Logo
শিরোনাম

স্ত্রী হত্যা মামলায় স্বামীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ সেপ্টেম্বর ২০22 | হালনাগাদ:সোমবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ |
Image

শেষ ফরিদ ঃ

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের নববধূ শিউলি আক্তারকে গলাকেটে হত্যা মামলার স্বামী শামীমকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। সকালে আসামীর উপস্থিতে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মুন্সি মো. মশিয়ার রহমান এ রায় ঘোষনা করেন৷

আদালত পুলিশের পরিদর্শক আসাদুজ্জামান জানান,২০১৮ সালের ২৩ আগস্ট শিউলির সঙ্গে বিয়ে হয় শামীমের। পারিবারিক কলহের জেরে বিয়ের ৭দিনে ৩১আগস্ট রাতে শিউলিকে গলাকেটে হত্যা করে। এ ঘটনায় নিহতের মা বাদী হয়ে হত্যা মামলা করে। মামলার দীর্ঘ তদন্ত শেষে ১১ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য শেষে আদালত আজ এ রায় ঘোষনা করেন।

এদিকে, সোনারগাঁ‌য়ে প্রধানমন্ত্রীর ছ‌বি ভাংচু‌রের ঘটনায় দা‌য়েরকৃত মামলায় সোহাগ আলী না‌মে এক যুবক‌কে ১০ বছর সশ্রম কারাদন্ড প্রদান ক‌রে‌ছে আদালত। সকা‌লে অ‌তি‌রিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ‌দ্বিতীয় আদাল‌তের বিচারক সা‌বিনা ইয়াছ‌মিন এ রায় ঘোষনা ক‌রেন। রা‌য়ে আসামী‌কে ২০ হাজার টাকা জ‌রিমানা অনাদা‌য়ে আরও ৩ মা‌সের কারাদন্ড দেওয়া হয়। রায় ঘোষণার সময় আসামী পলাতক ছিলো।


আরও খবর



ঢাকা বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায়

প্রকাশিত:শনিবার ১০ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২২ |
Image

মইনুল ইসলাম মিতুল : বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় ঢাকা ১০তম স্থানে অবস্থান করছে। সেই সঙ্গে রাজধানী ঢাকায় বাতাসের মান ‘অস্বাস্থ্যকর’ অবস্থায় রয়েছে।

পাকিস্তানের লাহোর, ভারতের দিল্লি ও দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গ ১৮১, ১৫৯ এবং ১৪১ একিউআই স্কোর নিয়ে তালিকায় প্রথম তিনটি স্থান দখল করেছে।

বিশেষ করে সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য একিউআই স্কোর ১০১ থেকে ২০০ হলে ‘অস্বাস্থ্যকর’ বলে মনে করা হয়।

একইভাবে, ২০১ থেকে ৩০০ এর মধ্যে একিউআই স্কোর ‘খারাপ’ বলা হয়, যেখানে ৩০১ থেকে ৪০০-এর স্কোর ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ বলে বিবেচিত হয়, যা বাসিন্দাদের জন্য গুরুতর স্বাস্থ্য ঝুঁকি তৈরি করে।

বাংলাদেশে একিউআই নির্ধারণ করা হয় দূষণের পাঁচটি ধরনকে ভিত্তি করে-বস্তুকণা (পিএম১০ ও পিএম২.৫), এনও২, সিও, এসও২ এবং ওজোন (ও৩)।

ঢাকা দীর্ঘদিন ধরে বায়ু দূষণে ভুগছে। এর বাতাসের গুণমান সাধারণত শীতকালে অস্বাস্থ্যকর হয়ে যায় এবং বর্ষাকালে কিছুটা উন্নত হয়।

২০১৯ সালের মার্চ মাসে পরিবেশ অধিদফতর ও বিশ্বব্যাংকের একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ঢাকার বাযুা দূষণের তিনটি প্রধান উৎস হলো, ইটভাটা, যানবাহনের কালো ধোঁয়া ও নির্মাণ সাইটের ধুলো।

ক্রমাগতভাবে বিশ্বব্যাপী মৃত্যু এবং অক্ষমতার জন্য বায়ু দূষণ শীর্ষ ঝুঁকির কারণ গুলোর মধ্যে স্থান করে নিয়েছে।

বিভিন্ন গবেষণা অনুযায়ী, একজন ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে দূষিত বায়ুতে শ্বাস নেয়ার কারণে হৃদরোগ, দীর্ঘস্থায়ী শ্বাসযন্ত্রের রোগ, ফুসফুসের সংক্রমণ এবং ক্যান্সার হওয়ার বেশি সম্ভাবনা থাকে।

জাতিসংঘের তথ্যমতে, বিশ্বব্যাপী প্রতি ১০ জনের মধ্যে ৯ জন দূষিত বাতাসে শ্বাস নেন এবং বায়ু দূষণের কারণে প্রতি বছর প্রধানত নিম্ন ও মধ্য আয়ের দেশে আনুমানিক ৭০ লাখ মানুষের অকাল মৃত্যু ঘটে।


আরও খবর

পঞ্চগড়ে নৌকা ডুবে ২৪ জন নিহত

রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২

এবার ৩২ হাজার মণ্ডপে দুর্গাপূজা

রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২




দুই গ্রামের মানুষের ভোগান্তি

মোড়েলগঞ্জে সরকারি খাল দখল করে মৎস্য চাষ

প্রকাশিত:শনিবার ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ |
Image

এম.পলাশ শরীফ, নিজস্ব প্রতিবেদক :

 বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জে লক্ষিখালী গ্রামে রেকর্ড়ীয় সরকারি খাল দখল করে মৎস্য চাষ করছেন প্রভাবশালীরা। পানি চলাচল বন্ধ হয়ে দুই গ্রামের শত শত পরিবারের ভোগান্তি এখন চরমে। স্থানীয় ক্ষমতাসীনদের পালা বদলে হাত বদল হয়েছে একাধিকবার। খাল অবমুক্ত হয়নি এখনও। প্রশাসন নির্বিকার।

সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে জানাগেছে, জিউধরা ইউনিয়নের বরইতলা লক্ষিখালী হয়ে ডেউয়াতলা অভিমুখি ১০ কিলোমিটারের সুন্দরবনের ভোলা নদীর প্রশাখা ভারানি খালটি এখন কালের বিবর্তনে হারিয়ে যেতে বসেছে। এ খালে মধ্যে ৮/১০টি বাঁধ দিয়ে মাছ চাষ করছে স্থানীয় প্রভাবশালীরা।

আবার পলি পড়ে অনেক অংশে মিশে গেছে জমির সাথে। মোরেলগঞ্জ-মোংলা এ দুই উপজেলার সিমান্তবর্তী বড় লক্ষিখালী গ্রাম অপরপ্রান্তে মোংলার মিঠাখালী ইউনিয়নের  সাহেবের মেট গ্রাম। এ খালের একটি অংশে বাঁধ দিয়ে স্থানীয় প্রভাবশালী মাসুদ রানা ৪/৫ বছর ধরে বে-দখল করে মাছ চাষ করছেন। পাসেই আরেকটি বাঁধ দিয়ে বাইজিদ সরদার মাছ চাষ করছেন। খালটি এখন পানি চলাচল বন্ধ হয়ে বর্ষা মৌসুমে প্রতিনিয়ত জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে ভোগান্তি শিকার হতে হচ্ছে লক্ষিখালী ও পালের খন্ড গ্রামের দুই শতাধিক পরিবারের। এদিকে পলি পরে ভরাট হয়ে যাওয়া জমিতে বসতবাড়ি করে ৭/৮ টি পরিবার বে-দখল করে রেখেছে। সরকারিভাবে এদের কোন দলিলপত্র নেই। রাজস্ব খাজনা দিতে হচ্ছে না ওইসব পরিবারকে।


স্থানীয় ভূক্তভোগী গ্রামবাসি স্বপন মিস্ত্রী, জবেদ আলী, দুলাল মন্ডল, নুরুন্নবী হাওলাদার, ইকবাল হাওলাদার, শর্বেশ্বর হালদার,  মজিবর শেখ সহ একাধিকরা বলেন, লক্ষিখালী হয়ে ডেউয়াতলা জনগুরুত্বপূর্ন এ খালটি পানি চলাচলের জন্য সরকারিভাবে কেটে অবমুক্ত করে দিলে ভোগান্তির শিকার হতে হবে না এসব ভূক্তভোগীরা খাল কাটার জোর দাবি জানিয়েছেন প্রশাসনের প্রতি।

সরকারি খাল দখল করে মাছ চাষী বাইজিদ সরদার বলেন, ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ৩ হাজার টাকা বছরে ডাক নিয়ে মৎস্য চাষ করছেন ওই খালে তিনি। তবে, পরিষদ থেকে কোন কাগজপত্র দেয়নি।

এ সর্ম্পকে ইউপি চেয়ারম্যান  মো. জাহাঙ্গীর বাদশা বলেন, সরকারি খালে ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে ডাক অথবা লিজ দেওয়া কোন ইখতিয়ার নেই। তারা কিভাবে ওই খাল ভোগদখল করছে তিনি অবহিত নন।  

এ বিষয়ে উপজেলা নিবার্হী অফিসার মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, সরকারি খাল দখল করে বাঁধ দিয়ে যারা মাছ করছেন  বিষয়টি খোঁজ নিয়ে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শিগ্রই খাল কেটে জনভোগান্তি দূর করা হবে।


আরও খবর



খাজা মঈনুদ্দীন চিশতির মাজার জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২২ |
Image

ভারত সফরের শেষ দিনে আজমীর শরীফে খাজা মঈনুদ্দীন চিশতির মাজার জিয়ারত করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। 

আজ বৃহস্পতিবার (৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে তিনি মাজার জিয়ারত করেন। পরে প্রধানমন্ত্রী দেশ, জনগণ এবং সমগ্র মুসলিম উম্মাহর উন্নয়ন, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করে মোনাজাত করেন। 

খাজা মঈনুদ্দীন চিশতির মাজার জিয়ারত করছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এর আগে, ফ্লাইটটি নয়াদিল্লির পালাম বিমানবন্দর থেকে জয়পুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্দেশে সকাল ৯টা ১২ মিনিটে ছেড়ে আসে।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে চার দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে সোমবার (৫ সেপ্টেম্বর) দিল্লি যান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। 

সফরকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং উপ-রাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনকড় এর সঙ্গে বৈঠক করেন। এসব বৈঠকে ব্যবসা-বাণিজ্য, জ্বালানি, অভিন্ন নদ-নদীর পানিবণ্টন, সীমান্তে হত্যা ও রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে সহযোগিতার বিষয়গুলো বেশি গুরুত্ব পায়। খাজা মঈনুদ্দীন চিশতির মাজার জিয়ারত করছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। নরেন্দ্র মোদি-শেখ হাসিনার মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক শেষে দুই দেশের মধ্যে সাতটি সমঝোতা স্মারক সই হয়। দুই প্রধানমন্ত্রী দ্বিপাক্ষিক, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ইস্যুতে এক সঙ্গে কাজ করতে সম্মত হন।

সফরকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস জয়শঙ্কর, কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী, ভারতের উত্তর পূর্ব অঞ্চলের উন্নয়ন বিষয়ক মন্ত্রী কিষাণ রেড্ডি, ভারতের আদানি গ্রুপের চেয়ারম্যান গৌতম আদানি।


আরও খবর

পঞ্চগড়ে নৌকা ডুবে ২৪ জন নিহত

রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২

এবার ৩২ হাজার মণ্ডপে দুর্গাপূজা

রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২




বিবস্ত্র দৃশ্যে অভিনয় নিয়ে যা বললেন পূজা

প্রকাশিত:শনিবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ |
Image

২০ সেপ্টেম্বর প্রকাশ পেয়েছে পূজা চেরি অভিনীত নতুন সিনেমা ‘হৃদিতা’র ট্রেলার। আনিসুল হকের গল্পে সরকারি অনুদানে সিনেমাটি নির্মাণ করেছেন ইস্পাহানি আরিফ জাহান। এতে নাম ভূমিকায় অভিনয় করেছেন পূজা।

সিনেমাটির ট্রেলারে একটি দৃশ্যে বিবস্ত্র অবস্থায় দেখা যায় পূজা চেরিকে। ক্যানভাসে তুলির আঁচড়ে পূজার নগ্ন শরীরের ছবি আঁকতে দেখা যায় তার প্রেমিক চরিত্রে রূপদানকারী এবিএম সুমনকে। ক্যামেরায় পূজা বেশ সাবলীলভাবে ধরা দিলেও এমন বেশে তাকে মেনে নিতে পারেননি নেটিজেনরা। ফলে দৃশ্যটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয় তুমুল সমালোচনা। তোপের মুখে এরইমধ্যে ট্রেলার থেকে পুজার আপত্তিকর দৃশ্যটি বাদ দেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে এ বিষয়ে নিজের অবস্থানও ব্যাখ্যা করেছেন পূজা।

এই নায়িকা বলেছেন, “সম্প্রতি আমার অভিনীত ‘হৃদিতা’ সিনেমার ট্রেলার প্রকাশিত হয়েছে। যা আগামী ৭ অক্টোবর মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে। তবে ট্রেলারের কিছু দৃশ্য হয়তো আপনারা পছন্দ করছেন না; সে কথা আপনারা আমাকে জানাচ্ছেন। আমার অডিয়েন্স আমার সিনেমার ভালো-খারাপ নিয়ে সুন্দরভাবে কথা বলছে, বিষয়টা আমি এপ্রিসিয়েট করি।’

পূজার ভাষায়, “যে দৃশ্যগুলো নিয়ে আপনারা আমাকে প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছেন, তা জনাব আনিসুল হক স্যারের লিখিত উপন্যাস ‘হৃদিতা’রই ভিজুয়ালি রিপ্রেজেন্ট করা হয়েছে কেবল। এছাড়া উক্ত আর্টয়ের বিষয়টা শুধুই আর্ট ও আমি নই।’

পূজা আরও বলেন, ‘পরিশেষে বলতে চাই, আপনাদের মতামতের উপর শ্রদ্ধা রেখে উক্ত ট্রেইলারে দেখানো কিছু অংশ ইতোমধ্যেই বাদ দেওয়া হয়েছে। আমি আশা করবো আপনারা যেভাবে এতোদিন ধরে আমাকে ভালোবেসে আসছেন, সুন্দরভাবে আমার সিনেমার ভালো-খারাপ নিয়ে কথা বলেছেন, আমার পাশে থেকেছেন; একইভাবে ভবিষ্যতেও আমার পাশে থাকবেন, বাংলা সিনেমার পাশে থাকবেন।


আরও খবর

যৌনপল্লীতে নায়িকা নিপুণ আক্তার !

বৃহস্পতিবার ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২২

স্থূলকায় নারীদের সৌন্দর্য প্রতিযোগিতা

মঙ্গলবার ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২২




বর্ণাঢ্যময় জীবনের অধিকারী আকবর আলি খান

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ |
Image

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে তিনি হবিগঞ্জের মহুকুমা প্রশসাক বা এসডিও ছিলেন। যুদ্ধকালীন সক্রিয়ভাবে মুজিবনগর সরকারের সঙ্গে কাজ করেন। মুক্তিযুদ্ধকালে পাকিস্তান সরকার দেশদ্রোহিতার অভিযোগে তার বিচার করে। তিনি ১৪ বছর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছিলেন।

দেশ স্বাধীন হওয়ার পর আকবর আলি খান সরকারি চাকরি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকতার সঙ্গে যুক্ত হন। ২০০৬ সালে তিনি রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদের নেতৃত্বাধীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের একজন উপদেষ্টা ছিলেন। পরবর্তীতে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্পন্ন না হবার আশঙ্কায় তিনি তিনজন উপদেষ্টার সঙ্গে পদত্যাগ করেন।

আকবর আলি খান ১৯৪৪ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে জন্মগ্রহণ করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগ থেকে ১৯৬৪ সালে সম্মান ও ১৯৬৫ সালে মাস্টার্স সম্পন্ন করেন দুটিতেই প্রথম শ্রেণিতে প্রথম হয়ে।সরকারি চাকরিতে যোগদানের পূর্বে আকবর আলি খান কিছু সময়ের জন্য শিক্ষকতা করেন।

১৯৬৭-৬৮ মৌসুমে তিনি লাহোরের সিভিল সার্ভিস একাডেমিতে যোগ দেন। প্রশিক্ষণ শেষে ১৯৭০ সালে হবিগঞ্জ মহুকুমার এস. ডি. ও. হিসেবে পদস্থ হন। তিনি তার এলাকায় সুষ্ঠুভাবে ১৯৭০-এর নির্বাচন পরিচালনা করেন।

মুক্তিযুদ্ধ শুরুর আগের অসহযোগ আন্দোলনে আকবর আলি খান সমর্থন দেন। পাকিস্তান বাহিনীর আক্রমণ শুরু হলে হবিগঞ্জ পুলিশের অস্ত্র সাধারণ তিনি মানুষের মধ্যে বিতরণ করে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন এবং মুক্তিযুদ্ধে অণুপ্রাণিত করেন।

আকবর আলি খান স্বাধীন বাংলাদেশের জন্য তহবিল তৈরি করতে ব্যাংকের ভল্ট থেকে প্রায় তিন কোটি টাকা উঠিয়ে ট্রাকে করে আগরতলায় পৌছে দেন। তিনি মুক্তিযোদ্ধাদের খাদ্য যোগান দেওয়ার জন্য গুদামঘর খুলে দেন এবং পরবর্তী সময়ে আগরতলায় চলে যান। ১৯৭১-এর ডিসেম্বরে স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার দেশে প্রত্যাবর্তন করেন এবং সচিবালয়ে সংস্থাপন মন্ত্রণালয়ে যোগ দেন।

১৯৭৩ সালে তিনি চাকরি ছেড়ে শিক্ষকতায় যোগদানের সিদ্ধান্ত নেন। আকবর আলি খান তার পদত্যাগপত্র জমা দিলেও শেখ মুজিবর রহমান তা গ্রহণে অস্বীকৃত জানান। তাকে অবসর না দিয়ে শিক্ষকতা করার জন্য ছুটি দেওয়া হয়।

কমনওয়েলথ বৃত্তির জন্য মনোনীত হওয়ার আগে তিনি অল্প সময়ের জন্য জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেন। বৃত্তির জন্য তিনি কানাডার কুইন্স বিশ্ববিদ্যালয়এ যোগ দেন এবং সেখানে অর্থনীতি বিভাগে মাস্টার্স এবং পি. এইচ. ডি. ডিগ্রি অর্জন করেন।

১৯৭৯ সালে দেশে ফেরত আসার পরে অল্প সময়ের মধ্যেই আকবর আলি খান জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি লাভ করেন। তাকে আবারও প্রশাসনের মন্ত্রীপরিষদ বিভাগে যোগ দেওয়ার জন্য আহ্বান জানানো হয়।

১৯৮৪ সালে তিনি সাভারের বিপিএটিসি-তে মেম্বার ডাইরেক্টিং স্টাফ হিসেবে যোগ দেন। ১৯৮৭ সালের আগ পর্যন্ত তিনি পল্লী উন্নয়ন বোর্ড, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় এবং কর্মকমিশন সচিবালয়ে কাজ করেন।

ওয়াশিংটনের বাংলাদেশ দূতাবাসে অর্থমন্ত্রী পদে যোগ দেন আকবর আলি খান। ঢাকায় ফিরে তিনি অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংকিং বিভাগে অতিরিক্ত সচিব পদে যোগ দেন।  ১৯৯৩ এ সরকারের সচিব হিসেবে পদোন্নতি লাভ করেন। ১৯৯৩ থেকে ১৯৯৬ পর্যন্ত জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন আকবর আলি খান। ১৯৯৬ সালে তিনি অর্থ সচিব হিসেবে অর্থ মন্ত্রণালয়ে বদলি হন।

২০০১ সালে তিনি বিশ্বব্যাংকে বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসাবে বিকল্প এক্সিকিউটিভ ডাইরেক্টর পদে যোগদান করেন। বিশ্ব ব্যাংকে তিনি ২০০২ সাল থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত কাজ করেন। বিশ্ব ব্যাংক থেকে অবসর গ্রহণের তিনি ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় সেন্টার ফর গভর্নমেন্ট স্টাডিজ প্রতিষ্ঠিত করেন।

আকবর আলি খান দেশের ঐতিহাসিক ও অর্থনৈতিক পরিবর্তন ও অগ্রগতি নিয়ে গবেষণা করছেন। একই সঙ্গে তিনি জীবনানন্দ দাশের কবিতা নিয়ে গবেষণা করছেন। আলি আকবর খানের গ্রন্থ হিস্টোরি অব বাংলাদেশবা বাংলাদেশের ইতিহাসএশিয়াটিক সোসাইটি কর্তৃক প্রকাশিত।

পরার্থপরতার অর্থনীতিআকবর আলি খানের গবেষণাধর্মী একটি আলোচিত বই।


আরও খবর

পঞ্চগড়ে নৌকা ডুবে ২৪ জন নিহত

রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২

এবার ৩২ হাজার মণ্ডপে দুর্গাপূজা

রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২