Logo
শিরোনাম
নেত্রকোনায় পৃথক স্থানে শিশু ও দুই নারীসহ চারজনপর মরদেহ উদ্ধার সমবায়ের মাধ্যমে চাষাবাদ করার আহ্বান পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রীর জয়পুরহাট সরকারি কলেজে কর্তৃপক্ষের শর্ত মেনে ক্যাম্পাসে প্রবেশের নির্দেশনা রাজবাড়ীতে সড়ক দূর্ঘটনায় পুলিশ সদস্যের মৃত্যু কিশোরগঞ্জের ভৈরবে ২০ কেজি গাঁজাসহ প্রাইভেটকার জব্দ সাত পৃষ্ঠার চিরকুট লিখে কলেজ ছাত্রীর আত্মহতা লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে প্রণোদনার সার-বীজ নিয়ে কর্মকর্তাদের নয়-ছয় নেত্রকোনায় হাওড়ে নৌকা ডুবে দুই নারীর মৃত্যু নেত্রকোনায় ইমাম হত্যার বিচার দাবিতে মানববন্ধন নেত্রকোনায় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের পদযাত্রা ও স্মারক লিপি প্রদান

স্থগিত ১৯ উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান হলেন যারা

প্রকাশিত:সোমবার ১০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ |

Image

বিডি টু ডে রিপোর্ট:



ঘূর্ণিঝড় রেমালের কারণে স্থগিত হওয়া ১৯ উপজেলার নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শেষে ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। 


রোববার ১৯ উপজেলার এক হাজার ১৮১ কেন্দ্রে নির্ধারিত সময়েই ভোটগ্রহণ শুরু হয়, যা চলে টানা বিকাল ৪টা পর্যন্ত। এর মধ্যে শুধু পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় ইভিএমে ভোট নেওয়া হয়েছে।


 ভোটগ্রহণ শেষে সন্ধ্যার পর থেকে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তারা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করতে থাকেন।


যারা নির্বাচিত হলেন:


মঠবাড়িয়া (পিরোজপুর): এ উপজেলায় কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক নেতা বায়জিদ আহমেদ খান চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। দোয়াত-কলম প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ৫৩ হাজার ৭৬৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মঠবাড়িয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ আনারস প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৪৯ হাজার ৬৭৮ ভোট।


পাথরঘাটা (বরগুনা): পাথরঘাটা উপজেলায় দোয়াত কলম প্রতীকে চেয়ারম্যান প্রার্থী এনামুল হোসাইন ২৩ হাজার ৯৯২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। 



বামনা (বরগুনা): বামনায় আনারস প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী মিজানুর রহমান ১৭ হাজার ৬৯৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন।



লালমোহন (ভোলা): এ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক (বহিষ্কৃত) বর্তমানে আওয়ামী লীগের সমর্থক আক্তারুজ্জামান টিটব ২৫ হাজার ৩৯৩ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন।  

তার নিকটতম প্রার্থী লালমোহন উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি আক্তার হোসেন পেয়েছেন ২৪ হাজার ৫৬৭ ভোট।


তজুমদ্দিন (ভোলা): তজুমদ্দিন উপজেলায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ফজলুল হক দেওয়ান ২৪ হাজার ২৩১ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রার্থী বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান এবং জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি মোশারেফ হোসেন দুলাল পেয়েছেন ২১ হাজার ৫১৭ ভোট।



পটুয়াখালী (সদর): পটুয়াখালীর সদরে জেলা যুবলীগের সাবেক সদস্য মো. রেজাউল করিম বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।



দুমকি (পটুয়াখালী): এ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন প্রবাসী আওয়ামী লীগ নেতা কাওসার আমিন হাওলাদার।


পাইকগাছা (খুলনা): পাইকগাছা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়েছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনন্দ মোহন বিশ্বাস।


ডুমুরিয়া (খুলনা): ডুমুরিয়ায় চেয়ারম্যান পদে পুনরায় নির্বাচিত হয়েছেন জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য গাজী এজাজ আহমেদ। 



কয়রা (খুলনা): কয়রা উপজেলায় নির্বাচিত হয়েছেন জি এম মহসীন রেজা। তিনি উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি।



গৌরনদী (বরিশাল): গৌরনদীতে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি মনির হোসেন মিয়া। কাপ-পিরিচ প্রতীক নিয়ে তিনি পেয়েছেন ৪০ হাজার ৪৪৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীউপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হারিছুর রহমান মোটরসাইকেল প্রতীক নিয়েপেয়েছেন ৩৬ হাজার ৯২৪ ভোট।


আগৈলঝাড়া (বরিশাল): আগৈলঝাড়া উপজেলায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের বহিষ্কৃত সাধারণ সম্পাদক যতীন্দ্র নাথ মিস্ত্রি। দোয়াত-কলম প্রতীক নিয়ে তিনি পেয়েছেন ২৬ হাজার ৭৫৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আগৈলঝাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আব্দুর রইচ সেরনিয়াবাত আনারস প্রতীক নিয়েপেয়েছেন ২৫ হাজার ৮৬৯ ভোট।



রাজাপুর (ঝালকাঠি): চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক জেষ্ঠ্য সহসভাপতি মিলন মাহামুদ বাচ্চু মৃধা। মোটরসাইকেল প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ২১ হাজার ৫০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আফরোজা আক্তার লাইজু, দোয়াত-কলম প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ১৬ হাজার ২০ ভোট।


কাঠালিয়া (ঝালকাঠি): এ উপজেলায় দ্বিতীয় বারের মত চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ মো. এমাদুল হক মনির। দোয়াত-কলম প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ২০ হাজার ৩৭৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কাঠালিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক আহ্বায়ক গোলাম কিবরিয়া সিকদার কাপ-পিরিচ প্রতীকে পেয়েছেন ১২ হাজার ৬৮১ ভোট।


মির্জাগঞ্জ (পটুয়াখালী): মির্জাগঞ্জ উপজেলা পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান, জেলা আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক খান মো. আবু বকর সিদ্দিকী আবারও জয়ী হয়েছেন। কাপ-পিরিচ মার্কা নিয়েতিনি পেয়েছেন ২৪ হাজার ৮৫০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী পরিষদের বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মো. জহিরুল ইসলাম ঘোড়া মার্কা নিয়েপেয়েছেন ২০ হাজার ৮৯২ ভোট।


মোংলা (বাগেরহাট): পরিষদের চেয়ারম্যান পদে উপজেলা আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ সহ সভাপতি আবু তাহের হাওলাদার নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি চিংড়ি মাছ প্রতীকে ২৭ হাজার ৯০২ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. ইকবাল হোসেন আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ১৮ হাজার ৪১৭ ভোট।


মোরেলগঞ্জ (বাগেরহাট): পরিষদের চেয়ারম্যান পদে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার, মোরেলগঞ্জ আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি মো. লিয়াকত আলী খান নির্বাচিত হয়েছেন। আনারস প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ৩৮ হাজার ৩৯৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের আহ্বায়ক মো. মোজাম্মেল হক মোজাম দোয়াত-কলম প্রতীকে ভোট পেয়েছেন ২৬ হাজার ৭২৯টি।


শরণখোলা (বাগেরহাট): পরিষদে চেয়ারম্যান পদে উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি, বর্তমান চেয়ারম্যান রায়হান উদ্দিন আকন শান্ত ফের নির্বাচিত হয়েছেন। আনারস প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ৩০ হাজার ১৯২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. আসাদুজ্জামান মিলন দোয়াত-কলম প্রতীকে পেয়েছেন ১৮ হাজার ৮১৫ ভোট।


খালিয়াজুরী (নেত্রকোণা): উপজেলা যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. শামছুজ্জামান তালুকদার চেয়ারম্যান পদে জয় পেয়েছেন। কাপ-পিরিচ প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ২০ হাজার ৬০৩ ভোট।


 তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান, ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের সাবেক মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বারের ছোট ভাই কিবরিয়া জব্বার ঘোরা প্রতীকে ভোট পেয়েছেন ১৮ হাজার ১৫ ভোট।


আরও খবর



বাতিল হতে পারে বেনজীরের পিএইচডি ডিগ্রি : ঢাবি সিনেটে প্রস্তাব

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৭ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image



সদরুল আইন:



পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদের পিএইচডি ডিগ্রি বাতিলের জন্য সিনেটে প্রস্তাব করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্যরা।


বুধবার (২৬ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এএসএম মাকসুদ কামালের নেতৃত্বে বৈঠকে সিনেটের অন্তত তিনজন সদস্য এ প্রস্তাব দেন। 



সিনেট সদস্য বলেন, বেনজীর আহমেদ ভর্তির যোগ্যতা পূরণ না করলেও বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিগ্রি পেয়েছেন।



বেনজীরের পিএইচডি ডিগ্রি নিয়ে সম্প্রতি দৈনিক প্রথম আলোতে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।


প্রতিবেদনে বলা হয়, বেনজীর আহমেদ ২০১৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করেন। ডিগ্রি পাওয়ার পর তিনি তার নামের শুরুতে ‘ড.’ ব্যবহার শুরু করেন। 


তবে বেনজীরের পিএইচডি প্রোগ্রামে ভর্তি হওয়ার যোগ্যতা ছিল না। তাকে ভর্তির জন্য অনিয়ম করে যোগ্যতার শর্ত শিথিল করা হয়েছিল।



বেনজীর বিজনেস স্টাডিজ অনুষদ থেকে ডক্টর অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (ডিবিএ) ডিগ্রি অর্জন করেন। এই প্রোগ্রামে ভর্তির জন্য প্রয়োজন স্নাতক ডিগ্রি। 



এই প্রোগ্রামে ভর্তি হওয়ার জন্য প্রতিটি পাবলিক পরীক্ষায় কমপক্ষে ৫০ শতাংশ নম্বর থাকতে হবে, যা বেনজীরের ছিল না।


সিনেট সদস্য রণজিৎ কুমার সাহা, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম ওয়াহিদুজ্জামান, অধ্যাপক এবিএম ওবায়দুল ইসলাম বেনজীরের ডিগ্রি বাতিলের প্রস্তাব করেন।






আরও খবর



মশার উপদ্রবে অতিষ্ঠ গরবাসী

প্রকাশিত:বুধবার ০৩ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ |

Image

রাজধানীতে ফের বেড়েছে মশার উপদ্রব। দিনে রাতে সর্বত্র মশার দাপটে অতিষ্ঠ নগরবাসী। বাসাবাড়ি, অফিস আদালত, রেস্টুরেন্ট, গণপরিবহণসহ মশার উৎপাত সহ্য করতে হচ্ছে নাগরিকদের। এমনকি গণভবনেও মশার উৎপাত বেড়েছে বলে জানিয়েছেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মশক নিয়ন্ত্রণে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন নানা পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানালেও এর সুফল পাচ্ছে না নগরবাসী।

মশার উৎপাত বৃদ্ধির কারণ হিসেবে দুই সিটি করপোরেশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, দুই সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকেই খাল পরিষ্কারের কাজ করা হচ্ছে। এতে ময়লা-আবর্জনাতে জন্ম নেওয়া মশা উড়ে বাসাবাড়িতে চলে যাচ্ছে। শীতকালীন সময়ে দেশের খাল ও জলাশয়গুলো শুকনা থাকে। বিশেষ করে কচুরিপানা ও পানিতে ভাসমান বিভিন্ন ময়লা-আবর্জনা থাকা মশাগুলো সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েছে বলে দাবি করছেন তারা। তাছাড়া এ সময়ে প্রাকৃতিকভাবেই কিউলেক্স মশার উপদ্রব বেড়ে যায়। তবে এডিস মশা নিয়েও সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা।

তবে তাদের এ দাবির সঙ্গে ভিন্নমত পোষণ করেছেন কীটতত্ত্ববিদরা। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক কীটতত্ত্ববিদ ডক্টর কবিরুল বাশার যায়যায়দিনকে বলেছেন, খাল পরিষ্কারের কারণে মশার উপদ্রব বৃদ্ধি পেয়েছে এ ঠিক না। খাল পরিষ্কার করলে সেখানে সাথে সাথে লার্ভি সাইট (মশার ডিম ধ্বংস করার ওষুধ) প্রয়োগ করার কথা।

মশার উৎপাত বৃদ্ধির কারণ হিসেবে তিনি বলেন, প্রতি বছরই এই সময় প্রাকৃতিকভাবে কিউলেক্স মশার উপদ্রব বেড়ে যায়। পচা পানিতে এ মশার বংশ বিস্তার করে। এ সময় পানিতে অর্গানিক কমপাউন্ড বেড়ে যায়। এটা মশা বৃদ্ধির অন্যতম কারণ।

মশক নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন পরামর্শ দিয়ে কবিরুল বাশার বলেন, প্রতি সাত দিন অন্তর অন্তর এডাল্টি সাইট ও লার্ভি সাইট প্রয়োগ করেত হবে। নিয়মিত জলাশয় ও পানি জমে থাকার স্থানগুলো পরিষ্কার করতে হবে। তবে একবার ওষুধ দিয়ে আবার ১০-১৫ দিন পর দিলে হবে না। মশা নিয়ন্ত্রণে আনতে হলে প্রতি সাত দিন পরপরই ওষুধ প্রয়োগ করার পরামর্শ দেন এ কীটতত্ত্ববিদ।

এদিকে, ঢাকা ও দেশের বিভিন্ন শহর এলাকার মশার উপদ্রব বেড়ে যাওয়ায় ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া নিয়ন্ত্রণে চলতি সপ্তাহে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা ডেকেছে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়। এ সভায় মশক নিধনে সিটি করপোরেশনগুলোর গৃহীত কার্যক্রম পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হবে।

সিটি করপোরেশন সূত্র বলছে, প্রতিদিনই সকাল-সন্ধ্যা মশার ওষুধ ছিটানো হচ্ছে। বেশ কয়েক দফায় মশার ওষুধ পরিবর্তনও করা হয়েছে। নিজেদের সুরক্ষার জন্য বাসাবাড়ির আঙিনাসহ সর্বত্রই পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা রাখতে নাগরিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন সিটি করপোরেশন সংশ্লিষ্টরা।

ডিএনসিসির স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, করোনার মধ্যে লকডাউনেও পাঁচবার চিরুনি অভিযান পরিচালনা করেছে সংস্থাটি। এজন্য এ বছর এডিসের প্রকোপ গতবারের মতো ছিল না। তেমনি কিউলেক্স মশা নিয়ন্ত্রণেও বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ১০টি অঞ্চলের জন্য ১০টি মিক্সড বেস্নায়ার কেনা হচ্ছে। এগুলো দিয়ে ওষুধ ছিটানো শুরু হলে আরও ভালো ফলাফল পাওয়া যাবে।

অন্যদিকে, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) গুলশান, বনানী, মিরপুর, কাজীপাড়া, শেওড়াপাড়া, উত্তরা, তেজগাঁও, ভাসানটেক, বাড্ডা, রামপুরা, হাতিরঝিল ও বনশ্রীসহ বিভিন্ন এলাকায় মশার উপদ্রব বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানা গেছে।

উত্তরা এলাকার বাসিন্দা লুৎফুন্নাহার জানান, দিনে রাতে মশার অত্যাচারে ঘরে থাকা দায়। দিনের বেলায়ও মশারি টাঙিয়ে ঘুমাতে হয়। সিটি করপোরেশনের ওষুধ ছিটানো প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সিটি করপোরেশন ওষুধ দিলে বাইরের মশা ঘরে চলে আসে।

হাতিরঝিলে ঘুরতে আসা দর্শনার্থীদেরও পড়তে হয় মশার বিড়ম্বনায়। ঝিলের পাড়ের বিভিন্ন রেস্টুরেন্টে বসে অবসর সময় কাটাতে আসা নগরবাসীকে সহ্য করতে হয় মশার কামড়। বেশ কয়েকটি রেস্টুরেন্টর কর্মচারীরা জানিয়েছেন, হাতিরঝিলে বেড়াতে আসা মানুষজন মশার কামড়ে রেস্টুরেন্টেও টিকতে পারে না। তাই প্রতিটি টেবিলের নিচে মশার কয়েল জ্বালিয়ে রাখেন তারা।

ঝিলের পাড়ে পরিবার নিয়ে ঘুরতে আসা শাকিল আহমেদ জানান, এখানে এক মিনিটও টিকা দায়। এত মশা আগে কখনোই দেখিনি। দলবেঁধে মশা এসে নাকে-মুখে লাগে।

গুলশান গুদারাঘাট এলাকার এক ঝালমুড়ি বিক্রেতা জানান, মশার জ্বালায় কোথাও দাঁড়াতে পারি না। শরীরের বিভিন্ন স্থানে মশা এমনভাবে কামড় দেয় যেন শরীরে পিঁপড়া কামড়াচ্ছে।

যাত্রাবাড়ীর সাইনবোর্ড এলাকার আনিসুর রহমান জানান, রাতে তো আছেই দিনেও মশার অত্যাচারে টিকা যায় না। ক'দিন আগেও মশার ওষুধ দিয়েছে। কিন্তু কোনো ফল পাওয়া যায়নি।

ধানমন্ডি ১৫ নম্বর এলাকার আবু বকর জানান, এই সময়টা প্রতি বছরই মশার উপদ্রব বাড়ে। সিটি করপোরেশনের ওপর ভরসা না পেয়ে নিজেরাই বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করছেন।

তাছাড়া ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ধানমন্ডি, নীলক্ষেত, নিউমার্কেট, পান্থপথ, মগবাজার, পল্টন, গুলিস্তান, মতিঝিল, কমলাপুর, পুরান ঢাকার বিভিন্ন এলাকা, মাতুয়াইল, ধনিয়া, সায়েদাবাদ, যাত্রাবাড়ী, মানিকনগরসহ প্রায় সব এলাকায় মশার উপদ্রব বৃদ্ধি পেয়েছে।

এ প্রসঙ্গে ডিএনসিসির প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জোবায়দুর রহমান বলেন, সম্প্রতি আমরা ওয়াসা থেকে খালগুলো বুঝে পেয়েছি। এগুলো আমরা পরিষ্কার করছি। এসব খাল থেকে কচুরিপানা পরিষ্কার করা হচ্ছে। এসব খাল ও কচুরিপানায় যেসব মশা থাকত তার একটি অংশ কিন্তু উড়ে লোকালয়ে যাচ্ছে। এটাও মশা বৃদ্ধি পাওয়ার একটা কারণ। তাছাড়া শীতের মৌসুমে ঋতুগত কারণে মশা বেড়েছে। কারণ এডিস যেমন পরিষ্কার জমা পানিতে হয়, তেমনি কিউলেক্স মশা নোংরা, অপরিষ্কার পানিতে হয়। শীতকালে এখন যে মশা সেটি মূলত কিউলেক্স মশা। অনেক জলাশয় শীতকালে শুকিয়ে যাওয়ায় সেখানে কিউলেক্স মশা জমছে। আবার বর্ষাকালে জলাশয়ের পানি যেমন বহমান থাকে শীতকালে কিন্তু তেমন না। তাই মশা বেড়েছে।


আরও খবর



ঈদের ছুটি শেষে রাজধানী ফিরছেন কর্মজীবী মানুষ

প্রকাশিত:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডে ডিজিটাল ডেস্ক:



টানা পাঁচ দিনের ছুটি কাটিয়ে রাজধানীতে ফিরতে শুরু করেছেন কর্মজীবীরা। 


আজ বুধবার (১৯ জুন) থেকে খুলবে অফিস। যদিও ফিরে আসার ছাপ পড়েনি সড়কে। স্বাভাবিক ছিল যানচলাচল। রাজধানীর কোথাও আজ দেখা যায়নি জট। আবার সড়কে গণপরিবহণও ছিল কম।


দেশের সব সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও আধা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের নতুন সময়সূচি অনুযায়ী কাল থেকে অফিস চলবে। সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত হবে অফিসের সময়।


 গত ৩ জুন মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়। নতুন সময়সূচি অনুযায়ী যথারীতি কোর্ট-কাচারী ও স্টক মার্কেট চলবে।



প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পরে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে বৈঠকের সিদ্ধান্ত জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেন।


আজ মঙ্গলবার বিকেলের পর থেকে ট্রেন ও বাস টার্মিনালে ঢাকামুখী মানুষ বেশি দেখা গেছে। যদিও পরিবহণ সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আগে অনেকে এসেছেন। আর আগামী বৃহস্পতিবার থেকে ঢাকামুখী যাত্রীদের চাপ বাড়তে পারে বলে জানান তারা।



ঢাকায় ফেরাদের অনেকেই জানান, আগামীকাল থেকে অফিস খুলছে, এজন্য আজ সকালেই রওনা দিয়েছেন। কেউবা রওনা হন দুপুরের দিকে। রাতে রওনা দিয়ে অফিস করতে পারতেন তারা, তবে কিছু এলাকা থেকে রাতের টিকিট পাওয়া যাচ্ছিল না।


আরও খবর



সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মো. গোলাম রব্বানীকে বদলি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০২ জুলাই 2০২4 | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ |

Image



নিজস্ব প্রতিবেদক:


সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মো. গোলাম রব্বানীকে বদলি করা হয়েছে। তাকে চট্টগ্রামের জেলা ও দায়রা জজ হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।



এ ছাড়া চট্টগ্রামের জেলা ও দায়রা জজ আজিজ আহমদ ভূঞাকে সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।



সোমবার (১ জুলাই) আইন মন্ত্রণালয় থেকে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।


২০২২ সালের ৪ অক্টোবর হাইকোর্ট বিভাগের রেজিস্ট্রার (সিনিয়র জেলা জজ) মো. গোলাম রব্বানীকে সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল হিসেবে নিয়োগ করা হয়।



আরও খবর



নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে দিল্লির উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডে রিপোর্ট:



ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে দুই দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে নয়াদিল্লির উদ্দেশে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।


শুক্রবার (২১ জুন) দুপুর ২টা ৩ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীদের নিয়ে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর ত্যাগ করে।


বিমানটি স্থানীয় সময় বিকেল ৪টায় নয়াদিল্লির পালাম বিমান বন্দরে অবতরণ করার কথা রয়েছে। ভারতের উচ্চ পর্যায়ের একটি প্রতিনিধিদল এবং ভারতে বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. মুস্তাফিজুর রহমান বিমান বন্দরে শেখ হাসিনাকে অভ্যর্থনা জানাবেন।


লোকসভা নির্বাচনে জয়ী বিজেপি নেতৃত্বাধীন জোট টানা তৃতীয়বারের মতো সরকার গঠনের পর ভারতে কোনো সরকার প্রধানের এটিই প্রথম দ্বিপাক্ষিক সফর। সফরকালে উভয় প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে একান্ত বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে এবং তারপর প্রতিনিধি পর্যায়ে আলোচনা হবে।



 উভয় দেশের মধ্যে বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার করতে ঢাকা ও নয়াদিল্লির মধ্যে বেশ কিছু চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সই হবে।


এছাড়া একটি সম্ভাব্য বাণিজ্য চুক্তির বিষয়ে আলোচনা হবে বলে আশা করা হচ্ছে। গত এক দশকে শক্তিশালী আঞ্চলিক অংশীদারিত্বের অংশ হিসেবে বেশ কিছু আন্তঃসীমান্ত উদ্যোগ চালু করা হয়েছে। 



এটি ১৫ দিনেরও কম সময়ের মধ্যে ভারতের রাজধানীতে শেখ হাসিনার দ্বিতীয় সফর। তিনি গত ৯ জুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নরেন্দ্র মোদির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন।


শুক্রবার (২১ জুন) সন্ধ্যায় ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রী ড. এস জয়শঙ্কর প্রধানমন্ত্রীর সাথে তাঁর বাসভবনে সাক্ষাৎ করবেন।


শনিবার সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে স্বাগত জানাতে রাষ্ট্রপতি ভবনে লাল গালিচা বিছানো হবে। এ সময় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আনুষ্ঠানিকভাবে শেখ হাসিনাকে অভ্যর্থনা জানাবেন এবং এসময় দু’দেশের জাতীয় সঙ্গীত বাজানো হবে।



 প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গার্ড অব অনারও পরিদর্শন করবেন। এরপর তিনি রাজঘাটে ভারতের জাতির পিতা মহাত্মা গান্ধীর সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন। সেখানে রক্ষিত পরিদর্শন বইয়ে তিনি স্বাক্ষর করবেন।


একই দিন শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে একান্ত বৈঠক এবং প্রতিনিধি পর্যায়ে আলোচনার জন্য হায়দরাবাদ হাউসে যাবেন। উভয়েই সমঝোতা স্মারক ও চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান প্রত্যক্ষ করবেন।



 এরপর দুই প্রধানমন্ত্রী বিবৃতি দেবেন। হায়দ্রাবাদ হাউসে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সম্মানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী আয়োজিত ভোজসভায় যোগ দেবেন।


বিকেলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতের উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখারের সঙ্গে তার সচিবালয়ে সাক্ষাৎ করবেন। সন্ধ্যায় শেখ হাসিনা রাষ্ট্রপতি ভবনে ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন।


স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টায় প্রধানমন্ত্রী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে পালাম বিমানবন্দর থেকে ভারতের রাজধানী ত্যাগ করবেন এবং রাত ৯টায় ঢাকায় অবতরণ করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।-বাসস।


আরও খবর