Logo
শিরোনাম
শবে বরাত পালন মুসলিম জাতিকে একতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ করে। ৫৭ তম খোশরোজ শরীফ ও মইনীয়া যুব ফোরামের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন বাঙালি সাংস্কৃতিতে মাইজভাণ্ডারী ত্বরীকার সাথে সম্পর্ক রয়েছে সীমান্তে হত্যা বন্ধের দাবীতে প্রতীকী লাশ নিয়ে হানিফ বাংলাদেশীর মিছিল লক্ষ্মীপুরে কৃষক কাশেম হত্যা: স্ত্রী, শ্বশুরসহ গ্রেপ্তার ৫ কুমিল্লা সিটি’র উপনির্বাচন: মেয়র পদে প্রতীক বরাদ্দ অবৈধ মজুদকারীরা দেশের শত্রু : খাদ্যমন্ত্রী ফতুল্লায় সিগারেট খাওয়ার প্রতিবাদ করায় কিশোরকে পিটিয়ে হত্যা বকশীগঞ্জে মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা নোবিপ্রবিতে সিএসটিই এলামনাই এসোসিয়েশনের নতুন কমিটি গঠন

সভাপতির স্বাক্ষর জাল করে শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগ

প্রকাশিত:শনিবার ০৫ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টারঃ 


নওগাঁর মান্দায় সভাপতির স্বাক্ষর জাল করে কলেজের বিভিন্ন পদে ১৩ জন শিক্ষক-কর্মচারীকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে বলে মান্দা মহানগর কলেজ’ অধ্যক্ষ রুহুল আমিনের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবী জানিয়ে গত ১ নভেম্বর কলেজের সাবেক সভাপতি সামন্ত কুমার সরকার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার মান্দা মহানগর কলেজ ২০১২ সালে অ্যাকাডেমিক স্বীকৃতি লাভ করে। কলেজ প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত পরিচালনা কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতা সামন্ত কুমার সরকার। এসময়ে কলেজের বিভিন্ন পদে ২০১৩ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত ৩০ জন শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগ দেয়া হয়। এ ছাড়া ২০২০ সালে ৬ মাসের জন্য অ্যাডহক কমিটির প্রধানের পদেও ছিলেন তিনি। তার সময় কালে কলেজের আর কোন পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশসহ নিয়োগের কোন কার্যক্রম করেননি।


তিনি অভিযোগে আরো বলেন, আমার দায়িত্ব কালে মোঃ মমিনুল (প্রভাষক), মোঃ আক্কাছ আলী (প্রভাষক ইসলাম শিক্ষা), মোঃ সুলতান মাহাবুব (প্রভাষক), মোঃ রেজাউল করিম (প্রভাষক), মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান (প্রভাষক), মোঃ মামুনুর রশিদ (প্রভাষক), আনিছুর রহমান (প্রভাষক), মো জাহিদুল হক (প্রভাষক), মোঃ মাইনুল ইসলাম (প্রভাষক), জয়ন্ত কুমার সাহা (ডেমো), এটিএম কামরুজ্জামান (ডেমো), মোঃ গোলাম রাব্বানী (ডেমো), মোছাঃ জান্নাতুন ফেরদৌসী (অফিস সহকারী) পদে অবৈধ নিয়োগ দেখানো হয়েছে। আমার স্বাক্ষর জাল করে গোপনে রেজুলেশন তৈরী করে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ ও ভূয়া নিয়োগ বোর্ডের মাধ্যমে এসব পদে উল্লেখিত ব্যক্তিদের নিয়োগ দিয়ে টাকা আত্মসাৎ করেন অধ্যক্ষ রুহুল আমিন। উক্ত বিষয়টি আমার নিকট সন্দেহাতীত হলে আমি অধ্যক্ষ মহোদয়কে আমার কার্যকালীন সময়ের রেজুলেশন বই দেখতে চাইলে সে অস্বীকৃতি জানায়।

কলেজের সাবেক সভাপতি সামন্ত কুমার সরকার বলেন, আমার কার্যকালে অতিরিক্ত পদে আর কোনো নিয়োগ দেয়া হয়নি। বিষয়টি জানার পর কলেজ অধ্যক্ষ রুহুল আমিনকে নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে যাবতীয় কাগজপত্র দেখাতে বলেছিলাম। কিন্তু বিভিন্ন অজুহাতে তিনি আজ নেয় কাল বলে সময়ক্ষেপণ করে টালবাহানা করে চলেছেন। এতে আমার সন্দেহ ঘনিভূত হয়ে আরও বেড়ে যায়।

তিনি অভিযোগে আরো উল্লেখ করেন, আমার স্বাক্ষর জালিয়াতি করে নিয়োগ সংক্রান্ত রেজুলেশন তৈরি করা হয়েছে। এরপর ভূয়া নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশসহ যোগসাজসী বোর্ড গঠন করে ওইসব পদে শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগ দিয়ে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেন অধ্যক্ষ রুহুল আমিন। বিষয়টি তদন্তের জন্য ইতিমধ্যে বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে মান্দা মহানগর কলেজের অধ্যক্ষ রুহুল আমিনকে একাধিক বার মুঠোফোনে কল দিলেও তিনি রিসিভ না করায় তার কোন বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

অভিযোগ প্রাপ্তির সত্যতা নিশ্চিত করে মান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু বাক্কার সিদ্দিক বলেন, ঘটনার বিষয়ে অভিযোগ পাওয়ার পরই বিষয়টি তদন্তের জন্য উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদনের উপর ভিত্তি করে দ্রুত যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে।


আরও খবর



জননিরাপত্তা নিশ্চিতে অপচেষ্টা প্রতিহত করুন : প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ |

Image

জননিরাপত্তা রক্ষায় যেকোনো অপচেষ্টা প্রতিহত করতে সাহস ও আন্তরিকতার সাথে রুখে দাঁড়াতে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর (ভিডিপি) সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, দেশের বৃহত্তম বাহিনী হিসেবে আপনাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে হবে। জননিরাপত্তা রক্ষায় যেকোনো অশুভ তৎপরতা প্রতিহত করতে হবে। আপনাদের সততা, সাহস ও আন্তরিকতার সাথে এটা করতে হবে।

সোমবার  সকালে গাজীপুরের সফিপুরে বাংলাদেশ আনসার-ভিডিপি একাডেমিতে বাংলাদেশ আনসার ও ভিডিপির ৪৪তম জাতীয় সমাবেশ-২০২৪ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, জনগণের নিরাপত্তা ও বিনিয়োগের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং শান্তি বজায় রাখা তার সরকারের পবিত্র দায়িত্ব।

 

তিনি বলেন, দেশের সার্বিক উন্নয়নের পূর্বশর্ত রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, সুষ্ঠু অর্থনৈতিক পরিবেশ ও গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা অব্যাহত রাখা পূর্বশর্ত। দেশে এমন পরিবেশ বজায় রাখার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দেশের অর্জিত উন্নয়নের কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ এখন যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবেলার সক্ষমতা অর্জন করেছে।

দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে সকলকে সততার সাথে কঠোর পরিশ্রম করার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

তিনি দেশের সরকারি-বেসরকারি কাঠামো ও প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে সর্ববৃহৎ বাহিনী আনসার-ভিডিপির ৬১ লাখ সদস্যের অবদানের কথা স্মরণ করেন।

বৃহৎ এই বাহিনীটিতে দুটি নারী ব্যাটালিয়ন এবং একটি বিশেষায়িত ব্যাটালিয়নসহ মোট ৪২টি ব্যাটালিয়ন রয়েছে।


সূত্র : ইউএনবি

 


আরও খবর



বাড়তি দামেই বিক্রি হচ্ছে মাছ সবজি

প্রকাশিত:শুক্রবার ০২ ফেব্রুয়ারী 2০২4 | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

ভরা মৌসুমে বাজারে প্রচুর সরবরাহ থাকার পরেও লাগামহীন রয়েছে সবজির দাম। ষাটের নিচে তেমন কোনো সবজি নেই বললেই চলে। তবে সপ্তাহের ব্যবধানে কিছুটা কমেছে আলুর দাম। প্রায় আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে পেঁয়াজ। কেজিতে ২০-৩০ টাকা কমেছে রসুনের দাম।

শুক্রবার (০২ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, লম্বা বেগুন প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ৭০-৮০ টাকা, গোল বেগুন ৮০-৯০ টাকা, ফুলকপি ৪০-৫০ পিস, বাঁধাকপি ৪০-৫০ টাকা, শিম ৮০-১০০ টমেটো ৭০-৮০, পেঁপে ৪০-৫০ টাকা, করলা ৭০-৮০ টাকা, চিচিঙ্গা বিক্রি হচ্ছে ৭০-৮০ টাকা, ঢেঁড়শ ৭০-৮০ টাকা মান ও সাইজভেদে লাউ ৭০-১০০ টাকা, শশা ৫০-৬০, মূলা ৪০-৫০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। যা গেল সপ্তাহজুড়ে কিছুটা কমে বিক্রি হয়েছে।

এছাড়াও শাকের মধ্যে সরিষা শাক আঁটি ১৫ টাকা, ডাটা শাক ১৫ টাকা, পালং ১৫-২০ টাকা, লাউ শাক ৪০-৫০, লাল শাক ১৫ টাকা, বথুয়া শাক ১৫-২০ টাকা আঁটি বিক্রি হচ্ছে। তবে বাজারে দোকানের তুলনায় ভ্যানে কিংবা ফুটপাতের দোকানগুলোতে প্রত্যেক সবজির দাম ৫-১০ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে সপ্তাহের ব্যবধানে আলুর দাম কিছুটা কমেছে। ৪০ টাকায় নেমেছে আলুর কেজি। এছাড়াও ভ্যান গাড়িতে কিছু ছোট সাইজের আলু ৩৫ টাকাতেও বিক্রি হতে দেখা গেছে। তবে দেশি আলু বিক্রি হচ্ছে ৬০-৭০ টাকায়। ভরা মৌসুমেও কমছে না পেঁয়াজের দাম। প্রতি কেজি পেঁয়াজ ৯০-১০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। কোনো কোনো বাজারে ১১০-১২০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হতে দেখা গেছে। তবে সপ্তাহের ব্যবধানে কিছুটা কমেছে রসুনের দাম। প্রতি কেজি আমদানি করা রসুন ২২০-২৪০ টাকা বিক্রি হতে দেখা গেছে। নতুন দেশি রসুন ২০০-২২০ টাকা কেজি। এছাড়াও আদা ২২০-২৪০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।

অপরদিকে অস্বস্তি রয়েই গেছে মাছ-মাংসের বাজারে। আবারও ২০০ টাকা ছাড়িয়েছে ব্রয়লার মুরগীর দাম। সোনালি ৩০০-৩৩০ টাকা। আবারও গরুর মাংস ৭০০-৭৫০ টাকায় দাম উঠেছে।

মাছের বাজারে সাইজ ভেদে তেলাপিয়া ২২০-২৩০ ও পাঙাশ ১৮০ থেকে ২২০ টাকা। যা গেল সপ্তাহেও একই দামে বিক্রি হয়েছে। অন্য মাছের মধ্যে মাঝারি ও বড় আকারের চাষের রুই, কাতলা ও মৃগেল মাছের দাম প্রতি কেজি ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা। এছাড়াও ৬০০ টাকার নিচে নেই পাবদা, টেংরা, কই, বোয়াল, চিতল, আইড় ও ইলিশ মাছ। মাছ যত বড় তার দাম ততো বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।

 


আরও খবর

চড়া দাম অধিকাংশ পণ্যের

শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




তিন মাস পর কারামুক্ত মির্জা আব্বাস

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

৩ মাস কারাভোগের পর বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস কারামুক্ত হয়েছেন। সোমবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিটে কারামুক্ত হন তিনি।

জেল থেকে বের হয়ে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় সাংবাদিকদের মির্জা আব্বাস বলেন, আমাদের গণতন্ত্র মুক্তির আন্দোলন চলবে। জেলে অনেক কর্মী এখনও বন্দি। তাদেরও মুক্তির ব্যবস্থা করতে হবে। কারণ পানি ছাড়া যেমন গাছ বাঁচে না তেমনি কর্মী ছাড়া একটি দল বা সংগঠন চলতে পারে না। জেলে তাদের সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে। আমি সরকারকে আহ্বান জানানো, আমাদের নেতাকর্মীদের ভালো চিকিৎসার ব্যবস্থা করুন।

এর আগে আজ ঢাকা রেলওয়ে থানার এক মামলায় মির্জা আব্বাসের জামিন মঞ্জুর করেন আদালত। ঢাকার জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট জুলহাস উদ্দিন শুনানি শেষে দশ হাজার টাকা মুচলেকায় তার জামিন মঞ্জুর করেন। ফলে গত ২৮ অক্টোবর বিএনপির মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে মির্জা আব্বাসের বিরুদ্ধে হওয়া ১১ মামলার সবগুলোতে জামিন পেলেন তিনি।

এদিকে মির্জা আব্বাসের জামিনের খবরে কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারের সামনে বিএনপি নেতাকর্মীরা জড়ো হতে থাকেন। মির্জা আব্বাস বের হওয়ার পর তাকে বহনকারী গাড়ি ঘিরে নেতাকর্মীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে।

গত বছরের ২৮ অক্টোবর বিএনপির মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে মির্জা আব্বাসের বিরুদ্ধে ১১টি মামলা দায়ের হয়। এর মধ্যে শাহজাহানপুর থানার নাশকতা ও বিস্ফোরক আইনের মামলায় ৩১ অক্টোবর রাতে ঢাকার শহীদবাগ থেকে মির্জা আব্বাসকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশ।

পরদিন ১ নভেম্বর আব্বাসের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। রিমান্ড শেষে ৫ নভেম্বর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। এরপর থেকে তিনি কারাগারে আটক ছিলেন।


আরও খবর

কাদের-চুন্নুকে পদ থেকে সরানো হয়েছে

শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ঘিরে নতুন ষড়যন্ত্র

শুক্রবার ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




ফতুল্লায় সিগারেট খাওয়ার প্রতিবাদ করায় কিশোরকে পিটিয়ে হত্যা

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

বুলবুল আহমেদ সোহেল :

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় সিগারেট খাওয়ার প্রতিবাদ করায় সালমান নামে এক কিশোরকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে কিশোরগ্যাংয়ের হামলায় এ হত্যাকান্ডটি ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা চালায় স্থানীয় এক ইউপি সদস্য। 

নিহত সালমান (১৭) খুলনা জেলার শাহারাবাদ থানার জিনারতলা গ্রামের ভ্যান চালক মোফাজ্জল মিয়া ও খুকু বেগমের ছেলে। তারা স্বপরিবারে ফতুল্লার কুতুবপুর চিতাশাল কুসুমবাগ এলাকার ২নং গলির শাহজাহান মিয়ার বাড়িতে ভাড়া থাকেন।

নিহতের মা খুকু বেগম বলেন, বৃহস্পতিবার রাত ৯টায় ক্যানেলপাড় এলাকায় সাদ্দাম মিয়ার চায়ের দোকানের সামনে সালমান দাড়িয়ে ছিলো। তখন জাহিদ নামে এক ছেলে সিগারেট ধরায়। সালমান তাকে দূরে গিয়ে সিগারেট খেতে বললে দলবল নিয়ে লোহার রড ও লাঠি দিয়ে সালমানকে এলোপাথারি মারধর করে জাহিদ। সন্ত্রাসী হামলার শিকার হয়ে আহত অবস্থায় বাসায় ফিরলেও  শুক্রবার ভোর রাত ৪টায় তার অবস্থা খারাপ হওয়ায় দ্রুত হাসপাতালে নেয়ার পথে সালমান মারা যায়। এর পর স্থানীয় ইউপি মেম্বার জামান জানান,এ বিষয় নিয়ে থানা পুলিশ করলে লাশটা পুলিশ নিয়ে যাবে এবং ময়না তদন্তের জন্য কাটা ছেড়া করবে। তিন স্থানীয় ভাবে মিমাংসার কথা জানান। এক প্রকার মামলা না করার জন্য চাপ প্রয়োগ করেন। এসব কারণে শুক্রবার সন্ধ্যা পর্যন্ত ঘটনাটি ধামাচাপা ছিল। পর খবর পেয়ে গলায় দানের আগে মুহর্তে লাশ নিয়ে যায় ময়নাতদন্তের জন্য।

এবিষয়ে কুতুবপুর ইউনিয়ন পরিষদের ৪নং ওয়ার্ডের সদস্য জামান বলেন, এক ছেলে ফোন করে জানিয়েছে বৃহস্পতিবার রাতে ক্যানেলপাড় সাদ্দাম মিয়ার চায়ের দোকানের সামনে পোলাপান ঝগড়া করেছে। এতে মারধরে একজন মারাগেছে। এরপর বিষয়টি নিয়ে নিহত ছেলের বাবার সাথে ফোনে কথা বলে বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছি। তখন নিহতের বাবাকে বলেছি আপনে ইচ্ছে করলে স্থানীয় ভাবে মিমাংসা করতে পারেন আমি সহযোগীতা করবো। আর যদি তা না চান তাহলে মামলা করতে পারেন। 

এ ব্যাপারে ফতুল্লা মডেল থানার ওসি নূরে আজম জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে মামলার প্রস্তুতি চলছে।


আরও খবর



হাত ঘুরে আলুর দাম বাড়ছে ৫০%

প্রকাশিত:রবিবার ২৮ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

আগাম তোলার পর এখন বাজারে এসেছে নতুন আলু। দাম কমেছে ভোক্তা পর্যায়ে। তবে খেত থেকে বিক্রির হওয়া আলুর দামের সঙ্গে বাজারে বিক্রি হওয়া দামের পার্থক্য অনেক। হাত ঘুরতেই আলুর দাম বাড়ে যাচ্ছে ৫০ শতাংশ। কৃষক পর্যায়ে ৩০ টাকা কেজি দরের আলু বাজারে বিক্রির হচ্ছে ৪০ থেকে ৪৫ টাকায়। দেশে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য রয়েছে আলুর ব্যবসায়। এ কারণে ঠকছেন কৃষক ও ভোক্তারা।

এছাড়া দেশের বিভিন্ন জেলায় আলুর উচ্চফলন হলেও হিমাগার না থাকায় সংরক্ষণের সুযোগ পাচ্ছেন না কৃষকরা। ফলে পচনের ভয়ে কম দামেই আলু বিক্রি করতে হচ্ছে তাদের। পরে বছর শেষে কৃষককেই আলু কিনতে হচ্ছে বিক্রির চেয়ে কয়েকগুণ বেশি দামে। দেশের বিভিন্ন জেলা-উপজেলায় খোঁজ নিয়ে এই অবস্থা দেখা গেছে। এ জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ বিভাগের তৎপরতার কমতিকে দায়ী করছেন ক্রেতারা।

গতকাল বৃহস্পতিবার দেশের বিভিন্ন এলাকায় খেত থেকে আলু বিক্রি হয়েছে প্রতি কেজি ৩৫ টাকায়। একই দিনে রাজধানীর কারওয়ানবাজারে আলু খুচরা বিক্রির হচ্ছে ৪৫ টাকা দরে। তবে রাজধানী ও আশপাশের এই দামের বৈচিত্র্য পাওয়া গেছে। ঢাকার ডেমরা এলাকায় ভ্রাম্যমাণ বিক্রেতারা আলু বিক্রি করেছেন ৪০-৪৫ টাকা দরে। তবে মিরপুর এলাকায় আলু বিক্রি হয়েছে ৪৫-৫২ টাকা কেজি দরে। রাজধানীর বাসাবো এলাকায় আলু বিক্রির হয়েছে ৬০ টাকা কেজি পর্যন্ত। রাজধানীর অদূরের জেলা নরসিংদীতেও আলু বিক্রি হয়েছে এই দামে।

রংপুর : জেলার পীরগাছা উপজেলার পারুল ইউনিয়নে মাঠে আলু বিক্রি হয় কেজি ৩২-৩৫ টাকা, উপজেলা সদরের বাজারে আলু বিক্রি হয় ৩৮ টাকা। তবে জেলা শহরের মডার্ন মোড় পাইকারি বাজারে ৩৮ টাকা ও খুচরা বাজারে ৪০ টাকা কেজি দরে আলু বিক্রি হয়। গতকাল একই অবস্থা ছিল সিটি বাজারের।

বিভাগের পাঁচ জেলায় চলতি মৌসুমে ৯৮ হাজার ৫১০ হেক্টর জমিতে আলু চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। তবে আলুর চাষ হয়েছে ১ লাখ ৬০২ হেক্টর জমিতে। এতে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২ হাজার ৯২ হেক্টর জমিতে আলুর চাষ বেড়েছে। গত মৌসুমে এই অঞ্চলে ৯৭ হাজার ৩২৭ হেক্টর জমিতে আলুর চাষ করা হয়েছিল।

সংরক্ষণে হিমাগার সংকট সৃষ্টি না হলেও আলু উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে চলতি বছর অতিরিক্ত কুয়াশায় লেটব্লাইটের শঙ্কা কাটাতে ওষুধ ছিটানোতে খরচ বাড়ছে কৃষকের।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর রংপুরের উপপরিচালক মো. রিয়াজ উদ্দিন বলেন, চলতি মৌসুমে রংপুরে ৫৩ হাজার ৯৩০ হেক্টর জমিতে আলু চাষ হয়েছে, যা বিভাগের মধ্যে সর্বোচ্চ। এ অঞ্চলে আলু সংরক্ষণের ৬৭টি হিমাগারের মধ্যে ৪০টিই রংপুর জেলায় অবস্থিত।

সিরাজগঞ্জ : জেলায় ৩ হাজার ৭০ হেক্টর জমিতে আলু চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও আবাদ হয়েছে ২ হাজার ৬৯৫ হেক্টর। এ থেকে আলুর উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৫০ হাজার টন হয়েভে বলে জানিয়েছে জেলা কৃষি বিভাগ।

জেলায় সরকারি কোনো হিমাগার না থাকায় চাষিরা সনাতন পদ্ধতিতে আলু সংরক্ষণ করেন। ফলে অনেক সময় সংরক্ষিত আলু নষ্ট হওয়ায় কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্ত হন তারা।

ফড়িয়া ব্যবসায়ীরা সরাসরি মাঠে থেকে ১০০০ থেকে ১২০০ টাকায় মণ (কেজি ৩০-৩২) আলু কিনছেন। জেলার বাজারে জাত ভেদে ৩০-৪৫ টাকা কেজি দরে আলু বিক্রি হচ্ছে।

জেলার তাড়াশ উপজেলার নাদোসৈয়দপুর গ্রামের আলু চাষি সালাম জানান, এবার আলুর দাম ও ফলন ভালো। তবে হিমাগার না থাকায় আলু সংরক্ষণ করতে পারি না। যে কারণে ফড়িয়া ব্যবসায়ীদের কাছে কম দামে আলু বিক্রি করতে বাধ্য হই।

তবে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপপরিচালক (শস্য) মশকর আলী আলুর ভালো ফলন হওয়ার পাশাপাশি বাজারে দাম বেশি থাকায় কৃষকরাও লাভবান হচ্ছেন বলে দাবি করেছেন।

বগুড়া : বগুড়ায় এবার আগে বছরের চেয়ে ২ হাজার হেক্টর বেশি জমিতে আলু চাষ হয়েছে। গত বছর ৫৩ হাজার ২১৫ হেক্টর জমি থেকে ১২ লাখ ২৪ হাজার ১২০ টন আলু উৎপাদন হয়। চলতি মৌসুমে আলু চাষ হয়েছে ৫৫ হাজার ২৬০ হেক্টর জমিতে। এখান থেকে উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১৩ লাখ ২০ হাজার ৪৭৫ টন।

বগুড়ায় পাকড়ি জাতের আলু জমি থেকেই কৃষক বিক্রি করছেন প্রতি কেজি ৩৭-৩৮ টাকা দরে। সেই আলু শহরের পাইকারি বাজার রাজাবাজারে এসে প্রতি কেজি ৪৪ টাকা ও খুচরা বাজারে ৪৫-৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়া ডায়মন্ড, এস্টারিক্স, কার্ডিনাল জাতের আলু জমি থেকে ৩৪-৩৬ টাকা বিক্রি হলেও পাইকারি বাজারে ৪০-৪৩ টাকা ও খুচরা বাজারে ৪৫ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে।

সদরের শাখারিয়া এলাকার চাষি রফিকুল ইসলাম জানান, আগাম জাতের আলু তারা উত্তোলন করে জমি থেকেই বিক্রি করছেন, এতে তাদের পরিবহন খরচ বেঁচে যাচ্ছে। তবে বাজার রাজাবাজারের পাইকারি ব্যবসায়ী রায়হান আলী জানান, পরিবহন খরচ, খাজনা, বাছাই খরচ মিলে প্রতি কেজি ২ থেকে ৩ টাকা খরচ হয়।

মুন্সীগঞ্জ : চলতি বছর জেলায় ৩৪ হাজার ৩৫৫ হেক্টর জমিতে আলু আবাদ করা হয়েছে। মুন্সীগঞ্জ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী তা লক্ষ্যমাত্রা চেয়ে ১০ হেক্টর বেশি। তবে জেলায় এখনো আলু তোলা তেমন শুরু হয়নি। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. জাকির হোসেন বলেন, আলু গাছে যেন আগাম নাভিদশা রোগ থেকে প্রতিকার ও প্রতিরোধে ছত্রাকনাশক ওষুধ ছিটাতে কৃষকদের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

নরসিংদী : জেলার ছয় উপজেলার মধ্যে শিবপুর, মনোহরদী, বেলাব ও রায়পুরায় সবচেয়ে বেশি আলু আবাদ হয়েছে। জেলায় এবার প্রায় ২ হাজার হেক্টর জমিতে আলু আবাদ হয়েছে। কৃষি কার্যালয়ের তদারকির ফলে বিভিন্ন এলাকায় বাম্পার ফল হয়েছে।

জেলার রায়পুরা উপজেলার রংপুর গ্রামের চাষি মাহালম মিয়ার প্রায় দুই একর জমিতে ৪৭ মণ আলু হয়েছে। তিনি বলেন, প্রথম দিকে প্রতি মণ আলু দুই হাজার টাকার বেশি দরে বিক্রি করেছেন। এখন ১ হাজার ৯০০ টাকায় বিক্রি করায় প্রতি কেজির দাম পড়ছে প্রায় ৪৮ টাকা। তবে বাজার ঘুরে প্রতি মণ আলুর দাম পড়ছে ২ হাজার ৪০০ টাকা দরে। এতে প্রতি কেজি পড়ছে ৬০ টাকা। এদিকে নরসিংদীতে আলু সংরক্ষণাগার (হিমাগার) না থাকার কারণে কৃষকরা সঠিক দাম পায় না। পচনের ভয়ে কম দামে বিক্রি করতে বাধ্য হন তারা।

নীলফামারী :জেলায় চলতি মৌসুমে জেলায় আলুর ভালো ফলন হলেও খেত ও বাজারের দামের ফারাকে হতাশ চাষিরা। আলু খেত থেকে আলু বিক্রি হচ্ছে কেজি প্রতি ২৪-২৫ টাকা দরে। হাত ঘুরে বাজারে একই আলু বিক্রি হচ্ছে কেজি ৪৫ টাকায়। সদর উপজেলার মুন্সীপাড়া গ্রামের মমতাজ উদ্দিনসহ একাধিক চাষির সঙ্গে কথা বলে এই অবস্থা জানা গেছে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক এস এম আবু বকর সাইফুল ইসলাম জানান, চলতি মৌসুমে জেলায় আলু চাষাবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারিত হয় ২১ হাজার ৭১২ হেক্টর জমি। তবে হঠাৎ আলু বাজার ঊর্ধ্বমুখী হওয়ায় আরো ২৭৮ হেক্টর বেশি জমিতে আলু চাষ করেছেন কৃষকরা। এতে উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ লাখ ১৬ হাজার ৭৬৫ টন।

জেলার বড় বাজারের আলু সরবরাহকারী আদম আলী জানান, জেলার ফড়িয়া ব্যবসায়ীরা খেত থেকে আলু সংগ্রহ করা আলু তাদের কাছে ২৭-২৮ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছেন। দেশের বিভিন্ন পাইকারি বাজারে তারা এই আলু বিক্রি হচ্ছে ৩১-৩২ টাকা কেজি দরে।

শহরের ডাকবাংলো সড়কের সার্কিট হাউজপাড়ার বাসিন্দা আজগার আলী জানান, চাষিরা আলু বিক্রি করছে ২৫ টাকা কেজি দরে, সেই আলু খুচরা বাজারে বিক্রি হচ্ছে কেজি ৪৫ টাকায়। এজন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ প্রতিষ্ঠানের উদাসিনতাকে দায়ী করছেন তিনি।

জেলায় বার্ষিক খাওয়া আলুর চাহিদা ৭৪ টন ও বীজ আলুর চাহিদা ৩৪ হাজার টন। জেলায় বিএডিসি ২টি ও ব্যক্তিমালিকানাধীন ৯টি হিমাগারে আলুর ধারণক্ষমতা রয়েছে ১ লাখ ২০ হাজার ২৫০ টন। ফলে জেলায় উৎপাদিত আলু স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে উদ্বৃত্ত থাকছে প্রায় ৪ লাখ ১৬ হাজার ৭৬১ টন।

বিরামপুর (দিনাজপুর) : উপজেলায় বিরামপুরের পাইকারি ব্যবসায়ী আবদুল মজিদ জানান, গত সপ্তাহে ১ হাজার ৮০০ টাকা মণ কিনেছি, বৃহস্পতিবার কেনা হয়েছে ১ হাজার ১০০ টাকা। এদিকে দেশি আলু গত সপ্তাহে ছিল ২ হাজার ৪০০ থেকে আড়াই হাজার টাকা মণ, বৃহস্পতিবার এর দাম কমে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৩০০ থেকে ১ হাজার ৪০০ টাকা মণ।

ফলে খুচরা ব্যবসায়ী ফারুক জানান, সপ্তাহের ব্যবধানে আলুর দাম কমেছে কেজি ১৫ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত। গত সপ্তাহে প্রকার ভেদে দাম ছিল ৫৫-৬০ টাকা কেজি। বর্তমান বাজারে প্রকার ভেদে আলুর কেজি ৩৫ থেকে ৪৫ টাকা পর্যন্ত। কৃষি কার্যালয় জানিয়েছে, চলতি মৌসুমে উপজেলায় ১ হাজার ৭০০ হেক্টর জমিতে বিভিন্ন জাতের আলু চাষ করা হয়েছে। গত মৌসুমের চেয়ে এবার আগাম আলুর ফলন বেশি হওয়ায় কৃষকদের লোকসান হবে না।


আরও খবর

চড়া দাম অধিকাংশ পণ্যের

শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪