Logo
শিরোনাম

সম্পদের দুই-তৃতীয়াংশ এক ভাগ মানুষের হাতে

প্রকাশিত:Monday ১৬ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

২০২০ সাল থেকে এ পর্যন্ত বিশ্বের ৯৯ ভাগ মানুষ মোট যে পরিমাণ সম্পদ অর্জন করেছে, তার প্রায় দ্বিগুণ সম্পদের মালিক হয়েছে বাকি এক শতাংশ মানুষ। এমনটিই বলছে অক্সফামের সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদন।

যুক্তরাজ্যভিত্তিক আন্তর্জাতিক দাতব্য সংস্থা অক্সফাম 'সারভাইভাল অব দ্য রিচেস্ট' শীর্ষক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে। ১৬ জানুয়ারি সুইজারল্যান্ডের ডাভোসে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের বার্ষিক সভায় প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হয়।

পৃথিবীর মোট সম্পদের দুই-তৃতীয়াংশই নিয়ন্ত্রণ করছে মাত্র এক ভাগ মানুষ। সোমবার 'সারভাইভাল অব দ্য রিচেস্ট' নামে এক প্রতিবেদনে এমন তথ্য জানিয়েছে আন্তর্জাতিক দাতব্য সংস্থা অক্সফাম। প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২০ সাল থেকে বিশ্বে নতুন করে ৪২ ট্রিলিয়ন ডলারের সম্পদ অর্জিত হয়েছে। যার প্রায় সবটাই গেছে ঐ ধনকুবেরদের পকেটে। এ সময়ে বিলিয়নিয়ারদের সম্পদ আবার প্রতিদিন বেড়েছে দুই দশমিক সাত বিলিয়ন ডলার করে।

সংস্থাটি জানিয়েছে, বিলিয়নিয়ারদের সম্পদ প্রতিদিন দুই দশমিক সাত বিলিয়ন ডলার বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিলিয়নিয়ারদের অর্ধেক এমন দেশগুলোতে বাস করেন, যেখানে উত্তরাধিকার সূত্রে সম্পদের মালিক হতে কোনো ট্যাক্স দিতে হয় না।

অন্যদিকে, আয়ের সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে জিনিসপত্রের দাম। সম্পদের ব্যবধানের মতোই এই উর্ধমুখী মুল্যস্ফীতির সঙ্গে তাল মেলাতে হিমশিম খাচ্ছেন বিশ্বের ১ দশমিক ৭ বিলিয়ন কর্মী। আর বিলিয়নিয়ারদের অর্ধেক এমন দেশগুলোতে বাস করেন যেখানে উত্তরাধিকার সূত্রে সম্পদের মালিক হতে কোনো ট্যাক্সই দিতে হয় না। ফলে গেল ১০ বছরে বিশ্বের সব ধনকুবেরদের সম্পদ বেড়ে হয়েছে দ্বিগুণ।

অক্সফাম বলছে, ভারতের মোট সম্পদের ৪০ ভাগ রয়েছে মাত্র এক ভাগ ধনীর হাতে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতের মাত্র ১০ জন ধনী ব্যক্তির ওপর যদি ৫ শতাংশ কর আরোপ করা হয়, সেই টাকাতেই আগামী তিন বছর শিশুদের শিক্ষার ব্যায়ভার উঠে আসবে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে যে ভারতের ধনকুবেররা যদি তাদের সম্পূর্ণ সম্পদের উপর একবার মাত্র ২% কর দেন তবে আগামী তিন বছরের জন্য ভারতে অপুষ্টির শিকার মানুষের পুষ্টির জন্য ৪০,৪২৩ কোটি টাকার প্রয়োজন মেটাবে। ২০২২ সালে ভারতে বিলিয়নেয়ারের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১৬৬, যেখানে ২০২০ সালে এই সংখ্যা ছিল ১০২।

উপার্জনের পরিপ্রেক্ষিতে লিঙ্গ বৈষম্যেকেও প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে। তফসিলি জাতি এবং গ্রামীণ কর্মীদের মধ্যে পুরুষ-মহিলাদের আয়ের পার্থক্য অনেকটাই বেশি । অক্সফ্যাম আরও বলেছে যে করোনা মহামারি শুরু হওয়ার পর থেকে ২০২২ সালের নভেম্বর পর্যন্ত ভারতে ধনকুবেরদের সম্পদ প্রকৃত অর্থে ১২১ শতাংশ বা প্রতিদিন ৩৬০৮ কোটি টাকা বেড়েছে।

সূত্র: আল জাজিরা ও এনডিটিভি


আরও খবর



ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস আজ

প্রকাশিত:Tuesday ১০ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Friday ০৩ February ২০২৩ |
Image

মাজহারুল ইসলাম মাসুম, সিনিয়র সাংবাদিক, লেখক ও গবেষক :

ঐতিহাসিক ১০ জানুয়ারি আজ । জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস । ২৯০ দিন পাকিস্তানের কারাগারে থাকার পর ১৯৭২ সালের এইদিনে তিনি পাকিস্তানের বন্দীদশা থেকে মুক্তি পেয়ে সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশের মাটিতে প্রত্যাবর্তন করেন। 

পাকিস্তানের মিয়ানওয়ালি কারাগারে দীর্ঘ ৯ মাস কারাভোগের পর মুক্তি লাভ করেন তিনি। পরে তিনি পাকিস্তান থেকে লন্ডনে যান। তারপর দিল্লি হয়ে ঢাকা ফেরেন মুক্তির মহানায়ক। সেদিন বাঙালি জাতি বঙ্গবন্ধুকে প্রাণঢালা সংবর্ধনা জানানোর জন্য প্রাণবন্ত অপেক্ষায় ছিল। আনন্দে আত্মহারা লাখ লাখ মানুষ ঢাকা বিমানবন্দর থেকে রেসকোর্স ময়দান পর্যন্ত তাকে স্বতঃস্ফূর্ত সংবর্ধনা জানান। বিকেল ৫টায় রেসকোর্স ময়দানে প্রায় ১০ লাখ লোকের উপস্থিতিতে তিনি ভাষণ দেন। স্বয়ং জাতির জনক তার এই স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে আখ্যায়িত করেছিলেন ‘অন্ধকার হতে আলোর পথে যাত্রা’। সেই থেকে দিনটি বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস হিসেবে পালিত হয়।

জীবনমৃত্যুর কঠিন চ্যালেঞ্জের ভয়ঙ্কর অধ্যায় পার হয়ে সারাজীবনের স্বপ্ন, সাধনা ও নেতৃত্বের ফসল স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে মহান এ নেতার প্রত্যাবর্তন স্বাধীনতা সংগ্রামের বিজয় পূর্ণতা পায়। এ কারণেই বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এটি একটি অবিস্মরণীয় ও ঐতিহাসিক দিন হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে।

দিনটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন। রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ তার বাণীতে বলেন, সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত হলেও ১০ জানুয়ারি ১৯৭২ বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তনের মাধ্যমে পূর্ণতা পেয়েছিল বাংলার বিজয়। তাই দিনটি বাঙালি জাতির জীবনে অত্যন্ত আনন্দের ও গর্বের।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার বাণীতে বলেন, বাঙালির মুক্তি-সংগ্রামের ইতিহাসে এক কালজয়ী মহাপুরুষ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে ১৯৭২ সালের এই দিনে স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করেন। সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশের মানুষ তাদের প্রাণপ্রিয় নেতাকে ফিরে পায়। আমাদের মহান নেতার আগমনে মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত বিজয়ের আনন্দ পরিপূর্ণতা লাভ করে।

১৯৭২ সালের ৮ জানুয়ারি পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তির পরপরই তিনি বাংলাদেশে ছুটে আসতে চান। ওই সময়ের প্রেসিডেন্ট জুলফিকার আলি ভুট্টো তাকে তেহরান বা অন্য কোনো এয়ারলাইন্স বেছে নিতে বললে তিনি ব্রিটিশ এয়ারওয়েজে আসার সিদ্ধান্ত নেন। লন্ডন পৌঁছে তিনি বিবিসিতে বিশ্ববাসীর উদ্দেশে একটি ভাষণ দেন। তিনি যখন ভরাট কণ্ঠে তার সুস্থতার কথা জানান, ঠিক সেই মুহূর্তটিতে লাখ লাখ বাঙালি আনন্দে আত্মহারা হয়ে পড়েন। তখনও যুক্তরাজ্য বাংলাদেশকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি না দিলেও তৎকালীন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী অ্যাডওয়ার্ড হিথ বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এ সময় ব্রিটিশ বিরোধী দলীয় নেতা হ্যারাল্ড উইলসনও তাকে স্বাগত জানাতে সাক্ষাৎ করেন। তাকে দেয়া হয় রাষ্ট্রীয় অতিথির মর্যাদা।

লন্ডন থেকে দিল্লিতে পৌঁছান অবিস্মরণীয় নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ভারতের রাষ্ট্রপতি ভিভি গিরি, প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী, সমগ্র দেশবাসী তাকে উষ্ণ সংবর্ধনা দেন। এ সময় তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধে অনন্য ভূমিকার জন্য ভারতবাসী ও প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর কাছে কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। এরপর আসে সেই কাঙ্ক্ষিত মুহূর্ত। ১০ জানুয়ারি দুপুর ১টা ৪১ মিনিটে তিনি পা রাখেন স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশের মাটিতে। অধীর আগ্রহে অপেক্ষারত লাখ লাখ বাঙালি সেই মুহূর্তে আনন্দে আত্মহারা হয়ে পড়েন প্রিয় নেতা, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ফিরে পেয়ে। পুরো দেশই তাকে বরণ করে নিতে প্রস্তুত ছিল, তার কিছুটা চিত্র ধরা পড়ে তেজগাঁও বিমানবন্দরে। জয় বাংলা ধ্বনিতে মুখরিত হয়ে ওঠা বিমানবন্দর যেন বাংলার আকাশ-বাতাসকেই প্রতিনিধিত্ব করছিল। পাঁচ লাখেরও বেশি মানুষ সেই মুহূর্তে অবিস্মরণীয় এই নেতাকে গ্রহণ করতে অংশ নিয়েছিলেন। মহান এই নেতাকে একটু ছুঁয়ে দেওয়ার জন্য সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে এক ধরনের ব্যাকুলতা কাজ করছিল। 

স্বাধীন বাংলাদেশের মাটিতে পা রেখেই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন বঙ্গবন্ধু। দীর্ঘ ৯ মাস পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের এ দেশীয় দোসরদের গণহত্যার সংবাদ শুনে কান্নায় ভেঙে পড়েন। বঙ্গবন্ধু বিমানবন্দর থেকে সরাসরি চলে যান রেসকোর্স ময়দানে। সেখানে স্বতঃস্ফূর্তভাবে সমবেত লাখো জনতার উদ্দেশে বঙ্গবন্ধু ভাষণ দেন। স্বাধীন বাংলাদেশে জনতার উদ্দেশে দেয়া প্রথম সেই ভাষণে বঙ্গবন্ধু মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের জন্য দেশবাসীকে অভিনন্দন এবং যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশকে গড়ে তোলার কাজে সবাইকে আত্মনিয়োগ করার আহ্বান জানান। সেদিন রেসকোর্স ময়দানে লাখো জনতার উদ্দেশে বঙ্গবন্ধু ঘোষণা দেন, ‘রক্ত দিয়ে হলেও আমি বাঙালি জাতির এই ভালোবাসার ঋণ শোধ করে যাব। 


[email protected]


আরও খবর



এ বছর হজে যেতে পারবেন গত বছরের দ্বিগুণ

প্রকাশিত:Monday ০৯ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Friday ০৩ February ২০২৩ |
Image

ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ফরিদুল হক খান জানিয়েছেন, ২০২৩ সালে দেশের সম্ভাব্য হজযাত্রীর কোটা ১ লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জন। ২০০৯ সালে এ হজযাত্রীর সংখ্যা ছিল ৫৮ হাজার ৬২৮ জন।

রবিবার জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তোর পর্বে এম আব্দুল লতিফের এক প্রশ্নের উত্তরে প্রতিমন্ত্রী এ তথ্য জানান।

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী সংসদ অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।

প্রশ্নের উত্তরে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী বলেন, ২০০৯ সালে হজযাত্রীর সংখ্যা ছিল ৫৮ হাজার ৬২৮ জন, ২০১৯ সালে বেড়ে হয় এক লাখ ২৬ হাজার ৯২৩ জন। কিন্তু করোনা পরিস্থিতির কারণে ২০২২ সালে হজযাত্রীর সংখ্যা কমে দাড়ায় ৬০ হাজার ১৪৬ জনে।

তিনি আরও বলেন, চলতি ২০২৩ সালে হজযাত্রীর সম্ভাব্য কোটা বেড়ে হচ্ছে ১ লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জন। ২০০৯ এর তুলনায় এই সংখ্যা ১৪৮ শতাংশ বেশি। এটি সরকারের সাফল্যের একটি মাইলফলক।


আরও খবর

বিশ্ব ইজতেমা শুরু

Friday ১৩ January ২০২৩




প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অবদান

উন্নয়নের জোয়ারে ভাসছে পার্বত্য অঞ্চল- পার্বত্য মন্ত্রী বীর বাহাদুর

প্রকাশিত:Tuesday ১৭ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Friday ০৩ February ২০২৩ |
Image

মো. রেজুয়ান খান:


পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি বলেছেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পার্বত্য অঞ্চলকে উন্নয়নের জোয়ারে ভাসিয়ে দিয়েছেন। তিনি বলেন, পার্বত্য অঞ্চল এখন আর পিছিয়ে পড়া জনপদ নয়। পার্বত্য অঞ্চল এখন দেশের সম্পদ। সমতলের মতোই পার্বত্য চট্টগ্রামের মানুষ এখন দেশের উন্নয়নে সমানভাবে ভূমিকা রাখছে। সংশ্লিষ্টদের উদ্দেশ্য করে তিনি আরও বলেন, আমাদের চলমান প্রকল্পগুলো যথাযথভাবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে যেন বলতে পারি, আমাদের যে দায়িত্ব দিয়েছেন, তা আপনার দিকনির্দেশনায় সঠিকভাবে সম্পন্ন করেছি।
আজ বাংলাদেশ সচিবালয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এডিপি বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী বীর বাহাদুর এমপি এসব কথা বলেন।
সভার সভাপতিত্ব করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মোসাম্মৎ হামিদা বেগম।
সম্প্রতি সফলভাবে সম্পন্ন হওয়া পার্বত্য মেলা প্রসঙ্গে মন্ত্রী বীর বাহাদুর বলেন, মন্ত্রণালয়ের সচিব, অতিরিক্ত সচিব, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড, পার্বত্য তিন জেলা পরিষদ ও অন্যান্য সহযোগী প্রতিষ্ঠান অত্যন্ত সুন্দর, সফল ও আকর্ষণীয়ভাবে মেলার কাজ সম্পন্ন করেছেন। এ জন্য তিনি সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। পার্বত্য জেলা পরিষদ, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড-এর কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের কোমর তাঁতের কাপড়, পুঁথির মালা, কুটির শিল্প, হস্তশিল্প খুবই সুন্দর ও সূ²। এগুলোর মান যথেষ্ট ভালো। এর ব্র্যান্ডিংয়ের জন্য আপনারা পরিকল্পনা নেন। মিশ্র ফল বাগান, তুলা চাষ ও আখ চাষের উপর কৃষকদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেন। মন্ত্রী বলেন, এবারের পার্বত্য মেলা দেশের বিভিন্ন এলাকার মানুষ স্বতঃস্ফ‚র্তভাবে উপভোগ করেছেন।
সভায় তিন পার্বত্য জেলায় ০৩টি কোল্ড স্টোরেজ নির্মাণ, পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকায় টেকসই সামাজিক সেবা প্রদান প্রকল্পের কার্যক্রম, পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকায় মিশ্র ফল চাষ এবং মসলা চাষ প্রকল্প, পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকায় টেকসই সামাজিক সেবা প্রদান প্রকল্প, পার্বত্য চট্টগ্রামে তুলা চাষ বৃদ্ধি ও কৃষকদের দারিদ্র্য বিমোচন, পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে কফি ও কাজুবাদাম চাষের মাধ্যমে দারিদ্র্য হ্রাসকরণ, পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রত্যন্ত এলাকায় সোলার প্যানেল স্থাপনের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সরবরাহ (২য় পর্যায়) প্রসঙ্গে আলোচনা হয়।
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মোসাম্মৎ হামিদা বেগম এর সভাপতিত্বে এসময় অন্যান্যের মধ্যে পার্বত্য চট্টগাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান নিখিল কুমার চাকমা, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব সত্যেন্দ্র কুমার সরকার, অতিরিক্ত সচিব মো. আমিনুল ইসলাম, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মংসুইপ্রæ চৌধুরী, পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রত্যন্ত এলাকায় সোলার প্যানেল স্থাপন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মোহাম্মদ হারুন-অর-রশীদ উপস্থিত ছিলেন।



লেখক ঃ জনসংযোগ কর্মকর্তা, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়,

আরও খবর

সুখবর নেই বাজারে

Saturday ০৪ February ২০২৩




মালয়েশিয়া যেতে বিমান ভাড়ায় অরাজকতা

প্রকাশিত:Saturday ০৪ February ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

বাংলাদেশ মালয়েশিয়া রুটে বিমান ভাড়া নিয়ে শুরু হয়েছে অরাজকতা চাহিদা বেশি থাকায় সিন্ডিকেট করে ভাড়া কয়েক গুণ বাড়ানোর অভিযোগ উঠেছে প্রয়োজনে সরকারে হস্তক্ষেপ চেয়েছেন যাত্রীসহ বাজার সংশ্লিষ্টরা এয়ারলাইন্স কতৃপক্ষ অবশ্য বলছেন, ভাড়া ভাড়ানোর বিষয়টি নতুন নয় তবে এবার তা লাগাম ছাড়া

ঢাকা-কুয়ালালামপুর রুটে বর্তমানে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, ইউএসবাংলা ছাড়াও মোট পাঁচটি কোম্পানি সরাসরি ফ্লাইট পরিচালনা করছে সপ্তাহে অর্ধশতাধিক ফ্লাইট দুই শহরের মধ্যে যাত্রী পরিবহন করে এছাড়াও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক এয়ারলাইন্স ঢাকায় ট্রানজিট দিয়ে রুটে যাত্রী পরিবহন করে


গ্লোবাল ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেমের তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারিতে ঢাকা-কুয়ালালামপুর রুটে ইকোনমি ক্লাসে বিভিন্ন এয়ারলাইন্সের গড় ভাড়া ছিল ৯০ হাজার টাকার বেশি অথচ এই ভাড়াই দুই মাস আগে ছিল ২৫ হাজার থেকে ৩০ হাজার টাকা ট্রাভেল এজেন্টরা বলছেন, মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি কর্মীর কাজের সুযোগ সৃষ্টি হওয়ায় প্রতিদিন হাজারো মানুষ পাড়ি জমাচ্ছেন সেই সুযোগে এয়ারলাইন্সগুলো টিকিটের দাম কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে

শুধু কর্মী যাবার চাপ নয় ডলার এবং তেলের দাম বৃদ্ধিও টিকেটের দাম বাড়ার কারণ তবে এমন লাগামহীন বৃদ্ধির ফলে কর্মী যাবার গতি কমেছে বিষয়টি নিয়ে উদ্বিগ্ন মন্ত্রণালয়ওবর্তমানে দৈনিক পাঁচ হাজার কর্মীর মালয়েশিয়া যাবার ভিসা হয় কিন্তু ভাড়া বৃদ্ধির কারণে অনেকেই দেশটিতে যেতে পারছেন না


আরও খবর



ধামরাই ইসলামপুরে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ

প্রকাশিত:Saturday ০৭ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image
একই পরিবারের ৫ জন দগ্ধ

মোঃ মাহবুবুল আলম রিপন :


ঢাকার ধামরাই উপজেলার ইসলামপুরে একটি বাসায় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে একই পরিবারের পাঁচ জন দগ্ধ হয়েছেন। তারা সবাই শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন আছেন।শনিবার (৭ জানুয়ারি) ভোরে এ ঘটনা ঘটে। 

দগ্ধ ব্যক্তিরা হলেন, মো. মনজুরুল ইসলাম (৩৫), জোসনা আক্তার (২৫), সাদিয়া আক্তার (১৯), হোসনে আরা (২০) ও মরিয়ম (২)।

দগ্ধদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসা মো. সুফিয়ান ইউটিভিকে জানান, পোশাক শ্রমিক মনজুরুল ইসলামের স্ত্রী জোসনা আক্তার শনিবার ভোরে রান্নাঘরে রান্না করতে গেলে গ্যাস সিলিন্ডার লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ হয়। এ ঘটনায় আগুন সারা বাড়িতে ছড়িয়ে যায়। এতে মনজুরুলের শ্যালিকা, ভাতিজি ও দুই বছরের শিশুকন্যা মরিয়মসহ ওই পরিবারের পাঁচজন দগ্ধ হন। তাদের উদ্ধার করে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে আনা হয়েছে। তারা এখন চিকিৎসাধীন আছেন।

আবাসিক সার্জন ডা. এস এম আইউব হোসেন ইউটিভিকে বলেন, সকালে শিশুসহ পাঁচজন দগ্ধ হয়ে এসেছেন। এদের মধ্যে মনজুরুলের শরীরের ৩৩ শতাংশ, তার স্ত্রী জোসনার ৪০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক। বাকিরা জরুরি বিভাগের চিকিৎসাধীন আছেন।


আরও খবর