Logo
শিরোনাম
রাঙ্গামাটি লংগদুর কাপ্তাই হ্রদে 

স্পিড বোট ও বালু ভর্তি ইঞ্জিন চালিত বোর্টের সংর্ঘষে ৭জন আহত ও ২ জন নিখোঁজ

প্রকাশিত:Friday ০৪ November ২০২২ | হালনাগাদ:Friday ২৭ January ২০২৩ |
Image

উচিংছা রাখাইন কায়েস, রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি 

রাঙ্গামাটির লংগদুর কাট্টলী বিল গাছখিলা এলাকায় কাপ্তাই হ্রদে যাত্রীবাহী স্পীড বোট ও বালু ভর্তি ইঞ্জিন চালিত বোর্টের সাথে সংর্ঘষে ৭জন আহত ও ২ জন নিখোঁজ রয়েছে। শুক্রবার (৪ নভেম্বর) দুপুরে ৩টার দিকে এই দূর্ঘটনাটি ঘটে।

স্থানীয়রা জানায়, শুক্রবার দুপুরে রাঙ্গামাটি থেকে যাওয়ার পথে লংগদুর কাট্টলী বিল গাছখিলা এলাকায় কাপ্তাই হ্রদে যাত্রীবাহী স্পীড বোট ও বালু ভর্তি ইঞ্জিন চালিত বোর্টের সংর্ঘষ হয়। এতে স্পীড বোটে থাকা ৯জনের মধ্যে ২জন পানিতে তলিয়ে যায়। অন্যদের স্থানীয় উদ্ধার করে পাড়ে নিয়ে আসা হয়। স্থানীয় আরো জানান, যাত্রীবাহী স্পীড বোটের চালকের চোখে চলন্ত অবস্থায় ময়লা পড়ার কারণে চোখ পরিস্কার করতে গিয়ে হঠাৎ বালু ভর্তি ইঞ্জিন চালিতে বোর্টের সাথে সংর্ঘষ হয়। এসময় যাত্রীবাহী স্পীড বোটে ৯জন যাত্রী ছিলো। এর মধ্যে ২জন যাত্রী পানিতে তলিয়ে যায়। এতে যাত্রীবাহী স্পীড বোটের এক অংশ ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়। 

নিখোঁজ যাত্রীরা হলেন, লিটন চাকমা (২০) পিতা মুক্ত লাল চাকমা, গ্রাম-কেংড়াছড়ি বাঘাইছড়ি, এলিনা চাকমা মহিলা (২০) পিতা-সুরুত চাকমা, গ্রাম-হাজাছড়া সুবলং বরকল। তারা সিজকে উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের এইচএসসি পরীক্ষার্থী বলে জানা গেছে। 

দূর্ঘটনার খবর পেয়ে লংগদু ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা এসি ল্যান্ট জনি রায়, লংগদু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আরিফুল আমিনসহ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে নিখোঁজ দুই ব্যক্তির উদ্ধার কাজ চালাচ্ছে বলে জানিয়েছে তারা।


আরও খবর



দেড় মাসে ঠাণ্ডাজনিত রোগে ৭৩ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত:Wednesday ১১ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Friday ২৭ January ২০২৩ |
Image

মইনুল ইসলাম মিতুল : গত দেড় মাসে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে শিশুসহ ঠাণ্ডাজনিত রোগে ৭৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া আরও তিনজন ডায়রিয়ায় মারা গেছেন। নভেম্বরের ১৫ তারিখ থেকে জানুয়ারির ৯ তারিখ পর্যন্ত তাদের মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

অধিদপ্তরের এমআইএস বিভাগের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের শীতজনিত রোগে আক্রান্ত ও মৃত্যুর এক বিবরণীতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিভাগভিত্তিক তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত রোগী চট্টগ্রামে। এ বিভাগে ১৪ নভেম্বর থেকে ৮ জানুয়ারি পর্যন্ত ১৮ হাজার রোগী এ রোগে ভুগছেন।

ময়মনসিংহে তিন হাজার ৫৮২ জন, রাজশাহীতে এক হাজার ৮৩৬ জন, রংপুরে এক হাজার ৪৭২ জন, খুলনায় ছয় হাজার ৬১৭ জন, বরিশালে তিন হাজার ৩২১ জন ও সিলেট বিভাগে দুই হাজার ৮৬৬ জন শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণে আক্রান্ত হয়েছেন।

এদিকে, শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণে মারা যাওয়া ৭৩ জনের মধ্যে সবচেয়ে বেশি চট্টগ্রামের বাসিন্দা। এ বিভাগে মারা গেছেন ৪৯ জন। এছাড়া ময়মনসিংহে ২০ জন, খুলনায় দুজন ও বরিশালে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। বাকি বিভাগগুলোতে শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণে কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি।

ডায়রিয়ায় আক্রান্ত ও মৃত্যুর তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ঢাকা বিভাগে সর্বোচ্চ দুই লাখ ২৮ হাজার ৫২১ জন ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন। তবে ১৪ নভেম্বর থেকে ৮ জানুয়ারি সময়ের মধ্যে কেউ মারা যাননি। তবে চট্টগ্রাম বিভাগে এসময়ে ডায়রিয়ায় তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। আর বিভাগটিতে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩০ হাজার।


আরও খবর



প্রাথমিকে সাড়ে ৮২ হাজার শিক্ষার্থী বৃত্তি পাবে

প্রকাশিত:Tuesday ০৩ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Thursday ২৬ January ২০২৩ |
Image

প্রাথমিকস্তরের পঞ্চম শ্রেণিতে আবারও বৃত্তি পরীক্ষা পদ্ধতি চালু হয়েছে। গত ৩০ ডিসেম্বর বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে ৬ লাখ শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। এ পরীক্ষার ফলের মাধ্যমে ৮২ হাজার ৫০০ শিক্ষার্থীকে বৃত্তি দেওয়া হবে। মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বৃত্তি সংক্রান্ত কার্যক্রম পরিচালনায় একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। তারা সভা করে খাতা মূল্যায়ন ও ফলাফল প্রকাশের দিনক্ষণ নির্ধারণ করবে। চলতি মাসের (জানুয়ারি) মধ্যে বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জানা গেছে, প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা পরিচালনা সংক্রান্ত নীতিমালা অনুযায়ী এবার ট্যালেন্টপুলে ৩৩ হাজার ও সাধারণ গ্রেডে ৪৯ হাজার ৫০০ শিক্ষার্থীকে বৃত্তি দেওয়া হবে। ট্যালেন্টপুলে বৃত্তির ক্ষেত্রে উপজেলা ভিত্তিক প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের সংখ্যার ভিত্তিতে মোট বৃত্তির ৫০ শতাংশ ছাত্র এবং ৫০ শতাংশ ছাত্রীদের মধ্যে জেন্ডারভিত্তিক মেধা অনুসারে দেওয়া হবে।

সাধারণ গ্রেডে ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডভিত্তিক ৩ জন ছাত্রী হিসেবে ৪৯ হাজার ৫০০ শিক্ষার্থীকে বৃত্তি দেওয়া হবে। ট্যালেন্টপুলে বৃত্তিপ্রাপ্তরা মাসিক ৩০০ টাকা এবং সাধারণ গ্রেডে বৃত্তিপ্রাপ্তরা মাসিক ২২৫ টাকা করে পাবে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে জানা গেছে, প্রাথমিকের বৃত্তি পরীক্ষা ১০০ নম্বরে চারটি বিষয় থেকে প্রশ্ন করা হয়েছে। প্রতিটি বিষয়ে ২৫ নম্বর করে প্রশ্ন দেওয়া হয়। দুই ঘণ্টার মধ্যে বহু-নির্বাচনী এবং লিখিত দুই পদ্ধতিতে উত্তর দিতে বলা হয়। তার মধ্যে ৪০ শতাংশ লিখিত ও ৬০ শতাংশ এমসিকিউ পদ্ধতির প্রশ্ন ছিল।


আরও খবর



নওগাঁয় ২৮ ঘোড়সওয়ারিকে হারিয়ে শীর্ষে দুই বোন তাসমিনা ও হালিমা

প্রকাশিত:Saturday ১৪ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Friday ২৭ January ২০২৩ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টার :

নওগাঁয় ২৮ ঘোড়সওয়ারিকে হারিয়ে শীর্ষে দুই বোন তাসমিনা ও হালিমা আক্তার।

শনিবার ১৪ জানুয়ারি বিকেলে নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলার ঘোষনগর ইউনিয়নের বরহট্টী মাঠে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। 

ঘোড়দৌড় প্রতিযোগীতায় মোট ৩০ জন ঘোড়সওয়ারি অংশ গ্রহন করেন। প্রতিযোগীতায় হাজারো মানুষের উপস্থিতিতে নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলার চকসুবল গ্রামের আপন দুই বোন দেশের অন্যতম ঘোড়সাওরি তাসমিনা ও হালিমা আক্তার বিভিন্ন স্থান থেকে আগত ২৮ ঘোড়সওয়ারি কে পেছনে ফেলে প্রথম ও দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেন।


ঘোড়দৌড় প্রতিযোগীতা চলার সময় মাঠের চারিদিকে নারী, পুরুষ, শিশু, বৃদ্ধ, বৃদ্ধা সহ হাজারো মানুষ আনন্দ-মূখর পরিবেশে ঘোড়দৌড় প্রতিযোগীতা উপভোগ করেন।

এব্যাপারে ঘোড়সওয়ারি তাসমিনা বলেন, আমি নওগাঁর মেয়ে, ইতি মধ্যেই আমি দেশের বিভিন্ন স্থানে ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে প্রথম হয়েছি। আজ নিজের জেলা নওগাঁতেও খেলায় অংশ নিতে পেরে অনেক ভালো লাগছে আমার, তবে আমি ও আমার আপন বোন দু-জনই প্রথম ও দ্বিতীয় স্থান অর্জন করায় আজ আমি অনেক খুশি । তিনি আরো বলেন, আমাদের অসচ্ছল পরিবার, ঘোড়ার খাবার ও পরিবারের ভরন পোষন যোগাড় করতে বাবার খুব কষ্ট হয়, তারপরও আমি আরো সামনে এগিয়ে যেতে চাই, চাই সকলের দোয়া।

ঘোড়দৌড় প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠানে ঘোষনগর ইউপি চেয়ারম্যান আবু বক্কর সিদ্দিক এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন, পত্নীতলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুমানা আফরোজ, বিশেষ অতিথি ছিলেন, নওগাঁর মহাদেবপুর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জয়ব্রত পাল, পত্নীতলা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) পলাশ চন্দ্র দেব, নজিপুর পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি শহিদুল আলম বেন্টু প্রমূখ। অনুষ্ঠানে অতিথিরা বিজয়ী আপন দুই বোন তাসমিনা ও হালিমা আক্তার এর হাতে বিজয়ীর পুরস্কার তুলে দেন।


আরও খবর



রেস্তোরাঁ ব্যবসায় ফিরছে সুদিন

প্রকাশিত:Sunday ১৫ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Friday ২৭ January ২০২৩ |
Image

রোকসানা মনোয়ার :বড় পরিবর্তন এসেছে দেশের রেস্তোরাঁ শিল্পে। মানুষের খাদ্যাভ্যাস ও রুচির পরিবর্তন হয়েছে। সারা দেশের ছোট-বড় শহরে গড়ে উঠেছে উন্নতমানের রেস্তোরাঁ। জিডিপির পাশাপাশি প্রতি বছর বাড়ছে কর্মসংস্থান। পৃথিবীজুড়ে এখন এ শিল্প সম্ভাবনাময়। বাংলাদেশেও সেটা হবে। আগামীতে পাশ্চাত্যের দেশগুলোর মতো মানুষ রেস্তোরাঁনির্ভর জীবনযাপন করবে। সেভাবে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা ও অভ্যাস গড়ে উঠছে। এদিকে, সম্প্রতি সরকারিভাবে রেস্তোরাঁকে শিল্পের মর্যাদা দেওয়া হয়েছে। এ ঘোষণায় উচ্ছ্বসিত ব্যবসায়ীরা। উন্নত বিশ্বের মতো দেশের রেস্তোরাঁ ব্যবসাকেও মানসম্পন্ন জায়গায় নিতে স্বপ্ন বুনছেন তারা।

শিল্প সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রেস্তোরাঁর প্রসারে এ শিল্পে এখন পর্যন্ত বিপুল কর্মসংস্থানও হয়েছে। দেশের প্রায় দুই কোটি মানুষ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে এ শিল্পের সঙ্গে জড়িত। পাশাপাশি এ শিল্প কৃষি, খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ ও পর্যটনসহ অন্যান্য অর্থনীতিতেও বড় ভূমিকা রাখছে। সরকার শিল্প ঘোষণা করায় আগামী এক দশকে এ শিল্প আরো তিন গুণ প্রসার হবে।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) হোটেল ও রেস্টুরেন্ট সার্ভে-২০২১ এর তথ্য বলছে, গত ১১ বছরে দেশে হোটেল ও রেস্তোরাঁর সংখ্যা বেড়েছে প্রায় ১ লাখ ৬১ হাজার। ২০০৯-১০ সালে যেখানে দেশে রেস্তোরাঁর সংখ্যা ছিল ২ লাখ ৭৫ হাজার, তা গত বছর বেড়ে ৪ লাখ ৩৬ হাজার হয়েছে। এ সময়ে কর্মরত মানুষের সংখ্যাও হয়েছে দ্বিগুণ। ২০০৯-১০ অর্থবছরে হোটেল ও রেস্তোরাঁয় কর্মরত ছিলেন ৯ লাখ ৪ হাজার মানুষ, যা গত বছর বেড়ে ২০ লাখ ৭২ হাজার হয়েছে। ফলে এক দশকে মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপিতে মূল্য সংযোজন বেড়েছে আট গুণ। এক দশক আগে ২০০৯-১০ অর্থবছরে হোটেল-রেস্তোরাঁ থেকে মূল্য সংযোজন হয়েছিল মাত্র ১১ হাজার ৯৮৬ কোটি টাকা। আর সবশেষ ২০১৯-২০ অর্থবছরে হয়েছে ৮৭ হাজার ৯২৬ কোটি টাকা।

আগামী ১০ বছরে এ শিল্প আরো তিন গুণ এগিয়ে যাবে বলে প্রত্যয় ব্যক্ত করে বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির মহাসচিব ইমরান হাসান বলেন, সরকারের উদ্যোগে রেস্তোরাঁকে শিল্প ঘোষণা করা হয়েছে। এতে আমাদের খাতের বিদ্যমান অনেক সমস্যা সমাধান হবে। বর্তমানে এ শিল্প যে অবস্থায় রয়েছে, আগামী ১০ বছরে তা আরো তিন গুণ বাড়বে।

ইমরান হাসান আরো বলেন,  আগামীতে এ শিল্প থেকে প্রচুর প্রশিক্ষিত কর্মী রপ্তানি সম্ভব হবে। সেটি অর্থনীতিতে বড় অবদান রাখবে। আবার বিভিন্ন দেশ থেকে ফেরত প্রবাসীরাও এ খাতে জড়িয়ে পড়ছে ব্যাক টু ব্যাক শিল্পের মতো। সরকারের সদিচ্ছা থাকলে বিশ্বব্যাপী হসপিটালিটি খাতে দুই কোটি কর্মী রপ্তানি সম্ভব।

এসব বিষয়ে কথা হয় আল-কাদেরিয়া লি: এর চেয়ারম্যান, রেস্তোরাঁ মালিক ফিরোজ আলম সুমনের সাথে । তিনি জানান, অপেক্ষাকৃত কম পুঁজিতে বাংলাদেশে হোটেল-রেস্তোরাঁ ব্যবসা লাভজনক। এছাড়া মানুষের খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন ও ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধি এ শিল্প জনপ্রিয় হওয়ার মূল কারণ। সে কারণেই ঢাকা নয়, জেলা ও উপজেলায়ও প্রতিনিয়ত নতুন নতুন হোটেল-রেস্তোরাঁ গড়ে উঠছে। আবার প্রতিনিয়ত নতুন নতুন খাদ্যের প্রসার এ শিল্পকে সমৃদ্ধ করছে। যে কারণে দেশের অর্থনীতিতে অবদান বাড়ছে এ শিল্পের।

সুমন আরো বলেন, এতদিন রেস্তোরাঁ ব্যবসা শিল্পের মর্যাদা না পাওয়ার কারণে বেশ সমস্যা হয়েছে। বিশেষ করে ব্যবসায়ীদের সরকারি সেবা নেওয়ার ক্ষেত্রে চড়া মূল্য দিতে হতো। ফলে প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়েছে অনেকে। তা ছাড়া ব্যাংকঋণের উচ্চ সুদহারের কারণে যেসব প্রতিষ্ঠান ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে তাদের ব্যবসার প্রসার করেছেন, তারা প্রতিনিয়ত চড়া সুদ গুনেছে।

ঋণ পরিশোধ সব সময়ই আর্থিক চাপ, এমনকি অনেক প্রতিষ্ঠান টিকতে পারেনি। শিল্প না হওয়ার কারণে এতদিন রেস্তোরাঁ ব্যবসা দেশের পুঁজিবাজার, বিশেষ করে সম্ভাবনাময় বন্ড মার্কেট গড়ে ওঠার ক্ষেত্রেও কোনো ভূমিকা নেয়নি।

আল-কাদেরিয়া রেস্টুরেন্টের কর্ণধার ফিরোজ আলম সুমন আরো বলেন, রেস্তোরাঁ ব্যবসা নির্ঞ্ঝাট নয়। বড় বড় রেস্তোরাঁয় এখন বিনিয়োগও প্রচুর। তারপরও এ ব্যবসার কোনো স্বীকৃতি ছিল না। কোনো মন্ত্রণালয়ের অধীনে সহায়তা মেলেনি। সেজন্য এ ব্যবসার সঙ্গে জড়িত উদ্যোক্তাদের প্রায়ই নানা ধরনের সংকটের মুখোমুখি হতে হয়েছে। টিকতে না পেরে মুখ থুবড়ে পড়েছে অনেক তরুণের উদ্যোগ। এ খাত শিল্প হওয়ায় এখন অনেক সমস্যা কেটে যাবে। বড় বিনিয়োগ আসবে। কয়েক বছরের মধ্যে এ খাত পাল্টে যাবে। যেসব তরুণ উদ্যোক্তা রেস্তোরাঁগুলোতে আধুনিকতার ছোঁয়া লাগিয়ে যাচ্ছেন তারা আরো উদ্যমী হবেন। ব্যাংকগুলো সব ব্যবসায় ঋণ দিলেও রেস্তোরাঁ ব্যবসায় ঋণ দিতে চাইতো না। সহজ শর্তে ঋণ পেলে তরুণরা আরো ভালো করবেন।

শিল্প মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শেখ ফয়েজুল আমীন বলেন, মোটাদাগে এখন অন্য শিল্পের মতো সব সুবিধাপ্রাপ্ত হবে রেস্তোরাঁগুলো। তাতে এ ব্যবসায় সরকারের সহায়তা বাড়বে। বড় বড় বিনিয়োগ আসবে। ব্যাংকগুলোও বিনিয়োগকারীদের সহায়তা দেবে। এমনকি এ খাতে বিদেশি বিনিয়োগও বাড়বে।


আরও খবর



ত্বক উজ্জ্বল করার ঘরোয়া উপায়

প্রকাশিত:Monday ১৬ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Friday ২৭ January ২০২৩ |
Image

উজ্জ্বল ও নরম ত্বকের জন্য ঘরে তৈরি ফেস প্যাক ব্যবহার করতে পারেন নিয়মিত। প্রাকৃতিক উপাদানের তৈরি প্যাক ব্যবহারের নেই কোনও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া। এছাড়া নির্দিষ্ট কিছু যত্ন সম্পর্কেও থাকতে হবে সচেতন। জেনে নিন উজ্জ্বল ত্বকের জন্য কোন কোন প্যাক ব্যবহার করবেন।

১। টমেটো থেঁতো করে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস মেশান। ১ চা চামচ টক দই মিশিয়ে পেস্ট বানিয়ে ত্বকে লাগান। ১৫ মিনিট অপেক্ষা করে ধুয়ে ফেলুন।

২। সমপরিমাণ বেসন ও হলুদের গুঁড়ার সঙ্গে প্রয়োজন মতো টক দই মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। এই পেস্ট ত্বকে লাগিয়ে রাখুন না শুকানো পর্যন্ত।

৩। আধা কাপ পাকা পেঁপে চটকে ১ চা চামচ মধু মিশিয়ে নিন। মিশ্রণটি ত্বকে লাগিয়ে রাখুন ১৫ মিনিট।

৪। ১ টেবিল চামচ বেসনের সঙ্গে আধা চা চামচ হলুদের গুঁড়া ও পরিমাণ মতো দুধ মিশিয়ে প্যাক বানিয়ে নিন। প্যাকটি ত্বকে ২০ মিনিট লাগিয়ে রেখে ধুয়ে ফেলুন।

৫। ২ টেবিল চামচ অ্যালোভেরা জেল, আধা চা চামচ লেবুর রস ও ১ চা চামচ মধু মিশিয়ে নিন। মিশ্রণটি ত্বকে কিছুক্ষণ লাগিয়ে রেখে ধুয়ে ফেলুন।

৬। মুলতানি মাটির সঙ্গে পরিমাণ মতো টমেটোর রস মিশিয়ে বানিয়ে ফেলুন প্যাক। এটি ত্বকে লাগিয়ে রাখুন না শুকানো পর্যন্ত।

ঘরোয়া যত্নে যেভাবে পাবেন উজ্জ্বল ত্বক

ত্বক পরিষ্কার করুন মাইল্ড ক্লিনজার দিয়ে।

ম্যাসাজ ক্রিমের সাহায্যে ত্বক ম্যাসাজ করুন নিয়মিত।

ত্বক ধোয়ার পর মুছে ভেজা ভাব থাকতে থাকতেই ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করবেন।

ত্বক ভালো রাখতে পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করবেন ও সবুজ শাকসবজি রাখবেন খাদ্য তালিকায়।


আরও খবর