Logo
শিরোনাম

সমাজ বদলাতে চরিত্রের পরিবর্তন প্রয়োজন

প্রকাশিত:Wednesday ০৯ November ২০২২ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

মাজহারুল ইসলাম মাসুম, সিনিয়র সাংবাদিক, লেখক, গবেষক :

প্রতিদিন শিশু, বৃদ্ধা পর্যন্ত ধর্ষিত হচ্ছে। শিক্ষক, পেশাজীবী সব শ্রেণির মানুষ প্রায় সময় দেখা যাচ্ছে ধর্ষণে জড়িত। ইদানীং মাদরাসা অধ্যক্ষ, শিক্ষককে দেখা যাচ্ছে বেশি ধর্ষণে জড়িত হতে। অথচ মাদরাসা শিক্ষক হচ্ছে ইসলামি শিক্ষার গুরু।

সমাজে ভালো কাজের উপদেশ, ধর্মীয় শিক্ষা, ধর্মীয় জ্ঞান মাদরাসা শিক্ষকরা যুগ যুগ ধরে দিয়ে আসছেন। কলেজ, স্কুল, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের যৌন হয়রানি ও ধর্ষণের ঘৃণ্য খারাপ কাজে নিয়োজিত হতে প্রায় পত্রিকায় খবরে প্রকাশ পাচ্ছে। ধর্ষণ এই চিত্র আজকাল বেশি বেশি প্রকাশ পাচ্ছে। কিন্তু অনেকে বলেন, ধর্ষণ আগেও সমাজে ছিল। তখন নারী সমাজ প্রতিবাদ করত না, তা প্রকাশ পেতও না। তখন নারী সমাজ শিক্ষিত, প্রতিবাদ শিখেছে। তাদের সাহস হয়েছে। তাই ঘটনা খবরের কাগজের খবর হয়ে প্রতিনিয়ত বের হচ্ছে।
অনেকে বলেন, পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ধর্ষণ ও যৌন হয়রানি রয়েছে। ঘটনা ঘটছে। তা ওইসব দেশে তেমন প্রকাশ পায় না। কিন্তু আমাদের দেশে প্রকাশ বেশি। কিন্তু প্রতিবেশী দেশ ভারতেও যৌন হয়রানি, ধর্ষণ ঘটনা বেশ ঘটছে। প্রকাশও পাচ্ছে। নারী জাতিকে স ষ্টা অনেক বেশি সম্মান, মান-মর্যাদা ও অধিকার দিয়ে সৃষ্টি করেছেন। কিন্তু আমরা কি সেই সম্মান রক্ষা করে চলতে পারছি। পৃথিবীর উন্নত দেশগুলোয় নারীকে সম্মান অধিকার দিয়ে প্রতিষ্ঠা দিয়েছে। নারী-পুরুষের কোনো ভেদাভেদ উন্নত দেশগুলোয় এখন নেই। শুধু অনুন্নত ও উন্নয়নশীল দেশে নারী এখনও অবহেলিত।
একসময় আমাদের দেশে নারীদের এসিড মেরে আহত করার বেশ প্রচলন হয়েছিল। প্রতিদিন যুবকরা কিছু কিছু নারীকে যৌন হয়রানি করত। প্রেমের ভ্রান্ত দিয়ে প্রত্যাখ্যাত হলে তখন এসিড মেরে ওই নারীকে আহত করত। এখন বেশ কম দেখা যায় এসিড নিক্ষেপ। কেন এসিড নিক্ষেপ কমল। কী কারণ রয়েছে এর পেছনে। সমাজ বিজ্ঞানীরা তখনও এ বিষয়ে গবেষণা প্রকাশ করেননি। নিশ্চয় এসিড নিক্ষেপ কমে যাওয়ার পেছনে যথেষ্ট কারণ রয়েছে।
এখনও আমাদের সমাজে অনিয়ম, অন্যায়, আইন অমান্য, ঘুষ, দুর্নীতি নিয়মিত ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রায় প্রতিদিন অনিয়ম, দুর্নীতি, ঘুষ বাণিজ্যের নানা খবর দেশে আসছে। বর্তমান সরকারও এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে বেশ সোচ্চার। দুর্নীতি দমন কমিশনও এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে সক্রিয়। বেশ কিছু মামলা হয়েছে। অনেক মামলা বিচারাধীন রয়েছে। নতুন নতুন অনুসন্ধান চলেছে দুর্নীতির বিরুদ্ধে। পত্রপত্রিকায়ও প্রকাশ পাচ্ছে। সরকারও বেশ কঠোর নীতি গ্রহণ করেছে বলে ঘোষণা দিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু পরিস্থিতির উন্নতি বেশ কম হচ্ছে। কেন এ অবস্থার সৃষ্টি হলো। কিংবা আমাদের উদ্যোগ গ্রহণ করা উচিত।
বাংলাদেশি বিপুলসংখ্যক ধনী ব্যক্তি সুইস ব্যাংকে প্রচুর অর্থ জমা রেখেছেন। ব্যাংকে অর্থ কীভাবে জমা হয়েছে, তা নিয়ে নানা বিতর্ক রয়েছে। শুধু যে বাংলাদেশ থেকে অর্থ পাচার হয়েছে তা নাও হতে পারে। এই অর্থ বিদেশে উপার্জিত অর্থ থেকেজমাও হতে পারে। শুধু যে পাচারের টাকা জমা হয়েছে তা নয়।

কেন এসব ঘটছে :

 আমরা এগিয়ে চলেছি। আমাদের চরম উন্নতি হচ্ছে বলে আমাদের রাষ্ট্রীয় ঘোষণা রয়েছে। রাষ্ট্র এগিয়ে চলেছে। কিন্তু জনগণ তার সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে যেন বারবার হোঁচট খাচ্ছে। চলতি বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে শিক্ষা-দীক্ষা ও উন্নয়নে দুর্বার গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। এরই পাশাপাশি দেশের সমাজব্যবস্থায় বিভিন্ন কারণে বাড়ছে অস্থিরতা, বাড়ছে অপরাধপ্রবণতা, বাড়ছে হতাহতের ঘটনা।
খবরের কাগজ উল্টালেই চোখে পড়ছে ধর্ষণ, আত্মহত্যা, খুন, শিশু নির্যাতন, সন্ত্রাসবাদ, মাদক, মারামারি আর হানাহানির খবর। সমাজবিজ্ঞানীরা মনে করছেন, সামাজিক অস্থিরতা বৃদ্ধির অন্যতম কারণ মূল্যবোধ তথা মানুষগুলোর নৈতিক অবক্ষয়। পাশাপাশি পারিবারিক বন্ধন ঢিলে হয়ে যাওয়া এবং অনৈতিক সম্পর্কে জড়িয়ে যাওয়ার
বিষয়টিও উল্লেখযোগ্য।


বাড়ছে পারিবারিক কলহ: পরিবার আমাদের সমাজব্যবস্থার অন্যতম মূল ভিত্তি। এ সময়টায় বিভিন্ন কারণে পারিবারিক কলহের ঘটনা বেড়ে গেছে। বেড়ে গেছে পরিবারের এক সদস্যের হাতে আরেক সদস্যের খুন হওয়ার ঘটনা। স্বামী-স্ত্রীর কলহের জেরে প্রাণ দিতে হচ্ছে নিষ্পাপ শিশুদের।

পারিবারিক কলহের কারণে পরিবারের সবাই একসঙ্গে আত্মহত্যার ঘটনাও ঘটছে। মানুষ এখন শুধু ঘরের বাইরেই নয়, তার আপনজনদের কাছেও নিরাপদ নয়। বাংলাদেশ পুলিশের অপরাধ বিভাগের তথ্যানুযায়ী বছরে মোট হত্যাকাণ্ডের প্রায় ৪০ শতাংশ সংঘটিত হচ্ছে পারিবারিক কলহের কারণে।


অপরাধ বিশ্লেষক তৌহিদুল হক বলছেন
: অভাব-অনটন, অর্থের প্রতি প্রবল দুর্বলতা, চাওয়া-পাওয়ার অসংগতির কারণে দাম্পত্য কলহ ও স্বামী-স্ত্রী পরস্পরের প্রতি বিশ্বাসহীনতা, নৈতিক মূল্যবোধের অবক্ষয়, সামাজিক-রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অস্থিরতা, অন্য দেশের সংস্কৃতির আগ্রাসন, স্বল্প সময়ে ধনী হওয়ার আকাক্ষা, বিষন্নতা ও মাদকাসক্তিসহ বিভিন্ন কারণে সামাজিক অশান্তি বাড়ছে। পুলিশ সদর দফতর সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য মতে, দেশে প্রতিদিন গড়ে খুন হচ্ছে ১৪ থেকে ১৫ জন। আর এর অধিকাংশই পারিবারিক ও সামাজিক অস্থিরতার কারণে।


মনোবিজ্ঞানী মোহিত কামাল জানান
: সমাজে কেউ অপরাধী হয়ে জন্ম নেন না। মানুষ অপরাধী হয়ে ওঠে পরিবেশ-পরিস্থিতির কারণে। বেশিরভাগ সময়ে সে পরিবেশ তার কাছের মানুষরাই তৈরি করে দেয়। কখনও কখনও সমাজে মানুষদের আচরণ, অসহযোগিতার কারণে পরিবারে, সমাজে দ্বন্দ্ব সংঘাতের মাত্রা বেড়ে যায়। দীর্ঘদিন ধরে মানসিক যন্ত্রণা বা মনোকষ্টে ভুগলে এসব হতে পারে। এ জন্য কাউন্সিলিং দরকার। প্রত্যেককে নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করতে হবে।


একাকিত্ব থেকে অশান্তি: একাকিত্ব মানসিক বিষন্নতা সৃষ্টির অনেক বড় একটা কারণ। অনেক সংসারেই স্বামীরা বুঝতে পারেন না তার কাজের ব্যস্ততার কারণে স্ত্রীকে একদম সময় দেওয়া হচ্ছে না। এ জন্য অফিসে গেলে মাঝে মধ্যে স্ত্রীকে ফোন দিতে হবে। মাঝে মধ্যে কী করছে না করছে সেটির খোঁজ নিতে হবে।

অফিস থেকে আসতে দেরি হলে বাসায় জানাতে হবে। নিজের ব্যস্ততার বিষয়টি স্ত্রীকে বোঝাতে হবে। আবার স্ত্রীকেও স্বামীর ব্যস্ততা বুঝতে হবে। ব্যস্ততার মাঝেও সপ্তাহে অন্তত একটা দিন স্ত্রীকে নিয়ে বিনোদনের জন্য পার্ক বা দর্শনীয় স্থানে ঘুরতে যাওয়া, সিনেমা দেখা, রেস্টুরেন্টে খেতে যাওয়ার অভ্যাস করতে হবে। কোনো কারণে স্ত্রী যদি বুঝতে পারে তার স্বামী তাকে যথেষ্ট সময় দিচ্ছেন না, তাহলে তাদের মধ্যে দূরত্বের সৃষ্টিই হবে। একাকিত্বের ফাঁদে পড়ে মেয়েরা অনৈতিক কোনো সম্পর্ক বা মানসিক রোগে আক্রান্ত হতে পারেন।


দাম্পত্য জীবনে অতৃপ্তি: বিয়ে বা সাংসারিক জীবনে কোনোভাবেই যৌনতাকে বাদ দেওয়া যাবে না। বরং যৌনতাকে ঘিরেই দাম্পত্য জীবনে গতি আসে। বিশেষজ্ঞরা বলেন, কোনো সংসারে অভাব-অনটন থাকলে যতটা অশান্তি হবে তার চেয়ে ভয়াবহ অশান্তি হবে যদি কোনো দম্পতির যৌনজীবন সুখের না হয়। পরকীয়া বা বিবাহ বিচ্ছেদের সবচেয়ে আদিম কারণ শারীরিক চাহিদা অপূর্ণ থাকা।
 স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে অশান্তি, হতাশা বা দূরত্ব বাড়ার অন্যতম একটি কারণ হলো শারীরিক চাহিদা অপূর্ণ থাকা। আমাদের দেশের অধিকাংশ ছেলে জানে না, একটা মেয়েকে কীভাবে শারীরিকভাবে সুখী করতে হয়। অনেকেই জানেন না, আদিম এই খেলায় ছেলের পাশাপাশি মেয়েরও পরিপূর্ণতা বা সন্তুষ্ট হওয়ার একটা ব্যাপার আছে।

মেয়েদের অর্গাজম ঘটানোর ব্যাপারেও উদাসীন ছেলেরা। ছেলেদের যৌনজ্ঞানের অভাব মেয়েদের চরমানন্দ থেকে বঞ্চিত করে। এভাবে দিনের পর দিন মেয়েরা বঞ্চিত হতে হতে একটা সময় তাদের মধ্যে এক ধরনের উদাসীনতা বা হতাশার সৃষ্টি হয়। আমাদের দেশের ছেলেরা মনে করে, মেয়েরা শুধু ভোগের বস্তু।
বিছানায় নিজের সন্তুষ্টি অর্জন হলেই সব শেষ। সঙ্গীর জৈবিক চাহিদার ব্যাপারে কোনো তোয়াক্কা নেই। এরকম ঘটনা যে শুধু ছেলেদের ক্ষেত্রেই ঘটে, সেটি নয়। অনেক মেয়েও তার সঙ্গীর শারীরিক চাহিদা পূরণে সচেতন, কিংবা আগ্রহী নন। এই শারীরিক অপূর্ণতাই পর-পুরুষ বা পর-নারীতে আগ্রহের সৃষ্টি করে। কাজেই শারীরিক চাহিদা পূরণের ব্যাপারে উভয়কে সচেতন হতে হবে।


আরও খবর



পাকিস্তানজুড়ে বিদ্যুৎ বিভ্রাট

প্রকাশিত:Monday ২৩ January 20২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

পাকিস্তান জুড়ে সোমবার সকালে বিদ্যুৎ বিভ্রাট দেখা দিয়েছে। পরিস্থিতি এতোটাই ব্যাপক যে, রাজধানী ইসলামাবাদের পাশাপাশি লাহোর ও করাচির মতো বড় শহরসহ দেশের বিশাল অংশে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের প্রভাব পড়েছে।

দেশটির জ্বালানি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, জাতীয় গ্রিডের ফ্রিকোয়েন্সি সিস্টেম সোমবার সকাল ৭টা ৩৪ মিনিটে ডাউন হয়ে গেলে বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনায় ব্যাপক বিভ্রাট দেখা দেয়। ‘সিস্টেম রক্ষণাবেক্ষণের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে বলেও জানানো হয়। এদিকে সংবাদমাধ্যম জিও নিউজের সাথে এক সাক্ষাৎকারে পাকিস্তানের জ্বালানি মন্ত্রী খুররম দস্তগীর বিদ্যুৎ বিভ্রাটকে ‘বড় ধরনের কিছু নয়’ বলে মন্তব্য করেছেন। দেশটির গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, রাজধানী ইসলামাবাদ, করাচি, কোয়েটা, পেশোয়ার এবং লাহোরসহ পাকিস্তানের বিশাল অংশ বিদ্যুৎবিহীন রয়েছে।


আরও খবর



রাজশাহীতে নৌকা মার্কায় ভোট চাইলেন --প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:Sunday ২৯ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টার :

রাজশাহীতে ২৬টি প্রকল্প উদ্বোধণ করলেন প্রধানমন্ত্রী।

উন্নয়নের জয়যাত্রা অব্যাহত রেখে ২০৪১ সালের মধ্যে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে আবারও নৌকা মার্কায় ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

রবিবার ২৯ জানুয়ারী বিকেলে রাজশাহীর মাদ্রাসা মাঠে রাজশাহী মহানগর ও জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত বিশাল জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন প্রধানমন্ত্রী।

এসময় জনসভায় উপস্থিত লাখো জনতাকে উদ্দেশ্য করে আওয়ামীলীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এমপি আরো বলেন, নৌকায় ভোট দিয়ে উন্নয়নের জয়যাত্রা, ২০৪১ সালের মধ্যে আমরা যেন স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে পারি এজন্য আপনারা নৌকায় ভোট দেবেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, গত নির্বাচনে আপনারা নৌকা মার্কায় ভোট দিয়েছেন এজন্য আপনাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। আবারও আপনাদের আহ্বান জানাচ্ছি, আগামী নির্বাচনেও ''চলতি বছর এর শেষে অথবা আগামী বছরের শুরুতে'' আপনারা নৌকা মার্কায় ভোট দেবেন কিনা ওয়াদা চাই। প্রধানমন্ত্রীর কথাশুনে মাঠে থাকা লাখো নেতা-কর্মীরা স্লোগান দিয়ে ভোট দেওয়ার অঙ্গীকার করেন এসময়।

প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, রাজশাহী সব সময় অবহেলিত ছিলো। বিগত মেয়র নির্বাচনে আপনারা আমাদের ভোট দিয়েছেন। আপনারা নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে নৌকাকে জয়যুক্ত করেছেন। আপনাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই।

আওয়ামীলীগ সরকার রাজশাহীতে ব্যাপক উন্নয়ন করেছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আরো বলেন, ২০০৯ সাল থেকে গত ১৪ বছরে শুধুমাত্র রাজশাহী জেলা ও মহানগরে ১০ হাজার ৬শ' ৬০ কোটি টাকার বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করে দিয়েছি।

এসময় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা জনসভার পূর্বে ৩২টি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তি প্রস্তর স্থাপনের কথা উল্লেখ করে আরো বলেন, আজকেই কিছুক্ষণ আগে ১ হাজার ৩শ' ৩৩ কোটি টাকার ২৬টি প্রকল্প উদ্বোধন করলাম এবং ৩শ' ৭৫ কোটি টাকার ৬ টি প্রকল্পের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করলাম। 

এ প্রকল্পগুলো আমি আপনাদের উপহার হিসেবে দিয়ে গেলাম বক্তব্যে জনতার জনতার উদ্দ্যশ্যে বলেন প্রধানমন্ত্রী।


আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসলে মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন হয় মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, আওয়ামীলীগ সংগঠন হলো জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর হাতে গড়া সংগঠন। এজন্যই আওয়ামীলীগ যখনই ক্ষমতায় এসেছে বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হয়েছে, হয়েছে উন্নয়ন।

এসময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখন বাংলাদেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ দেশ। যেখানে ৪০ ভাগ দারিদ্র সীমা ছিলো, আমরা ২০ ভাগে নামিয়ে এনেছি। বিধবা ভাতা, বয়স্ক ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা, মুক্তিযোদ্ধা ভাতাসহ অনান্য ভাতা আমরা দিয়ে যাচ্ছি উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আরো বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর দেশে কোনো মানুষ গৃহহীন থাকবে না। কোনো মানুষ না খেয়ে কষ্ট পাবে না। সেই লক্ষ্য নিয়েই আমরা কাজ করে যাচ্ছি।

এসময় প্রধানমন্ত্রী, রাজশাহীতে একটি আন্তর্জাতিক মানের হোটেল করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, তাহলে আমরা এখানে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ম্যাচ আয়োজন করতে পারবো।

মাদ্রাসা মাঠে অনুষ্ঠিত জনসভায় সভাপতিত্ব করেন, রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোহাম্মদ আলী কামাল। বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ এর সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সহ দলের সভাপতি মণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক, রাজশাহী সিটি মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন, তথ্য মন্ত্রী হাছান মাহমুদ, খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার এমপি, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, দলের সাংগঠনিক সম্পাদক এসএম কামাল, ছাত্রলীগ সভাপতি সাদ্দাম হোসেন সহ অন্যান্য নেতা-কর্মীরা বক্তব্য রাখেন।

রবিবার সকাল থেকেই মাদ্রাসা মাঠ জনসভাস্থলে জড়ো হোন আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। এক পর্যায়ে রাজশাহী মাদ্রাসা মাঠের বাইরেও আশ-পাশের এলাকায় হাজারো নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



কাপ্তাই হ্রদের অবৈধ দখলদারীদের উচ্ছেদ অভিযান শুরু

প্রকাশিত:Tuesday ৩১ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

উচিংছা রাখাইন,রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি :

কাপ্তাই হ্রদের অবৈধ দখলদারীদের উচ্ছেদ অভিযান শুরু করেছে রাঙ্গামাটি

জেলা প্রশাসন। রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিজানুর রহমানের

নির্দেশে ৩১ জানুয়ারী মঙ্গহলবার দুপুরে শহরের আসামবস্তী এলাকা থেকে

উচ্ছেদ অভিযান শুরু করেন রাঙ্গামাটি সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাজমা

বিনতে আমিন। শহরের আসামবস্তী ব্রাহ্মণটিলা, আসামবস্তী ব্রীজ সংলগ্ন

কাপ্তাই হ্রদ দখল করে গড়ে উঠা অবৈধ বাজারের দোকান পাঠ উচ্ছেদ অভিযান

করেন।অভিযানে ব্রাহ্মণটিলা এলাকায় ৩ টি কাচাঘর, ও নির্মাণাধীন একটি ভবন ভেঙ্গে

দেয়। পরে আসামবস্তী ব্রীজ এলাকা অভিযান পরিচালনা শুরু করে ৪ টি দোকান

ভাঙ্গার পর স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মালামাল সরিয়ে নেয়ার অনুরোধ করলে আজ রাত

পর্যন্ত সময় নির্ধারণ করে দেয়া প্রশাসন। আগামী সকাল ১০ টায় আবারো উচ্ছেদ

অভিযান শুরু হবে বলে জানান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।

এদিকে রাঙ্গামাটি শহরের বিভিন্ন এলাকায় বিলবোর্ড স্থাপন করেছে রাঙ্গামাটি

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিজানুর রহমান ও পুলিশ সুপার মীর আবু তৌহিদ। বিল

বোর্ডে সুপ্রিম কোর্ট, হাইকোর্ট বিভাগের নির্দিশনা দেয়া হয়। নির্দেশনায়

বলা হয়, এতদ্বারা সর্বসাধারণের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, মহামান্য

সুপ্রিম কোর্ট, হাইকোর্ট বিভাগের দায়রকৃত রিট পিটিশন নং-১১৮৮৫/২০২২ এর

বিগত ১৭/১০/২০২২ খ্রিস্টাব্দের নোটিশের প্রেক্ষিতে রাঙ্গামাটি পার্বত্য

জেলায় অবস্থিত কাপ্তাই লেকের সকল প্রকার অবৈধ ভবন/স্থাপনা নির্মাণ নিষিদ্ধ করা হলো


আরও খবর



নওগাঁর রাণীনগরে রাস্তা সংস্কার কাজে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ

প্রকাশিত:Saturday ০৪ February ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টার :

নওগাঁর রাণীনগরে পাকা রাস্তা সংস্কার কাজে ব্যাপক অনিয়ম করার অভিযোগ উঠেছে। গত কয়েক দিন থেকেই অনিয়ম করেই রাস্তা সংস্কারের কাজ চলছে। 

স্থানীয়দের অভিযোগ, নওগাঁর রানীনগর উপজেলা এলজিইডি অফিসের কর্মকর্তাদের সাথে যোগসাজসে ঠিকাদার নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী দিয়ে রাস্তার কারপেটিংয়ের কাজ করছেন।

জানা যায়, রানীনগর উপজেলার বড়গাছা বাজার থেকে দেউলা পর্যন্ত পাকা রাস্তার মাঝে মাঝে কারপেটিং উঠে গিয়ে রাস্তারটির বেহলা দশায় পরিণত হয়। এতে দুর্ভোগে পরেন স্থানীয় লোকজনসহ রাস্তায় চলাচলকারী মানুষ। জনগণকে দুর্ভোগ থেকে রক্ষা করতে বড়গাছা গ্রামের জিরো পয়েন্ট থেকে দেউলা অভিমুখি দুই কিলো ২০০ মিটার পাকা রাস্তা সংস্কার করার জন্য এলজিইডি থেকে টেন্ডার দেওয়া হয়। এতে কাজের ব্যয় ধরা হয় ৭০ লাখ টাকার বেশি। টেন্ডারে মেসার্স দিপু এন্ড ব্রাদার্স নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজটি পান। এরপর রাস্তার পুরাতন কারপেটিং তুলে বেশ কিছুদিন থেকে রাস্তার সংস্কার কাজ শুরু করেন আব্দুর রহমান খান রেন্টু নামে ঠিকাদার।

জানা যায়, শুক্রবার রাস্তার কারপেটিং করার কাজ চলছে। উপজেলা এলজিইডি অফিসের একজন এসও কাজটি তদারকির দায়িত্বে রয়েছেন। আর তার সামনেই ঠিকাদার রেন্টু তার কাজের শ্রমিক দিয়ে নিম্মমানের নির্মাণ সামগ্রী দিয়ে রাস্তার কারপেটিং কাজ করছে।

স্থানীয় ইকবাল হোসেন, এমদাদুল সহ আরো কয়েক জন জানান, কাজের শুরু থেকেই কাজে ব্যাপক অনিয়ম করা হচ্ছে। রাস্তার পুরাতন কারপেটিং তুলে ওর উপরেই রাস্তায় রোলার করেছে। আবার নিম্নমানের পাথর, ডাষ্ট এবং কম পরিমান বিটুমিন দিয়ে কারপেটিংয়ের কাজ চালানো হচ্ছে। এভাবে অনিয়ম করে কাজ চলতে থাকলে রাস্তা বেশি দিন টিকসই হবে না। সঠিকভাবে রাস্তার কাজ করার দাবি জানান স্থানীয়রা।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে কাজের ঠিকাদার আব্দুর রহমান খান রেন্টু বলেন, রাস্তা সংস্কার কাজে কোন অনিয়ম হয়নি। নিয়ম অনুযায়ী কাজ করা হচ্ছে।

রাণীনগর উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) ইসমালই হোসেন বলেন, কাজ দেখভালের জন্য অফিসের লোক সব সময় আছে। আমি নিজেও রাস্তায় গিয়েছি। নিময় অনুযায়ী কাজ করা হচ্ছে।

এ ব্যাপারে নওগাঁ এলজিইডি’র নির্বাহী প্রকৌশলী তোফায়েল আহম্মেদ বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। খোঁজ নিয়ে রাস্তার কাজে অনিয়মের সত্যতা পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


আরও খবর



কুমিল্লায় মেয়র মোঃ আতিকুল ইসলাম

স্মার্ট শিক্ষার্থীরাই স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলবে

প্রকাশিত:Friday ০৩ February ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

কু‌মিল্লা ব্যুরো :

স্মার্ট শিক্ষার্থীরাই স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলবে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র মোঃ আতিকুল ইসলাম। 

ডিএনসিসি মেয়র বলেন, 'দেশজুড়ে শহরের পাশাপাশি গ্রাম পর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর উন্নয়ন হয়েছে। গ্রামের স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরা এখন দেশ-বিদেশে সুনামের সাথে কাজ করছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তোলার ঘোষণা দিয়েছেন। স্মার্ট শিক্ষার্থীরাই স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলবে।'

 শুক্রবার (০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৩) সকালে কুমিল্লার তিতাস উপজেলার লালপুর নজরুল ইসলাম উচ্চ বিদ্যালয়ের চার তলা ভবনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তৃতায় ডিএনসিসি মেয়র মোঃ আতিকুল ইসলাম এসব কথা বলেন।  

মেয়র আরও বলেন, 'গ্রামের একটি স্কুলের সফলতার জন্য সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা থাকতে হবে। লালপুর গ্রামের এই স্কুলটি শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও গ্রামবাসীর সহযোগিতায় এগিয়ে চলেছে। জেলা পর্যায়ে ও উপজেলা পর্যায়ে স্কুলের শিক্ষার্থীর ভালো করছে। মাননীয় স্থানীয় সরকার মন্ত্রী আজ নিজে এসে স্কুলের চার তলা ভবন উদ্বোধন করেছেন। আশা করছি স্কুলটির সুনাম ও সফলতা অব্যাহত থাকবে।

উল্লেখ্য, লালপুর নজরুল ইসলাম উচ্চ বিদ্যালয়ের চার তলা ভবনের নির্মাণ কাজ বাস্তবায়ন করে কুমিল্লা জেলার শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর।

এসময় ডিএনসিসি মেয়র বিদ্যালয়টিতে আসা যাওয়ার সুবিধার জন্য বিদ্যালয় থেকে আশেপাশের গ্রামগুলোতে যাওয়ার রাস্তা নির্মাণের জন্য স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর নিকট আহবান জানান।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্হানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মোঃ তাজুল ইসলাম এমপি। 

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ২০৪১ সালের স্মার্ট ও উন্নত  বাংলাদেশ গড়তে শিক্ষার্থীদের জ্ঞান অর্জনের মাধ্যমে সক্ষমতা ও দক্ষতা লাভের উপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন স্হানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মোঃ তাজুল ইসলাম। 


প্রধান অতিথির বক্তৃতায় স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, 'বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শিক্ষার উন্নয়নে প্রাইমারি স্কুলের জাতীয়করণ করেছিলেন যাতে শিক্ষকরা নিয়মিত বেতন পান। তাঁর সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্কুলে শতভাগ এনরোলমেন্ট নিশ্চিত করেছেন। জনগণের দ্বারগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে শেখ হাসিনা কমিউনিটি ক্লিনিক চালু করেছেন। উন্নয়নের এ ধারা অব্যাহত রাখতে মন্ত্রী শিক্ষার্থীদের আইটি শিক্ষায় গুরুত্ব দেবার আহবান জানান। 

মন্ত্রী আরও বলেন, 'কৃষকের সন্তানও সক্ষমতা ও দক্ষতা অর্জন করে দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সবার জন্য সমান সুযোগ সৃষ্টি করতে অবিরাম কাজ করে যাচ্ছেন। নারী শিক্ষা ও ক্ষমতায়নে বাংলাদেশে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এসেছে। যে বাংলাদেশের উন্নয়ন নিয়ে এক সময় উন্নত বিশ্ব সন্দেহ পোষণ করত, তারাই আজ বাংলাদেশকে উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বগুণেই আজ তা সম্ভব হয়েছে।'

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা জনাব আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহার ,কুমিল্লা  জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শামীম আলম।


আরও খবর