Logo
শিরোনাম
শবে বরাত পালন মুসলিম জাতিকে একতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ করে। ৫৭ তম খোশরোজ শরীফ ও মইনীয়া যুব ফোরামের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন বাঙালি সাংস্কৃতিতে মাইজভাণ্ডারী ত্বরীকার সাথে সম্পর্ক রয়েছে সীমান্তে হত্যা বন্ধের দাবীতে প্রতীকী লাশ নিয়ে হানিফ বাংলাদেশীর মিছিল লক্ষ্মীপুরে কৃষক কাশেম হত্যা: স্ত্রী, শ্বশুরসহ গ্রেপ্তার ৫ কুমিল্লা সিটি’র উপনির্বাচন: মেয়র পদে প্রতীক বরাদ্দ অবৈধ মজুদকারীরা দেশের শত্রু : খাদ্যমন্ত্রী ফতুল্লায় সিগারেট খাওয়ার প্রতিবাদ করায় কিশোরকে পিটিয়ে হত্যা বকশীগঞ্জে মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা নোবিপ্রবিতে সিএসটিই এলামনাই এসোসিয়েশনের নতুন কমিটি গঠন

সৌদিতে প্রাইভেটকার খাদে পড়ে কুমিল্লার ৩ যুবক নিহত

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৬ আগস্ট ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

 কুমিল্লা ব্যুরো ঃ

সৌদি আরবে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে প্রাইভেটকার খাদে পড়ে কুমিল্লার মনোহরগঞ্জের দুই ভাইসহ তিন যুবক নিহত হয়েছেন। 

তাদের তিন জনই কুমিল্লা জেলারম নোহরগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা। 

বৃহস্পতিবার (২৫ আগস্ট) বাংলাদেশ সময় দুপুর ১টার দিকে আল কাসিম শহরে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত ফারুক খানের চাচাতো ভাই মো. ফরিদ জানান, ফারুক খান (২৩) ও মো. পারভেজ (২১) তারা সম্পর্কে ভাই। ফারুক ৩ বছর আগে ও পারভেজ ৬ মাস আগে সৌদি আরবে যায়। সৌদি আরবের তাইফ শহরে তারা এল্যেমোনিয়্যামের কাজ করতো। কাসিম শহর থেকে তাইফ শহরে কাজে যাওয়ার সময় বৃহস্পতিবার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে প্রাইভেট খাদে পড়ে যায়। এসময় প্রাইভেট কারে থাকা ৫ জনের তিনজন মারা যায়। ও দুইজন একটি গুরুতর আহত অবস্থায় সেখানকার একটি হাসপাতালে ভর্তি আছে।


নিহতরা হলেন- মনোহরগঞ্জ উপজেলার ঝলম দক্ষিণ ইউনিয়নের মির্জাপুর গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে মো. ফারুক খান (২৩) ও মো. পারভেজ (২০) এবং একই এলাকার আবুল বাশারের ছেলে মো. সাদ্দাম (২১)। ঝলম দক্ষিণ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. আশিকুর হিরণকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। নিহতদের পরিবারের বরাতে চেয়ারম্যান বলেন, ‘তিন বছর আগে ফারুক সৌদি আরব যান। মাস তিনেক আগে তার ছোট ভাই পারভেজকেও নিয়ে যান। সাদ্দামও বছর তিনেক আগে সৌদিতে পাড়ি জমান। বৃহস্পতিবার তারা তিনজন আল কাসিম শহরের উদ্দেশ্যে প্রাইভেটকার নিয়ে বের হন। সেখানে পৌঁছার আগে গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পার্শ্ববর্তী খাদে পড়ে যায়। ঘটনাস্থলেই তারা মারা যান। তাদের মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

 এ বিষয়ে কুমিল্লা জনশক্তি রপ্তানি অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক দেবব্রত ঘোষ বলেন, ‘মরদেহ দেশে আনতে নিহতদের পরিবারকে আমাদের পক্ষ থেকে সব রকমের সহযোগিতা করা হবে।’


আরও খবর

রোজার আগে পেঁয়াজ-চিনি আমদানি নিয়ে আলোচনা

শুক্রবার ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




ভালবাসা ও ফাগুনে আগুন ফুলের বাজার !

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ |

Image

ঋতুরাজ বসন্ত ও ভালোবাসা দিবসকে রাঙাতে কতই না আয়োজন। যার মূল অনুষঙ্গ রঙ-বেরঙের ফুল। সব আবেদন, অনুরাগ, শ্রদ্ধা আর ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশের বড় মাধ্যম ফুল। শহুরে প্রকৃতিতে এসবের কিছু কমতি থাকলেও সংরক্ষিত বাগানগুলোতে দেখা মিলেছে বাহারি সব ফুলের। তাছাড়া শীতের জীর্ণতা আর শুষ্কতাকে পেছনে ফেলে বসন্তের সজীবতাকে বরণ করে নিতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন মানুষও।

ফুল ফুটুক না ফুটুক আজ বসন্ত- এ দিনের অপেক্ষায় রয়েছেন তারা। সেই সঙ্গে দরজায় কড়া নাড়ছে বিশ্ব ভালোবাসা দিবস। ভালোবাসা দিবসে সবাই প্রিয়জনকে দিতে চায় তাজা গোলাপ, বসন্ত উৎসবে যোগ দিতে খোপায় বাঁধে গাঁদা ফুল। সবমিলিয়ে কদর বেড়েছে ফুলের রানি গোলাপসহ অন্যদের। এবছর বসন্ত উৎসব, ভালোবাসা দিবস ও সরস্বতী পূজা একইদিনে হওয়ায় রাজধানীর ব্যবসায়ীরা আশানুরূপ ফুল বিক্রি করতে পারবেন বলে জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর শাহবাগ ও আগারগাঁও এলাকার ফুলের দোকানগুলোতে দেখা গেছে ব্যস্ত সময় পার করছেন দোকানিরা। বুধবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) কীভাবে নিজের দোকানের ফুলগুলো সবার সামনে ফুটিয়ে তোলা যায় সেই পরিকল্পনা করছেন তারা।

ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, তিন উৎসব একদিনে হওয়ায় ২০ কোটি টাকারও বেশি ফুল বিক্রির প্রত্যাশা করছেন তারা। এ মাসের ১৪ তারিখ এবং ২১ তারিখ সবচেয়ে বেশি ফুল বিক্রি হয়। ১৪ তারিখে গোলাপ আর ২১ তারিখে গাঁদা ফুল বেশি বিক্রি হয়। এসব দিনে ফুলের দোকানগুলোতে অনেকে বাড়তি কর্মচারী ও কারিগর রাখেন।

শাহবাগে একটি খুচরা বাজার ও একটি পাইকারি ফুলের দোকান আছে। যশোর, বেনাপোল, ফরিদপুর, সাভার, মানিকগঞ্জ, দোহার, নবাবগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে এখানে ফুল আসে। পরে এখান থেকেই ঢাকার অন্য খুচরা বাজারের ব্যবসায়ীরা ফুল সংগ্রহ করেন। এসব ফুলের মধ্যে রয়েছে গাঁদা, রজনীগন্ধা, গ্লাডিওলাস, জারবেরা, রথস্টিক, জিপসি, গ্যালেনডোলা ও চন্দ্রমল্লিকা। শাহবাগে ৫০টির মতো খুচরা ফুলের দোকান রয়েছে। ক্রেতারা এই বাজার থেকে ফুল সংগ্রহ করেন।

ঢাকা ফুল ব্যবসায়ী কল্যাণ বহুমুখী সমবায় সমিতির সভাপতি বাবুল প্রসাদ বলেন, সারা বছর শাহবাগে ফুল বিক্রি হয়। দৈনিক প্রায় ৪০ লাখ টাকার ফুল কেনাবেচা হয়। আর আগামী ১৪ ও ২১শে ফেব্রুয়ারিতে প্রায় ১০ কোটি টাকার বেশি পাইকারিতে ফুল বিক্রি হবে। আর খুচরা বাজার তো আছেই। এখানে ২৪টি জেলা থেকে ফুল আসে।

শাহবাগের ফুলের দোকান পুষ্পালয়ের মালিক রকি আহম্মেদ বলেন, ফুল বিক্রি ভালোই হচ্ছে। বিকেল থেকে সন্ধ্যার দিকে এ বিক্রির সংখ্যা আরও বাড়বে। এবছর বসন্ত উৎসব, ভালোবাসা দিবস ও সরস্বতী পূজা একদিনে হওয়ায় ফুল বিক্রির পরিমাণ অন্যান্য বছরের চেয়ে আরও বেশি হবে। ফুলের ব্যবসা করার মাস হচ্ছে ফেব্রুয়ারি। এসময়ে চাহিদাও থাকে বেশি। পাইকারিতেও কিছুটা বেশি দাম দিতে হয়। সেই প্রভাব পড়ে খুচরা বাজারে। বুধবারের জন্য অগ্রিম ফুলের অর্ডার দিয়ে রেখেছি।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বর্তমানে ভালো মানের গোলাপ ফুল এখন ৪০-৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গোলাপি রঙের বিদেশি গোলাপ এখন প্রতি পিস ১০০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া রজনীগন্ধার স্টিক মানভেদে ২০-৮০ টাকা, প্রতিটি গাঁদার মালা ৬০-১২০ টাকা, জারবেরা ফুল ৫০-১২০ টাকা, অর্কিড স্টিক ৮০-১০০ টাকা, গ্লাডিওলাস রং ভেদে বিভিন্ন দামে বিক্রি হচ্ছে। ব্যবসায়িরা বলছে, ১৪ ফেব্রুয়ারি সাধারণ গোলাপ ৮০-৯০ টাকায় এবং বিদেশি গোলাপ ১৫০ টাকার বেশিতে বিক্রি হবে।

রোহান আহমেদ নামের লালবাগ সরকারি মডেল স্কুল এন্ড কলেজর এক শিক্ষার্থী বলেন, ১৪ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব ভালোবাসা দিবস ও পহেলা ফাল্গুন উপলক্ষ্যে এরই মধ্যে ফুলের চাহিদা বেড়েছে। অন্য সময়ের চেয়ে ফুলের দাম তিন গুণ বেশি। ভালোবাসা দিবসে ফুলের চাহিদা বেশি হয়ে ওঠে, কারণ এটি ভালোবাসা প্রকাশের উপযুক্ত উপহার। ফুলের মাধ্যমে মানুষের মধ্যে ভালোবাসার আনন্দ ও মনোমুগ্ধতা বেড়ে যায়। ব্যবসায়ীরা ঠিক এ সুযোগটি নিচ্ছেন। এটি ঠিক না।


আরও খবর



বাজারের সন্ধানে গার্মেন্টস ব্যবসায়ীরা

প্রকাশিত:রবিবার ২৮ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

মন্দা পরিস্থিতিতে ইউরোপ-আমেরিকার উন্নত দেশগুলো ব্যয় সংকোচন নীতি অবলম্বন করায় জাপান, অস্ট্রেলিয়া ও রাশিয়ার মতো অপ্রচলিত বাজারে পণ্য রফতানি বাড়িয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে বাংলাদেশের গার্মেন্টস শিল্প মালিকরা।

গত ৪০ বছরের বেশি সময় ধরে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রফতানির মূল বাজার ইউরোপ এবং যুক্তরাষ্ট্র। ২০২৩ সালে বাংলাদেশ থেকে রফতানি হওয়া ৪৭.৩৮৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের মধ্যে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত ২৭টি দেশেই রফতানি হয়েছে ২৩.৩৮৪ মার্কিন ডলার মূল্যের পণ্য। এ ছাড়া আমেরিকায় ৮.২৭৩ বিলিয়ন ডলার, যুক্তরাজ্যে ৫.৩৪৪ বিলিয়ন ডলার এবং কানাডায় ১.৫১৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের পণ্য রফতানি হয়েছে।

এদিকে ২০২১ সালে এক লাফে গার্মেন্টস খাতের আয় ১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বেড়ে ৪৫.৮০৯ বিলিয়ন ডলার হলেও গত দুবছরে মন্দা পরিস্থিতির কারণে প্রবৃদ্ধির হার ক্রমেই কমছে।

সেটি কাটিয়ে ওঠার বিষয়ে বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রফতানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) প্রথম সহসভাপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম বলেন, ইউরোপ-আমেরিকায় আমাদের রফতানি কমার বিষয়টি আমরা অন্যান্য দেশে রফতানি বাড়ানোর মাধ্যমে কাটিয়ে ওঠার পরিকল্পনা করছি এবং তা কিছুটা কাটিয়ে উঠেছিও।

ইউরোপ-আমেরিকার বাজার হারানোর শঙ্কার মাঝেই নতুন নতুন মার্কেটের সন্ধানে নেমেছেন বাংলাদেশের গার্মেন্টস ব্যবসায়ীরা। বিশেষ করে এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য এবং আফ্রিকায় কয়েক বছর ধরে গার্মেন্টস পণ্য রফতানি বাড়ছে। ২০২৩ সালে অপ্রচলিত দেশ থেকে বাংলাদেশের রফতানি আয় হয়েছে ৮.৮৭১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এর মধ্যে জাপানে ১.৬৭৫ বিলিয়ন ডলার, অস্ট্রেলিয়ায় ১.২৮৪ বিলিয়ন ডলার, ভারতে ৯১৮ মিলিয়ন ডলার, দক্ষিণ কোরিয়ায় ৫৬৭ মিলিয়ন ডলার এবং রাশিয়ায় ৪৭৮ মিলিয়ন ডলার রফতানি আয় হয়েছে। এতে ২০২২ সালে আয় হয় ৭.৩৫৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এ ছাড়া ২০২১ সালে অপ্রচলিত বাজারে রফতানি হয়েছে ৫.৬৮০ বিলিয়ন ডলার এবং ২০২০ সালে ৪.৫১৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

এ বিষয়ে বিকেএমইএ’র সহ-সভাপতি ফজলে শামীম এহসান বলেন, বৈশ্বিক মন্দা যখন শুরু হয়েছে, তখন আমরা ইউরোপকে পাশ কাটিয়ে এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যের দিকে ঝুঁকেছি। বিশেষ করে, মধ্যপ্রাচ্যে এখন আমাদের পণ্যের বড় বাজার সৃষ্টি হচ্ছে।

নানা সংকটে ইউরোপ-আমেরিকার বাজারে কাঙ্ক্ষিত প্রবৃদ্ধি না হলেও নতুন বাজার খুঁজে ভূমিকা রাখছেন গার্মেন্টস ব্যবসায়ীরা। কিন্তু পণ্য পাঠাতে সৃষ্টি হচ্ছে জটিলতা। বিজিএমইএর পরিচালক এ এম মহিউদ্দিন বলেন, আমরা আগে থেকে নতুন বাজারে খোঁজে ছিলাম। কিন্তু এখন ইউরোপ-আমেরিকার ওপর নির্ভরশীলতা কমানোর জন্য সেই খোঁজ আরও জোরালোভাবে হওয়াটা প্রয়োজন।

বিজিএমইএর তথ্যানুযায়ী, ২০১৯ সাল থেকে গত চার বছরে ইউরোপীয় ইউনিয়নে বাংলাদেশের গার্মেন্টস শিল্পের প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৪০.৯৮ শতাংশ। যুক্তরাষ্ট্রে ৩৭.৪২ শতাংশ, যুক্তরাজ্যে ৩৯.২৮ শতাংশ এবং অপ্রচলিত বাজারের দেশগুলোতে প্রবৃদ্ধির হার ৬০.৮৯ শতাংশ বেড়েছে।

বিশ্বমন্দার পাশাপাশি রাজনৈতিক মেরুকরণে ইউরোপ-আমেরিকার বাজারে তৈরি পোশাক রফতানি নিয়ে যে শঙ্কার সৃষ্টি হয়েছিল, অবশেষে তা কাটতে শুরু করেছে। অপ্রচলিত দেশগুলোতে পোশাক রফতানি বাড়িয়ে সে সমস্যা কাটিয়ে উঠছে বাংলাদেশের গার্মেন্টস শিল্প। তবে রফতানির এ ধারা বজায় রাখতে গেলে সেসব দেশে কর্মরত বাংলাদেশি দূতাবাস কর্মীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে হবে, এমনটিই বলছেন গার্মেন্টস ব্যবসায়ীরা।


আরও খবর

চড়া দাম অধিকাংশ পণ্যের

শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




এক দশকপূর্তি উপলক্ষে নোবিপ্রবিতে অফিসার্স নাইট উদযাপিত

প্রকাশিত:শনিবার ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ |

Image

মোঃ সিনান তালুকদার নোবিপ্রবি :

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে(নোবিপ্রবি) নানা আয়োজনে অফিসার্স নাইট-২০২৪ উদযাপিত হয়েছে।

শনিবার(১০ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসার্স এসোসিয়েশনের এক দশক পূর্তি ও নতুন কার্যনির্বাহী কমিটির সংবর্ধনা উপলক্ষে এ অনুষ্ঠানটির আয়োজন করা হয়।

দিনটি উপলক্ষে বিভিন্ন ধরনের ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, র‍্যাফেল ড্র,সংবর্ধনা অনুষ্ঠান, স্পেশাল ডিনার ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন বিশ্ববিদ্যালয় অফিসার্স এসোসিয়েশন। এসময় হাজী মোহাম্মদ ইদ্রিস অডিটোরিয়ামের পাশে ফুসকা,চটপটি,বেলপুরি,চা-কফি ও 

নানান জাতীয় পিঠার স্টল স্থাপন করা হয়।

এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ টোকেন গ্রহনের মাধ্যমে সপরিবারে অংশ গ্রহন করেন।

নোবিপ্রবি রেজিস্ট্রার মো.জসীম উদ্দীনের সভাপতিত্বে ও সাবেক সভাপতি সাখাওয়াত হোসেনের সঞ্চালনায়

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. দিদার-উল-আলম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক উপাচার্য এ কে এম সাঈদুল হক চৌধুরী,উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. আব্দুল বাকী,কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড.নেওয়াজ মোহাম্মদ বাহাদুর, অফিসার্স এসোসিয়েশনের সভাপতি মেজবাহ উদ্দিন পলাশ ও সাধারণ সম্পাদক ইবনে ওয়াজেদ ইমন। এছাড়াও,অফিসার্স এসোসিয়েশনের নব নির্বাচিত কমিটির সদস্যবৃন্দ,বিভিন্ন দপ্তরে কর্মরত কর্মকর্তাবৃন্দ ও বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন সাধারণ সম্পাদক ইবনে ওয়াজেদ ইমন বলেন,আজকের এ সুন্দর প্রোগাম আয়োজনে উপাচার্যের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি।পাশাপাশি  গত ২৮ তারিখ সুষ্ঠুভাবে ভোট আয়োজন করায় সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি। সেই সাথে আজকের এ সংবর্ধনা  অনুষ্ঠানে যারা কাজ করেছেন তাদেরকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি ।পাশাপাশি যারা ভোট বিপ্লবের মাধ্যমে আমাকে মনোনীত করেছেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি। 

অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন সভাপতি মেজবাহ উদ্দিন  পলাশ বলেন,আজকের অনুষ্ঠানের সুন্দর পরিবেশ প্রদানের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতি  কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি। পাশাপাশি গত, ২৮ তারিখে ভোট বিপ্লবের মাধ্যমে যারা আমাদের  নির্বাচিত করেছেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ভবিষ্যত কাজের জন্য সকলের  সহযোগিতা কামনা করছি। 

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার জসীম উদ্দীন বলেন, রেজিস্ট্রার বলেন,বর্তমানে যারা দায়িত্বে এসেছেন আপনারা এমন ভাবে কাজ করবেন যাতে করে পরবতীতে যারা ক্ষমতায় আসবে তাদের জন্য আপনারা অনুকরণীয় হয়ে থাকতে পারেন। এসময় বিশ্ববিদ্যালয় কে এগিয়ে নিতে সকলের  সহযোগিতা কামনা করেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. নেওয়াজ মোহাম্মদ বাহাদুর বলেন,শিক্ষক, কর্মকর্তা,কর্মচারী এক অন্যের পরিপূরক। শরীরের একটি অঙ্গ অসুস্থ হলে যেমন পুরো শরীরে সেটি অনুভূত হয়। ঠিক তেমনি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেউ ক্ষতিগ্রস্থ হলে সকলের জন্য সেটি ক্ষতি কারন হয়ে যায়। ইতিমধ্যেই আমরা ডি নথি-ডিজিটাল আইডি কার্ড সহ, বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা কাজে   আমরা এগিয়ে যাচ্ছি এটি সম্ভব হয়েছে আপনাদের সকলের  আন্তরিকতা ও সহযোগিতা কারণে। 

উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড.মোহাম্মদ আব্দুল বাকী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবারের সকলকে নিয়ে আমরা যেনো ভালো থাকতে পারি সেজন্য এ ধরনের আনন্দ মুখর পরিবেশ খুবই প্রয়োজন । সকলেই পরিবার নিয়ে সমবেত হতে পারি সেই আশাবাদ ব্যক্ত করছি।

সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক এ কে এম সাঈদুল হক চৌধুরী বলেন,নোবিপ্রবির বুকে জাঁকজমকপূর্ণ এ পরিবেশে আজকের আয়োজন ভিন্ন পরিবেশ এনে দিয়েছে । অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সকল কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে এটি আরও প্রাণবন্ত এনে দিয়েছে। সকলের প্রতি আমরা ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি এ নিয়ে নোবিপ্রবিতে কয়েকবার আসা হলো ভবিষ্যতেও সকলের মধ্যে এ বন্ধন অটুট থাকুক, বিশ্ববিদ্যালয় আরও এগিয়ে যাক। জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু।

নোবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড.দিদার-উল-আলম  বলেন,বিশ্ববিদ্যালয়ের সকলেই একসাথে কাজ করে যাবেন। সকলেই এক হয়ে কাজ করলে বিশ্ববিদ্যালয় আরও  এগিয়ে যাবে। আজকের এ ধরনের জাকজমকপূর্ণ আয়োজনে সংশ্লিষ্ট দের প্রতি ধন্যবাদ জানিয়ে ভবিষ্যতে এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত রাখতে সকলের প্রতি আহবান জানান।


আরও খবর

আজ থেকে এক মাস বন্ধ সব কোচিং সেন্টার

মঙ্গলবার ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




মঙ্গলবার থেকে ফের শুরু হচ্ছে বৃষ্টি

প্রকাশিত:সোমবার ২৯ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ |

Image

মঙ্গলবার (৩০ জানুয়ারি) থেকে ফের শুরু হচ্ছে মাঘের বৃষ্টি। পরবর্তী ৪/৫ দিন বৃষ্টি থাকতে পারে। একই সঙ্গে আগামী কয়েকদিন শীত ক্রমেই কমবে বলেও জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। গত সপ্তাহেও ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি হয়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় তাপমাত্রা কিছুটা বেড়ে শৈত্যপ্রবাহের আওতা কমেছে। রোববার ৪৭ জেলার ওপর দিয়ে মৃদু থেকে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছিলো। সোমবার (২৯ জানুয়ারি) ৩৬ জেলার ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে।

আগামী কয়েকদিনও বিভিন্ন অঞ্চল থেকে শৈত্যপ্রবাহ ক্রমে দূর হতে পারে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।

তাপমাত্রা কিছুটা কমলেও উত্তরাঞ্চলে এখনও শীতের তীব্রতা রয়েছে। তীব্র শীতে জনজীবনের স্বাভাবিকতা বিঘ্নিত হচ্ছে।

সোমবার সকালে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৫ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিল দিনাজপুরে। একদিন আগে যা তেঁতুলিয়ায় ছিল ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এদিন সকালে ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১২ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ঢাকায়ও বেশ শীত অনুভূত হচ্ছে।

সহকারী আবহাওয়াবিদ আফরোজা সুলতানা জানান, সোমবার সকাল ৯টা থেকে আগামী ২৪ ঘণ্টায় অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের নদী অববাহিকায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে এবং দেশের অন্যত্র হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে। ঘন কুয়াশার কারণে অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন চলাচল অস্থায়ীভাবে ব্যাহত হতে পারে।

তিনি আরও জানান, মৌলভীবাজার, কুমিল্লা, ফেনী, যশোর, চুয়াডাঙ্গা, বরিশাল এবং ভোলা জেলাসহ ঢাকা, রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা কিছু কিছু জায়গা থেকে প্রশমিত হতে পারে।

আগামী ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে বলেও জানান তিনি।

মঙ্গলবার ফরিদপুর অঞ্চলসহ খুলনা বিভাগের দু-এক জায়গায় বৃষ্টি বা গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হতে পারে। সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়তে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

তবে বুধবার খুলনা, ঢাকা, ময়মনসিংহ এবং সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রাজশাহী, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় বৃষ্টি হতে পারে। ওইদিনও সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর।

পরবর্তী পাঁচদিনের আবহাওয়ার পূর্বাভাসে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, এ সময়ের প্রথম দিকে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে।

 


আরও খবর



নওগাঁ-২ আসনে বিজয়ী হলেন নৌকার প্রার্থী শহিদুজ্জামান সরকার বাবলু

প্রকাশিত:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, সিনিয়র রিপোর্টার :

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্থগিত হওয়া নওগাঁ-২, পত্নীতলা-ধামুরহাট আসনে বে-সরকারি ভাবে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামীলীগ সমর্থিত নৌকা মার্কার প্রার্থী শহিদুজ্জামান সরকার বাবলু। তিনি ১ লাখ ১৮ হাজার ৯শ' ৪১ ভোট পেয়ে বে-সরকারি ভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ট্রাক মার্কা প্রতিকের প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার আকতারুল আলম পেয়েছেন ৭৪ হাজার ৩শ' ৮১ টি ভোট। এ আসনে মোট ভোটারের ৫৭.১১ শতাংশ ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। 

নওগাঁ জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, এই আসনের ১শ' ২৪ টি ভোট কেন্দ্রের অধিনে মোট ভোটার রয়েছেন ৩ লাখ ৫৬ হাজার ১শ' ৩২ জন। 

ধামইরহাট উপজেলার ৫৩টি ভোট কেন্দ্রের অধিনে মোট ভোটার রয়েছেন ১ লাখ ৫৭ হাজার ১৫ জন। এরমধ্যে পুরুষ ভোটার ৭৮ হাজার ৩শ' ১ জন, মহিলা ৭৮ হাজার ৭শ' ১৩ জন ও তৃতীয় লিঙ্গের ১ জন। অপরদিকে পত্নীতলা উপজেলায় ৭১টি কেন্দ্রের অধিনে

মোট ভোটার রয়েছেন ১ লাখ ৯৯ হাজার ১শ' ১৭ জন। এদের মধ্যে পুরুষ ভোটার সংখ্যা ৯৯ হাজার ২শ' ৭১ জন এবং নারী ভোটার সংখ্যা ৯৯ হাজার ৮শ' ৪৬ জন।

নওগাঁ জেলা প্রশাসকের কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, এ আসনে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন ২ লাখ ৩ হাজার ৩শ' ৯১জন ভোটার। এরমধ্যে বৈধভোট ১ লাখ ৯৮ হাজার ৮শ' ৩২ টি এবং বাতিল হয়েছে ৪ হাজার ৫শ' ৫৯ টি ভোট। প্রাপ্ত ভোটের মধ্যে আওয়ামী লীগ সমর্থিত (নৌকার প্রতীক নিয়ে) শহীদুজ্জামান সরকার বাবলু পেয়েছেন ১ লাখ ১৮ হাজার ৯শ' ৪১ ভোট, স্বতন্ত্র (ট্রাক প্রতীক) প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার আখতারুল আলম পেয়েছেন ৭৪ হাজার ৩শ' ৮১ ভোট, জাতীয় পার্টির মনোনীত (লাঙ্গল প্রতীক) প্রার্থী অ্যাডভোকেট তোফাজ্জল হোসেন পেয়েছেন ৪ হাজার ৮৪ ভোট এবং ঈগল প্রতীক নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী মেহেদী মাহমুদ রেজা পেয়েছেন ১ হাজার ৪শ' ২৬ টি ভোট। নির্ধারিত প্রাপ্ত ভোটের ৮ শতাংশ ভোট না পাওয়ায় জাতীয় পার্টির প্রার্থী অ্যাডভোকেট তোফাজ্জল হোসেন ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মেহেদী মাহমুদ রেজা তাদের জামানত হারাচ্ছেন। 

উল্লেখ্য যে, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে স্বতন্ত্র প্রার্থী আমিনুল হকের মৃত্যুর কারণে এ আসনের ভোট গ্রহণ স্থগিত করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। পরবর্তীতে নতুন ভাবে তফসিল ঘোষণার পর দু'একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া আনন্দ-মূখর পরিবেশে সোমবার সকাল ৮ টা থেকে বিকেল ৪ টা পর্যন্ত বিরতিহীন ভাবে ভোট গ্রহণ সম্পূর্ন হয়েছে।


আরও খবর