Logo
শিরোনাম

সুফিবাদ কী ও কেন ?

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৯ জুলাই ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ |
Image

মাজহারুল ইসলাম মাসুম, সিনিয়র সাংবাদিক লেখক ও গবেষক :

 সুফিবাদ বা তাসাওউফ বা ত্বরিকত ইসলামের প্রাণ। শরিয়ত ইসলামের দেহ বা দেহাবরণ, অনুষ্ঠান, অনুশাসন, আরাধনা ও উপাসনা।

ইসলামের বিশ্বব্যাপী জয় ও জনপ্রিয়তার বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সুফিবাদের ভূমিকা অত্যুজ্জল। এর প্রকৃত দাবীদার মহান সুফিগণ, দরবেশগণ, আল্লাহ্র মহান ওলীগণ। কেননা ইসলাম ধর্মের বিকাশে নানা প্রতিকূল অবস্থায় ভীষণ ও ভয়াবহ, বীভৎসপরিবেশে মৃত্যুর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে ইসলামের যে প্রথম প্রচার ও প্রসার তা সুফিগণেরই অবদান এবং জীবন মরণ দুর্জয় সাধনায় আল্লাহ প্রাপ্তির মহা উদ্দেশ্যে নিশীথ রাতের নির্জন ইবাদতে তাদের যেমন সীমা-পরিসীমা ছিল না, ইসলাম প্রচারেও তেমনই সাধনাতেও কোন ক্লান্তি ছিলনা। এক্ষেত্রেও তারা ছিলেন মৃত্যুঞ্জয়ী সাধক, ন্যায়ের সৈনিক-মুজাহিদ ও সফলকাম সিদ্ধ পুরুষ। আবার অন্যদিকে ভৌগোলিক সীমারেখা পেরিয়ে সুফিকুল যেখানেই মানবতা লাঞ্ছিত হয়েছে, মানবতার পতন ঘটেছে, সেখানেই মানুষ মাত্রকেই ভাই বলে তাদের হয়েছেন জীবনমরণ পণ করে। সত্য ও সুন্দরের পথে সংসারের কঠিন মাটিতে পবিত্র কোরআনের আলোকবর্তিকা হাতে নিয়ে জাতি- ধর্ম- বর্ণ নির্বিশেষে আবালবৃদ্ধ বণিতার মাঝে প্রেম-প্রীতি ভালবাসা ও মনুষত্বের অনির্বাণ মশাল জ্বালিয়ে দেন এই মহান সুফিসাধকগণ। যা ইসলামের ইতিহাসে চির অনির্বাণ। এখানেই তারা মহাপুরুষ। এক ও অদ্বিতীয় আল্লাহর আহ্বানে এবং নির্মল মনুষ্যত্বের জয়গানে পবিত্র কোরআন তাদের শ্রম সাধনা এবং মানমর্যাদার স¦ীকৃতি দিল। এরূপ স্বীকৃতি মানব সমাজের কোন ধর্মের কোন গোষ্ঠীর ভাগ্যেই আর জোটেনি। বিশ্ববাসীর কাছে কোরআনের প্রকৃত শিক্ষা তুলে ধরতে ইসলামের নির্ভেজাল প্রচার ও নিরঙ্কুশ প্রসারেও এর মুল বাণী ও তা অমিত প্রাণশক্তিকে জাগ্রত করতে, দুর্গত মানবতার উদ্ধারকল্পে, আপসহীন চিত্তে মনুষ্যত্বের পতাকা উত্তোলন করতে বিশ্বমানবতা আপন করতে সকল প্রকার সামাজিক ও সাম্প্রদায়িক বৈষম্য পরিত্যাগ করে জীবনের সকল ক্ষেত্রে সবাইকে ভাইবোন বলে হাতে হাত রেখে বিশ্বভ্রাতৃবন্ধন স্থাপন করতে লা-শরীক এক আল্লাহ প্রেমে তাঁর প্রশংসা ও আশ্রয় পেতে জীর্ণমানবতার ময়দানে মরণের মুখোমুখি দাঁড়িয়েও অখন্ড মানব সমাজের চির অবহেলিত,গভীর বেদনাহত মানুষগুলির বুকে সাম্য ও ভ্রাতৃত্বের প্রতিষ্ঠায় সুফি সমাজের যে নিরন্তর উল্লেখযোগ্য অবদান, যে চিরস্মরণীয় লোমহর্ষক কাহিনী ও কথা, যে মৃত্যুহীন জীবনগাথা ইসলামের সারা চৌহদ্দী ও সর্বকালীন ইতিহাসে তা অপেক্ষা অধিক গুরুতর ও উল্লেখযোগ্য আর কিছু নাই। ইসলামের মহান সুফিকুল আজও সারা বিশ্বের মহাবিস্ময়।

সুফি শব্দের উৎপত্তি :


সুফি শব্দের উৎপত্তি নিয়ে নানা মুনির নানা মত রয়েছে । প্রতিটি মতের পিছনে কিছু না কিছু দলিল রয়েছে । আমরা এখানে কয়েকটি উল্লেখ করছি। (১) সাউফ অর্থ পশম (২) সাফা অর্থ পবিত্র (৩) সফ অর্থ সারি, লাইন বা শ্রেণী (৪) সুফিয়া  অর্থ জ্ঞান।
১। সুফি শব্দের উৎপত্তি সাউফ বা পশম হতে । এক শ্রেণীর বুদ্ধিজীবীর ধারণা অধিকাংশ সুফি তাঁদের দারিদ্র্যবশত পশম পরিধান করতেন তাই তাদের মতে সুফি শব্দটি
সাউফ হতে উদ্ভুত।
২। সাফা শব্দ হতেও সুফি শব্দের উৎপত্তি হয়েছে মর্মে অনেকে মনে করেন, কেননা সাফা শব্দের অর্থ সাফ তথা পবিত্রতা বা পবিত্রতা লাভ করা । সুফিগণের প্রধান উদ্দেশ্যই হলো আল্লাহকে লাভ করা এবং আল্লাহকে লাভ করার প্রথম ও প্রধান কাজই হলো আপন সত্তাকে বা অন্তরাত্মাকে পবিত্র করা। তাই সাফা শব্দ হতে সুফি শব্দটি উৎপত্তি হয়েছে মর্মে মনে করা হয়।

৩। সফ শব্দ হতেও সুফি শব্দটি উদ্ভুত হয়েছে বলে যারা মনে করেন, তারা বলেন মহানবী (দঃ) এর সাথে একদল মানুষ সদাই নবীজীর (দঃ) জন্য প্রস্তুত থাকতেন , তাঁরা মসজিদে নববীতেই থাকতেন , তারা ঘর- সংসার করেন নি, তাঁরা ছিলেন রাসূলে নিবেদিত প্রাণ, এদের বলা হতো আসহাবে সুফফা। সুফিগণ  ভক্ত বা অনুসারী হিসেবে নিজেদের বিবেচনা করতেন বিধায় সুফী শব্দটি সফ শব্দ হতে উদ্ভুত হয়েছে বলে ধারণা করা হয়।
৪। সুফিয়া বা সুইউফ এটি গ্রীক শব্দ এর অর্থ প্রভুর বা ঈশ্বরের জ্ঞান । সুফিগন সব সময় স্রষ্টার সাধনায় মগ্ন থাকতেন, তাঁকে জানতে চাইতেন, তাঁর মহিমা বুঝতে চাইতেন , তাঁর আদি রহস্য উৎঘাটন করতেন,মহাত্মা প্ল্যাটো (৪২৮/৪২৭-৩৪৮/৩৪৭ খৃঃ পূঃ) গ্রীক দার্শনিক/রাজা এর যে বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করেছেন তাতে তিনি যে একজন ঐশ্বরিক জ্ঞান সম্পন্ন রাজা হবেন তাই বর্ণনা করেছেন। তাই আমরা ধারণা করতে পারি প্রকৃতপক্ষে শব্দটির অর্থ হলো ঐশ্বরিক জ্ঞানে জ্ঞানী। কিন্তু পরবর্তীত ইংরেজ চিন্তাবিদগণ এই শব্দ আংশিক পরিবর্তন করে ৎ অর্থ জ্ঞানের অনান্য সকল শাখাকে এই শব্দের অর্থ হিসাবে নির্বাচন করেছেন। এরই ধারাবাহিকতায় আধুনিক শিক্ষার ব্যবস্থার সর্বোচ্চ ডিগ্রী হিসাবে নির্ধারণ করা হয়েছে। অবশ্য বাঙালি চিন্তানায়কগণ এই শব্দের বাংলা অর্থ হিসেবে দার্শনিক শব্দটি নির্ধারণ করে এর মধ্যে অন্তর্দৃষ্টি দিয়ে দেখে প্রকৃত সত্য জানার আগ্রহকে বুঝিয়েছেন। অথবা জ্ঞান চক্ষু দিয়ে প্রকৃত সত্যকে যিনি দেখেন তিনিই দার্শনিক


আরও খবর

সুফিবাদ ও ইসলাম

রবিবার ২৪ জুলাই ২০২২

সুফিবাদ কি

রবিবার ০৩ জুলাই ২০২২




কেজিতে ৫-৭ টাকা কমল চালের দাম

প্রকাশিত:রবিবার ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ |
Image

বাজারে আউশ ধান ওঠায়, ওএমএস ও খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি চালু থাকায় এবং আমদানিতে শুল্ক কমিয়ে আনায় কমতে শুরু করেছে চালের দাম। সপ্তাহখানেক আগে মোটা চাল প্রতি কেজি ৫৫ টাকায় বিক্রি হলেও এখন হচ্ছে ৫০ টাকায়। এ ছাড়া কেজিতে দুই থেকে তিন টাকা কমেছে মাঝারি ও সরু চালের দাম। ফলে কয়েক সপ্তাহ ধরে চালের দাম বাড়ার যে প্রবণতা চলছিল, তা কমে গেছে। নওগাঁ এবং দিনাজপুরে শনিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে প্রকার ভেদে আমদানি করা চালের দামও কেজিপ্রতি ৫ থেকে ৭ টাকা করে কমেছে।

দিনাজপুর হিলি স্থলবন্দর কাস্টমস অধিদপ্তরের সহকারী কমিশনার মো. কামরুল হাসান জানান, পূর্বের নির্ধারিত কাস্টমস বিভাগের পরিপত্রে ভারত থেকে আমদানি করা চাল ২৫ শতাংশ কর বেঁধে দেওয়া ছিল। তবে মজুদদারদের কারণে দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় খাদ্য অধিদপ্তর আমদানিকারকদের চাল আমদানি করার জন্য তাগিদ দেন এবং কর হ্রাস করা হবে বলে তাদের আস্বস্ত করেন।

শনিবার সকাল থেকে খালাস করা চাল দেশের বিভিন্ন জেলায় ট্রাক যোগে পাইকারি বাজারে ছেড়ে দেওয়া হয়। এতে চালের বাজার কেজি প্রতি ৫ থেকে ৭ টাকা কমে গেছে। ফলে স্বর্ণা চাল ৫০ টাকা কেজিতে খুচরা বাজারেই পাওয়া যাচ্ছে। মিনিকেট চাল ৭০ টাকা কেজি বিক্রি হলেও তা ৬৫ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। এভাবেই চালের প্রকার ভেদ অনুযায়ী কেজি ৫ থেকে ৭টা কমে বিক্রি হচ্ছে।

এর আগে গত আগস্ট মাসের শুরুর দিকে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার ফলে পরিবহন খরচ বাড়ার অজুহাতে সব ধরনের চালের দাম মানভেদে পাঁচ থেকে সাত টাকা বাড়িয়ে দেন ব্যবসায়ীরা। তবে ৩০ আগস্ট চালের আমদানি শুল্ক কমিয়ে দেওয়ায় ও গরিব মানুষের কষ্ট লাঘবের জন্য বুধবার থেকে সরকার ওএমএস ও খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি চালু করায় চালের দাম কমতে শুরু করেছে।

এদিকে, নওগাঁর মিলমালিক ও চালের আড়তদারদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, চালের আমদানি শুল্ক কমানোর ঘোষণার পর থেকেই মিলে উৎপাদিত চালের ফরমাশ কমতে শুরু করেছে। অনেকে আগের দেওয়া ফরমাশ বাতিল করেছেন। এ ছাড়া বুধবার থেকে সারা দেশে ওএমএস ও খাদ্যবান্ধব কার্যক্রম চালু হওয়ায় খুচরা বাজারে চালের চাহিদা কমে গেছে। ফলে খুচরা চাল বিক্রেতারাও মোকাম থেকে চাল কেনা কমিয়ে দিয়েছেন। আমদানি করা চাল এরই মধ্যে খোলাবাজারে আসতে শুরু করেছে।

বাংলাদেশ অটো রাইস মিল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক বলেন, সরকার চালের বাজার নিয়ন্ত্রণের জন্য আমদানি শুল্ক কমিয়ে দিয়েছে। শুল্ক কমায় চাল আমদানি বেড়েছে। এ ছাড়া ওএমএস ও খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি চালু করা হয়েছে। এসব কারণে স্বাভাবিক কারণেই চালের বাজারে প্রভাব পড়েছে। মোকামে চাল বিক্রি কমে যাওয়ায় মিলাররা বাজার থেকে ধান কেনা কমিয়ে দিয়েছেন। ফলে বাজারে ধানের দাম প্রতি মণে ২০০ টাকা কমে গেছে। এ ছাড়া জ্বালানি তেল প্রতি লিটারে ৫ টাকা কমায় কিছুটা হলেও ধান-চালের পরিবহন খরচ কমেছে। এসব কারণে চালের দাম কেজিতে দুই থেকে চার টাকা পর্যন্ত কমেছে।


আরও খবর

পঞ্চগড়ে নৌকা ডুবে ২৪ জন নিহত

রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২

এবার ৩২ হাজার মণ্ডপে দুর্গাপূজা

রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২




আগস্টে রপ্তানি বেড়েছে ৩৬ শতাংশ

প্রকাশিত:রবিবার ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ |
Image

আগস্টে রপ্তানি আয়ে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৩৬ দশমিক ১৮ শতাংশ। অর্থবছরের দ্বিতীয় মাসে ৪৬৭ কোটি ১৮ লাখ ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর সর্বশেষ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এসময় ৪৩০ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিলো। সে হিসাবেও আয় বেড়েছে ৮ দশমিক ৬৫ শতাংশ বেশি। গড় হিসেবেঅর্থবছরের প্রথম দুই মাসে দেশের রপ্তানি আয়ে ২৫ দশমিক ৩১ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে। দুই মাস মোট আয় ৮৫৯ কোটি ১৮ লাখ ডলার। যেটি লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও ৪ দশমিক ৫২ শতাংশ বেশি। এসময় তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়েছে ৭১১ কোটি ২৬ ডলারের। এ খাতে প্রবৃদ্ধি ২৬ শতাংশ। তবে এসময় কৃষিজাত পণ্যের রপ্তানি আয় অনেক কমে গেছে । 


আরও খবর

স্বর্ণের দাম কমেছে

রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২




রাশিয়া সফরে মিয়ানমারের সেনাপ্রধান

প্রকাশিত:রবিবার ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ |
Image

মিয়ানমারের সেনাপ্রধান মিন অং হ্লাইং আগামী সপ্তাহে রাশিয়া সফরে যাচ্ছেন। ইস্টার্ন ইকনোমিক ফোরামের সম্মেলনে যোগ দিতে দেশটি সফরে যাচ্ছেন তিনি। মিয়ানমারের গণমাধ্যমগুলো এ খবর নিশ্চিত করেছে।

চীন, ভারত, জাপানসহ বেশকিছু দেশের প্রতিনিধিরাও ইস্টার্ন ইকনোমিক ফোরামের ওই সম্মেলনে অংশ নেবেন। দেশটির গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়, দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা এবং বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কে জোরদারে রাশিয়া সফরে দেশটির সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন মিন অং হ্লাইং। বৈঠকে দুই দেশের অর্থনীতি ও সরকারের সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা হবে। 


আরও খবর

জাতিসংঘে রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী

রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২

জাতিসংঘের ভূমিকায় হতাশ মালয়েশিয়া

রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২




সুনামগঞ্জের টাঙ্গুয়ার হাওরে ভ্রমণে সাহিত্যিকদের জলভোজন

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ |
Image

শফিউল আলম, স্টাফ রিপোর্টার :

সুনামগঞ্জের বিভিন্ন উপজেলার কবি সাহিত্যিক সাংবাদিক লেখক কলামিস্ট গীতিকার শিল্পী সহ

জেলার তাহিরপুর উপজেলার টাঙ্গুয়ার হাওরে জলভোজনের আয়োজন করা হয়। ৯ সেপ্টেম্বর শুক্রবার শ্রীপুর উত্তর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলী হায়দারের আমন্ত্রণে জলভোজন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। 

ইসলামগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের বাংলা প্রভাষক সুরমার মোহনার সম্পাদক কবি ফজলুল হক দোলন,দিগেন্দ্র বর্মন সরকারি কলেজের ইংরেজি প্রভাষক কবি মোঃ মশিউর রহমান,

 জাগ্রত কন্ঠ সমাজকল্যাণ সাংস্কৃতিক পরিষদের সভাপতি কবি মোঃসহিদ মিয়া, কবি এস ডি সুব্রত,ডেল্টা লাইফ ইন্সুরেন্সের জেলা এজিএম মিসবাহ উদ্দিন রুমি, মইনুল হক কলেজের প্রভাষক কবি তৈয়ুবুর  রহমান, পল্লী চিকিৎসক কবি মো শফিক আহমদ, গীতিকার সামরান আহমদ মিলন,সাংবাদিক শফিউল আলম প্রমুখ। টাঙ্গুয়ার হাওর ভ্রমণের পরে শহীদ সিরাজ লেকে (নীলাদ্রি) 


বৈকালি আড্ডায় গান,কবিতা আবৃত্তি অনুষ্ঠিত। প্রভাষক কবি মোঃ মশিউর রহমান বলেন,

সকালে টাঙ্গুয়ার হাওরে বিশাল জলরাশির সৌন্দর্য উপভোগ করে, দুপুরে তাহিরপুর উপজেলার পাটলাই নদীর তীরে উত্তর শ্রীপুর বাজার ঘাটে নৌকায় স্থানীয় চেয়ারম্যান আলী হায়দার সাহেবের আমন্ত্রণে জল ভোজন শেষে বিকেলে তাহিরপুর উপজেলার টেকেরঘাটে শহিদ সিরাজ লেক ( নীলাদ্রি লেক) এ  গানে, আড্ডায় , কবিতা পাঠে চমৎকার সময় পার হলো।কবি ফজলুল হক দোলন বলেন,আজকের আয়োজন ছিল খুবই আনন্দদায়ক।এদিনটি কোন দিন ভুলা যাবে না।সময় পেলে যে কোন জন ভ্রমণে আসতে পারেন স্বপরিবারে! টাঙ্গুয়ার হাওর ভ্রমণের পরে শহীদ সিরাজ লেকে (নীলাদ্রি) 

প্রকাশ জনৈক কবি খালেদ বলেন,বনে ভ্রমণ করে খাওয়া দাওয়া করলে হয় বনভোজন। এভাবে জলে ভ্রমণ করে খাওয়া দাওয়া করলে হয় জলভোজন।


আরও খবর

বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবনে ছুটছেন দর্শনার্থীরা

বৃহস্পতিবার ০১ সেপ্টেম্বর ২০২২

বন্ধ কুয়াকাটার সব রেস্তোরাঁ

বুধবার ১৭ আগস্ট ২০২২




প্রেমঘটিত কারণ সবচেয়ে বেশি দায়ী

আট মাসে ৩৬৪ শিক্ষার্থীর আত্মহনন

প্রকাশিত:শনিবার ১০ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ |
Image

রোকসানা মনোয়ার : দেশে ক্রমেই বাড়ছে আত্মহননের প্রবণতা। বিশেষ করে নানা কারণে শিক্ষার্থীরা বেশি আত্মহননের দিকে ঝুঁকছেন। এ বছর জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত স্কুল-কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া ৩৬৪ শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছেন। এর মধ্যে ১৯৪ জনই ছিল স্কুলপড়ুয়া শিক্ষার্থী। আর ৭৬ জন কলেজপড়ুয়া এবং ৫০ জন ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। এছাড়াও মাদরাসার ৪৪ জন শিক্ষার্থী নিজের জীবন নিজেই বিসর্জন দিয়েছেন।

সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন আঁচল ফাউন্ডেশনের এক জরিপে এসব তথ্য ওঠে আসে এসব তথ্য। 

সংগঠনটি জানায়, ১৫০টি জাতীয় ও স্থানীয় পত্রিকার থেকে নেওয়া তথ্যে এ জরিপ করা হয়েছে। এর আগে ২০২১ সালে সারা দেশে মোট ১০১ শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছিল বলে জানিয়েছে সংগঠনটি। জরিপে দেখা গেছে, গত আট মাসে মোট আত্মহননকারী শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৫০ জন ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী, যাদের মধ্যে ছেলে শিক্ষার্থী ৬০ শতাংশ এবং মেয়ে শিক্ষার্থী ৪০ শতাংশ। কলেজ পড়ুয়াদের মধ্যে ৭৬ জন আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়, যাদের মধ্যে ৪৬ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ ছেলে এবং ৫৩ দশমিক ৯৫ শতাংশ মেয়ে শিক্ষার্থী। সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে স্কুল শিক্ষার্থীদের মধ্যে। গত আট মাসে ১৯৪ জন স্কুলগামী শিক্ষার্থীর মধ্যে ৩২ দশমিক ৯৯ শতাংশ ছেলে এবং ৬৭ দশমিক শূন্য ১ শতাংশ মেয়ে। আর মাদরাসাপড়ুয়া ৪৪ জন শিক্ষার্থীর ৩৯ দশমিক ২৯ শতাংশ ছেলে এবং ৬০ দশমিক ৭১ শতাংশ মেয়ে।

সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. কামাল উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, নারায়ণগঞ্জের এডিসি (শিক্ষা ও আইসিটি ডিভিশন) আজিজুল হক মামুন এবং আঁচল ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি তানসেন রোজ উপস্থিত ছিলেন।

সংগঠনের লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, তরুণ প্রজন্মকে যেকোনো প্রতিকূল পরিস্থিতির সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়ার জন্য মানসিকভাবে তৈরি করা দরকার এবং তাদের মানসিক স্বাস্থ্যের প্রতি যত্নশীল করে তোলার একান্ত প্রয়োজন। তাই আঁচল ফাউন্ডেশন শিক্ষার্থীদের আত্মহত্যার হার শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনার লক্ষ্যে কাজ করছে। তারই ধারাবাহিকতায় বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি এটি তরুণ প্রজন্মের ওপর জরিপ পরিচালনা ও আত্মহত্যার তথ্যও সংগ্রহ করছে। যাতে তরুণদের মানসিক স্বাস্থ্যের সার্বিক অবস্থা নিরূপণ করা যায়।

জরিপে ওঠে এসেছে, আত্মহত্যাকারীদের অবস্থান বিবেচনায় সবার শীর্ষে রয়েছে রাজধানী ঢাকা। আত্মহননকারীদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ২৫ দশমিক ২৭ শতাংশ, চট্টগ্রাম বিভাগে ১৬ দশমিক ৪৮ শতাংশ, খুলনা বিভাগে ১৪ দশমিক শূন্য ১ শতাংশ, রংপুর বিভাগে ৮ দশমিক ৭৮ শতাংশ, বরিশাল বিভাগে ৯ দশমিক ৬২ শতাংশ, ময়মনসিংহ বিভাগে ৭ দশমিক ৪২ শতাংশ এবং রাজশাহী বিভাগে ১৪ দশমিক শূন্য ১ শতাংশ শিক্ষার্থী রয়েছেন। অন্যদিকে সিলেট বিভাগে তুলনামূলক কম সংখ্যক শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেন, যা ৪ শতাংশ।

শিক্ষা স্তর বিবেচনায় আত্মহননকারীদের মধ্যে প্রাইমারি থেকে মাধ্যমিকের শিক্ষার্থীর হাড় ৫৩ দশমিক ৩০ শতাংশ। আত্মহত্যার দিক থেকে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে কলেজ পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা, যা ২০ দশমিক ৮৮ শতাংশ। বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া শিক্ষার্থী রয়েছে ১৩ দশমিক ৭৪ শতাংশ। এবং মাদরাসার শিক্ষার্থী ১২ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ।

মেয়েরাই বেশি আত্মহননে দিকে যাচ্ছে। আত্মহননের দিকে বেশি ঝুঁকছে মেয়ে শিক্ষার্থীরা, যা মোট আত্মহননকারীদের ৬০ দশমিক ৭১ শতাংশ। অন্যদিকে ছেলে শিক্ষার্থী রয়েছেন ৩৯ দশমিক ২৯ শতাংশ।

বয়সভিত্তিক আত্মহত্যার হার। জরিপের ফল থেকে জানা যায়, ১৩ থেকে ২০ বছর বয়সিদের মধ্যে আত্মহত্যার প্রবণতা বেশি, যা ৭৮ দশমিক ৬ শতাংশ। আত্মহননের ১৩ দশমিক ৪৬ শতাংশ ২১ থেকে ২৬ বছর বয়সি শিক্ষার্থী। আর ১৩ নিচে ৭ দশমিক ৯৭ শতাংশ শিক্ষর্থী এ পথ বেছে নেন।

প্রেমঘটিত কারণ সবচেয়ে বেশি দায়ী : আত্মহত্যার ঘটনা অনুসন্ধানে আঁচল ফাউন্ডেশনের তরুণ গবেষকরা আত্মহননের পেছনের বিভিন্ন কারণ সম্পর্কে জানতে পারেন। বিশেষ করে অভিমান, প্রেমঘটিত, ডিজিটাল ডিভাইস, সেশনজট, পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়া, পড়াশোনার চাপ, পরিবার থেকে কিছু চেয়ে না পাওয়া, পারিবারিক কলহ, ধর্ষণ ও যৌন হয়রানি, চুরি বা মিথ্যা অপবাদ, মানসিক সমস্যা, বিয়েতে প্রত্যাখ্যাত, স্বামী পছন্দ না হওয়া, বাসা থেকে মোটরসাইকেল কিনে না দেওয়া ইত্যাদি। এছাড়াও মানসিক ভারসাম্যহীনতা, বিষণ্নতা, বন্ধুর মৃত্যু, আর্থিক সমস্যার মতো বিষয়ও রয়েছে। তবে প্রাপ্ত তথ্যে প্রেমঘটিত কারণে আত্মহত্যা ঝুঁকি বেশি যাওয়া যায়। অর্থাৎ ২৫ দশমিক ২৭ শতাংশ শিক্ষার্থী প্রেমঘটিত কারণে আত্মহত্যা করেন। এরপর রয়েছে অভিমান করে আত্মহত্যার পথ বেছে নেন ২৪ দশমিক ৭৩ শতাংশ শিক্ষার্থী। পরিবারের সঙ্গে চাওয়া-পাওয়ার অমিল হওয়ায় ৭ দশমিক ৪২ শতাংশ এবং পারিবারিক কলহের কারণে ৬ দশমিক ৫৯ শতাংশ। ধর্ষণ বা যৌন হয়রানির কারণে ৪ দশমিক ৬৭ শতাংশ শিক্ষার্থী আত্মহত্যার পথ বেছে নেন। মানসিক সমস্যার কারণে ৬ দশমিক ৫৯ শতাংশ। পড়াশোনার চাপে শূন্য দশমিক ৮২ শতাংশ, সেশনজটের হতাশায় নিমজ্জিত হয়ে শূন্য দশমিক ৮২ শতাংশ এবং পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়ায় ১ দশমিক ৯২ শতাংশ শিক্ষার্থী আত্মহননের দিকে যান। ১ দশমিক ৬৫ শতাংশ চুরির মিথ্যা অপবাদে, ১ দশমিক ৯২ শতাংশ আর্থিক সমস্যায় এবং বন্ধুর মৃত্যুতে বিষাদগ্রস্ত হয়ে শূন্য দশমিক ৫৫ শতাংশ শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছেন। এছাড়াও বিয়ের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় এবং স্বামী পছন্দ না হওয়ায় ১ দশমিক ১০ শতাংশ। অন্যদিকে ১৫ দশমিক ৯৩ শতাংশ শিক্ষার্থীর আত্মহননের কারণ জানা যায়নি।

ডিজিটাল ডিভাইস ও সাইবার ক্রাইম অন্যতম : আত্মহননকারী কিছু শিক্ষার্থীর মধ্যে আত্মহত্যার পূর্বে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের মানসিক অবসাদ কিংবা বিদায় নেওয়ার কথা জানান দেওয়ার প্রবণতা লক্ষ করা গেছে। তাদের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে আত্মহত্যা করেন আটজন এবং ভিডিও কলে এসে আত্মহত্যা করেন দুজন। আর সেলফি ক্যামেরা নিজের দিকে তাক করে আত্মহত্যা করেন শূন্য দশমিক ২৭ শতাংশ প্রেমিক যুগল। এছাড়া মৃত্যুর আগে চিরকুট বা সুইসাইড নোট লিখে আটজন আত্মহত্যা করেছেন। আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও মোবাইলে ধারণের মাধ্যমে ব্ল্যাকমেইলের শিকার শিক্ষার্থীরা আত্মহত্যার পথ নিচ্ছে। এই জরিপে ওঠে আসে এ কারণে চারজন শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেন।

আঁচল ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি তানসেন রোজ আবেগ বলেন, আমরা দেখেছি শিক্ষার্থীরা পরিবার থেকে কোনো কিছু না পেয়ে অভিমান করেও আত্মহত্যা করেছেন। মোটরসাইকেল, মোবাইল চেয়ে না পাওয়ার কারণে অনেকেই আত্মহননের পথ বেছে নিয়েছেন। প্রত্যাশা পূরণ না হলে কীভাবে আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে হয়, সে বিষয়ে আমাদের শিক্ষার্থীদের মধ্যে অনেক বড় ধরনের অভাব পরিলক্ষিত হচ্ছে। তিনি বলেন, আমাদের অনেক বড় ধরনের প্রকল্প হাতে নিতে হবে। সাত বছরের একজন বাচ্চা যার আত্মহত্যা বোঝার মতো বয়সও হয়নি, তার আত্মহত্যার পেছনের কারণগুলোও বিশ্লেষণ করে শিশু অবস্থা থেকেই শিক্ষার্থীদের মনোবল শক্ত করতে ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন এসেছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. কামাল উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী বলেন, আত্মহত্যার ঘটনাগুলো আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে। বিশেষ করে কম বয়সি স্কুলগামী থেকে শুরু করে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে এই প্রবণতা বেশি। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, স্কুলগামী আত্মহত্যাকারী শিক্ষার্থীদের সংখ্যা ৬০ শতাংশেরও বেশি। এই হার এত উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পাওয়ার পেছনে কারণগুলো কী! তা খুঁজে বের করে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া এখন সময়ের দাবি। অন্যথায় শিক্ষার্থীরা এখন যে অবস্থার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে তাতে আত্মহত্যা না করলেও তাদের অন্যান্য মানসিক সমস্যায় আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে।

শিক্ষার্থীদের আত্মহত্যা প্রতিরোধ ও মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষায় আঁচল ফাউন্ডেশনের ১০ প্রস্তাবনা :

১. আত্মহত্যা মোকাবিলায় বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে একটি টাস্কফোর্স গঠন।

২. পাঠ্যপুস্তকে মানসিক শিক্ষাকে এবং মনের যত্নের কৌশলগুলোকে শিক্ষার্থীদের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়া।

৩. স্কুল-কলেজে অভিভাবক সমাবেশের আলোচিত সূচিতে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য ও আত্মহত্যা সম্পর্কিত এজেন্ডা রাখতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা প্রদান।

৪. মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও আত্মহত্যা প্রতিরোধে সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মনোরোগ বিশেষজ্ঞ নিয়োগ করা।

৫. প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের প্রাথমিক মানসিক স্বাস্থ্য প্রশিক্ষণ প্রদান।

৬. সহশিক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহণ বৃদ্ধি ও বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা।

৭. মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করা প্রতিষ্ঠানগুলো দ্বারা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভ্রাম্যমাণ ক্যাম্পেইন পরিচালনা করা।

৮. হতাশা, আপত্তিকর ছবি, আত্মহত্যার লাইভ স্ট্রিমিং, জীবননাশের পোস্ট ইত্যাদি চিহ্নিত করতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিশেষ টুলস ব্যবহার করা।

৯. আত্মহত্যার ঘটনায় পরিবার ও পরিচিতদের দায় অনুসন্ধানে আইনি বাধ্যবাধকতা থাকা।

১০. মানসিক স্বাস্থ্যসেবা দ্রুত ও সহজলভ্য করতে একটি টোল ফ্রি জাতীয় হট লাইন চালু করা।


আরও খবর

পঞ্চগড়ে নৌকা ডুবে ২৪ জন নিহত

রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২

এবার ৩২ হাজার মণ্ডপে দুর্গাপূজা

রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২