Logo
শিরোনাম
আমিরাতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে

সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশনের মতবিনিময়

প্রকাশিত:Sunday ২২ May 20২২ | হালনাগাদ:Tuesday ০৭ February ২০২৩ |
Image

 মো নূরুল্লাহ  খান, আরব আমিরাত থেকে 

 সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবিতে  বাংলাদেশ দূতাবাসে রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ আবু জাফরের সঙ্গে গতকাল সাক্ষাত করেছেন সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশনের মহাসচিব ও ইলেকশন মনিটরিং ফোরামের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবেদ আলী।

এসময় রাষ্ট্রদূত বলেন, প্রবাসী বাংলাদেশিদের সর্বাত্মক সহযোগিতাসহ দু দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরো দৃঢ়করণে কাজ করে যাচ্ছে বাংলাদেশ দূতাবাস।  দূতাবাসের সকল কর্মকর্তাগণ প্রবাসীদের পাশে আছে এবং থাকবে।

সাক্ষাতকালে সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশন মহাসচিব ও ইলেকশন মনিটরিং ফোরামের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবেদ আলী বলেন, বিদেশে অবস্থানরত সকল দূতাবাসসমুহ প্রবাসীদের কল্যাণে কাজ করলে তারা আরো উৎসাহিত হবে এবং দেশের প্রতি প্রবাসীদের ভালোবাসা আরো বেশি বৃদ্ধি পাবে।

এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশনের কেন্দ্রীয় পরিচালক  ড. মুহম্মদ মাসুম চৌধুরী, সার্ক ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন ইউএইর যুগ্ন আহবায়ক ওসমান চৌধুরী,  চট্টগ্রাম জেলার আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ও ইউএইর সদস্য সচিব এস এম মোদাচ্ছের শাহ ও দূতাবাসের কর্মকর্তাবৃন্দ।


আরও খবর



জিকির,আসকার মধ্য দিয়ে চলছে ইজতেমা

প্রকাশিত:Saturday ১৪ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Tuesday ০৭ February ২০২৩ |
Image

লাখো মুসল্লির জিকির আসকার ও তাবলীগের দেশি-বিদেশি মুরুব্বিদের বয়ানের মধ্যদিয়ে চলছে ইজতেমার দ্বিতীয় দিন। শীত উপেক্ষা করেই ইজতেমায় যোগ দিয়েছেন লাখো মুসল্লি।

ফজরের নামাজের পর আম বয়ান করেন পাকিস্তানের মাওলানা খোরশিদুল হক। পরে, আলেমদের উদ্দেশ্যে বিশেষ বয়ান দেবেন ভারতের মাওলানা ইব্রাহিম দেওলা। বার্ধক্য ও অসুস্থতার কারণে ২৪ ঘণ্টায় ৩ মুসল্লি মারা গেছেন।এছাড়াও নানা অসুস্থতায় আশপাশের হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন অনেকেই। এদিকে, ইজতেমা ময়দানে পানির সঙ্কট রয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন মুসল্লিরা। রোববার আখেরি মোনাজাতের মধ্যদিয়ে শেষ হবে ইজতেমার প্রথম পর্ব। দ্বিতীয় পর্বের ইজতেমা শুরু হবে আগামী ২০ জানুয়ারি।


আরও খবর



৬২ বছর পর ব্রাইটনের কাছে বিধ্বস্ত লিভারপুল

প্রকাশিত:Sunday ১৫ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Monday ০৬ February ২০২৩ |
Image

প্রিমিয়ার লিগে পরপর দুই ম্যাচে তিনটি করে গোল খেয়ে পরাজয়ের বৃত্তে লিভারপুল। লিগে আগের ম্যাচেই ব্রেন্টফোর্ডের কাছে ৩-১ গোলে হেরেছিল লিভারপুল। এবার একই লজ্জায় অলরেডদের ডুবালো ব্রাইটন। ১৯৬১ সালের পর প্রথমবারের মতো লিগে ব্রাইটনের কাছে হারতে হল লিভারপুলকে। শনিবার (১৪ জানুয়ারি) নিজেদের মাঠে লিভারপুলকে ৩-০ গোলে হারিয়েছে ব্রাইটন। ম্যাচের সব কয়টি গোলই হয়েছে দ্বিতীয়ার্ধে।

বল দখল, আক্রমণ, গোলে ও লক্ষ্যে শট- প্রতিটি ক্ষেত্রেই লিভারপুলকে টেক্কা দিয়েছে ব্রাইটন। অবশ্য শুধু টেক্কা দেয়নি, বেশ বড় ব্যবধানেই এগিয়ে ছিল ব্রাইটন। ম্যাচের অষ্টম মিনিটে ব্রাইটন এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিল ব্রাইটন।

ম্যাক অ্যালিস্টারের পাসে ডান দিক থেকে নিচু শট নিয়েছিলেন ব্রাইটন ফুটবলার মার্স। তবে তাতে লিভারপুল গোলরক্ষক অ্যালিসন বেকার পরাস্ত হলেও গোললাইন থেকে ক্লিয়ার করে লিভারপুলের দুর্গ অক্ষত রাখেন ট্রেন্ট অ্যালেকজান্ডার-আর্নল্ড। এরপর বিরতির আগে আরও দুইটি সুযোগ হাতছাড়া করে ব্রাইটন। প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার আগ মুহূর্তে পেনাল্টি পেয়েছিল ব্রাইটন। তবে ভিএআরে দেখে পেনাল্টির সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেন রেফারি। তবে প্রথমার্ধে গোল না পেলেও দ্বিতীয়ার্ধের শুরুর আট মিনিটের মধ্যে জোড়া গোল করে লিভারপুলকে ব্যাকফুটে ফেলে দেয় ব্রাইটন।

বিরতি থেকে ফেরার পর ম্যাচের ৪৬তম মিনিটে কাছের পোস্ট থেকে দুর্দান্ত শটে ব্রাইটনকে প্রথম লিড এনে দেন মার্চ। সাত মিনিটের ব্যবধানে আবারও গোলদাতা সেই মার্চ। ফার্গুসনের পাস নিয়ে বক্সে ঢুকে বাঁ পায়ের শটে বল দূরের পোস্ট দিয়ে লক্ষ্যভেদ করেন তিনি। ম্যাচের ৮১তম মিনিটে লিভারপুলের কফিনে শেষ পেরেক মারেন ওয়েলবেক।

থ্রো থেকে মার্চের বাড়ানো পাসে দারুণভাবে ফ্লিক করে গোল করেন তিনি। ম্যাচের বাকি সময়ে লিভারপুল একাধিক চেষ্টা করেও গোল ব্যবধান কমাতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত অলরেডদের বিপক্ষে ৩-০ গোলের ব্যবধানে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ব্রাইটন। এর আগের লেগেও লিভারপুলের বিপক্ষে ৩-১ গোলের ব্যবধানে জিতেছিল তারা।

এখন পর্যন্ত ১৮ ম্যাচে ৯ জয় ও ৩ ড্রয়ে ৩০ পয়েন্ট নিয়ে এখন সাত নম্বরে রয়েছে ব্রাইটন। সমান ম্যাচে ২৮ পয়েন্ট নিয়ে আটে আছে লিভারপুল। ১৭ ম্যাচে ৪৪ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে আছে আর্সেনাল।


আরও খবর



ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস আজ

প্রকাশিত:Tuesday ১০ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Monday ০৬ February ২০২৩ |
Image

মাজহারুল ইসলাম মাসুম, সিনিয়র সাংবাদিক, লেখক ও গবেষক :

ঐতিহাসিক ১০ জানুয়ারি আজ । জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস । ২৯০ দিন পাকিস্তানের কারাগারে থাকার পর ১৯৭২ সালের এইদিনে তিনি পাকিস্তানের বন্দীদশা থেকে মুক্তি পেয়ে সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশের মাটিতে প্রত্যাবর্তন করেন। 

পাকিস্তানের মিয়ানওয়ালি কারাগারে দীর্ঘ ৯ মাস কারাভোগের পর মুক্তি লাভ করেন তিনি। পরে তিনি পাকিস্তান থেকে লন্ডনে যান। তারপর দিল্লি হয়ে ঢাকা ফেরেন মুক্তির মহানায়ক। সেদিন বাঙালি জাতি বঙ্গবন্ধুকে প্রাণঢালা সংবর্ধনা জানানোর জন্য প্রাণবন্ত অপেক্ষায় ছিল। আনন্দে আত্মহারা লাখ লাখ মানুষ ঢাকা বিমানবন্দর থেকে রেসকোর্স ময়দান পর্যন্ত তাকে স্বতঃস্ফূর্ত সংবর্ধনা জানান। বিকেল ৫টায় রেসকোর্স ময়দানে প্রায় ১০ লাখ লোকের উপস্থিতিতে তিনি ভাষণ দেন। স্বয়ং জাতির জনক তার এই স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে আখ্যায়িত করেছিলেন ‘অন্ধকার হতে আলোর পথে যাত্রা’। সেই থেকে দিনটি বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস হিসেবে পালিত হয়।

জীবনমৃত্যুর কঠিন চ্যালেঞ্জের ভয়ঙ্কর অধ্যায় পার হয়ে সারাজীবনের স্বপ্ন, সাধনা ও নেতৃত্বের ফসল স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে মহান এ নেতার প্রত্যাবর্তন স্বাধীনতা সংগ্রামের বিজয় পূর্ণতা পায়। এ কারণেই বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এটি একটি অবিস্মরণীয় ও ঐতিহাসিক দিন হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে।

দিনটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন। রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ তার বাণীতে বলেন, সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত হলেও ১০ জানুয়ারি ১৯৭২ বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তনের মাধ্যমে পূর্ণতা পেয়েছিল বাংলার বিজয়। তাই দিনটি বাঙালি জাতির জীবনে অত্যন্ত আনন্দের ও গর্বের।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার বাণীতে বলেন, বাঙালির মুক্তি-সংগ্রামের ইতিহাসে এক কালজয়ী মহাপুরুষ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে ১৯৭২ সালের এই দিনে স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করেন। সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশের মানুষ তাদের প্রাণপ্রিয় নেতাকে ফিরে পায়। আমাদের মহান নেতার আগমনে মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত বিজয়ের আনন্দ পরিপূর্ণতা লাভ করে।

১৯৭২ সালের ৮ জানুয়ারি পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তির পরপরই তিনি বাংলাদেশে ছুটে আসতে চান। ওই সময়ের প্রেসিডেন্ট জুলফিকার আলি ভুট্টো তাকে তেহরান বা অন্য কোনো এয়ারলাইন্স বেছে নিতে বললে তিনি ব্রিটিশ এয়ারওয়েজে আসার সিদ্ধান্ত নেন। লন্ডন পৌঁছে তিনি বিবিসিতে বিশ্ববাসীর উদ্দেশে একটি ভাষণ দেন। তিনি যখন ভরাট কণ্ঠে তার সুস্থতার কথা জানান, ঠিক সেই মুহূর্তটিতে লাখ লাখ বাঙালি আনন্দে আত্মহারা হয়ে পড়েন। তখনও যুক্তরাজ্য বাংলাদেশকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি না দিলেও তৎকালীন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী অ্যাডওয়ার্ড হিথ বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এ সময় ব্রিটিশ বিরোধী দলীয় নেতা হ্যারাল্ড উইলসনও তাকে স্বাগত জানাতে সাক্ষাৎ করেন। তাকে দেয়া হয় রাষ্ট্রীয় অতিথির মর্যাদা।

লন্ডন থেকে দিল্লিতে পৌঁছান অবিস্মরণীয় নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ভারতের রাষ্ট্রপতি ভিভি গিরি, প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী, সমগ্র দেশবাসী তাকে উষ্ণ সংবর্ধনা দেন। এ সময় তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধে অনন্য ভূমিকার জন্য ভারতবাসী ও প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর কাছে কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। এরপর আসে সেই কাঙ্ক্ষিত মুহূর্ত। ১০ জানুয়ারি দুপুর ১টা ৪১ মিনিটে তিনি পা রাখেন স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশের মাটিতে। অধীর আগ্রহে অপেক্ষারত লাখ লাখ বাঙালি সেই মুহূর্তে আনন্দে আত্মহারা হয়ে পড়েন প্রিয় নেতা, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ফিরে পেয়ে। পুরো দেশই তাকে বরণ করে নিতে প্রস্তুত ছিল, তার কিছুটা চিত্র ধরা পড়ে তেজগাঁও বিমানবন্দরে। জয় বাংলা ধ্বনিতে মুখরিত হয়ে ওঠা বিমানবন্দর যেন বাংলার আকাশ-বাতাসকেই প্রতিনিধিত্ব করছিল। পাঁচ লাখেরও বেশি মানুষ সেই মুহূর্তে অবিস্মরণীয় এই নেতাকে গ্রহণ করতে অংশ নিয়েছিলেন। মহান এই নেতাকে একটু ছুঁয়ে দেওয়ার জন্য সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে এক ধরনের ব্যাকুলতা কাজ করছিল। 

স্বাধীন বাংলাদেশের মাটিতে পা রেখেই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন বঙ্গবন্ধু। দীর্ঘ ৯ মাস পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের এ দেশীয় দোসরদের গণহত্যার সংবাদ শুনে কান্নায় ভেঙে পড়েন। বঙ্গবন্ধু বিমানবন্দর থেকে সরাসরি চলে যান রেসকোর্স ময়দানে। সেখানে স্বতঃস্ফূর্তভাবে সমবেত লাখো জনতার উদ্দেশে বঙ্গবন্ধু ভাষণ দেন। স্বাধীন বাংলাদেশে জনতার উদ্দেশে দেয়া প্রথম সেই ভাষণে বঙ্গবন্ধু মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের জন্য দেশবাসীকে অভিনন্দন এবং যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশকে গড়ে তোলার কাজে সবাইকে আত্মনিয়োগ করার আহ্বান জানান। সেদিন রেসকোর্স ময়দানে লাখো জনতার উদ্দেশে বঙ্গবন্ধু ঘোষণা দেন, ‘রক্ত দিয়ে হলেও আমি বাঙালি জাতির এই ভালোবাসার ঋণ শোধ করে যাব। 


[email protected]


আরও খবর



নওগাঁয় পরেছিলো মৃতদেহ - উদ্ধার করলো পুলিশ

প্রকাশিত:Wednesday ১১ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Monday ০৬ February ২০২৩ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন :


নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলার (পত্নীতলা বাজার) এলাকায় একটি ব্রীজের ধারে পরে থাকা অবস্থায় হাবারু ভূইমালী (৬৫) নামের এক ব্যাক্তির মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পত্নীতলা থানা পুলিশ। মঙ্গলবার দুপুরের দিকে মৃতদেহটি ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত হাবারু ভূইমালী পত্নীতলা উপজেলার পাশ্ববর্তী মহাদেবপুর উপজেলার মহিষবাথান (স্কুলপাড়া) গ্রামের মৃত রাজ মোহনের ছেলে।

সরেজমিনে ঘটনাস্থলে গিয়ে জানা যায়, মঙ্গলবার সকাল সারে ৮ টারদিকে ব্রীজের পার্শ্বে হাল্কা কাদায় এক বৃদ্ধকে পরে থাকতে দেখে স্থানীয় লোকজন ও পথচারীরা। পরবর্তীতে ঘটনাটি পুলিশকে জানান স্থানিয়রা। সংবাদ পাওয়ার সাথে সাথেই পত্নীতলা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে মৃতদেহর নাম  পরিচয় শনাক্ত করার চেষ্টার পাশাপাশি প্রাথমিক সুরতহাল রির্পোট অন্তে মৃতদেহ উদ্ধার পূর্বক ময়না তদন্তের জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরন করার পক্রিয়া চলছিলো।

মৃতদেহ উদ্ধারের সত্যতা নিশ্চিত করে পত্নীতলা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) পলাশ চন্দ্র দেব বলেন, স্থানীয়দের মাধ্যমে মৃতদেহ পরে থাকার খবর জানতে পেরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়। নিহতের স্বজনদের বরাত দিয়ে ওসি আরো জানান, গতকাল রাতে সে তার ছেলের বাড়ি থেকে মেয়ের বাড়িতে যাচ্ছিলেন। রাতে সে কিভাবে মারা যায় তা জানা যায়নি। এছাড়া নিহতের শরীরে আঘাতের কোন চিহ্ন নেই। ময়না তদন্তের রিপোর্ট আসার পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।


আরও খবর



নওগাঁয় সীমান্তে বিজিবির উপর হামলা, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে গুলি

প্রকাশিত:Wednesday ০১ February ২০২৩ | হালনাগাদ:Monday ০৬ February ২০২৩ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টার :


নওগাঁর ধামইরহাট সীমান্ত এলাকায় মাদককারীদের তল্লাশীর সময় বিজিবি সদস্যদের উপর হামলা চালিয়েছে সঙ্গবদ্ধ মাদককারবারিরা। এ সময় অস্ত্র ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তিন রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোঁড়ে বিজিবি। ঘটনাস্থল থেকে বেশ কিছু মাদক ও মোটরসাইকেল উদ্ধার করেছে বিজিবি সদস্যরা। 

ঘটনায় তাৎক্ষণিক কাউকে আটক করতে না পারলেও পরিস্থিত নিয়ন্ত্রণের পর আটকের অভিযান শুরু করেছে। পরে ঘটনাস্থলে পুলিশ ও বিজিবি’র উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তাবৃন্দ ঘটনাস্থল পরিদর্শণ করেছেন। এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড (বিজিবি)-১৪ (পত্নীতলা) ব্যাটলিয়নের অধিনায়ক লে: কর্ণেল হামিদ উদ্দিন পিএসসি নিশ্চিত করেছেন। 

বুধবার বিকেল ৫টারদিকে উপজেলার উমার ইউনিয়নে চকচন্ডি সীমান্তে সুন্দরা- চকমহেশ এলাকায় এই ঘটনা ঘটেছে। 

অধিনায়ক লে: কর্ণেল হামিদ উদ্দিন জানান, চকচন্ডি বিওপি ক্যাম্পের নায়েক মিজান এর নেতৃত্বে একটি দল  চকচন্ডি ক্যাম্পের এলাকায় বিকেলে সুন্দরা ও চকমহেশ টহল দিচ্ছিলেন। ভারতীয় সীমান্তে ঘেঁষা ধামইহাট উপজেরার চকমহেশ গ্রামের উত্তরে মাঠে নজরুল ইসলামের সরিষা ক্ষেতের পাশের রাস্তা দিয়ে মোটরসাইকেল যোগে ৩জন আরোহী যাচ্ছিলেন। মোটরসাইকেল আরোহীদের গতি বিধি সন্দেহ হলে তাদের পথ রোধ করে দেহ তল্লাশী শুরু করে বিজিবি সদস্যরা। এমতাবস্তায় ওই ৩জন বিজিবি সদস্যদের উপর চড়াও হয়। এক পর্যায়ে ওই ৩ জন তাদের সহযোগিদের মোবাইলে ফোন করলে আরো ৫/৬ টি মোটরসাইকেল নিয়ে আরো ১০ থেকে ১২ জন দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে বিজিবি সদস্যদের মারতে শুরু করেন। মাদককারবারিদের সাথে বিজিবি সদস্য লেন্স নায়েক হাফিজ ও সিপাহী মজিবরের সাথে ধস্তাধস্তি হয়। এক পর্যায়ে অস্ত্র ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলে বিজিবি সদস্যরা ৩ রাউন্ড ফাঁকা গুলি করেন। সংবাদ পেয়ে চকচন্ডি ক্যাম্প হতে আরো বিজিবি সদস্যগণ ঘটনাস্থলে আসলে হামলাকারী মাদককারবারিরা ঘটনাস্থল থেকে দ্রুত পালিয়ে যায়। পরে বিজিবি সদস্যরা ঘটনাস্থল থেকে হামলাকারীদের ফেলে যাওয়া একটি মোটরসাইকেল, ৪০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও ৩ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করেন। 

লে: কর্ণেল হামিদ উদ্দিন আরো জানান, ঘটনায় তাৎক্ষণিক কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। হামলাকারি মাদককারবারিদের আটক করার জন্য অভিযান শুরু হয়েছে। হামলা ও অস্ত্র কেড়ে নেয়ার চেষ্টা সহ মাদক উদ্ধারের ঘটনায় 'অভিযোগে' থানায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। 


আরও খবর