Logo
শিরোনাম
শবে বরাত পালন মুসলিম জাতিকে একতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ করে। ৫৭ তম খোশরোজ শরীফ ও মইনীয়া যুব ফোরামের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন বাঙালি সাংস্কৃতিতে মাইজভাণ্ডারী ত্বরীকার সাথে সম্পর্ক রয়েছে সীমান্তে হত্যা বন্ধের দাবীতে প্রতীকী লাশ নিয়ে হানিফ বাংলাদেশীর মিছিল লক্ষ্মীপুরে কৃষক কাশেম হত্যা: স্ত্রী, শ্বশুরসহ গ্রেপ্তার ৫ কুমিল্লা সিটি’র উপনির্বাচন: মেয়র পদে প্রতীক বরাদ্দ অবৈধ মজুদকারীরা দেশের শত্রু : খাদ্যমন্ত্রী ফতুল্লায় সিগারেট খাওয়ার প্রতিবাদ করায় কিশোরকে পিটিয়ে হত্যা বকশীগঞ্জে মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা নোবিপ্রবিতে সিএসটিই এলামনাই এসোসিয়েশনের নতুন কমিটি গঠন

স্কুল ছাত্রী ধর্ষনের মামলায় রাঙ্গামাটিতে এক শিক্ষককে যাবজ্জীবন কারাদন্ড

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৯ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

উচিংছা রাখাইন,রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি :

স্কুল ছাত্রী ধর্ষনের মামলায় জেলার লংগদু উপজেলার করল্যাছড়ি আর এস উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আব্দুর রহিমকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড ও ১০লক্ষ টাকা জরিমানা করেছে রাঙ্গামাটি নারী ও  শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল। 

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এই এম ইসমাইল হোসেন আজ দুপুর সাড়ে ১২ টায় এ রায় প্রদান করেন। আদালতে রায়ের বিচারক এই এম ইসমাইল হোসেন বলেন, আসামী করল্যাছড়ি আর,এস উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুর রহিম বিদ্যালয়ের ছাত্র বাসের ভিতরে তার ছাত্রী ভিকটিমকে ভয়ভীতি দেখিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেছেন মর্মে রাষ্ট্রপক্ষ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছে। আসামী উক্তরুপ কার্য দ্বারা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ এর ৯ (১) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করার দায়ে দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় আসামী মোঃ আব্দুর রহিমকে  নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ এর ৯ (১) ধারা মোতাবেক যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ড এবং অতিরিক্ত ১০ লক্ষ টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো ৩ বছরের সশ্রম কারাদন্ড প্রদান করা হয়।

বাদী পক্ষের আইনজীবি এ্যাডভোকেট রাজীব চাকমা আদালতের রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন বলেন, রাঙ্গামাটির জন্য একটি যুগান্তকারীরায় এই রায়ে আমরা সন্তুষ্টি প্রকাশ করছি। আশা করছি এই রায়ের ফলে ভবিষ্যতে এই ধরনের অপরাধী কার্যক্রম কমে আসবে এবং এই রায় কার্যকর হবে। 

আসামী পক্ষের আইনজীবি বারের সভাপতি এ্যাডভোকেট মোক্তার আহমেদ বলেন, এই রায়ে আমরা ন্যায় বিচার পায়নি। আমরা উচ্চ আদালতে এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করবো। আমাদের বিশ^াস উচ্চ আদালত ন্যায় বিচার করবে এবং আমরা আশা করছি আপিলে আসামী নির্দোষ খালাস হবে। 

 নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্র্যাবুনালের পিপি সাইফুল ইসলাম অভি বলেন, রায়ে আমরা খুবই সন্তুষ্ট, আসামীকে দোষী সাবস্ত হওয়ায় আদালত আসামী জাবজ্জীবন কারদন্ড ও ১০ লক্ষ টাকা অর্থ দন্ড প্রদান করেছেন। 

উল্লেখ্য গত ২৫ সেপ্টম্বর ২০২০ তারিখে ভিকমিটকে আসামী জোর পূর্বক লংগদু উপজেলার করল্যাছড়ি আর এস উচ্চ বিদ্যালয়ের কক্ষে ধর্ষণ করে। ধর্ষণ শেষে আসামি এই ঘটনা কাউকে না জানানোর জন্য ভিকটিমকে হুমকী দিয়ে তাকে ছেড়ে দেন। তখন করোনা প্রাদুর্ভাব থাকায় স্কুল বন্ধ থাকায় স্কুলের ছাত্রবাসে কোন ছাত্র ছিল না। ভিকটিম ভয়ে এই ঘটনা কাউকে প্রকাশ করেনি। দুদিন পর ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০ তারিখে তার শারিরক অবস্থা খারাপ হলে তার মাকে বিষযটি জানান। পরে তার মা বিষয়টি স্থানীয় কার্বারী বীর মোহন চাকমা, ইউপি চেয়ারম্যান ও বিদ্যালয় কমিটির সভাপতি মঙ্গল কান্তি চাকমাকে অবহিত করেন। বিষয়টি তারা দেখবেন বললেও ৯ দিন অতিবাহিত হওয়ার পর গত ৫ অক্টোবর ২০২০ লংগদু থানায় মামলা দায়ের করেন ভিকটিমের মা।

পরে লংগদু থানার পুলিশ পরিদর্শক সুজন হালদার ও পুলিশ পরিদর্শক মোঃ জাকির হোসেন তদন্ত শেষে গত ২৮ অক্টোবর আসামীর রিরুদ্ধে ধর্ষণের ঘটনার প্রাথমিক সত্যতা থাকায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ এর ৯ (১) ধারায় অভিযোগপত্র দাখিল করেন। 

পরে রাষ্ট্রপক্ষ এহাজারকারী ভিকটিমের ডাক্তারী পরক্ষা সম্পন্নকারী দুইজন চিকিৎসক, তদন্তকারী কর্মকর্তা ও স্থানীয় স্বাক্ষী বীর মোহান কার্বারী ও ইউপি চেয়ারম্যান মঙ্গল কান্তি চাকমা সহ মোট ১৩ জনের স্বাক্ষী উপস্থাপন করেন। অন্যদিকে আসামী পক্ষ আসামী সহ মোট ৬ জনের স্বাক্ষী উপসস্থাপন করেন। 


আরও খবর

তিন মাস পর কারামুক্ত মির্জা আব্বাস

সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




নওগাঁয় অবৈধভাবে ইটভাটা পরিচালনা করায় ৭০ হাজার টাকা জরিমানা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, সিনিয়র রিপোর্টার :

নওগাঁয় অবৈধভাবে ইটভাটা পরিচালনা করায় একটি ইট ভাটাকে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত। বুধবার ১৪ ফেব্রুয়ারি দুপুর আড়াইটার দিকে নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলার কালুশহর মোড় এলাকায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রে রিফাত আরা ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন।

জানা গেছে, নওগাঁ জেলার মহাদেবপুর উপজেলার কালুশহর মোড় এলাকায় পরিবেশ অধিদপ্তর নওগাঁ জেলা কার্যালয়ের উদ্যোগে  এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রে রিফাত আরার নেতৃত্বে মেসার্স আর.আর.বি ব্রিকস নামক ইট ভাটায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় ইট ভাটার পক্ষ থেকে সঠিক কাগজ পত্র দেখাতে না পারায় ভ্রাম্যমান আদালতে ইট ভাটার ম্যানেজার মোঃ হোসাইন কে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা আরোপ ও আদায় করা হয়।

এসময় ভ্রাম্যমান আদালতে প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন পরিবেশ অধিদপ্তর নওগাঁ জেলা কার্যালয়ের পরিদর্শক উত্তম কুমার, সহকারী পরিচালক মোঃ মলিন মিয়া সহ মহাদেবপুর থানা পুলিশ। ভবিষ্যতে এই ধরণের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়।


আরও খবর



নওগাঁয় কিশোর-কিশোরীদের নিয়ে দিনব্যাপী কৈশোর মেলা অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:রবিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, সিনিয়র রিপোর্টার :

নওগাঁয় এক দিন ব্যাপী কৈশোর মেলা-২০২৪ অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার নওগঁর রাণীনগর সরকারী পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে কৈশোর কর্মসূচির অংশ হিসেবে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন এর সহযোহিতায় মেলা টি বাস্তবায়ন করে স্থানীয় উন্নয়ন সংস্থা মৌসুমী। 

এক দিন ব্যাপী এই মেলায় রাণীনগর উপজেলার ৮টি ইউনিয়ন এর বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের নিয়ে গঠিত কিশোর-কিশোরী ক্লাবের তিন শতাধিক সদস্য অংশগ্রহণ করেন। 

মেলার প্রথম ভাগে ক্লাব এর সদস্যরা দেয়াল পত্রিকা, উদ্ভাবনী বিভিন্ন প্রজেক্ট, রক্তের গ্রুপ নির্ণয় করা সহ বিভিন্ন স্টল প্রদর্শন করেন। এছাড়া মেলার দ্বিতীয় ভাগে নৃত্য, গান ও কবিতা আবৃতি অনুষ্ঠিত হয়। মেলা শেষে মৌসুমীর উপজেলা প্রোগ্রাম অফিসার নাইস পারভীন এর সঞ্চালনায় বিজয়ী সদস্যদের মাঝে প্রধান অতিথি হিসেবে পুরস্কার বিতরণ করেন উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা আব্দুল মান্নান। 

উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, রাণীনগর সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) চাঁদ আক্তার বানু, আতাইকুলা জনকল্যাণ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জালাল উদ্দীন, মৌসুমীর সদর উপজেলা প্রোগ্রাম অফিসার আব্দুর রউফ পাভেল সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক বৃন্দ।


আরও খবর



সীমান্তের ওপারে চলছে সংঘর্ষ, এপারে স্কুল বন্ধ

প্রকাশিত:সোমবার ২৯ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ |

Image

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধম ইউনিয়নের তুমব্রু পশ্চিম কুল এলাকায় সীমান্তের ওপারে সকাল থেকে মিয়ানমার সেনাবাহিনী ও দেশটির বিদ্রোহী গ্রুপ আরকান আর্মির সঙ্গে সংঘর্ষ চলমান রয়েছে। আজ সোমবার সকাল থেকে মিয়ানমারে সংঘর্ষ চলাকালীন মর্টারের গোলার কিছু অংশ ঘুমধুম ইউনিয়নের তুমব্রু পশ্চিম কূল এলাকার বাহাদুল্লাহর বসত ভিটায় এসে পড়ে।

আজ সকাল ৯টা থেকে ৩৪ নম্বর সীমান্ত পিলার ডানে মিয়ানমার বিজিপি ক্যাম্প ও মিয়ানমারের ওভজারবেশন পোস্ট দখল নেওয়ায় দেশটির সেনাবাহিনী এবং বিদ্রোহী আরকান আর্মিদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি সংঘর্ষ চলমান রয়েছে বলে জানান স্থানীয় বাসিন্দা মো. ইলিয়াছ।

অপরদিকে, চলমান সংঘর্ষের মধ্যে বেলা সাড়ে ১২টার দিকে মিয়ানমারের ভিতর থেকে আকস্মিক একটি মর্টার শেলের বিস্ফোরিত গোলার অংশ এসে পড়ে তুমব্রু পশ্চিমকূলের স্থানীয় বাসিন্দা বাহাদুল্লাহর বসতবাড়ির আঙ্গিনায়। এতে স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

এ কারণে ঘুমধুম ইউনিয়নের মিয়ানমার সীমান্তবর্তী এলাকায় পাঁচটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় একদিনের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। বিদ্যালয়গুলো হলো বাইশফাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ভাজা বুনিয়া, তুমব্রু, পশ্চিম কুল তুমব্রু, দক্ষিণ ঘুমধম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ত্রি রতন চাকমা বলেন, সীমান্তে দিনভর গোলাগুলির কারণে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার নির্দেশ মোতাবেক পাঁচটি সীমান্ত সংলগ্ন প্রাথমিক বিদ্যালয় একদিনের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

সীমান্তের বাসিন্দা মো. হোছন ও বাহাদুল্লাহ স্ত্রীর খালেদা বেগম জানান, বাড়ির দরজার সামনে মোবাইল করা অবস্থায় ফুল গাছের সঙ্গে ধাক্কা লেগে বিকট শব্দ হয়ে উঠানে মর্টারশেলের গোলার অংশ পড়ে। তবে কোনো প্রকার ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।

ঘুমধুম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আজিজ বলেন, সংঘর্ষ চলমান রয়েছে, তাই পরিষদের পক্ষ থেকে স্থানীয়দের সীমান্তের কাছাকাছি না যাওয়ার জন্য সতর্ক করা হয়েছে। আগে মাইকিং করে এ বিষয়ে স্থানীয়দের সতর্ক করা হয়েছিল।

৩৪ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল আব্দুল্লাহ আল মাসরুকী বলেন, এটি মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ বিষয়। তারপরও সীমান্তে বিজিবির টহল জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি অনুপ্রবেশ ঠেকাতে সীমান্তে দায়িত্বরত বিজিবর সদস্যরা সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

 


আরও খবর



কেমন আছেন ভাষা সৈনিক অধ্যাপক মুহাম্মদ লুৎফর রহমান মল্লিক

প্রকাশিত:বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image
  1. মাহবুবুল আলম রিপন (স্টাফ রিপোর্টার):

হাতে গোণা যে ক'জন মানুষকে এখনো গুরুজন বলে পায়ে হাত দিয়ে সালাম করতে ইচ্ছে করে তাদের মধ্যে বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও ভাষা সৈনিক অধ্যাপক মুহাম্মদ লুৎফর রহমান মল্লিক (ডলার মল্লিক) চাচা অন্যতম। প্রিয়ভূমি ধামরাইয়ের এই কৃতি সন্তান পঞ্চাশের দশকে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে রাজশাহী কলেজের একজন তুখোড়  ছাত্রনেতা হিসাবে প্রগতিশীল ও বামধারার রাজনৈতিক আন্দোলনে সক্রিয় অংশ নিয়ে রাষ্ট্রভাষার দাবি রাজশাহীর ছাত্র জনতার মাঝে ছড়িয়ে দিতে এবং সংস্কৃতির অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে অনন্য অবদান রেখেছেন। যা ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লিপিবদ্ধ হয়েছে। রাজশাহীর ঐতিহাসিক ভুবন মোহন পার্কে নির্মিত ভাষা সৈনিক স্মারক স্মৃতিস্তম্ভে তাঁর নাম সগৌরবে স্থান পেয়েছে। পেশাগত জীবনে অধ্যাপনা করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উচ্চ পর্যায়ে কাজ করেছেন। ব্যাংকিং সেক্টরে দ্বায়িত্ব পালন করেছেন। দেশের অর্থনীতিবিদদের সংগঠনে নেতৃত্ব দিয়েছেন। বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানের সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন। এখন অবসর জীবন যাপন করছেন। এই মানুষটির কাছে গেলে মনে হয় খর রৌদ্রে বটের ছায়ায় বিশ্রাম নিচ্ছি। তিনি শুধু আমাদের গুরুজন নন, অকৃত্রিম শুভাকাঙ্ক্ষীও বটে। দেখা হলেই বুকে জড়িয়ে ধরে আদর করেন, কপালে একটা চুমু দেন। ত্রিকালদর্শী এই গুণী মানুষটির স্নেহ সান্নিধ্যে সময় কাটাতে পারাটাও সৌভাগ্যের। তাঁর  পাশে বসলে অনায়াসে ঘুরে আসা যায় ইতিহাসের নানা বাঁকে। আলাপচারিতায় তাঁর জ্ঞানগর্ভ কথাবার্তা সেদিন শুনছিলাম আর অনুপ্রাণিত হচ্ছিলাম। প্রখর জীবন বোধের মানুষ অধ্যাপক মুহাম্মদ লুৎফর রহমান মল্লিক। এমন জ্ঞানী প্রাজ্ঞজনের মুখোমুখি মাঝে মধ্যে বসলে নিজেকে বিশুদ্ধ করার তালিম পাওয়া যায়। আমাদের জাতীয় চেতনার স্মারক অমর একুশে ফেব্রুয়ারিতে আমাদের ধামরাইবাসীর অহংকার ও গর্বের প্রতিক ইতিহাসের জীবন্ত কিংবদন্তি অধ্যাপক এল. আর. মল্লিকের প্রতি অতল শ্রদ্ধা জানাই আর প্রার্থনা করি তিনি শতায়ু হোন..


আরও খবর



রাজাপুরে প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির কমিটি প্রত্যাখ্যান করে সংবাদ সম্মেলন

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

হাসিবুর রহমান রাজাপুর প্রতিনিধি :

ঝালকাঠির রাজাপুরে সম্প্রতি কমিটি গঠিত রাজাপুর প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির কমিটি প্রত্যাখ্যান করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি রাজাপুর উপজেলা শাখার নেতৃবৃন্দরা। সোমবার বিকেল সাড়ে ৫ টার দিকে রাজাপুর সাংবাদিক ক্লাবে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির রাজাপুর উপজেলা শাখার সভাপতি মোঃ মহসিন উদ্দিন লিখিত বক্তব্য পাঠ অভিযোগ করেন, ২০১৪ সাল থেকে রাজাপুরে  বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি ও প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক সমাজ নামে দুটি সংগঠন ছিল। ২০১৯ সালে বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি রাজাপুর উপজেলা শাখার কমিটির মেয়াদ শেষ হলেও কোন শিক্ষক এই সমিতির নেতৃত্বে না আসায় রাজাপুরের শিক্ষকদের নিয়ে এ সমিতির অধীনে একটি কাউন্সিল অধিবেশনের মাধ্যমে মহসিন উদ্দিনকে সভাপতি এবং আজাদ খানকে সেক্রেটারি নির্বাচিত করা হয়। অন্যদিকে একই সময়ে রাজাপুরে আরো একটি সহকারী ও একটি প্রধান শিক্ষক সমিতির সৃষ্টি হয় এবং তখন থেকেই শুরু হয় সাংগঠনিক বিরোধ। আমাদের পরিচালিত বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি- (৮০৮-৭৫, ১৯৬২-৬৩), সহকারী শিক্ষক সমাজ-(এস, ১২০৪৮) ও সহকারী শিক্ষক সমিতি-(১২০৬৮) নামে তিনটি সংগঠন সক্রিয় থাকে। সংসদ নির্বাচনের আগে রাজাপুরের তিন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ আলাদাভাবে এমপি মহোদয়ের সাথে সাক্ষাৎ করলে তিনি সবাইকে একত্রিত হয়ে একটি কমিটি করে তার কাছে আসার জন্য নির্দেশ দেন। সংসদ নির্বাচনের কয়েকদিন পর বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি রাজাপুর উপজেলা শাখার অর্থ সম্পাদক রেজাউল করিম মাসুম ভাই তিন সংগঠনকে একত্রিত করার উদ্যেগ নিয়ে একটি তারিখ ঘোষণা করেন। ঐ তারিখে সহকারী শিক্ষক সমাজ (১২০৪৮) সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত হলেও সহকারী শিক্ষক সমিতির (১২০৬৮) শিক্ষকরা আসেনি। কিছুদিন পর সহকারী শিক্ষকদের পক্ষ থেকে ৭৩ নং পশ্চিম ইন্দ্রপাশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক ওয়ালিউর রহমান বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি ও সহকারী শিক্ষক সমাজ এ দুই সংগঠনের নেতৃবৃন্দকে নিয়ে ৩ ফেব্রুয়ারী সমিতি ভবনে একটি মিটিংয়ের আয়োজন করে। মিটিংয়ে এমপি মহোদয়ের নির্দেশনা মোতাবেক সকল সংগঠনের সক্রিয় ও ত্যাগী শিক্ষকদেরকে নিয়ে একটি মাত্র কমিটি করার সিদ্ধান্ত নিয়ে ১০ ফেব্রুয়ারি পরবর্তী মিটিং হবে বলে তারিখ ঘোষণা করা হয়। কিন্তু ৩ তারিখের ঐ সভাটি ছিল ষড়যন্ত্র ও উদ্দেশ্যমূলক। ঐ তারিখে মিটিং হওয়ার আগেই গোপনে একটি পকেট কমিটি করেছে সে বিষয় আমরা অবহিত ছিলাম না। আমরা বুঝতে পারলাম যে ৩ তারিখে কমিটি গঠনের যে মিটিং হয়েছিল সেটা ছিল শুধুমাত্র "আইওয়াশ”। আমাদের সাথে একত্রে প্রথম দফায় বৈঠক করার বিষয়টিকে তারা মাননীয় এমপি মহোদয়, সকল শিক্ষক ও সাধারনের কাছে প্রচার করেছে যে, তারা সব সংগঠনের নেতৃবৃন্দ একত্রিত হয়েছে, শিক্ষক নেতাদের মধ্যে আর কোন বিভেদ নেই। এহেন উদ্দেশ্যমূলক কাজটি করার ক্ষেত্রে তারা সকল সাধারন শিক্ষককে পক্ষে আনার জন্য মাননীয় এমপি মহোদয়ের নাম ব্যবহার করেছে এবং বলেছে আমরা রাজাপুরের সকল শিক্ষক একত্রে একটি কমিটি করতে যাচ্ছি। তাদের ডাকে কোন শিক্ষক যদি না আসতে চাইলে তাকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে। ১০ ফেব্রæয়ারি মিটিং করে একটি কমিটি করার কথা থাকলেও সেটা তারা উদ্দেশ্য মূলকভাবে করেনি। ১১ ফেব্রুয়ারি কোনো এক মাধ্যমে আমাদের হাতে আসে একটি পকেট কমিটির তালিকা। যে কমিটিতে সাংগঠনিক দূরদর্শিতাহীন, অসাংগঠনিক, শিক্ষক কল্যানে কাজ না করা এক প্রধান শিক্ষক কবির হোসেন কে সভাপতি ও সহকারী শিক্ষক ওয়ালিউল ইসলামকে সাধারন সম্পাদক করে রেজিস্ট্রেশন ও গঠনতন্ত্র বিহীন “রাজাপুর প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি" নামে ৭১ সদস্য বিশিষ্ট একটি পকেট কমিটি গঠন করে। যে কমিটির কয়েকটি গুরুত্বহীন পদে আমাদের সমিতির কয়েকজনের নামও দেখা যায়, যা ঐ শিক্ষকরা জানে না। পকেট কমিটির তালিকা হাতে পাওয়ার পর বুঝতে পারলাম দেশের সবচেয়ে পুরাতন সংগঠন বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি, রাজাপুর শাখার নেতৃবৃন্দদের বাদ দিয়ে যখন এ কমিটি করা হয়েছে তখন ১২ ফেব্রুয়ারি ঢাকা গিয়ে মাননীয় এমপিকে বিষয়টি অবহিত করি। পরবর্তীতে তারা ১৪ ফেব্রুয়ারি সমিতি ভবনে হঠাৎ একটি মিটিং আহবান করে পূবের করা পকেট কমিটির তালিকা অনুযায়ী কবির হোসেন নামে এমন এক প্রধান শিক্ষককে সভাপতি ও ওয়ালিউল ইসলামকে সাধারন সম্পাদক হিসেবে উপস্থিত শিক্ষকদের কমিটি প্রকাশ করে। বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি রাজাপুর উপজেলা শাখার নেতৃবৃন্দদের বাদ দিয়ে একটি রেজিস্ট্রেশন বিহীন সমিতির পকেট কমিটি করায় স্পষ্টই প্রমান হলো যে, রাজাপুরের সকল প্রাথমিক শিক্ষক সংগঠন একতাবদ্ধ হয়নি। রেজিস্ট্রেশন বিহীন পকেট কমিটির এহেন মিথ্যা কথা প্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। একই সাথে বুদ্ধিদাতা এক প্রধান শিক্ষকের বাসায় বসে গঠন করা পকেট কমিটি আমরা ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করলাম। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির রাজাপুর উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক এ.কে আজাদ, সিনিয়র সহ সভাপতি সমীর কুমার দাস, অর্থ সম্পাদক রেজাউল করিম মাসুম, সমবায় বিষয়ক সম্পাদক মাহে আলম মুন্সি, সহ সম্পাদক অহিদুজ্জামান, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক উম্মে ফারজানা প্রমুখ।


আরও খবর