Logo
শিরোনাম

শি জিনপিং-জো বাইডেন ঐকমত্য

প্রকাশিত:Tuesday ১৫ November ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ০৭ February ২০২৩ |
Image

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এবং চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংএর মধ্যে এক মুখোমুখি বৈঠক সোমবার (১৪ নভেম্বর) ইন্দোনেশিয়ার বালিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে। হোয়াইট হাউস জানিয়েছে দুই নেতাই ইউক্রেন যুদ্ধে পরমাণু অস্ত্র ব্যবহারের বিরুদ্ধে তাদের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন।

জি-টুয়েন্টি শীর্ষ সম্মেলনের জন্য বালিতে আগত প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এবং চীনা প্রেসিডেন্ট শি’র মধ্যে এই বৈঠক তিন ঘণ্টা ধরে চলে। সাক্ষাতের শুরুতে দুই নেতা সাংবাদিকদের সামনে হাসিমুখে করমর্দন করেন। এ বৈঠকের ফলে দুই পরাশক্তির মধ্যে সম্প্রতি শীতল হয়ে পড়া সম্পর্ক অন্তত কিছুটা উষ্ণ হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

হোয়াইট হাউস জানিয়েছে যে বাইডেন এ বৈঠকের সময় চীনা প্রেসিডেন্টকে বলেন, দু দেশের মধ্যে প্রতিযোগিতা চলবে, কিন্তু তা সংঘাতে পরিণত হতে দেয়া উচিত নয়। প্রেসিডেন্ট শি এ বৈঠকে জো বাইডেনের সঙ্গে একমত হন যে, ইউক্রেনের যুদ্ধে পরমাণু অস্ত্রের ব্যবহার কখনোই হওয়া উচিত নয়।

প্রেসিডেন্ট বাইডেন চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে কোন নতুন ঠাণ্ডা যুদ্ধ শুরু হবার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেন। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, তিনি ও শি জিনপিং পরস্পরকে বোঝেন এবং বেজিং বর্তমান বিশ্বব্যবস্থা পাল্টে দিতে চায় না।

বৈঠকের সময় তিনি চীনের শিনজিয়াং ও তিব্বত অঞ্চলে সংখ্যালঘুদের প্রতি আচরণ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তাইওয়ানের ব্যাপারে চীন যে ‘জবরদস্তিমূলক এবং আক্রমণাত্মক পদক্ষেপ’ নিচ্ছে তারও বিরোধিতা করেন মি. বাইডেন। চীনা প্রেসিডেন্ট বলেন, তারদেশের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক যেন যথাযথভাবে রক্ষিত হয় তা সারা বিশ্ব প্রত্যাশা করে।

চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, প্রেসিডেন্ট শি সতর্ক করে দিয়েছেন যে তাইওয়ানের অবস্থান চীনের স্বার্থের কেন্দ্রস্থলে- যে দ্বীপটিকে চীন তার নিজের অংশ বলে মনে করে।

 এ বৈঠকে আদৌ কতটা অগ্রগতি হবে : প্রেসিডেন্ট বাইডেন ২০২১ সালে প্রেসিডেন্ট হবার পর এটিই দুই নেতার প্রথম মুখোমুখি সাক্ষাৎ। তবে এর আগে তারা পাঁচবার ফোন ও ভিডিও কলে কথা বলেছেন এবং প্রেসিডেন্ট বাইডেন যখন ভাইস প্রেসিডেন্ট ছিলেন তখনও তাদের মধ্যে একাধিকবার সাক্ষাৎ হয়েছে।

সেপ্টেম্বর মাসে তাদের মধ্যে শেষবার যখন কথা হয় তখন তারা ইউক্রেন, কোভিড এবং তাইওয়ান ইস্যু নিয়ে কথা বলেছিলেন।

মার্কিন কংগ্রেসের নিম্নকক্ষের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসি আগস্ট মাসে তাইওয়ান সফর করার পর চীন অত্যন্ত ক্ষুব্ধ হয় এবং প্রেসিডেন্ট শি সেসময় ওয়াশিংটনের সমালোচনা করেছিলেন। এর পর চীন জলবায়ু এবং কোভিড মহামারী সংক্রান্ত কিছু বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সহযোগিতা বন্ধ করে দেয়।

সোমবারের বৈঠকের পর এগুলোর কয়েকটি আবার শুরু করতে পারলে তাকে একটি ইতিবাচক অগ্রগতি হিসেবেই দেখা হবে – সংবাদমাধ্যমকে এমন কথা বলেছেন একজন মার্কিন কর্মকর্তা।

দুই নেতার আলোচনায় বাণিজ্য, উত্তর কোরিয়ার উস্কানিমূলক আচরণ, তাইওয়ান নিয়ে উত্তেজনা এবং ইউক্রেনে রাশিয়ার চালানো অভিযানের মত প্রসঙ্গগুলো ছিল ।

সংবাদ মাধ্যমের খববে বলা হয়, চীনা নেতাকে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেছেন , যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে কোন সংঘাত বেধে যাওয়া ঠেকানোটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

প্রেসিডেন্ট বাইডেন আরো বলেন, দু দেশের মধ্যে যোগাযোগের পথগুলো খোলা রাখার ব্যাপারে তিনি অঙ্গীকারবদ্ধ – যার ফলে দু দেশ জরুরি বৈশ্বিক ইস্যু – যেমন জলবায়ু পরিবর্তন বা নিরাপত্তাহীনতা – এগুলোর ব্যাপারে একসাথে কাজ করতে পারে।

প্রেসিডেন্ট বাইডেন আরো বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও চীন এক সঙ্গে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে কাজ করবে তা সারা বিশ্বই প্রত্যাশা করে।

শি জিনপিং যা বললেন বাইডেনকে : চীনা প্রেসিডেন্ট বলেন, তিনি প্রেসিডেন্ট বাইডেনের সাথে একসঙ্গে কাজ করতে চান। গোটা বিশ্ব প্রত্যাশা করে যে যুক্তরাষ্ট্র ও চীন এই সম্পর্ককে যথাযথভাবে রক্ষা করবে । আমাদের এ বৈঠক বিশ্বের মনোযোগ আকর্ষণ করেছে। বিশ্বশান্তির জন্য আমাদেরকে সবদেশের সাথে মিলে কাজ করতে হবে।

আমাদের এ বৈঠকে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর ওপর খোলাখুলি মতামত বিনিময় করা প্রয়োজন- বলেন তিনি।

প্রেসিডেন্ট শি বলেন, চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক এখন এমন একটি অবস্থায় আছে যা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এখানে দু-দেশের নেতা হিসেবে তাদের সঠিক গতিপথ নির্ধারণ করতে হবে।

আমাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আগামী দিনে সামনে এগিয়ে নেয়া এবং উন্নত করার জন্য সঠিক দিকনির্দেশনা পেতে হবে। এ বৈঠকের ফলে চীন-মার্কিন সম্পর্ক কতটা স্বাভাবিক হতে পারে?

সম্প্রতি বাণিজ্য, তাইওয়ান প্রশ্ন, ইউক্রেন যুদ্ধ, উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা ইত্যাদি একাধিক বিষয়কে কেন্দ্র করে চীন-মার্কিন সম্পর্কের অবনতি হয়েছে।

বিবিসির বিশ্লেষক স্টিফেন ম্যাকডনেল বলছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও চীন উভয় সরকারই উপলব্ধি করছে যে দুদেশের মধ্যেকার উত্তেজনা অত্যন্ত গভীর এবং কোন যাদুমন্ত্রবলে এর সমাধান হয়ে যাবে এটা কোন পক্ষই মনে করছে না।

তবে এই দুই দেশের মধ্যে আকস্মিকভাবে বড় কোন সংঘাত বেধে যাওয়া ঠেকানো যায় এমন কিছু পদক্ষেপের ব্যাপারে দু'নেতা একমত হতে পারলে সেটাই হবে এক বড় অগ্রগতি, বলছেন স্টিফেন ম্যাকডনেল।

তিনি বলছেন, এক দেশ আরেক দেশের কোন আচরণকে ভুল বোঝার ফলে একটা যুদ্ধ বেধে যাক – এটা কোন পক্ষই চাইছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে যে এরকম কিছু ঠেকানোর ব্যবস্থা ইতোমধ্যেই নেয়া হয়েছে– যার মধ্যে ‘স্পষ্ট যোগাযোগের চ্যানেল’ এবং ‘কিছু লাল রেখা অতিক্রম না করার নীতিথাকতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে।

একজন বিশেষজ্ঞ বলছেন, তৃতীয় কোন দেশে বড় সম্মেলনের ফাঁকে দুই নেতার এ ধরনের বৈঠক যদিও কিছুটা 'মিডিয়াতে দেখানোর জন্যই' আয়োজন করা হয়, তবে এগুলো সম্পূর্ণ অর্থহীন নয়।

হংকং-এর চীনা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক পিয়ের ল্যান্ড্রি বলেন, এসব বৈঠকেও কখনো কখনো রাজনৈতিক অচলাবস্থা কেটে গেছে এমন নজির আছে।


সূত্র: বিবিসি বাংলা


আরও খবর



পৌষ মেলা বা সাকরাইন মেলা অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:Monday ১৬ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Monday ০৬ February ২০২৩ |
Image
ধামরাইয়ে পৌষ সংক্রান্তিতে

মাহবুবুল আলম রিপন,স্টাফ রিপোর্টার :

ঢাকার ধামরাইয়ে চিরায়ত বাঙালির সংস্কৃতির অংশ হিসেবে  বারে মাসে তের পার্বণের একটি পৌষ সংক্রান্তি।সংক্রান্তি বলতে মাসের শেষ দিনকে বুঝায়।এ'দিন পৌষ মাসের শেষের দিন পঞ্জিকা মতে সনাতনধর্মাবলম্বীরা পৌষ সংক্রান্তিতে বিভিন্ন ধর্মীয় রীতিনীতি অনুযায়ী পূজা-অর্চনা করে থাকে।পৌষ সংক্রান্তি উপলক্ষে ধামরাই উপজেলায় নানা স্হানে বুড়া-বুড়ি পূজা ও পৌষ মেলা বা সাকরাইনের মেলা অনুষ্ঠিত হয়। ধামরাই উপজেলায় ১১টি স্হানে  ঐতিহ্যময় পৌষ মেলা অনুষ্ঠিত হয় তার মধ্যে ধামরাই পৌরসভার যাত্রাবাড়ীস্হ শ্রীশ্রী যশোমাধব দেবের মন্দিরের ঐতিহাসিক মাঠ,ধামরাই সদর ইউনিয়নের হাজীপুর গ্রামের বুড়া-বুড়ি মন্দিরের মাঠ,ধামরাই পৌরসভার আইঙ্গন মহল্লায় বুড়া-বুড়ির মন্দির সংলগ্ন স্হানে,এছাড়াও ধামরাই উপজেলার কালামপুর, শ্রীরামপুর, সোমভাগ,সানোড়া, গোপালপুর, বাড়িগাঁও, সীতি পাল্লী সহ বিভিন্ন এলাকায় ঐতিহ্যবাহী পৌষ মেলা অনুষ্ঠিত হয়। 

 রবিবার (১৫ই জানুয়ারি)  ভোর থেকে শুরু হয়েছে পৌষ সংক্রান্তির পৌষ মেলা বা সাকরাইনের মেলা। ধামরাই পৌরসভার যাত্রাবাড়ীস্হ শ্রীশ্রী যশোমাধব দেবের মন্দিরের মাঠে ভোর থেকে শুরু হয়েছে এ'মেলা। 

মেলায় মাটির তৈরি বিভিন্ন প্রকার জিনিসপত্র, লোহার তৈরি দা,বটি সহ অন্যান্য উপকরন,শিশুরকিশোরদের বিভিন্ন ধরনের খেলনার দোকান,বাঁশ-বেতের তৈজসপত্র, গৃহস্হালীর বিভিন্ন জিনিসপত্র, 

 বিভিন্ন প্রকার খাবার সামগ্রী - খই,বিন্নি,মুড়ি,বাতাসা,কদমা,চিনির তৈরি বিভিন্ন প্রকার খেলনা,চটপটির দোকান সহ বিভিন্ন প্রকার স্টল।

এসব দোকানে বিভিন্ন বয়সী লোকদের ভীড় লক্ষ্য করা গেছে। বিশেষ করে মাটির তৈরি সরঞ্জাম ও গৃহস্হালির প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দোকানে সবধর্মের মানুষের ভীড় লক্ষ্যণীয়।

উৎসব বা মেলাটা সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ঘিরে হলেও ধর্মীয় গন্ডীর সীমারেখা অতিক্রম করে সার্বজনীনতা ফুটে উঠেছে। পৌষ মেলা শিশু কিশোরদের জন্য খুবই আনন্দের।তারা বিভিন্ন খেলনা সহ বাহারি রকমের খাবার কিনে দেওয়ার জন্য অভিভাবকদের নিকট বায়না ধরে সেইসাথে তাদের বায়না অনুযায়ী মেলা থেকে বায়নাকৃত খেলনা ও খাবার সামগ্রী কিনে দিতে বাধ্য হয়।

সকাল থেকেই ধামরাইয়ের বিভিন্ন বাড়ির ছাদ ও মাঠ থেকে উচ্চস্বরে ভেসে আসে গান।গানে ছন্দে উচ্ছাসে ঘুড়ি-উৎসবে যোগ দেন বিভিন্ন বয়সী মানুষ।ঘুড়ি উৎসবে শুধু ঘুড়ি থাকে না,থাকে হরেক রকম পিঠা-পুলি।এটাকে পিঠা উৎসবও বলা যায়। বড় বাজার মহল্লার বাসিন্দ শিশির পাল বাড়ির ছাদে ঘুড়ি উৎসবে যোগ দেন শিশু কিশোরদের সঙ্গে। শিশির পাল বলেন সাকরাইন মানেই ঘুড়ি উৎসব।ছোট ভাইয়ের সাথে ঘুড়ি উড়াতে এসেছি,প্রতিবছর ঘুড়ি উৎসবে ঘুড়ি উড়াই আনন্দের সহিত।

আজ রবিবার বিকেলে ধামরাই সদর ইউনিয়নের হাজীপুর গ্রামের বুড়া-বুড়ি মন্দিরের মাঠে পৌষ মেলা বসবে চলবে রাত্রি পর্যন্ত। আগামীকাল সোমবার ধামরাই পৌরসভার আইঙ্গন এলাকায় বুড়া-বুড়ি মন্দির সংলাপ স্হানে পৌষ মেলা বসবে।হাজার-হাজার মানুষ সমবেত হবে ঐতিহাসিক পৌষ মেলায়।


আরও খবর



বিএনপি অসুস্থ হয়ে গেছে : ওবায়দুল কাদের

প্রকাশিত:Monday ১৬ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Tuesday ০৭ February ২০২৩ |
Image

রোকসানা মনোয়ার :নেতিবাচক, ধ্বংস, ষড়যন্ত্র ও দুর্নীতির রাজনীতি করে বিএনপি অসুস্থ হয়ে পড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

সোমবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউস্থ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে বিএনপি-জামায়াতের সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যর প্রতিবাদে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ আয়োজিত সমাবেশে এমন মন্তব্য করেন তিনি।

 

ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির জন্য বিক্ষোভ সমাবেশ করছে। কেউ অশান্তির সৃষ্টি করলে, রাস্তা বন্ধ করে জনগণকে দুর্ভোগে ফেলার চেষ্টা করলে আমরা জনগণের জানমাল রক্ষার্থে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।

সেতুমন্ত্রী বলেন, বিএনপি নেতারা অসুস্থ হলে হাসপাতালে যাবেন। এ নিয়ে কটাক্ষ নয়। তবে অসুস্থ রাজনীতি করে অসুস্থ হলে সেই অসুস্থ বিএনপিকেও হাসপাতালে নিতে হবে। তাদের হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করতে হবে। নেতিবাচক, ধ্বংস, ষড়যন্ত্র ও দুর্নীতির রাজনীতি করে বিএনপি অসুস্থ হয়ে গেছে। তাদেরও হাসপাতলে যাওয়া দরকার।

 

কাদের বলেন, আওয়ামী লীগ এ দেশে ভেসে আসেনি। বিএনপি সরকার পতন করবে আর বাংলার মানুষ চুপ করে বসে থাকবে, সেটা ভাবার প্রয়োজন নেই। সত্য কথা বলার সাহস নেই মির্জা ফখরুলের। তারা কথায় কথায় মিথ্যাচার করে। বিএনপি চোখে সরিষা ফুল দেখছে। মানুষের জানমাল নিয়ে খেললে, খেলা হবে। যে কোনো নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে মাঠে থাকবে আওয়ামী লীগ। সরকার হটাতে গিয়ে তারাই হটে যাবে।

 

বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির জন্য বিএনপির বিক্ষোব-সমাবেশ মন্তব্য করে ওবায়দুল কাদের বলেন, আমরা সরকারে আছি। আমাদের দায়িত্ব হচ্ছে, জনসাধারণের জানমালের নিরাপত্তা দেয়া। এটা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। আগুন নিয়ে সন্ত্রাস, লাঠি নিয়ে খেলা, রাস্তা অবরোধ করে অশান্তি সৃষ্টি করাসহ এ ধরনের কাজ করলে জনগণের জানমাল রক্ষায় আমরা জনগণের পাশে আছি। সেজন্যই আজকের এই শান্তি সমাবেশ।

 

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ফখরুল সাহেব নাকি আমার কথার উত্তর দিতে চান না। আমি বলতে চাই, আমার কথার উত্তর দেয়ার মতো সামর্থ্য ও সাহস ফখরুলের নেই। আমি সত্য কথা বলি আর ফখরুলরা মিথ্যাচার করেন। কথায় কথায় তারা মিথ্যাচার করেন। এটাই হচ্ছে বিএনপির রাজনীতি।

 


আরও খবর



কে হচ্ছেন পরবর্তী রাষ্ট্রপতি

প্রকাশিত:Monday ০৯ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Tuesday ০৭ February ২০২৩ |
Image

মইনুল ইসলাম মিতুল :রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ দুই মেয়াদে এ পদে থাকায় তিনি আর রাষ্ট্রপতি হতে পারছেন না। সংবিধান অনুযায়ী নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হবে আগামী ফেব্রুয়ারির মধ্যে। সে কারণে খুব শিগগিরই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ব্যাপারে আওয়ামী লীগকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হবে।

আগামী ২৩ এপ্রিল বর্তমান রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের দায়িত্বের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। রাষ্ট্রপতির ৫ বছরের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগের ৯০ দিন থেকে ৬০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের কথা বলা হয়েছে সংবিধানে। সে অনুযায়ী আগামী ২৩ জানুয়ারি রাষ্ট্রপতি নির্বাচন প্রক্রিয়া শুরু হবে। এদিকে সময় যত এগিয়ে আসছে এ পদটি নিয়ে আলোচনাও তত বাড়ছে। বিশেষ করে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মধ্যে এ আলোচনা জোরালো হয়ে উঠেছে। কারণ, ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ যাকে রাষ্ট্রপতি প্রার্থী করবে, তিনিই সংসদ সদস্যদের ভোটে নির্বাচিত হবেন। সংসদীয় গণতন্ত্রে জাতীয় সংসদের সদস্যদের ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। বর্তমান সংসদে আওয়ামী লীগের নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে।

সংসদীয় গণতন্ত্রে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা সীমিত। সরকারের প্রধান প্রধানমন্ত্রী এবং তিনিই সর্বোচ্চ ক্ষমতার অধিকারী। প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শক্রমেই রাষ্ট্রপতি সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন। বাংলাদেশ বর্তমানে সংসদীয় গণতান্ত্রিক পদ্ধতির সরকার দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে। চলতি বছরের শেষে অথবা আগামী বছরের জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনের সময় কোনো কোনো ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতির ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। আগামী নির্বাচনকে কেন্দ্র করে অপশক্তির দ্বারা সংকট তৈরির চেষ্টা হতে পারে বলে অনেকেই আশঙ্কা করছেন। এরই মধ্যে বর্তমান নির্বাচন কমিশন নিয়ে বিএনপি ও কোনো কোনো রাজনৈতিক দল আপত্তি তুলেছে। নির্বাচনের সময় বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের পরিবর্তে নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে আন্দোলনে নেমেছে দলগুলো। এ পরিস্থিতিতে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন সংকটমুক্ত হওয়া অনেকটাই অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। এই প্রেক্ষাপটে একজন দক্ষ, সবার কাছে গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিকেই রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত করার ওপর গুরুত্ব দেবে আওয়ামী লীগ।

বিশেষ করে আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে নতুন রাষ্ট্রপতির সময়ে। সেজন্যই রাষ্ট্রপতি কে হচ্ছেন, এটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই কে হচ্ছেন পরবর্তী রাষ্ট্রপতি- এ নিয়ে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন মহলে আলোচনা হচ্ছে। রাষ্ট্রের শীর্ষ পদটির জন্য অনেকের নামও শোনা যাচ্ছে।

দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি হিসেবে আলোচনায় আছেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য সাবেক কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী। এছাড়া রয়েছেন আওয়ামী লীগের বর্তমান মন্ত্রিসভার দুই সদস্য। এছাড়া সাবেক একজন মন্ত্রীও রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচিত হতে পারেন বলে আলোচনা শোনা যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর একজন উপদেষ্টা সদস্যের নামও রাষ্ট্রপতি হিসেবে আলোচিত হচ্ছে। আলোচনায় আছেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের এক সদস্যও। তবে কে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পাবেন এবং কাকে রাষ্ট্রপতি করা হবে- সেটা সম্পূর্ণই নির্ভর করছে দলের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সিদ্ধান্তের ওপর।

আওয়ামী লীগ নেতাদের মতে, সামনের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে যে কোনো সংকট তৈরি হলে সাহসিকতা, দক্ষতা ও বিশ্বস্ততার সঙ্গে যিনি সংকট থেকে উত্তরণে অবস্থান নিতে পারবেন, তেমন কাউকেই এ পদে বসাবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। অনেক কিছু বিবেচনা করেই রাষ্ট্রপতি পদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন তিনি।

আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের এক নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ এই পদটিতে আওয়ামী লীগ কাকে নির্বাচিত করবে তা দলের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সিদ্ধান্তের ওপরই নির্ভর করছে। তিনি সার্বিক বিষয়গুলো বিবেচনা করেই সর্বাধিক যোগ্য ব্যক্তিকে এই পদে নির্বাচিত করবেন। তিনি বিশ্বস্ত, দলের আদর্শের প্রতি দায়বদ্ধ ও অনুগত ব্যক্তিকেই বিবেচনা করবেন।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন জাতীয় সংসদ সদস্যদের ভোটে। তফসিল ঘোষণাসহ এ নির্বাচন পরিচালনা করে নির্বাচন কমিশন। বর্তমানে জাতীয় সংসদে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার কারণে আওয়ামী লীগ যাকে মনোনীত করবে তিনিই রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন।

এছাড়া রাষ্ট্রপতি হওয়ার দৌড়ে এখন পর্যন্ত যাদের নাম আলোচনায় এসেছে তাদের মধ্যে রয়েছেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সাবেক বিচারপতি খায়রুল হক, প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিকবিষয়ক উপদেষ্টা ড. মসিউর রহমান, আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমির হোসেন আমু, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য আ ক ম মোজাম্মেল হক, আওয়ামী লীগের টানা তিনবারের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

আওয়ামী লীগের উচ্চপর্যায়ের কয়েকজন নেতা বলেছেন, রাষ্ট্রপতি কে হবেন- এ নিয়ে আওয়ামী লীগের থিংক-ট্যাংকের মধ্যে আলাপ-আলোচনা চলছে। প্রধানমন্ত্রী নিজেও বিভিন্ন ব্যক্তির মতামত নিচ্ছেন। এ ব্যাপারে তিনিই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন।

নতুন বছরের শুরুতে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বিষয়টি আলোচনায় এসেছে আইনমন্ত্রীর একটি বক্তব্যকে কেন্দ্র করে। গত ৪ জানুয়ারি সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেছেন, ‘যেহেতু তিনি (বর্তমান রাষ্ট্রপতি) দুই মেয়াদ থেকেছেন, সংবিধান অনুযায়ী আর থাকতে পারেন না। সেহেতু আমরা নতুন রাষ্ট্রপতি দেখব।’ মো. আবদুল হামিদকে তৃতীয় মেয়াদের জন্য রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত করতে হলে সংবিধান পাল্টাতে হবে- এ কথা জানিয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘এখন পর্যন্ত সংবিধান পাল্টানোর কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই।’

ফলে সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে তৃতীয় মেয়াদের জন্য মো. আবদুল হামিদ রাষ্ট্রপতি হচ্ছেন না- এটা নিশ্চিত। আর আওয়ামী লীগের দলীয় ফোরামেও জোরেশোরে আলোচনা হচ্ছে নতুন রাষ্ট্রপতি কাকে করা হতে পারে- তা নিয়ে। তবে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে এ নিয়ে দলীয় ফোরামে আলোচনা হয়নি। দলীয় সভাপতি শেখ হাসিনাও এ বিষয়টি ফোরামে উল্লেখ করেননি। আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারা বলছেন, সবকিছু বিবেচনা করে একজন যোগ্য ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন দেওয়া হবে।


আরও খবর



নারায়ণগঞ্জে ৩ কোটি ২০ লাখ টাকার হেরোইন উদ্ধার করেছে ডিবি

প্রকাশিত:Monday ১৬ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Monday ০৬ February ২০২৩ |
Image

বুলবুল আহমেদ সোহেল  :

আজ দুপুরে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে প্রেস ব্রিফিং পুলিশ সুপার গোলাম মোস্তফা রাসেল জানান, ১৫ জানুয়ারি দিবাগত রাত ২ টা ১০ মিনিটে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সিদ্ধিরগঞ্জের চিটাগাং রোড এলাকার বন্ধু পরিবহনের বাস কাউন্টারের সামনে পাকা রাস্তার উপর থেকে ১ কেজি ৬’শ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত আসামীর নাম মো. মাসুম সরকার। সে কুমিল্লার হোমনা ভবানীপুরের হাসান আলী সরকারের ছেলে। বর্তমানে ঢাকার রামপুরার হাজিপাড়ায় থাকতেন।উদ্ধারকৃত মাদকের পরিমান ১ কেজি ৬’শ গ্রাম। পুলিশ এ ঘটনায় আসামীর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য আইনে মামলা করেছেন। এ ঘটনায় পুলিশ আসামির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

পুলিশ সুপার জানান, এ ঘটনায় আরও কে কে জড়িত, কোথায় যাচ্ছিল বিষয় গুলো নিয়ে অনুসন্ধান চলছে।আসামীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৫ দিনের রিমান্ড চাওয়া হবে।


আরও খবর



সীমান্ত সড়ক প্রকল্প পরিদর্শন করলেন সেনাপ্রধান

প্রকাশিত:Monday ৩০ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Monday ০৬ February ২০২৩ |
Image

উচিংছা রাখাইন, রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি :

পার্বত্য চট্টগ্রামের সীমান্ত সড়ক প্রকল্পের কাজ পরিদর্শন করেন সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ। ৩০ জানুয়ারী সোমবার পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম সাইচাল আর্মি ক্যাম্পে দুমদুম্যা এলাকায় সীমান্ত সড়কের প্রকল্প পরিদর্শন করেন এবং কাজের অগ্রহতি নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলেন।

এ সময় সেনাপ্রধানের সাথে লেঃ জেনারেল আতাউল হাকিম সারওয়ারি হাসান, এসবিপি, এসজিপি, এনডিসি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি, পিএইচডি, মেজর জেনারেল মোঃ নজরুল ইসলাম, এসপিপি, এনডিইউ, এএফডব্লিউসি, পিএসসি, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোঃ হাবিব উল্লাহ, এসপিপি, এনডিসি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী, বিএসপি, এসইউপি, এনডিসি, এইচডিএমসি সহ রাঙ্গামাটি ব্রিগেড কমান্ডার সহ অন্যান্য সেনা কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় সেনা প্রদান বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের দুর্গম এলাকা গুলোতে কাজ করা খুবই কষ্টসাধ্য। এই অঞ্চলের পর্যটন শিল্পের বিকাশেও এই বর্ডার রোড ভূমিকা রাখবে। তিনি বলেন, দুর্গম এই এলাকা কাজ করতে গিয়ে কষ্ট হলেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এই সড়কের কাজ সমাপ্ত করা হবে। তিনি বলেন, আমি পরিদর্শন করতে এসে তা হলো এই এলাকায় যারা কাজ করছে তাদের মনোবল বাড়ানোর জন্য আমার পরিদর্শণে আসা। 

পার্বত্য চট্টগ্রামের উন্নয়নের অংশ হিসেবে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় সীমান্ত সড়ক নির্মাণ (প্রথম পর্যায়) শীর্ষক প্রকল্প হাতে নেয়।

প্রকল্পটির বাস্তবায়নকাল ২০১৮ সালের জুন থেকে ২০২৪ সালের জুন পর্যন্ত। রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানে প্রকল্পটির কাজ চলছে। সড়কটির মোট দৈর্ঘ্য ১ হাজার ৩৬ কিলোমিটার।

 প্রকল্পটির নির্মাণকাজ শেষ হলে পার্বত্য জেলাগুলোর সীমান্ত বরাবর নিরাপত্তা নিশ্চিতসহ যোগাযোগব্যবস্থার উন্নতি হবে। এ ছাড়া সীমান্তে দুই পাশের অবৈধ ব্যবসা বন্ধ হবে।

পাশাপাশি প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সড়ক যোগাযোগের মাধ্যমে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার ঘটবে। এটি সীমান্ত এলাকার কৃষিপণ্য দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পরিবহনের মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রামের আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নতিতেও ভূমিকা রাখবে।


আরও খবর