Logo
শিরোনাম

স্থূলকায় নারীদের সৌন্দর্য প্রতিযোগিতা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ |
Image

মিস অ্যান্ড মিসেস প্লাস বাংলাদেশ প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হয়েছেন তাসনুভা তাবাচ্ছুম। সম্প্রতি রাজধানীর এক হোটেল অনুষ্ঠিত হয় গ্র্যান্ড ফিনালে। এ সময় বিজয়ীর মাথায় মুকুট পরিয়ে দেন অভিনয়শিল্পী ও প্রতিযোগিতার বিচারক দিলারা জামান।

বাংলাদেশে প্রথমবার আয়োজন করা হয় ভিন্ন ঘরানার এই সৌন্দর্য প্রতিযোগিতার। স্থূলকায় নারীদের নিয়ে আয়োজিত এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করে রিয়েল হিরোজ এক্স প্রো অ্যান্ড কমিউনিকেশনস। এ প্রতিযোগিতায় প্রথম রানারআপ হয়েছেন নির্জন মোমিন ও দ্বিতীয় রানারআপ হয়েছেন রুমানা।

অনুভূতি প্রকাশ করে তাসনুভা তাবাচ্ছুম বলেন— টপ ফাইভে যাওয়ার পর আমার মনে হচ্ছিল আমি বিজয়ী হব। আমার নাম ঘোষণার পর বাকরুদ্ধ হয়ে যাই। প্রথমবারের মতো এত বড় একটি জায়গায় বিজয়ের মুকুট পরব—এটা অন্যরকম এক অনুভূতি। 

প্রতিযোগিতার বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন—দিলারা জামান, আবিদা সুলতানা, চয়নিকা চৌধুরী, রোজিনা, আফরান নিশোসহ অনেকে।


আরও খবর

যৌনপল্লীতে নায়িকা নিপুণ আক্তার !

বৃহস্পতিবার ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২২




স্কুলে পাঁচ দিন পুরোপুরি ক্লাস হবে

প্রকাশিত:শুক্রবার ০২ সেপ্টেম্বর 2০২2 | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ |
Image

মইনুল ইসলাম মিতুল :  বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সাপ্তাহিক দুইদিন ছুটি ঘোষণা করে সরকার। তবে দুইদিন ছুটি হওয়ায় সেটি পুষিয়ে নিতে ক্লাসের সংখ্যা বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে ।

ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণিতে অধ্যায়নরত (মাধ্যমিক) শিক্ষার্থীদের দিনে সাতটি করে ক্লাস করতে হবে। বৃহস্পতিবার অর্ধদিবসের পরিবর্তে পূর্ণ দিবস ক্লাস হবে।

এত দিন অধিকাংশ বিদ্যালয়ে, বিশেষ করে দুই শিফটে চলা বিদ্যালয়ের একেকটি শ্রেণিতে ছয়টি ক্লাস হতো। আর বৃহস্পতিবার আরও কম ক্লাস হতো।

মাউশি বলছে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সপ্তাহে দুই দিন ছুটি কার্যকর হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে ছয় দিনের শ্রেণি কার্যক্রম সমন্বয় করে পাঁচ দিনের জন্য করে সময়সূচি পরিমার্জন করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের যাতে শিখন ঘাটতি না হয়, সে জন্য এটি করা হয়েছে। আদেশের সঙ্গে পরিমার্জিত সময়সূচিও ঠিক করে দেওয়া হয়েছে।

মাউশির আদেশে বলা হয়েছে, রোববার থেকে বৃহস্পতিবার ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণিতে প্রতিদিন সাতটি করে সপ্তাহে মোট ৩৫টি ক্লাস পরিচালিত হবে। এক শিফটের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ক্লাসের মোট ব্যাপ্তি হবে দিনে ৬ ঘণ্টা ১০ মিনিট। এর মধ্যে সমাবেশের জন্য ১৫ মিনিট এবং বিরতির জন্য ৩০ মিনিটও অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

তবে দুই পালায় চলা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দিনে মোট ব্যাপ্তি হবে ৫ ঘণ্টা ৫ মিনিট। এর মধ্যে ১৫ মিনিট সমাবেশের জন্য এবং ২০ মিনিট বিরতির জন্য থাকবে।

এত দিন দুই শিফটে চলা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একেক শিফটের কর্মঘণ্টা ছিল ৫ ঘণ্টা ৩৫ মিনিট।
প্রথম শিফট সকাল সাতটায় শুরু হয়ে শেষ হবে ১২টা ৫ মিনিটে। আর দ্বিতীয় শিফট ১২টা ২০ মিনিটে শুরু হয়ে ৫টা ২৫ মিনিটে শেষ হবে।


আরও খবর

পঞ্চগড়ে নৌকা ডুবে ২৪ জন নিহত

রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২

এবার ৩২ হাজার মণ্ডপে দুর্গাপূজা

রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২




পঞ্চগড়ে নৌকা ডুবে ২৪ জন নিহত

প্রকাশিত:রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ |
Image

পঞ্চগড়ে বোদা উপজেলায় করোতোয়া নদীতে নৌকা ডুবে নারী শিশুসহ অন্তত ২৪ জন মারা গেছেন। এই ঘটনায় অর্ধশতাধিক নিখোঁজ রয়েছে বলেছে জানিয়েছে পুলিশ।

রোববার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টার দিকে উপজেলার মাড়েয়া ইউনিয়নের আওলিয়া ঘাটে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

বোদা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুজন কুমার রায় ২৪ জনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এ ঘটনায় আরও অন্তত ৬০ জন নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানা গেছে। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে মৃতদের নাম-পরিচয় পাওয়া যায়নি। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গেছেন পঞ্চগড়ের জেলা প্রশাসক মো. জহুরুল ইসলাম।


আরও খবর

এবার ৩২ হাজার মণ্ডপে দুর্গাপূজা

রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২




স্মার্টফোন আসক্তিতে শিক্ষার্থীরা

প্রকাশিত:রবিবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ |
Image

মাজহারুল ইসলাম মাসুম, সিনিয়র সাংবাদিক, লেখক ও গবেষক :   করোনাভাইরাসের ধকল কাটিয়ে সশরীরে ক্লাসে ফিরেছে অনেক আগেই। নিয়মিত ক্লাস করছে, পরীক্ষাও দিচ্ছে। কিন্তু করোনাকালীন ক্লাস-পরীক্ষা চলেছে অনলাইনে। এই সময়ে স্মার্টফোন, ট্যাব, ল্যাপটপ ছিল তাদের সঙ্গী। এখন এই সঙ্গীই সর্বনাশের কারণ হয়ে দাড়িয়েছে। গেল অর্ধবার্ষিক পরীক্ষায় মিলেছে এর প্রমাণ। শিক্ষার্থীরা আশঙ্কাজনক হারে খারাপ করেছে। দ্বিগুণ হয়েছে ফেল করা শিক্ষার্থী।

রাজধানীর প্রথম সারির কয়েকটি স্কুলের অর্ধবার্ষিক বা অর্ধসাময়িক পরীক্ষার ফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বেশি ফেল করা বিষয়ের তালিকায় গণিত, ইংরেজি, বাংলা, বিজ্ঞান ও ধর্মশিক্ষা। ক্লাস অনুযায়ী ফেলের হার ৭০-৯৫ শতাংশ পর্যন্ত।

ক্লাস শিক্ষকরা বলছেন, করোনায় দীর্ঘদিন স্কুল বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীরা হাতের লেখায় অনেক পিছিয়ে গেছে। সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর লিখতে পারছে না। নবম শ্রেণিতে বিশেষ বিষয়ের ওপর জ্ঞানের মাত্রা অনেক কম। সে কারণে ফেলের হার বেড়ে গেছে।

হলিক্রস স্কুল অ্যান্ড কলেজের নবম শ্রেণির বিজ্ঞান বিভাগের এক ছাত্রী জানায়, বিজ্ঞান বিভাগে তাদের ৬০ জন ছাত্রী রয়েছে। অর্ধসাময়িক পরীক্ষায় ৪২ জন ফেল করেছে। এক থেকে চার বিষয় পর্যন্ত কেউ কেউ ফেল করেছে। তার মধ্যে উচ্চতর গণিত, বিজ্ঞান, রসায়ন, জীববিজ্ঞান, পদার্থ বিজ্ঞানে ফেল বেশি। তবে ফেল করা অনেক মেয়ে ক্লাস শিক্ষকদের কাছে প্রাইভেটে পড়ে। স্যারদের কোচিংয়ে পড়েও তারা ফেল করেছে। বিজ্ঞানের বিষয়গুলো অনেক কঠিন মনে হচ্ছে। গণিতের অনেক সূত্র ভুলে গেছি। সেগুলো নতুন করে মুখস্ত করতে হচ্ছে। একটি অধ্যায়ে স্যাররা একটি অংক করিয়ে বাকিগুলো আমাদের করতে বলেন। সেগুলো একার পক্ষে সমাধান করতে পারছি না। স্যারকে বললে ভালো করে আর বেঝাতে চান না।

আবার ক্লাস শিক্ষক বলছেন, বাড়িতে কাজ দিলে সেটি ক্লাসে করতে পারছে না। দীর্ঘদিন বাড়িতে বসে থাকায় হাতের লেখায় তারা দুর্বল হয়ে পড়েছে। ছাত্র-ছাত্রীরা নিয়মিত বই পড়লেও গত দুই বছর লেখার প্র্যাকটিস কম করেছে বলে পরীক্ষায় তারা খারাপ করছে। এটি নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি।

গভর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক মো. আবু সাঈদ ভূইয়া বলেন, করোনার ক্ষতি এখনো আমাদের শিক্ষার্থীরা ধকল কাটিয়ে ওঠেনি। স্কুল বন্ধ থাকায় তাদের অনেক শিখন ঘাটতি হয়েছে। তবে করোনার মধ্যে আমরা প্রথম ও নিয়মিত অনলাইন ক্লাস শুরু করি। সে কারণে অনেকে পড়ালেখায় এগিয়ে থাকলেও হাতের লেখার গতি ও সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর লেখার অভ্যাস ভুলতে বসেছে। অনলাইন ক্লাসের সঙ্গে সবাই যুক্ত হতে না পারায় খুব বেশি সহায়ক হয়নি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক মোহাম্মদ তারিক আহসান বলেন, করোনায় আমাদের শিক্ষার্থীদের যে ক্ষতি হয়েছে তা পোষাতে চলমান বাড়তি ক্লাস নেওয়া বা বাড়তি মনিটরিং পর্যাপ্ত নয়। শিক্ষার্থীরা ক্ল্যাসিকাল সাবজেক্টের একটি লেভেল বা লেয়ার অতিক্রম করতে পেছনের জ্ঞানগুলো বুঝতে না পারলে পরের স্তরে সমস্যা হয়। তার মধ্যে ইংরেজি, গণিত ও বিজ্ঞান বিষয় রয়েছে। এগুলোর শিখন ঘাটতি কাটাতে আরও বেশ কিছু কার্যকর প্রোগ্রাম দরকার। প্রতিবেশী শিক্ষার্থীর মধ্যে লার্নার গ্রুপ তৈরি করে ক্লাসরুমের বাইরেও কিছু কার্যক্রমে যুক্ত করা যায়। এর মাধ্যমে অন্যদের কাছে শেখার সুযোগ তৈরি হবে। শুধু ক্লাসরুমে ঘাটতি পূরণ করা সম্ভব হবে না। অ্যাসাইনমেন্টগুলো আরও চিন্তা-ভাবনা করে প্রজেক্টভিত্তিক করে তুলতে হবে। যেন শিক্ষার্থীরা ক্লাসের বাইরে, বাড়িতে ও অবসরে বিভিন্ন কার্যক্রমের মাধ্যমে তার সমস্যার সমাধান করতে পারে। 


আরও খবর

পঞ্চগড়ে নৌকা ডুবে ২৪ জন নিহত

রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২

এবার ৩২ হাজার মণ্ডপে দুর্গাপূজা

রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২




কুমিল্লা টেলিভিশন সাংবাদিকদের সংবর্ধনা

প্রকাশিত:বুধবার ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ |
Image

কুমিল্লা ব্যুরো ঃ

টেলিভিশন সাংবাদিকতায় অবদান রাখায় টেলিভিশন সাংবাদিকদের সংবর্ধনা দিয়েছে কুমিল্লা টেলিভিশন সাংবাদিক ফোরাম।

কুমিল্লা নগরের একটি রেস্তোরায় এ সংবর্ধনার  আয়োজন করা হয়। 

সংবর্ধনাপ্রাপ্তরা হচ্ছেন—বাংলাদেশ টেলিভিশেন সাবেক জেলা প্রতিনিধি মু,মিজানুর রহমান চৌধুরী,বিটিভির জাহাঙ্গীর আলম রতন, এটিএনবাংলা ও এটিএন নিউজের স্টাফ রিপোর্টার খায়রুল আহসান মানিক,আরটিভির স্টাফরিপোর্টার গোলাম কিবরিয়া,ভোরের কাগজ,দেশটিভির এম ফিরোজ মিয়া,যুমনা টিভির ব্যুরো প্রধান খোকন চৌধুরী, সময় টিভির বাহার রায়হান, নিউজটোয়েন্টিফোরের হুমাযুন কবির জীবন, ডিবিসির নাসির উদ্দিন,চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের জাহিদুর রহমান,বাংলাটিভির আরিফুর রহমান,আনন্দটিভির সৈয়দ আহসান হাবীব পাখী,এসএ টিভির আনোয়ার হোসেন,দেশটিভির সুমন কবিরসহ ১৭জন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- কুমিল্লা সিটিকর্পোরেশনের মেয়র আরফানুল হক রিফাত।

মেয়র তারঁ বক্তব্যে কুমিল্লার উন্নয়নে সাংবাদিকদের সহযোগিতা কামনা করেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কুমিল্লা টেলিভিশন সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি  একাত্তর টিভির নিজস্ব প্রতিবেদক কাজী এনামুল হক ফারুক।অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা করেন কুমিল্লা টেলিভিশন সাংবাদিক  ফোরামের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির জীবন।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় দোকান মালিক সমিতির সহ-সভাপতি ও কুমিল্লা দোকান মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আতিক উল্লাহ খোকন, কুমিল্লা ক্লাবের সহ-সভাপতি আলী মুনসুর ফারুক, কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের প্যানেল মেয়র হাবিবুর আল আমিন সাদি, ধনুয়াখলা ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ শামীম হায়দার, অনুষ্ঠান শেষে টেলিভিশন ক্যামেরাপার্সনদের কে শুভেচ্ছা উপহার দেয়া হয়। 

সাংবাদিকদের উদ্বুদ্ধ করতে টেলিভিশন সাংবাদিক ফোরামের সদস্যদের অনুপ্রাণিত করতেই এই সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়েছে।


আরও খবর



ফুলবাড়িতে,জন্মপ্রতিবন্ধী মানিক মিয়া পা দিয়ে দিচ্ছেন এসএসসি পরীক্ষা

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ |
Image

উত্তম কুমার মোহন্ত ফুলবাড়ী,কুড়িগ্রামঃ

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী সদর ইউনিয়নের চন্দ্রখানা গ্রামের মোঃ মিজানুর রহমান এর ছেলে মানিক মিয়া( ৫)দুইহাত বিহীন জন্ম প্রতিবন্ধী। সে পা দিয়ে পিএসসি, জেএসসি পরীক্ষায় মেধা তালিকায  উত্তীর্ণের পর আজ ১৫(সেপ্টেম্বর) বৃহস্পতিবার বরাবরের মতো পা দিয়ে এসএসসি পরীক্ষা দিচ্ছে। পা দিয়ে লিখলেও অন্যান্য শিক্ষার্থীর তুলনায় তার লেখার প্রশংসা না করলে নয়।

মানিকের বাবা মোঃ মিজানুর রহমান পেশায় একজন ঔষধ ব্যবসায়ী,মা মোছাঃ মরিয়ম বেগম একটি স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যাপিকা এই দুই দম্পতির বড়ছেলে মানিক মিয়া দুইহাত বিহীন জন্ম প্রতিবন্ধী।দুটি হাত নাকলেও পড়াশোনায় পিছিয়ে নেই সে। মহান সৃষ্টিকর্তা দুহাত বিহীন তাকে এমন মেধাবী করে তৈরি করেছে যে পরীক্ষার হলে অন্যান্য শিক্ষার্থীর চেয়ে পা দিয়ে দ্রুত লিখে সুন্দর ভাবে সকল প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছে মানিক।আরো একটি অবাক বিষয় পা দিয়ে মোবাইল ফোন ব্যবহার করে বন্ধু বান্ধব,আত্নীয় স্বজনের সাথে দিব্বি কথা বলতে পারে।

অবাক বিষয় মানিক মিয়া পা দিয়ে কম্পিউটার টাইপ, ইন্টারনেট ব্রাউজার সহ-বিভিন্ন বিষয়ে  পারদর্শী। সে ২০১৬সালে ফুলবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে পিএসসিতে গোল্ডেন এ+প্লাস ২০২০সালে ফুলবাড়ী জছিমিয়া মল্ডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে জেএসসি জিপিএ ৫ পেয়ে মেধা তালিকায় উত্তীর্ণ হয়েছেন।এজন্য মানিকের মা মরিয়ম বেগমের অবদান অনেক বেশি।কারণ একজন শিক্ষিত মা দিতে পারে একটি ভবিষৎত শিক্ষিত জাতি।

বৃহস্পতিবার ১৫(সেপ্টেম্বর)ফুলবাড়ী বালিকা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রে বাংলা পরীক্ষায় অংশ গ্রহণের সময় মানিকের সাথে কথা বলে জানা যায় ,আমার দুটি হাত না থাকলেও আল্লাহ রহমতে আমি পিএসসিতে গোল্ডেন এ+প্লাসপাই জেএসসিতে জিপিএ ৫ পেয়েছি আপনারা সবাই দোয়া করবেন এসএসসিতেও গোল্ডেন এ+ প্লাস পেয়ে কৃতকার্য হতে পারি।আমার ইচ্ছা ভালো রেজাল্ট করে প্রকৌশলী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনা করার।কারণ আমি কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার হয়ে বাবা মায়ের মুখ উজ্জ্বল করতে চাই।

মানিকের বাবা মিজানুর রহমান মা মরিয়ম বেগম বলেন,আমাদের দুই ছেলে মানিক বড় ছোট ফাহীম ৬ষ্ঠ শ্রেনীতে পরে। মানিকের জন্মথেকে দুটি হাত নেই কিন্তূ আমাদের তা মনে হয় না ছোট থেকেই তাকে আমরা পাদিয়ে লেখার অভ্যাস করিয়েছি। সমাজে অনেক সুস্থ ও স্বাভাবিক ছেলে মেয়েদের পড়াশুনার চেয়ে আমাদের মানিকের মেধা অনেক ভালো। আল্লাহর রহমতে পিএসসি,জেএসসিতে অনেক ভালো রেজাল্ট করেছে এটা আমাদের গর্ব। আপনারা সবাই দোয়া করবেন আমার ছেলেটা যেন সুস্থ সুন্দর ভাবে বেঁচে থাকে এবং পূর্বের ন্যায় এসে এসপি ভালো রেজাল্ট করতে পেরে তার মনের স্বপ্ন গুলো পূরণ করতে পারে।

ফুলবাড়ী জসিমিয়া মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবেদ আলী খন্দকার জানান, শারীরিক প্রতিবন্ধকতা থাকলেও মানিক অসাধারণ ছাত্র।সে আমাদের

সম্পদ সে ডান পায়ের বুড়ো আঙ্গুল দিয়ে কলম ধরে লিখে আর বা পায়ের আঙ্গুল দিয়ে প্রশ্ন ও খাতার পাতা উল্টায় এইভাবে লেখে সে বিগত পরীক্ষাগুলোতে ভালো রেজাল্ট করেছে। আমি দোয়া করি এসএসসি তে যেন ভালো রেজাল্ট করতে পারে এজন্য প্রান খুলে দোয়া করি।

ফুলবাড়ী বালিকা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় পরীক্ষা কেন্দ্রে সচিব, মশিউর রহমান বলেন, মানিক প্রতিবন্ধী হলেও অন্যান্য শিক্ষার্থীর তুলনায় তার মেধা অনেক ভালো।তার বিগত পরীক্ষার রেজাল্ট অনেক ভালো,সে ব্রেঞ্চে বসে লিখতে পারেনা সেই জন্য তাকে চৌকিতে বসে পরীক্ষার ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়েছে নিয়ম অনুযায়ী তাকে বিশ মিনিট বাড়তি সময় দেওয়া সহ সকল সুবিধা দেওয়া হয়েছে। একটি অবাক বিষয় পা দিয়ে এত সুন্দর লেখা এটা আমার কাছে অদ্ভুত বিষয়। আমি দোয়া করি মানিক যেন পূর্বের ন্যায় ভালো রেজাল্ট করতে পারে বাবা মায়ের মুখ উজ্জ্বল করতে পারে। 


আরও খবর