Logo
শিরোনাম

সাইবার স্পেসে ঢুকে গেছে মানবপাচারকারীরা

প্রকাশিত:শনিবার ৩০ জুলাই ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ |
Image

রোকসানা মনোয়ার : সাম্প্রতিক সময়ে ফেসবুক ও টিকটকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে মানবপাচার বেড়েছে। বিশেষ করে মহামারি করোনাকালে এই প্রবণতা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।

দেশের অর্থগুলোও তারা অবৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলে পাচার করছে। মানবপাচার রোধে পাচারকারীদের শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি বিশ্বের উন্নত দেশগুলোকে মানবপাচার রোধে এগিয়ে আসতে হবে।

শনিবার (৩০ জুলাই) হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে ‘বিশ্ব মানবপাচার প্রতিরোধ দিবস’ উপলক্ষে আইওএম (আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা) আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন বক্তারা।

অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে মানবপাচার দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। আমরা প্রযুক্তির ব্যবহার করে মানবপাচার রোধ করতে পারি।

মানবপাচার প্রতিরোধে চারটি পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, সচেতনতা বৃদ্ধি, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর যথাযথ পদক্ষেপ ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলো চিহ্নিত করে মানবপাচারকারীদের সনাক্ত ও অভিযান পরিচালনা করতে হবে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, মানবপাচার প্রতিরোধে শূন্য সহিষ্ণু নীতি দেখাচ্ছে সরকার।

এ সময় রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে আসাদুজ্জামান খান বলেন, বাংলাদেশের জন্য বোঝা হয়ে দাড়িয়েছে রোহিঙ্গারা। বাংলাদেশ চায় তাদের নিরাপদ প্রত্যাবর্তন।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার রবার্ট চ্যাটার্টন ডিকশন বলেন, প্রযুক্তি ব্যবহার করে যেমন পাচারকারীরা তাদের কাজ করছে, আমরাও প্রযুক্তি ব্যবহার করে এর বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে পারি।

মহামারির কারণে পাচারের সংখ্যা বেড়ে গেছে জানিয়ে তিনি বলেন, অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেরও পাচার অন্যতম সমস্যা। পাচার রোধে আমরা বাংলাদেশকে বিভিন্নভাবে সাহায্য ও পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছি। আমরা প্রায় ৩০ হাজার নারীকে অবৈধভাবে পাচার রোধে প্রশিক্ষণ দিয়েছি।

বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত নাথালি চুয়ার্ড বলেন, মানবপাচার রোধে সুইজারল্যান্ড সরকার ও বাংলাদেশ সরকার গত ১২ বছর ধরে একসঙ্গে কাজ করছে। সোশ্যাল মিডিয়ার কারণে পাচার বেড়েছে। তবে আমরাও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করে পাচার রোধ করতে পারি।

আইওএম’র বাংলাদেশি অভিবাসনের প্রতিনিধি প্রধান আব্দুস সাত্তার ইসোভ বলেন, করোনার সময় থেকে মানবপাচাকারীরা প্রযুক্তি ব্যবহার করে পাচারে আরও বেশি সক্রিয় হয়েছে। প্রযুক্তি ব্যবহার করে আমাদেরও পাচার প্রতিরোধে কাজ করতে হবে। তবে এটি একার পক্ষে সম্ভব নয়, সম্মিলিত প্রচেষ্টায় মানবপাচার ঠেকানো সম্ভব।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. আখতার হোসেন বলেন, বাংলাদেশ সপ্তম দেশ হিসেবে বৈদেশিক মুদ্রা আয় করছে। প্রযুক্তির ফলে সহজে অপরাধীরা পাচারের জন্য মানুষকে খুঁজে পায়, প্রযুক্তি ব্যবহার করে আমাদেরও উচিত তাদের বিরুদ্ধে কাজ করা। অবশ্য মানবপাচারবিরোধী বিভিন্ন কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে সরকার।



আরও খবর

পঞ্চগড়ে নৌকা ডুবে ২৪ জন নিহত

রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২

এবার ৩২ হাজার মণ্ডপে দুর্গাপূজা

রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২




বর্ণাঢ্যময় জীবনের অধিকারী আকবর আলি খান

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ |
Image

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে তিনি হবিগঞ্জের মহুকুমা প্রশসাক বা এসডিও ছিলেন। যুদ্ধকালীন সক্রিয়ভাবে মুজিবনগর সরকারের সঙ্গে কাজ করেন। মুক্তিযুদ্ধকালে পাকিস্তান সরকার দেশদ্রোহিতার অভিযোগে তার বিচার করে। তিনি ১৪ বছর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছিলেন।

দেশ স্বাধীন হওয়ার পর আকবর আলি খান সরকারি চাকরি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকতার সঙ্গে যুক্ত হন। ২০০৬ সালে তিনি রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদের নেতৃত্বাধীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের একজন উপদেষ্টা ছিলেন। পরবর্তীতে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্পন্ন না হবার আশঙ্কায় তিনি তিনজন উপদেষ্টার সঙ্গে পদত্যাগ করেন।

আকবর আলি খান ১৯৪৪ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে জন্মগ্রহণ করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগ থেকে ১৯৬৪ সালে সম্মান ও ১৯৬৫ সালে মাস্টার্স সম্পন্ন করেন দুটিতেই প্রথম শ্রেণিতে প্রথম হয়ে।সরকারি চাকরিতে যোগদানের পূর্বে আকবর আলি খান কিছু সময়ের জন্য শিক্ষকতা করেন।

১৯৬৭-৬৮ মৌসুমে তিনি লাহোরের সিভিল সার্ভিস একাডেমিতে যোগ দেন। প্রশিক্ষণ শেষে ১৯৭০ সালে হবিগঞ্জ মহুকুমার এস. ডি. ও. হিসেবে পদস্থ হন। তিনি তার এলাকায় সুষ্ঠুভাবে ১৯৭০-এর নির্বাচন পরিচালনা করেন।

মুক্তিযুদ্ধ শুরুর আগের অসহযোগ আন্দোলনে আকবর আলি খান সমর্থন দেন। পাকিস্তান বাহিনীর আক্রমণ শুরু হলে হবিগঞ্জ পুলিশের অস্ত্র সাধারণ তিনি মানুষের মধ্যে বিতরণ করে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন এবং মুক্তিযুদ্ধে অণুপ্রাণিত করেন।

আকবর আলি খান স্বাধীন বাংলাদেশের জন্য তহবিল তৈরি করতে ব্যাংকের ভল্ট থেকে প্রায় তিন কোটি টাকা উঠিয়ে ট্রাকে করে আগরতলায় পৌছে দেন। তিনি মুক্তিযোদ্ধাদের খাদ্য যোগান দেওয়ার জন্য গুদামঘর খুলে দেন এবং পরবর্তী সময়ে আগরতলায় চলে যান। ১৯৭১-এর ডিসেম্বরে স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার দেশে প্রত্যাবর্তন করেন এবং সচিবালয়ে সংস্থাপন মন্ত্রণালয়ে যোগ দেন।

১৯৭৩ সালে তিনি চাকরি ছেড়ে শিক্ষকতায় যোগদানের সিদ্ধান্ত নেন। আকবর আলি খান তার পদত্যাগপত্র জমা দিলেও শেখ মুজিবর রহমান তা গ্রহণে অস্বীকৃত জানান। তাকে অবসর না দিয়ে শিক্ষকতা করার জন্য ছুটি দেওয়া হয়।

কমনওয়েলথ বৃত্তির জন্য মনোনীত হওয়ার আগে তিনি অল্প সময়ের জন্য জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেন। বৃত্তির জন্য তিনি কানাডার কুইন্স বিশ্ববিদ্যালয়এ যোগ দেন এবং সেখানে অর্থনীতি বিভাগে মাস্টার্স এবং পি. এইচ. ডি. ডিগ্রি অর্জন করেন।

১৯৭৯ সালে দেশে ফেরত আসার পরে অল্প সময়ের মধ্যেই আকবর আলি খান জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি লাভ করেন। তাকে আবারও প্রশাসনের মন্ত্রীপরিষদ বিভাগে যোগ দেওয়ার জন্য আহ্বান জানানো হয়।

১৯৮৪ সালে তিনি সাভারের বিপিএটিসি-তে মেম্বার ডাইরেক্টিং স্টাফ হিসেবে যোগ দেন। ১৯৮৭ সালের আগ পর্যন্ত তিনি পল্লী উন্নয়ন বোর্ড, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় এবং কর্মকমিশন সচিবালয়ে কাজ করেন।

ওয়াশিংটনের বাংলাদেশ দূতাবাসে অর্থমন্ত্রী পদে যোগ দেন আকবর আলি খান। ঢাকায় ফিরে তিনি অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংকিং বিভাগে অতিরিক্ত সচিব পদে যোগ দেন।  ১৯৯৩ এ সরকারের সচিব হিসেবে পদোন্নতি লাভ করেন। ১৯৯৩ থেকে ১৯৯৬ পর্যন্ত জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন আকবর আলি খান। ১৯৯৬ সালে তিনি অর্থ সচিব হিসেবে অর্থ মন্ত্রণালয়ে বদলি হন।

২০০১ সালে তিনি বিশ্বব্যাংকে বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসাবে বিকল্প এক্সিকিউটিভ ডাইরেক্টর পদে যোগদান করেন। বিশ্ব ব্যাংকে তিনি ২০০২ সাল থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত কাজ করেন। বিশ্ব ব্যাংক থেকে অবসর গ্রহণের তিনি ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় সেন্টার ফর গভর্নমেন্ট স্টাডিজ প্রতিষ্ঠিত করেন।

আকবর আলি খান দেশের ঐতিহাসিক ও অর্থনৈতিক পরিবর্তন ও অগ্রগতি নিয়ে গবেষণা করছেন। একই সঙ্গে তিনি জীবনানন্দ দাশের কবিতা নিয়ে গবেষণা করছেন। আলি আকবর খানের গ্রন্থ হিস্টোরি অব বাংলাদেশবা বাংলাদেশের ইতিহাসএশিয়াটিক সোসাইটি কর্তৃক প্রকাশিত।

পরার্থপরতার অর্থনীতিআকবর আলি খানের গবেষণাধর্মী একটি আলোচিত বই।


আরও খবর

পঞ্চগড়ে নৌকা ডুবে ২৪ জন নিহত

রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২

এবার ৩২ হাজার মণ্ডপে দুর্গাপূজা

রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২




সংকট সৃষ্টি করে বেশি দামে সার বিক্রির অভিযোগ

প্রকাশিত:বুধবার ৩১ আগস্ট ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ |
Image

মইনুল ইসলাম মিতুল : চলতি বোরো মৌসুমে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে খুলনার পাইকগাছায় বিএডিসি ও বিসিআইসির ডিলাররা সারের দাম বাড়িয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

তথ্যানুসন্ধানে জানা গেছে, কৃষকরা যাতে সময়মতো জমিতে সার দিতে পারেন সেটা নিশ্চিত করতে সরকারের বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (বিএডিসি) এবং বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন (বিসিআইসি) সারাদেশের ডিলার নিয়োগের মাধ্যমে কৃষকদের কাছে সার বিপণনের কাজটি করে থাকেন। এছাড়া বিদেশ থেকে আমদানি করা সার বিপণনের জন্য বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোও ডিলার নিয়োগ করে তারা। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সারাদেশের জেলা-উপজেলায় সার-বীজ বিতরণ ও মূল্যায়ন কমিটির সার বিতরণ কার্যক্রম সমন্বয় করেন। উপজেলা পর্যায়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারা পদাধিকার বলে এই মূল্যায়ন কমিটির প্রধান। কিন্তু বাস্তবতা বলছে ভিন্ন কথা।

কৃষকরা বলছেন, সংকট থাকলে অতিরিক্ত দামে ডিলারদের সারের উৎস কোথায়?

সার ডিলারদের অনেকেই জানান, সারের পর্যাপ্ত বরাদ্দ না থাকায় বিভিন্ন এলাকা থেকে অতিরিক্ত দামে সার ক্রয় করায় বাধ্যতামূলক সরকার নির্ধারিত মূল্যের বাইরে সার বিক্রি করতে হচ্ছে। তাছাড়া এলাকায় চিকন দানার ইউরিয়ার চাহিদা বেশি থাকলেও মূলত তাদেরকে ইচ্ছানুযায়ী মোটা দানার ইউরিয়া সরবরাহ করা হয়। এক্ষেত্রে দাম বেশি দিলে জোটে চিকন দানার ইউরিয়া।

বিএডিসি ও বিসিআইসির পাশাপাশি সাব ডিলাররা সরকার নির্ধারিত সারের খুচরা মূল্য তালিকা দোকানে টানিয়ে রেখে প্রকাশ্যে অধিক দামে সার বিক্রি করলেও কৃষি কর্মকর্তারা বলছেন, তাদের কাছে কৃষকদের পক্ষে কোন অভিযোগ-অনুযোগ কিংবা পর্যাপ্ত প্রমাণাদি নেই। প্রমাণস্বরূপ তারা দোকানের বিক্রি রশিদ বা প্রমাণপত্র চান। এদিকে ডিলারদের পক্ষে খুচরা বিক্রেতাদের নাকি কোন রশিদ দেওয়ার বাধ্যবাধকতা নেই। তারা বড় জোর সাব ডিলারদের চালান দিয়ে থাকেন। তাছাড়া ডিলাররা যেখানে মূল্য তালিকা টানিয়ে রেখে প্রকাশ্যে বেশি দামে কৃষকদের সার কিনতে বাধ্য করছেন, সেখানে অতিরিক্ত দামে সার বিক্রি করলেও রশিদে সরকারি দামের বাইরে অতিরিক্ত দাম উল্লেখ করার কথা না। এই সাধারণ বিষয়টিই বুঝতে চাইছেন না উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা থেকে শুরু করে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তারা।

ধারণা করা হচ্ছে, সিন্ডিকেটটি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের যোগসাজশে পরোক্ষ সহায়তা নিয়েই কৃষকদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ফায়দা নিচ্ছে।

তথ্যানুসন্ধানে জানা গেছে, বোরোর ক্ষেতে এখন মূলত ইউরিয়া ও পটাশ সারের প্রয়োজন, গ্রীষ্মকালীন সবজি ক্ষেতে ইউরিয়া এবং টিএসপি/ডিএপি, ভুট্টা চাষে প্রয়োজন পটাশ সার। চলতি ফাল্গুন ও আসন্ন চৈত্র মাসে পাট চাষের জন্য প্রয়োজন ইউরিয়া, টিএসপি/ডিএপি আর পটাশ। সব মিলিয়ে চলতি ভরা ও আসন্ন কৃষি মৌসুমে সারের চাহিদাকে পুঁজি করে পাইকগাছায় কৃত্রিম সংকটে সারের দাম বৃদ্ধি করেছেন ডিলাররা।

জানা গেছে, সরকার নির্ধারিত মূল্য হলো ইউরিয়া প্রতি বস্তা ৮০০ টাকা, এমওপি প্রতি বস্তা ৭৫০, ডিএপি প্রতি বস্তা ৮০০ এবং টিএসপি প্রতি বস্তা ১ হাজার ১০০ টাকা।

চাষিদের অভিযোগ, ডিলাররা বস্তাপ্রতি ইউরিয়ায় ১০০, এমওপি ২০০, ডিএপি ১০০ এবং টিএসপিতে প্রকারভেদে ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা পর্যন্ত ইচ্ছা মাফিক অতিরিক্ত দাম নিচ্ছেন। দীর্ঘদিন যাবত পাইকগাছায় বিএডিসি ও বিসিআইসি ডিলারগুলো মূলত তিনটি পরিবারের নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হওয়ায় সিন্ডিকেটের মাধ্যমেই তারা নিয়ন্ত্রণ করেন সার-বীজের বাজার দর।

 


আরও খবর

পঞ্চগড়ে নৌকা ডুবে ২৪ জন নিহত

রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২

এবার ৩২ হাজার মণ্ডপে দুর্গাপূজা

রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২




মোরেলগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে প্রাণ গেলো কৃষকের

প্রকাশিত:শনিবার ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ |
Image

বাগেরহাট প্রতিনিধি ঃ

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ জিউধারা ইউনিয়নে সমাদ্দারখালী গ্রামে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে হয়ে দেলোয়ার হোসেন হাওলাদার (৪৫) নামে এক কৃষক মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।

 জানাগেছে, শনিবার দুপুর ১২টার দিকে সমাদ্দারখালী গ্রামে দিনমজুর ওই কৃষক  দেলোয়ার বাড়ির পার্শ্ববতী প্রতিবেশীর নারিকেল বাগানে গাছ বাছাই করতে উঠলে বিদ্যুৎতের সার্ভিস তারের বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ঘটনাস্থলেই মারা যায়। নিহত কৃষক ওই গ্রামের ওয়াজেদ আলী হাওলাদারের ছেলে। নিহত ওই কৃষকের ২ ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে।

 এ বিষয়ে থানা অফিসার ইনচার্জ মো. সাইদুর রহমান বলেন, বিদ্যুৎস্পৃষ্টে এক দিনমজুর কৃষকের মৃত্যুর ঘটনাটি শুনেছি। ঘটনাস্থলে তাৎক্ষনিক পুলিশ পাঠানো হয়েছে। লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হবে।  


আরও খবর



ভারতকে হারাতে বাঘিনীদের কঠিন পরিকল্পনা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ |
Image

সাফ ওমেন চ্যাম্পিয়নশীপে আজ গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে শক্তিশালী ভারতের মোকাবেলা করবে বাংলাদেশ। ইতোমধ্যে প্রথম দুই ম্যাচে জয় নিয়ে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করে ফেলেছে দল দুটি। তবে মঙ্গলবার দশরথ রঙ্গশালায় গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হবার লক্ষ্য নিয়ে পরস্পরের মোকাবেলা করবে প্রতিবেশী দুই দেশের মেয়েরা।

ইতোমধ্যে অবশ্য গোল ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। তাই আজ ড্র করতে পারলেই গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হতে পারবে ভারত। অপরদিকে সমান পয়েন্ট নিয়েও গোল ব্যবধানে পিছিয়ে রয়েছে বাংলাদেশ। সে কারণে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হতে হলে অবশ্যই ভারতকে হারাতে হবে সাবিনা খাতুনদের। কৌশলগত কারনেও গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়াটা গুরুত্বপূর্ণ উভয় দলের জন্য। কারণ গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হতে পারলেই সেমিফাইনালে স্বাগতিক নেপালকে এড়ানো সহজ হবে দল দুটির। ফলে কিছুটা সহজেই ফাইনালে উঠার সুযোগ পাওয়া যাবে।

অবশ্য বাংলাদেশ দলের কোচ গোলাম রব্বানী ছোটনের মতে, এটি দলের জন্য কোন চাপ নয়। কারণ ইতোমধ্যে প্রাথমিক লক্ষ্য পুরণ হয়ে গেছে। দল সেমিফাইনালে চলে গেছে। নিজেদের যে উন্নতি ঘটেছে মেয়েরা তার পরীক্ষা দিবে ভারতের বিপক্ষে।

ভারতের বিপক্ষে এর আগে কোনো জয় নেই। সাফল্য বলতে শুধু একটি ড্র, এমন পরিসংখ্যান প্রসঙ্গে ছোটন বলেন,‘ পরিসংখ্যান নয়, এবার আমাদের মেয়েরা শুরুই করেছে ভালো ম্যাচ দিয়ে। তাই আমরা ভালো কিছু আশা করছি। আসলে অতীত ভুলে ভালো কিছু করার জন্য এবার মেয়েরা এসেছে। আশা করি কাল মেয়েরা প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ম্যাচ খেলবে।

২০১৬ সালে গোলশূণ্য ড্র করে ত্রিরঙ্গাদের রুখে দেয়া ম্যাচটিই সর্বোচ্চ সাফল্য লাল সবুজের মেয়েদের। সাফের এই আসরেও শিরোপার প্রধান দাবীদার ভারতই। গ্রুপ পর্বে পাকিস্তানকে ৩-০ গোলে হারালেও মালদ্বীপকে ৯-০ গোলে বিধ্বস্ত করে ছেড়েছে তারা। যেখানে দ্বীপদেশটির বিপক্ষে ৩-০ গোলে জিতলেও পাকিস্তানকে ৬-০ গোলে হারিয়েছেন সাবিনা খাতুনরা।

গতকালকের অনুশীলনে দুটি দলে বিভক্ত হয়ে প্রস্তুতি সেরেছেন মারিয়া মান্ডা, আঁখি খাতুনরা। সেখানে দেখা যায়, পাকিস্তানের বিপক্ষে উইনিং কম্বিনেশনেই আস্থা রাখছেন বাংলাদেশ কোচ। সেই হিসেবে কাল ভারতের বিপক্ষে একাদশে থাকতে পারেন সাবিনা খাতুন, শিউলি আজিম, শামসুন নাহার সিনিয়র, আখি খাতুন, মাসুরা পারভীন, মনিকা চাকমা, সানজিদা আক্তার, মরিয়া মান্দা, কৃষ্ণা রানী সরকার, সিরাত জাহান স্বপ্না ও রুপনা চাকমা।


আরও খবর

বিশ্বকাপ নিশ্চিত নারী ক্রিকেট দলের

শনিবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২২

মুকুট নিয়ে আজ ফিরছে বাঘিনীরা

বুধবার ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২




আল-জাজিরার প্রতিবেদন

আজারবাইজানের সাথে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করল আর্মেনিয়া

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ |
Image

নাগরনো-কারাবাখ নিয়ে আবারও যুদ্ধে জড়িয়েছে প্রতিবেশী দুই দেশ আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান। ইতোমধ্যে এই লড়াই উভয় পক্ষের ১৫৫ জন সেনা নিহত হয়েছেন। এমন পরিস্থিতিতে উভয় দেশের মধ্যে যুদ্ধবিরতিতে পৌঁছানোর ঘোষণা দিয়েছে আর্মেনিয়া। যদিও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি আজারবাইজান।

আল-জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আর্মেনিয়ার নিরাপত্তা পরিষদের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা আরমেন গ্রিগরিয়ান টেলিভিশনে যুদ্ধ বিরতির ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি বলেন, গতকাল বুধবার স্থানীয় সময় রাত ৮টা থেকে এটি কার্যকর হয়েছে। আজারবাইজান এবং আর্মেনিয়া আলোচনা করেই এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে।

ধারণা করা হচ্ছে, রাশিয়ার মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি হয়েছে। গ্রিগরিয়ানের ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা আগে আর্মেনিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল গোলাগুলি বন্ধ হয়ে গেছে। তবে, তখন যুদ্ধবিরতির চুক্তির কথা উল্লেখ করা হয়নি। চুক্তির বিষয়ে আজারবাইজানের রাজধানী বাকু থেকে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি।

প্রসঙ্গত, ২০২০ সালে নাগরনো-কারাবাখ নিয়ে ৬ সপ্তাহের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে জড়ায় প্রতিবেশী দুই দেশ। এতে আর্মেনিয়ার বিপুল ক্ষয়ক্ষতি ও প্রাণহানি হয়। বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, ‘সিক্স ডে ওয়ার’ নামে পরিচিত ওই ঘটনায় ৬ হাজার ৭০০ মানুষ নিহত হন।


আরও খবর

জাতিসংঘে রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী

রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২

জাতিসংঘের ভূমিকায় হতাশ মালয়েশিয়া

রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২