Logo
শিরোনাম

সমর্থকদের কাছে ক্ষমা চাইলেন মেসি

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৫ মে ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image

ইয়াশফি রহমান : লিওনেল মেসির সৌদি আরব ভ্রমণ নিয়ে কম আলোচনা হয়নি সপ্তাহ জুড়ে। দুই সপ্তাহের নিষেধাজ্ঞা জুটেছে, বেতনও কাঁটা যাচ্ছে। দলের প্রতি তার নিবেদন নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে, এমনকি শোনা গেছে চুক্তি নবায়ন না করার বিষয়টিও। কিন্তু চুপ ছিলেন মেসি। তবে এবার মুখ খুললেন তিনি, ক্ষমা চেয়েছেন সমর্থকদের কাছে।

বিনা অনুমতিতে মেসি সৌদি সফরে যাওয়ায় কড়া অবস্থান নেয় পিএসজি। নিষেধাজ্ঞা জারি করে মেসির উপর। এরপর থেকেই পক্ষে-বিপক্ষে নানান কথা ভেসে বেড়াচ্ছিল ফুটবল মহলে। গুঞ্জন উঠে নানান ইস্যুতে। তবে মুখ খুলেননি মেসি, বরং পরিবার নিয়েই সৌদি আরবে সাচ্ছন্দ্যে ঘুরে বেড়িয়েছেন তিনি।

তবে বৃহস্পতিবার থেকে যখন ক্লাবের সমর্থকরা তাকে উদ্দেশ্য করে দুয়ো দিতে শুরু করে প্যারিস জুড়ে, পিএসজির কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ করে, স্লোগান উঠায় তার বিরুদ্ধে; তখন আর চুপ থাকতে পারলেন না আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ জয়ী এই অধিনায়ক। ইনস্টাগ্রামের স্টোরিতে এক ভিডিও পোস্ট করে ক্ষমা চান তিনি।

যেখানে মেসি বলেন, যা ঘটছে, তা শেষ হবার পর আমি এই ভিডিওটা তৈরি করতে চেয়েছি। প্রথমত, আমি আমার ক্লাব ও সতীর্থদের কাছে ক্ষমা চাইছি। আমি ভেবেছিলাম ম্যাচের পরে সব সময়ের মতো দল ছুটিতে থাকবে। আর এই সফরটা আমার আগে থেকেই ঠিক করা ছিল। তাই এটা বাতিল করতে পারিনি। আগেও আমি এই সফরটা বাতিল করেছি।

মূল ঘটনার সূত্রপাত রোববার। সেদিন লিগ আঁতে লঁরার বিপক্ষে মাঠে নামেন পিএসজির জার্সি গায়ে। ম্যাচে ৩-১ গোলে বাজেভাবে হেরে যান মেসিরা। তবে ম্যাচের পরই ক্লাব কর্তৃপক্ষের কাছে সৌদি সফরের অনুমতি চেয়ে আবেদন করেন মেসি।

সোমবার দলের অনুশীলনের সূচি থাকায় তাকে অনুমতি দেননি কোচ ক্রিস্তফ গালতিয়ের ও ক্রীড়া পরিচালক লুইস কাম্পোস। তবে অনুমতি না পেয়েও পরিবার নিয়ে সৌদি আরব সফরে যান আর্জেন্টাইন অধিনায়ক।

বিষয়টা ভালোভাবে নেয়নি পিএসজি। বিশ্বের সেরা এই ফুটবলারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতেও পিছপা হয়নি তারা। শাস্তি হিসেবে ১৪ দিনের নিষেধাজ্ঞা দিয়ে দেয় তার উপর। তাছাড়া এই কয়দিনের বেতনও কেটে নেয়ার ঘোষণা দেয় তারা।

 


আরও খবর



সেন্টমার্টিন আক্রান্ত হলে ছেড়ে দেব না

প্রকাশিত:শনিবার ১৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে আরাকান আর্মি ও ক্ষমতাসীন জান্তা বাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষে মর্টার শেল ও ভারী গোলার বিকট শব্দে কেঁপে উঠছে সেন্টমার্টিন। এমনকি টেকনাফ সীমান্তের খুব কাছে চোখে পড়ছে মিয়ানমারের টহল জাহাজও। এ অবস্থায় কোনোভাবে আক্রান্ত হলে মিয়ানমার সরকার বা আরাকান আর্মিকে ছেড়ে দেওয়া হবে না বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

শনিবার (১৫ জুন) দুপুরে রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক ব্রিফিংয়ে এ হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন তিনি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ সংকটের কারণে আমরা সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছি, এটা দুঃখজনক। আমরা আক্রান্ত হলে ছেড়ে দেব না। আমরা এখনই আক্রমণ করব না, কিন্তু আমাদের প্রস্তুতি আছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, জাতিসংঘ এখন নখদন্তহীন। ইসরায়েল তাদের কথা শোনে না। বড় বড় দেশগুলোও শোনে না।

এ সময় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক বি এম মোজাম্মেল হক, সুজিত রায় নন্দী, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদক মৃণাল কান্তি দাস, উপ প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল আউয়াল শামীম উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর

শেখ হাসিনার প্রশংসায় জয়শঙ্কর

শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪




এইচএসসিতে গত বছরের তুলনায় শিক্ষার্থী বেড়েছে ৯১ হাজার, শিক্ষামন্ত্রী

প্রকাশিত:বুধবার ০৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image



নিজস্ব প্রতিবেদক:



শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী বলেছেন, কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ব্যতীত অন্য কেউ মোবাইলফোন বা ইলেকট্রনিক ডিভাইস নিয়ে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবেন না; শুধু ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারবেন (তবে ছবি তোলা যায় না এমন মোবাইল ফোন)। 



আজ বুধবার (৫ জুন) এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা-২০২৪ উপলক্ষে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত জাতীয় মনিটরিং ও আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের শিক্ষামন্ত্রী এসব কথা বলেন। 


মন্ত্রী বলেন, পরীক্ষাসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ (যেমন- পরীক্ষার্থী, কক্ষ পর্যবেক্ষক, মন্ত্রণালয়ের কেন্দ্র পরিদর্শন টিম, বোর্ডের কেন্দ্র পরিদর্শন টিম, জেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসনের পরিদর্শন টিম, নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্য) ব্যতীত অন্য কেউ কেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবে না। 



পরীক্ষা শুরুর কমপক্ষে ৩০ মিনিট পূর্বে পরীক্ষার্থীকে অবশ্যই পরীক্ষার হলে প্রবেশ করতে হবে। অনিবার্য কারণে কোনো পরীক্ষার্থীকে এর পরে প্রবেশ করতে দিলে তার নাম, রোল নম্বর, প্রবেশের সময়, বিলম্ব হওয়ার কারণ ইত্যাদি একটি রেজিস্ট্রারে লিপিবদ্ধ করে ঐ দিনই সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডে প্রতিবেদন দিতে হবে। 


পরীক্ষা শুরুর ২৫ মিনিট পূর্বে এসএমএসের মাধ্যমে সংশ্লিষ্টদের নিকট প্রশ্ন পত্রের সেট কোড জানিয়ে দেওয়া হবে। এবার গত বছরের তুলনায় ৯১ হাজার ৪৪৮ জন শিক্ষার্থী বেড়েছে। এ ছাড়া পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠান বেড়েছে ২৯৪টি, পরীক্ষা কেন্দ্র বেড়েছে ৬৭টি।



মন্ত্রী আরও বলেন, এবার সব পরীক্ষার্থীর (নিয়মিত, অনিয়মিত, মানোন্নয়ন) জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড কর্তৃক প্রণীত ২০২৪ সালের পুনর্বিন্যাসকৃত পাঠ্যসূচি অনুযায়ী সব বিষয়ে পূর্ণ নম্বর ও পূর্ণ সময়ে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।


এবার দেশের ৯ হাজার ৪৬৩ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ১৪ লাখ ৫০ হাজার ৯৭০ জন শিক্ষার্থী এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় বসবে। এর মধ্যে ছাত্র ৭ লাখ ৫০ হাজার ২৮১ জন, ছাত্রী ৭ লাখ ৫০৯ জন। 


কেন্দ্র সংখ্যা ২ হাজার ৭২৫টি। মোট শিক্ষার্থীর মধ্যে ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১১ লাখ ২৮ হাজার ২৮১ জন, মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ডের দাখিলে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৮৮ হাজার ৭৬ জন, কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের এইচএসসি (বিএম/বিএমটি/ভোকেশনাল) ও ডিপ্লোমা ইন কমার্স পরীক্ষায় বসবে দুই লাখ ৩৪ হাজার ৪৩৩ জন শিক্ষার্থী।


আরও খবর



সিলেটে বিপৎসীমার ওপরে ৫ নদী, তলিয়ে যাচ্ছে রাস্তাঘাট-ঘরবাড়ি

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ৩০ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image

ডিজিটাল ডেস্ক:


গত কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিতে সিলেটের গোয়াইনঘাট, জৈন্তাপুর, কোম্পানীগঞ্জ ও কানাইঘাট উপজেলায় আকস্মিক বন্যা দেখা দিয়েছে। 


এতে প্লাবিত হয়েছে ওই ৪ উপজেলার বেশিরভাগ নিম্নাঞ্চল। এদিকে সিলেটের প্রধান ৫ নদীর পানি বিপৎসীমার ওপরে থাকায় বন্যাপরিস্থিতি অবনতির আশঙ্কা রয়েছে।  


অনেক সড়ক ডুবে যাওয়ায় যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। ইতোমধ্যেই প্রশাসনের পক্ষ থেকে খোলা হয়েছে আশ্রয় কেন্দ্র। পানিবন্দি মানুষরা বিভিন্ন আশ্রয় কেন্দ্রে উঠতে শুরু করেছেন।



খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গোয়াইনঘাট উপজেলার রুস্তমপুর ইউনিয়ন, লেঙ্গুড়া, ডৌবাড়ি, নন্দীরগাঁও, পূর্ব ও পশ্চিম আলীরগাও, পশ্চিম জাফলং, মধ্য জাফলংয়ে প্লাবনের পরিমাণ বেশি হয়েছে। 


এই উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নে মোট ৫৬টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা রয়েছে। অতি ঝুঁকিপূর্ণ ও প্লাবন প্রবণ এলাকার জনগণকে দ্রুত আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান নিতে মাইকিং করা হচ্ছে।


এছাড়া সালুটিকর-গোয়াইনঘাট সড়ক তলিয়ে যাওয়ার কারণে যান চলাচল বন্ধ হয়ে উপজেলা সদরের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।


জৈন্তাপুর উপজেলায় নিজপাট লামাপড়া, বন্দরহাটি, ময়নাহাটি, জাঙ্গালহাটি, বড়খেলা, মেঘলী, তিলকৈপাড়া, ফুলবাড়ী, নয়াবাড়ী, হর্নি, বাইরাখেল, গোয়াবাড়ী, ডিবির হাওর, ঘিলাতৈল, মুক্তাপুর, বিরাইমারা হাওর, খারুবিল, লমানীগ্রাম, কাটাখাল, বাউরভাগ ও বাওন হাওরসহ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। প্রস্তুত রয়েছে আশ্রয় কেন্দ্র।


এছাড়াও প্লাবিত হয়েছে কোম্পানীগঞ্জ ও কানাইঘাট উপজেলার বিভিন্ন এলাকা। গ্রামীণ সড়ক ডুবে যোগাযোগ ব্যাহত রয়েছে অনেক জায়গায়।


এ ব্যাপারে সিলেটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোবারক হোসেন বলেন, ইতোমধ্যেই গোয়াইনঘাট, জৈন্তাপুর, কোম্পানীগঞ্জ ও কানাইঘাট উপজেলায় আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। 


সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত গোয়াইনঘাটের কয়েকটি আশ্রয়কেন্দ্রে মানুষ উঠতে শুরু করেছে। তিনি আরও বলেন, আকস্মিক বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলা প্রশাসন সার্বিক প্রস্তুতি নিয়েছে। সব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের সার্বক্ষণিক তদারকি করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।


এদিকে ধারাবাহিক বৃষ্টিপাতের ফলে সিলেটে সুরমা, কুশিয়ারা ও সারি-গোয়াইন নদীর তিনটি পয়েন্টে বিপদসীমা অতিক্রম করেছে।


পানি উন্নয়ন বোর্ড সিলেটের তথ্যমতে, বুধবার সন্ধ্যা ৬টায় সুরমা নদীর কানাইঘাট পয়েন্টে বিপৎসীমার ১২০ সেন্টিমিটার, কুশিয়ারা নদীর পানি জকিগঞ্জের অমলশীদ পয়েন্টে ১২০ সেন্টিমিটার, সারি নদীর পানি জৈন্তাপুরের সারিঘাট পয়েন্টে ৯১ সেন্টিমিটার, সারিগোয়াইন নদীর পানি গোয়াইনঘাট পয়েন্টে ১২ সেন্টিমিটার ও ডাউকি নদীর পানি জাফলংয়ে ৪১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল।


বুধবার দুপুর ১২টায় সুরমা নদীর কানাইঘাট পয়েন্টে বিপৎসীমার ৮৫ সেন্টিমিটার, কুশিয়ারা নদীর পানি জকিগঞ্জের অমলশীদ পয়েন্টে ৩৭ সেন্টিমিটার, সারি নদীর পানি জৈন্তাপুরের সারিঘাট পয়েন্টে ৫৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল।


সিলেট আবহাওয়া অফিস বলেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় (মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে বুধবার সন্ধ্যা ৬টা) পর্যন্ত সিলেটে ১৪৬ দশমিক ০১ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে।


সিলেট আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ শাহ মোহাম্মদ সজিব হোসেন বলেন, আগামী ৩ দিন সিলেটে অস্থায়ী দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। 


আরও খবর



কুয়েতে বহুতল ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৩৫

প্রকাশিত:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image



সদরুল আইনঃ


কুয়েতের দক্ষিণাঞ্চলের মানগাফ শহরে একটি বহুতল ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ৩৫ জন নিহত হয়েছে। আজ বুধবার (১২ জুন) দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম এ তথ্য জানিয়েছে। খবর এএফপির।



দেশটির ফরেনসিক বিভাগের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল ইদ আল-ওয়াইহানের উদ্ধৃতি দিয়ে স্থানীয় গণমাধ্যম আরব টাইমস কুয়েতের প্রতিবেদনে বলা হয়, মানগাফের ওই ভবনে আগুনে মৃতের সংখ্যা ৩৫ ছাড়িয়েছে। 


প্রাথমিকভাবে ১৫ জন আহত ব্যক্তিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়, যাদের মধ্যে চারজন পরে মারা গেছে।



এদিকে, ফায়ার সার্ভিসের জনসংযোগ বিভাগের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মুহাম্মদ আল-গারিব বলেছেন, প্রাথমিকভাবে বেশকিছু প্রাণহানি ও আহতের তথ্য পাওয়া গেছে।


বুধবার ভোর সাড়ে ৪টায় ফায়ার বিভাগ কর্মীরা ঘনবসতিপূর্ণ একটি বাসভবনে আগুনের সূত্রপাতের খবর পায়। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা।


 ভবনটির বাসিন্দারা ঘুমাচ্ছিলেন। ধোঁয়ায় শ্বাস নিতে না পারায় অধিকাংশ প্রাণহানি হয়েছে। তবে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বাসিন্দাকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়েছিল।  



সূত্রের তথ্যমতে, বর্তমানে ভবনটিতে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ও আহতদের ব্যবস্থাপনায় ব্যস্ত সময় পার করছে কর্তৃপক্ষ। একাধিক ফায়ার স্টেশনের কর্মীরা ওই ভবনে কাজ করছে। নিকটস্থ হাসপাতালগুলোতে আহতদের চিকিৎসা চলছে।


স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত ৪৩ জনকে উন্নত চিকিৎসাসেবা দেওয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে গুরুতর আহত ছিলেন অনেকে। এর মধ্যে চারজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।



আহতদের মধ্যে ২১ জনকে আল-আদান হাসপাতালে, ছয়জন আল-ফারওয়ানিয়াহ হাসপাতালে, একজন আল-আমিরি হাসপাতালে, ১১ জন মুবারক হাসপাতালে এবং চারজনকে জাবের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। দ্রুত ও নিবিড় পরিচর্যা প্রদানে মেডিকেল টিমগুলো অক্লান্ত পরিশ্রম করছে।


স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় আহতদের অবস্থা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং সমস্ত প্রয়োজনীয় চাহিদা মেটাতে এবং সম্ভাব্য সর্বোত্তম চিকিত্সা পরিষেবা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট হাসপাতাল ও কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করছে। 


আহতদের ফলোআপ করার জন্য এবং তাদেরকে মানসিকভাবে ও তাদের পরিবারকে নৈতিকভাবে সমর্থন দেওয়ার জন্য বিশেষায়িত মেডিকেল টিমও গঠন করা হয়েছে।



আরও খবর

যুদ্ধে জড়িয়ে পড়তে পারে ইইউ

বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24




লোকসভা নির্বাচনের শেষ ধাপের ভোটগ্রহণ চলছে

প্রকাশিত:শনিবার ০১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ |

Image

 ডিজিটাল ডেস্ক:

ভারতের ১৮তম লোকসভা নির্বাচনের সপ্তম ও শেষ দফার ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। 


শনিবার (১ জুন) সকাল সাতটায় দেশটির আটটি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের ৫৭টি লোকসভা আসনে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। চলবে সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত।


গত ১৯ এপ্রিল শুরু হয় বিশ্বের সর্ববৃহৎ গণতান্ত্রিক দেশ ভারতের লোকসভা নির্বাচন। সাত ধাপের মধ্যে এ পর্যন্ত ছয় ধাপে ৫৪৩ আসনের মধ্যে ভোটগ্রহণ হয়েছে ৪৮৬ আসনে। 


শনিবার সপ্তম ও শেষ ধাপে ৭ রাজ্য ও একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের ৫৭ আসনে ভোট। এই দফায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৯০৪ জন প্রার্থী।


শেষ দফায় মোট ভোটারের সংখ্যা প্রায় ১০ কোটি ৬ লাখ। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৫ কোটি ২৪ লাখ, নারী ভোটার রয়েছে ৪ কোটি ৮২ লাখ। আর তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ৩ হাজার ৫৭৪ জন। ভোটগ্রহণ হচ্ছে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম)।


শেষ দফায় ভোটগ্রহণ হচ্ছে উত্তর প্রদেশ ও পাঞ্জাবে ১৩টি করে আসনে। এ ছাড়া পশ্চিমবঙ্গের ৯টি, বিহারে ৮টি, ওড়িশায় ৬টি, হিমাচল প্রদেশে ৪টি, ঝাড়খন্ডে ৩টি এবং চন্ডিগড়ের একটি আসনে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে।


পশ্চিমবঙ্গের ৪২টি লোকসভা আসনের মধ্যে এই দফায় ভোট হচ্ছে শেষ ৯টি আসনে। দমদম, বারাসাত, বসিরহাট, জয়নগর, মথুরাপুর, ডায়মন্ড হারবার, যাদবপুর, কলকাতা উত্তর এবং কলকাতা দক্ষিণ কেন্দ্রে হবে ভোটগ্রহণ।




আরও খবর

যুদ্ধে জড়িয়ে পড়তে পারে ইইউ

বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24