Logo
শিরোনাম

সংবিধান দিবসে আইনমন্ত্রীর বক্তব্যের প্রতিবাদ

প্রকাশিত:Saturday ০৫ November ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ০৭ February ২০২৩ |
Image

বিদেশী প্রভূ ও তাদের এজেন্টদের খুশি করতে সরকার 'রাষ্ট্র ধর্ম ইসলাম' বাতিল করতে চায়

     ----ইসলামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম পরিষদ  

সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাদ দেয়ার জন্য অপেক্ষা করতে বলে সংবিধান দিবসে আইনমন্ত্রীর দেয়া বক্তব্যে ক্ষোভ ও নিন্দা জানিয়েছেন ইসলামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম পরিষদ সভাপতি শহিদুল ইসলাম কবির।

আজ শনিবার, গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, সংখ্যাগরিষ্ঠ ৯২% মুসলমানদের দেশে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম আছে ছিলো থাকবে, এটা গণমানুষের দাবি। ইসলাম বিদ্বেষী গোষ্ঠীর এজেন্ট হাতে গোনা কিছু লোকের মন রক্ষায় সরকার যদি রাষ্ট্র ধর্ম ইসলাম বাদ দিতে চায় তবে দেশবাসী মনে করবে ক্ষমতাসীন সরকার জনগণকে খুশি করতে নয়, বিদেশী প্রভূ ও তাদের এজেন্টদের খুশি করতে রাষ্ট্র ধর্ম ইসলাম বাতিল করতে চায়। সরকারের সুবিধাভোগী কিছু দুস্কৃতিকারী একইভাবে ইসলাম বিদ্বেষী ষড়যন্ত্রকারীদের এজেন্ডা বাস্তবায়নে শিক্ষাব্যবস্থা থেকে ইসলামী শিক্ষা উঠিয়ে দিয়ে ভিনদেশি শিক্ষা-সংস্কৃতির প্রচলন করতে উঠেপড়ে লেগেছে।  

শহিদুল ইসলাম কবির বলেন, সরকারের কোন কোন মন্ত্রীর বক্তব্য ও তৎপরতা বলে দেয় ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ মুখে মদীনা সনদের কথা বলে মানুষকে বোকা বানিয়ে ধোঁকা দিয়ে বিধর্মীদের প্রেসক্রিপশন এ অন্যকোন সনদে রাষ্ট্র পরিচালনা করছে। যে কারণে তারা বাংলাদেশ থেকে ইসলামের নাম গন্ধ মুছে দিতে চায়। 

তিনি বলেন, পীর আউলিয়ার বাংলায় ইসলাম ও মুসলমানদের চিন্তা চেতনা বিরোধী কোনো পদক্ষেপ রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে নেয়া হলে তা দেশবাসী অতীতে মেনে নেয়নি, ভবিষ্যতে ও মেনে নিবে না, ইনশাআল্লাহ।


আরও খবর



সোনারগাঁওয়ে ৫১ তম জাতীয় স্কুল ও মাদ্রাসা খেলাধুলার পুরস্কার বিতরন

প্রকাশিত:Monday ১৬ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Monday ০৬ February ২০২৩ |
Image

শাহাদাৎ হোসেন সায়মন (সোনারগাঁও প্রতিনিধি) :

সোনারগাঁও উপজেলার মেঘনা শিল্প নগরী স্কুল এন্ড কলেজ মাঠে বাংলাদেশের ৫১ তম জাতীয় স্কুল মাদ্রাসা খেলাধুলার পুরস্কার বিতরনী অনুষ্টান অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত অনুষ্টানে এডঃ সামসুল ইসলাম ভূইয়ার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জাতীয়  সংসদ সদস্য লিয়াকত হোসেন খোকা, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ রেজাওয়ান উল ইসলাম, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মাহমুদা আক্তার, সোনারগাঁও উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ সভাপতি পিরোজপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদুর রহমান মাসুম, জেলা পরিষদ সদস্য আবু নাইম ইকবাল, নোওয়াগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শামসুল ইসলাম সামসু। এছাড়াও আরো উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা পরিষদের বিভিন্ন কর্মকর্তাগন বিভিন্ন স্কুল মাদ্রাসার শিক্ষকগণ এবং ছাত্রছাত্রীবৃন্দসহ প্রিন্ট ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকগন উপস্থিত ছিলেন। এসময় খেলাধুলায় বিজয়ীদের হাতে উপস্থিত অতিথিবৃন্দ পুরষ্কার তুলে দেন।

সংসদ সদস্য লিয়াকত হোসেন খোকা বলেন, মাদক সন্ত্রাস ইভটিজিং জঙ্গিবাদ থেকে নিজেদের সন্তান এবং নিজেদেরকে বাঁচিয়ে সুশিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে সুস্থ দেহের জীবন-যাপন করা প্রতিটি শিক্ষার্থীর উচিত লেখাপড়ার পাশাপাশি ক্রীড়া সংস্কৃতিতে মনযোগী হওয়া।  নিজের প্রতিভাকে কাজে লাগিয়ে নিজেকে পৃথিবীতে শ্রেষ্ঠ মানুষ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে।

চেয়াম্যান মাসুদুর রহমান মাসুম বলেন, তোমারা ফেইজবুক কম ব্যবহার করবে তাহলে তোমার লেখাপড়া এগিয়ে নিয়ে যেতে পাড়বে।তোমাদের তোমার মা বাবার আশা তোমরা সুশিক্ষিত হও। তোমাদের খেলাধুলার জন্য যা কিছু দরকার আমি যতদিন আছি তোমাদের পাশে থাকবো।


আরও খবর



সাভার উপজেলায় ৪টি বিদ্যালয়ের ভবন উদ্বোধন

প্রকাশিত:Sunday ২৯ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Tuesday ০৭ February ২০২৩ |
Image

মাহবুবুল আলম রিপন,স্টাফ রিপোর্টার:

ঢাকার সাভারে ৪টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নতুন ভবনের 

উদ্বোধন করেছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম এমপি। শনিবার (২৮ জানুয়ারি) সকালে উপজেলার তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়নে বিভিন্ন ওয়ার্ডে অবস্থিত ওই ভবনগুলো উদ্বোধন করেন তিনি।

পরে হেমায়েতপুর ঈদগাহ মাঠে এক সুধি সমাবেশ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দিয়ে বক্তব্য রাখেন অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম।  

তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও সাভার উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ফখরুল আলম সমর এর সভাপতিত্বে এই বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- সাভার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুরুল আলম রাজীব, সাভার উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ মাজহারুল ইসলাম, সাভার উপজেলা প্রকৌশলী তরুণ কুমার বৈদ্য। 

প্রধান অতিথির বক্তব্যে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জানান, বিএনপি'র মাঠে কোন ভোট নেই, তাই তারা বিভিন্ন অপকর্মের সাথে লিপ্ত হচ্ছে। দুর্নীতির দায়ে সাজাপ্রাপ্ত নেতৃত্ব নিয়ে বিএনপি কীভাবে জনগণের ভোট আশা করে? এছাড়াও তত্ত্বাবধায়ক সরকারেরও কোন সুযোগ নেই বলেও জানান তিনি।

উদ্বোধনকৃত ওই ভবনগুলো হলো- শ্যামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু ভবন, ৯নং হরিন ধরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবন, পানপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবন এবং হেমায়েতপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবন।

অনুষ্ঠানে এসময় অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন- আমিনবাজার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রকিব আহমেদ, বনগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম, ভাকুর্তা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাজী দুর্ঘটনায় লিয়াকত হোসেন প্রমুখ।


আরও খবর



বেনাপোলে সিএন্ডএফ এজেন্টদের কর্মবিরতি

প্রকাশিত:Monday ৩০ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Tuesday ০৭ February ২০২৩ |
Image

লাইসেন্সিং বিধিমালা সংশোধনীসহ বিভিন্ন দাবি না মানায় বেনাপোল কাস্টমস হাউস ও শুল্ক স্টেশনে সকাল থেকে দুই দিনের কর্মবিরতি শুরু হয়েছে। ফলে, বন্ধ আছে আমদানি রপ্তানি বাণিজ্য।

বেনাপোল কাস্টমস সিএন্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন জানান, কাস্টমস এজেন্ট লাইসেন্সিং বিধিমালা-২০১৬ জারির পর ফেডারেশনের পক্ষ থেকে বারবার প্রয়োজনীয় সংশোধনের জন্য অনুরোধ জানানো হলেও তা আমলে নেয়া হয়নি। এরপর কাস্টমস এজেন্ট লাইসেন্সিং বিধিমালা-২০২০ প্রণয়নের সময়েও ফেডারেশনের সঙ্গে আলোচনা না করেই বিধি জারি করা হয়েছিল। এছাড়া ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাবনায় অন্তর্ভুক্ত করার জন্য লাইসেন্সিং রুলের কয়েকটি বিধি ও উপবিধি সংশোধনীর প্রস্তাব দেয়া হলেও বাজেট প্রস্তাবনায় কোনো সংশোধনী আনা হয়নি। আর এ কারনেই আজ ও আগামীকাল কর্মবিরতি পালন করা হবে।  


আরও খবর

কমছে আয়, বাড়ছে ব্যয়

Saturday ০৪ February ২০২৩




তথ্য পরিবর্তন করে ২২ বছর

কারারক্ষীর চাকুরী করা প্রতারক তাজুল‌কে গ্রেপ্তার করলো র‌্যাব

প্রকাশিত:Saturday ১৪ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Tuesday ০৭ February ২০২৩ |
Image

নিজস্ব প্রতি‌বেদক ,কু‌মিল্লা :         

প্রতারণার খবর পাওয়া যায় যা সিনেমার গল্পকেও হার মানায়। এমনি এক ধূর্ত প্রতারক তাজুলকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। তথ‌্য গোপন ক‌রে ২২বছর কারারক্ষীর চাকুরী করা প্রতারক তাজুল ইসলাম‌কে কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া বাজার  থে‌কে গ্রেপ্তার ক‌রেছে র‌্যাব। ওই এলাকার বা‌ড়ি থে‌কে ৩ সেট কারারক্ষী ইউনিফর্ম, ১ টি কারারক্ষী জ্যাকেট,১ সেট কারারক্ষী রেইনকোট, ভুয়া জাতীয় পরিচয়পত্র সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ নথি-পত্রাদি উদ্ধার ক‌রে‌ছে র‌্যাব।

শুক্রবার সকা‌লে কু‌মিল্লার শাকতলা  র‌্যাব কার্য‌্যাল‌য়ে এক সংবাদ স‌ম্মেল‌নে র‌্যাব -১১উপ-পরিচালক,

কোম্পানী অধিনায়ক‌ মেজর মোহাম্মদ সাকিব হোসেন

জানান-  ভুয়া পরিচয় দিয়ে দীর্ঘ ২২ বছর ধরে চাকুরী করে গেছে কারারক্ষীর মত স্পর্শকাতর জায়গায়।  গত ২০০১ সালে হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর থানার শাহজাহানপুর গ্রামের মোঃ নুর উদ্দিন খান এর ছেলে মোঃ মঈন উদ্দিন খান কারারক্ষী পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেখে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে হাজির হয়ে শারীরিক ফিটনেস, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা দি‌য়ে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রত্যেকের স্থায়ী ঠিকানায় নিয়োগপত্র পরবর্তীতে ডাকযোগে প্রেরণ করা হবে। একই নিয়োগ দেখে উক্ত প্রতারকও পরীক্ষা দেয় এবং অকৃতকার্য হয়। এরই মধ্যে প্রতারকসহ আরো দুইজন সুযোগের সদ্ব্যবহার করে মঈন উদ্দিন খানের বাড়িতে যান ও নিজেদের কারাকর্তৃপক্ষের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা হিসেবে পরিচয় দেয় এবং মঈন উদ্দিন খানকে বলে সে যদি কিছু টাকা দেয় তবে তাকে নিয়োগপত্র প্রদান করা হবে অন্যথায় তার নিয়োগ বাতিল করা হবে। কিন্তু মঈন উদ্দিন খান ঘুষ দিয়ে চাকুরী করবে না বলে টাকা প্রদানে অস্বীকৃতি জানায়। পরবর্তীতে মঈন উদ্দিন খান নিয়োগপত্র না পাওয়ায় আশাহত হয়ে বেসরকারী চাকুরী শুরু করেন। এরই মধ্যে প্রকৃত মঈন উদ্দিন খান এর ঠিকানা ব্যবহার করে অজ্ঞাত এক ব্যক্তি তার স্থলে কারারক্ষী হিসেবে চাকুরী শুরু করেন এবং বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন কারাগারে চাকুরী সম্পন্নও করেন ও সর্বশেষ ঐ প্রতারক সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারে কর্মরত ছিলেন। এরই মধ্যে জাতীয় বেতনস্কেল ২০১৫ অনুযায়ী সরকারী কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বেতন প্রাপ্তির জন্য জাতীয় পরিচয় পত্রের প্রয়োজন হলে প্রতারক প্রকৃত মঈন উদ্দিন খান এর নাম-ঠিকানা ব্যবহার করে একটি জাতীয় পরিচয় পত্র তৈরী করে ফেলে। দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হওয়ার ২০২০ সালের শেষ দিকে বিভিন্ন ইলেকট্রনিক প্রিন্ট সহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সংবাদে প্রকাশিত হয় যে, সিলেট বিভাগে প্রায় ২০০ জন কারারক্ষী সিলেটের স্থায়ী বাসিন্দা না হয়েও প্রায় ২০/২২ বছর যাবত চাকুরী করে আসছে। উক্ত সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর সিলেট বিভাগে কর্মরত প্রত্যেক কারারক্ষীর ঠিকানা যাচায়েরই জন্য তথ্য সংগ্রহ শুরু করে। তেমনিভাবে প্রকৃত মঈন উদ্দিন খান এর ঠিকানা যাচাইয়ের লক্ষ্যে কারা উপ-মহাপরিদর্শক, সিলেট কার্যালয়ে হতে শাহাজাহানপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান বরাবর একটি পত্র পাঠানো হয় এবং মঈন উদ্দিন খান সেখানকার স্থানীয় বাসিন্দা কি না এ ব্যাপারে একটি প্রত্যয়ন পত্র প্রেরণের জন্য বলা হয়। পত্র প্রাপ্তির পর শাহাজাহানপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান একটি প্রত্যয়নপত্রে উল্লেখ করেন যে, মঈন উদ্দিন খান, পিতা-মোঃ নুর উদ্দিন, গ্রাম-শাহজাহানপুর, ডাকঘর-তেলিয়াপাড়া, থানা-মাধবপুর, জেলা-হবিগঞ্জ-কে তিনি চিনেন এবং মঈন উদ্দিন খান কারারক্ষী হিসেবে চাকুরী নয় বরং স্থানীয় একটি ফার্মেসীতে ঔষুধের ব্যবসা করেন। চেয়ারম্যান কর্তৃক প্রদত্ত সার্টিফিকেট এর বিষয়ে জানার পর প্রতারক গত ২০২১সা‌লের ১৫ সেপ্টেম্বর  হতে ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ তারিখ পর্যন্ত ৫ দিনের নৈমিত্তিক ছুটিতে গমন করেন ও ২০ সেপ্টেম্বরে যোগদান করার কথা থাকলেও সে ইতিমধ্যে তার কিছু নিকট সহকর্মীদের মাধ্যমে জানতে পারে কারা কর্তৃপক্ষ তার ভুয়া ঠিকানার ব্যাপারে জানতে পারে। তার সে যোগদান থেকে বিরত থাকে। এপ্রেক্ষিতে কারা কর্তৃপক্ষ গত ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১ তারিখে তাকে ছুটি হতে যোগদান না করলে চাকুরিচ্যুত করার বিষয়টি অবগত করলে সে যোগদান না করে অতিবাস করতে থাকে।

 পরবর্তীতে ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১ তারিখ মঈন উদ্দিন খান বিভাগীয় দপ্তরে চাকুরীতে যোগদানের জন্য একটি আবেদনপত্র প্রেরণ করেন যেখানে উল্লেখ করেন তিনি কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে কারারক্ষী হিসেবে পরীক্ষা দিয়ে উত্তীর্ণ হন এবং তার ভেরিফিকেশন সম্পন্ন হলেও কোন যোগদানপত্র পান নাই। বিষয়টি প্রতারক জানতে পারে ও সে শাহাজাহানপুরে মঈন উদ্দিন খান এর দোকানে গিয়ে তাকে বিভিন্ন হুমকি-ধামকি দেয় এবং সত্য ঘটনা প্রকাশ না করার জন্য বলে। কিন্তু মঈন উদ্দিন খান হুমকির কোন তোয়াক্কা না করে বিষয়টি উন্মোচন করে দিবে বলে জানালে প্রতারক ব্যক্তি মঈন উদ্দিন খানকে ১০ লক্ষ টাকা প্রদানের প্রস্তাব দেয়। কিন্তু প্রকৃত মঈন উদ্দিন খান তার এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন। পরবর্তীতে মঈন উদ্দিন খান চাকুরী পেতে উচ্চ আদালতের দারস্থ হন। এরই মধ্যে কারা কর্তৃপক্ষের পুরো বিষয়টি নিয়ে তদন্ত কার্যক্রম শুরু করে।

কারা কর্তৃপক্ষের তদন্ত কার্যক্রমে সংগৃহীত কাগজপত্রাদি পর্যালোচনা, সাক্ষীগণের সাক্ষী, জাল শিক্ষা সনদ ব্যবহার করে চাকুরীতে বহাল থাকা ও স্থানীয় বিভিন্ন ব্যক্তিবর্গের সাথে সাক্ষাতে প্রাপ্ত তথ্য, ভুয়া ঠিকানা ব্যবহার করা, প্রকৃত মঈন খান কে হুমকি ধামকি দিয়ে সত্যতা ধামাচাপা দেয়াসহ বিভিন্ন লোমহর্ষক তথ্য প্রমাণিত হয়। আরো জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চাকুরীরত প্রতারক কারারক্ষীকে গত ২০২১সা‌লের ২০ নভেম্বর তদন্ত কমিটির নিকট উপস্থিত হওয়ার জন্য নির্দেশ প্রদান করা হলে সে কর্তৃপক্ষের নির্দেশ অমান্য করে আত্নগোপনে চলে যায়। পরবর্তীতে গত বছ‌রের ৪ আগষ্ট  তারিখে অন্যের ঠিকানা-পরিচয় ব্যবহার করে প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে চাকুরীরত থাকায় তার বিরুদ্ধে এস.এম.পি এর জালালাবাদ থানায় মামলা করা হয়।     

যেহেতু কারা কর্তৃপক্ষের নিকট এই প্রতারকের প্রকৃত ঠিকানা ছিল না তাই তারা মামলায় আসামীর নাম মোঃ মঈন খান এবং অন্যান্য তথ্যাদি অজ্ঞাত দিয়ে একটি মামলা রুজু করে। মামলা দায়েরের পর  প্রতারক পুরোপুরিভাবে আত্নগোপনে চলে যায়। মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা বিভিন্ন তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করে জানতে পারেন তৎকালীন সময়ে কুমিল্লা জেলা হতে অনেক লোক কারারক্ষী পদে পরীক্ষা দিয়ে চাকুরীরত রয়েছে। পরবর্তীতে মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা প্রতারককে গ্রেপ্তা‌রের জন‌্য র‌্যাব-১১কুমিল্লা এর সহায়তা কামনা করে।

এরই প্রেক্ষিতে র‌্যাব ১১,  গোয়েন্দা সূত্র ও তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় গত ১২ জানুয়া‌রি বিকালে কুমিল্লা ব্রাহ্মণপাড়া বাজার এলাকা থে‌কে প্রতারক তাজুল ইসলামকে গ্রেপ্তার ক‌রে র‌্যাব। তারঁ বা‌ড়ি থে‌কে ৩ সেট কারারক্ষী ইউনিফর্ম, ১ টি কারারক্ষী জ্যাকেট, ১ সেট কারারক্ষী রেইনকোট, ভুয়া জাতীয় পরিচয়পত্র সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ নথি-পত্রাদি উদ্ধার করে র‌্যাব।

গ্রেপ্তারকৃত,মোঃ তাজুল ইসলাম (৪২) জানায়,ব্রাহ্মণপাড়া উপ‌জেলার ৬নং দ‌ক্ষিণ শশীদল গ্রামের মৃত মোঃ কালা মিয়ার ছে‌লে। নাম-ঠিকানা গোপন করে প্রকৃত মঈন উদ্দিন খান এর নাম-ঠিকানা ব্যবহার করে দীর্ঘদিন ধরে চাকুরী করা সহ সরকারী সুযোগসুবিধা ভোগ করে আসছিল। 

এ বিষয়ে গ্রেপ্তারকৃত আসামীকে সংশ্লিষ্ট মামলার তদন্ত পরিচালনাকারী কর্মকর্তার নিকট হস্তান্তর প্রক্রিয়াধীন র‌য়ে‌ছে।

        


আরও খবর



দশমিনায় কনকনে শীতে পুরনো কাপড়েই চলছে জীবন

প্রকাশিত:Wednesday ১১ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Monday ০৬ February ২০২৩ |
Image

মোঃ নাঈম হোসাইন,দশমিনা, পটুয়াখালী :

পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার সদর ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের তেতুলিয়া নদীপাড়ের  গোলখালী গ্রামের।মোসা.ফাতেমা বেগম (৪৯)। স্বামী পরিত্যাক্তা ফাতেমা বেগম ছেলে জহিরুল ইসলাম (১৪) এবং শাররীক প্রতিবন্ধী মেয়ে তাছলিমাকে (১২) নিয়ে একটি কবরস্থানের পাশে ভাঙা পরিত্যাক্ত ঘরে বসবাস করছেন। ফাতেমা বেগম বলেন, মুজিববর্ষের ঘর পাননি তিনি। এছাড়া কোন রকম সরকারী সহায়তাও পাননা। প্রতিবন্ধী মেয়ে থাকায় কেউ কাজ দেয়না, তাই অভাবের তাড়নায় তার ছেলেকে তেতুলিয়া নদীতে জেলে নৌকায় দৈনিক ১৫০ টাকা মজুরীতে মাছ ধরার কাজে দিয়েছেন কিন্তু নদীতে মাছ না পাওয়া গেলে মজুরীর টাকা দেয়না তারা।তাই কোনদিন খাবার জোটে আবার কোনদিন না খেয়েই কেটে যায় দিন।আমার ভাঙা ঘরে কনকনে শীতের ঠান্ডা হাওয়া ঢুকে আমাদের শরীরে কাপন ধরেযায়। ছেড়া পুরনো কাথা কাপড় শরীরে জড়িয়ে জুবুথুবু হয়ে কাটাচ্ছেন শীতের রাত, অভাবের তাড়নায় জীবন যেন আর চলছে না।স্থানীয় ইউপি সদস্য মোঃ অলিউল ইসলাম বলেন, অসহায় ফাতেমা বেগম মুজিববর্ষের ঘর বরাদ্দ পায়নি কিন্তু অনেক স্বচ্ছল পরিবার ঘর বরাদ্দ পেয়েছেন। তিনি ফাতেমা বেগমকে সহয়তা করার আশ্বাস দেন। ইউপি চেয়ারম্যান এ্যাডভোকেট ইকবাল মাহামুদ লিটন বলেন, ফাতেমা বেগমকে ভিজিডি সুবিধার আওতায় আনা হবে। 

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মহিউদ্দিন আল হেলাল বলেন, ফাতেমা বেগমের ব্যাপারে খোজ খবর নিয়ে তার প্রাপ্যতা সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।


আরও খবর