার (২ জুলাই) রাতে ফাহিমাকে  দাফন করা হয়।  সে ঐ ভবনের ভাড়াটিয়া আবুল কালামের ছেলে। 


খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সানা ডাক্তারের বাসার তৃতীয় তলার একটি ফ্লাটে ফাহিমা তার বাবা মাযের সাথে বসবাস করতো। এ দিন দুপুরে ঐ বাড়িতে বিকট শব্দ শুনে স্থানীয়রা দৌড়ে তৃতীয় তলার বারান্ধায় ছুটে যান। এ সময় দেখা যায় ফাহিমার শরীর থেকে বিদ্যুতে দগ্ধ হওয়ার কারনে ধোঁয়া উঠছে।তাৎক্ষনিক স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে সেথান থেকে তাকে রাজধানীর শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনিস্টিটিউটে রেফার করা হয়। স্থানীয়রা আরো জানান, বাসার সাথে হাই ভোল্টেজের বিদ্যুৎ লাইন রয়েছে। সেখান থেকেই দুর্ঘটনাবশত বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ফাহিমা হয়ে কিশোরী দগ্ধ হন।

এ বিষয়ে হাজীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ আব্দুর রশিদ জানান, দুর্ঘটনার বিষয়টি আমরা শুনেছি।


আরও খবর



'নাটোরে বাচ্চুর ওপর আক্রমণ হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে’ : রিজভী

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডেস ডেস্ক:



নাটোর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক শহীদুল ইসলাম বাচ্চুর ওপর প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে আক্রমণ করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন দলটির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।



 তিনি বলেন, আমি মনেক করি, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশেই বাচ্চুর ওপর আক্রমণ করা হয়েছে। কারণ, বিএনপি নেতাদের রক্ত দেখলে প্রধানমন্ত্রী খুব আনন্দিত হন, তিনি খুব খুশি হন।




বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) গুরুতর আহত বাচ্চুকে দেখতে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে যান রিজভীসহ দলটির নেতা-কর্মীরা। সেখানেই তিনি সাংবাদিকদের কাছে এ অভিযোগ করেন।



রিজভী বলেন, শহীদুল ইসলাম বাচ্চু বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ। গোটা উত্তরাঞ্চলে তাকে এক নামেই সবাই চেনেন। জেলার একজন প্রধান নেতা, তার গায়ে এমন আদিম বন্য হিংস্রতায় আক্রমণ করা হয়েছে। তার হাত-পা, মুখ ক্ষতবিক্ষত করে, তাকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিয়েছে আওয়ামী লীগের নেতা এবং সেখানকার এমপি শিমুল সাহেব (শফিকুল ইসলাম শিমুল)।


তিনি আরও বলেন, খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে একটি শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে বর্বর হামলা করা হয়েছে। এই হামলা শুধু কাপুরুষোচিতই নয়, এটি আওয়ামী লীগের দুঃশাসনের আরও একটি রক্তাক্ত উদাহরণ।


প্রসঙ্গত, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি ও সুচিকিৎসার দাবিতে গতকাল বুধবার সকালে নাটোর জেলা বিএনপির কার্যালয়ে সমাবেশ ছিল। সমাবেশে যোগ দিতে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক শহিদুল ইসলাম বাচ্চু কার্যালয় যাচ্ছিলেন। 



এ সময় শহরের সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে কয়েকজন লোক তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে পালিয়ে যায়। এতে তার পা-হাতসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর রক্তাক্ত জখম হয়।


পরে বাচ্চুকে উদ্ধার করে নাটোর আধুনিক সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন চিকিৎসক। এরপর তাকে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে আনা হয়।


আরও খবর