Logo
শিরোনাম

সৌদি পৌঁছেছেন ৪৭ হাজার ৯৮৫ জন হজযাত্রী

প্রকাশিত:বুধবার ২৯ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

পবিত্র হজ পালন করতে এরই মধ্যে সৌদি আরব পৌঁছেছেন ৪৭ হাজার ৯৮৫ জন হজযাত্রী। তাদের মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৩ হাজার ৭৪৭ জন ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪৪ হাজার ২৩৮ জন হজযাত্রী সৌদি গেছেন।

বুধবার হজ-সম্পর্কিত সবশেষ বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়। এয়ারলাইনস, সিভিল এভিয়েশন অথরিটি অব বাংলাদেশ, বাংলাদেশ হজ অফিস ঢাকা এবং সৌদি আরব সূত্রে এ তথ্য জানানো হয়।

হেল্পডেস্কের তথ্যমতে, এখন পর্যন্ত ১২১টি ফ্লাইট সৌদি আরব পৌঁছেছে। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ৫৮টি, সৌদি এয়ারলাইনসের ৩৮টি এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইনস ২৫টি ফ্লাইট রয়েছে। মঙ্গলবার পর্যন্ত মোট ফ্লাইটের ৫৬ দশমিক ৬ শতাংশ ফ্লাইট আর হজযাত্রীদের মধ্যে ৫৭ শতাংশ সৌদি পৌঁছেছেন।

এদিকে সৌদি আরবে হজ পালন করতে গিয়ে এখন পর্যন্ত ৮ জন বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে মক্কায় ছয়জন এবং মদিনায় দুজন মারা যান। সবশেষ গত রবি ও সোমবার দুজন মক্কায় মারা যান।


আরও খবর



নারায়ণগঞ্জে জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে চারতলা ভবন ঘিরে রেখেছে পুলিশ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০২ জুলাই 2০২4 | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডেস ডেস্ক:


নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের বরপা আড়িয়াবো এলাকায় জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে সৌদি প্রবাসী জাকির হোসেনের চারতলা বাড়ি ঘেরাও করে রেখেছে অ্যান্টিটেরোরিজম ইউনিটসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।



বিষয়টি নিশ্চিত করে অ্যান্টি টেরোরিজম ইউনিটের আরেক পুলিশ সুপার (মিডিয়া অ্যান্ড অ্যাওয়ারনেস) মাহফুজুল আলম রাসেল জানান, কিছুক্ষণের মধ্যে সেখানে অভিযান পরিচালনা করা হবে। অভিযান শেষে বিস্তারিত জানানো হবে।



এটিইউয়ের ধারণা, নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন আনসার-আল ইসলামের তিন-চারজন সদস্য ভবনের তিনতলায় অবস্থান করছে।


অ্যান্টিটেরোরিজম ইউনিট ঢাকার পুলিশ সুপার (অপারেশন) সানোয়ার হোসেন জানান, গত ৫ জুন নরসিংদী থেকে ১ জন জঙ্গি আটক করা হয়। গতকাল সোমবার (১ জুলাই) কক্সবাজার থেকে ১ নারীকে আটক করা হয়। 



তার দেওয়া তথ্য মতে, রূপগঞ্জে বরপা আড়িয়াবো এলাকায় সৌদি প্রবাসী জাকিরের চারতলা বাড়িতে একাধিক জঙ্গি থাকার কথা রয়েছে বলে তারা ধারণা করছেন। 


সেজন্য মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে পুরো বাড়ি ঘেরাও করে রেখেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। ভিতরে তল্লাশি চলছে। এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করা যায়নি।



আরও খবর



পুলিশের ভূমিকা রহস্যজনক

নওগাঁয় গৃহবধূ আত্নহত্যার প্ররোচনা মামলা, ২৫ দিনেও নেই কোন অগ্রগতি

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৫ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১১ জুলাই ২০২৪ |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, সিনিয়র রিপোর্টার :

নওগাঁর সাপাহারে স্বামী ও শশুর শাশুড়ির অমানুষিক নির্যাতনে অতিষ্ঠ হয়ে নিগার সুলতানা (৩৩)  নামের এক গৃহবধূ কিটনাশক পানে আত্মহত্যার ঘটনায় আত্মহত্যা প্ররোচনার অভিযোগে থানায় মামলা দায়ের করার পর পুলিশের নিরব ভূমিকায় নিহতের পরিবার শঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। নিহত গৃহবধু নিগার সুলতানার পিতা সাপাহার উপজেলার রসুলপুর গ্রামের মজিবুর রহমান চৌধুরীর দায়েরকৃত এজাহার সুত্রে জানা গেছে, প্রায় ১৭ বছর পূর্বে সাপাহার উপজেলার হোসেনডাঙ্গা গ্রামের আঃ সালাম এর ছেলে আসামী গোলাম মোস্তফার সহিত তার মেয়ে মোছাঃ নিগার সুলতানা (৩৩) এর ইসলামী শরিয়াহ মোতাবেক বিয়ে হয়। 

জামাই গোলাম মোস্তফা, তার পিতা আঃ সালাম ও মা রাহেলা বেগম তার মেয়েকে বিভিন্ন সময়ে শরীরিক এবং মানসিক নির্যাতন করে আসছিলো। স্বামী ও তার পরিবারের সকল যন্ত্রনা সহ্য করে নিগার সুলতানা স্বামীর ঘর সংসার করে আসছিলেন এরিমাঝে তাদের ঘর আলো করে মা বাবার কোলে ২টি পুত্র সন্তান জন্ম গ্রহন করেন। দু’টি সন্তানের কথা চিন্তা কষ্ট স্বিাকার করে সে তার স্বামীর ঘর করে আসছিলো।  


ঘটনার দিন ৯ জুন সামান্য বিষয়ে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে কথা কাটাকটি হলে স্বামী, শশুর, শাশুড়ী সকলে মিলে গৃহবধুকে শারিরীক নির্যাতনের এক পর্যায়ে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ এবং তাকে আত্নহত্যার জন্য চাপ সৃষ্টি করে। এর পর গৃহবধু নিগার সুলতানা তাদের নির্যাতন সইতে না পেরে সকলের অজান্তেই কীটনাশক পান করে অসুস্থ্য হয়ে পড়েন। তার স্বামী গোলাম মোস্তফা অসুস্থ্য অবস্থায় তার স্ত্রী নিগার সুলতানাকে নিয়ে সাপহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসকগন গৃহবধূর অবস্থা খারাপ দেখে তাকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতারে রেফার্ড করেন। মেয়ের অসুস্থ্যতার সংবাদ পেয়ে গৃহবধুর পিতা-মাতা ছুটে এসে তাৎতক্ষনিক মুমূর্ষু  অবস্থায় মেয়েকে নিয়ে রাজশাহী নিয়ে ভর্তি করান। সেখানে চিকিৎসাকালীন অবস্থায় গত ১০ জুন  সকাল সাড়ে ৮ টার দিকে  তার  মৃত্যু হয়। বিষয়টি নিয়ে রাজশাহী রাজপাড়া থানায় অভিযোগ করে ময়না তদন্ত শেষে মৃতদেহ নিয়ে বাড়ি ফিরে আসার পথে তানোর পৌছালে স্বামী গোলাম মোস্তফা স্ত্রীর লাশবাহী  গাড়ী থেকে কৌশলে পালিয়ে যায়। এরপর লাশের গাড়ি সাপাহার উপজেলার নিশ্চিন্তপুর মোড় পার হলে গোলাম মোস্তফার আত্মীয় স্বজনরা  মোটরসাইকেল নিয়ে গাড়ীর পথ রোধ করে গাড়ী থেকে মোস্তফার মা ও ছোট ছেলে সন্তান সহ নিহত গৃহবধূর সোনার গহনা ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়। এঘটনায়  নিগার সুলতানার পিতা মজিবর রহমান চৌধুরী বাদী হয়ে তার জামাই গোলাম মোস্তফা, তার বাবা মোঃ আঃ সালাম ও মা  রাহেলা বেগমকে আসামী করে দন্ডিবিধির ৩০৬ ধারা মোতাবেক সাপাহার থানায় একটি আত্মহত্যা প্ররোচনা মামলা দায়ের করেন। 

ঘটনার বিষয়ে নিহত নিগার সুলতানার বড় ছেলে ষষ্ঠ শ্রেণীতে পড়ুয়া সাব্বির হোসেন (১২) এর সাথে কথা হলে সে বলে যে, প্রায় সময় তার বাবা গোলাম মোস্তফা তার মাকে কারণে অ-কারণে মারপিট ও অকথ্য ভাষায় গালি-গালাজ করত।তার সাথে সাথে আমার দাদা,দাদীরাও মা’কে আত্নহত্য করে মরার জন্য বিভিন্ন ভাবে গালিগালাজ করত। ঘটার দিন অসুস্থ্য  অবস্থায় আমি আমার মা’র নিকট গেলে মা’ আমাকে বলে যে মারপিটের পরে তোর বাবা, দাদা, দাদী মিলে জোরপূর্বক আমাকে বিষ খাইয়ে দিয়েছে। একই রকম বক্ত্যব্য শিশুটি থানা পুলিশের উপস্থিতিতেও বলেছে।

এরপরেও পুলিশের রহস্যজনক ভূমিকা দেখে আমি আমার মেয়ে মৃত্যুর সঠিক বিচার পাব কি না সে বিষয়ে চিন্তিত ও শঙ্কিত আছি। আমার মেয়ে হত্যার সঠিক বিচার পাওয়ার জন্য আমি সংশ্লিষ্ট উর্ধতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি কামনা করছি।

এবিষয়ে সাপাহার থানার ওসিকে না পেয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই মিলন কুমার সিংহ এর সাথে কথা হলে তিনি জানান যে, আমরা একাধিকবার আসামীর বাড়ীতে অভিযান চালিয়েছি বর্তমানে আসামী পলাতক রয়েছে। এর পরেও লাশের ময়না তদন্তের রিপোর্ট এখনও হাতে পাইনি। ময়না তদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলে মামলা তার গতিতেই চলবে বলেও জানান তিনি।


আরও খবর



নেপালে ভূমিধস ও বন্যায় নিহত ১১, নিখোঁজ ৮

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৯ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

নেপালে ভারী বৃষ্টিতে ভূমিধস ও হঠাৎ বন্যায় অন্তত ১১ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ১২ জন। এছাড়াও নিখোঁজ রয়েছেন আরও আটজন। রবিবার (৭ জুলাই) কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, গত ৩৬ ঘণ্টার মধ্যে এসব এই ঘটনা ঘটেছে। ভূমিধস ও বন্যার কারণে গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়ক ও তলিয়ে গেছে।

পুলিশের মুখপাত্র দান বাহাদুর কারকি রয়টার্সকে জানান, কীভাবে আটজন নিখোঁজ হয়েছেনতা বলা যাচ্ছে না। আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। জরুরি বিভাগের কর্মীরা ভূমিধসের মাটি ও আবর্জনা পরিষ্কার করে রাস্তাগুলো চালু করার চেষ্টা করছেন।

নেপালের দক্ষিণাঞ্চলীয় কোশি নদীর পানি বিপৎসীমার উপর দিয়ে বইছে। এই নদী নেপালের সীমানা পেরিয়ে ভারতের বিহার রাজ্যের ওপর দিয়ে বয়ে গেছে। প্রায় প্রতি বছর বিহারে প্রাণঘাতী বন্যার কারণ হয় এই নদী বলে এক জেলা কর্মকর্তা জানিয়েছেন।।

নেপালের সানসারি জেলার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বেদ রাজ পুয়েল বলেন, কোশির পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের আমরা সম্ভাব্য বন্যার বিষয়ে সতর্ক থাকতে বলেছি।

তিনি জানান, স্থানীয় সময় রোববার সকাল ৯টায় প্রতি সেকেন্ডে কোশি নদী দিয়ে ৩ লাখ ৬৯ হাজার কিউসেক পানি প্রবাহিত হচ্ছিল, যা স্বাভাবিক প্রবাহ দেড় লাখ কিউসেকের দ্বিগুণের চেয়েও বেশি।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পানি বের করে দিতে কোশি ব্যারেজের ৫৬টি স্লুইস গেটের সবগুলো খুলে দেওয়া হয়েছে। স্বাভাবিক সময়ে যেখানে ১০ থেকে ১২টি গেট খোলা রাখা হয়।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নেপালের পশ্চিমাঞ্চলীয় নারায়ণী, রাপ্তি ও মহাকালী নদীর পানিও বাড়ছে। পাহাড় ঘেরা রাজধানী কাঠমাণ্ডুতে বেশ কয়েকটি নদীর পানি পাড় উপচে বন্যার কারণ হয়েছে, এতে নগরীর কয়েকটি রাস্তা তলিয়ে গেছে ও অনেকগুলো বাড়িতে পানি প্রবেশ করেছে।

নেপালে মধ্য জুনে বৃষ্টির মৌসুম। বৃষ্টি শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত ভূমিধস, বন্যা ও বজ্রপাতে অন্তত ৫০ জনের মৃত্যু হয়েছে।

সূত্র: রয়টার্স


আরও খবর

বন্যার অজুহাতে সবজির দাম চড়া

শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪




বাংলাদেশি অভিবাসীদের নিয়ে মন্তব্য থেকে সরে এলেন স্টারমার

প্রকাশিত:শনিবার ২৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

বিডি টুডেস আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

বাংলাদেশি অভিবাসীদের নিয়ে অযাচিত মন্তব্য করে নিজ দল লেবার পার্টিরই প্রতিক্রিয়ার মুখোমুখি হয়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীপ্রার্থী স্যার কিয়ার স্টারমার।

আর তাতেই সুর পাল্টেছে তার।


 ব্রিটিশ গণমাধ্যম আইটিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘আমি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে তাদের মনে আঘাত দেওয়া বা কোনো উদ্বেগ সৃষ্টি করতে চাইনি।’


স্টারমার আরও বলেন, তিনি ব্রিটিশ বাংলাদেশিদের অবিশ্বাস্য অবদানকে মূল্যায়ন করেন এবং লেবার পার্টি ক্ষমতায় আসলে সেই অনুযায়ী সম্পর্ক গড়ে তুলতে এবং ভবিষ্যতে সেই সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করতে চান।


গত সোমবার সান পত্রিকার পাঠকদের এক প্রশ্নের জবাবে লেবার পার্টির নেতা কিয়ার স্টারমার বলেন, ‘ক্ষমতায় এলে বাংলা‌দেশের মতো দেশগুলো থেকে আসা যাদের বৈধ কাগজপত্র নেই, তা‌দের নিজ দে‌শে ফেরৎ পাঠা‌নো হ‌বে।’



এদিকে এই মন্তব্যের জেরে পদত্যাগ করেছেন পূর্ব লন্ডনের টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলে লেবার পার্টির ডেপুটি লিডার সাবিনা আক্তার। 


এসময় তিনি বলেন, দলের নেতা যখন আমার সম্প্রদায়কে একঘরে করে, আমার বাংলাদেশি পরিচয়কে অপমান করে, তখন আমি আর দল নিয়ে গর্ব করতে পারি না।


পরে অবশ্য স্টারমার বলেন, তিনি শুধু এটুকুই বলেছেন যে, আশ্রয়প্রার্থী ফেরত পাঠানোর ক্ষেত্রে বাংলাদেশ একটি নিরাপদ দেশ এবং যুক্তরাজ্যের সঙ্গে যার (বাংলাদেশের) প্রত্যাবর্তন চুক্তি রয়েছে।


যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরিসংখ্যানে দেখা যায়, সেখানে আশ্রয়প্রার্থী মানুষের শীর্ষ দেশ হলো আফগানিস্তান, ইরান এবং ভারত।






আরও খবর



ধামরাইয়ে সাপের কামড়ে নারীর মৃত্যু

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

মাহবুবুল আলম রিপন (স্টাফ রিপোর্টার):

ঢাকার ধামরাইয়ে সাপের কামড়ে তহিরন নেসা (৬৫) নামে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে। এ নিয়ে এলাকাজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে বলে জানান এলাকাবাসি। মৃত্যুকালে তহিরন নেসা দুই ছেলে রেখে যান।

বৃহস্পতিবার (২০জুন) ভোররাতে ধামরাই উপজেলার আমতা ইউনিয়নের কাঁচারাজাপুর গ্রামে এমন ঘটনাটি ঘটেছে। তহিরুন নেসা কাঁচারাজাপুর গ্রামের মৃত মজিবর রহমানের স্ত্রী।বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আমতা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আরিফ হোসেন।

এলাকাবাসী জানান, আজ ভোরে বাড়ির পাশে থেকে তহিরন নেসাকে সাপে কামড় দেয়। খবর পেয়ে এলাকার লোকজন তাকে উদ্ধার করে মানিকগঞ্জ জেলার সাটুরিয়া উপজেলার সদর হাসপাতালে নেওয়ার পথে আধা ঘণ্টার মধ্যেই তিনি মারা যান। তবে সাপটি রাসেল ভাইপার কিনা তা কেউ বলতে পারেননি। এই নিয়ে এলাকা জুড়ে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে।

তবে ধামরাইয়ের পাশে মানিকগঞ্জ জেলার সাটুরিয়া, হরিরামপুর ও ধামরাইয়ের গাংগুটিয়া ইউনিয়নের জালসা এলাকায় রাসেল ভাইপার সাপ মারা হয়েছে বলে জানা গেছে করা হচ্ছে।

আমতা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আরিফ হোসেন বলেন, তহিরন নেসা ভোরে সাপের কামড়ে মারা গেছে। তবে কি সাপে কামড় দিয়েছে এ ব্যাপারে কেউ কিছুই বলতে পারেন নি। এ নিয়ে এলাকাজুড়ে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে।

উপজেলা বন কর্মকর্তা মোতালিব আল মুমিন বলেন, রাসেল ভাইপারের চেয়ে অনেক ভয়ংকর সাপ রয়েছে বাংলাদেশে। এক নারীর মৃত্যু হয়েছে তা জানতে পেরেছি। তবে কি সাপের কামড়ে তার মৃত্যু হয়েছে তা কেউ বলতে পারছে না। আসামের পানির ঢলে বাংলাদেশে রাসেল ভাইপার সাপ এসেছে মনে হয়। রাসেল ভাইপার সাপ প্রায় ২শত বছর সাপটি বিলুপ্ত ছিল। রাসেল ভাইপার সাপ নড়াচড়া করে কম, সাপটি তেমন দৌড়ায় না। তবে সবাইকে সাবধান চলাচল করতে হবে।


আরও খবর