Logo
শিরোনাম
শবে বরাত পালন মুসলিম জাতিকে একতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ করে। ৫৭ তম খোশরোজ শরীফ ও মইনীয়া যুব ফোরামের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন বাঙালি সাংস্কৃতিতে মাইজভাণ্ডারী ত্বরীকার সাথে সম্পর্ক রয়েছে সীমান্তে হত্যা বন্ধের দাবীতে প্রতীকী লাশ নিয়ে হানিফ বাংলাদেশীর মিছিল লক্ষ্মীপুরে কৃষক কাশেম হত্যা: স্ত্রী, শ্বশুরসহ গ্রেপ্তার ৫ কুমিল্লা সিটি’র উপনির্বাচন: মেয়র পদে প্রতীক বরাদ্দ অবৈধ মজুদকারীরা দেশের শত্রু : খাদ্যমন্ত্রী ফতুল্লায় সিগারেট খাওয়ার প্রতিবাদ করায় কিশোরকে পিটিয়ে হত্যা বকশীগঞ্জে মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা নোবিপ্রবিতে সিএসটিই এলামনাই এসোসিয়েশনের নতুন কমিটি গঠন

সৈকতে উষ্ণতা ছড়াচ্ছেন মিম !

প্রকাশিত:শনিবার ০২ ডিসেম্বর 2০২3 | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

শহরের বাতাসে কমে গেছে আর্দ্রতা। প্রকৃতিতে এখন শীতের আমেজ। এর মাঝেই ভক্তদের মনে উষ্ণতা ছড়াচ্ছেন ঢাকাই সিনেমার চিত্রনায়িকা বিদ্যা সিনহা মিম।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিজের সাহসী কিছু ছবি প্রকাশ করেছেন তিনি। যেখানে অফ হোয়াইট শাড়িতে মিমকে দেখা গেছে মোহনীয় রূপে।

এমনিতেই বাঙালি এই অভিনেত্রীর নজরকাড়া লুক বরাবরই ঝড় তোলে ভক্তদের হৃদয়ে। এর মাঝে খোলামেলা শাড়িতে মিমের উপর থেকে নজর ফেরানোই যেন দায় ছিল নেটিজেনদের জন্য।

বিদ্যা সিনহা মিমের সেই ছবিগুলোতে মন্তব্য করেছেন এক হাজারের বেশি মানুষ। যার অধিকাংশই ছিল অভিনেত্রীর রূপের প্রশংসাসূচক। অনেকেই আবার বলেছেন, শীতের শুরুতেই যেন উষ্ণতা ছড়িয়ে গেলেন মিম।

এদিকে ২৪ নভেম্বর ভারতে মুক্তি পেয়েছে বিদ্যা সিনহা মিমের নতুন সিনেমা মানুষ। যেখানে তার বিপরীতে অভিনয় করেছেন ওপার বাংলার জনপ্রিয় অভিনেতা জিৎ। ভারতে সিনেমা মুক্তি পেলেও দেশে বর্তমানে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন এই অভিনেত্রী।

প্রসঙ্গত, মিমের টালিউডে যাত্রা শুরু ব্ল্যাক ছবি দিয়ে। এরপর ইয়েতি অভিযান, সুলতান দ্য স্যাভিয়ার থাই কারি নামের আরও তিনটি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। কলকাতায় মানুষ তার পঞ্চম সিনেমা।


আরও খবর

ব্যবসা শুরু করতে যাচ্ছেন পরীমণি

শনিবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত মাহিয়া মাহির

শনিবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




রাণীনগরে ফুটবল ফাইনাল খেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:শনিবার ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

কাজী আনিছুর রহমান,রাণীনগর (নওগাঁ) :

নওগাঁর রাণীনগরে ফুটবল ফাইনাল খেলা ও পুরস্কার বিতরণী এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে উপজেলার করজগ্রাম হাইস্কুল মাঠে করজগ্রাম যুব সংঘ কতৃক আয়োজিত এই খেলা অনুষ্ঠিত হয়। খেলায় নির্ধারিত সময়ে আদমদীঘির বিহিগ্রাম ফুটবল একাডেমি ও রাণীনগরের কাটরাশাইন কে, এসপি তরুন সংঘ ১-১ গোলে ড্র হয়। পরে টাইব্রেকারে মাধ্যমে ৫-৩ গোলে আদমদীঘির বিহিগ্রাম ফুটবল একাডেমিকে হারিয়ে রাণীনগরের কাটরাশাইন চাম্পিয়ন হয়। খেলা শেষে বিজয়ী ও বিজিতদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন নওগাঁ-৬ আসনের এমপি এ্যাডভোকেট ওমর ফারুক সুমনের ছেলে জনি,আনোয়ার হোসেন বিএ, আব্দুল ওহাব চাঁন,আনিছুর রহমান,সিরাজুল ইসলাম বাবলু মন্ডল,আবু বক্কর সিদ্দিক বাচ্চু,গোলাম মুক্তাদি,জাহিদুল ইসলাম টুকু,জাহাঙ্গীর মোল্লা, নজরুল ইসলাম মাঝি, হেলাল উদ্দিন,রাইহান ইসলাম রণি মল্লিক,রহিদুল মল্লিক,দৌলত খানসহ এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। রাতে সাংস্কৃতিক অনষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।


আরও খবর



কেমন আছেন ভাষা সৈনিক অধ্যাপক মুহাম্মদ লুৎফর রহমান মল্লিক

প্রকাশিত:বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image
  1. মাহবুবুল আলম রিপন (স্টাফ রিপোর্টার):

হাতে গোণা যে ক'জন মানুষকে এখনো গুরুজন বলে পায়ে হাত দিয়ে সালাম করতে ইচ্ছে করে তাদের মধ্যে বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও ভাষা সৈনিক অধ্যাপক মুহাম্মদ লুৎফর রহমান মল্লিক (ডলার মল্লিক) চাচা অন্যতম। প্রিয়ভূমি ধামরাইয়ের এই কৃতি সন্তান পঞ্চাশের দশকে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে রাজশাহী কলেজের একজন তুখোড়  ছাত্রনেতা হিসাবে প্রগতিশীল ও বামধারার রাজনৈতিক আন্দোলনে সক্রিয় অংশ নিয়ে রাষ্ট্রভাষার দাবি রাজশাহীর ছাত্র জনতার মাঝে ছড়িয়ে দিতে এবং সংস্কৃতির অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে অনন্য অবদান রেখেছেন। যা ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লিপিবদ্ধ হয়েছে। রাজশাহীর ঐতিহাসিক ভুবন মোহন পার্কে নির্মিত ভাষা সৈনিক স্মারক স্মৃতিস্তম্ভে তাঁর নাম সগৌরবে স্থান পেয়েছে। পেশাগত জীবনে অধ্যাপনা করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উচ্চ পর্যায়ে কাজ করেছেন। ব্যাংকিং সেক্টরে দ্বায়িত্ব পালন করেছেন। দেশের অর্থনীতিবিদদের সংগঠনে নেতৃত্ব দিয়েছেন। বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানের সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন। এখন অবসর জীবন যাপন করছেন। এই মানুষটির কাছে গেলে মনে হয় খর রৌদ্রে বটের ছায়ায় বিশ্রাম নিচ্ছি। তিনি শুধু আমাদের গুরুজন নন, অকৃত্রিম শুভাকাঙ্ক্ষীও বটে। দেখা হলেই বুকে জড়িয়ে ধরে আদর করেন, কপালে একটা চুমু দেন। ত্রিকালদর্শী এই গুণী মানুষটির স্নেহ সান্নিধ্যে সময় কাটাতে পারাটাও সৌভাগ্যের। তাঁর  পাশে বসলে অনায়াসে ঘুরে আসা যায় ইতিহাসের নানা বাঁকে। আলাপচারিতায় তাঁর জ্ঞানগর্ভ কথাবার্তা সেদিন শুনছিলাম আর অনুপ্রাণিত হচ্ছিলাম। প্রখর জীবন বোধের মানুষ অধ্যাপক মুহাম্মদ লুৎফর রহমান মল্লিক। এমন জ্ঞানী প্রাজ্ঞজনের মুখোমুখি মাঝে মধ্যে বসলে নিজেকে বিশুদ্ধ করার তালিম পাওয়া যায়। আমাদের জাতীয় চেতনার স্মারক অমর একুশে ফেব্রুয়ারিতে আমাদের ধামরাইবাসীর অহংকার ও গর্বের প্রতিক ইতিহাসের জীবন্ত কিংবদন্তি অধ্যাপক এল. আর. মল্লিকের প্রতি অতল শ্রদ্ধা জানাই আর প্রার্থনা করি তিনি শতায়ু হোন..


আরও খবর



নাইক্ষ্যংছড়ি: আতঙ্কে ঘরছাড়া ৩ গ্রামের মানুষ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ |

Image

মিয়ানমারের অভ্যন্তরে বিদ্রোহী ও সরকারি বাহিনীর মধ্যে চলমান সংঘাত-সংঘর্ষ থামছেই না। দুই বাহিনীর গোলাগুলি ও মর্টার শেলের বিকট শব্দে সীমান্তজুড়ে ভীতিকর পরিবেশ তৈরি হয়েছে। সোমবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে বিদ্রোহীদের অবস্থান লক্ষ্য করে হেলিকপ্টার থেকে ছোঁড়া হচ্ছে গুলি ও মর্টার শেল। গুলির মুহুর্মুহু শব্দে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় ঘর ছেড়েছেন ঘুমধুম ইউনিয়নের তিন গ্রামের মানুষ। এরই মধ্যে দুপুরে মিয়ানমার থেকে ছুটে আসা একটি মর্টার শেলের আঘাতে নিহত হয়েছেন স্থানীয় জলপাইতলী গ্রামের গৃহবধূ ও এক রোহিঙ্গা। এ সময় আহত হয় এক শিশুও।

মিয়ানমারের অভ্যন্তরে চলমান অস্থিরতায় টেকনাফের হোয়াইক্যং উলুবনিয়া সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশের সময় এক রোহিঙ্গা পরিবারকে আটক করেছে বিজিবি। এর আগে মিয়ানমার বিদ্রোহীদের প্রচণ্ড গোলাগুলির মুখে টিকে থাকতে না পেরে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে ১০৩ জন মিয়ানমার বর্ডার গার্ড পুলিশের (বিজিপি) সদস্য।

চলমান পরিস্থিতিতে সীমান্তের ওপারে বসবাস করা মিয়ানমারের চাকমা জাতি ও রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের অপেক্ষায় জড়ো হচ্ছেন। তবে, বিজিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সীমান্তে যে কোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন তারা।

সোমবার মর্টার শেলের আঘাতে নিহতরা হলেন নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম তুমব্রু জলপাইতলী এলাকার বাসিন্দা হোসনে আরা (৫৫) ও উখিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্প-৮/ই এর ডি ব্লকের বাসিন্দা মৃত ধলু হোসেনের ছেলে নবী হোসেন (৬০)। আহত নুসরাত মনি (৬) স্থানীয় শহিদুল ইসলামের মেয়ে। নিহতরা চাষের জমিতে কাজ শেষে দুপুরের খাওয়ার জন্য বাড়িতে অবস্থান করছিলেন বলে জানিয়েছেন পরিবারের সদস্যরা।

উল্লেখ্য, মিয়ানমারের আরাকান রাজ্য স্বাধীনের নামে সরকারি বাহিনীর বিভিন্ন ক্যাম্পে হামলা চালিয়ে আসছে বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন আরাকান আর্মি। প্রতিদিন মিয়ানমারের অভ্যন্তরে কোনো কোনো এলাকায় চলছে দুই বাহিনীর তুমুল সংঘর্ষ। এরই মধ্যে আরাকান রাজ্যের বিভিন্ন অঞ্চল দখলের দাবি করেছে আরাকান আর্মি। দুই পক্ষের চলমান সংঘর্ষে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম ইউনিয়ন, উখিয়ার পালংখালী ও টেকনাফের হোয়াইক্যং ইউনিয়নের সীমান্তে বসবাসকারীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

ঘুমধুম ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার দ্বীন মোহাম্মদ বলেন, প্রশাসনের পক্ষ থেকে সীমান্তে বসবাসকারীদের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে গোলাগুলির আতঙ্কে ইউনিয়নের তিন গ্রামের সহস্রাধিক মানুষ বসতবাড়ি ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছেন। দুজন নিহত হওয়ার পর আতঙ্ক আরও বেড়েছে।

মর্টার শেলের আঘাতে নিহতদের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন নাইক্ষ্যংছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মান্নান। তিনি বলেন, সীমান্তের ওপারে গোলাগুলি চললেও আমাদের দেশের পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। তবে, সীমান্তে বসবাসকারীদের সরানোর বিষয়টি উপজেলা প্রশাসন বলতে পারবে।

টেকনাফ হোয়াইক্যং উলুবনিয়া এলাকার জালাল আহমেদ বলেন, সকাল সাড়ে ১০টার দিক থেকে মিয়ানমারের ওপারে ব্যাপক গোলাগুলি ও মর্টার শেলের শব্দ আমরা শুনতে পারছি। ভয়ে সীমান্ত থেকে লোকজন সরে যাচ্ছেন। অনেকে ঘর থেকে বের হচ্ছেন না।

টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আদনান চৌধুরী বলেন, ওপার থেকে রোহিঙ্গা ও বিজিপি সদস্যরা পালিয়ে বাংলাদেশে আসতে পারেন এমন আশঙ্কায় সীমান্তে বিজিবি সদস্যরা সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন। সাগরে কোস্টগার্ড সদস্যরাও প্রস্তুত রয়েছেন। কোনো অবস্থাতেই আমরা রোহিঙ্গা কিংবা অন্য কাউকে ঢুকতে দেব না।

টেকনাফ-২ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, সীমান্তে আমরা সতর্ক অবস্থানে রয়েছি।

৩৪ বিজিবি কক্সবাজার রিজিয়ন কমান্ডার লে. কর্নেল আব্দুল্লাহ আল মাশরুকী বলেন, কোনো অবস্থাতেই মিয়ানমারের কোনো নাগরিককে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করতে দেওয়া হবে না।

বিজিবি কক্সবাজার রিজিওয়নের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোরশেদ আলম বলেন, মিয়ানমার অভ্যন্তরে চলা সংঘাতের কারণে আমরা সদর দপ্তরের অনুমতিক্রমে ১০৩ জন বিজিপি সদস্যকে আশ্রয় দিয়েছি। তাদের মিয়ানমার হস্তান্তর করার জন্য পররাষ্ট্র ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কাজ করছে।

 


আরও খবর



শুল্ক কমে, দাম কমে না, লাভ ব্যবসায়ীদের

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ |

Image

এক সপ্তাহ আগে চার ধরনের পণ্যের ওপর আমদানি শুল্ক কমানো হলেও তার প্রভাব নেই বাজারে। আর সহসা প্রভাব পড়বে বলেও মনে হয় না। রোজার মাসকে সামনে রেখে শুল্ক কমানো হয়েছে।

অবশ্য আগামী সপ্তাহে ভোজ্য তেল ও চিনির দাম কিছুটা কমবে বলে জানিয়েছেন ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক। আর বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী বলেছেন ১ মার্চ থেকে ওই চারটি পণ্য কম দামে বিক্রি না করলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।


আমদানিকারকেরা বলছেন, ডলার সংকট এবং এলসি খোলা থেকে আমাদানি পর্যন্ত সময় বিবেচনায় নিতে হবে। তারা যা আগেই আমদানি করেছেন তার শুল্ক তো দিয়ে দিয়েছেন। ওই চার ধরনের পণ্য আমদানিতে ১৫ দিন থেকে দেড় মাস সময় লাগে। সেই পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। আর খেজুর আমদানিকারকেরা অভিযোগ করেছেন শুল্কায়নের সময় দাম বাড়িয়ে দেখানোয় বাস্তবে খেজুরের দাম কমার কোনো সম্ভাবনা নেই।
আমদানিকারকেরা এই শুল্ক কমানোর সুবিধা সর্বোচ্চ ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত পাবেন। চাল আমদানিতে ১৫ মে পর্যন্ত সুবিধা দেয়া হলেও চলতি অর্থ বছওে চাল আমদানি হচ্ছে না।

শুল্ক কমায় দাম কত কমার কথা :


৮ ফেব্রুয়ারি চার ধরনের পণ্যের ওপর আমদানি শুল্ক কমানোর প্রজ্ঞাপণ জারি করে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড। পণ্যগুলো হলো : চাল, ভোজ্য তেল, চিনি ও খেজুর।

সিদ্ধ ও আতপ চালের আমদানি শুল্ক পুরোপুরি প্রত্যাহার করা হয়েছে। একইসাথে সিদ্ধ ও আতপ চাল আমদানিতে নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক বা রেগুলেটরি ডিউটি ২৫ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হয়েছে। এ সুবিধা চাল আমদানিকারকেরা পাবেন আগামী ১৫ মে পর্যন্ত। দেশে পরিশোধিত সয়াবিন ও পাম তেলের উৎপাদন ও ব্যবসা পর্যায়ের মূল্য সংযোজন কর বা মূসক বা ভ্যাট পুরোপুরি তুলে নেওয়া হয়েছে। এ সুবিধা তারা পাবেন আগামী ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত। বিদেশ থেকে পরিশোধিত ও অপরিশোধিত সয়াবিন তেল এবং পাম তেল আমদানি পর্যায়ে ১৫ শতাংশ ভ্যাট কমিয়ে ১০ শতাংশ করা হয়েছে। আমদানিকারকেরা এ সুবিধা পাবেন ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত।

খেজুরের আমদানি শুল্ক ১০ শতাংশ কমানো হয়েছে। আগে আমদানি শুল্ক ছিলো ২৫ শতাংশ। আমদানিকারকেরা এ সুবিধা পাবেন আগামী ৩০ মার্চ পর্যন্ত।

পরিশোধিত ও অপরিশোধিত উভয় ধরনের চিনির আমদানি আমদানি শুল্ক কমানো হয়েছে। অপরিশোধিত চিনি আমদানিতে প্রতি টনে আমদানি শুল্ক কমিয়ে এক হাজার টাকা করা হয়েছে। আগে যা ছিল দেড় হাজার টাকা। আর পরিশোধিত চিনি আমদানিতে টনপ্রতি আমদানি শুল্ক কমিয়ে করা হয়েছে দুই হাজার টাকা, আগে যা ছিল তিন হাজার টাকা। এ শুল্ক ছাড় পাওয়া যাবে ৩১ মার্চ পর্যন্ত।

শুল্ক কমানোর এক সপ্তাহ পর বৃহস্পতিবার বাজারে দেখা গেছে ওই চার ধরনের ভোগ্য পণ্যের দাম এক পয়সাও কমেনি।
প্রতি কেজি সাধারণ মানের খেজুর ২২০ থেকে ২৫০ টাকা। এক মাস ধরে এ দরেই এসব খেজুর বিক্রি করছেন ব্যবসায়ীরা। গত বছরের চেয়ে অবশ্য কেজিতে ১০০ থেকে ১৫০ টাকা বেশি।

আগের মতোই প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল ১৭০ থেকে ১৭৩ এবং খোলা তেল ১৫৮ থেকে ৬২ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর পাম তেলের লিটার ১৩০ থেকে ১৩৫ টাকা । এক মাসের বেশি সময় ধরে এ দরেই বিক্রি হচ্ছে ভোজ্যতেল।
দুই মাস ধরে খোলা চিনির কেজি ১৪০ থেকে ১৪৫ এবং প্যাকেটজাত চিনি ১৪৮ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এখনও সেই দরে কিনতে হচ্ছে চিনি।

বাজারে প্রতি কেজি মিনিকেট চাল ৭০ থেকে ৭৫, মাঝারি চাল ৫৫ থেকে ৬৫ ও মোটা চালের কেজি ৫০ থেকে ৫৪ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। শুল্ক কমানোর পর চালের দাম কমেনি। তবে চলতি অর্থবছরে কোনো ধরনের চাল আমদানি হয়নি। গত বছর ১৭ থেকে ১৮ লাখ টন চাল আমদানির অনুমতি দিলেও আমদানি হয়েছে চার লাখ ২১ হাজার টন।


কলাবাগানের মুদি দোকানদার আব্দুর রহিম জানান, 'আমদানি শুল্ক কমানোর পর ওইসব পণ্যের দাম এখনো কমেনি। আমরা আগের দামেই বিক্রি করছি। কমবে কিনা জানি না। তবে চালের দাম অভিযানের ফলে কয়েকদিন আগের চেয়ে কিছুটা কমেছে। আর চিনি, সয়াবিন ও পাম তেল এবং খেজুরের দাম গত ১৫ দিন থেকে এক মাস আমরা একই দামে বিক্রি করছি। চিনির দাম কিছুটা কমেছে তবে তা এখন নয়, আগেই কমেছে।

তার কথা, 'কবে কমবে আমরা জানি না। পাইকারি যাদের কাছ থেকে আনি তারা কমালে আমরাও কমাবো। তার আগে তো পারব না।

আমদানিকারকেরা যা বলছেন :


বাংলাদেশের ভোজ্য তেল এবং চিনি আমদানির যে পাঁচটি বড় আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান আছে তার মধ্যে মেঘনা গ্রুপ একটি। ওই গ্রুপের জেনারেল ম্যানেজার মজিবুর রহমান বলেন, 'বাংলাদেশে চিনি আসে প্রধানত ব্রাজিল থেকে। আর সয়াবিন ও পাম তেল আনা হয় ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়া থেকে। ব্রাজিল থেকে চিনি আনতে সব মিলিয়ে কমপক্ষে এক মাস লাগে। আর ভোজ্য তেল আনতে ১৫ দিন থেকে এক মাস লাগে। ফলে আমরা নতুন আমদানি করলে শুল্ক কমানোর সুবিধা পাবো। তারপরও আমরা চেষ্টা করছি আগেই আমদানি করা তেল ও চিনির দাম কমাতে। কয়েক দিনের মধ্যেই আমরা তেলের দাম কিছুটা কমাবো। চার-পাঁচ টাকা ডিসকাউন্ট দেব লিটারে।

তার কথা, 'অনেকেই রোজার মাসের চাহিদা হিসাব করে তেল-চিনি নিয়ে এসেছেন। হয়তো ওই মাসের জন্য নতুন অল্প কিছু আমদানি হবে। পাইপলাইনে যা আছে তা শুল্ক সুবিধা পাবে। যার এলসি আগেই খোলা হয়েছে, পাইন লাইনে আছে সেগুলো নির্ধারিত সময়ের আগে খালাস হলে শুল্ক সুবিধা পাওয়া যাবে।
তার বিবেচনায় সরকার যে নির্ধারিত সময়ের জন্য শুল্ক সুবিধা দিয়েছে তাতে অল্প অল্প পরিমাণ তেল চিনি এই সুবিধায় আনা যাবে।

তবে ব্যবসায়ীরা দাবি করছেন, 'তাতে খুচরা দামের ওপর প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা কম। কারণ ডলারের দাম বেশি হওয়ায় তা সমন্বয় করতে গিয়ে দাম তেমন কমানো যাবে না।

এদিকে ফ্রুটস ইমপোর্টারর্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সিরাজুল ইসলাম অভিযোগ করেছেন, 'আমদানি শুল্ক কমানো হলেও খেজুরের দাম কমবে না। কারণ শুল্কায়নের সময় কাস্টমস কর্মকর্তারা খেজুরের দাম অনেক বেশি ধরে তার ওপর ডিউটি নির্ধারণ করছে। এটা প্রতারণা ছাড়া আর কিছুই নয়। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন আমদানি শুল্ক কমাতে তারা কমিয়েছেন। কিন্তু দাম বেশি দেখিয়ে দুইগুণ-তিনগুণ শুল্ক নিচ্ছেন।

তিনি দাবি করেন, 'আমরা ইরাক থেকে সাধারণ মানের খেজুর কার্টনে করে আমদানি করেছি ৯০০-১০০০ ডলারে। এখন শুল্কায়নের সময় দাম ধরা হচ্ছে দুই হাজার ৫০০ ডলার। আর বস্তায় ভরে প্রতি টন আনি ৫০০-৬০০ ডলারে, কিন্তু শুল্কায়নের সময় দাম ধরা হয় এক হাজার ডলার। তাহলে একদিকে শুল্ক কমানোর কথা বলছে অন্যদিকে দুই-তিনগুণ শুল্ক বেশি আদায় করছে।' তার কথা, এই পরিস্থিতিতে নতুন করে কেউ খেজুর আমদানি করবে না।

অজুহাত থাকবেই :


কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের(ক্যাব) সহ-সভাপতি এস এম নাজের হোসেন বলেন, 'শুল্ক কমানোর ঘোষণা আরেকটু আগে দিলে ভালো হতো। তবে এখনো এর সুবিধা ভোক্তাদের পাওয়া উচিত। আসলে ব্যবসায়ীরা এই সুযোগে কম শুল্কে পণ্য আমদানি করে পরে বেশি দামে বিক্রি করবে। এটা তাদের একটা পলিসি। এজন্যই তারা নানা অজুহাত দেখাচ্ছে। এরইমধ্যে বাজারে ওই চারটি পণ্যের দাম কিছুটা হলেও কমা উচিত ছিল। কিন্তু একটুও কমেনি।

তার কথা, 'এর আগে আমরা দেখেছি আন্তর্জাতিক বাজারে কোনো পণ্যের দাম বাড়লে তারা আগে আমদানি করা পণ্যের দামও সঙ্গে সঙ্গে বাড়িয়ে দেয়। কিন্তু শুল্ক কমালে তারা আমদানির সময় ও ডলারের অজুহাত দেয়।

তিনি জানান, 'বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী ও ভোক্তা অধিদপ্তরের ডিজি বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। সেখানে আমিও ছিলাম। ব্যবসায়ীরা সেখানে দাম কমানোর কোনো প্রতিশ্রতি দেয়নি। উল্টো তাদের কেউ কেউ বলেছেন. চার পণ্যে শুল্ক কমানোর কারণে তারা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

সামনের সপ্তাহে চিনি ও তেলের দাম কমবে :


ভোক্তা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এ এইচ এম সফিকুজ্জামান বলেন, 'আমদানি শুল্ক কমানোর পর বাজারে তার ইতিবাচক প্রভাব পড়তে একটু সময় লাগবে। আরো আগে শুল্ক কমালে আরো আগে প্রভাব পড়ত। আমরা এক সপ্তাহের মধ্যে ট্যারিফ নির্ধারণ করে দেব। কাগজপত্র দেখে এটা করব। তাতে ভোজ্য তেল ও চিনির দাম কমবে। তবে চিনির দাম সামান্য কমবে। কারণ চিনির আমদানি শুল্ক সবচেয়ে কম কমানো হয়েছে।

আর বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু বলেন, 'আমরা সামনের সপ্তাহের মধ্যে দাম ফিক্সড করে দেয়ার চেষ্টা করছি। ১ মার্চ থেকে এই চারটি পণ্য কম দামে বিক্রি করতে হবে। আমরা এরমধ্যে আমদানিকারকদের আগে আনা পণ্য ক্লিয়ার করতে বলেছি। এক তারিখ থেকে আমরা আমদানিকারকদের গুদামে ইন্টরভেন করব।

তিনি বলেন, 'আসলে ব্যবসায়ীরা দাম বাড়ায় কৃত্রিম সংকট তৈরি করে। তারা ইচ্ছা করে সরবরাহ কমিয়ে দেয়। এবার যাতে সেটা করতে না পারে সেজন্য আমরা নানা ব্যবস্থার কথা ভাবছি।

আর খেজুর আমদানিকারকদের অভিযোগ সম্পর্কে তিনি বলেন, 'সব মানের খেজুর একইসঙ্গে আমদানি করে একই দাম ধরা হত। তারপর ইচ্ছে মতো বাজারে দাম নির্ধারণ করে বিক্রি করা হতো। এই কারণে এনবিআর একটি অ্যাসেসমেন্ট দাম নির্ধারণ করে দেয়। তারপরও তাদের অভিযোগ আমরা দেখব।

'আমরা আজকে(বৃহস্পতিবার) চট্টগ্রামে আমদানিকারকদের মূল হাব খাতুনগঞ্জের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক করেছি। এরপর ঢাকায় মৌলভীবাজারের ব্যবসায়িদের সঙ্গে বৈঠক করব,' জানান বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী।

মার্চের দ্বিতীয় সপ্তাহে বাংলাদেশে পবিত্র রোজার মাস শুরু হবে।


সূত্র : ডয়চে ভেলে

 


আরও খবর



বিজিবি ও বিএসএফ ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক পর্যায়ে পতাকা বৈঠক

প্রকাশিত:বুধবার ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, সিনিয়র রিপোর্টার :

শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ এবং চোরাচালান মুক্ত সীমান্ত নির্মানের অঙ্গীকারে বিজিবি ও বিএসএফ ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

বুধবার ৭ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ সময় সকাল সারে ১১ টা থেকে বেলা ২ টা পর্যন্ত নওগাঁ জেলাধীন পত্নীতলা ব্যাটালিয়ন (১৪ বিজিবি) এবং প্রতিপক্ষ (ভারত) ১৩৭ ব্যাটালিয়ন বিএসএফ, পতিরাম এর মধ্যে সীমান্ত পিলার ২৬৮/৯-এস এর নিকট বর্তী আলতাদিঘি ( জিআর-৮৫৯৮৬১ মানচিত্র ৭৮সি/১৬) নামক স্থানে ভারতের অভ্যন্তরে বিএসএফ এর আহবানে ব্যাটালিয়ন কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত বৈঠকে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ এর পক্ষে ৭ জন সদস্য বিশিষ্ট প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন লেঃ কর্নেল মোঃ হামিদ উদ্দিন, বিজিবি, এমএস, পিএসসি, অধিনায়ক, পত্নীতলা ব্যাটালিয়ন (১৪ বিজিবি)। অপরদিকে ভারতের ৭ সদস্য বিশিষ্ট বিএসএফ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন শুকভীর ধাংঘার কমান্ড্যান্ট ১৩৭ ব্যাটালিয়ন বিএসএফ, আরাদপুর, ভারত। পতাকা বৈঠকে পত্নীতলা ব্যাটালিয়ন এর অধিনায়ক লেঃ কর্নেল মোঃ হামিদ উদ্দিন, বিজিবিএমএস, পিএসসি প্রতিপক্ষ ১৩৭ ব্যাটালিয়ন বিএসএফ কমান্ড্যান্ট কে ঐতিহ্যবাহী  আলতাদিঘী পূনঃখননে অবশিষ্ট অংশের কার্যক্রমের সহযোগিতা কামনা করলে বিএসএফ কমান্ড্যান্ট পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন। এছাড়াও অধিনায়ক, পত্নীতলা ব্যাটালিয়ন (১৪ বিজিবি) জয়পুরহাট জেলার (কড়িয়া কোম্পানীর দায়িত্বপূর্ন এলাকায়) সৌলাগাড়ি বিলের জলবদ্ধতা নিরসনে বিএসএফ কর্তৃক সার্বিক সহযোগিতার জন্য প্রতিপক্ষ ১৩৭ ব্যাটালিয়ন বিএসএফ কমান্ড্যান্টকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। পত্নীতলা ব্যাটালিয়ন (১৪ বিজিবি) এবং প্রতিপক্ষ ১৩৭ ব্যাটালিয়ন বিএসএফ এর মধ্যে সু-সমন্বয় ও দ্বি-প্রাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়ন এর ফলে বিগত দু বছরে সীমান্তে কোন ধরনের অনাকাংক্ষিত ও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি এবং উভয় দেশের অধিনায়ক এ ধারা আগামীতেও অব্যাহত রাখার জন্য অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। পরিশেষে, সীমান্তে অবৈধ অনুপ্রবেশ-সীমান্ত লঙ্ঘন, চোরা চালান প্রতিরোধ সহ সীমান্ত বর্তী সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। সভায় সীমান্ত বর্তী জন সাধারণের নিরাপত্তা এবং সীমান্তে শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রেখে উভয় অধিনায়ক এক সাথে কাজ করার ব্যাপারে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। পরিশেষে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে পতাকা বৈঠক শেষ হয়।  


আরও খবর