Logo
শিরোনাম

শেখ হাসিনাসহ অতিথিদের মঞ্চে ডেকে নিলেন মোদি

প্রকাশিত:সোমবার ১০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ |

Image



বিডি টু ডে ডিজিটাল ডেস্ক:


নতুন করে ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন নরেন্দ্র মোদি। 


রোববার রাজধানী নয়াদিল্লির রাষ্ট্রপতি ভবনে জঁমকালো আয়োজনের মধ্যে টানা তৃতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন তিনি। 


প্রধানমন্ত্রী মোদি ছাড়াও এদিন ভারতের নতুন জোট সরকারের ৭২ জন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী শপথ নেন।



শপথ গ্রহণ শেষে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ আমন্ত্রিত অতিথিদের মঞ্চে ডেকে নেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং প্রেসিডেন্ট দ্রৌপদী মুর্মু। এরপর তারা একসঙ্গে সবাই ছবি তোলেন।


এর আগে বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় দিল্লির রাষ্ট্রপতি ভবনে উপস্থিত হন শেখ হাসিনাসহ আমন্ত্রিত অতিথিরা। এ সময় তারা মঞ্চের সামনে আসন গ্রহণ করেন।


প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গতকালই ভারতে যান। ভারতে অবতরণের পর উষ্ণ অভ্যর্থনায় তাকে বরণ করে নেওয়া হয়।



এই ৭২ জনের মধ্যে ৩০ জন পূর্ণমন্ত্রী, ৩৬ জন প্রতিমন্ত্রী এবং পাঁচজন ইন্ডিপেনডেন্ট চার্জ। তবে কাকে কোন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হবে সেটি আজ নির্ধারণ করা হয়নি। পরে যে কোনো সময় এ ব্যাপারে ঘোষণা দেওয়া হবে।


আরও খবর



কোভিশিল্ডের পর এবার কোভ্যাক্সিনেও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া!

প্রকাশিত:রবিবার ১৯ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ |

Image

অ্যাস্ট্রাজেনেকার পর এবার প্রশ্নের মুখে ভারতীয় ফার্মাসিউটিক্যালস কোম্পানি ভারত বায়োটেকের তৈরি করোনা টিকা কোভ্যাক্সিন। নতুন এক গবেষণায় জানা গেছে, যারা কোভ্যাক্সিন নিয়েছিলেন, তাদের এক তৃতীয়াংশেরই এক বছর পর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। শ্বাসকষ্ট থেকে শুরু করে চর্মরোগ ও রক্ত জমাট বাধার মতো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা গেছে কোভ্যাক্সিনে।

সম্প্রতিই এক গবেষণায় জানা গেছে, ব্রিটিশ-সুইস ওষুধ নির্মাতা কোম্পানি অ্যাস্ট্রাজেনেকার তৈরি কোভিড ভ্যাক্সিনে বিরল পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হচ্ছে। ভারতে সেরাম ইনস্টিটিউট অ্যাস্ট্রাজেনেকার সঙ্গেই তৈরি করেছিল এই ভ্যাক্সিনটি। অ্যাস্ট্রাজেনেকার পক্ষ থেকে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার বিষয়টি স্বীকার করে নেওয়ার পরই যারা অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা নিয়েছিলেন, তারা পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ভয়ে ভুগছিলেন। তখন স্বস্তিতে ছিলেন যারা কোভ্যাক্সিন নিয়েছিলেন। এবার কোভ্যাক্সিনেও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কথা জানা গেল।

স্প্রিঙ্গলার লিঙ্ক নামক একটি প্ল্যাটফর্মে প্রকাশিত গবেষণাতেই বলা হয়েছে, ভারত বায়োটেকের তৈরি কোভ্যাক্সিনে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিচ্ছে। বিশেষ করে কিশোরীদের মধ্যে, যাদের অ্যালার্জির সমস্যা রয়েছে, তাদের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

কী কী পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা গিয়েছে?

জানা গেছে, ভারতের বেনারসের হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি সমীক্ষা করা হয়েছিল। মোট ১ হাজার ২৪ জন এই সমীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন, এর মধ্যে ৬৩৫ জন সদ্য কৈশোরে পা দিয়েছেন এবং ২৯১ জন প্রাপ্তবয়স্ক ছিলেন। এক বছর ধরে এই সমীক্ষা গবেষণা করা হয়। এতে দেখা যায়, ৩০৪ জন কিশোর-কিশোরী (৪৭.৯ শতাংশ) এবং ১২৪ জন প্রাপ্তবয়স্কের (৪২.৬ শতাংশ) শ্বাসযন্ত্রে ভাইরাল সংক্রমণ দেখা দিয়েছিল।

গবেষণায় অন্তর্ভুক্ত ৬৩৫ জন কিশোর-কিশোরীর মধ্যে ১০.৫ শতাংশেরই ত্বকের রোগ দেখা দেয়। ৪.৭ শতাংশ কিশোর-কিশোরীদের মধ্যে স্নায়ুর রোগ দেখা দিয়েছে এবং ১০.২ শতাংশ কিশোর-কিশোরীদের মধ্যে সাধারণ রোগ দেখা গিয়েছে। ২৯১ জন প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যেও একই সমস্যা দেখা গিয়েছে।

প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে সাধারণ ব্যাধিগুলির শতাংশ ছিল ৮.৯ শতাংশ। পেশি এবং হাড় সম্পর্কিত রোগ ৫.৮ শতাংশের মধ্যে এবং স্নায়ু সম্পর্কিত রোগ ৫.৫ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে দেখা গিয়েছে। নারীদের ক্ষেত্রে কোভ্যাক্সিনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আরও মারাত্মক।

গবেষণায় অংশগ্রহণকারী ৪.৬ শতাংশ নারীদেরই ভ্যাকসিন নেওয়ার পর ঋতুস্রাব বা পিরিয়ড সম্পর্কিত সমস্যা বা অস্বাভাবিকতা দেখা গেছে। ২.৭ শতাংশের চোখের সমস্যা এবং ০.৬ শতাংশ নারীদের মধ্যে হাইপোথাইরয়েডিজমের সমস্যা দেখা গেছে। ০.৩ শতাংশের স্ট্রোক এবং ০.১ শতাংশের মধ্যে গুইলেন-বেরি সিন্ড্রোম দেখা গিয়েছে। জিবিএস হল এমন একটি বিরল রোগ যেখানে দেহ ধীরে ধীরে প্যারালাইজড হয়ে যায়।

সমীক্ষায় বলা হয়েছে, দুটি ডোজ গ্রহণকারী প্রাপ্তবয়স্কদের তুলনায় কোভ্যাক্সিনের তিনটি ডোজ গ্রহণকারী প্রাপ্তবয়স্কদের ঝুঁকি চার গুণ বেশি।

কোভ্যাক্সিন নেওয়ার পর কতজনের মৃত্যু হয়েছে?

গবেষণায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে, চারজন প্রাপ্তবয়স্কের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে তিনজন নারী ও একজন পুরুষ ছিলেন। চারজনেরই ডায়াবেটিস ছিল। তিনজন প্রাপ্তবয়স্কেরও উচ্চ রক্তচাপেরও সমস্যা ছিল। চারজনের মধ্যে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে স্ট্রোকের কারণে।

একটি মৃত্যু কোভিড-পরবর্তী রাইনোসেরিব্রাল মিউকোরমাইকোসিসের জেরে হয়েছিল। এটি একটি বিরল রোগ যা প্রধানত নাক, প্যারানাসাল সাইনাস এবং মস্তিষ্ককে প্রভাবিত করে।

চতুর্থ মৃত্যু একজন নারীর, যিনি টিকা দেওয়ার পরে বেশ কয়েকবার অজ্ঞান হয়ে গিয়েছিলেন। যদিও তার অজ্ঞান হওয়ার কারণ জানা যায়নি।


আরও খবর



আজ সেরা আটে যাওয়ার লড়াইয়ে নামছে বাংলাদেশ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ |

Image



স্পোর্টস রিপোর্টার:


যুক্তরাষ্ট্র পর্ব শেষ করে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল এখন ওয়েস্ট ইন্ডিজে। দেশটির সেন্ট ভিনসেন্টে অবস্থিত আর্নোস ভ্যালে গ্রাউন্ডে আজ রাত সাড়ে ৮টায় নেদারল্যান্ডসের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ।



 এটি নাজমুল হোসেন শান্তদের তিন নম্বর ম্যাচ। এর আগে শ্রীলঙ্কা ও দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে খেলে এসেছেন তারা। মার্কিন মুলুকে লঙ্কানদের হারাতে পারলেও প্রোটিয়াদের বিপক্ষে পরাস্ত হয়েছে টাইগার বাহিনী। তাতে সেরা আটে যাওয়ার জন্য আজকের ম্যাচটি বাংলাদেশের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। 


এই ম্যাচে জয় তুলে নিতে পারলে ‘ডি’ গ্রুপ থেকে পরের পর্বের জন্য অনেকটাই এগিয়ে থাকবেন শান্তরা। সেজন্য ডাচ বাধা কাটাতে মরিয়া বাংলাদেশ।


টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গেল আসরে নেদারল্যান্ডসকে হারানোর সুখস্মৃতি রয়েছে বাংলাদেশের। সাকিব আল হাসানরা এই দলকে হারিয়েই সেবার বিশ্বকাপ মিশন শুরু করেছিলেন। তারপর আরও একটি জয় পেয়েছিল বাংলাদেশ, কিন্তু দ্বিতীয় পর্বে যাওয়া হয়নি। 


কিন্তু এবার সেরা আট হাতছানি দিচ্ছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিদের। এখন পর্যন্ত চার বার টি-টোয়েন্টি ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশ ও নেদারল্যান্ডস। এর মধ্যে তিন বার জয় তুলে নিয়েছে টাইগার বাহিনী। 



২০১৬ বিশ্বকাপের পর ২০২২ বিশ্বকাপেও জয় এসেছে। ২০১২ সালে তিন জাতি সিরিজে ১ উইকেটে হেরেছিল বাংলাদেশ। তবে সেই পরিসংখ্যান বাদ দিলে বিশ্বকাপের মঞ্চে দাঁড়িয়ে অনেকটাই এগিয়ে থাকবেন শান্তরা।



গত প্রায় ১০ বছর ধরে আর্নোস ভ্যালেতে আন্তর্জাতিক ম্যাচ হচ্ছে না। এবার সেখানেই নামবে বাংলাদেশ। আশা করা হচ্ছে, নিউ ইয়র্কের নাসাউ কাউন্টির মতো ভরাডুবি হবে না। তবে দীর্ঘদিন ম্যাচ না হওয়ায় উইন্ডিজের এই উইকেট সম্পর্কেও ধারণা পাওয়া যাচ্ছে না। 



এই ম্যাচটি ‘ডি’ গ্রুপের অঘোষিত ফাইনাল হিসেবে সামনে এসেছে। দ. আফ্রিকা সেরা আট নিশ্চিত করার কারণে আজকের ম্যাচে যারাই জয় তুলে নিতে পারবে, দ্বিতীয় দল হিসেবে সেই দৌড়ে তারাই এগিয়ে থাকবে।


 আপাতত সেই লড়াই মাঠে গড়ানোর অপেক্ষায়। 


আরও খবর



২৯০ আসনে এগিয়ে মোদির এনডিএ, রাহুলের ইন্ডিয়া ২৩৭

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৪ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ |

Image

বিডি টু ডে  রিপোর্ট:


ভারতের লোকসভার নির্বাচন শেষে মঙ্গলবার (৪ জুন) ভোট গণনা চলছে। প্রাথমিক গণনায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) নেতৃত্বাধীন ন্যাশনাল ডেমোক্র্যাটিক অ্যালায়েন্স (এনডিএ) জোট ২৯০ আসনে এগিয়ে আছে। অপরদিকে রাহুলের ইন্ডিয়া ২৩৭ আসনে এগিয়ে।



মঙ্গলবার (৪ জুন) কংগ্রেসের মুখপাত্র পাওয়ান খেরা গণমাধ্যমকে বলেছেন, এটা একেবারে শুরুর দিকের ফল। দিনের পরের অংশে আমরা আরও ভালো ফল দেখতে পাব।


দেখা গেছে, কংগ্রেস এককভাবে ৯৭ আসনে এগিয়ে আছে। ইন্ডিয়া জোট বুথফেরত জরিপের আভাস পার করতে সক্ষম হয়েছে।


বারাণসী লোকসভা কেন্দ্রে প্রাথমিক তথ্যে এগিয়ে আছেন নরেন্দ্র মোদি। অমেঠী কেন্দ্রে এগিয়ে বিজেপি প্রার্থী স্মৃতি ইরানি। অন্যদিকে গান্ধীনগরে এগিয়ে আছেন অমিত শাহ।


হামিরপুরে এগিয়ে বিজেপি প্রার্থী অনুরাগ ঠাকুর, কনৌজ কেন্দ্রে এগিয়ে আছেন অখিলেশ যাদব। তবে রায়বরেলী এবং ওয়েনাড় দুই কেন্দ্রেই এগিয়ে রয়েছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী।


শনিবার (১ জুন) বুথফেরত জরিপের বলা হয়, মাত্র ১৪১-১৬২টি আসন পেতে পারে বিরোধী ইন্ডিয়া জোট। যা ইতোমধ্যে ছাড়িয়ে গেছে। এ ছাড়া অন্যান্য রাজনৈতিক দল ২১ আসনে এগিয়ে থেকে বিজয়ের আশা করছে।


এদিকে ভারতের নির্বাচন কমিশনের দাবি, প্রায় ১০০ কোটি নিবন্ধিত ভোটারের মধ্যে রেকর্ড সংখ্যক ৬৪ লোটি ২০ লাখ মানুষ ভোট দিয়েছেন।


দেশটিতে সরকার গঠনে লোকসভায় ৫৪৩ আসনের মধ্য ২৭২ আসনে বিজয়ী হতে হবে। দেশটিতে সাত দফার ভোটে প্রথমে পোস্টাল ব্যালট গণনা করেন কর্মকর্তারা। বর্তমানে একে একে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) ভোট গণনা করা হচ্ছে।


এদিকে বিজয় উদ্‌যাপনের প্রস্তুতিও শুরু করেছে বিজেপি। বিভিন্ন রাজ্যে জমকালো আয়োজনের অপেক্ষায় দলের নেতাকর্মীরা।


গত আড়াই মাস ধরে মোট সাত দফায় বিশ্বের সবচেয়ে বড় গণতন্ত্রের দেশটির প্রধান উৎসব সাধারণ নির্বাচনে ভোট হয়েছে। 


এবারের নির্বাচনে নথিভুক্ত ভোটার ছিলেন প্রায় ৯৭ কোটি। এদের মধ্যে ৬৪ কোটি ২০ লাখের বেশি ভোটার ভোট দিয়েছেন।


আরও খবর



রুমা-থানচিতে ভারী যানবাহন চলাচল বন্ধ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৮ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ |

Image

ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে বেইলি ব্রিজ দেবে গিয়ে রুমা-থানচিতে ভারি যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। একইসঙ্গে ১৫ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে স্থানীয়দের। মঙ্গলবার (২৮ মে) সকালে বান্দরবান সদরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে এ তথ্য জানা যায়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘূর্ণিঝড় রিমালের প্রভাবে গত রোববার থেকে থেমে থেমে ভারী বৃষ্টিপাত ও হাল্কা থেকে মাঝারি ঝড়ো হাওয়া বইছে। এতে বেশ কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ লাইনে গাছ ভেঙে পড়ে প্রায় ১৫ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে জেলা সদর, থানচি ও রুমায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। এছাড়া মোবাইল নেটওয়ার্ক বন্ধ থাকায় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে এসব এলাকা।

এদিকে বান্দরবান-রুমা-থানচি সড়কের মিলছড়ি পুলিশ ক্যাম্প সংলগ্ন বেইলি ব্রিজের নিচ থেকে মাটি সরে গিয়ে ব্রিজের গাইড ওয়াল ভেঙে যাওয়ায় বান্দরবান থেকে রুমা-থানচিতে ভারি যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে।

থানচি বাস মালিক সমিতির লাইনম্যান সাহাব উদ্দীন জানান, ব্রিজের একপাশে গাইড ওয়াল ভেঙে গিয়ে দেবে যাওয়ায় যানবাহন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে ব্রিজটি। ফলে দুর্ঘটনা এড়াতে রুমা-থানচিতে সকল প্রকার ভারি যানবাহন চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে।

মিলনছড়ি পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ রবিন্দু চাকমা জানান, ভারী বৃষ্টির ফলে মিলনছড়ি ক্যাম্প ও লাইমী পাড়ার মাঝামাঝি বেইলি ব্রিজের দক্ষিণ পাশের একাংশ দেবে যাওয়ার কারণে ভারি যানবাহন চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে।

বান্দরবান জেলা প্রশাসক শাহ মোজাহিদ উদ্দিন জানান, দুর্যোগ মোকাবিলায় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সার্বিক প্রস্তূতি গ্রহণ করা আছে। এছাড়া ঘূর্ণিঝড় রেমালের কারণে জেলায় এখনো পর্যন্ত বড় ধরনের কোনো ক্ষয়-ক্ষতির সংবাদ পাওয়া যায়নি।


আরও খবর



ঐতিহাসিক ছয় দফা দিবস আজ

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৭ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ |

Image

বিডি টু ডে রিপোর্ট:



আজ ঐতিহাসিক ৭ জুন, ছয় দফা দিবস। বাঙালি জাতির মুক্তিসংগ্রামের ইতিহাসে এক অনন্য প্রতিবাদী আত্মত্যাগে ভাস্বর একটি দিন। 


১৯৬৬ সালের ৭ জুন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঘোষিত বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ ছয় দফা দাবির পক্ষে দেশব্যাপী তীব্র গণ-আন্দোলনের সূচনা হয়। এই দিন বাংলার স্বাধিকার আন্দোলনকে স্পষ্টত নতুন পর্যায়ে উন্নীত করে। 


আর এই ছয় দফার মধ্য দিয়েই বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলন স্বাধীনতাসংগ্রামে রূপ নেয়।


ছয় দফা আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় আসে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা, ১১ দফা আন্দোলন, ’৬৯-এর গণ-অভ্যুত্থান, ’৭০-এর নির্বাচন, একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং সর্বশেষ বিশ্ব মানচিত্রে স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশের অভ্যুদয়। ঐতিহাসিক ছয় দফা দিবস উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন।



বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি তাসখন্দ চুক্তিকে কেন্দ্র করে লাহোরে অনুষ্ঠিত সম্মেলনের সাবজেক্ট কমিটিতে ছয় দফা উত্থাপন করেন এবং পরদিন সম্মেলনের আলোচ্যসূচিতে যাতে এটি স্থান পায়, সে ব্যাপারে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ করেন। কিন্তু সম্মেলনে বঙ্গবন্ধুর এই দাবির প্রতি আয়োজক পক্ষ গুরুত্ব প্রদান করেনি। তারা এই দাবি প্রত্যাখ্যান করে।


প্রতিবাদে বঙ্গবন্ধু সম্মেলনে যোগ না দিয়ে লাহোরে অবস্থানকালেই ছয় দফা উত্থাপন করেন। সেদিন পাকিস্তানের তত্কালীন সেনাশাসক জেনারেল আইয়ুব খান অস্ত্রের ভাষায় ছয় দফা মোকাবিলার ঘোষণা দিয়েছিলেন। ছয় দফার সমর্থনে ১৯৬৬ সালের ১৩ মে আওয়ামী লীগ আয়োজিত পল্টনের জনসভায় ৭ জুন হরতাল কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।



মাসব্যাপী ৬ দফা প্রচারে ব্যাপক কর্মসূচিও ঘোষণা করা হয়। ৭ জুন তেজগাঁওয়ে বেঙ্গল বেভারেজের শ্রমিক সিলেটের মনু মিয়া পাকিস্তান স্বৈরশাসকের গুলিতে প্রাণ হারান। এতে বিক্ষোভের প্রচণ্ডতা আরো বাড়ে। তেজগাঁওয়ে ট্রেন বন্ধ হয়ে যায়। 


আজাদ এনামেল অ্যালুমিনিয়াম কারখানার শ্রমিক আবুল হোসেন ইপিআরের গুলিতে শহিদ হন। একই দিন নারায়ণগঞ্জ রেলস্টেশনের কাছে পুলিশের গুলিতে মারা যান আরো ছয় শ্রমিক।


আন্দোলনের প্রচণ্ডতায় লাখো বাঙালি মাঠে নেমে পড়ে। সন্ধ্যায় জারি করা হয় কারফিউ। রাতে হাজার হাজার আন্দোলনকারী বাঙালিকে গ্রেফতার করা হয়। এমনিভাবে ৬ দফাভিত্তিক আন্দোলন সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ে। শহিদের রক্তে আন্দোলন নতুন মাত্রা পায়। ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত হয় শ্রমজীবী মেহনতি মানুষের আন্দোলন।


ঐতিহাসিক ছয় দফা দিবস উপলক্ষ্যে বাণীতে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, ঐতিহাসিক ৬ দফা কেবল বাঙালি জাতির মুক্তিসনদ নয়, সারা বিশ্বের নিপীড়িত-নির্যাতিত মানুষের মুক্তি আন্দোলনের অনুপ্রেরণার উত্স। বঙ্গবন্ধুর ৬ দফা দাবি থেকে শিক্ষা নিয়ে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হওয়ার জন্য তিনি তরুণ প্রজন্মের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।


প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাণীতে বলেন, ‘ঐতিহাসিক ৬ দফা’ কেবল বাঙালি জাতির মুক্তিসনদ নয়, সারা বিশ্বের নির্যাতিত-নিপীড়িত মানুষের মুক্তি আন্দোলনের অনুপ্রেরণার উৎস। শেখ হাসিনা বলেন, ‘আসুন, মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে যেকোনো ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে দেশের উন্নয়ন ও গণতন্ত্রের ধারাবাহিকতা রক্ষা করি এবং ২০৪১ সালের মধ্যে জাতির পিতার আজীবন স্বপ্নের উন্নত, সমৃদ্ধ, আধুনিক স্মার্ট সোনার বাংলাদেশ গড়ে তুলি।’


ঐতিহাসিক ছয় দফা দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের জন্য আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবী সংগঠন বিস্তারিত কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। 


আওয়ামী লীগের কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে সূর্য উদয়ক্ষণে বঙ্গবন্ধু ভবন, কেন্দ্রীয় কার্যালয় ও দেশব্যাপী আওয়ামী লীগ দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন। সকাল ৭টায় বঙ্গবন্ধু ভবন প্রাঙ্গণে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করা হবে।


আরও খবর