Logo
শিরোনাম

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ : শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে ৪ রানে হারলো বাংলাদেশ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ |

Image

বিডি টু ডে ক্রীড়া  রিপোর্ট:



আগে থেকে অনুমান ছিল ম্যাচ হবে লো স্কোরিং। সেই অনুমানটা ঠিক হলো। শ্বাসরুদ্ধকর সেই ম্যাচে হার নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছে বাংলাদেশকে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে মাত্র ৪ রানে হেরেছে বাংলাদেশ।


সোমবার (১০ জুন) নিউ ইয়র্কের নাসাউ কাউন্টি ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান নেয় প্রোটিয়ারা। ব্যাট করতে নেমে পেসার তানজিম হাসান সাকিবের বোলিং তোপে বিপর্যয়ে পড়ে দক্ষিণ আফ্রিকা। তবে হেনরিখ ক্লাসেন ও ডেভিড মিলারের ব্যাটে কিছুটা বিপর্যয় সামাল দেয় প্রোটয়ারা।


এই দুই ব্যাটারের ব্যাটে নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ৬ উইকেট হারিয়ে ১১৩ রান সংগ্রহ করে দক্ষিণ আফ্রিকা। ক্লাসেন ৪৪ বলে ৪৬ রান ও মিলার ৩৮ বলে ২৯ রান করেন। বাংলাদেশের পক্ষে তানজিম সাকিব ৩টি ও তাসকিন নেন ২টি উইকেট। 


১১৪ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই তানজিদ তামিমের উইকেট হারায় বাংলাদেশ। ৯ বলে ৯ রান করে সাজঘরে ফিরে যান এই টাইগার ওপেনার।


তানজিদ তামিমের বিদায়ের পর ক্রিজে আসা লিটন দাসকে সঙ্গে নিয়ে সাবধানে ব্যাট করতে থাকেন শান্ত। তবে দলীয় ২৯ রানে ১৩ বলে ৯ রান করে আউট হন লিটন। 


এরপর দ্রুতই জোড়া উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ। সাকিব আল হাসান ৪ বলে ৩ ও শান্ত ২৩ বলে ১৪ রান করে সাজঘরে ফিরে যান।


তাদের বিদায়ের পর মাহমুদউল্লাহ রিয়াদকে সঙ্গে নিয়ে হাল ধরেন তাওহিদ হৃদয়। দেখেশুনে খেলতে থাকেন এই দুই ব্যাটার। ৪৪ রানের জুটিতে বাংলাদেশকে ম্যাচে ফেরান তারা। তবে দলীয় ৯৪ রানে ৩৪ বলে ৩৭ রান করে আউট হন হৃদয়।


হৃদয়ের বিদায়ের পর ক্রিজে আসা জাকের আলিকে সঙ্গে নিয়ে ব্যাট করতে থাকেন মাহমুদউল্লাহ। তবে দলীয় ১০৭ রানে ৯ বলে ৮ রান করে আউট হন জাকের।


এরপর লড়াই চালিয়ে যান মাহমুদউল্লাহ। শেষ ২ বলে জয়ে প্রয়োজন হয় ৬ রান। লং অনে ব্যাট চালান মাহমুদউল্লাহ। তবে অল্পের জন্য বাউন্ডারি লাইনে মার্করামের হাতে পড়েন তিনি। সেইসঙ্গে বাংলাদেশ জয়ের স্বপ্নও শেষ হয়ে যায়।


শেষ পর্যন্ত ২০ ওভার শেষে ৭ উইকেট হারিয়ে ১০৯ রান করতে সক্ষম হয় বাংলাদেশ। দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে কেশভ মহারাজ নেন ৩টি উইকেট।     




আরও খবর



ঢাকায় কনসার্টের পরেরদিন মাকে হারালেন মোনালি

প্রকাশিত:শনিবার ১৮ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ |

Image

 ডিজিটাল ডেস্ক :

ভারতের জনপ্রিয় গায়িকা ও অভিনেত্রী মোনালি ঠাকুরের মা মারা গেছেন। ১৮ দিন লাইফ সাপোর্টে থাকার পর শুক্রবার দুপুরে মৃত্যু হয়েছে মোনালির মা মিনতি ঠাকুরের।

আনন্দবাজারের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মোনালি ঠাকুরের মায়ের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন তার বড় বোন মেহুলি ঠাকুর। শুক্রবার (১৭ মে) মেহুলি ফেসবুকে লেখেন, ‘শিকল ছিঁড়ে গেছে...অবশেষে কষ্টের অবসান...। বেলা ২টা বেজে ১০ মিনিটে মা স্থির হয়ে গেছে।’

ইনস্টাগ্রামে মায়ের সঙ্গে ছবি শেয়ার করে মোনালি ঠাকুর লিখেছেন, ‘কঠিন পরিস্থিতিতে কীভাবে লড়াই করব মা, এই একাকিত্ব এই যন্ত্রণা বড্ড অসহায় লাগছে। কিন্তু এবার সময় এসে গেছে, তাকে লাইফ সাপোর্ট থেকে বের করে নেওয়ার মতো কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হবে আমাকে এবং তৈরি হতে হবে।


আমার মাকে শান্তি দাও ঈশ্বর এবং আমাকে সাহায্য করো। এখন মাকে ছাড়া আমার জীবনটাই বা কীভাবে কল্পনা করব। আর নিজেকে ঠিক রাখতে পারছি না।’

এদিকে মায়ের মৃত্যুর একদিন আগে ঢাকায় কনসার্ট করে গেছেন মোনালি। বৃহস্পতিবার (১৬ মে) কলকাতা থেকে রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ লাইনে এক গানের অনুষ্ঠান অংশ নেন এই শিল্পী।

বিশেষ অতিথি হিসেবে গান শোনানোর কথা ছিল তার। আগেই চুক্তি সেরেছিলেন গায়িকা। তাই আর না করতে পারেননি। কথা রেখে ঢাকায় এসে মঞ্চে পারফর্ম করে গেছেন।

তার সেই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। এক ভিডিওতে দেখা যায়, বৃহস্পতিবার (১৬ মে) ঢাকার একটি কনসার্টে মোনালি ঠাকুর গান গাইছেন তার মায়ের স্বাস্থ্যের অবনতি হওয়ার খবর পাওয়ার পরেও। আর সেখানেই তিনি তার মাকে উদ্দেশ্য করে গেয়েছেন।

বিষন্ন মনে মোনালির কণ্ঠে শোনা যায় রবীন্দ্রসংগীত। যেখানে মাকে উদ্দেশ্য করে এই সংগীতশিল্পী গাইলেন ‘তুমি রবে নীরবে’। গাইতে গাইতে গলা বুজে আসে গায়িকার। কেঁপে যায় গলা। তবুও গান থামান না তিনি।


আরও খবর



শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস আজ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ |

Image

বিডি টু ডে ডেস্ক:


আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস আজ। দীর্ঘ ১১ মাস কারাভোগের পর ২০০৮ সালের ১১ জুন সংসদ ভবন চত্বরে স্থাপিত বিশেষ কারাগার থেকে মুক্তি পান তিনি। 


সেনা সমর্থিত ১/১১-এর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় ২০০৭ সালের ১৬ জুলাই গ্রেফতার হয়েছিলেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।


কারাগারের থাকা অবস্থায় শেখ হাসিনা অসুস্থ হয়ে পড়লে বিদেশে চিকিৎসার জন্য তাকে মুক্তি দেয়ার দাবি ওঠে বিভিন্ন মহল থেকে। আওয়ামী লীগসহ অন্যান্য অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের ক্রমাগত চাপ, আপসহীন মনোভাব ও অনড় দাবির মুখে তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার শেখ হাসিনাকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়। 


এরপর থেকে দিনটি শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস হিসেবে পালন করে আসছে আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনগুলো।


মুক্তি পেয়েই চিকিৎসার উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্রে যান তিনি। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায়ই তার অস্থায়ী জামিনের মেয়াদ কয়েক দফা বাড়ানো হয়। ২০০৮ সালের ৬ নভেম্বর দেশে ফিরলে স্থায়ী জামিন দেওয়া হয় তাকে।


এরপর ২০০৮ সালের ৬ নভেম্বর দেশে ফিরলে স্থায়ী জামিন দেওয়া হয় তাকে। একই বছর ২৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে জয় লাভ করে। ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে গঠিত হয় মহাজোট সরকার।


সর্বশেষ দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জনের মধ্য দিয়ে টানা চতুর্থ মেয়াদে প্রধানমন্ত্রী দায়িত্ব পেয়েছেন বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা।






আরও খবর



ফের অস্থির ডিমের বাজার

প্রকাশিত:শনিবার ১৮ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ |

Image

 ডিজিটাল ডেস্ক:


ফের অস্থির হয়ে উঠেছে ডিমের বাজার। রাজধানীর খুচরা বাজারে গত এক মাসের ব্যবধানে প্রতি ডজন ডিমের দাম বেড়েছে ৩০ থেকে ৩৫ টাকা। ফলে বিপাকে পড়েছেন সাধারণ ভোক্তারা।


শনিবার (১৮ মে) রাজধানীর সেগুনবাগিচা, শান্তিনগর, মালিবাগ, নিউমার্কেট, হাতিরপুলসহ কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি হালি ডিম বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৫২ টাকায়। যা মাসখানেক আগেও বিক্রি হয়েছে ৩৮ থেকে ৪০ টাকায়।


এদিকে ডিমের দাম বাড়ার বিষয়টি বাজারদরের প্রতিবেদনে তুলে ধরেছে সরকারের বিপণন সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশও (টিসিবি)।


ডিম ব্যবসায়ীরা বলেছেন, গত কিছু দিনে সারা দেশে তীব্র দাবদাহের কারণে খামারে অনেক মুরগি মরে গেছে। এতে ডিমের উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে।



ব্যবসায়ীরা আরও বলছেন, এক মাস আগে রমজানের সময় ডিমের চাহিদা কম ছিল। তখন দামও কমেছিল। এখন ডিমের চাহিদা বেড়েছে। কিন্তু ডিমের উৎপাদন কমেছে। এরফলে বেড়েছে ডিমের দাম।


তবে খুচরা ব্যবসায়ীরা বলছেন, হালিপ্রতি ডিমের দাম যা বেড়েছে, তা অস্বাভাবিক। আমাদের কিছু করার নেই।


কৃষি বিপণন অধিদপ্তর ডিমের উৎপাদন খরচ হিসেব করে একটি ডিমের দাম সর্বোচ্চ ১০ টাকা ৪৯ পয়সা হতে পারে বলে জানিয়েছে। গত ১৫ মার্চ কৃষি বিপণন অধিদপ্তর ২৯টি পণ্যের দাম বেঁধে দিয়েছিল। সেখানে ডিমের খুচরা দাম নির্ধারণ করা হয় ১০ টাকা ৪৯ পয়সা।


এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ পোলট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব খন্দকার মো. মোহসিন বলেন, গরমের কারণে ডিমের উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। যার প্রভাব পড়েছে ডিমের দামের ওপর।


তিনি বলেন, বাজারে সবজি ও মাছের দাম বাড়ায় ভোক্তারা ডিমের প্রতি বেশি ঝুঁকেছে। ডিমের দাম বাড়ার এটিও একটি কারণ বলে মনে করেন তিনি।


এক শ্রেণীর ব্যবসায়ী কোল্ড স্টোরেজে ডিম সংরক্ষণ করেছে। এখন সেই ডিম তারা বেশি দামে বিক্রি করছে। এ কারণে ডিমের দাম বেড়েছে। এমন অভিযোগ প্রান্তিক খামারিদের সংগঠন বাংলাদেশ পোলট্রি অ্যাসোসিয়েশনের (বিপিএ) সভাপতি সুমন হাওলাদারের।


ভোক্তারা বলছেন, পুষ্টি চাহিদা পূরণে ডিম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ডিম এখন সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। 


বাজারে নিত্যপণ্যের দাম যে হারে বাড়ছে, তাতে পরিবার নিয়ে টিকে থাকাই বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।


আরও খবর



কাওরানবাজারের আগুন নিয়ন্ত্রণে

প্রকাশিত:শনিবার ১৮ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ |

Image

ডিজিটাল ডেস্ক:


রাজধানীর কাওরানবাজারে লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। ফায়ার সার্ভিসের ৬টি ইউনিটসহ স্থানীদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বেলা পৌনে ১১টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে এখনও কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির খবর জানা যায়নি।


শনিবার (১৮ মে) সকাল ১০টার দিকে আগুনের খবর পাওয়া যায়। ফায়ার সার্ভিসের ডিউটি অফিসার লিমা খানম গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।


প্রদ্যক্ষদর্শীরা বলছেন, বৃষ্টিভেজা সকালে হঠাৎ করেই ধোঁয়াচ্ছন্ন হয়ে পরে কাওরানবাজার। লা ভিঞ্চি হোটেলের পাশে একটি টিনশেড রুম থেকে ধোঁয়া দেখা যায়। ধারণা করা হচ্ছে, হোটেলের ওই জেনারেটর রুম থেকেই আগুনের সূত্রপাত।


আগুন লাগার খবরে বাজারের লোকজন জড়ো হয়ে তা নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালায়। পরে খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। পরে একে একে আরও ইউনিট কাজে যুক্ত হয়।


আরও খবর



এমপি আনার হত্যায় সিয়ামের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

প্রকাশিত:সোমবার ০৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ |

Image

সদরুল আইন:


ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনারকে খুনের উদ্দেশ্যে অপহরণের মামলার আসামি সিয়াম হোসেনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আদেশ দিয়েছেন আদালত। 


গতকাল রোববার সন্ধ্যায় ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুবুল হকের আদালত এই আদেশ দেন। এ বিষয়ে আজ সোমবার (৩ মে) শেরেবাংলা নগর থানার সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা জালাল উদ্দিন এ তথ্য জানিয়েছেন।



জালাল উদ্দিন বলেন, গত রোববার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের সহকারি পুলিশ কমিশনার মাহফুজুর রহমানের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই পরোয়ানা জারি করেন আদালত।



এদিকে আনোয়ারুল আজীম আনার হত্যায় জড়িত সিয়াম হোসেনকে বাংলাদেশ পুলিশের ন্যাশনাল সেন্ট্রাল ব্যুরো (এনসিবি) নেপালে আটক করেছে। বাংলাদেশি পাসপোর্টধারী সিয়াম কলকাতার নিউ টাউনের সঞ্জিভা গার্ডেনসের ফ্ল্যাটে আনারকে খুনের পর নেপালে আত্মগোপন করে। 


এরপরই ঢাকার পুলিশ তার অবস্থান নিশ্চিত হয়ে কাঠমান্ডু এনসিবিতে তাকে আটকের জন্য অনুরোধ জানিয়ে মেইল পাঠায়। পুলিশ সূত্র বলছে, সিয়ামকে বাংলাদেশে পুলিশের হাতে তুলে দিতে চাচ্ছে কাঠমান্ডু পুলিশ।


এরইমধ্যে ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদের নেতৃত্বে তিন সদস্যের দল নেপাল গেছেন। তবে দেশটির সঙ্গে বাংলাদেশের বন্দি বিনিময় চুক্তি না থাকায় সিয়ামকে ফেরাতে জটিলতা দেখা দিয়েছে।


মামলার নথি থেকে জানা যায়, গত ১২ মে সন্ধ্যায় আনোয়ারুল আজীমের মেয়ে মুমতারিন ফেরদৌস ডরিন শেরেবাংলা নগর থানায় এই মামলা দায়ের করেন। এজাহারে ডরিন বলেন, “মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ের বাসায় আমরা সপরিবারে বসবাস করি।


 ৯ মে রাত ৮টার দিকে আমার বাবা আনোয়ারুল আজীম আনার গ্রামের বাড়ি ঝিনাইদহ যাওয়ার উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন। ১১ মে বিকাল পৌনে ৫টার দিকে বাবার সঙ্গে ভিডিওকলে কথা বললে তার কথাবার্তায় কিছুটা অসংলগ্ন মনে হয়। 


এরপর বাবার মোবাইল নম্বরে একাধিকবার কল দিলেও বন্ধ পাই। গত ১৩ মে বাবার ভারতীয় নম্বর থেকে উজির মামার হোয়াটসঅ্যাপে একটি ক্ষুদে বার্তা আসে। এতে লিখা ছিল, ‘আমি হঠাৎ করে দিল্লি যাচ্ছি, আমার সঙ্গে ভিআইপি রয়েছে। 


আমি অমিত সাহার কাজে নিউ টাউন যাচ্ছি। আমাকে ফোন দেওয়ার দরকার নাই। আমি পরে ফোন দেবো।’ এছাড়া আরও কয়েকটি বার্তা আসে। ক্ষুদে বার্তাগুলো আমার বাবার মোবাইল ফোন ব্যবহার করে অপহরণকারীরা করে থাকতে পারে।”



ডরিন আরও বলেন, ‘বিভিন্ন জায়গায় বাবার খোঁজ করতে থাকি। কোনো সন্ধান না পেয়ে তার বন্ধু গোপাল বিশ্বাস বাদী হয়ে ভারতীয় বারানগর পুলিশ স্টেশনে সাধারণ ডায়েরি করেন। এরপরও আমরা খোঁজাখুজি অব্যাহত রাখি। পরবর্তীতে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জানতে পারি অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিরা পূর্ব পরিকল্পিতভাবে পরস্পর যোগসাজশে বাবাকে অপহরণ করেছে।’



এদিকে এ মামলায় শিমুল ভুইঁয়া ওরফে শিহাব ওরফে ফজল মোহাম্মদ ভুইঁয়া ওরফে আমানুল্যাহ সাঈদ, তানভীর ভুইঁয়া ও শিলাস্তি রহমান প্রথম দফায় আট দিনের রিমান্ড শেষে দ্বিতীয় দফায় পাঁচ দিনের রিমান্ডে রয়েছে।


আরও খবর