Logo
শিরোনাম

থ্যালাসেমিয়া কেন হয়?

প্রকাশিত:সোমবার ০৮ মে ২০২৩ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৫ জুন ২০২৪ |

Image

থ্যালাসেমিয়া একটি বংশগত রক্তের রোগ। জেনেটিক আকারে শিশুরা তাদের বাবা-মার কাছ থেকে থ্যালাসেমিয়া রোগ পেয়ে থাকে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, থ্যালাসেমিয়ার কারণে শরীরের হিমোগ্লোবিন তৈরির প্রক্রিয়া সঠিকভাবে কাজ না করায় শিশুদের শরীরে রক্তের ব্যাপক ঘাটতি দেখা দেয়। যার ফলে ঘন ঘন রক্ত দিতে হয়।

থ্যালাসেমিয়ার লক্ষণ

থ্যালাসেমিয়া রোগীদের ক্ষেত্রে, গ্লোবিন প্রোটিন খুব কম উৎপাদিত হয়। যার কারণে লোহিত রক্তকণিকা ধ্বংস হয়ে যায়। ফলে শরীর অক্সিজেন না পাওয়ায় রোগীকে বারবার রক্তদেওয়ার প্রয়োজন হয়।

এর লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে- ক্লান্তি, দুর্বলতা, পেট ফুলে যাওয়া (হালকা স্প্লেনোমেগালি), শিশুর দুর্বল শারীরিক বিকাশ, অ্যানোরেক্সিয়া, ত্বক হলুদ হয়ে যাওয়া, মুখের হাড়ের পরিবর্তন।

থ্যালাসেমিয়া রোগের কারণ

থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত শিশুদের হিমোগ্লোবিনের ত্রুটি থাকে, যা একটি মিউটেশনের কারণে ঘটে ও বি-চেইন উৎপাদনকে হ্রাস করে গুরুতর রক্তাল্পতার কারণ হতে পারে। এটি একটি জেনেটিক রোগ, যা প্রজন্ম থেকে পরবর্তী প্রজন্মে চলে যায়।

যদি বাবা-মায়ের থ্যালাসেমিয়া রোগ থাকে, তবে শিশুর থ্যালাসেমিয়া মেজর হওয়ার সম্ভাবনা ২৫ শতাংশ, থ্যালাসেমিয়া মাইনর ৫০ শতাংশ এবং স্বাভাবিক ২৫ শতাংশ।

থ্যালাসেমিয়া মেজর শিশুদের চিকিৎসা

চিকিৎসার ক্ষেত্রে নিয়মিত রক্তসঞ্চালন (পিআরবিসি), আয়রন ক্যালেটিং ওষুধের ব্যবহারসহ কিছু শিশুদের নিয়মিত রক্ত পরিবর্তনের প্রয়োজন হয় এবং গুরুতর স্প্লেনোমেগালিতে হাইড্রোক্সিউরিয়া ব্যবহৃত হয়। তবে থ্যালাসেমিয়া মাইনরের কোনো চিকিত্‍সার প্রয়োজন হয় না।

থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত শিশুদের যত্ন

লিউকোসাইট হ্রাসকারী ফিল্টার এবং বিকিরণকারী রক্তের পণ্য (পিআরবিসি) সর্বদা থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত শিশুদের জন্য ব্যবহার করা হয়। অল্প বয়সে বোন ম্যারো ট্রান্সপ্ল্যান্ট করা যেতে পারে। এর থেকে পরিত্রাণে আয়রন সমৃদ্ধ খাবার, শাকসবজিসহ প্রচুর ফল খেতে হবে। এছাড়া আয়রন ক্যালেশন ওষুধ নিয়মিত ব্যবহার, হালকা ব্যায়াম, ফোলিক অ্যাসিড সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করতে হবে।

লিভার, হার্ট এবং অন্যান্য অঙ্গে আয়রন ওভারলোড পরীক্ষা করার জন্য প্রতি বছর গ্রোথ হরমোন এবং টি২ এমআরআই পরীক্ষাসহ সিরাম ফেরিটিন, থাইরয়েড প্রোফাইল, ভিটামিন-ডি এবং ভাইরাল মার্কার, যেমন- এইচআইভি, এইচবিএসএজি, এইচসিভি প্রতি তিন মাস পর পর পরীক্ষা করতে হবে। অবস্থা গুরুতর না হলে পুষ্টিকর খাবার এবং ব্যায়াম রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সাধারণত লোহিত রক্ত কণিকার বয়স ১২০ দিন হয়, কিন্তু এ রোগের কারণে সময়টি ২০ দিনে কমে যায়, যা হিমোগ্লোবিনের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলে। হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ কমে যাওয়ার কারণে শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে এবং রোগীর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়, যার কারণে রোগী কোনো না কোনো রোগে আক্রান্ত হয়।

 


আরও খবর



আজ মালয়েশিয়া যাওয়ার স্বপ্নভঙ্গ হচ্ছে সাড়ে ৩১ হাজার শ্রমিকের

প্রকাশিত:শুক্রবার ৩১ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ |

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:


মালয়েশিয়ায় কর্মী ভিসায় যাওয়ার সময় আজ শুক্রবার রাতেই শেষ হয়ে যাবে। দেশটির সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আজই দেশটিতে কর্মীদের যাওয়ার শেষ সুযোগ। 


আগামীকাল শনিবার থেকে আর কোনো কর্মী মালয়েশিয়ায় যেতে পারবেন না। এ কারণে বাংলাদেশের অনুমোদনকৃত ৩১ হাজার ৭০১ জন কর্মীর মালয়েশিয়া যাওয়ার স্বপ্নভঙ্গ হচ্ছে।



বাংলাদেশ জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) তথ্য বলছে, গত ২১ মে পর্যন্ত প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় পাঁচ লাখ ২৩ হাজার ৮৩৪ জন কর্মীকে মালয়েশিয়া যাওয়ার অনুমোদন দেয়।


 ২১ মের পর আর অনুমোদন দেয়ার কথা না থাকলেও বিএমইটির তথ্য বলছে, মন্ত্রণালয় আরও এক হাজার ১১২ জন কর্মীকে দেশটিতে যাওয়ার অনুমোদন দিয়েছে। অর্থাৎ বৃহস্পতিবার (৩০ মে) পর্যন্ত পাঁচ লাখ ২৪ হাজার ৯৪৬ জন কর্মীকে মালয়েশিয়া যাওয়ার অনুমোদন দেওয়া হয়। 


এর মধ্যে গতকাল বৃহস্পতিবার পর্যন্ত দেশটিতে চার লাখ ৯১ হাজার ৭৪৫ জন কর্মী মালয়েশিয়ায় গেছেন।


হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তথ্য বলছে, আজ বাংলাদেশ থেকে মাত্র এক হাজার ৫০০ জন কর্মী মালয়েশিয়ায় যেতে পারবেন। অর্থাৎ অনুমোদনকৃত ৩১ হাজার ৭০১ জন কর্মীর যাত্রা বাতিল হয়ে যাচ্ছে।


কুয়ালালামপুরের দুটি আন্তর্জাতিক বিমান টার্মিনালের ফ্লোরে গতকাল পর্যন্ত ১৪টি দেশ থেকে আসা প্রায় ২০ হাজার কর্মী অবস্থান করছিলেন। এর মধ্যে প্রায় পাঁচ হাজার কর্মী বাংলাদেশের।


এই মুহূর্তে কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে কর্মীর উপচে পড়া ভিড়। দুর্ভোগ বাড়ছে কর্মী ও নিয়োগকর্তাদের। নিজেদের কর্মী শনাক্তে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে নিয়োগকর্তাদের।র্মীরা বলছেন, তারা তিন-চার দিন ধরে বিমানবন্দরে অবস্থান করছেন। কেউ নিয়োগকর্তার খোঁজ পাচ্ছেন, আবার কেউ পাচ্ছেন না।



হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তথ্য বলছে, আজ সকাল থেকে রাত পর্যন্ত হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সাতটি ফ্লাইট মালয়েশিয়ার উদ্দেশে ছেড়ে যাবে। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশের দুটি, ইউএস-বাংলার দুটি, মালয়েশিয়ান এয়ারলাইনসের একটি, এয়ার এশিয়ার একটি এবং বাতিক এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইট মালয়েশিয়ায় যাবে।


মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার বন্ধের সময় ঘনিয়ে আসায় বাড়তি দামে টিকিট বিক্রির অভিযোগ করেছে রিক্রুটিং এজেন্সিগুলো। বিমান বাংলাদেশের বিশেষ ফ্লাইটের টিকিটের দামও এক লাখ টাকা ছাড়িয়ে যাওয়ার অভিযোগ রয়েছে।


মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি শ্রমিক নিয়োগপ্রক্রিয়ার দুর্নীতি নিয়ে গত ২৮ মার্চ মালয়েশিয়া ও বাংলাদেশ সরকারকে চিঠি দেয় জাতিসংঘের চারজন স্বাধীন বিশেষজ্ঞ। তবে দুই দেশের সরকারই এই চিঠির কোনো উত্তর দেয়নি বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ।


গত রবিবার জাতিসংঘের হাইকমিশনার ফর হিউম্যান রাইটস (ওএইচসিএইচআর) এই চিঠি প্রকাশ করেন। জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞ টোমোয়া ওবোকাটা, রবার্ট ম্যাককরকোডালে, গেহাদ মাদি ও সিওবান মুল্লালি এই চিঠি দেন।



চিঠিতে বলা হয়, বাংলাদেশি কর্মীদের জনপ্রতি সাড়ে চার থেকে ছয় হাজার ডলার পর্যন্ত নিয়োগ ফি দিতে হচ্ছে, যা ২০২১ সালে এই দুই দেশের মধ্যে সই হওয়া সমঝোতা স্মারকের (এমওইউ) খেলাপ। ওই এমওইউ অনুযায়ী, এই ফি হবে ৭২০ ডলার পর্যন্ত।


জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞরা উভয় সরকারের কাছে এ বিষয়ে তদন্ত, অপরাধীদের বিচার এবং নৈতিক নিয়োগের নীতি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চেয়েছেন। তবে ৬০ দিনের মধ্যে কোনো সরকার থেকে জবাব না আসায় এই চিঠি মানবাধিকার কাউন্সিলে উপস্থাপন করা হবে বলে জানানো হয়।


আটকে থাকা কর্মীদের বিষয় কোনো পদক্ষেপ নেয়ার বিষয়ে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল রিক্রুটিং এজেন্সিজের সভাপতি আবুল বাশার গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমরা এ বিষয়ে একাধিকবার মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বৈঠক করেছি। 


আমরা দু-এক মাস সময় বাড়িয়ে দেয়ার কথা বলেছিলাম। তাহলে সব কর্মীকে পাঠানো যেত। কারণ কর্মীরা যেতে না পারলে তাদের আর্থিক ক্ষতি হবে। তারা অনেক টাকা দিয়ে বসে আছে। 


বৃহস্পতিবারও এই বিষয় মন্ত্রণালয়কে অবগত করেছি। কাল (শুক্রবার) মন্ত্রণালয়ে এ বিষয়ে একটি বৈঠক রয়েছে। বৈঠকের পর জানা যাবে বিষয়টির কী হবে।’


প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপসচিব (কর্মসংস্থান) গাজী মো. শাহেদ আনোয়ার বলেন, ‘এ বিষয় আন্ত মন্ত্রণালয়ের বৈঠক চলছে। সামনেও বৈঠক হবে। এরপর এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।’


আরও খবর



মেট্রোরেল চলাচলে বিঘ্ন

প্রকাশিত:সোমবার ২৭ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ |

Image

 ডিজিটাল ডেস্ক:


বন্ধ থাকার পর রাজধানীতে সোমবার (২৭ মে) সকাল ১০টা ৮ মিনিটের দিকে আবার মেট্রোরেল চলাচল শুরু হয়েছে। তবে সেটি চলাচলেও বিঘ্ন ঘটেছে বলে জানিয়েছেন মেট্রোরেলে থাকা এক যাত্রী। 


ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের কোম্পানি সচিব (যুগ্ম সচিব) মোহাম্মদ আবদুর রউফ বলেন, মেট্রোরেল চলাচলের জন্য যে ইলেকট্রিক পাওয়ার সাপ্লাই রয়েছে টেকনিক্যাল কারণে সেটি ফল করেছিল।


 শেওড়াপাড়া থেকে বিজয় সরণি অংশে এ সমস্যা দেখা দেয়। ফলে মেট্রোরেল চলাচল বন্ধ রাখতে হয়েছিল।



সকাল ১০টা ৮ মিনিটের দিকে মেট্রোরেল ছেড়েছে বলে জানান এক যাত্রী। তবে সাড়ে ১০টার দিকে তিনি জানান, ছেড়ে আসা ওই মেট্রোরেলে বিঘ্ন ঘটেছে। অন্য লাইন দিয়ে মেট্রোরেলটি যাচ্ছে।


 সকাল সাড়ে ১০টার দিকে পল্লবী স্টেশন গিয়ে মেট্রোরেল না পেয়ে ঘুরে এসেছেন বলে জানান এক যাত্রী।


এর আগে সোমবার সকাল ৭টার কিছু পরে মেট্রোরেল চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এ সময় স্টেশনগুলো থেকে কিছুক্ষণ পর পর মাইকিং করে জানানো হয় সাময়িক বিলম্ব হবে।


এতে সকাল থেকেই যাত্রীরা মেট্রোরেলের অপেক্ষায় বিভিন্ন স্টেশনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষায় আছেন। হুট করেই ট্রেন বন্ধ হওয়ায় বিপাকে পড়েন অপেক্ষারত যাত্রীরা।


গত শনিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে মেট্রোরেল চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা। সোয়া এক ঘণ্টা পর চলাচল শুরু হয়।



আরও খবর



আফতাবনগরে কুরবানীর পশুর হাট বসবে না: আপিল বিভাগ

প্রকাশিত:সোমবার ০৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ |

Image

বিডি টু ডে রিপোর্ট:


ঈদুল আযহা উপলক্ষে রাজধানীর আফতাবনগরে পশুর হাট বসানোর ইজারার বিজ্ঞপ্তি স্থগিত করে হাইকোর্টের দেওয়া আদেশ বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ। ফলে কোরবানির ঈদে আফতাবনগরে বসছে না পশুর হাট।


সোমবার (৩ জুন) প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বে চার বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এ আদেশ দেন।



আদেশের পর আইনজীবীরা সাংবাদিকদের জানান, আবাসিক এলাকা বিবেচনায় আফতাবনগরে এ বছর পশুরহাট বসবে না বলে জানিয়েছেন আপিল বিভাগ।


এর আগে গত ৮ মে নাইমা হায়দার ও বিচারপতি কাজী জিনাত হকের হাইকোর্ট বেঞ্চ ঈদুল আযহা উপলক্ষে রাজধানীর আফতাবনগরে পশুরহাট বসানোর ইজারার বিজ্ঞপ্তি স্থগিত করেন।



গত ৪ এপ্রিল ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা ঈদুল আযহা ২০২৪ উপলক্ষে কোরবানির পশুর হাট বসানোর জন্য ইজারা বিজ্ঞপ্তি দেন। ওই বিজ্ঞপ্তি চ্যালেঞ্জ করে রিট করা হয়।



আরও খবর



ঈদযাত্রায় ঢাকার বাস টার্মিনালগুলোতে উপচে পড়া ভিড়

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ |

Image


সদরুল আইন:


ঈদের আর মাত্র দুদিন বাকি। তাই দলে দলে রাজধানী ছাড়ছে মানুষ। 


আজ শুক্রবাার (১৪ জুন) ভোর থেকেই বাস টার্মিনালগুলোতে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় দেখা যায়। রাজধানীর গুলিস্তান, মহাখালী, গাবতলী, সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালসহ বেশিরভাগ দূরপাল্লার বাস কাউন্টারে ভিড় করছেন ঘরমুখো মানুষ।



যাত্রীরা জানান, স্বজনদের সঙ্গে ঈদ উদযাপন করতে ভোরের আলো ফোটার আগেই ঘর থেকে বেরিয়েছেন অনেকে। বাস ধরতে যেন কোনোভাবেই দেরি না হয়, সেজন্য আগেভাগেই টার্মিনাল ও কাউন্টারে গেছেন তারা। 



তবে নির্ধারিত সময়ে অনেকে বাস না ছাড়ার অভিযোগ করেছেন। তারা বলছেন, বাসের জন্য দীর্ঘ সময় ধরে অপেক্ষা করতে হচ্ছে।


বাস কাউন্টার থেকে জানানো হয়,  ঢাকায় ফিরতে সময় বেশি লেগে যাওয়ায় নির্ধারিত সময়ে বাসগুলো টার্মিনাল বা কাউন্টারে পৌঁছাতে পারছে না। এজন্য বাস ছাড়তে কিছুটা দেরি হলেও যাত্রীদের ধৈর্য ধরার আহ্বান জানান তারা।


এদিকে, দূরপাল্লার বাস ছাড়াও যাত্রীদের চাপ বেড়েছে লঞ্চ ও রেলপথে। কমলাপুর রেলস্টেশনে যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রেলের অগ্রিম টিকেট পাওয়ার পরও সিটে বসতে পারেননি। 



ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে গত বুধবার (১২ জুন) থেকে শুরু হয় ‘স্পেশাল’ ট্রেন সার্ভিস। কিন্তু প্রথম দিনেই শিডিউল বিপর্যয়ে পড়ে সকল ট্রেন। 


অন্যদিকে, সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে গিয়ে দেখা গেছে, ভিড়ের চাপে হিমশিম খাচ্ছেন লঞ্চ যাত্রীরা।



পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, ঈদুল আজহায় নৌপথে ঘরমুখো মানুষের ঈদযাত্রা ও পশুবাহী নৌযানের চলাচল নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন রাখতে নৌ পুলিশ রয়েছে।


আইজিপি বলেন, জনগণের ঈদযাত্রা স্বস্তিদায়ক করা, যানবাহন চলাচলে শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং সড়ক দুর্ঘটনা রোধে মহাসড়কে ফিটনেসবিহীন ও মেয়াদোত্তীর্ণ গাড়ি এবং নসিমন, করিমন, ভটভটি, থ্রি হুইলার ইত্যাদি যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে।


হাইওয়ে পুলিশের প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি শাহাবুদ্দিন খান বলেন, যাত্রীদের আমরা বারবার অনুরোধ করছি যেন ঝুঁকিপূর্ণ অনিরাপদ যাত্রায় শামিল না হন।



 পিকআপ, পশুবাহী ট্রাক, খোলা ট্রাক, মালবাহী পরিবহন, বাসের ছাদে যাত্রা না করার জন্য। এ ধরনের ঝুঁকিপূর্ণ যাত্রায় শামিল হলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।


তিনি বলেন, আমাদের উচিত একটু দেরি হলেও সুস্থ ও সুন্দরভাবে বাড়ি গিয়ে স্বজনদের সঙ্গে ঈদ করা।


ঈদুল আজহার সরকারি ছুটি ১৬ থেকে ১৮ জুন পর্যন্ত হলেও এর আগে শুক্রবার ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি হওয়ায় মোট পাঁচ দিনের ছুটি পাচ্ছেন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।



আরও খবর



ঈদের আমেজ শেষে ঢাকামুখী মানুষের ভিড়

প্রকাশিত:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ |

Image

সদরুল আইনঃ


প্রিয়জনদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে ঢাকা ছেড়েছিলেন লাখো মানুষ। সেই আনন্দ ও ছুটি শেষে জীবিকার তাগিদে ফের রাজধানীমুখী হচ্ছে তারা।


শুক্রবার (২১ জুন) সকাল থেকে কর্মজীবী মানুষরা ঢাকায় ফিরতে শুরু করেছেন। চাপ বেড়েছে গাবতলী, মহাখালী ও সায়েদাবাদে। সড়ক ছাড়া সদরঘাটেও অনেক চাপ।


দেখা যায়, বিভিন্ন জেলা থেকে মানুষ ঢাকায় ফিরছে। দূরপালার বাস থেকে নেমে গন্তব্যে যেতে সিএনজি, উবার ও পাঠাওয়ে শরণাপন্ন হচ্ছেন।


কাহহার নামে এক সিএনজিচালক বলেন, এতদিন মানুষের চাপ ছিল না। তবে আজ থেকে আবারও যাত্রীদের চাপ বাড়তে শুরু করেছে। সকাল থেকে গাবতলীর যাত্রী নিয়ে রাজধানীর বিভিন্ন জায়গায় গিয়েছি।



ভাড়ায় মোটরসাইকেলচালক রনি খাঁ বলেন, আজ থেকে সাধারণ মানুষ ঢাকায় ফিরতে শুরু করেছে। সকাল থেকে সায়েদাবাদ থেকে অনেকগুলো ট্রিপ পেয়েছি, ভালো লাগছে।


কুষ্টিয়া থেকে বাসে গাবতলী এসেছেন সৈকত হোসেন। তিনি বলেন, ঢাকায় এলাম কোনো ভোগান্তি ছাড়াই। এমনকি দৌলতদিয়া ফেরি ঘাটেও কোনো যানজট ছিল না।


এদিকে সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে দেখা যায়, ঢাকাফেরা মানুষের ভিড়। তাদের কেউ বন্ধু-বান্ধবের সঙ্গে ফিরছেন। আবার কেউ ফিরছেন পরিবার নিয়ে। 


কারও সঙ্গে রয়েছে বাড়ি থেকে নিয়ে আসা বিভিন্ন জিনিসপত্রের ব্যাগ। তবে লঞ্চের মাধ্যমে ঢাকামুখী এ যাত্রায় কোনো অনিয়ম বা বড় ধরনের ভোগান্তির অভিযোগ পাওয়া যায়নি।


গত ১৬, ১৭, ১৮ জুন (রবি, সোম ও মঙ্গল) ছিল ঈদের ছুটি। ছুটি শেষে বুধবার কাজে যোগ দিয়েছেন অনেকে। এদিন সরকারি-বেসরকারি অফিস এবং ব্যাংক খুলতে দেখা গেছে। তবে পুরোদমে ফেরেনি কর্মচাঞ্চল্য।



 কারণ, একদিন অফিস (বৃহস্পতিবার) করার পরই আবার শুক্র ও শনিবার (২২ জুন) সাপ্তাহিক ছুটি। এই ছুটি শেষে রোববার (২৩ জুন) থেকে রাজধানী হয়তো ফিরে যাবে আগের রূপে।



আরও খবর