Logo
শিরোনাম
শবে বরাত পালন মুসলিম জাতিকে একতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ করে। ৫৭ তম খোশরোজ শরীফ ও মইনীয়া যুব ফোরামের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন বাঙালি সাংস্কৃতিতে মাইজভাণ্ডারী ত্বরীকার সাথে সম্পর্ক রয়েছে সীমান্তে হত্যা বন্ধের দাবীতে প্রতীকী লাশ নিয়ে হানিফ বাংলাদেশীর মিছিল লক্ষ্মীপুরে কৃষক কাশেম হত্যা: স্ত্রী, শ্বশুরসহ গ্রেপ্তার ৫ কুমিল্লা সিটি’র উপনির্বাচন: মেয়র পদে প্রতীক বরাদ্দ অবৈধ মজুদকারীরা দেশের শত্রু : খাদ্যমন্ত্রী ফতুল্লায় সিগারেট খাওয়ার প্রতিবাদ করায় কিশোরকে পিটিয়ে হত্যা বকশীগঞ্জে মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা নোবিপ্রবিতে সিএসটিই এলামনাই এসোসিয়েশনের নতুন কমিটি গঠন

তাপমাত্রা নামতে পারে ৬ ডিগ্রিতে

প্রকাশিত:শনিবার ০৩ ডিসেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

রোকসানা মনোয়ার : ডিসেম্বরে দুটি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে দেশের ওপর দিয়ে। এতে তাপমাত্রা ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে আসতে পারে। বৃহস্পতিবার দীর্ঘমেয়াদী পূর্বাভাসে এমন তথ্য জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

আবহাওয়াবিদ ড. এ এম মান্নান জানান, ডিসেম্বর সামগ্রিকভাবে দেশে স্বাভাবিক অপেক্ষা কম বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা আছে। এ মাসে বঙ্গোপসাগরে ১-২টি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে, যার মধ্যে একটি নিম্নচাপে রূপ নিতে পারে।

এছাড়া চলতি মাসে দিন ও রাতের তাপমাত্রা ক্রমান্বয়ে কমতে পারে। তবে দিন ও রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিক থাকতে পারে। মাসের শেষার্ধে দেশের কোথাও কোথাও ১-২টি মৃদু (০৮-১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস) অথবা মাঝারি (০৬-০৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস) শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে।

এদিকে ডিসেম্বরে দেশের নদী অববাহিকায় ভোর থেকে সকাল পর্যন্ত মাঝারি থেকে ঘন এবং অন্যত্র হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়বে। প্রধান নদ-নদীগুলোতে স্বাভাবিক প্রবাহ বিরাজমান থাকতে পারে। অন্যদিকে চলতি মাসে দেশে দৈনিক গড় বাষ্পীভবন ২ দশমিক ৫০-২ দশমিক ৫০ মিলিমিটার এবং গড় উজ্জ্বল সূর্যকিরণকাল হবে সাড়ে চার থেকে সাড়ে ছয় ঘণ্টা।


আরও খবর



পরকিয়া সম্পর্ক থেকে বিয়ে' দন্দ মেটাতে জীবন দিলো স্বামী-স্ত্রী

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, সিনিয়র রিপোর্টার :

নওগাঁয় ঘরে স্ত্রী ও দু' সন্তান থাকার পরও সুমন হোসেন (৩০) নামের এক যুবক দু' সন্তানের জননী গোলাপী আক্তার (৩০) এর সাথে পরকিয়া প্রেমে জড়িয়ে পড়েন। এক পর্যায়ে সেই সম্পর্ক স্থায়ী করতে গোপনে তারা দু'জন বিয়ে করেন। বিয়ের পর বউ কে ঘরে নিয়ে তোলার পরই সুমন হোসেন এর পরিবারে শুরু হয় দন্দ-বিবাদ। আর সেই দন্দ বিবাদ মেটাতে সুমন হোসেন ও গোলাপি আক্তার   

(স্বামী-স্ত্রী) দু'জন গ্যাস বড়ি সেবন করে আত্মহত্যা করেছেন। মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলার চেরাগপুর ইউনিয়ন এর বড়াইল গ্রামে।

নিহত স্বামী স্ত্রী হলেন, বড়াইল গ্রামের

আঃ রাজ্জাক এর ছেলে সুমন হোসেন (৩০) ও তার স্ত্রী গোলাপী আক্তার (৩০)। স্থানিয় ইউপি সদস্য তাছির প্রতিবেদক কে বলেন, সুমন হোসেন এর ঘড়ে স্ত্রী সহ ১০ বছর বয়সী ছেলে এবং ৬ বছর বয়সী এক মেয়ে দু'জন সন্তান থাকার পরও সে পরক্রিয়ায় জড়িয়ে ফের বিয়ে করার পর পরিবারে বিবাদ-দন্দ শুরু হলে স্বামী-স্ত্রী গ্যাস বড়ি পান করে আত্নহত্যা করেন।

অপরদিকে নিহত দু' জনের পরিবার, স্বজন ও থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সুমন হোসেন তার প্রথম স্ত্রী খাতিজা বেগম কে না জানিয়ে সরস্বতীপুর গ্রামের মৃত মতিন মিস্ত্রির স্বামী পরিতাক্তা মেয়ে ও দু' সন্তানের জননী গোলাপী আক্তার কে গোপনে এক সপ্তাহ পূর্বে বিয়ে করার পর  নওহাটামোড় বাজারে একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করলেও গত মঙ্গলবার সুমন এর প্রথম স্ত্রী খাদিজা দু' সন্তান সহ তার বাবার বাড়ি বেড়াতে গেলে এ সুযোগে সুমন তার ছোট বউ গোলাপি কে বাড়িতে (ঘরে) এনে তোলেন। বুধবার বিকেলে খাদিজা বাড়িতে ফিরে আসার পর থেকেই স্বামীর গোপন সম্পর্ক, বিয়ে ও নতুন বউকে এনে ঘরে তোলা নিয়ে ঝগড়া-বিবাদ চলছিলো তাদের মাঝে। তারা রাতের খাবার এক সাথে খাই। পারিবাকি দ্বন্দ্বে রাত ৯টার দিকে সুমন হোসেন ও গোলাপী আক্তার গ্যাস বড়ি সেবন করলে প্রতিবেশীরা জানতে পেরে তাদের উদ্ধার পূর্বক রাত ১১টার দিকে নওগাঁ সদর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মাত্র কয়েক ঘন্টার ব্যবধানে বৃহস্পতিবার পূর্বরাত সারে ১২টার দিকে গোলাপী আক্তার ও রাত ২ টার দিকে সুমন হোসেন স্বামী-স্ত্রী দু' জনের মৃত্যু হয়। এব্যাপারে

নওগাঁ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল এর

ডাঃ আবু আনসারি জানান, হাসপাতালে নিয়ে আসার পর দু' জনের অবস্থা খুবই ঝুকি ছিলো। তাদের অবস্থা আশংকা জনক অবস্থায় হাসপাতাল থেকে রেফার্ড করার প্রক্রিয়া করা হলেও রোগীর স্বজনরা অন্যত্র নিতে অপরগতা জানালে এক পর্যায়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দু' জনের মৃত্যু হয় বলেও জানান তিনি।

দু' জনের মৃত্যুর সত্যতা নিশ্চিত করে

নওগাঁর মহাদেবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ রুহুল আমিন বলেন, পারিবারিক দ্বন্দ্বে গ্যাস ট্যাবলেট সেবন করে আত্মহত্যা করেছেন বলে প্রাথমিক ভাবে জানাগেছে। তারপরও ঘটনাটি আমরা তদন্ত করছি। ময়না তদন্তের পর দুটি মৃতদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।


আরও খবর



স্কুল থেকে বিদায় নিতে এসে পৃথিবী থেকে বিদায় নিলেন এসএসসি পরীক্ষার্থী

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, সিনিয়র রিপোর্টার :

স্কুলের বিদায় অনুষ্ঠানে এসে পৃথিবী থেকে বিদায় নিলেন এসএসসি পরীক্ষার্থী।

বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলায় স্কুলের বিদায় অনুষ্ঠান এর আয়োজন করতে গিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে মাদক সেবনের পর অসুস্থ হয়ে সিহাব হাসান সৈকত (১৭) নামের একজন এসএসসি পরীক্ষার্থীর মৃত্যুর অভিযোগ ওঠেছে। সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারি দুপুরে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। সিহাব হাসান সৈকত শিবগঞ্জ উপজেলার রায়নগর ইউনিয়ন এর দক্ষিণ কৃষ্ণপুর গ্রামের সেলিম হোসেন এর ছেলে।

নিহতের চাচা মিলু হোসেন জানান, সিহাব হাসান সৈকত শিবগঞ্জ উপজেলার

মহাস্থান উচ্চ বিদ্যালয় এর এসএসসি পরীক্ষার্থী। গত শনিবার স্কুলে তাদের বিদায় অনুষ্ঠান ছিল। সিহাব হাসান সৈকত ঐ অনুষ্ঠানের আয়োজন সম্পূর্ণ করার কথা বলে শুক্রবার সন্ধ্যায় বাড়ি থেকে বের হয়। ঐদিন সে বন্ধুদের সঙ্গে স্কুল এলাকায় মাদক সেবন করে অসুস্থ হয়ে পড়ে ও মহাস্থান এলাকায় এক বন্ধুর বাড়িতে গিয়ে থাকেন।

বিষয়টি জানতে পেরে শনিবার অসুস্থ অবস্থায় প্রথমে তাকে বাড়িতে আনা হয়। এরপর রবিবার সকালে সে আরো বেশি অসুস্থ হয়ে পড়লে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার দুপুরে সিহাব হাসান সৈকত এর মৃত্যু হয়।

এব্যাপারে মহাস্থান উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নুরুল ইসলাম সংবাদকর্মীদের বলেন, ‌একজন পরীক্ষার্থী'র মৃত্যু হয়েছে বলে জেনেছি। তবে কী কারনে মৃত্যু হয়েছে তা আমার জানা নেই।

বগুড়া শজিমেক হাসপাতালের জরুরী বিভাগের চিকিৎসক নুরে শেফা শাহিনা জানান, বিষক্রিয়ায় সিহাবের মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিক ভাবে ধারনা করা হচ্ছে, তবে ময়না তদন্তের পর মৃত্যুর সঠিক কারন জানা যাবে।

ঘটনার বিষয়ে বগুড়ার শিবগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুর রউফ বলেন, এক স্কুল ছাত্র বিষক্রিয়ায় হাসপাতালে মারা গেছে বলে জেনেছি, এব্যাপারে আইনানুগ পদক্ষেপ চলমান রয়েছে।


আরও খবর



ফ্রিজে বাসি-পচা খাবার রাখায় এক রেস্টুরেন্টকে ১ লাখ টাকা জরিমানা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, সিনিয়র রিপোর্টার

নওগাঁয় রান্না ঘরে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ, ফ্রিজে বাসি-পচা খাবার রাখায় শহরের রুবির মোড়ে অবস্থিত পঞ্চ হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট এর মালিককে ১ লাখ টাকা জরিমানা করেছে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ। বৃহস্পতিবার বিকেলে অভিযান চালিয়ে জরিমানা করা হয়। অভিযান পরিচালনা করেন, বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সোহেল রানা। অভিযানে রেস্টুরেন্টটির রান্না ঘরে অভিযান চালিয়ে ফ্রিজে বাসি-পচা খাবার মজুত, রান্নার কাজে ব্যবহৃত পচা রসুন, রান্না করা সবজি, রান্না করা গরুর মাংস, রান্না করা মুরগির মধ্যে পশম, পুড়া তেল, মসলার মধ্যে তেলাপোকা ও মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য রাখা সহ নানা অপরাধে রেস্টুরেন্টটি'র অস্বাস্থ্যকর সব খাবার জব্দ করা হয়। পরে রেস্টুরেন্ট এর মালিকের উপস্থিতিতে নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩ অনুসারে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। নওগাঁ জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা চিন্ময় প্রামানিক বলেন, হোটেল ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন সময় প্রশিক্ষণ ও সভা সেমিনার করে বলা হয়েছিল রান্না করা খাবারগুলোর উপরে নির্দিষ্ট দিনের নির্দিষ্ট রান্না করার তারিখ সময় দিয়ে রাখতে। কিন্তু এই রেস্টুরেন্টের মালিক বাজার থেকে নোংরা পলিথিন কিনে এনে সেই পলিথিনের মধ্যে খাবারগুলো রেখে দিয়েছে। তার মধ্যে কোন তারিখ নেই আবার সব খাবার একই ফ্রিজে রাখা হয়েছে। নওগাঁতে এটিই তাদের প্রথম অভিযান উল্লেখ করে তিনি বলেন, নিরাপদ খাদ্যের যে আইন রয়েছে খুবই শক্ত এবং জরিমানার পরিমাণও বেশি। সেজন্যই আমরা গত দু' বছর ধরে বুঝানোর কাজ করে আসছি। পাশাপাশি রেস্টুরেন্ট গুলো নিয়মিত মনিটরিং করা হয়েছে। এখন থেকে কোন রেস্টুরেন্ট-এ এই সমস্ত অপরাধ ধরা পড়ে তাহলে আমরা তাদেরকে জরিমানার আওতায় আনবো। 

বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষেও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সোহেল রানা বলেন, যে সকল রেস্টুরেন্ট মালিকদের প্রশিক্ষণ ও সচেতন করার পরও কথা শুনছে না তাদেরকে আমরা আইনের আওতায় আনছি। এরই ধারাবাহিকতায় এই রেস্টুরেন্ট-এ অভিযান পরিচালনা করে তাদেরকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানাকৃত টাকা তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হয়েছে। আগামীতেও ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।


আরও খবর



নতুন করে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের শঙ্কা

প্রকাশিত:বুধবার ৩১ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

বাংলাদেশের সীমান্তঘেঁষা মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মি (এএ) ও মিয়ানমার সেনাবাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষ চলছে। এ সংঘর্ষের জের ধরে রাখাইনের সীমান্ত এলাকা বাংলাদেশের তুমব্রু ও টেকনাফের কাছাকাছি মিয়ানমারের হেলিকপ্টার মহড়া দিচ্ছে। এতে মিয়ানমার থেকে আবারও বাংলাদেশে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের শঙ্কা করা হচ্ছে।

উখিয়া ও টেকনাফ সীমান্তে কয়েকশ রোহিঙ্গা অবস্থান করছে বলে দাবি স্থানীয় বাসিন্দাদের। রোহিঙ্গাদের সম্ভাব্য অনুপ্রবেশ ঠেকাতে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বিজিবি।

গত রবিবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুর ২টার দিকে মিয়ানমারের বেশ কয়েকটি হেলিকপ্টার সীমান্ত এলাকায় মহড়া দিয়েছে। বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের তুমব্রু বাজার থেকেই স্পষ্ট হেলিকপ্টার উড়তে দেখেছেন সীমান্ত এলাকার বাসিন্দারা। এর আগে শনিবার (২৭ জানুয়ারি) টেকনাফের সীমান্তবর্তী এক বাড়ির দেয়ালে গুলি লেগেছে। সীমান্তের ওপারে গত কয়েক দিনে সংঘর্ষ বাড়ায় ও উত্তেজনা তৈরি হওয়ায় বিজিবির পক্ষ থেকে সীমান্তে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় থাকার কথা বলা হয়েছে।

স্থানীয়রা বলছেন, টেকনাফের হোয়াইক্যং ইউনিয়নের উলুবনিয়া, তুলাতুলি ও কাঞ্জরপাড়া সীমান্ত, উখিয়া উপজেলার পালংখালির আনজুমান পাড়া এবং নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার তুমব্রু ও ঘুমধুম এলাকায় বেশি গোলাগুলির আওয়াজ পাওয়া যাচ্ছে।

পালংখালী অনজুমান পাড়া এলাকার বাসিন্দারা জানান, মিয়ানমারের মংডু ও বলিবাজার থেকে পালিয়ে বাংলাদেশের সীমানার কাছাকাছি অবস্থান করছেন রোহিঙ্গারা। আবার কিছু রোহিঙ্গা ডিঙি নৌকা করে নাফ নদীতে অবস্থান করছে। তবে খবর পাওয়ার পর এলাকায় সতর্ক অবস্থানে রয়েছে সবাই। মিয়ানমার সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিজিপি) রোহিঙ্গাদের কোনো ধরনের বাধাও দিচ্ছে না। এতে বাংলাদেশ সীমান্তের লোকজনের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

টেকনাফের হোয়াইক্যং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নূর মোহাম্মদ আনোয়ারি বলেন, বেশ কয়েকদিন ধরে মিয়ানমারে আবারো উত্তেজনা শুরু হয়েছে। প্রতিদিন গুলির বিকট শব্দ শোনা যাচ্ছে। গত শনিবার মায়ানমার থেকে ছোড়া গুলি আমার ইউনিয়নের এক বাসিন্দার ঘরে পড়ে। এতে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে সীমান্তের কাছাকাছি বসবাস করা মানুষরা। ইতোমধ্যে অনেক মানুষ ঘর ছেড়েছে। মিয়ানমারে উত্তেজনা শুরু হলে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ নিয়ে শঙ্কা থাকে। শুনেছি কিছু রোহিঙ্গা সীমান্তের কাছাকাছি আছে। বিষয়টি আমরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবগত করেছি।

নাইক্ষছড়ির তুমব্রুর কোণারপাড়া এলাকার বাসিন্দা জলাল জানান, গত রোববার দুপুর ১টার পর তুমব্রুর কোণারপাড়া, ভাজাবনিয়া এবং তুমব্রু বাজার থেকেই ওপারে হেলিকপ্টার মহড়া দিতে দেখা গেছে। অন্তত ২৫ মিনিটেরও বেশি সময় হেলিকপ্টারটি চক্কর দিতে থাকে এবং এ সময় ব্যাপক গোলাগুলির শব্দও শোনা গেছে। তার আগে শনিবার দুটি মর্টারশেল এপারে এসে পড়ে। এতে পুরো এলাকার মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

টেকনাফের হোয়াইক্যং ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের উনছিপ্রাং এলাকার জেলে পুতু বলেন, বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তের কাছাকাছি বিলার ডিলাতে কিছু রোহিঙ্গা অবস্থান করছে। আমরা মাছ ধরতে গেলে তাদের সাথে দেখা হয়।

বিজিবির টেকনাফ ব্যাটালিয়নের কমান্ডার লে. কর্নেল মহিউদ্দীন আহমেদ বলেন, রোহিঙ্গাদের সম্ভাব্য অনুপ্রবেশ নিয়ে সতর্ক অবস্থানে আছে বিজিবি। সীমান্ত এলাকায় কঠোর নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। একজন রোহিঙ্গাকেও প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। আমরা সব সময়ই সজাগ আছি।

টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আদনান চৌধুরী বলেন, সীমান্তের কাছাকাছি মিয়ানমারের ওপারে গোলাগুলি হচ্ছে। তবে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। এটি মিয়ানমারের অভ্যন্তরের ঘটনা। রোহিঙ্গাদের সম্ভাব্য অনুপ্রবেশ নিয়ে বিজিবি ও কোস্টগার্ডকে সতর্ক করা হয়েছে।


আরও খবর



রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধের উপায় খোঁজার আহ্বান শেখ হাসিনার

প্রকাশিত:রবিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ |

Image

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধের উপায় খুঁজতে সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

শনিবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে মিউনিখ সিকিউরিটি কনফারেন্স (এমএসসি)-২০২৪ এর সাইডলাইনে হোটেল বেইরিশার হফে দুই নেতার মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এরপর বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

বৈঠকের পর পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সবসময় বলেন, আমরা সব ধরনের যুদ্ধের বিরুদ্ধে। আজ জেলেনস্কির সঙ্গে আলোচনায় তিনি বারবার আলোচনা করেছেন যে, কীভাবে যুদ্ধ বন্ধ করা যায়।

হাছান মাহমুদ বলেন, গাজায় নিরপরাধ নারী-পুরুষের ওপর হামলা কীভাবে বন্ধ করা যায়, তা নিয়েও তারা আলোচনা করেছেন। প্রধানমন্ত্রী সবাইকে মনে করিয়ে দিয়েছিলেন যে, যুদ্ধ কারও জন্য মঙ্গল বয়ে আনতে পারে না। শেখ হাসিনা বলেছেন, অন্যরা যুদ্ধের মাধ্যমে উপকৃত হতে পারে। কিন্তু যুদ্ধ যুদ্ধে জড়িত দেশগুলোর জন্য কল্যাণ বয়ে আনতে পারে না এবং তাদের জনগণকে যুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্ত হতে হয়।

এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে দেশবাসীর দুর্ভোগের কথা এবং তিনি নিজেও তার মুখোমুখি হওয়ার স্মৃতি স্মরণ করেন, জানান হাছান মাহমুদ।

তিনি যুদ্ধের সময় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বন্দিদশায় তার অমানবিক কষ্ট এবং তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ের জন্মের কথা স্মরণ করেন। বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতি-'সবার সাথে বন্ধুত্ব, কারও সাথে বিদ্বেষ নয়'- প্রধানমন্ত্রী এবং জেলেনস্কির মধ্যে আলোচনায় প্রধানত উঠে এসেছে বলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

এক প্রশ্নের জবাবে হাছান মাহমুদ বলেন, বাংলাদেশ ও রাশিয়ার মধ্যে যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, মুক্তিযুদ্ধের সময় ভিত্তি পেয়েছিল, তাতে কোনো বাধা আসবে না। রাশিয়ার সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক খুবই চমৎকার। মুক্তিযুদ্ধের সময় রাশিয়া আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছিল এবং যুদ্ধের পর বাংলাদেশের পুনর্গঠনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিল।

তিনি বলেন, আমরা শুধু আলোচনা করেছি, কীভাবে যুদ্ধ বন্ধ করা যায়।

ব্রিফিংকালে জার্মানিতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া এবং প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি মো. নূরেলাহী মিনা উপস্থিত ছিলেন।

দিনভর শেখ হাসিনা একাধিক দেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের সঙ্গে বৈঠকে মিলিত হন।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন ২০২৪-এ যোগ দিতে তিন দিনের সরকারি সফরে ১৫ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় মিউনিখে পৌঁছান। সফর শেষে শেখ হাসিনা আগামীকাল রোববার ১৮ ফেব্রুয়ারি রাতে মিউনিখ ত্যাগ করবেন এবং ১৯ ফেব্রুয়ারি সকালে ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে।


আরও খবর