Logo
শিরোনাম

তারল্য সংকট ব্যাংক ঋণে

প্রকাশিত:বুধবার ০৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ |

Image



বিডি টু ডে  রিপোর্ট:


সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি, উচ্চ সুদহার এবং তারল্যসংকটের প্রভাব পড়েছে ব্যাংকের ঋণ বিতরণে। পর্যাপ্ত নগদ টাকা না থাকায় চলতি বছরের এপ্রিলে বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবৃদ্ধি আগের মাসের তুলনায় কমেছে। 


এপ্রিলে বেসরকারি ঋণের প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে ৯.৯০ শতাংশ, যা বিগত পাঁচ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন। তার আগে মার্চে বেসরকারি খাতের ঋণের প্রবৃদ্ধি ছিল ১০.৪৯ শতাংশ।


কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছিল ১০ শতাংশ। সরকারের ঋণের প্রবৃদ্ধি লক্ষ্যের নিচে নেমে এসেছে। 


আর ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে বেসরকারি ঋণের প্রবৃদ্ধি ছিল ১২.৬২ শতাংশ। এরপর টানা সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে ঋণের প্রবৃদ্ধি কমেছে।



একটি বেসরকারি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, ঈদকে কেন্দ্র করে ঋণ বিতরণ বেড়েছিল। কিন্তু ঈদের পরেই এপ্রিলে এসে ঋণের প্রবৃদ্ধি কমেছে। আর অর্থনীতির গতি কমে যাওয়ার কারণে ব্যবসায়ীরা নতুন করে ব্যবসা সম্প্রসারণে খুব একটা আগ্রহ দেখাচ্ছেন না। 


আবার গত বছরের জুলাইয়ের পরই ঋণের সুদহার বেড়েছে অনেক বেশি। জুনের পর সর্বোচ্চ সুদহারের সীমা ৯ শতাংশ তুলে দেওয়ার পরই তা ক্রমান্বয়ে বেড়ে ১৪ শতাংশ ছাড়িয়েছে। সে জন্য ব্যবসায়ীরা ঋণ নেওয়ার ক্ষেত্রে সুদহারকেও বিবেচনায় নিয়ে কম ঋণ নিচ্ছেন। আবার অনেক ব্যাংক নগদ টাকার সংকটে ঋণ বন্ধ রেখেছে। 


এজন্য ঋণের প্রবৃদ্ধি ক্রমান্বয়ে কমছে। এছাড়া ধারাবাহিকভাবে ডলারের রেট বাড়ছে। ডলারের দাম বেড়ে যাওয়ার কারণে ব্যবসায়ীরা আমদানি করার ক্ষেত্রে নানা হিসাব করছেন; যার কারণে ঋণের প্রবৃদ্ধি হ্রাসে একটা প্রভাব দৃশ্যমান হয়েছে।


কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, ২০২৩ সালের এপ্রিলে ঋণের প্রবৃদ্ধি ছিল ১১.২৮ শতাংশ। এই ঋণ বিতরণের হার কমে মে মাসে দাঁড়ায় ১১.১১ শতাংশ। জুন মাসে প্রবৃদ্ধির হার কমে হয় ১০.৪০ শতাংশ এবং জুলাই মাসে গিয়ে দাঁড়িয়েছে ৯.২৮ শতাংশ। 


আগস্টে বেসরকারি খাতের ঋণের প্রবৃদ্ধি ছিল ৯.৭৫ শতাংশ এবং সেপ্টেম্বরে ছিল ৯.৬৯ শতাংশ। তবে অক্টোবরে বেসরকারি খাতের ঋণের প্রবৃদ্ধি কিছুটা বৃদ্ধি পেয়ে ১০.০৯ শতাংশ হয়। পরে নভেম্বরে কমে তা হয় ৯.৯০ শতাংশ। ডিসেম্বরে সামান্য বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ১০.১৩ শতাংশে। 


এরপর আবার কমতে শুরু করে। জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে কমে দাঁড়ায় যথাক্রমে ৯.৯৫ শতাংশ এবং ৯.৯৬ শতাংশে। কিন্তু মার্চে আবার ঊর্ধ্বমুখী হয় বেসরকারি খাতের ঋণের প্রবৃদ্ধি। 


মার্চে ঋণের প্রবৃদ্ধি ছিল ১০.৪৯ শতাংশ। তার পরের মাস এপ্রিলে আবার কমে তা এক ডিজিটের ঘরে নেমে আসে। এ মাসে ঋণের প্রবৃদ্ধি দাঁড়ায় ৯.৯০ শতাংশ।


আরও খবর



বিএনপির নেতৃত্বে আসছে ব্যাপক পরিবর্তন

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২১ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ |

Image

কেন্দ্রীয় নেতৃত্বে ব্যাপক পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে বিএনপি। দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম স্থায়ী কমিটি থেকে শুরু করে ভাইস চেয়ারম্যান, যুগ্ম মহাসচিব, সাংগঠনিক সম্পাদকসহ নির্বাহী কমিটির অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে নতুন মুখ দেখা যেতে পারে শিগগিরই। ইতোমধ্যে দলটির হাইকমান্ড সংগঠন ঢেলে সাজানোর এই প্রক্রিয়া শুরু করেছে। জানা গেছে, সহসা জাতীয় কাউন্সিল অনুষ্ঠানের সম্ভাবনা না থাকায় বর্তমানে বিভিন্ন পদে দায়িত্বশীল নেতাদের কন্ট্রিবিউশন ও ডেডিকেশন বিবেচনায় নিয়ে ধাপে ধাপে শীর্ষ পদগুলোতে নিয়োগ দেয়া হবে।

২০১৬ সালের ১৯ মার্চ অনুষ্ঠিত হয় বিএনপির সর্বশেষ জাতীয় কাউন্সিল। এরপর ওই বছরের ৬ আগস্ট দলটির নির্বাহী কমিটি, স্থায়ী কমিটি ও উপদেষ্টা পরিষদ মিলিয়ে মোট ৫৯২ জনের নাম ঘোষণা করা হয়। দলের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী তিন বছর পরপর সম্মেলন (কাউন্সিল) করে কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি নির্বাচন করার কথা। সে হিসেবে মেয়াদোত্তীর্ণ কেন্দ্রীয় কমিটি দিয়ে চলছে বিএনপির কার্যক্রম। সর্বশেষ কাউন্সিলের পর দুটি জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সরকারবিরোধী দ্ুিট আন্দোলনও করেছে দলটি। তবে নির্ধারিত সময়ে কাউন্সিল করতে না পারার জন্য সরকারবিরোধী আন্দোলনে থাকা এবং সরকারের দমন-পীড়নকে দায়ী করছে বিএনপি। সর্বশেষ গত মার্চের শুরুতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির একটি বৈঠকে কাউন্সিল নিয়ে আলোচনা হলেও পরবর্তীতে সে আলোচনা আর এগোয়নি বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।

বিএনপির আন্দোলন ও বর্জনের মধ্যেই গত ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের মধ্য দিয়ে টানা চতুর্থ মেয়াদে সরকার গঠন করে আওয়ামী লীগ। এমন রাজনৈতিক বাস্তবতায় আগামী দিনে বিএনপির কর্মপন্থা কী হবে তা নিয়ে আন্দোলনের মিত্র দলগুলোর সাথে শলাপরামর্শ শুরু করেছেন নেতারা। একই সাথে দল পুনর্গঠনেরও উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

দলীয় সূত্র জানায়, আন্দোলন-পরবর্তী বিভিন্ন সাংগঠনিক প্রতিবেদনে সক্রিয় ও নিষ্ক্রিয় নেতাদের তালিকা ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের কাছে পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়া দলের হাইকমান্ডের পক্ষ থেকেও এ ব্যাপারে বিভিন্ন মাধ্যমে খোঁজখবর নেয়া হচ্ছে।

জানা গেছে, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটিতে এখন অর্ধশতাধিক পদ শূন্য রয়েছে। নেতাদের মৃত্যু, দলত্যাগ, অব্যাহতি, পদোন্নতি ও পদাবনতিজনিত কারণে এসব পদ শূন্য হয়েছে। এছাড়া বয়সের কারণে অনেকে দলীয় ও সাংগঠনিক কার্যক্রমে নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েছেন।


আরও খবর



১০ ফুট পানির নিচে সুন্দরবন, প্রাণীদের নিয়ে দুশ্চিন্তায় বনবিভাগ

প্রকাশিত:সোমবার ২৭ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ |

Image


বিডি টু ডে রিপোর্ট:


ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় রেমালের তাণ্ডবে সুন্দরবন এলাকা ৭ থেকে ১০ ফুট পর্যন্ত পানির নিচে তলিয়ে গেছে। 


বিশেষ করে কটকা, কচিখালি, নীলকমল, মান্দারবারি, হলদিবুনিয়া এলাকা সবচেয়ে বেশি পানির নিচে নিমজ্জিত হয়েছে। 


এসব এলাকার বণ্যপ্রাণী বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়বে বলে আশঙ্কা করছে বন বিভাগ।


রোববার (২৬ মে) বিকেলের দিকে সুন্দরবনের বিভিন্ন এলাকা ১০ ফুট পর্যন্ত পানির নিচে নিমজ্জিত হয়ে যায়। এর আগে দুপুর থেকেই পানির চাপ বাড়তে থাকে।


সুন্দরবন বন বিভাগের বনসংরক্ষক মিহির কুমার দো বলেন, সুন্দরবনের যে মিঠা পানির পুকুরগুলো রয়েছে যা বন্যপ্রাণী, বনজীবী এবং বনকর্মীদের খাবার পানির একমাত্র উৎস; প্রতিটি পুকুরই লোনা পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে। 


এছাড়া পানির উচ্চতা সেখানে ৭ থেকে ১০ ফুট পর্যন্ত হয়েছে। বনে বাঘ শাবক, হরিণ শাবক কিংবা শকুন শাবক এবং অন্যান্য বন্যপ্রাণী আছে। বন্যপ্রাণীরা এখানে ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে।


তিনি আরও বলেন, কটকা, কচিখালি, নীলকমল, মান্দারবারি, হলদিবুনিয়া- এসব স্থানে পানির যে উচ্চতা, পানির যে তীব্র স্রোত হচ্ছে তাতে নিশ্চিতভাবে বলা যায় যে, বন্যপ্রাণীদের যথেষ্ট ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।


আরও খবর



ঘূর্ণিঝড় রেমাল : ১৭ নম্বর বিশেষ বিজ্ঞপ্তি, ১৬ জেলায় ১২ ফুট জলোচ্ছ্বাসের শঙ্কা

প্রকাশিত:সোমবার ২৭ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ |

Image

বিডি টু ডে ডেস্ক:

ঘূর্ণিঝড় রেমাল পরবর্তী ২ থেকে ৩ ঘণ্টার মধ্যে উপকূল অতিক্রম সম্পন্ন করতে পারে। 


এর প্রভাবে ১৬ জেলার উপকূল ১২ ফুট উচ্চতার বায়ুতাড়িত জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।


রোববার (২৬ মে) দিবাগত রাতে আবহাওয়ার ১৭ নম্বর বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জাননো হয়েছে।


এতে বলা হয়েছে, প্রবল ঘূর্ণিঝড়টির কেন্দ্রের ৬৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৯০ কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ১২০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। 


এসময় পায়রা ও মোংলা সমুদ্রবন্দরকে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। উপকূলীয় জেলা খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বরগুনা, বরিশাল, ভোলা, পটুয়াখালী এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলো ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে।


কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরকে ৯ নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। উপকূলীয় জেলা চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, ফেনী, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলো ৯ নম্বর মহাবিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে।



খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বরগুনা, বরিশাল, ভোলা, পটুয়াখালী, ফেনী, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার জেলার নদী বন্দরগুলোকে ৪ নম্বর নৌ-মহাবিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।


এদিকে ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে উপকূলীয় এলাকায় ৮-১২ ফুট উঁচু জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হওয়ার শঙ্কাও রয়েছে। আবহাওয়ার বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে (ক্রমিক নম্বর-১৩) এ তথ্যানুসারে, ঘূর্ণিঝড়টির আকার ৪০০ থেকে ৫০০ কিলোমিটার হতে পারে।



 আর ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে ৮ থেকে ১২ ফুট জলোচ্ছ্বাসেরও আশঙ্কা রয়েছে।


আবহাওয়াবিদ ওমর ফারুক জানিয়েছেন, প্রবল ঘূর্ণিঝড়টির প্রভাবে রাজশাহী, রংপুর, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়াসহ ভারী (৪৪-৮৮ মিমি/২৪ ঘণ্টা) থেকে অতিভারী (৮৯ মিমির বেশি/২৪ ঘণ্টা) বর্ষণ হতে পারে। 


অতিভারী বর্ষণের প্রভাবে কক্সবাজার, বান্দরবান, রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও চট্টগ্রামের পাহাড়ি অঞ্চলের কোথাও কোথাও ভূমিধস হতে পারে।


আরও খবর



আজ জাতীয় চা দিবস

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৪ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ |

Image



বিডি টু ডে রিপোর্ট:


সারা দেশে ‘জাতীয় চা দিবস’ পালিত হচ্ছে আজ।


 মঙ্গলবার (৪ জুন)। দিবসটি উপলক্ষে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ‘জাতীয় চা দিবস’ এর মূল অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বলে আশা করা হচ্ছে। 


দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য ‘স্মার্ট বাংলাদেশের সংকল্প, রপ্তানিমুখী চা শিল্প’।



বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় বাংলাদেশ চা বোর্ডের উদ্যোগে চতুর্থবারের মতো ‘জাতীয় চা দিবস’ উদযাপন করা হচ্ছে। আজ দ্বিতীয়বারের মতো ‘জাতীয় চা পুরস্কার’ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু।


 ‘জাতীয় চা দিবস’ উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন।



আজ বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে সম্মেলন কক্ষে ‘জাতীয় চা দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম বলেন, ‘চা শিল্পের উন্নয়নে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর উদ্যোগের ধারাবাহিকতা ও প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় চা শিল্প টেকসই উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছে। 


২০২৩ সালে ইউরোপ, এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যের ১৩টি দেশে প্রায় ১ দশমিক শূন্য ৪ মিলিয়ন কেজি চা রপ্তানি করা হয়েছে, যা গত বছরের প্রায় ৩৩ শতাংশ বেশি। আন্তর্জাতিক বাজারের চাহিদা অনুযায়ী চা তৈরিতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় কাজ করছে।’


চা শিল্পে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ আট ক্যাটাগরিতে বিভিন্ন চা কোম্পানি ও ব্যক্তিকে আজ ‘জাতীয় চা পুরস্কার ২০২৪’ দেওয়া হবে।


আরও খবর



ফোর্বসের অনূর্ধ্ব-৩০ এশিয়ার তালিকায় ৯ বাংলাদেশি

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৭ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ |

Image

মার্কিন সাময়িকী ফোর্বস এশিয়ার ৩০ বছরের কম বয়সি উদ্যোক্তার তালিকা প্রকাশ করেছে। এতে বিভিন্ন ক্ষেত্রে উদ্ভাবনী শক্তি ও অবদানের জন্য বাংলাদেশের ৯ জন তরুণ-তরুণী স্থান পেয়েছেন। বৃহস্পতিবার থার্টি আন্ডার থার্টি এশিয়া তালিকা প্রকাশ করে সাময়িকীটি।

১০টি শ্রেণিতে তরুণদের এই স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। এগুলো হলো ক্রীড়া ও বিনোদন; ফাইন্যান্স অ্যান্ড ভেঞ্চার ক্যাপিটাল; এন্টারপ্রাইজ টেকনোলজি; গণমাধ্যম, বিপণন ও বিজ্ঞাপন; কনজ্যুমার টেকনোলজি; শিল্প, উৎপাদন ও জ্বালানি; শিল্পকলা; সামাজিক প্রভাব; রিটেইল ও ই-কমার্স এবং স্বাস্থ্যসেবা ও বিজ্ঞান।

ফোর্বসের তালিকায় স্থান পাওয়া বাংলাদেশিদের মধ্যে আবদুস গাফ্ফার সাদী, মো. তুষার ও মো. শহীদুল ইসলাম, এই তিন তরুণ ঢাকাভিত্তিক দ্রুত লোন নামে একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন। তারা ক্ষুদ্র ও ছোট ব্যবসায়ীদের ব্যাংক ও বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ নেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের কাজ করে দেন। একই সঙ্গে ঋণদাতাদের সুবিধার জন্য যাকে ঋণ দেওয়া হবে, তিনি তা পাওয়ার যোগ্য কি না, তা যাচাইয়ে সহায়তা করছে প্রতিষ্ঠানটি। ২০১৯ সালে যাত্রা শুরু করার পর এই প্রতিষ্ঠানের হাত ধরে ২০ লাখ ডলারের (প্রায় সাড়ে ২৩ কোটি টাকা) বেশি ঋণ বিতরণ করা হয়েছে। গত নভেম্বরে প্রতিষ্ঠানটি এক লাখ ২৫ হাজার ডলার বিনিয়োগ পেয়েছে।

এই তালিকায় থাকা ফাহাদ আহমেদ ২০২২ সালে গড়ে ওঠা উইন্ড ডট অ্যাপের প্রতিষ্ঠাতাদের একজন। বিদেশ থেকে রেমিট্যান্স আনার সেবা দেন তারা। এই কাজে প্ল্যাটফর্মটি ব্লকচেইন প্রযুক্তি ব্যবহার করে। তাদের সেবা দ্রুত ও সাশ্রয়ী। গত নভেম্বরে তারা ৩৮ লাখ ডলার বিনিয়োগ পেয়েছে। গ্লোবাল ফাউন্ডারস ক্যাপিটাল ও স্পার্টান গ্রুপের নেতৃত্ব কয়েকটি প্রতিষ্ঠান এই বিনিয়োগ করেছে।

উইন্ড প্রতিষ্ঠার আগে ফাহাদ রাইড শেয়ারিং অ্যাপ পাঠাও তৈরিতেও যুক্ত ছিলেন। পাঠাওয়ে খাবার ডেলিভারি, পেমেন্ট ও রাইডের জন্য গাড়ি ডাকার সেবা চালুতে তার ভূমিকা রয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফিন্যান্সে স্নাতক করা ফাহাদ নিজে নিজেই কোডিং শিখেছেন।

সুলতান মনি ও মুমতাহিনা আনিকা ফিনটেক তথা ফিন্যান্সিয়াল টেকনোলজি (আর্থিক প্রযুক্তি) স্টার্টআপ জাতিক প্রতিষ্ঠা করেছেন। ছোট কোম্পানিগুলোকে তাদের অ্যাকাউন্টিং সামলাতে প্রযুক্তিগত সহায়তা দেয় এই স্টার্টআপ। তাদের সেবাটি এমন যে, স্মার্টফোনের সঙ্গে যুক্ত একটি বিজনেস ক্যালকুলেটর দিয়ে আর্থিক হিসাব-নিকাশ ও প্রতিবেদন তৈরি করা যায়। ছোট কোম্পানিগুলোকে ই-কমার্স ওয়েবসাইটে সহজ পথ বাতলে দেয় তারা। গত আগস্টে এই স্টার্টআপ ১৬ লাখ ডলার বিনিয়োগ পেয়েছে।

রেদোয়ান আহমেদ পুরস্কারজয়ী ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক। এএফপির হয়ে রোহিঙ্গা সংকটের খবর সংগ্রহ করেন তিনি। এই কাজের জন্য তিনি ২২তম হিউম্যান রাইটস প্রেস অ্যাওয়ার্ড পেয়েছিলেন। এ ছাড়া ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম গার্ডিয়ানের জন্য তার অনুসন্ধানকাজে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক কারখানায় কর্মীদের বঞ্চনার শিকার হওয়ার গল্প উঠে আসে।


আরও খবর