Logo
শিরোনাম

শ্রীনগরে ১২ বছরের কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে ৫০ বছরের লম্পট আটক

প্রকাশিত:Thursday ০৫ May ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ০৭ February ২০২৩ |
Image

শ্রীনগর সংবাদদাতাঃ

মুন্সীগঞ্জ  শ্রীনগরে ১২ বছরের এক কিশোরীকে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগে ৫০ বছরের লম্পটকে আটক করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টার দিকে উপজেলার কুকুটিয়া ইউনিয়নের পাইলভোগ গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে লম্পট টিপু মাঝি (৫০) কে আটক করা হয়। 

স্থানীয়রা জানায়, দরিদ্র পরিবারের কিশোরী ওই গ্রামের মালেক মাঝির ছেলে টিপু মাঝির মেয়ের সাথে রাতে ঘুমাতো। এর সুযোগ নিয়ে টিপু মাঝি কিশোরীকে জোর করে ধর্ষণ করে। ঘটনাটি সমাজে প্রচারের ভয় দেখিয়ে পরে সে বেশ কয়েকবার কিশোরীকে ধর্ষণ করে। কয়েকদিন আগে কিশোরী তার মায়ের কাছে বিষয়টি খুলে বলে। পরে স্থানীয় এক যুবক টিপু মাঝিকে জুতাপেটা করে ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করলে তা প্রকাশ পায়। এই ঘটনা নিয়ে বৃহস্পতিবার বিকালে সালিশের আয়োজন করে। সালিশে বসার আগেই শ্রীনগর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আমিনুল ইসলাম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে টিপু মাঝিকে ধর্ষণের অভিযোগে আটক করে। টিপু মাঝি ৩ মেয়ে ও ১ ছেলে সন্তানের পিতা। 

শ্রীনগর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আমিনুল ইসলাম জানান, ভিকটিমকে উদ্ধার করা হয়েছে। ধর্ষণের অভিযোগে টিপু মাঝির বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি চলছে।


আরও খবর



হজের খরচ কমল ৩০ শতাংশ

প্রকাশিত:Tuesday ১৭ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Monday ০৬ February ২০২৩ |
Image

মহামারি করোনার বিধিনিষেধের কারণে গত তিন বছর নির্দিষ্ট সংখ্যক মানুষ পবিত্র হজ পালনের সুযোগ পেয়েছিলেন। এবার আর থাকছে না কোনো বাধা ও নিয়মকানুন। গত সপ্তাহে সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছিল।

২০২২ সালের তুলনায় ২০২৩ সালে কমানো হয়েছে হজ প্যাকেজের মূল্য। গত বছরের তুলনায় ৩০ শতাংশ কম খরচে এবার হজ পালনের সুযোগ পাবেন মুসল্লিরা।

হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব ড. আমর বিন রেদা আল মাদ্দাহ গত ১৫ জানুয়ারি এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি আরো জানিয়েছেন, ইকোনোমিক হজ প্যাকেজের প্রায় ৯০ ভাগ ইতোমধ্যে বিক্রি হয়ে গেছে।

সহকারী সচিব আল মাদ্দাহ আরো জানিয়েছেন, সৌদির অভ্যন্তরীণ যে হজ প্যাকেজগুলো রয়েছে, সেগুলো কোম্পানির সেবার মানের ওপর ভিত্তি করে কয়েকটি ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হয়েছে। হজ ক্যাম্পে সেবার মান দেখে এটি নির্ধারণ করা হবে।

গত সপ্তাহে হজ মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল, সৌদি আরবের স্থানীয় মুসল্লিরা চাইলে তিন ভাগে হজ প্যাকেজের অর্থ পরিশোধ করতে পারবেন। আগে একসঙ্গে পুরো অর্থ পরিশোধের নিয়ম ছিল।


আরও খবর



বগুড়ায় প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর বিক্রির দায়ে কারাদণ্ড

প্রকাশিত:Friday ২০ January ২০23 | হালনাগাদ:Tuesday ০৭ February ২০২৩ |
Image

নিজস্ব প্রতিবেদক :

প্রধানমন্ত্রীর গৃহহীনদের দেয়া উপহারের ঘর বিক্রি করার দায়ে বগুড়ার জামরুল শেখ নামে একজনকে এক মাসের  কারাদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সঙ্গে বিক্রি করা বাড়ির দলিলও জব্দ করে আদালত।

ভ্রাম্যমান আদালতের বিচারক জানান বগুড়া সদরের ৪ নং এরুলিয়া ইউনিয়নের কদমতলী আশ্রয়ণ প্রকল্পে শুক্রবার দুপুরে  সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা  ফিরোজা পারভীন এই অভিযান চালান । 

দন্ডপ্রাপ্ত  জামরুল শেখ ওই এলাকার মৃত ছায়েদ আলী শেখের ছেলে। 

এর আগে গত বছরের ১৬ নভেম্বর একই আশ্রায়ন প্রকল্পের বাসিন্দা মো. ইদ্রিস আলী আকন্দের কাছে ৭০ হাজার টাকার বিনিময়ে নিজের বরাদ্দ পাওয়া ঘরটি বিক্রি করেন জামরুল শেখ। একশ টাকা মূল্যের একটি স্ট্যাম্পেও অঙ্গীকারনামা লিখে এবং বিক্রি করা উপহারের ঘরের দলিল ইদ্রিস আলীকে বুঝিয়ে দেয় জামরুল ।

 ইউএনও ফিরোজা পারভীন আরও জানান, প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে গৃহহীন ও ভূমিহীনদের জন্য এরুলিয়া ইউনিয়নের কদমতলীতে আশ্রয়ণ প্রকল্প নির্মাণ করা হয়েছে৷ ওই প্রকল্পের ১২ নম্বর বাড়ি জামরুল গৃহহীন হওয়ায় বরাদ্দ পান।

তবে তিনি প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে ওই প্রকল্পের আরেক বাসিন্দা ইদ্রিস আকন্দের কাছে ৭০ হাজার টাকায় বরাদ্দ পাওয়া ঘরটি বিক্রি করে দেন। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত হওয়ার পর ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে জামরুলকে এক মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। 

ইউএনও ফিরোজা পারভীন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর বিক্রি সাথে কোন চক্র বা অন্য কেউ জড়িত থাকলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি এই ঘরগুলো প্রাপ্য মানুষদের হাতে তুলে দিতে উপজেলা প্রশাসন কাজ করে যাচ্ছে।

মুজিব শতবর্ষে গৃহহীন ও ভূমিহীনদের পূর্ণবাসনের জন্য কৃষি খাস জমি বন্দোবস্তের কবুলিয়ত নামার ১৩ এবং ১৪তম ধারায় বলা আছে, আমরা আমাদের জমির সমস্ত বা কোন অংশ বিক্রয়, দান বা অন্য কোনো প্রকার হস্তান্তর করতে পারবে না। তবে জেলা প্রশাসকের অনুমতি নিয়ে চাষাবাদের প্রয়োজনে এই জমি কোনো ব্যাংক বা সমবায় সমিতির অথবা সরকারের নিকট বন্ধক রাখতে পারবে। 


আরও খবর



সুন্দরবনে হরিণ শিকারের ফাঁদসহ ২০ কেজি হরিণের মাংস উদ্ধার

প্রকাশিত:Monday ০৬ February ২০২৩ | হালনাগাদ:Tuesday ০৭ February ২০২৩ |
Image

এম.পলাশ শরীফ, বাগেরহাট প্রতিনিধি :

পূর্ব-সুন্দরবনের চাঁদপাই রেঞ্জের ইসহাকের ছিলা এলাকা থেকে ২০ কেজি হরিণের মাংস সহ ডিঙ্গি নৌকা ও হরিণ শিকারের ফাঁদ জব্দ করেছে বন বিভাগ। রোববার (৫ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে পূর্ব সুন্দরবন বনবিভাগের চাঁদপাই রেঞ্জের ইসহাকের ছিলা এলাকায় অভিযান চালিয়ে এ মাংস জব্দ করা হয়।তবে এ সময় কাউকে আটক করতে পারেনি বনরক্ষীরা। পূর্ব-সুন্দরবন চাঁদপাই রেঞ্জের জিউধরা স্টেশন কর্মকর্তা মোহাম্মদ শাহজাহান মোক্তাদির জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ইসহাকের ছিলা এলাকায় অভিযান চালিয়ে হরিণ শিকারের ফাঁদ ও ডিঙ্গি নৌকাসহ ২০ কেজি হরিণের মাংস উদ্ধার করা হয়েছে। তবে বনরক্ষীদের উপস্থিতি টের পেয়ে চোরা শিকারিরা পালিয়ে গেছে।


আরও খবর



নওগাঁয় চাকুরি দেওয়ার নামে টাকা হাতিয়ে নেয়া প্রতারক চক্রের মূলহোতা আটক

প্রকাশিত:Sunday ২৯ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Monday ০৬ February ২০২৩ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টার :


নওগাঁয় চাকুরি দেওয়ার নামে ১০ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়া প্রতারক চক্রের মূলহোতা কে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব।

শনিবার দুপুরের দিকে নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলার নজিপুর বাজার এলাকা হতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভূয়া নিয়োগ পত্র প্রদানের মাধ্যমে ১০ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়া প্রতারক চক্রের মূলহোতা মঞ্জুর আলম (৩৯) কে গ্রেফতার করেন র‍্যাব। গ্রেফতারকৃত মঞ্জুর আলম নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলার নজিপুর মাদ্রাসা পাড়ার মৃত আলীম উদ্দীনের ছেলে বলে জানিয়েছেন র‌্যাব।

সত্যতা নিশ্চিত করে র‌্যাব-৫, সিপিসি-৩, জয়পুরহাট কাম্প থেকে প্রতিবেদক কে জানানো হয়, অভিযুক্ত ও গ্রেফতারকৃত মঞ্জুরুল আলম এবং মোঃ রেজাউল করিম উভয়েই একটি প্রতারক সিন্ডিকেট হিসাবে কাজ করছে এবং ২০১৫ ইং সাল থেকে দরিদ্র লোকদের সাথে প্রতারণা মূলক কর্মকান্ড করছে যেখানে মঞ্জুরুল আলম মূলহোতা। মঞ্জুরুলের স্ত্রী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা। সে সুযোগ কে কাজে লাগিয়ে চাকরির প্রলোভন ও মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে কখনো বা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চাকরির ভূয়া নিয়োগ পত্র দিয়ে সে প্রার্থীদের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নিত। মোঃ রেজাউল করিম তার সহকারী হিসেবে কাজ করতেন এবং ভূয়া কাগজ পত্র তৈরির দায়িত্বে ছিলেন। ২০২০ ইং সালে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চাকরি দেওয়ার জন্য মঞ্জুরুল লিপি পারভিন নামে এক ভিকটিম এর কাছ থেকে ১০ লাখ  টাকা নেয়। পরে রেজাউল করিমের মাধ্যমে তাকে ভূয়া নিয়োগরপত্র দেয়। সে নিয়োগ পত্র নিয়ে ঢাকায় ওই চাকরিতে যোগ দিতে গেলে সেটা ভুয়া বলে জানতে পারেন ভিকটিম। পরে ভুক্তভোগী (ভিকটিম) বাদী হয়ে জয়পুরহাট র‌্যাব ক্যাম্পে অভিযোগ করলে, র‌্যাব-৫,  সিপিসি-৩, এর অভিযানিক দল তাকে অনেক ভূয়া নথিপত্র সহ আটক করেন।

এব্যাপারে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে বলেও নিশ্চিত করেছে র‍্যাব।


আরও খবর



এলপি গ্যাসের সংকটে দিশেহারা গ্রাহক

প্রকাশিত:Monday ০৬ February ২০২৩ | হালনাগাদ:Monday ০৬ February ২০২৩ |
Image

রাজধানীবাসীর অনেক সমস্যার একটি হলো গ্যাসসংকট। গ্যাসের লাইন থাকলেও সরবরাহ কম থাকা বা বন্ধ থাকার কারণে বেশিরভাগ ভোক্তাকেই বিকল্প হিসেবে এলপি গ্যাসের সিলিন্ডার কিনতে হয়। ২০২০ সালে বাসাবাড়িতে গ্যাস সংযোগ প্রদান স্থায়ীভাবে বন্ধ করে দেয় সরকার। যে কারণে এলপিজি সিলিন্ডারের চাহিদা বেড়ে গেছে কয়েক গুণ। এর সুযোগ নিচ্ছে ব্যবসায়ীরা। সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে সিলিন্ডার প্রতি কয়েকশ টাকা বেশি নিচ্ছেন তারা।

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে ক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, নির্ধারিত মূল্যে সিলিন্ডার তো পাওয়া যাচ্ছেই না, কোথাও কোথাও কমে গেছে গ্যাসের সরবরাহও। অর্থাৎ সংশ্লিষ্ট খুচরা বিক্রেতা বলছেন তার কাছে গ্যাসই নেই। গ্রাহকরা বলছেন, কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে ব্যবসায়ীরা অসৎ প্রক্রিয়ায় সিলিন্ডার গ্যাসের দাম বাড়িয়ে দিচ্ছেন।

১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ২৬৬ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৪৯৮ টাকা নির্ধারণ করে দিয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। একসঙ্গে আড়াইশ টাকার বেশি দাম বাড়ানোয় এমনিতেই ক্রেতাদের ওপর চাপ তৈরি হয়েছে। তার ওপর এখন সরকার নির্ধারিত দামেও গ্যাস পাচ্ছেন না ক্রেতারা। ১৪৯৮ টাকার গ্যাস খুচরা পর্যায়ে বিক্রি করা হচ্ছে ১৮০০ টাকায়। কোথাও কোথাও আরো বেশি। অর্থাৎ ৩শ টাকারও বেশি নেওয়া হচ্ছে ১২ কেজির সিলিন্ডারে।

এলপিজি সিলিন্ডারের দাম সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি কেন- এমন প্রশ্ন করা হয় বসুন্ধরা এলপিজি সিলিন্ডারের ডিলার শিহাব হোসেনকে। জবাবে তিনি বলেন, কোম্পানি থেকেই বেশি রেট-এ আসে, তাই দাম বেশি।

এ বিষয়ে বসুন্ধরা এলপি গ্যাসের হেড অব সেলস প্রকৌশলী জাকারিয়া জালাল বলেন, এলপিজি সিলিন্ডারের মূল্য বেশি রাখাটা যে শুধু কোম্পানির দোষ, ব্যাপারটা তা নয়। আমাদের এ গ্যাস বিক্রির সিস্টেমে কিছু ত্রুটি আছে। সেটা নিরসনে অনেকদিন ধরেই বিইআরসিকে আমরা বলে আসছি। ত্রুটি ঠিক করা হলে নির্ধারিত মূল্যেই সিলিন্ডার বিক্রি করা সম্ভব হবে।

এলসি খোলায় সমস্যা আরেকটি কারণ উল্লেখ করে জাকারিয়া জালাল বলেন, আমরা প্রতি মাসে এলসি খুলে এলপিজি আমদানি করি। বর্তমান পরিস্থিতিতে ধারাবাহিকভাবে এলসি খোলা যাচ্ছে না। যদি মাসে দুটি এলসি খোলা হয়ে থাকে, তাহলে একটার সঙ্গে আরেকটা এলসি খোলার যে ধারাবাহিকতা সেখানে গ্যাপ তৈরি হচ্ছে। সে গ্যাপের সুযোগ নিচ্ছে ডিলার ও দোকানিরা। যখন ডিলাররা দেখে যে এ মাসে প্রোডাক্ট কম আসছে কোম্পানি থেকে, তখন তারা টার্গেট পূরণের জন্য বেশি দামে সিলিন্ডার বিক্রি করে। আপনি তাদের কাছে সঠিক মূল্যের হিসাব পাবেন না।

আবার দোকানি যখন দেখছে সাপ্লাই কম, তারাও তখন মজুত করে দাম বাড়িয়ে ফেলে। সুতরাং সমস্যাটা সামগ্রিকভাবে তৈরি হয়। কোম্পানি যে দামে সেল করতে চায়, মধ্যস্বত্বভোগীদের কারণে গ্রাহক পর্যায়ে গিয়ে তার দাম বেড়ে যায়। আমরা সবসময় চেষ্টা করি নির্ধারিত মূল্যেই গ্যাস বিক্রি করতে। এখন প্রশাসন কঠোর হলে বা তদারকি বাড়ালে অন্তত ‘অতিরিক্ত বেশি’ মূল্যে বিক্রি হওয়াটা নিয়ন্ত্রণ করা যাবে।

বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের প্রশাসন ও আইন বিষয়ক সদস্য সচিব খলিলুর রহমান খান বলেন, এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বেশি রাখা হলে গ্রাহকরা অভিযোগ দিতে পারবেন। তবে আমরা এখনো এ বিষয়ে কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া গেলে অবশ্যই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। গ্রাহকরা সচেতন হলে মূল্যবৃদ্ধির এ প্রবণতা কমে যাবে। ভোক্তা অধিকারও এ বিষয়ে কাজ করছে।


আরও খবর