Logo
শিরোনাম
রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন কমপ্লিট শাটডাউন : ঢাকাসহ সারা দেশে বিজিবি মোতায়েন জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ইট বোঝায় ট্রাক খাদে কুষ্টিয়ায় আন্দোলনকারী ও ছাত্রলীগের মধ্যে সংঘর্ষ -কয়েকটি মোটর সাইকেলে আগুন পুঠিয়ায় আ’লীগের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা লালমনিরহাটে অনুষ্ঠিত হয়েছে তিস্তা সমাবেশ বেনাপোল স্থল বন্দর দিয়ে মিথ্যা ঘোষণায় আমদানি করা হয়েছে ১৮ কোটি টাকার সালফিউরিক এসিড কুমারখালীতে মহাসড়ক অবরোধ করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, আহত-২ শরণখোলায় নার্সের চিকিৎসার অবহেলায় এক রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ শেরপুরে কোটাবিরোধী শিক্ষার্থী-ছাত্রলীগের সংঘর্ষ, সাংবাদিকসহ আহত-২০

তিস্তার পানি নিয়ে মোদিকে এক হাত নিলেন মমতা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৯ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২০ জুলাই ২০24 |

Image



বিডি টুডেস ডেস্ক:


ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ফের কড়া সমালোচনা করলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। 



ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, সোমবার (৮ জুলাই) প্রশাসনিক বৈঠকে কেন্দ্রীয় সরকারকে এক হাত নেন মুখ্যমন্ত্রী। 


খবরে বলা হয়েছে, গতকালের বৈঠকে মমতা উত্তরবঙ্গের বন্যা পরিস্থিতি, শহরের যানজট থেকে মূল্যবৃদ্ধিসহ বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলেন। সেইসঙ্গে দামোদর ভ্যালি কর্পোরেশনের (ডিভিসি) পানি ছাড়া নিয়েও কেন্দ্রীয় সরকারের সমালোচনা করেন। 



মমতা বলেন, গঙ্গায় ভাঙন দেখার দায়িত্ব কেন্দ্রের। কিন্তু কেন্দ্র গত ১০ বছরে তা করেনি। বাঁধ থেকে পানি ছাড়ার আগে প্রতিদিন ডিভিসির রিপোর্ট তাকে পাঠাতে হবে।


তিস্তা চুক্তির পুনর্নবীকরণ নিয়েও কেন্দ্রকে এক হাত নিয়েছেন তিনি। তার মতে, তিস্তার পানি বাংলাদেশকে দিয়ে দেওয়া হলে উত্তরবঙ্গের মানুষ পানি পাবেন না। 



২২তম ইন্দো-রাশিয়া সামিটে যোগ দিতে দুই দিনের বর্তমানে রাশিয়ায় আছেন নরেন্দ্র মোদি। সোমবার তিনি মস্কো বিমানবন্দরে পৌঁছান। রাশিয়া সফরের পর মোদি যাবেন অস্ট্রিয়ায়।


ইউক্রেনের সঙ্গে রাশিয়ার যুদ্ধের পরিপ্রেক্ষিতে নরেন্দ্র মোদির এই সফরকে বেশ তাৎপর্যপূর্ণভাবে দেখছে পুরো বিশ্বের কূটনীতি। 


ভারতে তৃতীয়বার ক্ষমতায় আসার পর এটি মোদির প্রথম রাশিয়া সফর।


আরও খবর



স্কুল পডুয়া শিক্ষার্থীদের কাছে অশ্লিল ভিডিও সরবরাহকারী ৩ জন আটক

প্রকাশিত:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৯ জুলাই ২০২৪ |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, সিনিয়র রিপোর্টার :

পর্নোগ্রাফি সংরক্ষণ ও বিক্রয় চক্রের মূলহোতা সহ ৩ জনকে আটক করেছে র‌্যাব। আটককৃত ৩ জনের মধ্যে ২ জন নওগাঁর।গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে, র‌্যাব-৫, সিপিসি-৩, জয়পুরহাট ক্যাম্পের একটি চৌকস অপারেশনাল দল ২২ জুন শনিবার দিনগত রাতে জয়পুরহাট জেলার আক্কেলপুর থানাধীন কলেজ বাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে পর্নোগ্রাফি (অশ্লিল) ভিডিও সংরক্ষণ ও সরবরাহকারী মূলহোতা সহ জাহিদুল ইসলাম সহ মোট ৩ জনকে আটক করেন। আটককৃত ৩ জন হলেন, জাহিদুল ইসলাম (৩৩)

পিতা- মোঃ সামসুদ্দিন মন্ডল, গ্রাম আওয়ালগাড়ি, থানা-আক্কেলপুর, জেলা- জয়পুহাট এবং মোঃ আবুল কালাম (৪০) পিতা আমজাদ হোসেন, গ্রাম পূর্ব খাদাইল, থানা- বদলগাছী, জেলা- নওগাঁ ও রিপন হোসেন (৩০), পিতা আজিজুল হক, গ্রাম পশ্চিম কাদাইল, থানা-বদলগাছী, জেলা নওগাঁ। এছাড়া গ্রেফতার করে ও পলাতক আসামী শ্রী বণিক ঘোষ (৩৮), পিতা-শ্রী রণজিৎ ঘোষ, সাং-ঘোষ পাড়া, থানা-আক্কেলপুর, জেলা- জয়পুরহাট।

আটককৃত আসামীগণ জয়পুরহাটের আক্কেলপুর কলেজ বাজার এলাকায় পর্ণগ্রাফি চক্রের মূলহোতা জাহিদুলের নেতৃত্বে তাদের দোকানের নিজস্ব কম্পিউটারের হার্ডডিক্সে অশ্লীল সিনেমা ও  ভিডিও ক্লিপ আপলোড ব্যবসার পাশাপাশি পর্নোগ্রাফি সংরক্ষণ করে টাকার বিনিময়ে বিভিন্ন ইলেকট্রিক ডিভাইসের মাধ্যমে স্থানীয় কিশোর ও স্কুল পডুয়া ছাত্রদের কাছে পর্নোগ্রাফি ভিডিও সরবরাহ করে আসছিলো। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-৫, সিপিসি-৩ এর গোয়েন্দা দল অশ্লিল সিনেমা ও গানের ভিডিও ক্লিপ আপলোড ব্যবসার পাশাপাশি পর্নোগ্রাফি সরবরাহের বিষয়টি তদন্ত শুরু করে এবং তদন্তে এর সত্যতা পাওয়ার পরই র‌্যাব-৫, সিপিসি-৩ এর অভিযানিক দল অভিযান চালিয়ে উক্ত পর্নো ব্যবসায়ীদেরকে আটক করতে সমর্থ হয় এবং পলাতক আসামী বণিক কৌশলে পালিয়ে যায়। এঘটনায় যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে আটককৃত ৩ জনকে জয়পুরহাট জেলার আক্কেলপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও নিশ্চিত করেছেন র‌্যাব।


আরও খবর



মশার উপদ্রবে অতিষ্ঠ গরবাসী

প্রকাশিত:বুধবার ০৩ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৯ জুলাই ২০২৪ |

Image

রাজধানীতে ফের বেড়েছে মশার উপদ্রব। দিনে রাতে সর্বত্র মশার দাপটে অতিষ্ঠ নগরবাসী। বাসাবাড়ি, অফিস আদালত, রেস্টুরেন্ট, গণপরিবহণসহ মশার উৎপাত সহ্য করতে হচ্ছে নাগরিকদের। এমনকি গণভবনেও মশার উৎপাত বেড়েছে বলে জানিয়েছেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মশক নিয়ন্ত্রণে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন নানা পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানালেও এর সুফল পাচ্ছে না নগরবাসী।

মশার উৎপাত বৃদ্ধির কারণ হিসেবে দুই সিটি করপোরেশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, দুই সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকেই খাল পরিষ্কারের কাজ করা হচ্ছে। এতে ময়লা-আবর্জনাতে জন্ম নেওয়া মশা উড়ে বাসাবাড়িতে চলে যাচ্ছে। শীতকালীন সময়ে দেশের খাল ও জলাশয়গুলো শুকনা থাকে। বিশেষ করে কচুরিপানা ও পানিতে ভাসমান বিভিন্ন ময়লা-আবর্জনা থাকা মশাগুলো সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েছে বলে দাবি করছেন তারা। তাছাড়া এ সময়ে প্রাকৃতিকভাবেই কিউলেক্স মশার উপদ্রব বেড়ে যায়। তবে এডিস মশা নিয়েও সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা।

তবে তাদের এ দাবির সঙ্গে ভিন্নমত পোষণ করেছেন কীটতত্ত্ববিদরা। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক কীটতত্ত্ববিদ ডক্টর কবিরুল বাশার যায়যায়দিনকে বলেছেন, খাল পরিষ্কারের কারণে মশার উপদ্রব বৃদ্ধি পেয়েছে এ ঠিক না। খাল পরিষ্কার করলে সেখানে সাথে সাথে লার্ভি সাইট (মশার ডিম ধ্বংস করার ওষুধ) প্রয়োগ করার কথা।

মশার উৎপাত বৃদ্ধির কারণ হিসেবে তিনি বলেন, প্রতি বছরই এই সময় প্রাকৃতিকভাবে কিউলেক্স মশার উপদ্রব বেড়ে যায়। পচা পানিতে এ মশার বংশ বিস্তার করে। এ সময় পানিতে অর্গানিক কমপাউন্ড বেড়ে যায়। এটা মশা বৃদ্ধির অন্যতম কারণ।

মশক নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন পরামর্শ দিয়ে কবিরুল বাশার বলেন, প্রতি সাত দিন অন্তর অন্তর এডাল্টি সাইট ও লার্ভি সাইট প্রয়োগ করেত হবে। নিয়মিত জলাশয় ও পানি জমে থাকার স্থানগুলো পরিষ্কার করতে হবে। তবে একবার ওষুধ দিয়ে আবার ১০-১৫ দিন পর দিলে হবে না। মশা নিয়ন্ত্রণে আনতে হলে প্রতি সাত দিন পরপরই ওষুধ প্রয়োগ করার পরামর্শ দেন এ কীটতত্ত্ববিদ।

এদিকে, ঢাকা ও দেশের বিভিন্ন শহর এলাকার মশার উপদ্রব বেড়ে যাওয়ায় ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া নিয়ন্ত্রণে চলতি সপ্তাহে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা ডেকেছে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়। এ সভায় মশক নিধনে সিটি করপোরেশনগুলোর গৃহীত কার্যক্রম পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হবে।

সিটি করপোরেশন সূত্র বলছে, প্রতিদিনই সকাল-সন্ধ্যা মশার ওষুধ ছিটানো হচ্ছে। বেশ কয়েক দফায় মশার ওষুধ পরিবর্তনও করা হয়েছে। নিজেদের সুরক্ষার জন্য বাসাবাড়ির আঙিনাসহ সর্বত্রই পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা রাখতে নাগরিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন সিটি করপোরেশন সংশ্লিষ্টরা।

ডিএনসিসির স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, করোনার মধ্যে লকডাউনেও পাঁচবার চিরুনি অভিযান পরিচালনা করেছে সংস্থাটি। এজন্য এ বছর এডিসের প্রকোপ গতবারের মতো ছিল না। তেমনি কিউলেক্স মশা নিয়ন্ত্রণেও বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ১০টি অঞ্চলের জন্য ১০টি মিক্সড বেস্নায়ার কেনা হচ্ছে। এগুলো দিয়ে ওষুধ ছিটানো শুরু হলে আরও ভালো ফলাফল পাওয়া যাবে।

অন্যদিকে, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) গুলশান, বনানী, মিরপুর, কাজীপাড়া, শেওড়াপাড়া, উত্তরা, তেজগাঁও, ভাসানটেক, বাড্ডা, রামপুরা, হাতিরঝিল ও বনশ্রীসহ বিভিন্ন এলাকায় মশার উপদ্রব বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানা গেছে।

উত্তরা এলাকার বাসিন্দা লুৎফুন্নাহার জানান, দিনে রাতে মশার অত্যাচারে ঘরে থাকা দায়। দিনের বেলায়ও মশারি টাঙিয়ে ঘুমাতে হয়। সিটি করপোরেশনের ওষুধ ছিটানো প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সিটি করপোরেশন ওষুধ দিলে বাইরের মশা ঘরে চলে আসে।

হাতিরঝিলে ঘুরতে আসা দর্শনার্থীদেরও পড়তে হয় মশার বিড়ম্বনায়। ঝিলের পাড়ের বিভিন্ন রেস্টুরেন্টে বসে অবসর সময় কাটাতে আসা নগরবাসীকে সহ্য করতে হয় মশার কামড়। বেশ কয়েকটি রেস্টুরেন্টর কর্মচারীরা জানিয়েছেন, হাতিরঝিলে বেড়াতে আসা মানুষজন মশার কামড়ে রেস্টুরেন্টেও টিকতে পারে না। তাই প্রতিটি টেবিলের নিচে মশার কয়েল জ্বালিয়ে রাখেন তারা।

ঝিলের পাড়ে পরিবার নিয়ে ঘুরতে আসা শাকিল আহমেদ জানান, এখানে এক মিনিটও টিকা দায়। এত মশা আগে কখনোই দেখিনি। দলবেঁধে মশা এসে নাকে-মুখে লাগে।

গুলশান গুদারাঘাট এলাকার এক ঝালমুড়ি বিক্রেতা জানান, মশার জ্বালায় কোথাও দাঁড়াতে পারি না। শরীরের বিভিন্ন স্থানে মশা এমনভাবে কামড় দেয় যেন শরীরে পিঁপড়া কামড়াচ্ছে।

যাত্রাবাড়ীর সাইনবোর্ড এলাকার আনিসুর রহমান জানান, রাতে তো আছেই দিনেও মশার অত্যাচারে টিকা যায় না। ক'দিন আগেও মশার ওষুধ দিয়েছে। কিন্তু কোনো ফল পাওয়া যায়নি।

ধানমন্ডি ১৫ নম্বর এলাকার আবু বকর জানান, এই সময়টা প্রতি বছরই মশার উপদ্রব বাড়ে। সিটি করপোরেশনের ওপর ভরসা না পেয়ে নিজেরাই বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করছেন।

তাছাড়া ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ধানমন্ডি, নীলক্ষেত, নিউমার্কেট, পান্থপথ, মগবাজার, পল্টন, গুলিস্তান, মতিঝিল, কমলাপুর, পুরান ঢাকার বিভিন্ন এলাকা, মাতুয়াইল, ধনিয়া, সায়েদাবাদ, যাত্রাবাড়ী, মানিকনগরসহ প্রায় সব এলাকায় মশার উপদ্রব বৃদ্ধি পেয়েছে।

এ প্রসঙ্গে ডিএনসিসির প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জোবায়দুর রহমান বলেন, সম্প্রতি আমরা ওয়াসা থেকে খালগুলো বুঝে পেয়েছি। এগুলো আমরা পরিষ্কার করছি। এসব খাল থেকে কচুরিপানা পরিষ্কার করা হচ্ছে। এসব খাল ও কচুরিপানায় যেসব মশা থাকত তার একটি অংশ কিন্তু উড়ে লোকালয়ে যাচ্ছে। এটাও মশা বৃদ্ধি পাওয়ার একটা কারণ। তাছাড়া শীতের মৌসুমে ঋতুগত কারণে মশা বেড়েছে। কারণ এডিস যেমন পরিষ্কার জমা পানিতে হয়, তেমনি কিউলেক্স মশা নোংরা, অপরিষ্কার পানিতে হয়। শীতকালে এখন যে মশা সেটি মূলত কিউলেক্স মশা। অনেক জলাশয় শীতকালে শুকিয়ে যাওয়ায় সেখানে কিউলেক্স মশা জমছে। আবার বর্ষাকালে জলাশয়ের পানি যেমন বহমান থাকে শীতকালে কিন্তু তেমন না। তাই মশা বেড়েছে।


আরও খবর

রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




ফাইনালে টস জিতে ব্যাটিংয়ে ভারত

প্রকাশিত:শনিবার ২৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২০ জুলাই ২০24 |

Image



বর্তমান টুডেস ডেস্ক:


আজ পর্দা নামছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের। ফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে মাঠে নামছে ভারত।



 শনিবার (২৯ জুন) বার্বাডোজের ব্রিজটাউনের কেনসিংটন ওভালে টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ভারতের অধিনায়ক রোহিত শর্মা। 



নিজেদের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। অন্যদিকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথম আসরে শিরোপা জয়ের পর পরবর্তী সাত আসরে শিরোপা উঁচিয়ে ধরতে ব্যর্থ ভারতীয়রা।



এখন পর্যন্ত পুরো টুর্নামেন্টে অপরাজিত ভারতীয়রা। সুপার এইটে অস্ট্রেলিয়াকে হারানোর পর গত পরশু সেমিফাইনালে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ডকে হারিয়ে মধুর প্রতিশোধ নেওয়ার পাশাপাশি জায়গা করে নেয় স্বপ্নের ফাইনালে। শিরোপা জয়ের লড়াইয়ে অপরিবর্তিত একাদশ নিয়ে মাঠে নামছে ভারত।



অন্যদিকে ভারতের মতো অপরাজিত থেকে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। তবে প্রথম পর্বের প্রতিটি ম্যাচেই শ্বাসরুদ্ধকর জয় নিয়ে মাঠ ছাড়েন প্রোটিয়ারা। সেমিফাইনালে আফগানিস্তানকে ৯ উইকেটে হারিয়ে প্রথমবারের মতো ফাইনাল নিশ্চিত করে প্রোটিয়ারা। ভারতের মতো দক্ষিণ আফ্রিকাও মাঠে নামছে অপরিবর্তিত একাদশ নিয়ে। 


ভারতের একাদশ: রোহিত শর্মা (অধিনায়ক), বিরাট কোহলি, ঋষভ পন্থ (উইকেটরক্ষক), সূর্যকুমার যাদব, শিবম দুবে, হার্দিক পান্ডিয়া, অক্ষর প্যাটেল, রবীন্দ্র জাদেজা, আরশদীপ সিং, কুলদীপ যাদব ও জাসপ্রিত বুমরাহ।


দক্ষিণ আফ্রিকা একাদশ: কুইন্টন ডি কক, রিজা হেনড্রিকস, এইডেন মার্করাম, হাইনরিখ ক্লাসেন, ডেভিড মিলার, ট্রিস্টান স্টাবস, মার্কো ইয়ানসেন, কেশব মহারাজ, কাগিসো রাবাদা, আনরিখ নর্কিয়া ও তাব্রেইজ শামসি।


আরও খবর



হামাসের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি চুক্তি হলেও লড়াই চলবে : নেতানিয়াহু

প্রকাশিত:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডেস ডেস্ক:


সরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ইঙ্গিত দিয়ে বলেছেন, হামাসের সঙ্গে ‘আংশিক’ যুদ্ধবিরতি চুক্তির জন্য তার দেশ প্রস্তুত। 



হামাস সব পণবন্দিকে মুক্তি না দিলেও কিছুসংখ্যক পণবন্দির মুক্তির বিনিময়ে হলেও তিনি গাজায় সাময়িক যুদ্ধবিরতি করতে আগ্রহী। গতকাল রোববার (২৩ জুন) ইসরায়েলি গণমাধ্যম চ্যানেল ১৪-কে দেওয়া এক সাক্ষাতকারে তিনি এই কথা জানান।



নেতানিয়াহু বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য হলো পণবন্দিদের হামাসের কবল থেকে ফিরিয়ে আনা এবং গাজায় হামাসকে শাসন ব্যবস্থা থেকে উৎখাত করা।’ তিনি আরও জানান, হামাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধের অবসান ঘটাবে এমন কোনো চুক্তিতে তিনি রাজী নন। 



যদিও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, হামাসের সঙ্গে ইসরায়েলের পণবন্দি প্রত্যাবর্তন চুক্তি হলে গাজায় যুদ্ধ বন্ধের পথ তৈরি হবে।



এদিকে, গত শনিবার (২ জুন) থেকে চরম মাত্রায় সরকার বিরোধী বিক্ষোভে নেমেছে ইসরায়েলের সাধারণ জনগণ।  দফায় দফায় ইসরায়েলের রাজধানী তেল আবিবে হাজার হাজার ইসরায়েলি নেতানিয়াহু এবং তার সরকারের বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে সমাবেশ করছে। তাদের দাবি দ্রুত জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠান করা এবং বন্দিদের ফেরত আনার জন্য কার্যকর চুক্তির বাস্তবায়ন করা।


গত মে মাসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন যুদ্ধবিরতির একটি প্রস্তাব ঘোষণা করেছিলেন।  সেখানে উল্লেখ্য করা হয়, ছয় সপ্তাহের জন্য গাজায় যুদ্ধ বিরতির পাশাপাশি হামাসের কাছে থাকা ইসরায়েলি বন্দিদের ‍মুক্তির বিনিময়ে ইসরায়েলি কারাগারে বন্দি ফিলিস্তিনিদের মুক্তি দেওয়া হবে। এই চুক্তি স্থায়ী যুদ্ধবিরতির জন্য আলোচনার পথ সুগম করবে।


যদিও মার্কিন কর্মকর্তারা বলছেন, নেতানিয়াহু ও ইসরায়েলের শীর্ষ কর্মকর্তারা হামাস নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।



ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু চ্যানেল-১৪ কে আরও বলেন, ‘রাফায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযান প্রায় শেষ। হামাসের বিরুদ্ধেও যুদ্ধের তীব্র পর্যায় শেষের পথে। এর অর্থ এই নয় যুদ্ধ শেষ হতে চলেছে, আমরা রাফায় ভয়াবহ সামরিক অভিযানের সমাপ্তি টানছি। 



 গাজা থেকে হামাসকে উৎখাত করে আমরা স্থানীয় ফিলিস্তিনিদের নিয়ে একটি বেসামরিক প্রশাসন গঠন করতে চাই যাতে গাজায় মানবিক সাহায্যপণ্য সরবরাহ বজায় থাকে এবং পরে বেসামরিক জনগণের জন্য সুষ্ঠু ও সুন্দর বাসস্থান তৈরি করা যায়।’



আট মাসেরও বেশি সময় ধরে চলমান এই যুদ্ধে ৩৭ হাজার ৫৯৮ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। কয়েক লাখ মানুষ মানবেতর জীবন যাপন করছে। শিশু, নারী, বৃদ্ধ প্রতিদিনই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ছে। ভেঙে পেড়েছে খাদ্য সরবরাহ ও স্বাস্থ্য সেবা প্রদানের কাজ।



আরও খবর



জয়পুরহাট সরকারি কলেজে কর্তৃপক্ষের শর্ত মেনে ক্যাম্পাসে প্রবেশের নির্দেশনা

প্রকাশিত:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৯ জুলাই ২০২৪ |

Image
মোঃ আবু সুফিয়ান মুক্তার - জয়পুরহাট জেলা প্রতিনিধি::



রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্নস্থানে কোটা সংস্কার আন্দোলন করছেন শিক্ষার্থীরা। এই কোটা সংস্কার আন্দোলনের মধ্যেই জয়পুরহাট সরকারি কলেজ ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের প্রবেশে শর্ত দিয়ে দিল কর্তৃপক্ষ।

শনিবার (১৩ জুলাই) শর্ত দিয়ে কলেজের অধ্যক্ষ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। সেই শর্ত অনুযায়ী পরিচয়পত্র অথবা কলেজের ভর্তি ফরম ছাড়া কেউ প্রবেশ করতে পারবে না।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘জয়পুরহাট সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট সকলকে জানানো যাচ্ছে যে, অদ্য ১৩ জুলাই তারিখ হতে কলেজের আইনশৃঙ্খলা ও সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী কলেজ পরিচয়পত্র (আইডি কার্ড) অথবা কলেজ ভর্তি ফরম ছাড়া কেউ কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে পারবে না।

শিক্ষার্থী ও কলেজ সূত্রে জানা গেছে, কলেজের সকল শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্টরা পরিচয়পত্র ছাড়া কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতো। এতে অন্যকোনো কলেজের শিক্ষার্থী বা বহিরাগতরাও সহজেই কলেজে প্রবেশ করতে পারতো। এদিকে দেশে কোটা সংস্কার আন্দোলন করছে শিক্ষার্থীরা। সেই প্রভাব এখনও জয়পুরহাটে পড়েনি। কোনো শিক্ষার্থী এখনও কোটা সংস্কার আন্দোলন নিয়ে ক্যাম্পাস বা সড়কে নামেননি। তবে যেকোনো সময় শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে নামতে পারে এমন আশঙ্কায় রয়েছে কলেজ কর্তৃপক্ষের।

জয়পুরহাট সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম বলেন, কলেজ ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মচারীরা প্রবেশ করবে বাধা নেই। কোটা সংস্কার অন্দোলন শিক্ষার্থীদের আন্দোলন। এখন এই কলেজের শিক্ষার্থীরা যদি সেই আন্দোলন করে তাহলে এখানে কোনো বহিরাগত যেন এসে বিশৃঙ্খলা করতে না পারে এই কারনে শর্ত মেনে প্রবেশের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

আরও খবর