Logo
শিরোনাম

শীতের দাপট থাকবে কয়েকদিন

প্রকাশিত:Friday ২০ January ২০23 | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

মইনুল ইসলাম মিতুল :মৌলভীবাজারে মাঘের প্রথম সপ্তাহে আবারো জেঁকে বসেছে শীত। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৫ দশমিক ছয় ডিগ্রি সেলসিয়াস।

এটি এখন পর্যন্ত সবচেয়ে কম তাপমাত্রা। উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহের পর এবার শুরু হয়েছে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ। হিমেল বাতাস আর ঘন কুয়াশায় বিপর্যস্ত জনজীবন। তেঁতুলিয়ায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৬ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এদিকে তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। বেড়েছে ঠাণ্ডাজনিত রোগের প্রকোপ। সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে শিশু ও বয়স্করা।

মাঝারি ও মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বইছে ২৭ জেলায়। শীতের সঙ্গে ঘন কুয়াশায় বিপর্যস্ত জনজীবন। কষ্টের জীবন কাটছে ছিন্নমূল মানুষের। আরো কিছু দিন শীতের দাপট চলবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

বিভিন্ন স্থানে কুয়াশায় ঢেকে থাকে প্রকৃতি। শীত আর কুয়াশার কারণে প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হচ্ছেন না কেউ। তারপরও জীবিকার তাগিদে ঘরে বসে থাকলে চলে না অনেকের। মাঘের শীত যতই কাঁপন ধরাক হাড়ে, কাজে বের হওয়ায় নিস্তার নেই।

ঘন কুয়াশা আর সূর্য কিরণের অভাবে দিন ও রাতের তাপমাত্রার পার্থক্য কমেছে। চলতি মাসে দেশের কোথাও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৫ ডিগ্রির উপরে ছিল না। আর ঢাকায় এ মাসে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১১ দশমিক ৭ ডিগ্রি।

এদিকে আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস বলছে, শৈত্যপ্রবাহ থাকবে আরো কিছু দিন। বাড়বে বিস্তৃতি। নতুন করে আরো কিছু জেলায় ওপর দিয়ে বইতে পারে শৈত্যপ্রবাহ।


আরও খবর

সুখবর নেই বাজারে

Saturday ০৪ February ২০২৩




সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর

উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শিক্ষার্থীদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ

প্রকাশিত:Tuesday ১৭ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Friday ০৩ February ২০২৩ |
Image

 শফিউল আলম,স্টাফ রিপোর্টার :

সুনামগঞ্জের  বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে  ফতেপুর ইউনিয়নের ডিজিটাল নূরানী মাদ্রাসা অনন্তপুরে শীতার্ত ও মাদ্রাসা

 শিক্ষার্থীদের মাঝে শীতবস্ত্র কম্বল

 বিতরণ করা হয়েছে। ১৭জানুয়ারি মঙ্গলবার এ শীতবস্ত্র বিতরণ করা সম্পন্ন হয়। শীতার্তের সাহায্যে এগিয়ে আসায়, উপকারভোগী মৌলভী নুরুল হক সহ সবাই বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ সাদি উর রহিম জাদিদ কে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।প্রকাশ ১৬ জানুয়ারি সোমবার দুপুরে  

ডিজিটাল নূরানী মাদ্রাসা অনন্তপুর  এর আয়োজনে এশিয়ান নারী ও শিশু

অধিকার ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও মহাসচিব শিশু বন্ধু মোহাম্মদ আলী'র

সুনামগঞ্জ আগমন উপলক্ষে মাদ্রাসার মুহতামীম সাংবাদিক মাওলানা 

শফিউল আলম এর সভাপতিত্বে ও সমাজকর্মী এন এইচ লালনের সঞ্চালনায় মতবিনিময় সভা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়। এ অনুষ্ঠানে শিশু বন্ধু মোহাম্মদ আলীসহ  জামালগঞ্জ প্রেসক্লাব সভাপতি তৌহিদ চৌধুরী প্রদীপ কে  সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়। এদিকে সুনামগঞ্জ অনলাইন প্রেসক্লাব নির্বাচনে নবনির্বাচিত সভাপতি একে মিলন আহমদ ও সাধারণ সম্পাদক আবু হানিফ এবং সহ-সভাপতি মাহফুজুর রহমান সজীব কে ও সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয। এসময় এশিয়ান নারী ও শিশু অধিকার ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও মহাসচিব শিশু বন্ধু মোহাম্মদ আলী বলেন ডিজিটাল নূরানী মাদ্রাসা অনন্তপুর কে স্মার্ট মাদ্রাসা হিসেবে তৈরি করতে আমি সর্বান্তক চেষ্টা করব এবং শিক্ষা থেকে পিছিয়ে পড়া স্কুলের শিশুদের পাঠদানে সহায়তার জন্য এখানে দুই  টাকায় স্কুল প্রতিষ্ঠা করব ইনশাল্লাহ। এ কাজে সহায়তার জন্য সকলকে আহ্বান জানান তিনি। অনুষ্ঠান শেষে সময় কম থাকায়  কয়েক জন কে শীতবস্ত্র দেয়া হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন  বিশিষ্ট মুরব্বি মোহাম্মদ আলী, শাহ শাহিন আলম,আব্দুল আউয়াল প্রমূখ। 

 অতঃপর  ১৭ জানুয়ারি সকালে বস্ত্র বিতরণ সম্পন্ন করা হয়।


আরও খবর



ধামরাইয়ে শেখ কামাল

আন্তঃ স্কুল ও মাদ্রাসা অ্যাথলেটিকস প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:Friday ২৭ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

মাহবুবুল আলম রিপন :

ঢাকার ধামরাইয়ে শেখ কামাল আন্তঃ স্কুল ও মাদ্রাসা অ্যাথলেটিকস প্রতিযোগিতা (২০২৩) অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টার সময় কুশুরা আব্বাস আলী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ প্রাঙ্গনে এই অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এসময় ধামরাই উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা হোসাইন মোহাম্মদ হাই জকি এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও ঢাকা (২০) আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব বেনজির আহমেদ এমপি।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ও কুশুরা আব্বাস আলী উচ্চ বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মোঃ এনামুল হক আইয়ুব,ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও বাইশাকান্দা ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ মিজানুর রহমান, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ সিরাজ উদ্দিন সিরাজ, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান এডভোকেট সোহানা জেসমিন মুক্তা, ধামরাই উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শাহিন আশরাফী,ধামরাই উপজেলা ছাত্র লীগের সভাপতি মোঃ জামিল হোসেন, কুশুরা আব্বাস আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক সহ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



পৌষ মেলা বা সাকরাইন মেলা অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:Monday ১৬ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image
ধামরাইয়ে পৌষ সংক্রান্তিতে

মাহবুবুল আলম রিপন,স্টাফ রিপোর্টার :

ঢাকার ধামরাইয়ে চিরায়ত বাঙালির সংস্কৃতির অংশ হিসেবে  বারে মাসে তের পার্বণের একটি পৌষ সংক্রান্তি।সংক্রান্তি বলতে মাসের শেষ দিনকে বুঝায়।এ'দিন পৌষ মাসের শেষের দিন পঞ্জিকা মতে সনাতনধর্মাবলম্বীরা পৌষ সংক্রান্তিতে বিভিন্ন ধর্মীয় রীতিনীতি অনুযায়ী পূজা-অর্চনা করে থাকে।পৌষ সংক্রান্তি উপলক্ষে ধামরাই উপজেলায় নানা স্হানে বুড়া-বুড়ি পূজা ও পৌষ মেলা বা সাকরাইনের মেলা অনুষ্ঠিত হয়। ধামরাই উপজেলায় ১১টি স্হানে  ঐতিহ্যময় পৌষ মেলা অনুষ্ঠিত হয় তার মধ্যে ধামরাই পৌরসভার যাত্রাবাড়ীস্হ শ্রীশ্রী যশোমাধব দেবের মন্দিরের ঐতিহাসিক মাঠ,ধামরাই সদর ইউনিয়নের হাজীপুর গ্রামের বুড়া-বুড়ি মন্দিরের মাঠ,ধামরাই পৌরসভার আইঙ্গন মহল্লায় বুড়া-বুড়ির মন্দির সংলগ্ন স্হানে,এছাড়াও ধামরাই উপজেলার কালামপুর, শ্রীরামপুর, সোমভাগ,সানোড়া, গোপালপুর, বাড়িগাঁও, সীতি পাল্লী সহ বিভিন্ন এলাকায় ঐতিহ্যবাহী পৌষ মেলা অনুষ্ঠিত হয়। 

 রবিবার (১৫ই জানুয়ারি)  ভোর থেকে শুরু হয়েছে পৌষ সংক্রান্তির পৌষ মেলা বা সাকরাইনের মেলা। ধামরাই পৌরসভার যাত্রাবাড়ীস্হ শ্রীশ্রী যশোমাধব দেবের মন্দিরের মাঠে ভোর থেকে শুরু হয়েছে এ'মেলা। 

মেলায় মাটির তৈরি বিভিন্ন প্রকার জিনিসপত্র, লোহার তৈরি দা,বটি সহ অন্যান্য উপকরন,শিশুরকিশোরদের বিভিন্ন ধরনের খেলনার দোকান,বাঁশ-বেতের তৈজসপত্র, গৃহস্হালীর বিভিন্ন জিনিসপত্র, 

 বিভিন্ন প্রকার খাবার সামগ্রী - খই,বিন্নি,মুড়ি,বাতাসা,কদমা,চিনির তৈরি বিভিন্ন প্রকার খেলনা,চটপটির দোকান সহ বিভিন্ন প্রকার স্টল।

এসব দোকানে বিভিন্ন বয়সী লোকদের ভীড় লক্ষ্য করা গেছে। বিশেষ করে মাটির তৈরি সরঞ্জাম ও গৃহস্হালির প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দোকানে সবধর্মের মানুষের ভীড় লক্ষ্যণীয়।

উৎসব বা মেলাটা সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ঘিরে হলেও ধর্মীয় গন্ডীর সীমারেখা অতিক্রম করে সার্বজনীনতা ফুটে উঠেছে। পৌষ মেলা শিশু কিশোরদের জন্য খুবই আনন্দের।তারা বিভিন্ন খেলনা সহ বাহারি রকমের খাবার কিনে দেওয়ার জন্য অভিভাবকদের নিকট বায়না ধরে সেইসাথে তাদের বায়না অনুযায়ী মেলা থেকে বায়নাকৃত খেলনা ও খাবার সামগ্রী কিনে দিতে বাধ্য হয়।

সকাল থেকেই ধামরাইয়ের বিভিন্ন বাড়ির ছাদ ও মাঠ থেকে উচ্চস্বরে ভেসে আসে গান।গানে ছন্দে উচ্ছাসে ঘুড়ি-উৎসবে যোগ দেন বিভিন্ন বয়সী মানুষ।ঘুড়ি উৎসবে শুধু ঘুড়ি থাকে না,থাকে হরেক রকম পিঠা-পুলি।এটাকে পিঠা উৎসবও বলা যায়। বড় বাজার মহল্লার বাসিন্দ শিশির পাল বাড়ির ছাদে ঘুড়ি উৎসবে যোগ দেন শিশু কিশোরদের সঙ্গে। শিশির পাল বলেন সাকরাইন মানেই ঘুড়ি উৎসব।ছোট ভাইয়ের সাথে ঘুড়ি উড়াতে এসেছি,প্রতিবছর ঘুড়ি উৎসবে ঘুড়ি উড়াই আনন্দের সহিত।

আজ রবিবার বিকেলে ধামরাই সদর ইউনিয়নের হাজীপুর গ্রামের বুড়া-বুড়ি মন্দিরের মাঠে পৌষ মেলা বসবে চলবে রাত্রি পর্যন্ত। আগামীকাল সোমবার ধামরাই পৌরসভার আইঙ্গন এলাকায় বুড়া-বুড়ি মন্দির সংলাপ স্হানে পৌষ মেলা বসবে।হাজার-হাজার মানুষ সমবেত হবে ঐতিহাসিক পৌষ মেলায়।


আরও খবর



মহানায়িকা সুচিত্রা সেনের মৃত্যুবার্ষিকী

প্রকাশিত:Tuesday ১৭ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

সুচিত্রা সেন। বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে এক কিংবদন্তি নায়িকার নাম। এই মহানায়িকার ৯ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ২০১৪ সালের ১৭ জানুয়ারি কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে মারা যান তিনি।

১৯৫২ সালে চলচ্চিত্রে প্রথম পা রাখেন তিনি। মহানায়ক উত্তম কুমারের সাথে ১৯৫৩ সালে "সাড়ে চুয়াত্তর" ছবি করে সাড়া ফেলে দেন চলচ্চিত্র অঙ্গনে।আজও স্মরণীয় হয়ে আছে উত্তম-সুচিত্রা জুটি।
২৬ বছরের ক্যারিয়ারে তিনি অগ্নিপরীক্ষা, সাগরিকা, দেবদাস, হারানো সুর, ইন্দ্রানী, সপ্তপদীর মতো সুপারহিট সব চলচ্চিত্র উপহার দিয়েছেন দর্শকদের। ১৯৭৮ সালে 'প্রণয় পাশা' ছবি করার পর লোকচক্ষুর অন্তরালে চলে যান এই মহানায়িকা। এরপর আর কোনোদিন জনসমক্ষে আসেননি। তবু তার আকাশ ছোঁয়া জনপ্রিয়তায় বিন্দুমাত্র ভাঁটা পড়েনি।


আরও খবর



কমছে আয়, বাড়ছে ব্যয়

প্রকাশিত:Saturday ০৪ February ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

রোকসানা মনোয়ার :করোনায় কমছে মানুষের আয়-রোজগার। আর এর বিপরীতে বাড়ছে জীবনযাত্রার ব্যয়। অবশ্য এই চিত্র আমাদের জন্য অতি পুরনো। তবে চলমান করোনার কারণে এই হ্রাস বৃদ্ধির মাত্রা বেড়েছে অনেকটাই। জানা গেছে, সম্প্রতি সাধারণ মানুষের ব্যয় বেড়েছে সাত ভাগ। বিশেষ করে মোটা ও মাঝারি চালের দাম বেড়েছে ২৫ শতাংশের বেশী।

দেশের আশিভাগ মানুষ নিত্যদিন যে ৩৭ টি পণ্য ব্যবহার করে, এগুলোর মূল্য বৃদ্ধির ফলে দুর্ভোগের মাত্রা বেড়েছে। কঠিন হয়ে ওঠেছে বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর জীবনযাপন। দেশের জনসংখ্যা প্রধানত দরিদ্র, মধ্যবিত্ত আর ধনী এই তিন ভাগে বিভক্ত। সবার আয় সমান নয়, ব্যয় করার ইচ্ছা ও সামর্থ্যও সবার সমান নয়। সাধারণ মানুষ তার ইচ্ছাকে নিয়ন্ত্রণ করে অর্থনৈতিক সামর্থ্য দ্বারা; আর ধনীরা তাদের সামর্থ্য দ্বারা ইচ্ছা তৈরি করে।

বাংলাদেশে মূলত কৃষক-শ্রমজীবী মানুষের সংখ্যাই বেশী। জরিপের তথ্য হচ্ছে, দেশে শ্রমজীবী মানুষের সংখ্যা প্রায় ছয় কোটি ৮২ লাখ। আর মোট শ্রমশক্তির ৮৮ শতাংশ অর্থাৎ প্রায় ছয় কোটি শ্রমজীবীই আবার অনানুষ্ঠানিক খাতে কর্মরত। যাদের চাকরি আয় কোন কিছুতেই স্থায়িত্ব নেই। এর মধ্যে কৃষিকাজে যুক্ত দুই কোটি ৮০ লাখের মতো।

 দেশের অর্থনৈতিক বিবেচনায় দশ শতাংশের মতো মানুষ আছে, যারা ধনী বা উচ্চবিত্ত। যাদের হাতে আছে দেশের মোট আয়ের ৪৬ শতাংশ। আর উচ্চ মধ্যবিত্ত ১৩ শতাংশের হাতে আয়ের সাড়ে ২১ শতাংশ, মধ্যবিত্ত ও নিম্ন মধ্যবিত্ত ৩৭ শতাংশের হাতে ২৬ শতাংশ আয় এবং ৪০ শতাংশ দরিদ্রের হাতে আছে আয়ের মাত্র সাত দশমিক ৬৩ শতাংশ। বিশেষ করে এই ৪০ শতাংশ দরিদ্রের অবস্থা এখন খুবই করুণ। অন্য সবার মতো এই শ্রেণীর মানুষের আয় কমে গেছে। বেড়েছে ব্যয়। আর এই অবস্থায় প্রথম সংকোচন আসে খাদ্যে। সুষম খাদ্য তো দূরের কথা, অনেক সময় কোন খাদ্যই জোগাড় করতে পারছেনা তারা। যে কারণে তাদের মধ্যে বাড়ে অপুষ্টি। যার বিরূপ প্রভাব পড়ে নারী ও শিশুর জীবনে। অথচ পুষ্টির অভাব থাকলে শিশুদের মেধার বিকাশ হয় না। আর চলতি করোনাকালে মানুষের শরীরে যথাযথ পুষ্টির যোগান দেয়া জরুরি।

পুষ্টিহীন শরীরে করোনা সহজে আক্রমণ করতে পারে। কিন্তু এই পুষ্টির যোগান দেয়ার পেছনে দুটি প্রতিবন্ধকতা। একটা হলো পণ্যমূল্য বৃদ্ধি এবং অপরটি আয় কমে যাওয়া। নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধিতে পারিবারিক ব্যয় ও দুশ্চিন্তা বৃদ্ধিপায়। বিশেষত চাল, ডাল, চিনি, শিশু খাদ্য, ওষুধ, পরিবহণ ভাড়া ইত্যাদি পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি করা হয় সিন্ডিকেট করে। যার মারাত্মক প্রভাব পড়ে দরিদ্র মানুষের ওপর।

নতুন বছরের শুরু হয়েছিল বিদ্যুৎ ও গ্যাসের বাড়তি দাম কার্যকরের মধ্য দিয়ে। দিন যত যাচ্ছে মুরগি,ডিম,ডাল,কাঁচা মরিচের দাম ততই বাড়ছে,যা সংসারের ব্যয়ের চাপ আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে, মাঠে শ্রমজীবি খেটে খাওয়া মানুষের।

সব মিলিয়ে সাধারণ জনগনের নাভিশ্বাস বেড়েই চলছে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ানোর কারনে। সরকার গ্যাস-বিদ্যুতের মতো সেবামূল্য বাড়িয়ে দিচ্ছে। দুইদিকের চাপে হিমশিম খাচ্ছে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত।


চিনি,তৈল ও ইত্যাদি দাম বেড়েছিল তা কমানোর কোsনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। এবং সরকার অনেক পণ্যের দাম নির্ধারণ করেছে তা-ও অনেক সময় মানা হচ্ছে না। মুল বাজারের থেকে পাড়া-মহল্লার মুদি দোকানে গেলে দাম আরও বেশি দিতে হয়।

 

 


আরও খবর