Logo
শিরোনাম

টানা ক্ষমতায় থাকায় এতো উন্নয়ন : প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:Tuesday ১৫ November ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ০৭ February ২০২৩ |
Image

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সরকার টানা ক্ষমতায় থাকার কারণেই এতো উন্নয়ন করা সম্ভব হয়েছে। সকালে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সপ্তাহের উদ্বোধন করে তিনি আরো বলেন, যে কোনো দুর্ঘটনায় ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা সবার আগে ছুটে যায়। তাই এই বাহিনীকে আরও আধুনিক করে গড়ে তুলতে হবে।

দুর্ঘটনা দুর্যোগ হ্রাস করি- বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ি স্লোগানে, এবার ফায়ার সার্ভিসের ৪৫ জন কর্মকর্তা কর্মচারিকে সেবা ও সাহসিকতার জন্য পুরস্কার দেয়া হয়। এছাড়া কর্মীদের উন্নত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করার কথাও বলেন প্রধানমন্ত্রী। সেই সঙ্গে সিভিল ডিফেন্স ও দমকল বাহিনীর কর্মীদের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে অনুদান রাখার কথাও বলেন। প্রতিটি উপজেলায় ফায়ার স্টেশন চালুর পরিকল্পনা অনুযায়ী শিগগিরই আরো ৫২টি নতুন ফায়ার স্টেশন চালু হচ্ছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী।


আরও খবর



তথ্য পরিবর্তন করে ২২ বছর

কারারক্ষীর চাকুরী করা প্রতারক তাজুল‌কে গ্রেপ্তার করলো র‌্যাব

প্রকাশিত:Saturday ১৪ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Tuesday ০৭ February ২০২৩ |
Image

নিজস্ব প্রতি‌বেদক ,কু‌মিল্লা :         

প্রতারণার খবর পাওয়া যায় যা সিনেমার গল্পকেও হার মানায়। এমনি এক ধূর্ত প্রতারক তাজুলকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। তথ‌্য গোপন ক‌রে ২২বছর কারারক্ষীর চাকুরী করা প্রতারক তাজুল ইসলাম‌কে কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া বাজার  থে‌কে গ্রেপ্তার ক‌রেছে র‌্যাব। ওই এলাকার বা‌ড়ি থে‌কে ৩ সেট কারারক্ষী ইউনিফর্ম, ১ টি কারারক্ষী জ্যাকেট,১ সেট কারারক্ষী রেইনকোট, ভুয়া জাতীয় পরিচয়পত্র সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ নথি-পত্রাদি উদ্ধার ক‌রে‌ছে র‌্যাব।

শুক্রবার সকা‌লে কু‌মিল্লার শাকতলা  র‌্যাব কার্য‌্যাল‌য়ে এক সংবাদ স‌ম্মেল‌নে র‌্যাব -১১উপ-পরিচালক,

কোম্পানী অধিনায়ক‌ মেজর মোহাম্মদ সাকিব হোসেন

জানান-  ভুয়া পরিচয় দিয়ে দীর্ঘ ২২ বছর ধরে চাকুরী করে গেছে কারারক্ষীর মত স্পর্শকাতর জায়গায়।  গত ২০০১ সালে হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর থানার শাহজাহানপুর গ্রামের মোঃ নুর উদ্দিন খান এর ছেলে মোঃ মঈন উদ্দিন খান কারারক্ষী পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেখে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে হাজির হয়ে শারীরিক ফিটনেস, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা দি‌য়ে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রত্যেকের স্থায়ী ঠিকানায় নিয়োগপত্র পরবর্তীতে ডাকযোগে প্রেরণ করা হবে। একই নিয়োগ দেখে উক্ত প্রতারকও পরীক্ষা দেয় এবং অকৃতকার্য হয়। এরই মধ্যে প্রতারকসহ আরো দুইজন সুযোগের সদ্ব্যবহার করে মঈন উদ্দিন খানের বাড়িতে যান ও নিজেদের কারাকর্তৃপক্ষের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা হিসেবে পরিচয় দেয় এবং মঈন উদ্দিন খানকে বলে সে যদি কিছু টাকা দেয় তবে তাকে নিয়োগপত্র প্রদান করা হবে অন্যথায় তার নিয়োগ বাতিল করা হবে। কিন্তু মঈন উদ্দিন খান ঘুষ দিয়ে চাকুরী করবে না বলে টাকা প্রদানে অস্বীকৃতি জানায়। পরবর্তীতে মঈন উদ্দিন খান নিয়োগপত্র না পাওয়ায় আশাহত হয়ে বেসরকারী চাকুরী শুরু করেন। এরই মধ্যে প্রকৃত মঈন উদ্দিন খান এর ঠিকানা ব্যবহার করে অজ্ঞাত এক ব্যক্তি তার স্থলে কারারক্ষী হিসেবে চাকুরী শুরু করেন এবং বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন কারাগারে চাকুরী সম্পন্নও করেন ও সর্বশেষ ঐ প্রতারক সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারে কর্মরত ছিলেন। এরই মধ্যে জাতীয় বেতনস্কেল ২০১৫ অনুযায়ী সরকারী কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বেতন প্রাপ্তির জন্য জাতীয় পরিচয় পত্রের প্রয়োজন হলে প্রতারক প্রকৃত মঈন উদ্দিন খান এর নাম-ঠিকানা ব্যবহার করে একটি জাতীয় পরিচয় পত্র তৈরী করে ফেলে। দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হওয়ার ২০২০ সালের শেষ দিকে বিভিন্ন ইলেকট্রনিক প্রিন্ট সহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সংবাদে প্রকাশিত হয় যে, সিলেট বিভাগে প্রায় ২০০ জন কারারক্ষী সিলেটের স্থায়ী বাসিন্দা না হয়েও প্রায় ২০/২২ বছর যাবত চাকুরী করে আসছে। উক্ত সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর সিলেট বিভাগে কর্মরত প্রত্যেক কারারক্ষীর ঠিকানা যাচায়েরই জন্য তথ্য সংগ্রহ শুরু করে। তেমনিভাবে প্রকৃত মঈন উদ্দিন খান এর ঠিকানা যাচাইয়ের লক্ষ্যে কারা উপ-মহাপরিদর্শক, সিলেট কার্যালয়ে হতে শাহাজাহানপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান বরাবর একটি পত্র পাঠানো হয় এবং মঈন উদ্দিন খান সেখানকার স্থানীয় বাসিন্দা কি না এ ব্যাপারে একটি প্রত্যয়ন পত্র প্রেরণের জন্য বলা হয়। পত্র প্রাপ্তির পর শাহাজাহানপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান একটি প্রত্যয়নপত্রে উল্লেখ করেন যে, মঈন উদ্দিন খান, পিতা-মোঃ নুর উদ্দিন, গ্রাম-শাহজাহানপুর, ডাকঘর-তেলিয়াপাড়া, থানা-মাধবপুর, জেলা-হবিগঞ্জ-কে তিনি চিনেন এবং মঈন উদ্দিন খান কারারক্ষী হিসেবে চাকুরী নয় বরং স্থানীয় একটি ফার্মেসীতে ঔষুধের ব্যবসা করেন। চেয়ারম্যান কর্তৃক প্রদত্ত সার্টিফিকেট এর বিষয়ে জানার পর প্রতারক গত ২০২১সা‌লের ১৫ সেপ্টেম্বর  হতে ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ তারিখ পর্যন্ত ৫ দিনের নৈমিত্তিক ছুটিতে গমন করেন ও ২০ সেপ্টেম্বরে যোগদান করার কথা থাকলেও সে ইতিমধ্যে তার কিছু নিকট সহকর্মীদের মাধ্যমে জানতে পারে কারা কর্তৃপক্ষ তার ভুয়া ঠিকানার ব্যাপারে জানতে পারে। তার সে যোগদান থেকে বিরত থাকে। এপ্রেক্ষিতে কারা কর্তৃপক্ষ গত ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১ তারিখে তাকে ছুটি হতে যোগদান না করলে চাকুরিচ্যুত করার বিষয়টি অবগত করলে সে যোগদান না করে অতিবাস করতে থাকে।

 পরবর্তীতে ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১ তারিখ মঈন উদ্দিন খান বিভাগীয় দপ্তরে চাকুরীতে যোগদানের জন্য একটি আবেদনপত্র প্রেরণ করেন যেখানে উল্লেখ করেন তিনি কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে কারারক্ষী হিসেবে পরীক্ষা দিয়ে উত্তীর্ণ হন এবং তার ভেরিফিকেশন সম্পন্ন হলেও কোন যোগদানপত্র পান নাই। বিষয়টি প্রতারক জানতে পারে ও সে শাহাজাহানপুরে মঈন উদ্দিন খান এর দোকানে গিয়ে তাকে বিভিন্ন হুমকি-ধামকি দেয় এবং সত্য ঘটনা প্রকাশ না করার জন্য বলে। কিন্তু মঈন উদ্দিন খান হুমকির কোন তোয়াক্কা না করে বিষয়টি উন্মোচন করে দিবে বলে জানালে প্রতারক ব্যক্তি মঈন উদ্দিন খানকে ১০ লক্ষ টাকা প্রদানের প্রস্তাব দেয়। কিন্তু প্রকৃত মঈন উদ্দিন খান তার এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন। পরবর্তীতে মঈন উদ্দিন খান চাকুরী পেতে উচ্চ আদালতের দারস্থ হন। এরই মধ্যে কারা কর্তৃপক্ষের পুরো বিষয়টি নিয়ে তদন্ত কার্যক্রম শুরু করে।

কারা কর্তৃপক্ষের তদন্ত কার্যক্রমে সংগৃহীত কাগজপত্রাদি পর্যালোচনা, সাক্ষীগণের সাক্ষী, জাল শিক্ষা সনদ ব্যবহার করে চাকুরীতে বহাল থাকা ও স্থানীয় বিভিন্ন ব্যক্তিবর্গের সাথে সাক্ষাতে প্রাপ্ত তথ্য, ভুয়া ঠিকানা ব্যবহার করা, প্রকৃত মঈন খান কে হুমকি ধামকি দিয়ে সত্যতা ধামাচাপা দেয়াসহ বিভিন্ন লোমহর্ষক তথ্য প্রমাণিত হয়। আরো জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চাকুরীরত প্রতারক কারারক্ষীকে গত ২০২১সা‌লের ২০ নভেম্বর তদন্ত কমিটির নিকট উপস্থিত হওয়ার জন্য নির্দেশ প্রদান করা হলে সে কর্তৃপক্ষের নির্দেশ অমান্য করে আত্নগোপনে চলে যায়। পরবর্তীতে গত বছ‌রের ৪ আগষ্ট  তারিখে অন্যের ঠিকানা-পরিচয় ব্যবহার করে প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে চাকুরীরত থাকায় তার বিরুদ্ধে এস.এম.পি এর জালালাবাদ থানায় মামলা করা হয়।     

যেহেতু কারা কর্তৃপক্ষের নিকট এই প্রতারকের প্রকৃত ঠিকানা ছিল না তাই তারা মামলায় আসামীর নাম মোঃ মঈন খান এবং অন্যান্য তথ্যাদি অজ্ঞাত দিয়ে একটি মামলা রুজু করে। মামলা দায়েরের পর  প্রতারক পুরোপুরিভাবে আত্নগোপনে চলে যায়। মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা বিভিন্ন তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করে জানতে পারেন তৎকালীন সময়ে কুমিল্লা জেলা হতে অনেক লোক কারারক্ষী পদে পরীক্ষা দিয়ে চাকুরীরত রয়েছে। পরবর্তীতে মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা প্রতারককে গ্রেপ্তা‌রের জন‌্য র‌্যাব-১১কুমিল্লা এর সহায়তা কামনা করে।

এরই প্রেক্ষিতে র‌্যাব ১১,  গোয়েন্দা সূত্র ও তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় গত ১২ জানুয়া‌রি বিকালে কুমিল্লা ব্রাহ্মণপাড়া বাজার এলাকা থে‌কে প্রতারক তাজুল ইসলামকে গ্রেপ্তার ক‌রে র‌্যাব। তারঁ বা‌ড়ি থে‌কে ৩ সেট কারারক্ষী ইউনিফর্ম, ১ টি কারারক্ষী জ্যাকেট, ১ সেট কারারক্ষী রেইনকোট, ভুয়া জাতীয় পরিচয়পত্র সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ নথি-পত্রাদি উদ্ধার করে র‌্যাব।

গ্রেপ্তারকৃত,মোঃ তাজুল ইসলাম (৪২) জানায়,ব্রাহ্মণপাড়া উপ‌জেলার ৬নং দ‌ক্ষিণ শশীদল গ্রামের মৃত মোঃ কালা মিয়ার ছে‌লে। নাম-ঠিকানা গোপন করে প্রকৃত মঈন উদ্দিন খান এর নাম-ঠিকানা ব্যবহার করে দীর্ঘদিন ধরে চাকুরী করা সহ সরকারী সুযোগসুবিধা ভোগ করে আসছিল। 

এ বিষয়ে গ্রেপ্তারকৃত আসামীকে সংশ্লিষ্ট মামলার তদন্ত পরিচালনাকারী কর্মকর্তার নিকট হস্তান্তর প্রক্রিয়াধীন র‌য়ে‌ছে।

        


আরও খবর



নওগাঁতে স্ত্রীকে বিবস্ত্র ও মাথার চুলকেটে নির্যাতন, স্বামীসহ ৪ জন আটক

প্রকাশিত:Friday ২০ January ২০23 | হালনাগাদ:Monday ০৬ February ২০২৩ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টার :

নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলা সদরে পরক্রিয়া প্রেমিক রাশেদ এর সাথে স্ত্রীকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখতে পেয়ে ক্ষিপ্ত স্বামী ও তার পরিবারের লোকজন পরক্রিয়া প্রেমিক রাশেদ এর মাথার মাঝের চুল কেটে দেন এবং স্ত্রী'র বিবস্ত্র ভিডিও সহ ছবি ধারণ করে মাথার চুল কেটে দেয়ার ঘটনা ঘটছে। এঘটনায় স্ত্রী রাবেয়া বসরী মুক্তা (৩৭) বাদী হয়ে মহাদেবপুর থানায় তার স্বামী, সতীন ও দুই দেবর সহ মোট ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করলে মহাদেবপুর থানা পুলিশ শুক্রবার পূর্বরাতে অভিযান চালিয়ে স্বামী ওবায়েদ হোসেন হীরা, দুই দেবর জোবায়ের হোসেন মানিক, ওয়াহেদ হোসেন বাদশা ও শুক্রবার সকালে সতীন উম্মে হাবিবা মোট ৪ জনকে গ্রেফতার করেছেন। লোকজনের মাঝে চাঞ্চল্যকর সৃষ্টিকারী ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার ভোর ৪ টারদিকে মহাদেবপুর উপজেলা সদরের লাইব্রেরী পট্টি মধ্যবাজার এলাকায়। 

স্থানিয় সুত্র জানায়, পরক্রিয়া প্রেমিক রাশেদ এর সাথে স্ত্রীকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখতে পেয়ে ক্ষিপ্ত স্বামী ওবায়েদ হোসেন হীরা ও তার দু' ভাই তাদের আটক করে প্রমিক রাশেদ এর মাথার মাঝখানের চুল কেটে দেন এবং স্ত্রীর মাথার চুলও কেটে নির্যাতন করেন। নির্যাতনের শিকার গৃহবধূ বাদী হয়ে স্বাসী সহ ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

মামলা সূত্রে জানাযায়, মহাদেবপুর উপজেলা সদরের ঐ মহল্লার মৃত বজলুর রহমানের ছেলে ওবায়েদ হোসেন হীরা পারিবারিক কলহের জের ধরে তার স্ত্রী রাবেয়া বসরী মুক্তাকে প্রায় দিনই মারপিট করতেন। পারিবারিক কলহের জের ধরে স্ত্রী মুক্তার সাথে ঘোষপাড়া এলাকার মৃত আয়েজ উদ্দীন আকন্দের ছেলে এনামুল হক রাসেদ এর পরক্রিয়া সম্পর্ক আছে এমন অভিযোগ তুলে গৃহবধূর স্বামী হীরা, সতিন উম্মে হাবিবা, দেবর মানিক ও বাদশা, মধ্যবাজার এলাকার মৃত জান মোহাম্মদের ছেলে সাদ্দাম হোসেন সাগর, মৃত আইজুলের ছেলে মামুন হোসেন বুধবার রাত ৩ টা থেকে ভোর ৬ টা পর্যন্ত শারিরিক নির্যাতন, মারপিট, বিবস্ত্র করে ভিডিও ধারণ, মাথার চুল কেটে নেয়া সহ জোর পূর্বক সাদা স্ট্যাম্প ও চেকে স্বাক্ষর নেয়। সংবাদ পেয়ে বৃহস্পতিবার সকালে পুলিশ গিয়ে নির্যাতনের শিকার গৃহবধূ রাবেয়া বসরী মুক্তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসেন। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার বিকেলে রাবেয়া বসরী মুক্তা স্বামী সহ ৬ জনের বিরুদ্ধে প্যানাল কোড ও পর্ণগ্রাফী নিয়ন্ত্রণ আইনে থানায় মামলা দায়ের করলে শুক্রবার পূর্ব ভোররাতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে স্বামী হীরা, দেবর মানিক ও বাদশা সহ ৩ জনকে গ্রেফতার করেন এবং শুক্রবার সকালে সতীন উম্মে হাবিবা কে ও গ্রেফতার করেন পুলিশ।

ঘটনা ও মামলার সত্যতা নিশ্চিত করে মহাদেবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোজাফফর হোসেন জানান, স্ত্রী মুক্তাকে বিবস্ত্র করে ভিডিও ধারণ করার ঘটনায় স্বামী, সতীন ও দুই দেবরকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এসময় ধারণকৃত ভিডিও সহ মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। তিনি আরো জানান, গ্রেফতারকৃত ৪ জনকে শুক্রবার দুপুরে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে নওগাঁ জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।


আরও খবর



জেলেদের আয়ের সবটাই যাচ্ছে দশমিনার দাদন ব্যবসায়ীদের পকেটে

প্রকাশিত:Monday ০৯ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Monday ০৬ February ২০২৩ |
Image

নাঈম হােসেন দশমিনা পটুয়াখালী :


পটুাখালীর দশমিনা উপজেলার তেঁতুলিয়া ও বুড়াগৌরাঙ্গর তীরবর্তী গ্রামগুলোর জেলেরা হতদরিদ্র। জীবিকার প্রয়োজনে দাদন ব্যবসায়ীদের লাল খাতায় লিখিয়ে চড়া সুদে ঋণ নিতে হয় তাঁদের। জেলেদের কষ্টের আয়ের প্রায় সবটাই চলে যায় দাদন ব্যবসায়ীদের পকেটে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, উপজেলার বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের উত্তর বাঁশবাড়িয়া বগী খালগোড়া, বাঁশবাড়িয়া লঞ্চঘাট, আমবাড়িয়া, হাজিরহাট তেঁতুলিয়া নদীর তীরে অবস্থিত। গোলখালী, সৈয়দ জাফর, কাঁলারানী, আউলিয়াপুর, পাতারচর পাগলাবাজার, সেন্টার বাজার, পাগলা বাজার, বউ বাজার, শাহজালাল বুড়াগৌরাঙ্গ নদের তীরে অবস্থিত। দয়াময়ী খালের পাশে রণগোপালদী হাট, সুতাবাড়িয়া খালের পাশে আলীপুর হাট ও দশমিনা সদর বাজারে রয়েছে শতাধিক মাছের গদি। গদি মালিকরা সাধারণ জেলেদের দাদন দিয়ে থাকে।

মানতা জেলে হজু, বাদশা, হামেলা, স্থানীয় জেলে নজরুল, ইব্রাহিম ও আনোয়ার জানায়, জেলেরা যে পরিমাণ টাকা দাদন নেন, প্রতিদিন সেই টাকার ১৫ শতাংশ দাদন ব্যবসায়ীদের দিতে হয়। পাশাপাশি জেলেদের নিজ নিজ দাদন ব্যবসায়ীর গদিতে (আরতে) এনে মৌখিক নিলামে মাছ বিক্রি করতে হয়। আর নিলামে ওঠার আগেই জেলেদের মজুত মাছের এক-দশমাংশ গদিদার সরিয়ে রাখেন। সরিয়ে ফেলা মাছ পরে আবার নিলামে তুলে বিক্রি করা হয়। আর সবটাই লিখে রাখা হয় লাল খাতায়। একবার এক গদি থেকে দাদন নিয়ে কোন জেলে পরিশোধ করতে পানেনি নিজ আয়ে। এক গদির দেনা মিটাতে পাত পাততে হয় আরেক গদিতে। 

চরবোরহান গ্রামের বশার মাঝি বলেন, গদিতে প্রথমে মাছ, এরপর নগদ টাকা কেটে নেন। এভাবে মাছ বিক্রির অর্ধেক টাকা তাঁদের পকেটে চলে যায়। এ কারণে দিনরাত পরিশ্রম করেও আমাদের সংসারে অভাব-অনটন লেগেই থাকে।

বাঁশবাড়িয়া লঞ্চঘাট বাজারের গদি মালিক মিরা খাঁ জানায়, গদি থেকে দাদন নিয়ে জালের সাভার করে নদীতে মাছ ধরেন। জেলেদের জালের সাভার করতে অনেক টাকার দরকার হয়। জেলেরা এত টাকা জোগার করে জালের সাভার করতে পারেনা বলে দাদন নিতে বাধ্য হয়। 

সেন্টার বাজার গদি মালিক মোঃ ফরহাদ খলিফা জানায়, জেলেরা আমাদের কাছ থেকে দাদন নিয়ে মাছ ধরেন। আমরা কাউকে জোর করে দাদনের টাকা দিই না। জেলেরা গরিব। নিজেদের প্রয়োজনে আমাদের কাছে এসে তাঁরা টাকা নেন। সারা দেশের মতো একই নিয়মে আমরা জেলেদের কাছ থেকে মাছ ও টাকা আদায় করি।’

এবিষয়ে দশমিনা উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ মাহাবুব আলম তালুকদার বলেন, ‘আমরা একাধিকবার চেষ্টা করেও জেলেদের দাদন ব্যবসা থেকে দূরে রাখতে পারিনি। সরকারিভাবে জেলেদের জন্য সুদবিহীন ঋণের ব্যবস্থা করা হলে হয়তো দাদন ব্যবসা বন্ধ হবে।


আরও খবর



চার বছরের ভাতিজিকে ধর্ষণের অভিযোগে চাচার বিরুদ্ধে মামলা

প্রকাশিত:Tuesday ১০ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Tuesday ০৭ February ২০২৩ |
Image

অনুপ সিংহ,নোয়াখালী প্রতিনিধি :


নোয়াখালীর কবিরহাটে চার বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে দূর সম্পর্কের চাচার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। 

অভিযুক্ত আবদুল আউয়াল ওরফে সাজু (২৫) উপজেলার নরোত্তমপুর ইউনিয়নের ৫নম্বর ওয়ার্ডের মির্জানগর গ্রামের আবুল কালাম ওরফে বাশার আমিনের ছেলে।   

গতকাল রোববার (৮ জানুয়ারি) রাত ১০টার ভুক্তভোগী শিশুর বাবা বাদী হয়ে নারীও শিশু নির্যাতন দমন আইনে এই মামলা দায়ের করেন।  এর আগে, গত ১৯ ডিসেম্বর বেলা ১১টার দিকে উপজেলার নরোত্তমপুর ইউনিয়নে এই ঘটনা ঘটে।  

পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ১৯ ডিসেম্বর বেলা ১১টার দিকে অভিযুক্ত যুবক সাজু ভিকটিম শিশুকে ২টি সিভিট ট্যাবলেট দিয়ে তার ঘরে নিয়ে যায়। একপর্যায়ে আরো সিভিট দেওয়ার লোভ দেখিয়ে সেখানে ভিকটিমকে ধর্ষণ করে সাজু। ভুক্তভোগী শিশু বিষয়টি তার মাকে জানালে অভিযুক্ত সাজু দৌড়ে পালিয়ে যায়। পরে সেখান থেকে নির্যাতিত শিশুকে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়।    

 জানতে চাইলে কবিরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.রফিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, এই ঘটনায় ভিকটিমের বাবা বাদী হয়ে নারী শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশ  অভিযুক্ত আসামিকে গ্রেফতারে চেষ্টা চালাচ্ছে।


আরও খবর



গজারিয়ায় ভাটেরচর উচ্চ বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:Wednesday ০১ February ২০২৩ | হালনাগাদ:Monday ০৬ February ২০২৩ |
Image

শাকিল প্রধান,গজারিয়া (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধি: 

গজারিয়ায় ভাটেরচর দে এ মান্নান পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান ২০২৩ইং অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার সকাল ১০টা থেকে দিনব্যাপী এই ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক, জাতীয় সংসদ সদস্য, আধুনিক মুন্সীগঞ্জের রূপকার, মুন্সীগঞ্জের মাটি ও মানুষের নেতা এ্যাড. মৃণাল কান্তি দাস, উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গজারিয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান রেফায়েত উল্লাহ খান তোতা সিআইপি। বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও রুপালী ব্যাংকের উপ মহাব্যবস্থাপক মোঃ সাখাওয়াত হোসেন এর সভাপতিত্বে এবং বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মুঃ শাহজাহান শিকদার এর সঞ্চালনায় অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন, সাবেক উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক ফরিদা ইয়াসমিন, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মো: আসাদুজ্জামান, গজারিয়া থানা তদন্ত ওসি মোঃ মুক্তার হোসেন, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ জাকির হোসেন, টেংগারচর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কামরুল হাসান ফরাজী, বাউশিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মিজানুর রহমান প্রধান, হোসেন্দী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মনিরুল হক মিঠু, গুয়াগাছিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী খোকন, ইমামপুর ইউপি চেয়ারম্যান হাফিজুজ্জামান খান জিতু, সাবেক উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি কামরুজ্জামান সাগরসহ ম্যানেজিং কমিটির সদস্যবৃন্দ, শিক্ষক শিক্ষিকাবৃন্দ, অভিভাবকগণ ও বিদ্যালয়ের ছাত্র ছাত্রীবৃন্দ।

ক্রীড়া প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ীদের মাঝে প্রধান অতিথি পুরস্কার বিতরণ করেন।


আরও খবর