Logo
শিরোনাম

শিশুর হাতে মোবাইল নয়

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৭ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৮ নভেম্বর ২০২২ |
Image

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘১৬ বছরের কম বয়সী শিশুদের বোঝার ক্ষমতা থাকে না কোনটি ভালো, কোনটি খারাপ। তাই যেসব শিশু মোবাইলে আসক্ত, তাদের মোবাইল ফোন ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা দিতে হবে।শিশুরা মোবাইল ফোন ব্যবহার করলে অজান্তেই অনেক অপরাধে জড়িয়ে পড়ে।

বয়সী ছেলে-মেয়েদের বোঝার ক্ষমতা থাকে না কোনটি ভালো, কোনটি খারাপ। তাই যেসব শিশু মোবাইলে আসক্ত, তাদের মোবাইল ফোন ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা দিতে হবে। তারা হঠাৎ মোবাইল ফোন আসক্তি কমাতে পারবে না। জন্য তাদেরকে দিনে সর্বোচ্চ দুই ঘণ্টা এটি ব্যবহার করতে দেয়া যায়, তবে একটানা আধা ঘণ্টার বেশি মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে দেয়া যাবে না।

তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে বেশি বেশি প্রচার করতে হবে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম যেমন ফেসবুক কোনো অ্যাবিউজ করলে তা ধরা যায়, ধরা পড়লে বিচার হবে। এটি প্রচার করতে পারলে শিশুদের ইন্টারনেট তথা সাইবার অপরাধ অনেকাংশে কমে যাবে।

অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে সাবেক তথ্য কমিশনার দৈনিক আজকের পত্রিকার সম্পাদক অধ্যাপক গোলাম রহমান বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করার ক্ষেত্রে সচেতনতা তৈরি করতে হবে। কোনটিতে লাইক, কমেন্ট দেয়া যাবে, তার জন্য সকলের সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। সাইবার অপরাধ দমনে সচেতনতার বিকল্প নেই।


আরও খবর

জন্মনিয়ন্ত্রণে আগ্রহ কমছে

শনিবার ২৬ নভেম্বর ২০২২




বিনিয়োগ শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে বিনিয়োগ করুন

প্রকাশিত:সোমবার ২১ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৮ নভেম্বর ২০২২ |
Image

অধ্যাপক ড আল আমিন, শিক্ষক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ঃ

পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা  নতুন যেই নির্দেশনা দিয়েছে, তাতে তারল্য কিছু বাড়বে বলে আমি মনে করি। এখানে ক্রেতা-বিক্রেতার পারস্পরিক সম্মতিতে  ব্লক মার্কেটে ফ্লোর প্রাইসের চেয়ে ১০% কম মূল্যে ক্রয়-বিক্রয় হবে,মূল বাজারে ফ্লোর প্রাইস বহাল থাকবে। এখানে  ১০% কমে যিনি ক্রয় করছেন তিনি যদি এক বছরও অপেক্ষা করেন,অন্যান্য যেকোন সঞ্চয় স্কিমের চেয়ে এটা কম লাভজনক হবে না। আর যিনি বিক্রয় করছেন,হয়তো তার খুব প্রয়োজন অথবা উনি তার বিনিয়োগ অন্য কোন শেয়ারে করতে পারেন,যেখানে তিনি হয়ত ১০% বেশি মুনাফা পাবেন বলে প্রত্যাশা করছেন। আমাদের দেশের পুঁজিবাজারের দুর্ভাগ্য ফেসবুক ভিত্তিক নানা গুজবে অনেকে বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন,এটাকেই কাজে লাগায় নানা প্রতারক চক্র। আপনি কি কখনো শুনেছেন,বড় কোন বিনিয়োগকারী,অথবা এমন কোন নির্ভরযোগ্য ফেসবুক পেইজ আছে,যেটা ফলো করে আপনি অনেক বেশি লাভবান হয়ে গেছেন? অবশ্যই না।কারণ ঐসব ফেসবুক গ্রুপ কারো কারো দালাল হিসাবে কাজ করে,যেসব বিনিয়োগকারী কম বুঝেন তাদের বেশি ক্ষতি হয় ঐসব গুজবে কান দিয়ে। তাই দোষটা কার?যিনি ফেসবুকের গুজব বিশ্বাস করেন,নাকি যিনি গুজব ছড়িয়ে থাকেন?আমি মনে করি যিনি গুজব বিস্বাস করেন,বেশি দোষ তার। ঐসব ফেসবুক গ্রুপের কি দায়,আপনাকে মুনাফা করিয়ে দেয়ার?আপনাকে মুনাফা অন্য কেউ কেন করিয়ে দিবে,কোন স্বার্থ ছাড়া? তাই ঐসব দালাল গ্রুপের খপ্পরে পড়ে, আপনি পুঁজি হারাবেন?নাকি বিনিয়োগ শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে,সময় নিয়ে বিনিয়োগ করবেন,সম্পূর্ন আপনাদের সিদ্ধান্ত। আমরা খুব সহজেই অন্যের কথায় প্রভাবিত হয়ে ভুল সিদ্ধান্ত নিয়ে,অন্যকে দোষারোপ করি,কখনো নিজের অজ্ঞতাকে দোষ দেই না। সবাইকে পুঁজিবাজারে কেন আসতে হবে? যারা বুঝবে শুধু তাদের আসা উচিৎ, না বুঝলে নানা দালাল গ্রুপ আপনাকে যা বুঝাবে আপনি তাই বুঝে নিজ দায়িত্বে নিজেদের ক্ষতি করতেই পারেন,কিন্তু কাউকে এটার জন্য দায়ী করা ঠিক হবে না। কারণ আপনার ঝুকি নেয়ার সক্ষমতার উপর নির্ভর করে,আপনার বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত। তাই কোন গুজবে কান না দিয়ে,কোন দালাল চক্রের হাতে না পড়ে, নিজের বুদ্ধিমত্তা দিয়ে বিনিয়োগ করুন আর নিজের পুঁজির নিরাপত্তা দিন।


আরও খবর

বাড়তি চালের দাম

রবিবার ২০ নভেম্বর ২০22




বৈশ্বিক মন্দা ঠেকাতে প্রস্তুতি নিন এখনই

প্রকাশিত:বুধবার ১৬ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা মোকাবিলায় এখন থেকে প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, করোনাভাইরাসের অভিঘাত, রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধ এবং স্যাংশন, কাউন্টার স্যাংশনের ফলে বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক মন্দা দেখা দিয়েছে। এজন্য আমি আহ্বান জানাচ্ছি, যার যেখানে কর্মস্থান; প্রত্যেকেই, যা পারেন তরকরি-ফলমূল কিছু না কিছু উৎপাদন করবেন। নিজেরাই নিজেদের চাহিদা পূরণের চেষ্টা করবেন। বিশ্বমন্দার ধাক্কা যেন আমাদের দেশে না পড়ে।

১৫ নভেম্বর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সপ্তাহ ২০২২-এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে এ কথা বলেন তিনি। তিনি গণভবন থেকে মিরপুরে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স ট্রেনিং কমপ্লেক্সে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন। 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ফায়ার সার্ভিসের সক্ষমতা, সেবার ক্ষেত্র এবং কর্তব্যরতদের মর্যাদাও বৃদ্ধি করা হয়েছে। কারণ আগুন লাগলে বা কোনো দুর্ঘটনা বা ভূমিকম্প বা কোনো কিছু ঘটলে অথবা কোনো ভবন ধসে গেলে ফায়ার সার্ভিসই সবার আগে ছুটে যায়। এমনকি কোনো জাহাজ বা লঞ্চ যখন দুর্ঘটনায় পড়ে তখনো এই ফায়ার সার্ভিসকেই আমরা পাই। তাই তাদের আরো যুগোপযোগী করা একান্ত প্রয়োজন। আর সেই পদক্ষেপই আমরা নিয়েছি। এর সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং সেবার ক্ষেত্র আরো সম্প্রসারণে বিভিন্ন পদক্ষেপও আমরা গ্রহণ করেছি। প্রতিটি উপজেলায় ফায়ার সার্ভিস প্রতিষ্ঠার যে ঘোষণা আমরা দিয়েছিলাম তা এখন শেষপর্যায়ে। যারা এই কাজে সম্পৃক্ত তারা যেন উন্নতমানের প্রশিক্ষণ ও যন্ত্রপাতি পান সেদিকে লক্ষ রেখেই আমরা বঙ্গবন্ধু ফায়ার অ্যাকাডেমি প্রতিষ্ঠারও উদ্যোগ নিয়েছি। প্রধানমন্ত্রী সীতাকুণ্ডের বিএম কনটেইনার ডিপোতে সাম্প্রতিক বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ডে কর্তব্যপালনকালে নিহত ৩০ জন অগ্নিনির্বাপণ কর্মীকে কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন। তিনি তাদের আত্মার শান্তি কামনা করে শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানান।

শেখ হাসিনা বলেন, আমরা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সেবার সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিপুল পরিমাণ উন্নত, আধুনিক, প্রযুক্তি সুবিধাসংবলিত বিশ্বমানের অগ্নিনির্বাপণ ও উদ্ধার সরঞ্জাম সংগ্রহ করেছি। সর্বশেষ আমরা বিশ্বের সর্বাধিক উচ্চতার ৬৮ মিটারের লেডারসংবলিত টিটিএল গাড়ি ফায়ার সার্ভিসের বহরে যোগ করেছি। ৬৮ মিটারের ৫টি গাড়ি কেনা হয়েছে। এ ছাড়া এ অর্থবছরেই ১১টি টার্নটেবল লেডার (টিটিএল) কেনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দুটি রিমোট কন্ট্রোল ফায়ার ফাইটিং ভেহিক্যাল দেওয়া হয়েছে। নদীপথে সক্ষমতা বাড়াতে ২৪টি রেসকিউ বোট ও ১০টি ফায়ার ফ্লোট কেনা হয়েছে।

সরকার প্রধান বলেন, লিঙ্গসমতা দূর করতে ‘ফায়ারম্যান’ পদের নাম ‘ফায়ার ফাইটার’ করা হয়েছে। পরিদর্শকের সংখ্যা ৫০ থেকে ২৬৮, ডুবুরির সংখ্যা ২৫ থেকে ৮৫, অ্যাম্বুলেন্স সংখ্যা ৫০ থেকে ১৯২, আগুন নেভানোর পানিবাহী গাড়ি ২২৭ থেকে ৬১৭ এবং ফায়ার পাম্প ৪৫০ থেকে ১ হাজার ৫৪৬টিতে উন্নীত করা হয়েছে। তিনি বলেন, আগে ফায়ার সার্ভিসের কেমিক্যাল টেন্ডার, ব্রিদিং টেন্ডার, ফোম টেন্ডার, হ্যাজমেট টেন্ডারের মতো বিশেষ ধরনের কোনো গাড়ি ছিল না। আমরা এ ধরনের ৩৫টি বিশেষায়িত গাড়ি প্রদান করেছি। যুগের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে একসময়ের অবহেলিত এই প্রতিষ্ঠানটিকে আমরা একটি সম্মানজনক স্থানে নিয়ে আসতে সক্ষম হয়েছি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি জানি, সারা জীবন আগুন ও ধোঁয়ায় কাজ করতে হয় বিধায় এই প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের অনেকেই অবসর বয়সে নানা রকম রোগ-ব্যাধিতে আক্রান্ত হন। এ কারণে আমরা ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের আজীবন রেশন দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছি। এ ছাড়া এই প্রতিষ্ঠানের জনবল ৩০ হাজারে উন্নীত করার কাজও হাতে নেওয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সীতাকুণ্ডে সাম্প্রতিক বিএম কনটেইনার ডিপোতে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১৩ জন অগ্নিবীরের পরিবারসহ ৪৫ জন দমকলকর্মীর হাতে ৪টি কাটাগরিতে ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স পদক-২০২২ তুলে দেন। প্রধানমন্ত্রী বাহিনীর কুচকাওয়াজ প্রত্যক্ষ করেন এবং রাষ্ট্রীয় সালাম গ্রহণ করেন।


আরও খবর

কর্মবিরতিতে নৌযান শ্রমিকরা

রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২




দলিল লেখক সমিতির বিরুদ্ধে অতিরিক্ত কোটি টাকা নেওয়ার অভিযোগ

প্রকাশিত:শনিবার ২৯ অক্টোবর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রির্পোটারঃ

নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলা সাব রেজিষ্ট্রি অফিস এর দলিল লেখক সমিতির বিরুদ্ধে প্রতিদিন লাখ টাকা চাঁদাবাজির অভিযোগ করা হয়েছে। সমিতির নামে সিন্ডিকেট তৈরি করে জমির ক্রেতা বিক্রেতাদের জিম্মি করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন তারা। তাদের এ অনৈতিক কাজ বছরের পর বছর চলে আসলেও এর কোন সুরাহার উদ্যোগ নেয়নি কেউ।

অভিযোগ করা হয়েছে যে, সরকারি লাইসেন্সধারি দলিল লেখকরা দলিলের প্রতি পৃষ্ঠা লেখার জন্য নির্ধারিত হারে ফি পাবেন। কিন্তু যে কোন লেখকই দলিল লেখুক না কেন প্রতিটি দলিলের জন্য সমিতির নামে "অতিরিক্ত" ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা না দিলে সে দলিল রেজিষ্ট্রি হয়না। এজন্য প্রতিটি দলিলের শেষ পাতায় সমিতির চাঁদা পরিশোধের একটি "সাংকেতিক চিহ্ন ও ব্যবহার করা হয়। এভাবেই সমিতির নামে আদায় করা কোটি টাকা সমিতির সদস্যদের মধ্যে বন্টন করে দেয়া হয়। অনেক দলিল লেখক কোন দলিল না লিখেও প্রতি মাসে মোটা অংকের টাকা ঘরে বসেই পেয়ে যান। এছাড়াও বছর শেষে সমিতির সদস্যদের নিয়ে কয়েক লাখ টাকা খরচ করে কক্সবাজার ভ্রমণে দু' সপ্তাহের ট্যুর দেয়া হয়।

মহাদেবপুর উপজেলা সদরের মৃত তাহের আলী মন্ডলের ছেলে বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আজাদ রহমান অভিযোগ করেন যে, তারা মোট ২৯ জন গত ১৮ অক্টোবর মহাদেবপুর সাব রেজিষ্ট্রি অফিসে মোট ৭টি দলিলে ৩ একর ২৭ শতক জমি রেজিষ্ট্রি করেন। জমির মালিকের কাছ থেকে ১ কোটি ৬৩ লাখ টাকায় সে জমি কিনেন। কিন্তু মহাদেবপুর মৌজার জমির সরকারি দাম বেশি নির্ধারণ করা থাকায় দলিল করতে হয়েছে ৩ কোটি ২০ লাখ টাকার। ঐ টাকার উপর সরকারি ট্যাক্স, ভ্যাট দিয়েছেন ১৯ লাখ ৩ হাজার ৬০ টাকা। দলিল লেখা প্রভৃতির খরচ দিয়েছেন ৪৫ হাজার টাকা। এরপরও সমিতির নামে চাঁদা দিতে হয়েছে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা। সমিতির চাঁদা পরিশোধ না করা পর্যন্ত দলিল রেজিষ্ট্রি হবেনা বলে জানালে তারা সে টাকা পরিশোধ করতে বাধ্য হন। পরে জানতে পারেন, চাঁদা নেয়া সম্পূর্ণ অবৈধ ও বেআইনী এর পরই আজাদ রহমান এব্যাপারে বৃহস্পতিবার ২৭ অক্টোবর মহাদেবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন। 

বিষয়টি জানতে বৃহস্পতিবার দুপুরে মহাদেবপুর দলিল লেখক সমিতির কার্যালয়ে গিয়ে কোন কর্মকর্তাকে পাওয়া যায়নি। মুঠোফোনে ঐ ৭টি দলিলের লেখক নুরুল ইসলাম সমিতির নামে অতিরিক্ত ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা গ্রহণের কথা শিকার করে জানান, সমিতির নিয়মানুযায়ী তিনি টাকা গ্রহণ করে সমিতিতে জমা দিয়েছেন। এত বেশি টাকা চাঁদা নেয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, প্রতিটি দলিলের জন্য চাঁদার নির্ধারিত রেট রয়েছে। তবে উপজেলার ১০ ইউপি চেয়ারম্যান, বড় কর্মকর্তা, রাজনৈতিক দলের নেতা ও সাংবাদিকদের জন্য কিছুটা ছাড় দেয়া হয়।

তবে সরকারি দলের প্রথম সারির একজন নেতা জানান, তিনি সহ দু'জন নেতা ঐ ৭টি দলিলের জন্য দাবি করা ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা চাঁদার পরিমাণ কিছু কমানোর অনুরোধ জানালেও সমিতির নেতারা তা মানেন নি।

জানতে চাইলে মহাদেবপুর দলিল লেখক সমিতির সভাপতি কাওসার আলী ও সাধারণ সম্পাদক শাহাদৎ হোসেন এবিষয়ে কোন সদুত্তর দিতে পারেননি। ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা চাঁদা নেয়া হয়েছে কিনা তা অফিসে গিয়ে কাগজপত্র দেখার পর বলতে পারবেন বলে জানান।

উপজেলা সাব রেজিষ্ট্রার আব্দুর রশিদ মন্ডল জানান, তিনি মূলত আত্রাই উপজেলার দায়িত্বে রয়েছেন। অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে প্রতি সপ্তাহে দু' দিন মঙ্গলবার ও বুধবার মহাদেবপুরে অফিস করেন। সমিতির নামে চাঁদা নেয়া হয় কিনা তা তিনি জানেন না বলে জানান।

মহাদেবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবু হাসান লিখিত অভিযোগ পাবার কথা নিশ্চিত করে সাংবাদিকদের জানান, বিষয়টি দু:খজনক। এরকম চাঁদাবাজি হয়ে থাকলে অবিলম্বে তা বন্ধ করতে হবে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও তিনি জানান।


আরও খবর



জি-টোয়েন্টি সম্মেলন শুরু

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৫ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

 বৈশ্বিক খাদ্য নিরাপত্তাকে গুরুত্ব দিয়ে শুরু হয়েছে ২০টি বৃহৎ অর্থনীতির দেশের জোট জি-টোয়েন্টি সম্মেলন। মঙ্গলবার, ইন্দোনেশিয়ার বালিতে এ সম্মেলন শুরু হয়েছে।

সম্মেলনের উদ্বোধনী বক্তব্যে ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট জোকো উইদোদো যুদ্ধ বন্ধে বিশ্বনেতাদের আহবান জানান। এর আগে, সোমবার রিসোর্ট দ্বীপটিতে উপস্থিত হন বিশ্বনেতারা। যুক্তরাষ্ট্রের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সাংবাদিকদের বলেন, ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধের ফলে সারাবিশ্বে যে খাদ্য সংকট তৈরি হয়েছে সেটি নিরসনে খাদ্যনিরাপত্তার বিষয়টি প্রাধান্য পাবে এই সম্মেলনে। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবার সরাসরি জি-টোয়েন্টি সম্মেলনে অংশ নিচ্ছেন না। তবে রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ মঙ্গলবার সকালে পৌঁছেছেন বালিতে। 


আরও খবর

থাইল্যান্ডে গাড়িবোমা বিস্ফোরণ

মঙ্গলবার ২২ নভেম্বর 20২২

হেরে গেলেন মাহাথির

রবিবার ২০ নভেম্বর ২০22




খেলাপির ঝুঁকিতে বিশ্বের ৫৪ দেশ

প্রকাশিত:শনিবার ১২ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

বিশ্বের ৫০টিরও বেশি উন্নয়নশীল দেশ ঋণ খেলাপির ঝুঁকিতে আছে বলে জানিয়েছেন জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচি সংস্থা (ইউএনডিপি) প্রধান আচিম স্টেইনার। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, যদি উন্নত বিশ্বের দেশগুলো সহায়তা না করে তাহলে ঝুঁকিতে থাকা এসব দেশ দেউলিয়া হয়ে যেতে পারে। বৃহস্পতিবার মিসরে কপ-২৭ জলবায়ু সম্মেলনে এমন তথ্য জানান আচিম। খবর দ্য গার্ডিয়ানের।

আচিম স্টেইনার জানিয়েছেন, মুদ্রাস্ফীতি, জ্বালানি সংকট এবং ক্রমবর্ধমান সুদ হার এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি করছে যেখানে বেশ কয়েকটি দেশ ঋণ খেলাপির ঝুঁকিতে পড়েছে। যার মারাত্মক প্রভাব সাধারণ মানুষের ওপর পড়বে।

তিনি বলেন, আমাদের তালিকায় এখন ৫৪টি দেশ রয়েছে যেগুলো ঋণ খেলাপির ঝুঁকিতে পড়তে পারে। যদি আমরা আরও ধাক্কা খাই, সুদের হার বাড়ে, ঋণ গ্রহণ আরও ব্যয়বহুল হয়ে যায়, জ্বালানির মুল্য, খাদ্যের মুল্য বাড়ে তাহলে আমরা দেখব এ দেশগুলো আর ঋণ পরিশোধ করতে পারছে না।

তিনি আরও বলেন, এটি ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি সৃষ্টি করবে- শ্রীলঙ্কার দিকে তাকান। যেটি এখন নিজের সঙ্গে সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সমস্যা নিয়ে চলছে।

কপ-২৭ জলবায়ু সম্মেলনে জাতিসংঘের এ জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ঋণ খেলাপির ঝুঁকির বিষয়টি জলবায়ু মোকাবেলার ওপরও মারাত্মক প্রভাব ফেলবে। তিনি বলেছেন, ‘এরকম ঋণ খেলাপির ঝুঁকি জলবায়ু সমস্যা সমাধান আরও জটিল করে তুলবে। এটি অবশ্যই জলবায়ু কার্যক্রমকে সহায়তা করবে না।’

তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, উন্নত দেশগুলোর সহায়তা ছাড়া অনুন্নত দেশগুলো জলবায়ু সমস্যার সমাধান করতে পারবে না।

জাতিসংঘের ইউএনডিপির প্রধান আরও বলেছেন, জলবায়ুর সমস্যার কারণে উন্নয়নশীল ও অনুন্নত দেশগুলোর অর্থনৈতিক সমস্যা আরও বাড়ছে। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, এসব দেশ ইতোমধ্যে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে কঠিন পরিস্থিতির সম্মুখীন হচ্ছে। উন্নয়নশীল দেশগুলোকে উন্নত দেশগুলো যে সহায়তার প্রতিশ্রতি দিয়েছিল সেগুলো তারা পূরণ করেনি। কিন্তু এরমধ্যে ঝড়, বন্যা, খরা এবং তাপপ্রবাহের মতো সমস্যাগুলোর ঝুঁকি বাড়ছে।

তাছাড়া বৈশ্বিক পরিবর্তিত জলবায়ুর সঙ্গে মানিয়ে নিতে এবং গ্রিনহাউজ গ্যাসের নির্মগণ মাত্রা কমিয়ে আনতে উন্নয়নশীল দেশগুলোকে উন্নত দেশগুলো বার্ষিক যে ১০০ বিলিয়ন ডলার সহায়তার প্রতিশ্রতি দিয়েছিল, সেটি যদি তারা না রাখে তাহলে এসব দেশ জাতিসংঘের জলবায়ু কার্যক্রম থেকে দূরে সরে যেতে পারে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।


সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান


আরও খবর

থাইল্যান্ডে গাড়িবোমা বিস্ফোরণ

মঙ্গলবার ২২ নভেম্বর 20২২

হেরে গেলেন মাহাথির

রবিবার ২০ নভেম্বর ২০22