Logo
শিরোনাম

সিলেট অঞ্চলে পানিবন্দি সাড়ে ১৩ লাখ মানুষ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডে ডেস্ক:


সিলেটে টানা বর্ষণ ও ঢল অব্যাহত  রয়েছে। প্রধান নদী সুরমা, কুশিয়ারা, সারি নদীর ৬ টি পয়েন্টে বন্যার পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে সুরমা ও কুশয়ারা অববাহিকার অন্তত: সাড়ে ১৩ লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।



 সিলেট ও সুনামগঞ্জ শহরের অর্ধেকের বেশি বাসা-বাড়ি পানির নিচে তলিয়ে গেছে। শহর থেকে শুরু করে গ্রাম সর্বত্রই পানি। ঈদুল আজহার আগের রাত থেকে শুরু হওয়া বৃষ্টি থামছেই না। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, সিলেট অঞ্চলে আরও ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে। এতে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটে ২০২২ সালের মতো পরিস্থিতি ঘটতে পারে— এমন আতংক বিরাজ করছে সংশ্লিষ্ট এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে।  


এদিকে, টানা ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে উত্তরাঞ্চলের নদ-নদীর পানি বাড়ছে। কয়েকটি স্থানে তিস্তাসহ প্রধান নদ-নদীর পানি বিপদসীমার ওপরে প্রবাহিত হচ্ছে। আগামী কয়েক দিন অবিরাম বর্ষণের সম্ভাবনা থাকায় রংপুর, নীলফামারী, গাইবান্ধা ও কুড়িগ্রামের বন্যা পরিস্থিতি তৈরির আশঙ্কা করা হচ্ছে। 


 সিলেটের ১৩ উপজেলায় ৭ লাখ, সুনামগঞ্জের ৪ উপজেলায় আড়াই লাখ, মৌলভীবাজারের কুলাউড়া ও অন্যান্য এলাকায় ২ লাখ মিলে সাড়ে ১৩ লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন।


পানিবন্দি কোনো কোনো পরিবার সরকারি আশ্রয় কেন্দ্রে আসলেও বেশির ভাগ মানুষ বাড়িঘর, আসবাবপত্র গরু-বাছুর ফেলে আসতে চান না। তারা ঘরেই চৌকির উপর বসবাস করছেন। সেখানেই টিনের চুল্লায় রান্নাবান্না করে চরম দুর্ভোগে দিন পার করছেন। সেখানে বিশুদ্ধ খাবার পানি ও খাবারের সংকট দেখা দিয়েছে।   


সিলেট মহানগরীর ২১ টি ওয়ার্ডে অর্ধলক্ষ মানুষ এখন পানিবন্দি। সিলেট জেলা ও মহানগর মিলিয়ে ৬২৭টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। এর মধ্যে মহানগরে ৮০টি। এসব আশ্রয়কেন্দ্রে ১৭ হাজার ২৮৫ জন মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন। জেলা ও মহানগর মিলিয়ে ৬১৯টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। 



সিলেট মহানগরের শাহজালাল উপশহর, যতরপুর, মেন্দিবাগ, শিবগঞ্জ, রায়নগর, সোবহানীঘাট, কালিঘাট, কামালগড়, মাছিমপুর, তালতলা, জামতলা, কাজিরবাজার, মাদিনা মার্কেট, আখালিয়া, মেজরটিলা ও দক্ষিণ সুরমার লাউয়াই, বরইকান্দি, আলমপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় অনেকের বাসাবাড়িতে গলা  পর্যন্ত পানি। 


নিচু এলাকার বাসা-বাড়ি প্রায় পুরোটাই তলিয়ে গেছে বন্যার পানিতে।  গত ২৭ মে সিলেটে আগাম বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। ঈদের দিন ভোররাত থেকে সিলেটে শুরু হয় ভারী বর্ষণ। সঙ্গে নামে পাহাড়ি ঢল। ফলে হু হু করে বাড়তে থাকে সিলেটের সব নদ-নদীর পানি। 



সিলেট সদর, গোয়াইনঘাট, কোমপানীগঞ্জ ও জৈন্তাপুরসহ কয়েকটি উপজেলার রাস্তাঘাট তলিয়ে যাওয়ায় সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। অনেক কৃষিজমির ফসল তলিয়ে গেছে, ভেসে গেছে পুকুরের মাছ। দুর্যোগ ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মো. মুহিবুর রহমান এমপি সিলেটের বন্যার্তদের দেখতে সিলেটে ছুটে আসেন। তিনি তাৎক্ষনিকভাবে সিলেট জেলার বন্যার্তদের জন্য নগদ ১০ লাখ টাকা, ১০০ টন চাল, ২ হাজার প্যাকেট শুকনো খাবার ত্রাণ সহায়তা প্রদান করেছেন।



সিলেটে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় প্রধান প্রধান পর্যটনকেন্দ্রগুলো দ্বিতীয় দফায় বন্ধ ঘোষণা করা হয় মঙ্গলবার দুপুরে। এর আগে গত ৩০ মে বন্যা পরিস্থিতির কারণে পর্যটনকেন্দ্রগুলো বন্ধ ঘোষণা করা হয়। পরে অবস্থার উন্নতি হলে ও ঈদকে সামনে রেখে পর্যটন কেন্দ্রগুলো খুলে দেওয়া হয়।


 সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মামুন হাওলাদার বলেন, উজানে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হবে।  সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রাশেদ ইকবাল চৌধুরী জানিয়েছেন, বন্যা মোকাবিলায় সুনামগঞ্জ জেলায় ৫১৬টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে।


সুনামগঞ্জ জেলা শহরের বিভিন্ন সড়কসহ অর্ধেকের বেশি বাসাবাড়ি ডুবে গেছে। বুধবার বিকালে বৃষ্টি থামলেও সার্বিক পরিস্থিতির উন্নতি নেই। অনেকেই নিরাপদ আশ্রয়ে গেছেন। আবার অনেকেই ঘরের খাট-পালং উঁচু করে পানির মধ্যেই বসবাস করছেন। ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে পানি ঢুকেছে। মধ্য বাজারে হাঁটু পানি।



 বাধন পাড়া, উকিল পাড়া, বড় পাড়া, সোমপাড়া, হাসন্নগর, ষোলঘর, নবীনগরসহ বহু এলাকার ঘরে পানি। রাতে বৃষ্টি কম হওয়ায় পানি কিছুটা কমলেও বাসাবাড়ি, রাস্তাঘাটে বন্যার পানি। জেলার ছাতক, দোয়ারা, বিশ্বম্ভরপুর, তাহিরপুর ও সদর উপজেলার অবস্থা ভয়াবহ।


 হবিগঞ্জে খোয়াই নদীতে বাঁধে ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। বুধবার দুপুরে শহরতলীর জালালাবাদে নদীর বাঁধে হঠাৎ ভাঙ্গন দেখা দেয়। ফলে প্রবল বেগে নদীর পানি জালালাবাদসহ আশপাশের এলাকায় প্রবেশ করছে। এদিকে সকাল থেকেই খোয়াই, কুশিয়ারা, কালনী নদীর পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।


 হাকালুকি হাওরের পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে বন্যা পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ ধারণ করছে। বড়লেখা উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের ২৫২ গ্রাম বন্যা কবলিত। ডুবে গেছে বাড়িঘর, রাস্তাঘাট ও ফসলের মাঠ। এতে প্রায় ১ লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন।


এদিকে প্রধান প্রধান নদীর পানি দ্রুত বেগে বৃদ্ধি পাচ্ছে। ইতিমধ্যে কলমাকান্দা উপজেলার উপদাখালি নদীর পানি বিপদসীমার ৩৩ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। কলমাকান্দার গুরুত্বপূর্ণ মনতলা সড়ক তলিয়ে গেছে।



তিস্তা নদীর  পানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে জেলার কাউনিয়া, পীরগাছা ও গঙ্গচড়া উপজেলার তিস্তা অববাহিকার বেশ কয়েকটি এলাকায় ভাঙন শুরু হয়েছে। পাউবো কোনো প্রতিরোধ মূলক ব্যবস্থা না নেওয়ায় ভাঙন কবলিত পরিবারগুলোর অনেকে নিরুপায় হয়ে বসতি সরিয়ে নিচ্ছে। বেশ কিছু চরাঞ্চলের বাড়িঘরের চারপাশে পানি প্রবেশ করার খবর পাওয়া গেছে।


 পানির নিচে তলিয়ে গেছে গ্রামীণ সড়ক। ডুবে গেছে ওই সব এলাকার মরিচ ও সবজি খেত। জরুরি ভিত্তিতে ভাঙন প্রতিরোধের ব্যবস্থা নেওয়া না হলে  সর্বস্বান্ত হয়ে পড়বে বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবারগুলো। পীরগাছা উপজেলার ছাওলা ইউনিয়নের শিবদেব পানিয়ালের ঘাট এলাকায়  কৃষকের ফসলি জমিতে ধরেছে ভাঙন। কেউ কেউ নদীর পাড়ে বাদাম তুলে স্তূপ করে রেখেছেন। 



রংপুরে তিস্তা নদীর পানি বিপদসীমার ২০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। গতকাল বেলা ১১টায় কাউনিয়া উপজেলার তিস্তা রেলসেতু এলাকায় তিস্তার পানি বিপদসীমার অতিক্রম করেছে।


গতকাল সকালে তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্টে তিস্তার পানি বিপদসীমার ২০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পানি কমতে থাকে। কিন্তু বৃষ্টি না থামায় নদীর পানি যেকোনো সময় বিপদসীমা অতিক্রম করে  লোকালয় প্লাবিত করতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন নদীতীরবর্তী এলাকার বাসিন্দারা।


এদিকে কুড়িগ্রামে প্রধান নদ-নদীগুলোর মধ্যে তিস্তা নদী ও দুধকুমার নদের পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। গতকাল সকাল ৯টায় পাটেশ্বরী পয়েন্টে দুধকুমার নদের পানি বিপদসীমার ৫ সেন্টিমিটার এবং কাউনিয়া পয়েন্টে তিস্তা নদীর পানি ২০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। এ ছাড়া অন্য নদ-নদীর পানি বিপদসীমা ছুঁই ছুঁই করছে।


নাগেশ্বরীতে একটানা ভারী বৃষ্টিপাত ও উজানের ঢলে বাড়ছে নদ-নদীর পানি। প্লাবিত হয়ে পড়েছে তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল। বৃষ্টির পানি সাথে উজানের ঢল মিশে স্বাভাবিকের চেয়ে উচ্চতায় এবং তীব্র স্রোতে প্রবাহিত হচ্ছে দুধকুমার, ব্রহ্মপুত্রসহ সকল নদ-নদীর পানি।  ফুলবাড়ীতে ধরলা নদীসহ সব কয়টি নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে।  আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে।


গাইবান্ধা জেলার সব নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। বিশেষ করে জেলার চারটি নদ-নদী ব্রহ্মপুত্র, ঘাঘট, তিস্তা ও করতোয়ার পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় তিস্তার পানি বিপদসীমার ২০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।


টেকনাফে ভারী বৃষ্টির কারণে কক্সবাজারের টেকনাফ ও সেন্টমার্টিনে ২০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। তলিয়ে গেছে শত শত বাড়ি-ঘর,চিংড়ি ঘের, মাঠ,খেতের জমি। উপজেলায় বিভিন্ন জায়গায় পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটলেও হলেও কেউ হতাহত হয়নি। মানুষের বাড়ি-ঘরেও পানি ডুকেছেন।


ঝিনাইগাতীতে মহরশি নদীর ঢলের পানির তোড়ে দিঘীরপাড় বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ভেঙ্গে কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। দুপুরে মহারশি নদীর পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে ঝিনাইগাতী সদর বাজারে প্রবেশ করে।


আরও খবর



‘গরুর মাংস’ বিতর্কে অভিনেত্রীকে বয়কটের ডাক

প্রকাশিত:সোমবার ০১ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

বিনোদন ডেস্ক:

বাংলাদেশের একটি রান্নার শোতে এসে গরুর মাংস রান্না শিখে বিপাকে ভারতের নির্মাতা ও অভিনেত্রী সুদীপা চট্টোপাধ্যায়। 



এই মুহূর্তে সামাজিকমাধ্যমে ভাইরাল রান্নার শোয়ের একটি ভিডিও। সামাজিকমাধ্যমে তাকে নিয়ে আলোচনা চলছে। তীব্র কটাক্ষের মুখে পড়েছেন তিনি। এমনকি ‘জ্যান্ত পুড়িয়ে মারা’র হুমকিও শুনতে হচ্ছে তাকে। 



বিতর্কের মুখে পড়ে গোমাংস রান্না নিয়ে ক্ষমাও চেয়েছেন সুদীপা। তবে ক্ষমা চাওয়ার পরেও গোমাংসকাণ্ডে তার বিরুদ্ধে উঠেছে বয়কটের ডাক।



বিনোদন জগতের জনপ্রিয় নাম সুদীপা। রান্নাবিষয়ক অনুষ্ঠান ‘জি বাংলা রান্নাঘর’র সঞ্চালনা করে খ্যাতি পেয়েছেন। বাংলাদেশেও আছে তার জনপ্রিয়তা। তাই ঈদ উপলক্ষে একটি রান্নার অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে হাজির ছিলেন তিনি।



অনুষ্ঠানে অভিনেত্রী তারিন জাহানের সঙ্গে দেখা গেছে সুদীপাকে। সেখানে দুজনে মিলে রান্না করেন গরুর মাংসের কোফতা। আর এতেই পশ্চিমবঙ্গের নেটিজেনদের রোষানলে পড়েছেন তিনি। অনবরত হুমকির মুখে পড়তে হচ্ছে তাকে।



 এমনকি তার পাঁচ বছরের ছেলে আদিদেব চ্যাটার্জিকেও অপহরণ করার হুমকি পাচ্ছেন।


এ প্রসঙ্গে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে সুদীপা বলেন, আমাকে টার্গেট করা হচ্ছে বারবার। যারা এটা নিয়ে ট্রল করছেন, তাদের মধ্যে সিংহভাগ মানুষ ভিডিওটা দেখেননি, আমি নিশ্চিত। আমি গরুর মাংস খাওয়া তো দূর অস্ত, রান্নাও করিনি। এমনকি ছুঁইওনি। 



দ্বিতীয়ত, তারিন জাহান নিজে রান্নাটা করেছেন। ভিডিওগুলো এখনও অপরিবর্তিত অবস্থায় রয়েছে। যে কেউ চাইলে দেখে নিতে পারেন। কোথাও দেখতে পাবেন না যে আমি গরুর মাংস স্পর্শ পর্যন্ত করেছি।



ভিডিওতে তারিনকেই মাংস রান্না করতে দেখা গিয়েছে, তবে রান্না শেষে হাতার মাধ্যমে গরুর মাংসের কোফতা পরিবেশনে তারিনকে সাহায্য করেন সুদীপা। আর সেই ভিডিও প্রকাশ হতেই দুই বাংলায় ব্যাপক তোপের মুখে পড়েছেন তারিন ও সুদীপা। 



শিগগিরই মানসী সিনহার সিনেমার শুটিংয়ে কলকাতায় যাবেন তারিন। তাকে সামাজিকমাধ্যমে অনেকেই হুমকি দিচ্ছেন, সেই নিয়েও উদ্বিগ্ন তারিন। এবার মুখ খুললেন তারিনও।


ভারতীয় গণমাধ্যম আনন্দবাজারকে তারিন বলেন, কোন পর্বে কী পদ রান্না হবে তার, চিত্রনাট্য আগে থেকেই ঠিক করা হয়ে যায়। এই রান্নার অনুষ্ঠানকে ঘিরে যত বিতর্ক। আর আমি এই বিতর্কে না চাইতেও জড়িয়ে পড়লাম।



 ঈদের সময় দর্শকের কথা মাথায় রেখে গরুর মাংসের একটি পদ চূড়ান্ত করা হয়েছিল। সে অনুযায়ী আমরা দর্শকদের জন্য ওই রান্না দেখিয়েছিলাম। আমি কিন্তু ওই অনুষ্ঠানে সুদীপাদিকে গরুর মাংস খেতে বলেছি বা আমি গরুর মাংস খাওয়াব বলেছি, এমন নয়। আমরা খাওয়া তো দূর, ছুঁয়েও দেখিনি। ওই অনুষ্ঠানের ভিডিও যে কেউ দেখতে পারেন।


ভাইরাল ভিডিওতে তারিনকে বলতে দেখা যায়, তুমি যেহেতু গেস্ট, আমি হোস্ট হিসেবে তোমাকে রান্না করে খাওয়াব। ইনফ্যাক্ট দর্শকদের রান্না করে দেখাব গরুর মাংসের কোফতা।


তারিন বিষয়টি ব্যাখ্যা করে বলেন, বকরি ঈদে আমরা গরুর মাংসের পদ রান্না করি। কিন্তু একজন অতিথিকে ঈদের সময় তো বলতে পারব না, আমি তোমাকে খাওয়াব না! তাই ‘খাওয়াব না’ কথাটা বলিনি। আবার ‘গোমাংস খাওয়াব’ও বলিনি।


আরও খবর



সপ্তাহ জুড়ে ভারী বৃষ্টির আভাস

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১১ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

মৌসুমি বায়ুর অক্ষ বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় ও উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি অবস্থায় থাকায় আগামী সপ্তাহ জুড়ে বৃষ্টি ঝরতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর। বুধবার রাতে আবহাওয়া অধিদফতরের সর্বশেষ পূর্বাভাসে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

আবহাওয়াবিদ মো. মনোয়ার হোসেন স্বাক্ষরিত ৭২ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, মৌসুমি বায়ুর অক্ষ পাঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তর প্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি অবস্থায় রয়েছে।

বুধবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে বলে জানানো হয়েছে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণ হতে পারে। সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণ হতে পারে। সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে।

শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং রাজশাহী, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে।


আরও খবর



ঈদযাত্রায় ঢাকার বাস টার্মিনালগুলোতে উপচে পড়া ভিড়

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image


সদরুল আইন:


ঈদের আর মাত্র দুদিন বাকি। তাই দলে দলে রাজধানী ছাড়ছে মানুষ। 


আজ শুক্রবাার (১৪ জুন) ভোর থেকেই বাস টার্মিনালগুলোতে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় দেখা যায়। রাজধানীর গুলিস্তান, মহাখালী, গাবতলী, সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালসহ বেশিরভাগ দূরপাল্লার বাস কাউন্টারে ভিড় করছেন ঘরমুখো মানুষ।



যাত্রীরা জানান, স্বজনদের সঙ্গে ঈদ উদযাপন করতে ভোরের আলো ফোটার আগেই ঘর থেকে বেরিয়েছেন অনেকে। বাস ধরতে যেন কোনোভাবেই দেরি না হয়, সেজন্য আগেভাগেই টার্মিনাল ও কাউন্টারে গেছেন তারা। 



তবে নির্ধারিত সময়ে অনেকে বাস না ছাড়ার অভিযোগ করেছেন। তারা বলছেন, বাসের জন্য দীর্ঘ সময় ধরে অপেক্ষা করতে হচ্ছে।


বাস কাউন্টার থেকে জানানো হয়,  ঢাকায় ফিরতে সময় বেশি লেগে যাওয়ায় নির্ধারিত সময়ে বাসগুলো টার্মিনাল বা কাউন্টারে পৌঁছাতে পারছে না। এজন্য বাস ছাড়তে কিছুটা দেরি হলেও যাত্রীদের ধৈর্য ধরার আহ্বান জানান তারা।


এদিকে, দূরপাল্লার বাস ছাড়াও যাত্রীদের চাপ বেড়েছে লঞ্চ ও রেলপথে। কমলাপুর রেলস্টেশনে যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রেলের অগ্রিম টিকেট পাওয়ার পরও সিটে বসতে পারেননি। 



ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে গত বুধবার (১২ জুন) থেকে শুরু হয় ‘স্পেশাল’ ট্রেন সার্ভিস। কিন্তু প্রথম দিনেই শিডিউল বিপর্যয়ে পড়ে সকল ট্রেন। 


অন্যদিকে, সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে গিয়ে দেখা গেছে, ভিড়ের চাপে হিমশিম খাচ্ছেন লঞ্চ যাত্রীরা।



পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, ঈদুল আজহায় নৌপথে ঘরমুখো মানুষের ঈদযাত্রা ও পশুবাহী নৌযানের চলাচল নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন রাখতে নৌ পুলিশ রয়েছে।


আইজিপি বলেন, জনগণের ঈদযাত্রা স্বস্তিদায়ক করা, যানবাহন চলাচলে শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং সড়ক দুর্ঘটনা রোধে মহাসড়কে ফিটনেসবিহীন ও মেয়াদোত্তীর্ণ গাড়ি এবং নসিমন, করিমন, ভটভটি, থ্রি হুইলার ইত্যাদি যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে।


হাইওয়ে পুলিশের প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি শাহাবুদ্দিন খান বলেন, যাত্রীদের আমরা বারবার অনুরোধ করছি যেন ঝুঁকিপূর্ণ অনিরাপদ যাত্রায় শামিল না হন।



 পিকআপ, পশুবাহী ট্রাক, খোলা ট্রাক, মালবাহী পরিবহন, বাসের ছাদে যাত্রা না করার জন্য। এ ধরনের ঝুঁকিপূর্ণ যাত্রায় শামিল হলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।


তিনি বলেন, আমাদের উচিত একটু দেরি হলেও সুস্থ ও সুন্দরভাবে বাড়ি গিয়ে স্বজনদের সঙ্গে ঈদ করা।


ঈদুল আজহার সরকারি ছুটি ১৬ থেকে ১৮ জুন পর্যন্ত হলেও এর আগে শুক্রবার ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি হওয়ায় মোট পাঁচ দিনের ছুটি পাচ্ছেন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।



আরও খবর



সংসদে অর্থমন্ত্রী: ১০ মাসে ১৩০ মিলিয়ন ডলার নিয়ে গেছে বিদেশি নাগরিকরা

প্রকাশিত:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ |

Image

সদরুল আইন:

বাংলাদেশে বসবাসকারী বিদেশি নাগরিকদের বছরে আয়ের তথ্য বাংলাদেশ ব্যাংকে সংরক্ষিত নেই। তবে গত বছর জুলাই থেকে চলতি বছরের এপ্রিল পর্যন্ত বিদেশিরা তাদের আয় থেকে ১৩০ দশমিক ৫৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার নিজ নিজ দেশে নিয়ে গেছেন বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী।


সোমবার (২৪ জুন) সংসদে ফরিদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল কাদের আজাদের এক লিখিত প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ কথা জানান। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর টেবিলে উত্থাপিত হয়।



কোন দেশের নাগরিক কত ডলার নিয়েছেন সেই তথ্য জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ভারত ৫০ দশমিক ৬০ মিলিয়ন ডলার, চীন ১৪ দশমিক ৫৬ মিলিয়ন ডলার, শ্রীলঙ্কা ১২ দশমিক ৭১ মিলিয়ন ডলার, জাপান ছয় দশমিক ৮৯ মিলিয়ন ডলার, কোরিয়া ৬ দশমিক ২১ মিলিয়ন ডলার, থাইল্যান্ড পাঁচ দশমিক ৩০ মিলিয়ন ডলার, যুক্তরাজ্য তিন দশমিক ৫৯ মিলিয়ন ডলার, পাকিস্তান তিন দশমিক ২৪ মিলিয়ন ডলার, যুক্তরাষ্ট্র তিন দশমিক ১৭ মিলিয়ন ডলার, মালয়েশিয়া দুই দশমিক ৪০ মিলিয়ন ডলার, অন্যান্য দেশের নাগরিকরা ২১ দশমিক ৯২ মিলিয়ন ডলার নিজ দেশে নিয়ে গেছেন।


এমপি আব্দুল লতিফের অপর এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে অর্থ মন্ত্রণালয় বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছে। মূল্যস্ফীতির চলমান সংকটের মূলে যে কারণগুলো রয়েছে তা হলো- বৈশ্বিক পণ্য বাজারে সরবরাহে অনিশ্চয়তা, মার্কিন ডলারের বিপরীতে টাকার মান কমে যাওয়া এবং দেশের বাজারে সরবরাহ শৃঙ্খলে ত্রুটি।



 অর্থনৈতিক এ সংকট কাটিয়ে দ্রব্যমূল্য সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখার জন্য সরকার বহুমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।



 


আরও খবর



নওগাঁয় অটো চার্জারের ধাক্কায় এক শিক্ষকের মুত্যু

প্রকাশিত:সোমবার ০১ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, সিনিয়র রিপোর্টার :

নওগাঁয় অটো চার্জারের ধাক্কায় মোঃ আনোয়ার হোসেন (৫৭) নামের এক মাদ্রাসা শিক্ষকের মৃত্যু হয়েছে। এদূর্ঘটনাটি ঘটে সোমবার দুপুরে নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলার বালুকাপাড়া মন্ডবতলী নামক স্থানে। নিহত আনোয়ার হোসেন মহাদেবপুর উপজেলা সদরের দুলাল পাড়ার বাসিন্দা ও সারতা রহমানিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার ছিলেন। 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার দুপুরে তার বাড়ির অদূরে বালুকাপাড়া মন্ডবতলীতে রাস্তা পার হওয়ার সময় একটি অটো চার্জার তাকে ধাক্কা দেয়। এ সময় তিনি গুরুতর আহত হলে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য মহাদেবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন। তার অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। সেখানে নিয়ে যাওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। মৃত্যুর সত্যতা নিশ্চিত করে মহাদেবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ রুহুল আমিন বলেন, সড়ক দূর্ঘটনায় মাদ্রাসা সুপার আহত হয়েছেন এবং পরবর্তীতে তিনি মারা যান এমন সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।


আরও খবর