Logo
শিরোনাম
শবে বরাত পালন মুসলিম জাতিকে একতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ করে। ৫৭ তম খোশরোজ শরীফ ও মইনীয়া যুব ফোরামের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন বাঙালি সাংস্কৃতিতে মাইজভাণ্ডারী ত্বরীকার সাথে সম্পর্ক রয়েছে সীমান্তে হত্যা বন্ধের দাবীতে প্রতীকী লাশ নিয়ে হানিফ বাংলাদেশীর মিছিল লক্ষ্মীপুরে কৃষক কাশেম হত্যা: স্ত্রী, শ্বশুরসহ গ্রেপ্তার ৫ কুমিল্লা সিটি’র উপনির্বাচন: মেয়র পদে প্রতীক বরাদ্দ অবৈধ মজুদকারীরা দেশের শত্রু : খাদ্যমন্ত্রী ফতুল্লায় সিগারেট খাওয়ার প্রতিবাদ করায় কিশোরকে পিটিয়ে হত্যা বকশীগঞ্জে মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা নোবিপ্রবিতে সিএসটিই এলামনাই এসোসিয়েশনের নতুন কমিটি গঠন

শ্রীপুরে ঘুমন্ত স্বামীর গোপনাঙ্গ কেটে স্ত্রী থানায় হাজির

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৩ মে ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

সদরুল আইনঃ

                           গাজীপুরের শ্রীপুরে পারিবারিক কলহের জের ধরে  ঘুমন্ত স্বামীর গোপনাঙ্গ কেটে থানায় হাজির হয়েছেন এক স্ত্রী।

 পরে গুরুতর আহতবস্থায় স্বামীকে উদ্ধার করে শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন।

জানা গেছে, সোমবার দিবাগত মধ্যরাতে শ্রীপুর পৌরসভার কেওয়া দক্ষিণ খন্ডের চেয়ারম্যানবাড়ি মোড় এলাকায় এ লোমহর্ষক ঘটনাটি ঘটে।

থানা, হাসপাতাল ও এরাকাবাসি সূত্রে জানা যায়, মোঃ শরীফ (৩১) গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার সোহাগপুর গ্রামের আলা উদ্দিনের ছেলে। তার স্ত্রী হনুফা বেগম (৩০), গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার গাজিয়ারন গ্রামের আবু হানিফ বেপারীর মেয়ে। 

শরীফের দ্বিতীয় স্ত্রী হনুফা। ৮/৯মাস আগে প্রথম স্ত্রীকে ছেড়ে দেয়ার পর হনুফাকে বিয়ে করেন শরীফ।

শ্রীপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোঃ মিজান জানান, রাত্রিকালীন সময়ে ওই এলাকায় ডিউটিতে ছিলেন তিনি। এসময় থানার ডিউটি অফিসার তাকে মুঠোফোনে জানান, স্বামীর গোপনাঙ্গ কেটে নিয়ে এক নারী থানায় হাজির হয়েছেন এবং গুরুতর অবস্থায় কেওয়া পূর্ব খন্ড গ্রামের একটি ঘরে স্বামীকে তালাবদ্ধ অবস্থায় রেখে এসেছেন। 

পরে ওই নারীর দেয়া তথ্যমতে ঘরের তালা ভেঙ্গে স্বামী শরীফকে উদ্ধার করে শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়।

শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খোন্দকার ইমাম হোসেন এ ব্যাপারে  বলেন, ঘটনাটি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। 

এ বিষয়ে অভিযুক্ত নারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।


আরও খবর



রাণীনগরে পানি সেচ না দেয়ায় আলু ক্ষেত নষ্টের অভিযোগ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ |

Image

কাজী আনিছুর রহমান,রাণীনগর (নওগাঁ) :

নওগাঁর রাণীনগরে চলতি মৌসুমে জমিতে পানি সেচ না দিয়ে আলু ক্ষেত নষ্টের অভিযোগ ওঠেছে গভীর নলকূপ অপারেটর মোজাম্মেল মোল্লার বিরুদ্ধে। এঘটনায় ভুক্তভোগী কৃষক উপজেলা সেচ কমিটি এবং বিএমডিএ বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থার মাধ্যমে সু-বিচার দাবি করেছেন কৃষক এনামুল হক।

উপজেলার কালীগ্রাম ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের ইসমাইল হোসেনের ছেলে কৃষক এনামুল হক অভিযোগ করে বলেন,চলতি মৌসুমে গ্রামের পশ্চিম মাঠে বিএমডিএর গভীর নলকূপের আওতায় প্রায় সাড়ে ১৬শতক জমিতে আলু রোপন করেছেন। জমিতে আলু রোপনের পর থেকে একই মাঠে সকল কৃষকের জমিতে পানি সেচ দিলেও আমার জমিতে এক ফোটা পানিও সেচ দেয়নি গভীর নলকূপের অপারেটর একই গ্রামের মোজাম্মেল মোল্লা। এতে পানির অভাবে ক্ষেতের ফসল নষ্ট হয়ে গেছে। তিনি আরো জানান,জমিতে পানি সেচ না দেয়ায় স্থানীয় মেম্বার ও গন্যমান্য লোকজন নিয়ে বসেছিলাম। সেখানে পানি সেচের জন্য ১৫শত টাকা মিটমাট হলেও পরে আর পানি দেয়নি। ফলে ক্ষেতের ফসল নষ্ট হয়ে গেছে। তিনি জানান,পারিবারিক দ্ব›েদ্বর জ্বের ধরে জমিতে পানি সেচ দেয়নি। বাধ্য হয়ে সু-বিচার পেতে রোববার বিকেলে উপজেলা সেচ কমিটির সভাপতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং বিএমডিএ বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি।

স্থানীয় মেম্বার হেলাল উদ্দীন বলেন,আমরা বিষয়টি নিয়ে বসে সমাধান করেছিলাম। কিন্তু উভয় পক্ষের জিদের কারনে পরে আবারো তা ভেস্তে গেছে।

এব্যাপারে গভীর নলকূপের অপারেটর মোজাম্মেল হকের সাথে যোগাযোগ করতে তাকে না পাওয়ায় মোজাম্মেলের ছেলে আব্দুল মমিন মোল্লা বলেন,ধানের জমিতে পানি সেচ দিয়ে গত দুই বছরেও এনামুল কোন টাকা দেয়নি। তার জমিতে পানি সেচ ও জমিতে চাষ বাবদ ৩হাজার  ৩০০টাকা পাওনা রয়েছি আমরা। টাকা চাইলে নানানভাবে টালবাহনা করে। ফলে আমরা জমিতে পানি সেচ দিইনি।

রাণীনগর উপজেলা বিএমডিএর সহকারী প্রকৌশলী ইমানুর রহমান বলেন,এব্যপারে খোঁজ খবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

উপজেলা সেচ কমিটির সভাপতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে তাবাসসুম বলেন,লিখিত অভিযোগের বিষয়টি দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।


আরও খবর



রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ঘিরে নতুন ষড়যন্ত্র

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ |

Image

সম্প্রতি মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির (এএ) কাছে শোচনীয় পরাজয়ের পর থেমে নেই জান্তা সরকার। রাখাইনের সংখ্যাগরিষ্ঠ রোহিঙ্গা জাতিগোষ্ঠী ও আরাকান আর্মির বিরুদ্ধে বিদ্বেষ ছড়ানোর পাশাপাশি নতুন ষড়যন্ত্র শুরু করেছে এই জান্তা সরকার। সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় জাতিগত বিদ্বেষ ছড়ানো হচ্ছে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ইরাবতীর প্রতিবেদনে এমনটি বলা হয়েছে।

মিয়ানমার বর্তমানে নজিরবিহীন জাতিগত বৈষম্য ও নিপীড়নে জর্জরিত। দেশটিতে সামরিক অভ্যুত্থানের তিন বছরের মাথায় সম্প্রতি দেশটির জান্তা সরকার ইতিহাসের সবচেয়ে বড় সশস্ত্র প্রতিরোধের মুখে পড়েছে। তিনটি বিদ্রোহী গোষ্ঠীর জোট থ্রি ব্রাদারহুড অ্যালায়েন্সের যোদ্ধাদের তীব্র আক্রমণে দিশেহারা জান্তা বাহিনী। বিদ্রোহী জোটের অন্যতম সদস্য আরাকান আর্মি (এএ) এই মুর্হূর্তে রাখাইন রাজ্যের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিতে লড়াই অব্যাহত রেখেছে।

এই রাজ্যে আরাকান আর্মির কাছে বিপর্যয়কর পরাজয়ের শিকার হয়েছে জান্তা সেনারা। বিষয়টি সহজে মেনে নিতে পারছে না তারা। আর এই কারণেই তারা জাতিগত রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে নতুন ষড়যন্ত্র শুরু করে। মিয়ানমারের পুরানো রাজধানী শহর ইয়াঙ্গুন ও অন্যতম বড় শহর মান্দালয়সহ একাধিক শহরে জাতিগত রোহিঙ্গাবিরোধী পোস্টার, ব্যানার ও লিফলেট বিলি করা হচ্ছে। এসব পোস্টার ও লিফলেটের মাধ্যমে জাতিগত রোহিঙ্গাদের বয়কটের আহ্বান জানানো হচ্ছে। রোহিঙ্গা মালিকানাধীন দোকানপাট, হোটেল-রেস্তোঁরায় না যেতে বলা হচ্ছে। শুধু তাই নয়, এইসব শহরে যেসব জাতিগত রোহিঙ্গা বসবাস করেন তাদেরকে তাদের নিজ রাজ্য রাখাইনে ফিরে যেতে বলা হচ্ছে।

স্থানীয় অধিবাসীদের বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারি) থেকে ইয়াঙ্গুন ও মান্দালয়ের মতো শহরগুলোতে জাতিগত রোহিঙ্গা মালিকানাধীন দোকান ও রেস্তোঁরার সাইনবোর্ডে বা রাস্তার ল্যাম্পপোস্ট ও বৈদ্যুতিক খুঁটিতে পোস্টার দেখা যায়। ইয়াঙ্গুনে একটি ল্যাম্পপোস্টে লাগানো একটি পোস্টারে বলা হয়েছে, সন্ত্রাসী আরাকান আর্মিকে (এএ) নিন্দা জানাতে রাখাইনের রোহিঙ্গা মালিকানাধীন যেকোনো ব্যবসা-প্রতিষ্ঠান এড়িয়ে চলুন।

বহু জাতিগোষ্ঠীর দেশ মিয়ানমার। দেশটিতে কমবেশি ১৩৫টি নৃতাত্ত্বিক গোষ্ঠী বা জাতির বসবাস। এরমধ্যে প্রধান নৃতাত্ত্বিক গোষ্ঠী বামার। অন্য জাতিগোষ্ঠীগুলোর মধ্যে শান, কারেন, মন, ওয়া ও রাখাইন বা রোহিঙ্গা উল্লেখযোগ্য। বামাররা বার্মান বা বর্মী নামেও পরিচিত।

আদমশুমারিতে বর্মীদের সংখ্যা মোট জনগোষ্ঠীর ৬৮ শতাংশ বলে দেখানো হয়। অন্যান্য জনগোষ্ঠী আরও ৩২ ভাগ। শাসকদল আর সেনাবাহিনীতেও বর্মীদের সংখ্যা ও প্রভাব সবচেয়ে বেশি। সেই প্রভাব ধরে রাখার লক্ষ্যেই অন্যান্য বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর ওপর নিপীড়ন ও নিধন চালানো হয়। আর এ দমনপীড়নের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো থেকেই শুরু জাতিগত সংঘাত।

অন্যান্য জাতিগত গোষ্ঠীগুলোর ওপর নিয়ন্ত্রণ ফিরে পেতে প্রায়ই জাতিগত বিদ্বেষ ছড়ানোর কৌশল বেছে নেয় সংখ্যাগুরু শাসকগোষ্ঠী। মিয়ানমারে গণতন্ত্র চর্চার সুযোগ কমায় সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জাতিগত বিদ্বেষ ব্যাপকভাবে বিস্তার লাভ করেছে। যার প্রেক্ষিতে ২০১৭ সালে রোহিঙ্গা গণহত্যা সংঘটিত হয় এবং ১০ লাখের বেশি রোহিঙ্গা বাস্তুচ্যুত হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়। দেশটিতে জাতিগত বিদ্বেষকে রীতিমতো প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেয়া হয়েছে। শুধু সেনাশাসকরাই নয়, বেসামরিক গণতান্ত্রিক সরকারের আমলেও জাতিগত বিদ্বেষ সব মাত্রাকে ছাড়িয়ে যায়। যা বিভিন্ন সময় জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থার প্রতিবেদনে ভয়াবহ উদ্বেগ হিসেবে উঠে এসেছে।

সম্প্রতি জাতিসংঘের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাঠ্যপুস্তকে বর্ণবাদী ও জাতিগত বিদ্বেষ ছড়ানো হচ্ছে। এর জন্য গণতন্ত্রকামী নেত্রী ও শান্তিতে নোবেল বিজয়ী নেত্রী অং সান সুচিকেও দায়ী করা হয়। ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে সু চির সরকারকে অভ্যুত্থানের মাধ্যমে উৎখাত করে রাষ্ট্র ক্ষমতা কুক্ষিগত করে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী। এরপর গণতন্ত্রকামী বিক্ষোভকারীদের নির্মমভাবে দমন করা হয়। শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভে ভয়াবহ বলপ্রয়োগ ও দমন-নিপীড়নের ঘটনায় হাতে অস্ত্র তুলে নেন গণতন্ত্রকামীরা। গড়ে তোলেন সশস্ত্র প্রতিরোধ।


আরও খবর

কাদের-চুন্নুকে পদ থেকে সরানো হয়েছে

শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪

তিন মাস পর কারামুক্ত মির্জা আব্বাস

সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




সরকার গঠনে নওয়াজ-জারদারি বৈঠক

প্রকাশিত:শনিবার ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ |

Image

পাকিস্তানের পার্লামেন্ট নির্বাচনে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ পার্টি (পিটিআই) সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থীরা এগিয়ে রয়েছে। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে আরেক সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের দল পাকিস্তান মুসলিম লিগ-নওয়াজ (পিএমএল-এন)।

তবে পিটিআই দল হিসেবে নির্বাচনে অংশ না নেয়ায় সরকার গঠনে তোড়জোর চালাচ্ছেন নওয়াজ শরিফ। এ জন্য তিনি তৃতীয় অবস্থানে থাকা পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) সঙ্গে শুক্রবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাতেই বৈঠক করেছেন তিনি।

এরআগে, সন্ধ্যায় পিটিআই সমর্থিত স্বতন্ত্রদের চেয়ে পিছিয়ে থেকেও বিজয় ভাষণ দেন নওয়াজ। লাহোরে পিএমএল-এনের কেন্দ্রীয় অফিস থেকে দেয়া বিজয় ভাষণে তিনি বলেন, জাতীয় পরিষদের নির্বাচনে পিএমএল-এন সবচেয়ে বড় দল হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। পিএমএল-এন পাকিস্তানকে সংকট থেকে উদ্ধার করেছে দাবি করে সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভবিষ্যতেও তার দল দেশের উন্নয়নে কাজ করে যাবে।

তবে ভাষণে পিএমএল-এন নেতা স্বীকার করেন সরকার গঠনের জন্য তার দল প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে না। জোট সরকার গঠনের জন্য অন্যান্য রাজনৈতিক দলের সঙ্গে খুব শিগগিরই আলোচনা শুরু করবেন বলেও জানান তিনি।

এরপরই খবর আসে পিপিপির কো-চেয়ারর‌্যান আসিফ আলী জারদারির সঙ্গে বৈঠক করেছেন নওয়াজ শরিফ। পিপিপির সূত্রের বরাত দিয়ে ডনের প্রতিবেদনে বলা হয়, লাহোর দুই নেতার মধ্যে এই বৈঠক হয়েছে।

তবে বৈঠকে আর কারা উপস্থিত ছিলেন বা কী আলোচনা হয়েছে, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে সরকার গঠনের প্রক্রিয়া নিয়েই আলোচনা হয়েছে বলে ধারণা করা হয়।

২০২২ সালে অনাস্থা ভোটের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে ক্ষমতা থেকে সরাতে পিপিপি ও পিএমএল-এন একসঙ্গে জোট করেছিল।

আল জাজিরার তথ্য বলছে, ২৬৬টি আসনের মধ্যে ২৫০টি আসনের ফলাফল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন।

এরমধ্যে পিটিআইয়ের স্বতন্ত্র প্রার্থীরা পেয়েছেন ৯৯টি আসন। আর নওয়াজ শরীফের মুসলিম লীগ-এন (পিএমএলএন) জয় পেয়েছে ৭১টি আসনে। বিলাওয়াল ভুট্টোর পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি) পেয়েছে ৫৩টি আসন।

এছাড়া অন্যান্য দল এবং স্বতন্ত্ররা পেয়েছে ২৭টি আসন। একটি আসনের ফলাফল স্থগিত করা হয়েছে। ফলাফল ঘোষণার বাকি আরও ১৫ আসনের।

পিটিআই সমর্থিত স্বতন্ত্ররা কী করবেন

বিশ্লেষকরা বলছেন, তাত্ত্বিকভাবে সংসদ সদস্যরা দলমত নির্বিশেষে সরকার গঠন করতে সক্ষম। পিটিআই যেহেতু দলীয়ভাবে নির্বাচনে অংশ নিতে পারেনি, সেক্ষেত্রে দলটির সমর্থিত প্রার্থীরা অন্য কোনো দলে যোগদান না করেও নিজেরা সংসদীয় স্বাধীনতা বজায় রাখার পথ বেছে নিতে পারেন।

সেক্ষেত্রে এটা তাদের সরকার গঠনের সুযোগ করে দিতে পারে। যদি তারা সরকার গঠনে প্রয়োজনীয় আসন তথা ম্যাজিক ফিগার পূরণ করতে পারেন। অর্থাৎ ২৬৬ আসনের মধ্যে ১৩৪টি আসন পেতে হবে। শেষ পর্যন্ত সেটাই যদি ঘটে, তাহলেও তা হবে অত্যন্ত দুর্বল একটা সরকার। কারণ স্বতন্ত্র সাংসদ যেকোনো মুহূর্তে ক্ষমতাসীন জোটকে পরিত্যাগ করতে পারেন। যার ফলে ভেঙে যেতে পারে সরকার।

স্বতন্ত্র থাকার আরেকটি অসুবিধা হলো ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলিতে সংরক্ষিত আসনের যে কোটা রয়েছে তা থেকে বঞ্চিত হবেন। ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলিতে নারী ও সংখ্যালঘু মিলিয়ে ৭০টি সংরক্ষিত আসন রয়েছে। এর মধ্যে ৬০টি আসন নারীদের জন্য এবং ১০টি সংখ্যালঘুদের জন্য বরাদ্দ। যে দল সরকার গঠন করবে তাদের প্রাপ্ত আসনের অনুপাতে এগুলো বণ্টন করা হয়।

পিটিআই দল হিসেবে নির্বাচনের সুযোগ না পাওয়ায় দলটির সমর্থিত প্রার্থীরা সবচেয়ে বেশি আসন পেলেও সংরক্ষিত আসনের এই কোটার সুবিধা পাবে না। এ অবস্থায় পিটিআই সমর্থিত স্বতন্ত্ররা কী সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছেন, তার জন্য আরও ৭২ ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হবে বলছেন সংশ্লিষ্টরা।


আরও খবর

অনুমতি ছাড়া হজ করলে শাস্তি ঘোষণা

শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪




গত বছরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৬৫২৪

প্রকাশিত:শনিবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

২০২৩ সালে দেশের বিভিন্নস্থানে ৬ হাজার ৯১১টি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এসব দুর্ঘটনায় ৬ হাজার ৫২৪ জন নিহত এবং ১১ হাজার ৪০৭ জন আহত হয়েছেন বলে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন।

সড়ক দুর্ঘটনার প্রতিবেদন উপস্থাপন করে এই তথ্য জানান রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. এ আই মাহবুব উদ্দিন আহমেদ।

রাজধানী ধানমন্ডির রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের কার্যালয়ে ২০২৩ সালের সড়ক দুর্ঘটনার বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশ ও পর্যালোচনা বিষয়ক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়।

রোড সেফটি ফাউন্ডেশন এবং কানাডা রিচার্স ইন্টারন্যাশনাল যৌথ ভাবে প্রতিবেদনটি প্রকাশ করে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, এসব দুর্ঘটনায় নিহতের মধ্যে নারী ৯৭৪ জন, শিশু ১ হাজার ১২৮। এছাড়া ২ হাজার ৫৩২টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ২ হাজার ৪৮৭ জন, যা মোট নিহতের ৩৮ দশমিক ১২ শতাংশ। মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার হার ৩৬ দশমিক ৬৩ শতাংশ। দুর্ঘটনায় ১ হাজার ৪৫২ জন পথচারী নিহত হয়েছেন, যা মোট নিহতের ২২ দশমিক ২৫ শতাংশ। যানবাহনের চালক ও সহকারী নিহত হয়েছেন ৯৪২ জন, অর্থাৎ ১৪ দশমিক ৪৩ শতাংশ।

একই সময়ে ১০৭টি নৌ-দুর্ঘটনায় ১৪৮ জন নিহত, ৭২ জন আহত এবং ৪৬ জন নিখোঁজ রয়েছেন বলেও জানানো হয়।

এছাড়া প্রতিবেদন প্রকাশ করে মাহবুব উদ্দিন আহমেদ বলেন, বিদায়ী বছরে ২৮৭টি রেলপথ দুর্ঘটনায় ৩১৮ জন নিহত এবং ২৯৬ জন আহত হয়েছেন।

রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণ বলছে, দুর্ঘটনাগুলোর মধ্যে ২৩৭৩টি মহাসড়কে, ২৮৮৭টি আঞ্চলিক সড়কে, ৯৯৪ টি গ্রামীণ সড়কে, ৫৮৩টি, শহরের সড়কে এবং অন্যান্য স্থানে ৭৪টি দুর্ঘটনা সংঘটিত হয়েছে।

ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি ঘটেছে। ১ হাজার ৯৬৭টি দুর্ঘটনায় ১ হাজার ৬৯৪ জন নিহত হয়েছেন। সিলেট বিভাগে সবচেয়ে কম ৩৪৭টি দুর্ঘটনায় ৩৮৮ জন নিহত হয়েছেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়, গত বছরে ৮১টি রেল ক্রসিং দুর্ঘটনায় ১০৭ জন নিহত এবং ৬৩ জন আহত হয়েছেন। এছাড়া রেল ট্র্যাকে ট্রেনে কাটা পড়ে ২০৬টি দুর্ঘটনায় ২১১ জন নিহত হয়েছেন। (মোট ২৮৭টি রেলস্থ দুর্ঘটনায় ৩১৮ জন নিহত এবং ২৯৬ জন আহত হয়েছেন)।

২০২৩ সালে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা ঘটেছে ২৫৩২টি, নিহত হয়েছেন ২৪৮৭ জন এবং আহত ১৯৪৩ জন। নিহতদের মধ্যে ১৯০৯ জন (৭৫ দশমিক ৩৯ শতাংশ) ১৪ থেকে ৪৫ বছর বয়সী।

এসময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন, সংগঠনের ভাইস চেয়ারম্যান ও লিগ্যাল ইকোনোমিস্ট মোহাম্মদ শাহজাহান সিদ্দিকী, ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক হাসিনা বেগম, ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ রাশেদ খান, জয়েন্ট সেক্রেটারী ড. জাহিদুল ইসলাম, গণপরিবহন বিশেষজ্ঞ সৈয়দ জাহাঙ্গীর, বুয়েট এক্সিডেন্ট রিসার্চ ইনস্টিটিউটের সহকারী অধ্যাপক ড. শাহনেওয়াজ রাব্বি, 


আরও খবর



নোবিপ্রবিতে সিএসটিই এলামনাই এসোসিয়েশনের নতুন কমিটি গঠন

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

মোঃ সিনান তালুকদার নোবিপ্রবি প্রতিনিধি :

গত ২২ফেব্রুয়ারি হয়ে গেলো নোবিপ্রবির সিএসটিই বিভাগের এলামনাই এসোসিয়েশন এর নতুন কমিটি গঠনের কাজ।

এতে সভাপতি হয়েছেন আদনান আহমেদ হাসান এবং সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন আব্দুল আহাদ। সাধারণ সম্পাদক জানান,

"আমাদের মূল লক্ষ্য হলো সকলের মতামত এবং পরামর্শের মাধ্যমে এসোসিয়েশনটি পরিচালন, এবং একটি স্মার্ট এসোসিয়েশন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা।

এছাড়াও তিনি জানান, ডিপার্টমেন্টের শিক্ষকবৃন্দ, পূর্ব এবং বর্তমান শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংযোগ তৈরি করা, বর্তমান শিক্ষার্থীদের দেশের আইটি ইন্ডাস্ট্রিতে এন্ট্রি পয়েন্টে সহযোগিতা করা, এলুমনাইদের পরিচিতি বাড়ানো, এসোসিয়েশনটির ব্রান্ডিং করা, ডিজিটালাইজেশন ইনিশিয়েটিভ (ওয়েবসাইট, ইমেইল, ইত্যাদি) বাস্তবায়ন করা, এলুমনাই সদস্য বাড়ানো, বার্ষিক মিটআপ এবং নেটওয়ার্কিং বৃদ্ধি করা ইত্যাদিতে  কাজ করে যাবে এই এলামনাই এসোসিয়েশন।

উল্লেখ্য,সিএসটিই হলো  প্রতিষ্ঠাকালীন বিভাগ এবং বর্তমানে এর ১৮তম ব্যাচ চলছে।


আরও খবর