Logo
শিরোনাম
শবে বরাত পালন মুসলিম জাতিকে একতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ করে। ৫৭ তম খোশরোজ শরীফ ও মইনীয়া যুব ফোরামের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন বাঙালি সাংস্কৃতিতে মাইজভাণ্ডারী ত্বরীকার সাথে সম্পর্ক রয়েছে সীমান্তে হত্যা বন্ধের দাবীতে প্রতীকী লাশ নিয়ে হানিফ বাংলাদেশীর মিছিল লক্ষ্মীপুরে কৃষক কাশেম হত্যা: স্ত্রী, শ্বশুরসহ গ্রেপ্তার ৫ কুমিল্লা সিটি’র উপনির্বাচন: মেয়র পদে প্রতীক বরাদ্দ অবৈধ মজুদকারীরা দেশের শত্রু : খাদ্যমন্ত্রী ফতুল্লায় সিগারেট খাওয়ার প্রতিবাদ করায় কিশোরকে পিটিয়ে হত্যা বকশীগঞ্জে মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা নোবিপ্রবিতে সিএসটিই এলামনাই এসোসিয়েশনের নতুন কমিটি গঠন

সহায়ক হতে পারে মার্কিন ভিসা নীতি

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৫ মে ২০২৩ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে যুক্তরাষ্ট্র বুধবার যে নতুন ভিসা নীতি ঘোষণা করেছে, তা সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সরকারের অঙ্গীকার রক্ষায় সহায়ক হতে পারে।

বৃহস্পতিবার (২৫ মে) কাতার থেকে পাঠানো এক সংক্ষিপ্ত বিবৃতিতে তিনি বলেন, আমাদের সুষ্ঠু নির্বাচনের অঙ্গীকার ও অবস্থানকে যাতে কেউ জ্বালাও-পোড়াও আন্দোলনের মাধ্যমে বাধাগ্রস্ত করতে না পারে, তার জন্য মার্কিন সরকারের ভিসা নীতি আমাদের প্রচেষ্টাকে সাহায্য করতে পারে।

কাতার ইকোনমিক ফোরামে অংশ নিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বর্তমানে দোহায় রয়েছেন। এই সফরে তার সফরসঙ্গী পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

বাংলাদেশে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে নতুন ভিসা নীতির ঘোষণা দিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এই নীতি অনুযায়ী, ভোটের অনিয়মের সঙ্গে জড়িত কোনো বাংলাদেশিকে ভিসা দেবে না দেশটি।

বুধবার (২৪ মে) রাতে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি জে. ব্লিঙ্কেন এক টুইট বার্তায় বলেন, আজ, আমি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের সমর্থনে একটি নতুন ভিসা নীতি ঘোষণা করছি। এই নীতির অধীনে, গণতান্ত্রিক নির্বাচনে বাধা দেয়া ব্যক্তি ও পরিবারের সদস্যদের ভিসা নিষেধাজ্ঞা দিতে পারি, যদি তারা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক নির্বাচন প্রক্রিয়াকে দুর্বল করার জন্য জড়িত থাকে।

গণতান্ত্রিক নির্বাচন প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করে এমন কাজের মধ্যে রয়েছে যেমন- ভোট কারচুপি, ভোটারদের ভয় দেখানো, সহিংসতা, শান্তিপূর্ণ সমাবেশের অধিকার প্রয়োগ করতে বাধা দেয়া এবং বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে রাজনৈতিক দল, ভোটার, সুশীল সমাজ বা গণমাধ্যমকে তাদের মতামত প্রচার করা থেকে বিরত রাখা।


আরও খবর

রোজার আগে পেঁয়াজ-চিনি আমদানি নিয়ে আলোচনা

শুক্রবার ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




গজারিয়ায় পুরস্কার বিহীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, অভিভাবক মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ |

Image

মুন্সিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি : গজারিয়ায় উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠিত বাৎসরিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার না দিয়ে সার্টিফিকেট স্কুলে পৌঁছে দিবে বলে মাইকে ঘোষণা দেওয়া হয়।

গত (১৫ ফেব্রুয়ারী) বৃহস্পতিবার সকাল থেকে মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার টেংগারচর ইউনিয়নের হাজী কেরামত আলী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ প্রাঙ্গনে এ ক্রীড়া অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

ক্রিয়া প্রতিযোগিতায় সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন উপজেলা শিক্ষা অফিসার আব্দুল কাদির মিয়া, সহযোগী হিসেবে সহকারী শিক্ষা অফিসারগণ উপস্থিত ছিলেন।

স্থানীয় সুত্রে জানাযায়, বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে কয়েকশত ক্রীড়াপ্রেমী ছাত্র-ছাত্রীরা তাদের অভিভাবক ও শিক্ষকদের উপস্থিতিতে ক্রিয়া অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে কোন প্রকার পুরস্কার না দিয়ে শুধুমাত্র ছাপানো সার্টিফিকেট স্কুলে পৌঁছে দিবে বলে মাইকে ঘোষণা দেওয়া হয়।

এতে কোমলমতি ক্রীড়া শিক্ষার্থীদের প্রতিভা বিকাশে অনাগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে বলে অভিভাবক মহলে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়।

আগত শিক্ষার্থীদের কোন প্রকার পানীয় খাদ্যদ্রব্য সরবরাহ করা হয়নি বলে ছাত্র ছাত্রী ও অভিভাবকরা জানান।

বিশেষ সূত্রে জানা যায় ক্রীড়া প্রতিযোগিতা উপলক্ষে উপজেলা শিক্ষা অফিসের ৭ হাজার টাকা বরাদ্দ থাকলেও শিক্ষা অফিসার আব্দুল কাদির প্যান্ডেল, সাউন্ড সিস্টেম মাইক দুইজন সহকারি শিক্ষক হতে আদায় করে নেন। এমনকি বাৎসরিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার ব্যানার পর্যন্ত তৈরি করা হয়নি।

কয়েকজন ক্রীড়াপ্রেমী কোমলমতি শিক্ষার্থী জানান ব্যানার ও পুরস্কার না থাকায় আমরা আগামী ক্রিয়া অনুষ্ঠানে যোগদান করা থেকে বিরত থাকবো।

অভিভাবক ও শিক্ষকরা জানান বাৎসরিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় বিদ্যালয় ও উপজেলা শিক্ষা অফিস হতে বরাদ্দের অর্থ কোথায় ব্যবহার হলো তা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা নিয়ে কোমলমতি ক্রীড়া-প্রেমী শিক্ষার্থীদের প্রতিভা বিকাশে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করবেন।

উক্ত ক্রীড়াপ্রতিযোগিতা অনুষ্ঠান বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা অফিসার আব্দুল কাদির মিয়াকে ফোন দিলেও তাকে পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে গজারিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কোহিনুর আক্তার জানান বিষয়টি আমি অবগত নয়, তবে প্রতিভা বিকাশে ক্রীড়া-প্রেমী ছাত্র-ছাত্রীদের উৎসাহে পুরস্কার বিতরণে উপজেলা শিক্ষা অফিসার এই ভূমিকা কেন নিবে, তা তদন্ত করে দেখব।


আরও খবর

মাথায় আঘাত পেয়ে হাসপাতালে মোস্তাফিজ

রবিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




ফতুল্লায় সিগারেট খাওয়ার প্রতিবাদ করায় কিশোরকে পিটিয়ে হত্যা

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

বুলবুল আহমেদ সোহেল :

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় সিগারেট খাওয়ার প্রতিবাদ করায় সালমান নামে এক কিশোরকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে কিশোরগ্যাংয়ের হামলায় এ হত্যাকান্ডটি ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা চালায় স্থানীয় এক ইউপি সদস্য। 

নিহত সালমান (১৭) খুলনা জেলার শাহারাবাদ থানার জিনারতলা গ্রামের ভ্যান চালক মোফাজ্জল মিয়া ও খুকু বেগমের ছেলে। তারা স্বপরিবারে ফতুল্লার কুতুবপুর চিতাশাল কুসুমবাগ এলাকার ২নং গলির শাহজাহান মিয়ার বাড়িতে ভাড়া থাকেন।

নিহতের মা খুকু বেগম বলেন, বৃহস্পতিবার রাত ৯টায় ক্যানেলপাড় এলাকায় সাদ্দাম মিয়ার চায়ের দোকানের সামনে সালমান দাড়িয়ে ছিলো। তখন জাহিদ নামে এক ছেলে সিগারেট ধরায়। সালমান তাকে দূরে গিয়ে সিগারেট খেতে বললে দলবল নিয়ে লোহার রড ও লাঠি দিয়ে সালমানকে এলোপাথারি মারধর করে জাহিদ। সন্ত্রাসী হামলার শিকার হয়ে আহত অবস্থায় বাসায় ফিরলেও  শুক্রবার ভোর রাত ৪টায় তার অবস্থা খারাপ হওয়ায় দ্রুত হাসপাতালে নেয়ার পথে সালমান মারা যায়। এর পর স্থানীয় ইউপি মেম্বার জামান জানান,এ বিষয় নিয়ে থানা পুলিশ করলে লাশটা পুলিশ নিয়ে যাবে এবং ময়না তদন্তের জন্য কাটা ছেড়া করবে। তিন স্থানীয় ভাবে মিমাংসার কথা জানান। এক প্রকার মামলা না করার জন্য চাপ প্রয়োগ করেন। এসব কারণে শুক্রবার সন্ধ্যা পর্যন্ত ঘটনাটি ধামাচাপা ছিল। পর খবর পেয়ে গলায় দানের আগে মুহর্তে লাশ নিয়ে যায় ময়নাতদন্তের জন্য।

এবিষয়ে কুতুবপুর ইউনিয়ন পরিষদের ৪নং ওয়ার্ডের সদস্য জামান বলেন, এক ছেলে ফোন করে জানিয়েছে বৃহস্পতিবার রাতে ক্যানেলপাড় সাদ্দাম মিয়ার চায়ের দোকানের সামনে পোলাপান ঝগড়া করেছে। এতে মারধরে একজন মারাগেছে। এরপর বিষয়টি নিয়ে নিহত ছেলের বাবার সাথে ফোনে কথা বলে বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছি। তখন নিহতের বাবাকে বলেছি আপনে ইচ্ছে করলে স্থানীয় ভাবে মিমাংসা করতে পারেন আমি সহযোগীতা করবো। আর যদি তা না চান তাহলে মামলা করতে পারেন। 

এ ব্যাপারে ফতুল্লা মডেল থানার ওসি নূরে আজম জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে মামলার প্রস্তুতি চলছে।


আরও খবর



নিয়ম-নীতি না মেনে গভীর নলকূপ এলাকায় অ-গভীর নলকূপ স্থাপনের অভিযোগ

প্রকাশিত:শনিবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, সিনিয়র রিপোর্টার :

নওগাঁয় সংশ্লিষ্ট দপ্তরের এক শ্রেণির অসাধু কর্মকর্তার সহযোগিতায় প্রায় ৩ যুগ আগে স্থাপিত গভীর নলকূপের সেঁচ কমান্ডিং এলাকায় অবৈধ ভাবে বিদ্যুৎ চালিত অ-গভীর নলকূপ এস'টি'ডব্লিউ স্থাপনের অভিযোগ করা হয়েছে। কর্তৃপক্ষ সম্প্রতি ঐ অবৈধ অ-গভীর নলকূপ এর বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করলেও মাত্র ৩ দিন পরই ফের পূণঃ সংযোগ দেয়া হয়। এনিয়ে গভীর নলকূপ এর সেঁচ এলাকার চাষিদের মধ্যে বিরুপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। 

অবৈধ অ-গভীর নলকূপ এস'টি'ডব্লিউ মালিকের খুঁটির জোর কোথায় তা নিয়েও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলার চাঁন্দাশ ইউনিয়ন এর পন্ডিতপুর গ্রামের অফেল বর্ম্মণের ছেলে শ্রী কর্ণেক বর্ম্মণ অভিযোগ করেন যে, পন্ডিতপুর মৌজায় ১৯৯০ সালে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বিএমডিএ বিস্তর সরকারি টাকা ভর্তুকি দিয়ে একটি গভীর নলকূপ স্থাপন করেন। গত ৩ যুগ থেকে এই গভীর নলকূপের আওতায় আনুঃ ৩শ একর জমিতে সেঁচ দিয়ে আসছেন। উপকার ভোগী কৃষকদের নিয়ে সমিতি গঠন করে স্বল্প ব্যয়ে সেঁচ দেয়া হয়। কিন্তু সম্প্রতি একই মৌজায় ঐ গ্রামের পরেশ চন্দ্র বর্ম্মণের স্ত্রী কামনা রাণী একটি বিদ্যুৎ চালিত অ-গভীর নলকূপ এস'টি'ডব্লিউ স্থাপন করে গভীর নলকূপের আওতাভূক্ত জমিতে অবৈধ ভাবে সেঁচ দিচ্ছেন। অগভীর নলকূপের আশে পাশের চাষিদের এখান থেকে পানি নিতে বাধ্য করা হচ্ছে। এতে চাষিদের সেঁচ বাবদ গভীর নলকূপের চেয়ে অতিরিক্ত বেশি টাকা দিতে হচ্ছে কৃষকদের। এছাড়া গভীর নলকূপের সেঁচের আওতায় জমি কমে যাওয়ায় গভীর নলকূপ পরিচালনাকারীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। লাখ লাখ টাকা ব্যয়ে গভীর নলকূপ স্থাপন ও পাকা ড্রেন তৈরি করলেও অবৈধ অ-গভীর নলকূপ থেকে একই এলাকায় ফিতা পাইপ ও কাঁচা ড্রেন খনন করে সেঁচ দেয়ায় ভূগর্ভস্থ পানির অপচয় হচ্ছে। এভাবে বেশিদিন চললে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে গিয়ে এলাকা মরুকরণের দিকে যাবে। 

তিনি অভিযোগ করেন যে, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কোন নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে কামনা রাণীর নামে পন্ডিতপুর মৌজার ৩১৫ দাগে বিদ্যুৎচালিত অগভীর নলকূপ এস'টি'ডব্লিউ স্থাপনের অনুমোদন দেয়। এখান থেকে গভীর নলকূপের দূরত্ব মাত্র ৭' ফুট। অথচ কৃষি মন্ত্রণালয়ের সমন্বিত ক্ষুদ্রসেঁচ নীতিমালা ২০১৪ এর ধারা ৫.৩.১ (ঙ) ২ অনুযায়ী একটি গভীর নলকূপ থেকে অ-গভীর নলকূপের দূরত্ব কমপক্ষে ১৭শ' ফুট হতে হবে। এছাড়া বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বিএমডিএ ৩১৫ দাগে অ-গভীর নলকূপটি স্থাপনের অনুমোদন দিলেও এর বোরিং করা হয় এর থেকে বেশ কিছু দূরে ৩১৯ দাগে। অভিযোগ করা হয়েছে যে, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির নিয়মানুযায়ী কোন বিদ্যুৎ খুঁটি থেকে ১৩০ ফুটের বেশি দূরত্বে সংযোগ দেয়া যায়না। ৩১৫ নং দাগে বোরিং করা হলে তা ২০০ ফুটের বেশি দূরত্বে হতো। তাই ৩১৯ দাগে এটি খনন করা হয়। বিএমডিএ এর নিয়মানুযায়ী অনুমোদিত স্থান স্থানান্তরের কোন বৈধ প্রক্রিয়া অনুসরণ না করেই অন্য দাগে খনন করা হয়েছে। পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তারাও অবৈধ ভাবে ৩১৫ দাগের পরিবর্তে ৩১৯ দাগে বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়। 

শ্রী কর্ণেক বর্ম্মণ গত ১৪ জানুয়ারি এব্যাপারে বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কতৃপক্ষ মহাদেবপুর জোনের সহকারি প্রকৌশলী ইমাদাদুল হক ১৬ জানুয়ারি ঐ অবৈধ অ-গভীর নলকূপের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার জন্য নওগাঁ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ মহাদেবপুর জোনের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার বরাবর পত্র দিলে অবৈধ অ-গভীর নলকূপের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়। বিএমডিএ এর সহকারি প্রকৌশলী তার পত্রে উল্লেখ করেন যে, ১৯৯০ সালে স্থাপিত গভীর নলকূপ থেকে মাত্র ১০৫০ ফুট দূরে ওই অ-গভীর নলকূপটি স্থাপন করা হয়েছে যা সমন্বিত ক্ষুদ্র সেঁচ নীতিমালা ২০১৯ এর পরিপন্থি। ঐ অ-গভীর নলকূপের কোন বৈধ কাগজপত্র নাই ও সঠিক দাগ নম্বরে স্থাপন করা হয়নি। বর্তমান দাগ ও খতিয়ান নং সঠিক নয়। বিধিবহির্ভূতভাবে স্থানান্তর করা হয়েছে। এছাড়া একই কমান্ডিং এরিয়ায় অযাচিতভাবে দু'টি সেঁচ যন্ত্র স্থাপন করার কোন প্রয়োজন নাই। এতে পানি ব্যবহার নিয়ে কৃষকদের মধ্যে দ্বন্দ্ব ও অসন্তোষ সৃষ্টির আশংকা রয়েছে। বিধিবহির্ভূতভাবে অন্য দাগে স্থাপন, সেঁচ নালা স্থাপন ইত্যাদি কর্মকান্ড সেঁচ ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ অনিয়ম। সার্ভিস ড্রপ তার টেনে অনুমোদিত ভাবে এস'টি'ডব্লিউ স্থাপন ভূগর্ভস্থ পানি নীতিমালার পরিপন্থি। 

নওগাঁ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ঐ সংযোগটি সে-সময় বিচ্ছিন্ন করলেও মাত্র ৩ দিন পর ফের পূণঃসংযোগ দেয়।

বিষয়টি জানতে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বিএমডিএ এর মহাদেবপুর অফিসে গিয়ে জানা যায় সহকারি প্রকৌশলী ছুটিতে আছেন। তার দায়িত্বে থাকা উপ-সহকারি প্রকৌশলী এবাদুল হক ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, গত বছরের নতুন সার্কুলার অনুযায়ী একটি গভীর নলকূপ থেকে এস'টি'ডব্লিউ এর দূরত্ব হবে কমপক্ষে ১৫৫০ ফুট হতে হবে। পন্ডিত পুরের এস'টি'ডব্লিউটি এর চেয়ে কম দূরত্বে রয়েছে। বিষয়টি সংশোধন করা হচ্ছে বলেও তিনি জানান। 

এব্যাপারে মুঠোফোনে অভিযুক্ত কামনা রাণীর স্বামী পরেশ চন্দ্র বর্ম্মণের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি সংবাদকর্মীদের কিছু বলতে রাজি হননি। 

জানতে চাইলে, নওগাঁ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ মহাদেবপুর জোনের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার রবিউল আলম ৩১৯ দাগে বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়ার বিষয়টি অস্বীকার করে জানান, কাগজে কলমে ৩১৫ দাগ থাকলে তার কর্মীরা সে দাগেই বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়েছে। কিন্তু অগভীর নলকূপটি যে ৩১৯ দাগেই খনন করা হয়েছে তা তিনি মানতে নারাজ।

উপজেলা সেঁচ কমিটির সভাপতি ও মহাদেবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার কামরুল হাসান সোহাগ জানান, যে সব জায়গায় অনিয়ম হয়েছে সেগুলোর ব্যাপারে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। পন্ডিতপুরে গভীর নলকূপের কমান্ডিং এরিয়ার মধ্যে অবৈধভাবে অগভীর নলকূপ স্থাপন করা হয়ে থাকলে সেটাও সংশোধন করা হবে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ গত কয়েক বছর ধরে মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে অসংখ্য গভীর নলকূপের কমান্ডিং এরিয়ায় বিদ্যুৎচালিত অগভীর নলকূপ এসটিডব্লিউ স্থাপনের অনুমোদন দিয়েছে। এনিয়ে এলাকার চাষিদের মধ্যে চরম বিরোধ চলে আসছে। এনিয়ে দলাদলী, মারামারি সংঘটিত হয়েছে। উদ্ভব হয়েছে অসংখ্য মামলা মোকদ্দমার। সচেতন মানুষ এসব অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে অবৈধ ও অপ্রয়োজনীয় সেঁচযন্ত্র বন্ধের দাবি জানিয়েছেন।


আরও খবর



রাণীনগরে জামে মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের উদ্বোধন

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ |

Image

কাজী আনিছুর রহমান,রাণীনগর (নওগাঁ)  :

নওগাঁর রাণীনগর উপজেলার কালীগ্রাম সরদার ও দপ্তরীপাড়া জামে মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের উদ্বোধন করা হয়েছে। বুধবার দুপুরে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের উদ্বোধন করেন বিদু’,জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য নওগাঁ-৬,(আত্রাই-রাণীনগর)আসনের এমপি এ্যাড: ওমর ফারুক সুমন।

নওগাঁ জেলা জজ আদালতের পেশকার ও অত্র জামে মসজিদ কমিটির সভাপতি আমিনুল ইসলামের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ভিত্তিপ্রস্তরের উদ্বোধন করেন এ্যাড: ওমর ফারুক সুমন এমপি। এসময় কালীগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামীলীগ নেতা সিরাজুল ইসলাম বাবলু মন্ডল,গত ৫ম উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামীলীগ দলীয় মনোনিত প্রার্থী ও আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে রাণীনগর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থী আওয়ামীলীগ নেতা আনোয়ার হোসেন বিএ,সমাজ সেবক জায়তুল ইসলাম জনিসহ এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



বইমেলা শুরু বৃহস্পতিবার

প্রকাশিত:বুধবার ৩১ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ |

Image

বছর ঘুরে অমর একুশে গ্রন্থমেলার শুরু হচ্ছে বৃহস্পতিবার (১ ফ্রেব্রুয়ারি)। বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণ ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যানজুড়ে তৈরি বইয়ের স্টলগুলো বাহারি রঙের ছোঁয়া ও সজ্জায় বর্ণিল হয়ে উঠেছে। কাল থেকে প্রচ্ছদে রঙিন হয়ে উঠবে বইয়ের তাকগুলো।

১৯৫২র ভাষাশহীদদের স্মরণে আয়োজিত অমর একুশে বইমেলা এবারও পয়লা ফেব্রুয়ারি শুরু হচ্ছে। অধিবর্ষ হিসেবে ২০২৪ সালের বইমেলা হবে ২৯ দিন। এবার মেলার প্রতিপাদ্য, পড়ো বন্ধু গড়ো দেশ, বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ।

বাংলা একাডেমি সূত্রে জানা গেছে, ১ ফেরুয়ারি বিকেল ৩টায় মাসব্যাপী বইমেলার উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন বাংলা একাডেমির সভাপতি সেলিনা হোসেন, স্বাগত বক্তব্য দেবেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক মুহম্মদ নূরুল হুদা। এই মঞ্চ থেকেই বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২৩ তুলে দেওয়া হবে।

২০২৪ সালের অমর একুশে বইমেলার এর সার্বিক প্রস্তুতি বিষয়ে মঙ্গলবার (৩০ জানুয়ারি) একাডেমির আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলন করেছে বাংলা একাডেমি। এতে বইমেলার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন একাডেমির মহাপরিচালক কবি মুহম্মদ নূরুল হুদা।

একাডেমির মহাপরিচালক জানান, উদ্বোধনের পরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মেলা ঘুরে দেখতে যাওয়ার পথের দুপাশে বঙ্গবন্ধু ও ভাষা আন্দোলনের নানা স্মৃতি সাজানো হয়েছে। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে সম্প্রতি পুরস্কার ফেরত দিয়ে বাংলা একাডেমি নিয়ে কথাসাহিত্যিক জাকির তালুকদারের তোলা নানা প্রসঙ্গ আমলে নিয়ে বিভিন্ন বিষয় সংস্কার করা হবে বলে আশ্বস্ত করেন তিনি।

এ দিকে বইমেলার আগেই রাজধানীতে শুরু হয়েছে মেট্রোরেল সার্ভিস। ফলে যানজটের ভয়ে উত্তরা, মিরপুরসহ বিভিন্ন এলাকার যেসব পাঠক-ক্রেতা বইমেলায় আসতে চাইতেন না, তারাও আসবেন আশা করা হচ্ছে। মেট্রোরেলের টিএসসি স্টেশনে নামলেই বইমেলা। তাই মেট্রোরেল চলাচলের সময়সীমা রাত ৯টা পর্যন্ত বাড়ানোর অনুরোধ জানিয়েছে বাংলা একাডেমি।

এছাড়া বইমেলা প্রাণোবন্ত করতে এ বছরই প্রথম ঢাকার ২৫টি স্কুলের প্রশাসনের কাছে তাদের শিক্ষার্থীদের বইমেলায় আনার জন্য চিঠি পাঠিয়েছে বাংলা একাডেমি।

মঙ্গলবার বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণ এবং সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ঘুরে দেখা গেছে, স্টলের তুলনায় প্যাভিলিয়নগুলো নির্মাণ ও সজ্জা দিক দিয়ে এগিয়ে আছে। তবে স্টল সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, মেলা উদ্বোধনের আগেই সাজসজ্জার কাজ শেষ হয়ে যাবে।

বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণ এবং সোহরাওয়ার্দী উদ্যানকে ৪টি চত্বরে সাজানো হয়েছে। সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের স্টল থাকছে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে থাকছে সৃজনশীল প্রকাশনা সংস্থা ও লিটলম্যাগ চত্বর।

একাডেমি সূত্রে জানা গেছে, মেলার সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অংশে স্টল থাকছে ৪৫৯টি। উদ্যানের শিশু চত্বরে স্টল বরাদ্দ পেয়েছে ৬৭টি প্রতিষ্ঠান। চলতি বছর ২০টি নতুন প্রকাশনা সংস্থাকে স্টল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এবার লিটল ম্যাগ চত্বর সরিয়ে উদ্যানের মুক্তমঞ্চের পাশে নিয়ে আসা হয়েছে। টিএসসির দিকের গেট দিয়ে মেলায় প্রবেশ করলে হাতের ডানে পড়বে এই চত্বরটি। একইভাবে উদ্যানের মন্দিরের গেটের পাশেই থাকছে শিশু চত্বর। উদ্যানের অংশে থাকছে লেখক বলছি মঞ্চ। সেখানে নতুন বই নিয়ে হবে লেখক-পাঠক মতবিনিময়।

এদিকে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে নজরুল মঞ্চের পাশেই থাকছে মেলার মূল মঞ্চ। মেলা উপলক্ষে মূল মঞ্চে থাকবে মাসব্যাপী সেমিনার ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। পাশাপাশি শিশু-কিশোরদের জন্য চিত্রাঙ্কন, সংগীত ও আবৃত্তি প্রতিযোগিতা হবে।

মেলার তথ্যকেন্দ্রে নতুন বইয়ের খবর পাওয়া যাবে। থাকছে ডিজিটাল দিকনির্দেশনা। বইমেলার পরিধি ও বিন্যাস অপরিবর্তিত থাকছে। স্টল বিন্যাসের ক্ষেত্রে ফাঁকা জায়গা কম রেখে প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানগুলোকে কাছাকাছি রাখা হয়েছে।

মেলায় প্রথমবারের মতো স্টল দিচ্ছে প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান বেঙ্গলবুকস। লেকচার পাবলিকেশন লিমিটেডের এই প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানের প্রকল্পপ্রধান আজহার বিন ফরহাদ বলেন, অমর একুশে বইমেলায় প্রথমবার স্টল পাওয়া চ্যালেঞ্জিং। এজন্য বাংলা একাডেমির দেওয়া নিয়মনীতি অনুসরণ করতে হয়েছে।

শিল্পী আজহার ফরহাদ আরো বলেন, বিগত দিনের অভিজ্ঞতায় বলব, এবারের বইমেলা নতুন প্রকাশকদের জন্য আশাপ্রদ একটি মেলা। যেখানে আগে স্টল হতো না, সেখানে স্টল দেওয়া হয়েছে। নতুন প্রকাশকের জন্য অনেক সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে। তবে মেলা শুরুর পর এর বাস্তবতা বোঝা যাবে।

সংবাদ সম্মেলনে মেলার প্রস্তুতি বিষয়ে অবহিত করেন বইমেলা পরিচালনা কমিটির সদস্যসচিব এবং বাংলা একাডেমির মানবসম্পদ উন্নয়ন ও পরিকল্পনা বিভাগের পরিচালক কে এম মুজাহিদুল ইসলাম। তিনি জানান, শুধু মেলার পূর্বপ্রস্তুতি ও পর্যবেক্ষণের জন্য এবার ৭টা কোর কমিটি কাজ করছে। গতবারের মেলায় ওঠা অভিযোগ এবার সমাধানের চেষ্টা করা হয়েছে। মেলার সুন্দর করতে গত বছর বইমেলা শেষ হওয়ার পর থেকেই প্রস্তুতি নেওয়া হয়। বিগত সময়ে কিছু ঘটনার কারণে এবারও মেলার নিরাপত্তায় নেওয়া হয়েছে ব্যাপক প্রস্তুতি। সিসি ক্যামেরাসহ কয়েক স্তরের সুরক্ষা ব্যবস্থা থাকছে মেলা এলাকায়।


আরও খবর