Logo
শিরোনাম
রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন কমপ্লিট শাটডাউন : ঢাকাসহ সারা দেশে বিজিবি মোতায়েন জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ইট বোঝায় ট্রাক খাদে কুষ্টিয়ায় আন্দোলনকারী ও ছাত্রলীগের মধ্যে সংঘর্ষ -কয়েকটি মোটর সাইকেলে আগুন পুঠিয়ায় আ’লীগের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা লালমনিরহাটে অনুষ্ঠিত হয়েছে তিস্তা সমাবেশ বেনাপোল স্থল বন্দর দিয়ে মিথ্যা ঘোষণায় আমদানি করা হয়েছে ১৮ কোটি টাকার সালফিউরিক এসিড কুমারখালীতে মহাসড়ক অবরোধ করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, আহত-২ শরণখোলায় নার্সের চিকিৎসার অবহেলায় এক রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ শেরপুরে কোটাবিরোধী শিক্ষার্থী-ছাত্রলীগের সংঘর্ষ, সাংবাদিকসহ আহত-২০

সৌদিতে মৃত হজযাত্রীর সংখ্যা ৯০০, খোঁজ নেই অনেক হাজীর

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৩ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডে ডিজিটাল ডেস্ক:


চলতি বছর হজে গিয়ে তাপপ্রবাহ ও অসহনীয় গরমে এ পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ৯২২ জন হজযাত্রীর। এখনো বহু সংখ্যক হজযাত্রীর কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না।


সৌদির সরকারি প্রশাসন, মক্কার বিভিন্ন হাসপাতাল এবং সৌদির বিভিন্ন দেশের দূতাবাসের তথ্য সহায়তার ভিত্তিতে মৃত হজযাত্রীদের একটি সংখ্যাগত টালি করেছে বার্তাসংস্থা এএফপি। সেই টালির সর্বশেষ অবস্থা থেকে এই সংখ্যা নিশ্চিত করা হয়েছে।



এ বছর হজ শুরু হয়েছে গত ১৪ জুন থেকে। সৌদির আবহওয়া দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত এক সপ্তাহ ধরে মক্কার তাপমাত্রা ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ওঠানামা করছে। সোমবার মক্কার তাপমাত্রা ছিল ৫১ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।


মৃতদের অধিকাংশই মিসরের নাগরিক। মক্কার প্রশাসনসূত্রে জানা গেছে, হজের শুরু থেকে এ পর্যন্ত অন্তত ৬০০ মিসরীয় হজযাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। 


মিসরের বাইরে জর্ডান, ইন্দোনেশিয়া, ইরান, সেনেগাল, তিউনিসিয়া, বাংলাদেশ ও ভারতের নাগরিকরাও রয়েছেন মৃত হজযাত্রীদের তালিকায়। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এবার হজ করতে মক্কায় গিয়ে মারা গেছেন ২৭ জন বাংলাদেশি।


বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে প্রায় ১৮ লাখ হজযাত্রী এবার হজ করতে সৌদি এসেছেন। বিদেশি হজযাত্রীদের অনেকেই মক্কার তীব্র গরমে অভ্যস্ত নন। তাছাড়া এই হজযাত্রীদের মধ্যে এমন হাজার হাজার যাত্রী রয়েছেন, যারা বিধি মেনে সৌদিতে আসেননি। 



ফলে প্রখর তাপপ্রবাহ থেকে সুরক্ষা নিশ্চিতে যাত্রীদের জন্য যেসব সুবিধা ও পরিষেবা বরাদ্দ করেছে সৌদির সরকার, সেসব তারা পাচ্ছেন না। অবৈধভাবে সৌদিতে প্রবেশ করা এই যাত্রীরা এমনকি থাকা, খাওয়া এবং এয়ার কন্ডিশন সুবিধাও পাচ্ছেন না।


যেসব হজযাত্রীর মৃত্যু হয়েছে, তাদের একটি বড় অংশই অবৈধভাবে সৌদিতে প্রবেশ করেছিলেন বলে জানিয়েছে দেশটির প্রশাসন।


এছাড়া হজের বিভিন্ন আচার-অনুষ্ঠান পালন করতে গিয়ে নিখোঁজ হয়েছেন বহুসংখ্যক যাত্রী। এই গরমে নিরাপদ আশ্রয়ের বাইরে থাকা এই হজযাত্রীদের সবাই বেঁচে আছেন— এমন নিশ্চয়তা নেই। তাই সামনের দিনগুলোতে মৃত হজযাত্রীদের সংখ্যা আরও বৃদ্ধির আশঙ্কা রয়েছে।


আরও খবর



ছাত্রদলের পদবঞ্চিত হয়ে ককটেল বিস্ফোরণ: গ্রেপ্তার ২

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৯ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪ |

Image
নিজস্ব প্রতিনিধি::

বিএনপির নয়াপল্টন কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় ছাত্রদলের দুই সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদককে গ্রেফতার করেছে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ।

 গ্রেফতারকৃতরা হলেন, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মারজুক আলামিন (৩৫) ও মো. জহির হাসান মোহন (৩৬)। তারা ছাত্রদলের নতুন কমিটির পদবঞ্চিত বলে জানা গেছে। 

জানা যায়, গত ২৫ জুন নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে পরপর কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় পথচারীসহ কয়েকজন আহত হন। পরে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করা হয় বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। পদবঞ্চিতরা ক্ষুব্ধ হয়েই বিএনপির পার্টি অফিসের সামনে ককটেল হামলা করে। এ ঘটনায় পল্টন থানায় বিস্ফোরক আইনে মামলা হয়। এরপর ঘটনা তদন্তে নামে পুলিশ।
 
পুলিশ জানায়, সেদিন ছাত্রদলের নতুন কমিটি ঘোষণা হওয়ার পর কেন্দ্রীয় কমিটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা বিকেলে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে যান। আর নিচে কয়েকজন নেতাকর্মী অবস্থান করছিলেন। সন্ধ্যার দিকে দুদফায় ৬টি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পালিয়ে যান তারা। ককটেল বিস্ফোরণে বেশ কয়েকজন সাধারণ পথচারী আহত হন। ২০০ এর বেশি সিসি ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণ, তথ্য প্রযুক্তির সহায়তা এবং প্রকাশ্য ও গোপন অনুসন্ধানের মাধ্যমে হামলাকারীদের শনাক্ত করে এবং গত ৩ জুলাই তাদের গ্রেফতার করে পুলিশ।
 
পুলিশ জানায়, ঘটনার আগেরদিন বিকেলে পদবঞ্চিত নেতা সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আল আমিন রমনা পার্কের গেটসংলগ্ন এলাকায় পদবঞ্চিত অন্তত ২০ জনকে নিয়ে বৈঠক করেন। ওই বৈঠকে ছিলেন জাহিদুল ইসলাম রঞ্জু, রনি, আজহার হোসেন, ইমরান নওশাদ, সম্রাট, আল আমিন। সেখানে পার্টি অফিসের সামনে নাশকতার ছক করা হয়। 

পুলিশ আরও জানায়, পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী ছাত্রদলের পদবঞ্চিত নেতারা নতুন কমিটিকে মানসিকভাবে চাপে ফেলতে এবং নতুন কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত হতে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় ৮ জন সাবেক নেতা নিয়োজিত ছিল। ঘটনার আগেরদিন বিকেলে পদবঞ্চিত নেতা সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আল আমিন রমনা পার্কের গেটসংলগ্ন এলাকায় পদবঞ্চিত অন্তত ২০ জনকে নিয়ে বৈঠক করেন। ওই বৈঠকে ছিলেন জাহিদুল ইসলাম রঞ্জু, রনি, আজহার হোসেন, ইমরান নওশাদ, সম্রাট, আল আমিন। সেখানে পার্টি অফিসের সামনে নাশকতার ছক করা হয়। ভাগ করে দেয়া হয় প্রত্যেকের দায়িত্ব। সে অনুযায়ী ককটেল সংগ্রহ এবং হামলার দায়িত্ব নেন কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আল আমিন এবং সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্র নাদির শাহ পাটোয়ারী। ককটেল বিস্ফোরণ ঘটাতে ব্যবহার করা হয় দুটি মোটরসাইকেল। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে একজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
 
মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার হারুন অর রশীদ জানান, বিষয়টিকে অনেকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করেছিল।  তবে নতুন কমিটিকে না মানার জের ধরে এ ঘটনা ঘটে।    

আরও খবর



গ্রামীণফোনকে শোকজ, জরিমানা হতে পারে ৩০০ কোটি টাকা

প্রকাশিত:বুধবার ০৩ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডেস রিপোর্ট:


কল ড্রপ ইস্যুতে মোবাইল অপারেটরদের আর কোনো ছাড় দিতে রাজি নয় সরকার। এ ব্যাপারে জোরালো পদক্ষেপ গ্রহণ শুরু করেছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)।



 ইতোমধ্যে কল ড্রপ সমস্যা সমাধানে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে না পারায় শোকজ করা হয়েছে মোবাইল অপারেটর গ্রামীণফোনকে। সদুত্তর দিতে ব্যর্থ হলে ২ কোটি টাকা হতে ৩০০ কোটি টাকা পর্যন্ত জরিমানা গুনতে হতে পারে প্রতিষ্ঠানটিকে।


বুধবার (৩ জুলাই) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে আইসিটি টাওয়ারে জিপিটি প্ল্যাটফর্ম ‘জি-ব্রেইন’ এর উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।


প্রতিমন্ত্রী বলেন, স্পেকট্রাম বরাদ্দের তুলনায় ইউটিলাইজেশন কম। গ্রামীণফোন বারবার বলে টাওয়ার কম। কিন্তু টাওয়ার যা আছে, তাতে বিটিআরসি যতটুকু স্পেকট্রাম বরাদ্দ দিয়েছে, সেটা কেন ব্যবহার করছে না? 



কারণ ওই স্পেকট্রাম ইউটিলাইজ করতে গেলে আরও কিছু টেকনোলজি এবং ফাইন্যান্সের বিষয় আছে, যেটা তাদের প্রতিশ্রুতি ছিল। কেন তারা সেটা করল না? এ কারণে আমরা তাদের শোকজ করেছি। তারা সদুত্তর দিতে না পারলে এক কোটি থেকে তিনশ কোটি টাকা জরিমানা করা হতে পারে।’



এর আগে, গত ৩০ জুন বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) আয়োজিত মোবাইল অপারেটরদের সেবার মান সংক্রান্ত বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে কল ড্রপের বিষয়ে কোনো মোবাইল অপারেটর ছাড় পাবে না বলে মন্তব্য করেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী পলক।


বৈঠকে তিনি বলেন, কল ড্রপ এখন একটি নিয়মিত বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এটি নিয়ে গ্রাহক পর্যায়ে অসন্তোষের শেষ নেই। আমরা জুলাইয়ের ১ তারিখ থেকেই অ্যাকশনে যাবো।


আরও খবর



ভারতের সিকিমের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীর লাশ ভেসে এলো লালমনিরহাটে

প্রকাশিত:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

লালমনিরহাট প্রতিনিধি::


লালমনিরহাটের তিস্তার চরে বন্যার পানিতে ভেসে আসা এক মরদেহের পরিচয় সনাক্ত করা হয়েছে। গত ১৫ জুলাই, রোববার লালমনিরহাট জেলার আদিতমারী থানাধীন মহিষখোঁচা ইউনিয়নের গোবর্ধন গ্রামে তিস্তা নদীর চরে পাওয়া মৃতদেহটি ভারতের সিকিম রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী Mr. RC Poudyal এর বলে জানা গেছে।


আদিতমারী থানার ওসি মাহমুদ উন নবী সোমবার ১৬ জুলাই ২০২৪ তারিখ বিকেল ৬ টায় এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মৃতদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করা হয়েছে এবং ১৬ জুলাই ২০২৪ তারিখে লালমনিরহাটের পাটগ্রামের বুড়িমারী চেকপোস্ট দিয়ে মৃতদেহ হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।


মরদেহটি তিস্তা নদীর চরে পাওয়ার পর থেকেই এ বিষয়ে তদন্ত শুরু হয় এবং পরে এটি সিকিম রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীর মরদেহ হিসাবে সনাক্ত হয়। উক্ত ঘটনাটি দুই দেশের মধ্যে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে এবং মৃতদেহের সুষ্ঠু হস্তান্তরের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করার প্রচেষ্টা চলছে।


আরও খবর



গাজীপুর মহানগর আ.লীগের কমিটিতে ঠাঁই হল না জাহাঙ্গীরের

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৫ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

বিডি টুডেস ডেস্ক থেকে সদরুল আইন :



বহুল আলোচিত গাজীপুরের সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আলম পরপর দুবার আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কৃত হয়েছিলেন। দুবারই তিনি ক্ষমা পেয়েছিলেন। 




সবশেষ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে দলের প্রার্থীর বিরুদ্ধে মা জায়েদা খাতুনের পক্ষে কাজ করে বহিষ্কার হন। কিন্তু গত বছর অক্টোবরে তাঁকে আবার ক্ষমা করা হয়। দলে ফেরার পর গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে ফিরবেন বলে আলোচনা ছিল।



 কিন্তু সদ্য ঘোষিত মহানগর শাখার ৭৫ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে কোথাও তাঁর ঠাঁই হয়নি।


আজমত উল্লাহ খানকে পুনরায় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক মো. আতাউল্লাহ মণ্ডলকে সাধারণ সম্পাদক পদে রেখে গতকাল মঙ্গলবার বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশক্রমে দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ৭৫ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটির অনুমোদন দেন। 



একই সঙ্গে এ কমিটিতে ২৮ সদস্যের উপদেষ্টা পরিষদের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।


আজমত উল্লাহ খান ও আতাউল্লাহ মণ্ডল

২০২১ সালে বহিষ্কার হন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও গাজীপুর জেলার কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা সম্পর্কে বিতর্কিত মন্তব্য করে প্রথম বহিষ্কার হন গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম। গত বছরের ২১ জানুয়ারিতে তাঁকে ক্ষমা ঘোষণা করা হয়।



এর চার মাসের মধ্যে গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও দলের মনোনীত প্রার্থী ছিলেন আজমত উল্লা খানের বিরুদ্ধে মা জায়েদা খাতুনকে বিদ্রোহী প্রার্থী করে পুনরায় বহিষ্কার হন।



 ওই নির্বাচনে আজমতকে হারিয়ে জায়েদা খাতুন মেয়র নির্বাচিত হন। এবারও জাহাঙ্গীরের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তাঁকে ক্ষমা করা হয়। গত অক্টোবরে তাঁকে ক্ষমা করা হয় বলে জানান আওয়ামী লীগের ঢাকা বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম।


প্রথমবার ক্ষমা করার সময় বলা হয়েছিল, ভবিষ্যতে দলের শৃঙ্খলা পরিপন্থী কাজ করলে তা ক্ষমার অযোগ্য বলে বিবেচনা করা হবে। কিন্তু দ্বিতীয়বারের মতো ক্ষমা পেলেন জাহাঙ্গীর আলম। এবারও একই কথা বলা হয়েছে, ভবিষ্যতে শৃঙ্খলা ভঙ্গ করলে তা ক্ষমার অযোগ্য বলে বিবেচনা করা হবে। 



এরপর জাহাঙ্গীর গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের নেতৃত্বের স্বপ্নও দেখেছিলেন।


বিএনপিসহ বিভিন্ন দল ও জোটের সরকারবিরোধী আন্দোলন ও আগামী নির্বাচন মাথায় রেখে জাহাঙ্গীর আলমকে ক্ষমা করা হয় বলে তখন দলটির একাধিক কেন্দ্রীয় নেতা জানিয়েছেন।



 ঢাকার অন্যতম প্রবেশমুখ গাজীপুরের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থানে জাহাঙ্গীরকে প্রয়োজন বলে দলের নীতিনির্ধারকদের কেউ কেউ শেখ হাসিনাকে বুঝিয়েছিলেন।


দলের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে জাহাঙ্গীর আলম বারবার ক্ষমা পাওয়ার পেছনে দুটি বড় কারণ আছে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। প্রথমত, অঢেল টাকা থাকায় জাহাঙ্গীর আলম দলের নীতিনির্ধারকদের গুরুত্বপূর্ণ অংশের সঙ্গে টাকাপয়সা খরচ করে যোগাযোগ রাখেন। দ্বিতীয়ত, তাঁর নিজস্ব কর্মী ও সমর্থক বাহিনী আছে।


গত বছর মে মাসে বহিষ্কার হলেও গত জুলাইয়ে ঢাকায় আওয়ামী লীগের ‘শান্তি সমাবেশে’ বিপুলসংখ্যক লোক নিয়ে এসেছিলেন জাহাঙ্গীর আলম। ২৯ জুলাই ঢাকার প্রবেশমুখে বিএনপির অবস্থান কর্মসূচির দিনও টঙ্গী-আবদুল্লাহপুর এলাকায় জাহাঙ্গীরের সমর্থকদের ব্যাপক তৎপরতা ছিল।



 ১৪ অক্টোবর ঢাকার কাওলায় সিভিল অ্যাভিয়েশন মাঠে আওয়ামী লীগের সমাবেশে তিনি বিরাট মিছিল নিয়ে আসেন।


জাহাঙ্গীরের মায়ের কাছে পরাজিত আজমত উল্লাকে গত ৪ জুন গাজীপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান বানিয়ে কিছুটা সান্ত্বনা দেয় আওয়ামী লীগ। এদিকে দলে ফেরার পর জাহাঙ্গীর আলম গাজীপুর মহানগরের পদ ফিরে পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা নিয়ে ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে সাক্ষাৎও করেন।


গাজীপুর মহানগর কমিটির ৭৫ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি:



কমিটির অন্য পদ পাওয়া নেতারা হলেন সহসভাপতি বেগম সামসুন নাহার ভূঁইয়া, মো. মতিউর রহমান মতি, আব্দুল হাদী শামীম, রেজাউল করিম ভূঁইয়া, জয়নাল আবেদীন, ওসমান আলী, আসাদুর রহমান কিরণ, সফর উদ্দিন খান, শেখ মো. আসাদুল্লাহ, হেদায়েতুল ইসলাম ও মো. আব্দুল আলীম মোল্লা।


যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকেরা হলেন মো. আফজাল হোসেন সরকার রিপন, মো. কাজী ইলিয়াস আহমেদ ও এ বি এম নাসির উদ্দিন নাসির।


কমিটিতে আইনবিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব পেয়েছেন মো. খালেদ হোসেন, কৃষি ও সমবায় সম্পাদক মো. নাসির উদ্দিন মোল্লা, তথ্য ও গবেষণাবিষয়ক সম্পাদক মো. ফজলুর রহমান, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক মো. রফিকুল ইসলাম রফিক, দপ্তর সম্পাদক মো. মাহফুজুর রহমান রাসেল, ধর্মবিষয়ক সম্পাদক মাওলানা আক্তার হোসেন, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মো. আবদুল হালিম সরকার, বন ও পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক মো. সাইজ উদ্দিন মোল্লা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক মো. শহীদ উল্লাহ, মহিলাবিষয়ক সম্পাদক মোসা. হোসনে আরা জুলি, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদক মো. খালেকুজ্জামান, যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক মো. হীরা সরকার, শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক মো. আনিসুর রহমান, শিল্প ও বাণিজ্যবিষয়ক সম্পাদক মো. বাছির উদ্দিন, শ্রমবিষয়ক সম্পাদক মো. সোলায়মান মিয়া।


এ ছাড়া কমিটিতে সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদকের পদ দেওয়া হয়েছে গাজীপুর মহানগর যুবলীগের আহ্বায়ক মো. কামরুল আহসান সরকার রাসেলকে। স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক মো. জাকির হোসেন খোকন, সাংগঠনিক সম্পাদক হয়েছেন মো. মজিবুর রহমান, এস এম আলতাব হোসেন ও মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন মণ্ডল। উপদপ্তর সম্পাদক হয়েছেন মো. তৌহিদুল ইসলাম দ্বীপ, উপপ্রচার সম্পাদক মোসা. সালমা বেগম। কোষাধ্যক্ষ করা হয়েছে মো. সিরাজুল ইসলাম চৌধুরীকে।



কমিটির সদস্যরা হলেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক, মো. জাহিদ আহসান রাসেল, মেহের আফরোজ চুমকি, কাজী আলিম উদ্দিন বুদ্দিন, এম এ বারী, ওয়াজ উদ্দিন মিয়া, মো. আব্দুর রউফ নয়ন, এস এম মোকছেদ আলম, মো. আবু সাহিদ খান, মো. হেলাল উদ্দিন, মো. আজিজুর রহমান শিরিশ, মহিউদ্দিন আহম্মেদ, মো. আব্দুর রহমান, মো. আনোয়ার হোসেন, মো. ফজলু, মো. জাহিদ আল মামুন, মো. সাজ্জাদ হোসেন, মো. আবুল কাশেম, মীর আসাদুজ্জামান, মো. খলিলুর রহমান, মো. আদম আলী, আক্তার হোসেন, এস এম আকরাম হোসেন, নীলিমা আক্তার লিলি, মো. জালাল উদ্দিন, এস এম শামীম আহমেদ, মো. খোরশেদ আলম রানা, মতিউর রহমান, কামাল আহমেদ খান, মো. সেলিম মিয়া, মো. কবির হোসেন, মো. আব্দুর রউফ, এইচ এম শাহজাহান, অরুণ কুমার সাহা, কাজী মো. সেলিম ও মো. আলমগীর হোসেন খান।


আরও খবর



তরুণরাই আগামী দিনে বাংলাদেশকে এগিয়ে নেবে : প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

বিডি টুডেস ডেস্ক:


বর্তমান সময়ের তরুণরাই আগামী দিনগুলোতে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।



 আজ সোমবার (২৪ জুন) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব স্কলার অ্যাওয়ার্ড-২০২৩ প্রদান অনুষ্ঠানে এ মন্তব্য করেন তিনি।



প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এই বাংলাদেশ এগিয়ে যাওয়ার বাংলাদেশ, বদলে যাওয়ার বাংলাদেশ। আগামী দিনগুলোতে তরুণরাই বাংলাদেশকে এগিয়ে নেবে। ভবিষ্যতে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত করাই আমাদের সরকারের লক্ষ্য।’



আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর শিক্ষা ও গবেষণা খাতে বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা সরকারে এসে কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয় করে দিয়েছি। ২০০৯ এর পর থেকে ২৩টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়াও ৫৪টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।’



প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘বিএনপির আমলে স্বাক্ষরতার হার ছিল ৪৫ ভাগ। আমরা সেটিকে বর্তমানে ৭৬ দশমিক ৮ ভাগে উন্নীত করেছি।’ এ সময় ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেটে শিক্ষা খাতে বাজেট বাড়ানোয় তা সমাজে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।


সরকারপ্রধান বলেন, ‘বিনামূল্যে বই বিতরণের বিষয়টি অনেকে অসম্ভব মনে করলেও আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় এসে তা করে দিয়েছে। ২০১০ সাল থেকে আমরা বিনামূল্যে বই বিতরণ করছি। এখন পর্যন্ত ৪৬৪ কোটির বেশি বই বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়েছে।’ 



শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক উপদেষ্টা ড. কামাল আব্দুল নাসের চৌধুরী, শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বেগম শামসুন্নাহার, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব সোলেমান খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর

রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪