Logo
শিরোনাম

সৃজিত-মিথিলার সংসার ভাঙনের গুঞ্জন

প্রকাশিত:সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

অভিনেত্রী রাফিয়াত রশিদ মিথিলা এবং ওপার বাংলার নির্মাতা সৃজিত মুখার্জির সংসারে বিচ্ছেদের গুঞ্জন চাউর হয়েছে। সম্প্রতি তাদের আলাদা আলাদা দুটি স্ট্যাটাস ঘিরে দেখা দিয়েছে নানা জল্পনা। তবে কী ভেঙে যাচ্ছে সৃজিত-মিথিলার সংসার? এমন প্রশ্ন অনুরাগীদের মধ্যে।

জোয়ান বায়েজের লেখা 'ফেয়ারওয়েল অ্যাঞ্জেলিনা' গানের লাইন কোড করেছেন সৃজিত। একই সাথে সৈকতে ডালপালাহীন এক গাছে ভর করে দাঁড়িয়ে সমুদ্রের দিকে তাকিয়ে, পোস্ট করেছেন একটি ছবি। যা দুঃখ, বিচ্ছেদে আর একাকিত্বকেই প্রকাশ করে। সৃজিতের পোস্টের পর শনিবার প্রায় একই সময়ে নিজের কিছু ছবি পোস্ট করেন অভিনেত্রী মিথিলা। সেখানেও ভাঙনের সুর। প্রায় একই সময়ে এই দুই বিচ্ছেদের পোস্ট ঘিরে তৈরি হয়েছে জল্পনা। কেন এই হেয়ালি তারকা দম্পতির! এর আগেও বেশ কয়েকবার সৃজিতের সঙ্গে মিথিলার সম্পর্কে বিচ্ছেদের গুঞ্জন উঠেছিল। 


আরও খবর

মঞ্চ মাতালেন নোরা ফাতেহি

শনিবার ১৯ নভেম্বর ২০২২




বিএনপির আন্দোলনের পতন ঘটবে ১০ ডিসেম্বর

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৪ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

রোকসানা মনোয়ার :  ১০ ডিসেম্বর রাজধানীর মহাসমাবেশ থেকে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের ঘণ্টাধ্বনি বাজানো হবে যে হুঁশিয়ারি বিএনপি নেতারা দিচ্ছেন তাকে পাত্তাই দিচ্ছেন না আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। উল্টো সেদিন বিএনপির আন্দোলনের পতন ঘণ্টা বাজবে বলে জানান তিনি।

বাংলাদেশের রাজনীতির সবচেয়ে আলোচিত বিষয় হয়ে উঠেছে আগামী ১০ ডিসেম্বর। কয়েক সপ্তাহ ধরে বিভিন্ন পর্যায়ে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে। আলোচনার সূত্রপাত হয়েছিল বিএনপি নেতা আমান উল্লাহ আমানের এক বক্তব্যকে ঘিরে।

কিছুদিন আগে এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেছিলেন, ১০ ডিসেম্বরের পরে বাংলাদেশের সব কিছু পরিচালিত হবে খালেদা জিয়ার কথায়। একইসঙ্গে বিএনপির পক্ষ থেকে বিভিন্ন ধরনের বক্তব্য দেওয়া হচ্ছে। তাদের কোনো কোনো নেতা বলছেন যে, তাদের নেতা তারেক রহমান দেশে ফিরবেন।

বিএনপি নেতাদের এমন বক্তব্যকে ঘিরে অনেকের মধ্যে যে প্রশ্নটি ঘুরপাক খাচ্ছে তা হলো আগামী ১০ ডিসেম্বর কিংবা তার পরবর্তী সময়ে দেশে কি কোনো ঘটনা ঘটতে চলেছে?

শুক্রবার ঢাকায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে ১০ ডিসেম্বর নিয়ে বিএনপির নেতাদের বক্তব্যকে পাত্তা না দিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ১০ ডিসেম্বর বিএনপির আন্দোলনের পতন ঘণ্টা বাজবে।

অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনাকে টার্গেট করে যারা ১৫ আগস্ট ঘটিয়েছে তাদের চেয়ে আর কেউ প্রতিহিংসাপরায়ণ নেই বলে মন্তব্য করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।

চতুর্থ শিল্প বিপ্লব উপলক্ষে ৪ ও ৫ নভেম্বর রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশে (আইইবি) এই সম্মেলনের আয়োজন করেছে আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপ-কমিটি।


আরও খবর



ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন: উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জনসমুদ্র

প্রকাশিত:শনিবার ২৯ অক্টোবর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

সদরুল আইন 

         দীর্ঘ আট বছর পর ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে আজ। বেলা ২টা ২৫ মিনিটে দলীয় পতাকা ও বেলুন উড়িয়ে সম্মেলন উদ্বোধন করা হয়।

রাজধানীর আগারগাঁওয়ের শেরেবাংলা নগরে বাণিজ্য মেলার পুরাতন মাঠে দলটির নেতাকর্মীদের ঢল দেখা গেছে। সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান রীতিমত জনসমুদ্রে রূপ নেয়।

দোহার, সাভার, ধামরাই, নবাবগঞ্জ ও কেরানীগঞ্জ উপজেলা নিয়ে ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের ইউনিট গঠিত। দলীয় প্রতীক নৌকার আদলে তৈরি মঞ্চকে ঘিরে সকাল থেকেই খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে সমবেত হতে থাকেন নেতাকর্মী ও সমর্থকরা। এসেছেন জেলার শীর্ষ পর্যায়ের নেতারাও।

সম্মেলনের উদ্বোধন করেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলির সদস্য অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম এমপি। প্রধান অতিথি হিসেবে দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের যোগ দেন।

২০১৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে অনুষ্ঠিত হয়েছিল ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন।


আরও খবর



নওগাঁর সাপাহারে ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলা অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টারঃ 


"উদ্ভাবনী জয়োল্লাসে স্মার্ট বাংলাদেশ" প্রতিপাদ্য বিষয়কে সামনে রেখে নওগাঁর সাপাহারে ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার ১৪ নভেম্বর সকাল সাড়ে ৯ টায় উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলা এবং উদ্ভাবনী অলিম্পিয়াড উপলক্ষে উপজেলা পরিষদ চত্তর হতে একটি র‍্যালি বের হয়ে উপজেলা সদরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। র‍্যালি শেষে ফিতা কেটে মেলার উদ্বোধন ঘোষনা করা হয়। মেলা উদ্বোধনের পর মেলার মাঠে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের অংশ গ্রহণে কুইজ প্রতিযোগিতা ও পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়। পরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুল্যাহ আল মামুনের সভাপতিত্বে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উক্ত মেলায় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সরকারি দপ্তরের ২০ টি স্টল তাদের ডিজিটাল উদ্ভাবনী বিষয়গুলো প্রদর্শন করেন। পরে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে দিন ব্যাপী মেলার 

সমাপ্তি করা হয়। এসময়ে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শাহজাহান হোসেন মন্ডল, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসার ডাঃ রুহুল আমিন,মৎস্য কর্মকর্তা রোজিনা পারভীন,কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মুনিরুজ্জামান টকি, থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হুমায়ান কবীর, এলজিইডি প্রকৌশলী তাহাজ্জদ হোসেন, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা কামরুজ্জামান, প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ গোলাম রাব্বানী,সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা ওমর আলী মোল্লা সহ সরকারি দপ্তরের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



বিদ্যালয়ের জমি বিক্রয়সহ নানা অনিয়মের অভিযোগ প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে

প্রকাশিত:বুধবার ০২ নভেম্বর 2০২2 | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ 

ফুলগাছ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাহজাহান আলীর বিরুদ্ধে প্রতিষ্ঠানের জমি বিক্রয় করে অর্থ আত্মসাত, দ্বায়িত্বে অবহেলা সহ নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এছাড়াও তার নিকট তথ্য অধিকার আইন অনুযায়ী তথ্য জানতে চাইলেও তিনি তথ্য দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন।

লালমনিরহাট সদর উপজেলার, ১ নং মোগলহাট ইউনিয়ন পরিষদের ৮ নং ওয়ার্ডে অবস্থিত ফুলগাছ উচ্চ বিদ্যালয়টি। যা ১৯৯৪ সালে স্থাপিত হয়। এ সময় ফুলগাছ এলাকার বাসিন্দা মোঃ জালাল উদ্দিন বিদ্যালয়ের নামে ১১০ শতক জমি কবলা করে দেন। অভিযোগকারীর তথ্য মতে মোঃ জালাল উদ্দিন ১১০ শতক ও মোঃ জহির উদ্দিন ৪০ শতক জমি প্রতিষ্ঠানের নামে কবলা করে দেন। এতে মোট ১৫০ শতক জমি ফুলগাছ উচ্চ বিদ্যালয় ১৯৯৭ সালে ফুলগাছ নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নামে খারিজ করেন।

জানা যায় , ফুলগাছ উচ্চ বিদ্যালয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি ১৯৯৯ সালে নিম্ন মাধ্যমিক ও ২০০১ সালে মাধ্যমিক শাখা এমপিও হয়। প্রতিষ্ঠাকালীন প্রধান শিক্ষক হিসেবে দ্বয়িত্ব পালন করেন মোঃ শাহজাহান আলী। সূচনা লগ্ন থেকেই প্রতিষ্ঠানকে নিজস্ব সম্পত্তি মনে করে আসছেন প্রধান শিক্ষক শাহজাহান আলী। তিনি নিজের ইচ্ছেমত সকল কাজ করে আসছেন বলেও বিভিন্ন জনের নিকট তথ্য পাওয়া যায়। তারই ধারাবাহিকতায় বিদ্যালয়ের ১১০ শতক জমি বিক্রয় করে সমুদয় অর্থ আত্মসাত করেন প্রধান শিক্ষক শাহজাহান আলী। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় বিদ্যালয়ের নিজস্ব জমিতে বর্তমানে মুরগীর খামার রয়েছে। 

এবিষয়ে প্রধান শিক্ষকের সাথে সাক্ষাত করতে ৪ (চার) দিন স্বশরীরে বিদ্যালয়ে গেলেও তার দেখা পাওয়া যায়নি। বিভিন্ন অজুহাতে তিনি বিদ্যালয়ে থাকেন না। অবশেষে তার বিদ্যালয়ের দ্বায়িত্ব ছেড়ে তিনি বাড়িতে অবস্থানের কারন জানতে চাইলে সহকারি প্রধান শিক্ষক শফিকুল ইসলাম শফি ও সহকারি শিক্ষক দীনেশ চন্দ্র জানান তিনি বাড়িতে বসে বোর্ডের খাতা মূল্যায়ন করতে বাসায় আছেন। সহকারি দীনেশ চন্দ্র আরও বলেন আমরাই প্রধান শিক্ষকের দ্বায়িত্ব পালন করি। তার বিদ্যালয়ে অবস্থান করা নিয়ে জানতে চাইলে স্থানীয় লোকজন জানান তিনি প্রতিদিনই দুপুর ১২ টা বা ১ টা বাজলেই বাড়িতে চলে যান আর আসেন না। মোবাইলে তার নিকট তথ্য জানতে চাইলে তিনি ব্যস্ত আছেন বলে ফোন কেটে দেন। 

বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি হাবিবুর রহমান হাবিবের নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, জমি বিক্রয়ের বিষয়টি আমার জানা নেই। আমি বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নিবো।

জেলা শিক্ষা অফিসার জনাব আব্দুল বারি- এর নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, জমি বিক্রয়ের বিষয়ে আমার নিকট তথ্যএসেছে, অচিরেই আমি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।


আরও খবর



বাড়তি চালের দাম

প্রকাশিত:রবিবার ২০ নভেম্বর ২০22 | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

রোকসানা মনোয়ার : পাইকারি ও খুচরা বাজারসহ কোথাও চালের ঘাটতি নেই। সরবরাহ স্বাভাবিক আছে, দুর্ভিক্ষ হওয়ারও কোনো আশঙ্কা নেই এরপরও বিভিন্ন অজুহাতে বাড়ছে চালের দাম। ব্যবসায়ীরা বলছেন, সংকটের খবরে হঠাৎ প্রয়োজনের অতিরিক্ত চাল ক্রয়, করপোরেট কোম্পানিগুলোর বাজার থেকে চাল ক্রয় এবং উৎপাদন খরচ বেশি এই তিন অজুহাতে বাড়ছে নিত্যপণ্যের দাম। ফলে সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস উঠছে।

এক সপ্তাহ আগেও খুচরা বাজারে জাত ও মানভেদে প্রতি কেজি মিনিকেট চাল ৬৫ থেকে ৭২ টাকা, নাজিরশাইল চাল ৬৫ থেকে ৭৮ টাকা, মাঝারি মানের বিআর আটাশ চাল ৫২ থেকে ৫৬ টাকা, মোটা চাল স্বর্ণা ৪৬ টাকা এবং হাইব্রিড ৪৬ টাকা দরে বিক্রি হয়েছিল। পাইকারি বাজারে চিকন চাল প্রতি কেজি মিনিকেট মানভেদে বিক্রি হচ্ছে ৬৮ থেকে ৭০ টাকা। ৫০ কেজির বস্তা ৩৪০০ থেকে ৩৫৫০ টাকা, যা এক সপ্তাহ আগে মানভেদে বিক্রি হয়েছিল ৬২ থেকে ৬৯ টাকা আর বস্তা ৩০০০ থেকে ৩৪০০ টাকা। নাজিরশাইল চাল বিক্রি হচ্ছে ৬৩ থেকে ৭৫ টাকা আর ৫০ কেজির বস্তা ৩২৫০ থেকে ৩৭৫০ টাকা, যা গত সপ্তাহে বিক্রি হয়েছিল ৬০ থেকে ৭২ টাকা, বস্তা ৩০০০ থেকে ৩১০০ টাকা। মাঝারি মানের প্রতি কেজি বিআর ২৮ নম্বর প্রতি কেজি চাল ৫৫ থেকে ৫৭ টাকা আর বস্তা ২৭৫০ থেকে ২৮৫০ টাকা, যা গত সপ্তাহে ছিল ৫৫ থেকে ৫৫ টাকা, বস্তা ২৭০০ থেকে ২৭৫০ টাকা। মোটা চাল প্রতি কেজি স্বর্ণা মানভেদে ৫০ থেকে ৫২ টাকা আর বস্তা ২৫০০ থেকে ২৬০০ টাকা, যা গত সপ্তাহে ছিল ৪৭ থেকে ৪৮ টাকা, বস্তা ২৩৫০ থেকে ২৪০০ টাকা। হাইব্রিড ধানের চাল বা সবচেয়ে মোটা চালের দাম কেজিতে ৪৬ টাকা আর বস্তা ২৩০০ টাকা, যা আগে ছিল ৪১ টাকা কেজি, বস্তা ২০৫০ টাকায় বিক্রি হতো।

সংশ্লিষ্টরা জানান, দেশের বাজারে বর্তমানে যেসব চাল সরবরাহ রয়েছে, তা বোরো মৌসুমের। বোরোর শেষ পর্যায় ও আমনও উঠতে শুরু করেছে। এরই মধ্যে বাজারে নতুন চাল আসছে। তারপরও দাম বাড়ছে হুজুগে। আগামী বছর সংকট হতে পারে সেই খবরে মানুষ প্রয়োজনের অতিরিক্ত চাল কিনছে। আমনে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। ফলে ধানের দাম বেশি। এছাড়া করপোরেট কোম্পানিগুলো বাজার থেকে চাল কিনে নিচ্ছে এবং সরকারও এ বছর ধান ও চালের দাম বেশি নির্ধারণ করে দিয়েছে, যা মানা হচ্ছে না কোথাও। কৃষকদের কাছ থেকে কম দামে ধান কিনে মজুদ করছেন মৌসুমি ব্যবসায়ীরা। তারা পরে বেশি দামে মিলমালিকদের কাছে বিক্রি করছেন। এজন্য মৌসুমি ব্যবসায়ী কমানো, করপোরেট কোম্পানিগুলোর সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে ধান কেনা, সংকটের খবর নিয়ে সবাইকে আরো সচেতন করতে প্রচার বাড়ানো এবং সরকারের মনিটরিং বাড়ানোর পরামর্শ ব্যবসায়ীদের।

সরকার এ বছর ধানের দাম বাড়িয়েছে ফলে সাধারণ কৃষক তো বেশি দামে ধান বিক্রি করছে। যদিও তাদেরও উৎপাদন খরচ বেড়েছে। এছাড়া বড় বড় করপোরেট কোম্পানিগুলো বেশি চাল কিনে নিচ্ছে। তারপর তারা আরো বেশি দামে প্যাকেটজাত করে বাজারে ছাড়ে। একই সঙ্গে সরকারের পক্ষ থেকে আগামী বছর সংকট হতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে। ফলে মানুষ হুজুগে হুমড়ি খেয়ে পড়ছে, হঠাৎ চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় দাম বেড়েছে। এজন্য করপোরেট কোম্পানিগুলোকে সরাসরি কৃষকদের থেকে ধান নিতে হবে, সরকারের মনিটরিং বাড়াতে হবে।

 দেশের কিছু জেলায় আগাম জাতীয় আমন ধান কাটা শুরু হয়েছে। আমন ধানের দাম বেশি ফলে চালেরও দাম বেশি। আগামী বছর বিশ্বে এবং দেশে খাদ্যসংকটের আশঙ্কা থেকে অনেকেই বেশি পরিমাণে চাল কিনে রাখছেন বলে জানা গেছে। মানুষের মধ্যে যে ভয় কাজ করছে, সেটা দূর করতে প্রচার বাড়াতে হবে, নতুন ধান যখন ওঠে তখন কিছু মৌসুমি ব্যবসায়ী বা অসাধু ব্যবসায়ী দেখা যায়, তাদের কমাতে হবে এবং সরকারের আরো নজরদারি বাড়াতে হবে। তাহলে বাজার কিছুটা নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

এদিকে, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, দেশে সারা বছরে মোট চালের চাহিদা ৩ কোটি ৬০ লাখ টন। ২০২০-২১ অর্থবছরে দেশে চাল উৎপাদন হয় ৩ কোটি ৭৬ লাখ টন। আর ২০২১-২২ অর্থবছরে দেশে মোট চাল আমদানি হয় ১০ লাখ ৬৭ হাজার টন। খাদ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ৮ নভেম্বর পর্যন্ত সরকারি গুদামে চাল মজুদ রয়েছে ১৩ লাখ ৬৫ হাজার ৬৮৮ টন এবং ধান ১১ হাজার ৬৩২ টন।


আরও খবর